× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Bathed with milk to get rid of stigma Chhatra League leader
hear-news
player
google_news print-icon

কলঙ্কমুক্ত হতে দুধ দিয়ে গোসল করেছি: ছাত্রলীগ নেতা

কলঙ্কমুক্ত-হতে-দুধ-দিয়ে-গোসল-করেছি-ছাত্রলীগ-নেতা
আরমিন বলেন, ‘আমার ১২ বছরের রাজনৈতিক জীবনে ৭টি মামলার আসামি হয়ে দুবার কারাবরণ করেছি। এইচএসসি পরীক্ষা পর্যন্ত জেলে বসে দিয়েছি। অথচ আমাকে মূল্যায়ন না করে মূল্যায়ন করা হয়েছে জামায়াত-বিএনপি থেকে উঠা আসা ছেলেদের। তাই নিজেকে কলঙ্কমুক্ত করতে দুধ দিয়ে গোসল করেছি।’

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় কাঙ্ক্ষিত পদ না পেয়ে দুধ দিয়ে গোসল করে ছাত্রলীগ থেকে বিদায় নিয়েছেন উপজেলা ছাত্রলীগের এক নেতা। দুধ দিয়ে গোসল করে নিজেকে কলঙ্কমুক্ত করেছেন- এমনটিই বলছেন অভিমানী এই ছাত্র নেতা।

২২ সেকেন্ডের এমন একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। ভিডিওতে দেখা যায়, একটি শিশু জগ ভর্তি দুধ ছাত্রলীগ নেতার মাথায় ঢালছে আর তা সারা শরীরে মেখে নিচ্ছেন তিনি। যিনি ভিডিওটি ধারণ করছেন তিনি প্রশ্ন করছেন আরও রাজনীতি করবা? এ সময় হাত নেড়ে না করেন ওই ছাত্রলীগ নেতা।

দুধ দিয়ে গোসল করা এই ছাত্রলীগ নেতার নাম মো. আরমিন মিয়া। তার বাড়ি উপজেলা সদরের বড়বাড়ি এলাকায়। পাকুন্দিয়া সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং নবগঠিত উপজেলা ছাত্রলীগের ১ নম্বর সহ-সভাপতি তিনি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই ভিডিওটি আপলোড করেছেন আরমিন নিজেই। সেই পোস্টে তাকে দুঃসময়ের ত্যাগী এবং কারা নির্যাতিত নেতা উল্লেখ করে এই নেতাকে মূল্যায়ন না করায় দুঃখ প্রকাশ করে মন্তব্য করেছেন অনেকে। কেউ কেউ আবার তার এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। কেউ আবার এমন সিদ্ধান্তের কারণ জানতে চেয়ে মন্তব্য করেছেন।

ভিডিওর ক্যাপশনে আরমিন লেখেন, ‘১২ বছর ছাত্রলীগ থেকে আমার অর্জন ৭ টা মামলার আসামী, সর্বোচ্ছ গ্রাইন্ড নিয়ে গত ১ বছর পুলিশের হয়রানী। বিদায় বেলায় পেশাগত জীবনে পঙ্গু, শূন্য পকেটে দুধ দিয়ে গোসল করে রাজনীতি থেকে বিদায় নিলাম। ছাত্রদল আগত,বিএনপি পরিবার থেকে আগত কারো কাছে আত্নসমর্পণের চেয়ে বিদায় নেওয়া বেটার সিদ্ধান্ত, রাজনীতিটা বুক দিয়ে নয়, আবেগ দিয়ে করেছি,আবেগে ভেজালের স্থান নেই। ভাল থাকবেন প্রাণের সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ভালবাসার সুলতান গ্যাং...দ্যা কোল্ড ব্লাডেড মার্ডারার। প্রকৃতি কাউকে খালি হাতে ফেরায় না,প্রকৃতি সঠিক সময়ে ফিরিয়ে দেয়,দিবে, অপেক্ষায় থাকলাম।’ (বানান অপরিবর্তিত)

ছাত্রলীগ নেতার এই পোস্টে পুলিশি নির্যাতনের একটি ছবি যোগ করে মোহাম্মদ পায়েল ফেরদৌসী নামে একজন লেখেন, ‘এই সেই আরমিন, যে নিজের জীবন বাজি রেখে সাবেক সাংসদকে রক্ষা করেছিল। জেলেও গেল। কোথায় তার প্রতিদান? সেও কিন্তু আজ অভিমানীদের কাতারে চলে গেল...’

