× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
There is no end to the excuses even after the announcement the price is not decreasing
hear-news
player
google_news print-icon

অজুহাতের শেষ নেই, ঘোষণার পরও কমছে না দাম

অজুহাতের-শেষ-নেই-ঘোষণার-পরও-কমছে-না-দাম
সয়াবিন তেলের দাম কমানোর ঘোষণা দেয়ার তিনদিন পরও নতুন বোতলের দেখা নেই বাজারে। ছবি: সংগৃহীত
গত সোমবার ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের সমিতি বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায়, বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা আর খোলা তেলের দাম লিটারে কমবে ১৭ টাকা। বিবৃতিতে স্পষ্ট করেই জানিয়ে দেয়া হয়, নতুন দাম কার্যকর হবে পরদিন থেকে। তবে এই ঘোষণার পর পেরিয়ে গেছে আরও তিনটি দিন। এখনও আগের বর্ধিত দরেই তেল কিনতে হচ্ছে দেশবাসীকে। ব্যবসায়ীরা একজোট হয়ে নতুন দামের তেল দোকানে তুলছে না। একই কাজ করছে সুপারশপগুলোও।

বোতলজাত যে সয়াবিন তেল ১৭৮ টাকা লিটারে কেনার কথা ক্রেতাদের, তা এখনও কিনতে হচ্ছে ১৯২ টাকা করে।

দাম বাড়ানোর ঘোষণা এলে সঙ্গে সঙ্গেই বাড়তি দামের তেলের বোতল বাজারে চলে এলেও দাম কমানোর ঘোষণা দেয়ার তিন দিন পরও নতুন বোতলের দেখা নেই বাজারে।

কাঁচাবাজারের সাধারণ মুদির দোকান তো বটেই, এমনকি চেইন সুপার শপগুলোর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোও সয়াবিন তেল বিক্রি করছে আগের দরে ১৯২ টাকা লিটার হিসাবে। যুক্তি হিসেবে সবাই বলছে, হ্রাসকৃত দামের বোতল এখনও পৌঁছেনি তাদের হাতে।

গত সোমবার ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের সমিতি বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায়, প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের সঙ্গে কোম্পানি মালিকদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা আর খোলা তেলের দাম লিটারে কমবে ১৭ টাকা।

বিবৃতিতে স্পষ্ট করেই জানিয়ে দেয়া হয়, নতুন দাম কার্যকর হবে পরদিন থেকে।

তবে এই ঘোষণার পর পেরিয়ে গেছে আরও তিনটি দিন। এখনও আগের বর্ধিত দরেই তেল কিনতে হচ্ছে দেশবাসীকে।

অজুহাতের শেষ নেই, ঘোষণার পরও কমছে না দাম
সুপারশপগুলোতে আগের পুরাতন দামের বোতল দিয়েই তেলের কর্নার ভরা।

এই বিষয়টি এর আগেও বারবার দেখা গেছে। সবশেষ গত ২৩ আগস্ট যখন লিটার প্রতি দাম ৭ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা আসে, তখন পরের দিন সকাল থেকেই বাড়তি দরে তেল কিনতে হয় মানুষকে। আর নতুন দাম উল্লেখ করে তেলের বোতল ছেয়ে যায় বাজারে।

নতুন তেল তুলছে না কেউ
ক্রেতাদেরকে পুরোনো তেলের বোতল কিনতে বাধ্য করতে একজোট একটি প্রচেষ্টা চোখে পড়ছে খোলাবাজার, সুপারশপ-সব জায়গায়।

আগের বোতল স্টকে থেকে যাওয়ায় হ্রাসকৃত দামের তেল কিনতে আগ্রহী নন খুচরা বিক্রেতা এমনকি সুপারশপগুলো। তারা বলছেন, পুরাতনগুলো শেষ হলে পরে নতুন তেল আনা হবে।

এ ক্ষেত্রে দুর্গাপূজার ছুটিকে অজুহাত হিসেবেও দাঁড় করিয়েছেন ব্যবসায়ীরা, যদিও এই পূজায় বাজারের কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকেনি।

