× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Pakistan on the way to bankruptcy Mustafa Jabbar
hear-news
player
google_news print-icon

পাকিস্তান দেউলিয়ার পথে: মোস্তাফা জব্বার

পাকিস্তান-দেউলিয়ার-পথে-মোস্তাফা-জব্বার
জাতীয় প্রেস ক্লাবে আলোচনা সভায় মোস্তাফা জব্বার। ছবি: নিউজবাংলা
মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘একাত্তরে পাকিস্তানি রুপির মূল্য, ভারতীয় রুপির মূল্য কম ছিল। আর এখন পাকিস্তানের রুপির মূল্য বাংলাদেশের টাকার মানের অর্ধেক। পাকিস্তান এখন দেউলিয়া হওয়ার পথে।

পাকিস্তান দেউলিয়া হওয়ার পথে বলে মন্তব্য করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে শুক্রবার এক আলোচনা সভায় তিনি এ দাবি করেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানানোর উদ্দেশ্য ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘একাত্তরে পাকিস্তানি রুপির মূল্য, ভারতীয় রুপির মূল্য কম ছিল। আর এখন পাকিস্তানের রুপির মূল্য বাংলাদেশের টাকার মানের অর্ধেক। পাকিস্তান এখন দেউলিয়া হওয়ার পথে।’

ভাষার ভিত্তিতে বাংলাদেশ রাষ্ট্র গঠিত হয়েছে উল্লেখ করে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা ও গণতন্ত্রের ওপর ভিত্তি করে রাষ্ট্র পরিচালনা করা হচ্ছে।’

নতুন প্রজন্মের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে নানা ধরনের মানুষ আছ। তার মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম, তারপর সনাতন ধর্মাবলম্বী। এরপর বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী আছে। এই মানুষগুলো প্রত্যেক ধর্মকে সম্মান করে ও নিজেদের ধর্ম পালন করে। কিন্তু ধর্মকে দিয়ে মনুষত্ব বিভাজন করে না।’

জিয়াউর রহমানের প্রসঙ্গ টেনে ক্ষমতাসীন দলের এই মন্ত্রী বলেন, ‘একাত্তরে আমরা সবাই মিলে পাকিস্তানবাদীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি। কিন্তু এরা রয়েই গেছে। বঙ্গবন্ধু এই পাকিস্তানপন্থিদের সামাল দিতে পারলেও জিয়াউর রহমান এসে ঠিক তার উল্টো করে দিলেন। জিয়ার উদ্দেশ্য ছিল এটিকে (বাংলাদেশ) পাকিস্তান রাষ্ট্র বানানো। তার উদ্দেশ্য ছিল পাকিস্তানি ভাবধারার দিকে দেশকে নিয়ে যাওয়া।’

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা মহাজোটের চেয়ারম্যান মনিরুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য অধ্যাপক নাসির উদ্দিন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপকমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সালাউদ্দিন আহম্মেদ (সালু)।

আরও পড়ুন:
কোন শেয়ারের দর বাড়বে-কমবে, ‘বলবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’
‘ডট বাংলা গ্রহণযোগ্য হলে ভালো অভিজ্ঞতা সম্ভব’
‘গ্রামীণফোন মালিকের’ উন্নত চিকিৎসা চান জব্বার
বাংলায় এসএমএস চার্জ অর্ধেক: মোস্তাফা জব্বার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Basic Bank Scam ACC Requests Malaysia For Clues

বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি: আলামত চেয়ে মালয়েশিয়াকে দুদকের অনুরোধ

বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি: আলামত চেয়ে মালয়েশিয়াকে দুদকের অনুরোধ
দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান নিউজবাংলাকে জানান, বৃহস্পতিবার এই প্রতিবেদন হলফনামা করা হয়েছে। সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

বেসিক ব্যাংকের দুই হাজার ৭৭ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় আলামত চেয়ে মালয়েশিয়াকে অনুরোধ জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পারস্পরিক আইনি সহায়তা চুক্তির (এমএলএআর) আওতায় এই অনুরোধ জানানো হয়েছে।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান শনিবার নিউজবাংলাকে জানান, বৃহস্পতিবার এই প্রতিবেদন হলফনামা করা হয়েছে। সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

বেসিক ব্যাংক দুর্নীতির মামলায় মোহম্মদ আলীর জামিন আবেদনের ওপর শুনানির জন্য ২৮ নভেম্বর দিন ধার্য রয়েছে।