মো. নাঈম খান নামে একজন লেখেন, ‘দিনশেষে ত্যাগী কর্মীদের হতাশ আর নিরাশ হওয়া ছাড়া তারা কিছুই পায় না...তারপরেও ছাত্রলীগের প্রতিটা কর্মী অনেক কষ্ট বেদনা বুকে ধারণ করে সংগঠনটি করে। আপনার অনেক শ্রম-ঘাম ছিল, তারা আপনাকে সঠিক মূল্যায়ন করে নাই। আপনার জন্য দোয়া ও শুভ কামনা রইল।’

নিউজবাংলাকে যা বলছেন অভিমানী আরমিন, ‘আমি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলাম। এছাড়াও আরও যে পাঁচজন প্রার্থী ছিলেন তাদের মধ্যে আমি সিনিয়র। কিন্তু বুধবার রাতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফয়েজ উমান খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নাজমুল আলমকে সভাপতি ও তোফায়েল আহমেদ তুহিনকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৯ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করে জেলা ছাত্রলীগ। যেটা আমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখতে পাই। এই কমিটিতে যাদেরকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে তারা আমার জুনিয়র। কমিটিতে জুনিয়রদেরকে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রেখে আমাকে করা হয়েছে ১ নম্বর সহসভাপতি।’

এতে তাকে সম্মানিত না করে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তার। বলেন, ‘আমার ১২ বছরের রাজনৈতিক জীবনে ৭টি মামলার আসামি হয়ে দুবার কারাবরণ করেছি। এইচএসসি পরীক্ষা পর্যন্ত জেলে বসে দিয়েছি। অথচ আমাকে মূল্যায়ন না করে মূল্যায়ন করা হয়েছে জামায়াত-বিএনপি থেকে উঠা আসা ছেলেদের। তাই নিজেকে কলঙ্কমুক্ত করতে দুধ দিয়ে গোসল করেছি।’

রাজনীতিতে আপনি থাকছেন কিনা এমন প্রশ্নে বলেন, ‘রাজনীতিতে ছিলাম, আছি, থাকব।’ নিজেকে খানিকটা শান্ত্বনা দিতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন মুঠোফোনে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যারা প্রকৃত অর্থে সংগঠনকে ভালবেসে মনেপ্রাণে ছাত্রলীগটা করেন তাদের সমন্বয়েই পাকুন্দিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি গঠন করা হয়েছে। যে কোনো জায়গায় যখন কোনো একটি ইউনিটের কমিটি গঠন করা হয় তখন সবাইকে তো আর সমানভাবে খুশি করা সম্ভব হয় না। এই ক্ষেত্রে একটি অংশের মধ্যে নানান ধরনের মান অভিমান থাকবেই।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি দেখেছেন উল্লেখ করে আরমিনের এমন কাণ্ডকে তার একান্তই ব্যক্তিগত বিষয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের দ্বন্দ্বে বন্ধ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
ক্যাম্পাসে অস্ত্র হাতে ঘুরছে ছাত্রলীগের ২ গ্রুপ
ফরিদপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রলীগের ৩ জন গ্রেপ্তার
রিভাও তো মানুষ, ভুল করতেই পারে: তিলোত্তমা
শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ৭৬ ছাত্রীকে বাইসাইকেল দিল ছাত্রলীগ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The prime minister bought a ticket and saw an eye doctor

টিকিট কেটে চোখের ডাক্তার দেখালেন প্রধানমন্ত্রী

টিকিট কেটে চোখের ডাক্তার দেখালেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে টিকিট কেটে চোখ দেখালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: নিউজবাংলা
প্রধানমন্ত্রী হাসপাতাল ছেড়ে আসার সময় বহির্বিভাগের নার্স, রোগী ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তিনি চিকিৎসাবিষয়ক খোঁজখবর নেন ও তাদের সঙ্গে ছবি তোলেন।