রাজধানীর গুলশান-বাড্ডা লিংক রোডে স্বপ্ন, উত্তর বাড্ডায় ডেইলি শপ, টিকাটুলির ইউনিমার্টের বিক্রয়কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে আগের পুরাতন দামের বোতল দিয়েই তেলের কর্নার ভরা। এক লিটার, দুই লিটার এবং পাঁচ লিটারের সবগুলো বোতলই আগের দামের সিলযুক্ত। নতুন দামের কোনো বোতল পাওয়া যায়নি একটি সুপার শপেও।

কর্মকর্তারা বলছেন, খুচরা বাজারে চেয়ে সুপার শপে তাড়াতাড়ি নতুন দামের তেল পাওয়া যাবে। ভোক্তারা নতুন দামের পণ্যটা যেন খোলাবাজারের চেয়ে অন্তত একদিন আগে হলেও পান, সে চেষ্টা চলছে বলেও উল্লেখ করেন একজন।

মীনা বাজারের সরবরাহ ব্যবস্থার প্রধান আবু রাইহান ভূঁইয়া আলবেরুনী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সব সময় নতুন দামে তেল আমরা দুইতিন দিনের মধ্যেই পেয়ে যাই। এরপর নতুন দামেরটাও থাকে পুরাতন দামেরটাও থাকে সেখান থেকে ক্রেতারা যেটা পছন্দ করে সেটাই নেয়। তবে যদি নতুন দাম আর পুরাতন দামের মধ্যে পার্থক্য অনেক বেশি থাকে তাহলে কোম্পানিগুলো দামটা সমন্বয় করে দেয়। তখন আমরা বিভিন্ন ছাড় দিয়ে সেটা বিক্রি করে ফেলি। এবারও নতুন চালান চলে আসবে খুব শিগগিরই। পূজার বন্ধের কারণে হয়ত একটু দেরি হচ্ছে। তবে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই চলে আসবে আশা করি।’

এসিআই লজিস্টিকসের সুপার শপ স্বপ্নের জনসংযোগ কর্মকর্তা কামরুজ্জামান মিলু বলেন, ‘আমরা নতুন তেল অর্ডার দিয়েছি। অপেক্ষায় আছি কোম্পানিগুলো কবে আমাদের তা সরবরাহ করবে। আমাদের গ্রাহকরা নতুন দামের পণ্য চাচ্ছে। তাদের চাহিদা মেটাতে আশা করছি খুব দ্রুতই নতুন দামে তেল বিক্রি করা সম্ভব হবে।’

ইউনাইটেড গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইউনিমার্টের ক্রয় ব্যবস্থাপক নাজমুল হুদা বলেন, ‘যেদিন থেকে দাম নির্ধারণ হয়েছে সেদিন থেকেই আমরা নতুন দামে পেতে অর্ডার করেছি। এখনও আমাদের কাছে নতুন দামের তেল এসে পৌঁছায়নি। যেহেতু আমরা অনেক বড় একটা পরিমাণ অর্ডার করে থাকি সেহেতু এর প্রক্রিয়াটাও একটু দেরি হয়।’

এখন এক সপ্তাহ সময় চায় কোম্পানি
ভোজ্য তেল ব্যবসায়ীদের সমিতি বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম মোল্লা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দাম নির্ধারণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তো মার্কেটে মাল যায় না। মার্কেটে নতুন মাল যেতে কমপক্ষে সময় লাগে এক সপ্তাহ।

‘সবেমাত্র সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন ব্যাংক থেকে পে অর্ডার আনবে, তা জমা দেবে তারপর স্লিপ নেবে। আপনি ব্যাংকে গিয়ে দেখেন কয় শ গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। এদের সবাইকে দিতেই তো এক সপ্তাহ সময় লাগবে।’

দাম বাড়লে সঙ্গে সঙ্গেই বেড়ে যায় আর কমলে তা কার্যকর হতে অনেক সময় লাগে এমন প্রশ্নের জবাবে এ নির্বাহী বলেন, ‘আমি নিজেও একজন ভোক্তা, আমিও এর শিকার। দাম বাড়লে তা তাৎক্ষণিক বেড়ে যায় আর কমলে তা কমতে লাগে সপ্তাহের বেশি। আমরা জিম্মি হয়ে গেছি, এখানে কিছুই করার নেই। আমি নিজেও বাকি সবার মতোই একজন ভোক্তা।’