এ ঘটনায় দায়ের করা ৫৬ মামলার মধ্যে ১২ মামলার আসামি ব্যাংকটির সাবেক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলীর জামিন শুনানিতে ৮ নভেম্বর হালনাগাদ তথ্য চেয়েছিল হাইকোর্ট। সে অনুসারে এই প্রতিবেদন দাখিল করা হচ্ছে।

মামলায় আত্মসাৎ করা অর্থের বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, বেসিক ব্যাংক লিমিটেডের বিভিন্ন শাখা থেকে প্রায় দুই হাজার ৭৭ কোটি ৩৪ লাখ দুই হাজার ৯৯১ টাকা, যা সুদসহ দুই হাজার ৫৯০ কোটি ৪৯ লাখ ৯১ হাজার চারশ’ ৫৩ টাকা আত্মসাতের দায়ে দুর্নীতি দমন কমিশন প্রাথমিক অনুসন্ধান করে মোট ৫৬টি মামলা করেছে।

মামলাগুলো দীর্ঘদিন ধরে তদন্তাধীন। তদন্ত দীর্ঘায়িত হওয়ার অন্যতম একটি কারণ হলো- আত্মসাৎকৃত অর্থ সম্পূর্ণরূপে নগদে উত্তোলনের মাধ্যমে টাকার অবস্থান গোপন করা হয়েছে। মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের শনাক্তকরণ ও তাদের জবানবন্দি গ্রহণ (১৬১ ধারায়) কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। সব সাক্ষীর কাছ থেকে আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। বর্ণিত মামলায় আলামত প্রচুর এবং ব্যাংকের বিশাল পরিমাণ কাগজপত্র থেকে প্রকৃত সব আলামত শনাক্ত করা সময়সাধ্য। প্রকৃত আসামিদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়াটিও এই মামলায় বেশ জটিল।

এছাড়া মামলার প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহের জন্য মালয়েশিয়ায় এমএলএআর করা হয়েছে। সে সংক্রান্ত প্রতিবেদন ও আলামত এখনও পাওয়া যায়নি।

মামলাগুলোর আগের তদন্ত কর্মকর্তারা বদলি হয়ে যাওয়ায় একাধিকবার তদন্তকারী কর্মকর্তাও পরিবর্তন করা হয়েছে। মামলাগুলোর তদন্তকাজ এগিয়ে চলছে। আসামি ও আলামত শনাক্ত করা, সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ করা ও এমএলএআর-এর পরিপ্রেক্ষিতে বিদেশ থেকে মামলার প্রয়োজনীয় আলামত পাওয়া সাপেক্ষে এবং প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে যথাসম্ভব দ্রুততম সময়ের মধ্যে সব মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

৫৬ মামলায় আত্মসাৎকৃত অর্থের মধ্যে ইতোমধ্যে ১১৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা উদ্ধার/ব্যাংকে জমা করা হয়েছে।

এ মামলায় ৮২ জন ঋণগ্রহীতা ছাড়াও বেসিক ব্যাংকের তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাজী ফকরুল ইসলাম, ডিএমডি ফজলুস সোবহান, সাবেক ডিএমডি শেখ মঞ্জুর মোরশেদ, জিএম এ. মোনায়েম খান, জিএম মোহাম্মদ আলী ওরফে মোহাম্মদ আলী চৌধুরীসহ ব্যাংকের ২৭ জন কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে।

বেসিক ব্যাংকের গুলশান শাখা, প্রিন্সিপাল/প্রধান শাখা, দিলকুশা শাখা এবং শান্তিনগর শাখাসহ মোট চারটি শাখার ঋণ কেলেঙ্কারির বিষয়ে গুলশান থানায় ২৩টি, মতিঝিল থানায় ১২টি ও পল্টন থানায় ২১টিসহ মোট ৫৬টি মামলা করা হয়। মামলার আসামিদের মধ্যে বেসিক ব্যাংক কর্মকর্তা ২৭ জন, ব্যবসায়ী ৮২ জন, বেসরকারি সার্ভেয়ার ১১ জনসহ মোট ১২০ জনকে আসামি করা হয়। তাদের মধ্যে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির তদন্ত ৬ বছরেও কেন শেষ হয়নি: হাইকোর্ট
বেসিক ব্যাংকের কত টাকা জব্দ, সাত দিনের মধ্যে জানানোর নির্দেশ
বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি: জি বি হোসেনকে বিদেশ যেতে মানা
বেসিক ব্যাংকে শুধুই দীর্ঘশ্বাস
বেসিক ব্যাংকের নতুন এমডি আনিসুর রহমান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Overhauling the education system Kaikaus

শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে: কায়কাউস

শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে: কায়কাউস চট্টগ্রামের পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (পিসিআইইউ) দ্বিতীয় সমাবর্তনে অনলাইনে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস।
চট্টগ্রামের পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (পিসিআইইউ) দ্বিতীয় সমাবর্তনে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস বলেন, ‘আমাদের প্রতিটি তরুণ যাতে শোভন পেশার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে পারেন, সে জন্য চলছে বিপুল কর্মযজ্ঞ।’

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস।

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিটি তরুণ যাতে শোভন পেশার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে পারেন, সে জন্য চলছে বিপুল কর্মযজ্ঞ।’

শনিবার চট্টগ্রামের পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (পিসিআইইউ) দ্বিতীয় সমাবর্তনে অনলাইনে যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

সমাবর্তন বক্তা হিসেবে নবীন গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা হচ্ছে শিক্ষার যাত্রা সূচনা। জ্ঞানের জন্য, স্বীকৃতির জন্য, প্রজ্ঞার জন্য ক্ষুধার্ত হওয়া আপনার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষুধার্ত হতে থাকুন, তৃপ্ত হবেন না। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে উপায় খোঁজা চালিয়ে যান এবং সেখানেই আপনি আরও কিছু অর্জন করতে পারবেন।

‘ক্রমাগত নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন জীবনে চলতে কী নতুন দক্ষতা এবং দক্ষতার প্রয়োজন হবে। আপনার শিক্ষার সবচেয়ে বড় সুবিধা শুধু আপনি যা শিখছেন তা নয়, কীভাবে শিখতে হয় তা জানার মধ্যেও রয়েছে।’

নগরীর টাইগার পাসের নেভি কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই সমাবর্তনে ১০টি বিভাগের ১৩টি প্রোগ্রামের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে পাস করা মোট ৫ হাজার ৬৪৯ জন শিক্ষার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিগ্রি দেয়া হয়। সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. আবদুল হামিদের পক্ষে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। গ্র্যাজুয়েটদের ডিগ্রিও ঘোষণা করেন তিনি।

শিক্ষা উপমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, ‘আজকে সমাবর্তন অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা একটি পরিবর্তিত বাংলাদেশে তাদের কর্মজীবন শুরু করতে যাচ্ছে। আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবেন।

‘বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন দেশে হয়েছে, তার সবচেয়ে বড় সুফল ভোগ করতে যাচ্ছেন আপনারা। বঙ্গবন্ধুকন্যার ডিজিটাল বাংলাদেশ আপনাদের নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত হবে।’

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেন, ‘উচ্চশিক্ষায় উৎকর্ষ অর্জন’ প্রতিপাদ্যে শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্র, সমাজ ও জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধসম্পন্ন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর এই পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। মাত্র এক দশকেই বন্দর নগরীর এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সারা দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে সাফল্যের সাথে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের সেরা মেধাবী শিক্ষক, ডিজিটাল ক্লাসরুম আর বিশ্বমানের কারিকুলামের মাধ্যমে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জনসম্পদে পরিণত হয়েছে।’

এবারের সমাবর্তনে ১৪ জন শিক্ষার্থী চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল ও ১৩ জন শিক্ষার্থী ফাউন্ডার গোল্ড মেডেল অর্জন করে। উপস্থিত অতিথিরা মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে মেডেল তুলে দেন।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক আসমা ইয়াসমিন এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক রাইসুল ইসমাইল আপন। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে প্রথম পর্বের শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অর্জন ও একাডেমিক কর্মকাণ্ড নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপরই শুরু হয় আলোচনা পর্ব।

এ সময় অন্যান্য অতিথির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডক্টর দিল আফরোজা, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য সাইফুজ্জামান শেখর, বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সম্মানিত চেয়ারম্যান মিসেস তাহমিনা খাতুন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, পিসিআইইউর বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন, ব্যবসা প্রশাসন অনুষদের ডিন, কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, প্রক্টর, বিভিন্ন বিভাগের কো-অর্ডিনেটর, চেয়ারম্যান ও শিক্ষকবৃন্দ, গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ, আমন্ত্রিত বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ফোরাম এবং ব্যান্ড দল বে অব বেঙ্গল-এর পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত হয় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