সাধারণ রোগীদের মতো ১০ টাকার টিকিট কেটে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চোখ দেখালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজধানীর শেরেবাংলানগরে মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে হাসপাতালের নিচতলায় বহির্বিভাগে টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট কাটেন তিনি।

টিকিট কেটে চোখের ডাক্তার দেখালেন প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে টিকিট কেটে চোখ দেখালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: নিউজবাংলা

এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. গোলাম মোস্তফা অভ্যর্থনা জানান।

প্রধানমন্ত্রী হাসপাতাল ছেড়ে আসার সময় বহির্বিভাগের নার্স, রোগী ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তিনি চিকিৎসাবিষয়ক খোঁজখবর নেন ও তাদের সঙ্গে ছবি তোলেন।

টিকিট কেটে চোখের ডাক্তার দেখালেন প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে টিকিট কেটে চোখ দেখানোর পর সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: নিউজবাংলা

এর আগে ২০১৯ সালের ২৯ আগস্টও লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কেটে চোখের ডাক্তার দেখিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেদিনও জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে সাধারণ রোগীদের মতোই সরকার নির্ধারিত ১০ টাকার টিকিট কেটে চিকিৎসা নেন তিনি।

আরও পড়ুন:
উন্নয়নশীল দেশ পরিচালনার উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
ক্ষমতায়ন না হলে নারীর অবস্থার উন্নতি হতো না: প্রধানমন্ত্রী
যুদ্ধ বন্ধে সংলাপে বসুন: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
GM Quader has no obstacle to run Jatiya Party

জি এম কাদেরের জাতীয় পার্টি চালাতে বাধা নেই

জি এম কাদেরের জাতীয় পার্টি চালাতে বাধা নেই জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের। ফাইল ছবি
এ আদেশের ফলে জি এম কাদেরের জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে তার সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জাতীয় পার্টির বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদেরের বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতের আদেশ স্থগিত করেছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে রুল জারি করেছে আদালত।

এ আদেশের ফলে জি এম কাদেরের চেয়ারম্যান হিসেবে তার সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।

মঙ্গলবার বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়ালের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে জি এম কাদেরের পক্ষে শুনানি করেন শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম।

গত ৪ অক্টোবর জাপা থেকে বহিষ্কৃত নেতা দলটির সাবেক এমপি জিয়াউল হক মৃধা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদেরের দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে মামলা করেন। বাদীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩১ অক্টোবর ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ আদালত জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে জি এম কাদেরের দলীয় যাবতীয় কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞার অস্থায়ী আদেশ দেয়।

পরে আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলাম, কলিম উল্যাহ মজুমদারসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী জি এম কাদেরের পক্ষে আবেদন করেন।

গত ২৪ নভেম্বর এই আবেদনের শুনানির জন্য জেলা জজ আদালতে মিস আপিল করা হয়। সেই আবেদন নামঞ্জুর করেন জেলা জজ আদালত। জেলা জজ আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করেন জি এম কাদের।

ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট আজ এ আদেশ দেয়।

মামলায় বলা হয়, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। এরপর বিবাদী জি এম কাদেরের হাইকোর্ট বিভাগের একটি রিট মামলা বিচারাধীন থাকার পরও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ওই বছর ২৮ ডিসেম্বর কাউন্সিল করে নিজেকে চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করেন।

জিয়াউল হক মৃধার মামলায় বলা হয়, গত ৫ মার্চ গাজীপুর মহানগর কমিটির উপদেষ্টা আতাউর রহমান সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক সবুর শিকদার, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক রফিকুল ইসলাম ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. মো. আজিজকে বহিষ্কার করেন। এ ছাড়া গত ১৪ সেপ্টেম্বর বাদী মসিউর রহমান রাঙ্গাকে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করেন।

অন্যদিকে গত ১৭ সেপ্টেম্বর অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধাকেও জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কার করেন, যা অবৈধ।