অজুহাতের শেষ নেই, ঘোষণার পরও কমছে না দাম
সুপারশপগুলোতে আগের পুরাতন দামের বোতল দিয়েই তেলের কর্নার ভরা।

সিটি গ্রুপের পরিচালক (করপোরেট ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স) বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, ‘দাম কার্যকর হওয়ার পর থেকেই আমরা উৎপাদন শুরু করে দিয়েছি। উৎপাদনের পর মালটা পৌঁছাতে তো দুয়েকদিন সময় লাগে। যেসব ব্যবসায়ী পুরাতন দামে মাল কিনেছে তারা তো লসে মাল বিক্রি করবে না। আশা করি এক সপ্তাহের মধ্যেই সবার কাছে নতুন দামের তেল পৌঁছে যাবে।’

টিকে গ্রুপের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড অপারেশনসের উপ-ব্যবস্থপনা পরিচালক (ডিজিএম) নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা ৩ তারিখ থেকেই নতুন দামে মাল প্রস্তুত শুরু করেছি। এখন সাপ্লাই চেইনে কোনো ঝামেলা না হলে খুব দ্রুতই নতুন দামের মাল পৌঁছে যাবে। এখানে গ্যাপটা শুধু সাপ্লাই চেইনের।’

নতুন মূল্যে পণ্য পেতে হলে অর্ডার করা প্রয়োজন উল্লেখ করে এ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা দাম পরিবর্তন করার পর দেখা গেল কোনো সুপার শপে তেলের ডেলিভারি নেই, তখন তো আর তাদের জোর করে মাল দেয়া যাবে না। নতুন দামে মাল পেতে হলে তাদের নতুন করে অর্ডার করতে হবে। তাই সুপার শপগুলোর নৈতিক দায়িত্ব হচ্ছে সমন্বয় করে নতুন দামে মাল অর্ডার করা। আমরা নতুন দাম অনুযায়ী সমন্বয় করে দিয়ে থাকি। এটা বলা যায় যার যার নৈতিকতার ওপর নির্ভর।’

মেঘনা গ্রপ অব ইন্ডাস্টির ব্রান্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) আবুল হাসনাত শাকিল বলেন, ‘বাজারে যেসব পুরাতন মূল্যের মাল থাকে সেগুলো তো আর সরিয়ে আনা সম্ভব না। নতুন দাম যেদিন থেকে কার্যকর তারমানে সেদিন ফ্যাক্টরি থেকে যে প্রোডাকশন হবে তা নতুন দামে হবে। এর জন্য তিন থেকে চার দিন আর সারা বাংলাদেশে কমপক্ষে সাত দিন সময় লাগে।’

আরও পড়ুন:
ভোজ্যতেলের দাম লিটারে মাত্র ৬ টাকা কমানো নিয়ে প্রশ্ন
বাজেটের দিন সয়াবিন তেল ছাড়াল ২০০ টাকা
মহাসড়কে সয়াবিন তেলের হরিলুট
বাড়ছে সয়াবিন তেলের সরবরাহ
সয়াবিন তেলের মূল্যবৃদ্ধি: রান্নাঘর থেকেই আন্দোলন শুরুর আহ্বান

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
If BNP tries to riot like Hefazat the right answer Kader

তাণ্ডবের চেষ্টা করলে সমুচিত জবাব: কাদের

তাণ্ডবের চেষ্টা করলে সমুচিত জবাব: কাদের শনিবার রাতে চট্টগ্রাম নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানের প্রবেশ পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বাড়াবাড়িটা খুব বেশি হচ্ছে। দেখেন, মিটিং হবে এক সপ্তাহ পর; এখনই তারা তাঁবু খাটিয়ে বালিশ-বিছানা, কম্বল মশার কয়েল নিয়ে চলে আসছে। এনে একটা নাটক সাজাচ্ছে। আমরা তৈরি আছি। আমাদের নেতাকর্মীরা প্রস্তুত থাকবে।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আমরা মারামারি করব না। আমাদের আক্রমণ করলে দেখা যাবে পাল্টা আক্রমণ কীভাবে হবে। বাড়াবাড়ি করলে ছেড়ে দেব না। বিএনপি হেফাজতের মতো তাণ্ডবের চেষ্টা করলে সমুচিত জবাব দেয়া হবে।’