২০১৩ সালের ১৭ মে ছয়টি প্রোগ্রামে ৬৯ জন শিক্ষার্থী, ৬ জন শিক্ষক, ৪ জন কর্মকর্তা ও একজন কর্মচারী নিয়ে যাত্রা শুরু করে এই বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে ১৭০ জন শিক্ষক, ৫ হাজার ৩৩৬ জন শিক্ষার্থী এবং ১৯০ জন কর্মকর্তা কর্মচারী রয়েছে। চারটি অনুষদের অধীনে ১০টি বিভাগের ১৩টি প্রোগ্রাম নিয়ে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম।

আরও পড়ুন:
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড: ২১৯ পদে কর্মরত ৬৯ জন
১৬ নভেম্বর থেকে স্কুলে ভর্তির আবেদন শুরু
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নীতিমালা জারি
ডিসেম্বরের মধ্যে পাঠ্যবই সরবরাহ না দিলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
মেয়েদের আকাশ হোক মুক্ত: দীপু মনি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fire safety of the building is mandatory

ভবনের ফায়ার সেফটি বাধ্যতামূলক

ভবনের ফায়ার সেফটি বাধ্যতামূলক অষ্টম আন্তর্জাতিক ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি এক্সপো-২০২২-এর অনুষ্ঠান। ছবি: নিউজবাংলা
প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেন, দেশের কোম্পানিগুলো ফায়ার সেফটি ও কমপ্লায়েন্স মেনে চলায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় আমরা এগিয়ে আছি। বিশ্বের ১০টি গ্রিন কারখানার ৮টি এখন বাংলাদেশে। যার ফলে বাংলাদেশের পণ্যের চাহিদা বেড়েছে, উৎপাদন বেড়েছে এবং আমরা বেশি রপ্তানি করতে পারছি।

দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেছেন, ফায়ার সেফটি ছাড়া কোনো ভবন নির্মাণ করা হলে তা ব্যবহারের অনুমোদন দেয়া হবে না। এখন থেকে যে ভবনগুলো হবে সেগুলোতে ফায়ার সেফটি থাকতেই হবে।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) শুক্রবার রাতে ইলেকট্রনিকস সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইসাব) এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সেখানে অষ্টম আন্তর্জাতিক ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি এক্সপো-২০২২-এর ‘সেফটি এক্সিলেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেন, ‘দেশের কোম্পানিগুলো ফায়ার সেফটি ও কমপ্লায়েন্স মেনে চলায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় আমরা এগিয়ে আছি। বিশ্বের ১০টি গ্রিন কারখানার ৮টি এখন বাংলাদেশে। যার ফলে বাংলাদেশের পণ্যের চাহিদা বেড়েছে, উৎপাদন বেড়েছে এবং আমরা বেশি রপ্তানি করতে পারছি।

‘এখন ফায়ার সেফটি পণ্য বেশির ভাগই আমদানি করা হচ্ছে। দেশে ১০০ ইকোনমিক জোন হচ্ছে, সেখানে ফায়ার সেফটি পণ্য উৎপাদন করা যেতে পারে। এ জন্য আগ্রহীদের ইকোনমিক জোনে প্লট পেতে সহযোগিতা করা হবে।’

প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের ৩২টি উপজেলায় নতুন করে ফায়ার সার্ভিসের ডিপো স্থাপন করা হয়েছে। এটা দেশের বড় অর্জন। এখন দেশে ফায়ার সেফটি সনদ না থাকলে সেই ভবন ব্যবহারের অনুমতি দেবে না রাজউক বা সিটি করপোরেশন।

অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআইর সহসভাপতি মো. আমিন হেলালী বলেন, ‘ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটির প্রয়োজনীয়তা বুঝে আমরা সেফটি কাউন্সিল গঠন করেছি। ইনডোর-আউটডোর প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।’