আরও পড়ুন:
বিএনপির সঙ্গে জোটের প্রশ্নই আসে না
‘জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে’
রওশন-কাদের বিরোধে রংপুরে মনোনয়ন জটিলতা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Tipu Preity Murder Inquiry Report January 11

টিপু-প্রীতি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১১ জানুয়ারি

টিপু-প্রীতি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১১ জানুয়ারি জাহিদুল ইসলাম টিপু ও সুমাইয়া আফরিন প্রীতি। ফাইল ছবি
মঙ্গলবার মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার দিন ঠিক ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। এ জন্য ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী প্রতিবেদন জমার নতুন এ তারিখ ঠিক করেন।

মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু ও কলেজছাত্রী সামিয়া আফরিন প্রীতি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার তারিখ পিছিয়ে আগামী ১১ জানুয়ারি ঠিক করেছে আদালত।

মঙ্গলবার মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার দিন ঠিক ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। এ জন্য ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী প্রতিবেদন জমার নতুন এ তারিখ ঠিক করেন।

গত ২৪ মার্চ রাত পৌনে ১০টার দিকে মতিঝিল এজিবি কলোনির কাঁচা বাজারসংলগ্ন নিজের রেস্টুরেন্ট থেকে বাসায় ফেরার পথে শাহজাহানপুর আমতলা ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের সামনে দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হন মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক টিপু। এ সময় তার মাইক্রোবাসের পাশে রিকশায় থাকা কলেজছাত্রী প্রীতিও গুলিতে নিহত হন। আহত হন টিপুর গাড়িচালক মুন্না।

এ ঘটনায় টিপুর স্ত্রী ফারজানা ইসলাম ডলি হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।

মামলার পর ২৬ মার্চ রাতে বগুড়া থেকে শ্যুটার মাসুম মোহাম্মদ ওরফে আকাশকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি।

এরপর আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। তারা হলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটির ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক, আবু সালেহ শিকদার ওরফে শ্যুটার সালেহ, নাছির উদ্দিন ওরফে কিলার নাছির, মোরশেদুল আলম ওরফে কাইল্লা পলাশ ও আরফান উল্লাহ দামাল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ১০টা ২২ মিনিটে টিপু একটি সাদা রঙের নোয়াহ মাইক্রোবাসে করে শাহজাহানপুর আমতলা মসজিদের সামনে থেকে খিলগাঁও ফ্লাইওভারের দিকে যাচ্ছিলেন। গাড়িটি সাউথইস্ট ব্যাংকের সামনে জ্যামে আটকা পড়ে।

ওদিকে বিপরীত দিকের রাস্তায় দুই যুবক মোটরসাইকেল নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। টিপুর গাড়িটি জ্যামে আটকা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে হেলমেটধারী দুই যুবকের একজন এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে টিপুর গাড়ির দিকে ছুটে আসেন। এরপর গাড়ি লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়েন। এতে গাড়ির ভেতরেই গুলিবিদ্ধ হন টিপু। এ সময় চালকের হাতে গুলি লাগলে তিনি গাড়ির গতি বাড়িয়ে ঘটনাস্থল থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

ওদিকে শুরুর দিকে ছোড়া এলোপাতাড়ি গুলিতে আহত হন গাড়ির পাশে রিকশায় থাকা কলেজছাত্রী প্রীতি। ঘটনার পরপরই আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে চিকিৎসকরা তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধদের উদ্ধার করে ঢামেকে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রাত ১১টার দিকে টিপু ও প্রীতিকে মৃত ঘোষণা করেন।

২০১৩ সালের ২৯ জুলাই রাজধানীর গুলশানে শপার্স ওয়ার্ল্ড নামে একটি বিপণিবিতানের সামনে খুন হন যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল হক খান মিল্কী। আলোচিত এ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন তৎকালীন মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু।

আরও পড়ুন:
টিপু-প্রীতি হত্যা: এক আসামির জামিন
টিপু-প্রীতি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ২৯ নভেম্বর
টিপু-প্রীতি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ১৭ অক্টোবর
টিপু-প্রীতি হত্যা: মোল্লা শামীমসহ ৫ জন ৩ দিনের রিমান্ডে
টিপু-প্রীতি হত্যা: সেই বাইক-পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ৫