শনিবার রাত ১০টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানের প্রবেশ পথে আওয়ামী লীগের জনসভাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজকে বাড়াবাড়িটা খুব বেশি হচ্ছে। দেখেন, মিটিং হবে এক সপ্তাহ পর; এখনই তারা তাঁবু খাটিয়ে বালিশ-বিছানা, কম্বল মশার কয়েল নিয়ে চলে আসছে। এনে একটা নাটক সাজাচ্ছে। আমরা তৈরি আছি। আমরা পাড়া-মহল্লায়, শহরে, প্রতিটি জেলায়, প্রতিটি উপজেলায়, প্রতিটি থানায় এমনকি ওয়ার্ড পর্যন্ত আমাদের নেতাকর্মীরা প্রস্তুত থাকবে।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এই চট্টগ্রাম বঙ্গবন্ধুর সব আন্দোলন-সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের দুর্ভেদ্য ঘাঁটি। এই চট্টগ্রাম বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনারও দুর্জয় ঘাঁটি। আগামীকাল (রোববার) এখানে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ মহাসমাবেশ হবে।’

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অচিরেই সংকট কেটে যাবে উল্লেখ করে সড়ক ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘এখন সবাইকে বুঝতে হবে, এই কোভিড পরিস্থিতির পর নিষেধাজ্ঞা, যুদ্ধের প্রতিক্রিয়া হচ্ছে। উন্নত দেশগুলোও হিমশিম খাচ্ছে। বিশেষ করে রাশিয়ার গ্যাস বন্ধ হওয়ার পর। এই সংকটে আমাদের নেত্রী দেশের পরিস্থিতি সামলাচ্ছেন। রপ্তানি আয় আবার বাড়তে শুরু করছে। আমরা ঘুরে দাঁড়াচ্ছি। আমরা আশা করছি এই সংকট শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অচিরেই কেটে যাবে।’

রোববারের জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য বক্তব্যের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আগামী দিনে নেত্রী অলরেডি ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন। আমাদের এবারের নির্বাচনী ওয়াদা স্মার্ট বাংলাদেশ। এ সম্পর্কে তিনি বলবেন। তিনি উন্নয়নের কথা বলবেন। ভবিষ্যৎ করণীয় বলবেন। সাম্প্রদায়িক জঙ্গিবাদী শক্তি উৎখাতে মুক্তিযুদ্ধের সসপক্ষের শক্তির বৃহত্তর ঐক্য নিয়েও কথা বলবেন।

‘জঙ্গিবাদী সাম্প্রদায়িক শক্তির যে উত্থান, তা বিএনপির পৃষ্ঠপোষকতায়। এই উত্থানের বিরুদ্ধে, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ, স্বাধীনতার আদর্শে যারা বিশ্বাস করে আজ তাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সংকট বিষয়ে বলবেন।’

আরও পড়ুন:
সরকার পতনের হাঁকডাক দিয়ে লাভ নেই: ওবায়দুল কাদের
বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে নজর রাখবে আ.লীগ: কাদের
বিএনপি লাঠি আনলে আওয়ামী লীগ ললিপপ চুষবে না: কাদের
প্রধানমন্ত্রী ঘুমান মাত্র ৩ থেকে সাড়ে ৩ ঘণ্টা: কাদের
বিএনপির এবার টানেলের জ্বালা: কাদের

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
7 were injured in the attack on the Chhatra League leaders in Bogra

বগুড়ায় ছাত্রলীগ নেতাদের ওপর ‘পদবঞ্চিতদের’ হামলা, আহত ৭

বগুড়ায় ছাত্রলীগ নেতাদের ওপর ‘পদবঞ্চিতদের’ হামলা, আহত ৭ বগুড়ায় শনিবার রাতে জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির নেতাদের ওপর হামলা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
বগুড়া জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সজীব সাহা বলেন, ‘অধ্যক্ষের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য আমি ও সম্পাদকসহ প্রায় ৫০ নেতাকর্মী এসেছিলাম। এ সময় তৌহিদ ও মাহফুজারের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে৷ আমাদের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ সময় প্রায় ১৫ থেকে ২০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।’

বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির নেতাদের ওপর পদবঞ্চিত বিদ্রোহীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাত ছাত্রলীগ নেতা আহত হন। ছাত্রলীগের বিদ্রোহী নেতাদের দাবি, কলেজ ক্যাম্পাসে নাশকতার উদ্দেশ্যে আসা ছাত্রদল ও শিবির নেতা-কর্মীদের প্রতিহত করেছেন তারা।

বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষের বাসভবনের সামনে শনিবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

হামলায় আহতদের মধ্যে আছেন, সরকারি শাহ সুলতান কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক, পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান সাব্বির, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক নূর আলম ও আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগ নেতা রিমন রহমান।

আহতদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জেলা ছাত্রলীগের নেতারা জানান, হামলায় নেতাকর্মীদের অন্তত ১৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।

নতুন কমিটির নেতারা জানান, শনিবার রাতে বগুড়া জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সজীব সাহা ও সাধারণ সম্পাদল আল-মাহিদুল জয়ের নেতৃত্বে ২০ থেকে ৩০টি মোটরসাইকেলে প্রায় ৫০ নেতা-কর্মী আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষর সঙ্গে সাক্ষাত করতে যান। সভাপতি ও সম্পাদকের অধ্যক্ষের বাসভবনে প্রবেশের কিছুক্ষণ পর ছাত্রলীগের বিদ্রোহী গ্রুপের নেতা তৌহিদুর রহমান ও মাহাফুজারের নেতৃত্বে হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলায় আহত শাহ সুলতান কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক বলেন, ‘রাত সাড়ে ৯টার দিকে আমাদের ওপর হামলা হয়। আমার মাথায় আঘাত লেগেছে। মাথায় সেলাই লেগেছে।’

বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজীব সাহা বলেন, ‘অধ্যক্ষের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য আমি ও সম্পাদকসহ প্রায় ৫০ নেতাকর্মী এসেছিলাম। এ সময় তৌহিদ ও মাহফুজারের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে৷’

সজীব আরও বলেন, ‘হামলায় আমাদের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ সময় প্রায় ১৫ থেকে ২০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। আমরা এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেব।’

সরকারি আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী বলেন, ‘জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদক আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে দুর্বৃত্তরা বাইরে হামলা চালায়।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিদ্রোহী গ্রুপের নেতা মাহাফুজার রহমান বলেন, ‘২৬ নভেম্বর আমরা আজিজুল হক কলেজে ছাত্রদলকে প্রতিহত করি। আমাদের কাছে খবর ছিল ছাত্রদল ও শিবিরের নেতাকর্মীরা কলেজ ক্যাম্পাসে নাশকতার জন্য এসেছে। এ জন্য আমরা কলেজে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে প্রবেশ করতেই একটি দল আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমরা হামলা শুধু প্রতিহত করেছি। তবে তারা কারা ছিল আমাদের জানা নেই।’

হামলার বিষয়ে বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরাফত ইসলাম বলেন, ‘সরকারি আজিজুল হক কলেজে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। আমাদের টিম সেখানে আছে। অভিযোগ সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

৭ নভেম্বর সজীব সাহাকে সভাপতি ও আল-মাহিদুল ইসলাম জয়কে সাধারণ সম্পাদক করে বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের ৩০ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের সই করা চিঠিতে এক বছর মেয়াদী এ আংশিক কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়।

কমিটির ঘোষণার পর পরই জেলা ছাত্রলীগের একাংশ বিক্ষোভ শুরু করে। কাঙ্ক্ষিত পদ না পেয়ে তখন জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়েছিলেন সংগঠনটির একাংশের নেতাকর্মী।

আরও পড়ুন:
ঢাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন: নেতৃত্বের দৌড়ে যারা
জবির ১৬ বিভাগে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা
ছাত্রলীগের সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত চবি, আহত ৮
‘শাসন করতে’ ছাত্রলীগ নেতার জুতাপেটা
ছাত্রলীগের বয়সসীমা ‘উনত্রিশ’ই থাকছে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Youth Dal President Tuku arrested

যুবদল সভাপতি টুকু আটক

যুবদল সভাপতি টুকু আটক যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ছবি: সংগৃহীত
রাজশাহীতে সমাবেশ শেষে ঢাকায় আসার পথে রাতে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং তার সঙ্গে থাকা যুবদলের সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম নয়ন, ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি জাভেদ হাসান স্বাধীন এবং টুকুর ব্যক্তিগত সহকারী মোখলেসুর রহমানকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ।