ফায়ার সেফটি পণ্যে আমদানি নির্ভরতা কমানোর দাবি জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে ইলেক্ট্রনিকস সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইসাব) অগ্নিনিরাপত্তা সঠিকভাবে বজায় রাখায় ৯টি কোম্পানিকে পুরস্কৃত করে। এ ছাড়া চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডু বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন ও বিস্ফোরণে নিহত ফায়ার ফাইটারদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ১৩টি ক্রেস্ট দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেজাউল করিম, ইএসএসএবি সভাপতি জহির উদ্দিন বাবর, সিনিয়র সহসভাপতি নিয়াজ আলী চিশতি, মহাসচিব মাহমুদুর রশীদ, প্রচার সম্পাদক নজরুল ইসলামসহ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
গাজীপুরে পোশাক কারখানার গুদামে আগুন
মানববন্ধনে তাজরীন ট্র্যাজেডিসহ শ্রমিক ‘হত্যাকাণ্ডের’ বিচার দাবি
চট্টগ্রামে বাটার শোরুমের আগুন নিয়ন্ত্রণে
চীনে কারখানায় আগুন, নিহত ৩৬
আগুনে দগ্ধ ছেলের মৃত্যু, বাবার মামলায় মা গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Three days later the expatriates wifes body was found in the garden

তিন দিন পর বাগানে মিলল প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ

তিন দিন পর বাগানে মিলল প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ওসি মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘মরদেহের গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় গাছের ভাঙা ডালের সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়া অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনাটি খুবই রহস্যজনক।’

মাদারীপুরে নিখোঁজের ৩ দিন পর মৌসুমি আক্তার নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার রাত ৯টার দিকে সদর উপজেলার উত্তর দুধখালী এলাকার একটি বাগান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

২৪ বছর বয়সী মৌসুমি দুধখালী ইউনিয়নের উওর দুধখালী এলাকার মানিক হাওলারের মেয়ে এবং একই এলাকার সৌদিপ্রবাসী ইলিয়াস মীরারের স্ত্রী।

স্বজনরা জানিয়েছেন, কিছুদিন ধরে মানসিক রোগে ভুগছিলেন মৌসুমি। তার পাঁচ ও চার বছর বয়সী দুটি সন্তান রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর ওসি মনোয়ার হোসেন চৌধুরী।

স্বজনদের বরাতে ওসি আরও জানান, ২৩ নভেম্বর বিকেলে বাবার বাড়ি থেকে দাদির বাড়ির উদ্দেশে বের হন মৌসুমি। কিন্তু দাদির সঙ্গে দেখা করে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি।

সেদিন মৌসুমিকে অনেক খুঁজেও পাননি তার পরিবারের সদস্যরা। পরদিন তারা সদর মডেল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন।

নিখোঁজের ৩ দিন পেরিয়ে গেলে শুক্রবার সন্ধ্যায় উত্তর দুধখালী এলাকার একটি বাগানে মৌসুমির মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ রাত ৯টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

নিহতের খালাতো বোন তানজিলা আক্তার বলেন, ‘আমার বোনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে গাছের ডালের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। কিন্তু কারা এ কাজ করেছে তা আমরা বুঝতে পারছি না। আমার বোনের সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা নেই। তবু তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর বিচার চাই।’

এ বিষয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ওসি মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘মরদেহের গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় গাছের ভাঙা ডালের সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়া অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনাটি খুবই রহস্যজনক। পুলিশ আসল সত্য বের করে আনবে।’

আরও পড়ুন:
প্রেমের সম্পর্ক না মানায় সাউথ আফ্রিকায় প্রবাসীর ‘আত্মহত্যা’
বাসচাপায় প্রবাসীর স্ত্রী নিহত, ছেলে হাসপাতালে
বাবাকে ফোনকলে রেখে ফ্রান্সে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Death of Mahila League worker after coming to the conference

সম্মেলনে এসে মহিলা লীগ কর্মীর মৃত্যু

সম্মেলনে এসে মহিলা লীগ কর্মীর মৃত্যু
প্রতিবেশী চম্পা বেগম বলেন, ‘মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন শেষে হেঁটে শাহবাগ মোড়ে গাড়িতে ওঠার সময় তিনি মাথা ঘুরে পড়ে যান। উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালের জরুরি বিভাগে নিলে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে এসে কমলা বেগম নামে এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।

কমলা বেগমকে হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী চম্পা বেগম বলেন, ‘আমরা মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যোগ দিতে গাজীপুরের পুবাইল থেকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসি। সম্মেলন শেষে হেঁটে শাহবাগ মোড়ে গাড়িতে ওঠার সময় তিনি মাথা ঘুরে পড়ে যান। মাথায় পানি ঢালার পরও জ্ঞান না ফেরায় আমরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসি। সেখানে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