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNPs former MP lost his post by insulting senior leaders

সিনিয়র নেতাদের নামে ‘কুৎসা রটানোয়’ পদ গেল বিএনপির সাবেক এমপির

সিনিয়র নেতাদের নামে ‘কুৎসা রটানোয়’ পদ গেল বিএনপির সাবেক এমপির লহ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদ। ফাইল ছবি
অব্যাহতি পাওয়া সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, জেলা বিএনপির কয়েকজন নেতা একপেশে সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদের অন্যায়ভাবে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। এ বিষয়ে তারা কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে আবেদন করবেন।

দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের নামে কুৎসা রটানোসহ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপির লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলা আহ্বায়ক ও লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বিভিন্ন সময়ে সভা-সমাবেশে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, সিনিয়র নেতাদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনাসহ একাধিক অভিযোগে সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিনসহ পাঁচ নেতাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ১২ নভেম্বর এই নেতাদের ৭ দিনের সময় দিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল বলে জানান হাসিবুর রহমান।

নাজিম উদ্দিন ছাড়া অব্যাহতি পাওয়া বাকি নেতারা হলেন রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সাহাবুদ্দিন তুর্কি, আবদুর রহিম ভিপি, পৌর বিএনপির সদস্যসচিব মিয়া মো. আলমগীর ও পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জাকির হোসেন মোল্লা।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ওই পাঁচ নেতার রিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জেলা বিএনপির দলীয় প্যাডে অব্যাহতিপত্র লিখে পাঠানো হয়। এতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, সদস্যসচিব সাহাবুদ্দিন সাবু ও যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান স্বাক্ষর করেছেন।

নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন, কয়েক মাস আগে উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মাহাবুবুল আলম বাহারকে অব্যাহতি দিয়ে কেন্দ্র থেকে চিঠি পাঠানো হয়। কিন্তু কেন্দ্রের নির্দেশনা উপেক্ষা করে জেলা কমিটি তাকে ওই পদেই বহাল রাখে। এতে নেতা-কর্মীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

তাদের দাবি, এসব কারণ ও তার পাশাপাশি নিজেদের পছন্দের লোকজনকে কমিটিতে আনতে পাঁচ নেতাকে দল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক পদ থেকে অব্যাহতি পাওয়া সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, জেলা বিএনপির কয়েকজন নেতা একপেশে সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদের অন্যায়ভাবে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। এ বিষয়ে তারা কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে আবেদন করবেন।

আরও পড়ুন:
ডিসেম্বরেই আওয়ামী লীগকে পরাজিত করতে হবে: দুদু
কুমিল্লায় বিএনপির সমাবেশে মোবাইল হারানোর ৭১ জিডি
কুমিল্লা সমাবেশ: বিএনপির ভেতরে ক্ষোভের আগুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
People have said they dont want this government

‘জনগণ জানিয়ে দিয়েছে তারা এই সরকার চায় না’

‘জনগণ জানিয়ে দিয়েছে তারা এই সরকার চায় না’ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ রিসার্স সেন্টার আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন ড. মোশাররফ হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ রাস্তায় নেমে গায়ের জোরের এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে দেবে। তারা নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবে।’

‘জনগণ যে এই সরকার চায় না সেই বার্তা বিএনপির আটটি সমাবেশে জনগণ জানিয়ে দিয়েছে। আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকার সমাবেশ থেকে সরকারের বিদায়ের কর্মসূচি ঘোষণা দেয়া হবে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেছেন।

সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ রিসার্স সেন্টার আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ড. মোশাররফ হোসেন।

তিনি বলেন, ‘১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ রাস্তায় নেমে গায়ের জোরের এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে দেবে। তারা একটা নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবে।’

জনগণ বিএনপিকে ক্ষমতায় পাঠালে দেশের অর্থনীতি রক্ষা করা হবে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।