জাতীয়তাবাদী যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুসহ চারজনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। শনিবার রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ শেষে ঢাকায় ফেরার পথে রাতে আমিন বাজার এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান।

তিনি জানান, ঢাকায় আসার পথে টুকুর সঙ্গে থাকা যুবদলের সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম নয়ন, ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি জাভেদ হাসান স্বাধীন এবং টুকুর ব্যক্তিগত সহকারী মোখলেসুর রহমানকেও আটক করা হয়।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ বিষয়ে বলেন, ‘সরকার আমাদের ১০ জানুয়ারির গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে উন্মাদ ও হিংস্র হয়ে উঠেছে। এই সরকারের অত্যাচার-অবিচার এমন পর্যায়ে চলে গেছে যে তা থেকে দেশবাসীকে মুক্ত করতে হলে প্রয়োজন একটি গণ অভ্যুত্থান।’ রিজভী অবিলম্বে টুকুসহ গ্রেপ্তার নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন।

এদিকে মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্য়বাক ও লালবাগের সাবেক কমিশনার মোশাররফ হোসেন খোকনকে ডিবি পুলিশ আটক করেছে বলে দাবি করেছেন তার পার্সোনাল এসিস্ট্যান্ট রাকিব।

এদিকে যুবদল সভাপতি টুকুসহ অন্যদের আটকের বিষয়টি ডিবি ও পুলিশের পক্ষ থেকে প্রথমে নাকচ করা হলেও রাতে খোকনকে আটকের কথা স্বীকার করেছে ডিবি। তবে কি অভিযোগে তাকে আটক, সে বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
রাতেই মাঠ উপচে রাস্তায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা
সমাবেশে যোগ দিতে রাজশাহীতে মির্জা ফখরুল
২০০ মোটরসাইকেল নিয়ে রাজশাহীতে বগুড়ার নেতা-কর্মীরা
এবারও মঞ্চে থাকবে খালেদা-তারেকের চেয়ার
রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ মঞ্চ প্রস্তুত হয়নি এখনও

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Messis biggest picture hand painted on Coxs Bazar beach

কক্সবাজার সৈকতে হাতে আঁকা মেসি

কক্সবাজার সৈকতে হাতে আঁকা মেসি হাতে আঁকা মেসির ছবি ঘিরে কক্সবাজার সৈকতে ভক্তরা। ছবি: নিউজবাংলা
সাদা কাপড়ে অ্যাক্রেলিক রঙ দিয়ে আঁকা হয়েছে মেসির ছবি। এর দৈর্ঘ্য ৩৪ ফুট এবং প্রস্থ ২২ ফুট। আয়োজক ও শিল্পীর দাবি, কাপড়ে আঁকা এই ছবিটিই বিশ্বের মধ্যে হাতে আঁকা মেসির সবচেয়ে বড় ছবি।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে হয়ে গেল হাতে আঁকা ফুটবলার লিওনেল মেসির ছবির প্রদর্শনী। শিল্পী তারিকুল ইসলাম ও হাসিঘর ফাউন্ডেশন কক্সবাজারের উদ্যোগে শনিবার বিকেলে সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। সৃষ্টিশীল এই প্লেমেকারের ছবি দেখতে সৈকতে ছিল পর্যটক ও মেসি ভক্তদের ভিড়।

ছবির কারিগর শিল্পী তারিকুল ইসলামের দাবি, এটি হাতে আঁকা মেসির ‘সবচেয়ে বড় ছবি’।

আয়োজকরা বলছেন, ‘ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে প্রিয় খেলোয়াড় লিওনেল মেসির সবচেয়ে বড় ছবি সাদা কাপড়ে অ্যাক্রেলিক রঙ দিয়ে আঁকা হয়েছে। এর দৈর্ঘ্য ৩৪ ফুট এবং প্রস্থ ২২ ফুট। তাদের দাবি কাপড়ে আঁকা এই ছবিটি হবে বিশ্বের মধ্যে হাতে আঁকা মেসির সবচেয়ে বড় ছবি। এই ছবিতে সাত রঙের ব্যবহার হয়েছে।’