তিনি জানান, কমলা বেগম পুবাইল থানা মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। তিনি থানার বড় কেল্লারটেক এলাকার মো. কুমুদ আলীর স্ত্রী। তিনি দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জননী।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
How about the dialogue with Khaleda Tarek Prime Minister

খালেদা-তারেকের সঙ্গে সংলাপ কেমন কথা: প্রধানমন্ত্রী

খালেদা-তারেকের সঙ্গে সংলাপ কেমন কথা: প্রধানমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শনিবার মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি
মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘নির্বাচন করার মতো শক্তি যদি কারও না থাকে, তারা হয়তো করবে, নয়তো করবে না। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন করবে। তারা ভোট দেবে।’

জাতীয় নির্বাচন নিয়ে উদ্ভূত সংকট নিরসনে অতীতে সংলাপ করলেও এবার তা না করার ইঙ্গিত দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘অনেকেই সংলাপের কথা বলছেন। কার সঙ্গে সংলাপ করতে হবে? ওই বিএনপি-খালেদা জিয়া-তারেক জিয়ার সঙ্গে! যারা আমাকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে হত্যা করতে চেয়েছিল, যারা অর্থ পাচারকারী, খুনি, সন্ত্রাসী, জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত। যারা এতিমদের অর্থ আত্মসাৎ করে দণ্ডিত আসামি। তাদের সঙ্গে সংলাপ করতে হবে, সেটা আবার কেমন কথা!’

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শনিবার মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন উদ্বোধন করে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন করার মতো শক্তি যদি কারও না থাকে, তারা হয়তো করবে, নয়তো করবে না। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন করবে। তারা ভোট দেবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার দেশকে মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা এনে দিয়েছে। সব সেক্টরে উন্নয়ন করেছে। কিন্তু বিএনপি কী দিয়েছে? সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, অর্থ পাচার, মানি লন্ডারিং। এই খুনি ও সন্ত্রাসী এবং যুদ্ধাপরাধীরা আবার ক্ষমতায় এসে ত্রাসের রাজত্ব করবে তা আর জনগণ চায় না।’

সরকার বিএনপির কোনো কর্সূচিতে বাধা দিচ্ছে না উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তাদের আন্দোলনের নামে যদি একজন মানুষও আঘাতপ্রাপ্ত হয়, কাউকে ছাড়া হবে না।’

মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনস্থলে উপস্থিত হয়ে সংগঠনের সভাপতি সাফিয়া খাতুন ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। তার আগে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন ওড়ান তিনি।

মঞ্চে আসার পর সংগঠনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুকন্যাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান দলটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। পরে সম্মেলনের সাংস্কৃতিক উপকমিটির আয়োজনে সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। সাফিয়া খাতুনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সম্মেলনে সাংগঠনিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম, শোক প্রস্তাব পাঠ করেন দপ্তর সম্পাদক রোজিনা নাসরিন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ দেশের সকল অঙ্গনে নারীর অবদান রয়েছে। দেশের অগ্রযাত্রায়ও তাদের ভূমিকা রাখতে হবে। গণতন্ত্র অব্যাহত রাখতে এবং দেশকে উন্নত করে গড়ে তুলতে তাদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক অধিকার প্রয়োগ করতে হবে। আমাদের সরকার নারীদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করে।’