মোশাররফ বলেন, ‘গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করছি, মানুষের অধিকারের জন্য আন্দোলন করছি। অর্থনীতিকে মেরামত করার জন্য আন্দোলন করছি। ইনশা আল্লাহ, জনগণ যদি আমাদের ক্ষমতায় পাঠায় তাহলে সেই কাজগুলো আমরা আন্তরিকতার সঙ্গে করব। এ দেশকে রক্ষা করব। জনগণকে রক্ষা করব, অর্থনীতি রক্ষা করব, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করব।

‘আমরা বিশ্বাস করি, জনগণ খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বের দল বিএনপিকে আগামী দিনে ক্ষমতায় বসাবে।’

গণতন্ত্র শক্তিশালী করার আগে উদ্ধার করাটা জরুরি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনি বলেন, ‘এই সরকারের অধীনে, এই নির্বাচন কমিশন থাকা অবস্থায় কেউ নির্বাচনে যেতে চাইলে তা হবে আত্মহত্যার শামিল। এই সরকার ও নির্বাচন কমিশন পরিবর্তন করতে হলে একটি পক্ষ থাকতে হবে। নইলে এই স্বৈরশাসকের পতন হবে না। আর এদের পতন করতে হলে দরকার গণ-অভ্যুত্থান, আন্দোলন।

‘ইতোমধ্যে মানুষ তার অধিকার আদায়ে রাস্তায় নেমে এসেছে। এই জালিম সরকার যতদিন থাকবে মুক্তিযুদ্ধকে ভূলুণ্ঠিত করবে। বাংলাদেশের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে না। এই হানাদারতুল্য শক্তিকে পুনরায় আমাদের পরাজিত করতে হবে। এ ছাড়া অন্য কোনো পথ আছে বলে আমি মনে করি না।’

আরও পড়ুন:
জনগণ অভ্যুত্থান সৃষ্টির জন্য প্রস্তুত: মোশাররফ
পরিবহন ধর্মঘটে জনগণকে থামানো যাবে না: বিএনপি নেতা
জনগণ ইভিএম মানবে না: মোশাররফ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
People are ready for a coup Musharraf

জনগণ অভ্যুত্থান সৃষ্টির জন্য প্রস্তুত: মোশাররফ

জনগণ অভ্যুত্থান সৃষ্টির জন্য প্রস্তুত: মোশাররফ শহীদ ডা. মিলন দিবস উপলক্ষে সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
‘জনবিচ্ছিন্ন এই সরকারের জনগণের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা নেই। তারা টাকা লুট ও পাচার করে দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের মুখে নিয়ে গেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি লাগামহীন। ৪০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে এসব সংকটের সমাধান হবে না।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘জনগণ সরকারকে বার্তা দিয়ে দিয়েছে যে তারা এই সরকারকে চায় না। তারা অভ্যুত্থান সৃষ্টির জন্য প্রস্তুত। ইনশা আল্লাহ তা হবে। আমরা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্দোলন করছি। সামনে সরকার পতনের আন্দোলন আসছে।

সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. মিলন দিবস উপলক্ষে ‘শহীদ ডা. মিলন-গণতন্ত্রের মুক্তি এবং বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আজ দেশে গণতন্ত্র নেই। বিএনপির ছয় শতাধিক নেতা-কর্মী গুমের শিকার। এক হাজারের বেশি মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় কারাগারে রাখা হয়েছে।

‘জনবিচ্ছিন্ন এই সরকারের জনগণের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা নেই। তারা টাকা লুট ও পাচার করে দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের মুখে নিয়ে গেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি লাগামহীন। ৪০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে।

‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে এসব সংকটের সমাধান হবে না। যারা অর্থনীতি ধ্বংস করেছে তারা এর পুনর্গঠন করতে পারবে না। দেশে বিচার ব্যবস্থাও সরকারের নিয়ন্ত্রণে।’

আমান উল্লাহ আমান বলেন, ‘স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার পেছনে অনেক রক্ত দিতে হয়েছে। সেই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া।

'খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার হয়েছিল। কিন্তু এখন মানুষ ভোট দিতে পারে না। প্রয়োজনে কয়েক হাজার মানুষ রক্ত দেবে। তবু আর ভোটারবিহীন নির্বাচন হতে দেব না।’