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘আমরা মুক্তিযুদ্ধ করে এই দেশ স্বাধীন করেছি। জাতির পিতা আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। জাতির পিতা চেয়েছিলেন এ দেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ করতে। জাতির পিতাকে হত্যার পর খুনিদের রাজত্ব আর যুদ্ধাপরাধীদের রাজত্ব। আওয়ামী লীগই একমাত্র এ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। পরপর আমরা তিনবার ক্ষমতায় এসেছি। আজকে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত আছে বলেই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, ‘খালেদা জিয়া বলেছিল, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা বিরোধী দলের নেতাও কোনোদিন হবে না। হতে পারবে না। আর আওয়ামী লীগ ১০০ বছরেও ক্ষমতায় যাবে না। আল্লাহতালা এ ধরনের গর্বভরা কথা পছন্দ করেন না। আর বাংলোদেশের মানুষ তো একেবারেই পছন্দ করে না। সেই জন্য খালেদা জিয়ার মুখের কথা তার বেলায় লেগে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন ওই দুর্নীতিবাজ সাজাপ্রাপ্ত এতিমের অর্থ আত্মসাৎকারী, অর্থ পাচারকারী, গ্রেনেড হামলাকারী, আইভি রহমানের হত্যাকারী আর জিয়াউর রহমান ছিল আমার বাবার হত্যাকারী, আর এদের সাথে ডায়ালগ করতে হবে, আলোচনা করতে হবে, আবার মানবাধিকারের কথাও বলে– এটা কেমন ধরনের কথা, সেটাই আমি জিজ্ঞেস করি?’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্র আছে, নির্বাচন কমিশন আছে। যাদের ইচ্ছা নির্বাচন করবে। আর নির্বাচন করার মতো শক্তি যদি কারও না থাকে তারা হয়তো করবে না। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন করবে। তারা ভোট দেবে। আর ভোট চুরি করলে তারা মেনে নেয় না। খালেদা জিয়া ভোট চুরি করেছিল ১৫ ফ্রেবুয়ারি ’৯৬ সালে। বাংলাদেশের মানুষ তাকে ক্ষমতা থেকে টেনে নামিয়েছিল। ওই ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন করেছে, দেড় মাস থাকতে পারে নাই। ৩০ মার্চ জনগণের আন্দোলনে খালেদা জিয়া পদত্যাগে বাধ্য হয়েছিল ভোট চুরির অপরাধে। ভোট চোররা ভোট চুরি করতেই জানে।’

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘ভোটের অধিকার সকলের। আমাদের মহিলারা সকলে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিবে। তার গণতান্ত্রিক অধিকার, সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করবে। আর নির্বাচনে স্থানীয় সরকারে ৩০ শতাংশ কোটা আছে, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ সব জায়গায় কোটা রাখা আছে। সেখানে আমাদের মেয়েরা সরাসরি নির্বাচনও করতে পারে, কোটার মাধ্যমে করতে পারে। কাজেই আজকে আমরা সকলে নারী-পুরুষ সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।’

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর আপাতত স্থগিত
দেশের অর্থনীতি নিরাপদে: প্রধানমন্ত্রী
যশোরে প্রধানমন্ত্রী, বক্তব্য দিচ্ছেন প্যারেড গ্রাউন্ডে
খেলাধুলায় সরকার পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাবে: প্রধানমন্ত্রী
পরিবেশের ক্ষতি করে উন্নয়ন নয়: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A call to stand against the destroyers of communal harmony

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের রুখে দাঁড়ানোর ডাক

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের রুখে দাঁড়ানোর ডাক বাগেরহাট শহরের এসিলাহা মিলনায়তনে শুক্রবার রাতে সম্প্রীতি বাংলাদেশের জেলা কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: নিউজবাংলা
সম্প্রীতি বাংলাদেশের সভাপতি নাট্যকার পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘সম্প্রীতি বিনষ্টকারীরা কখনোই মানুষের ভালো চায় না। তারা এখনও আমাদের মাঝে থেকে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছে। সময় এসেছে, এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।’

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর ডাক দিয়েছে সম্প্রীতি বাংলাদেশ নামে একটি সংগঠন। বাগেরহাট শহরের এসিলাহা মিলনায়তনে শুক্রবার রাতে সংগঠনটির নবগঠিত জেলা কমিটির পরিচিতি সভায় এই আহ্বান জানান সংগঠনের সভাপতি নাট্যকার পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, ‘সম্প্রীতি বিনষ্টকারীরা কখনোই মানুষের ভালো চায় না। তারা এখনও আমাদের মাঝে থেকে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছে। সময় এসেছে, এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। আমরা দেশ ও জাতির সম্প্রীতি রক্ষায় কাজ করছি। ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার থাকতে হবে।’

সভায় সভাপতিত্ব করেন সম্প্রীতি বাংলাদেশ বাগেরহাট জেলা শাখার আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মিলন কুমার ব্যানার্জী। বক্তব্য দেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. আজিজুর রহমান, পুলিশ সুপার কে এম আরিফুল হক, সাবেক সচিব মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন আহমেদ, সম্প্রীতি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোজাফফর হোসেন, বাগেরহাট জেলা কমিটির সদস্যসচিব শেখ লিয়াকত হোসেন লিটন, ইউপি চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান বাচ্চু প্রমুখ।

বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতাসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ সভায় অংশ নেন।

সমাবেশ শেষে জেলা কমিটির আয়োজনে বাউল সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

মন্তব্য

p
উপরে