সভাপতির বক্তব্যে ডা. মিলনের সহপাঠী অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ বলেন, ‘ডা. মিলন স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে জীবন দিয়েছেন। তিনি সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু তার স্বপ্ন কেড়ে নিয়েছে স্বৈরাচার এরশাদের পুলিশ। আজও আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আমাদের তেমন আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আসুন এই শপথ করি- তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ব।

আলোচনা সভার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ড্যাব মহাসচিব ডা. মো. আবদুস সালাম।

ডা. মেহেদী হাসান ও ডা. মো. ফখরুজ্জামান ফখরুলের পরিচালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সহপ্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম, ড্যাবের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. শাহিদুর রহমান, সহসভাপতি ডা. মোসাদ্দেক হোসেন বিশ্বাস ডাম্বেল, ডা. পরিমল চন্দ্র মল্লিক, কোষাধ্যক্ষ ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, ডা. এ কে এম কবির আহমেদ রিয়াজ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের গোলাম মাওলা শাহিন, নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি বিলকিস জাহান চৌধুরী, অ্যামট্যাবের বিপ্লবুজ্জামান বিপ্লব, ফিজিওথেরাপিস্ট ডা. মাহাতাব উদ্দিন প্রমুখ।

আরও উপস্থিত ছিলেন ডা. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম, ডা. আদনান হাসান খান মাসুদ, ডা. সায়ীদ মেহবুব উল কাদির, ডা. পারভেজ রেজা কাকন, যুবদলের ওমর ফারুক মুন্না, অ্যামট্যাবের দবির উদ্দিন তুষারসহ ড্যাবের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা।

আরও পড়ুন:
পরিবহন ধর্মঘটে জনগণকে থামানো যাবে না: বিএনপি নেতা
জামিন মেলেনি সাবেক মন্ত্রী মোশাররফের ভাই বাবরের
সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফের এপিএস রিমান্ডে
সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফের এপিএস আটক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Awami League wont suck lollipop if BNP brings sticks Kader

বিএনপি লাঠি আনলে আওয়ামী লীগ ললিপপ চুষবে না: কাদের

বিএনপি লাঠি আনলে আওয়ামী লীগ ললিপপ চুষবে না: কাদের অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘১০ তারিখের বিএনপির সমাবেশে বাধা দেয়া হবে না। তবে বিএনপি লাঠি নিয়ে এলে ললিপপ চুষবে না আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা।’

আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকার সমাবেশে বিএনপির নেতা-কর্মীরা লাঠি নিয়ে এলে আওয়ামী লীগও কঠোর হবে বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার বিকেলে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘১০ তারিখের বিএনপির সমাবেশে বাধা দেয়া হবে না। তবে বিএনপি লাঠি নিয়ে এলে ললিপপ চুষবে না আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা।’

তিনি বলেন, ‘খেলা হবে ভোট চোরের বিরুদ্ধে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে। এ দেশের মানুষকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানানো যাবে না।’
জনগণের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘তারেক রহমান থেকে সাবধান। খেলা হবে তৈরি থাকেন। ডিসেম্বরে খেলা হবে, নির্বাচনে খেলা হবে। ১০ তারিখে খেলা হবে।’

সুইচ ব্যাংকসহ বিদেশের অনেক ব্যাংকে তারেক রহমানের হাজার হাজার কোটি টাকা থাকার কথা উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এই তারেকের কত বাড়ি কত মার্কেট আছে তার হিসাব নেই।’

জামালপুর জিলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত ত্রিবার্ষিক এই সম্মেলন উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক।

জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভপতি মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান দুলাল, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, মারুফা আক্তার পপিসহ আরও অনেকে।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে ওবায়দুল কাদের জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ ও বিজন কুমার চন্দকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রী ঘুমান মাত্র ৩ থেকে সাড়ে ৩ ঘণ্টা: কাদের
বিএনপির এবার টানেলের জ্বালা: কাদের
বিএনপির পতন অনিবার্য: কাদের

মন্তব্য

p
উপরে