শিল্পী তারিকুল ইসলাম আরও বলেন, “হাতে আঁকা মেসির ছবি ছাড়াও মিষ্টি কুমড়া বীজে আঁকা ক্ষুদ্র আটটি ছবি রয়েছে। নিজস্ব শিল্পকর্ম দিয়ে তারিকুল ‘শেখ হাসিনা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড–২০২২’ পেয়েছেন। জায়গা করে নিয়েছেন ‘এশিয়া বুক অফ রেকর্ডে’।”

মেসির ভক্ত কক্সবাজার সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী রবিউল আলম বলেন, ‘লা লিগা (১৮৩) এবং কোপা আমেরিকার (১২) ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলে সহায়তাকারীর কৃতিত্বেরও মালিক মেসি। জাতীয় দল এবং ক্লাবের হয়ে তিনি ৭০০ এর অধিক পেশাদার গোল করেছেন। পাশাপাশি মেসি একজন সৃষ্টিশীল প্লেমেকার হিসেবেও পরিচিত। আমি মেসির ভক্ত। তার ছবি নিয়ে প্রদর্শনীতে এসে খুব ভালো লাগছে।’

কক্সবাজারে ঘুরতে আসা রাজশাহীর বাসিন্দা রাজিব হাসান ও রুমানা বলেন, ‘মেসির ছবি প্রদর্শনীর খবর শুনে ছুটে এসেছি। বেড়াতে এসে সমুদ্র দর্শনের সঙ্গে মেসির ছবির পাশে ক্যামরাবন্দি হতে পারা অতিরিক্ত পাওয়া।’

রামু ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী আফরা রুমালি অথৈ বলেন, ‘আমি যদিও ব্রাজিল সমর্থক। কিন্ত মেসি একজন ভালো ফুটবলার। সেই জায়গা থেকে আমি প্রদর্শনীতে এসেছি। অন্যদের মতো আমিও তার ছবির পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছি।’

শিল্পী তারিকুলের বাড়ি বগুড়ার ধুনট উপজেলার বেড়েরবাড়ি। তার বাবার নাম মো. আব্দুল কাফি প্রামাণিক। ছবি আঁকার হাতে খড়ি বড় ভাই তাজমিনুর রহমান তাজের মাধ্যমে। তারিকুল রামু ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে চারু ও কারুকলা বিষয়ে সহকারী শিক্ষক।

আরও পড়ুন:
সবার আগে শেষ আটে নেদারল্যান্ডস
আর্জেন্টিনা-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে পোলিশ রেফারি
ফুটবল মাঠে কী কাজ অধিনায়কের?
নেদারল্যান্ডস-যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচ দিয়ে শুরু বিশ্বকাপের নকআউট
আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Easybike strike at midnight to protest the killing of the driver

চালক হত্যার প্রতিবাদে আধাবেলা ইজিবাইক ধর্মঘটের ডাক

চালক হত্যার প্রতিবাদে আধাবেলা ইজিবাইক ধর্মঘটের ডাক দিনাজপুর শহরে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ইজিবাইক মালিক-শ্রমিক-চালক সোসাইটি। ছবি: নিউজবাংলা
রোববার সকাল ১০টায় দিনাজপুর শহরের প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলেও কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ইজিবাইক মালিক-শ্রমিক-চালক সোসাইটি।

দিনাজপুর শহরে খালেকুল ইসলাম নামে এক চালককে হত্যার প্রতিবাদে রোববার ভোর ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত জেলাজুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ইজিবাইক মালিক-শ্রমিক-চালক সোসাইটি।

শনিবার রাত ৮টায় এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন সোসাইটির নেতারা।

ধর্মঘটের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর সোসাইটির সভাপতি আমজাদ হোসেন।

তিনি জানান, শুক্রবার দুপুরে ইজিবাইকচালক খালেকুল ইসলামকে দিনাজপুর শহরের মালদহ পট্টিতে মারধর করেন মেঘা বস্ত্রালয়ের মালিক সন্তোষ ডালমিয়া। এতে আহত খালেকুলকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনার প্রতিবাদে জেলা শহরজুড়ে শনিবার চারটি পৃথক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। খালেকুলকে হত্যা করা হয়েছে জানিয়ে এসব সমাবেশে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করা হয়।

এ ছাড়া রোববার ভোর ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত পুরো জেলায় ইজিবাইক ধর্মঘটের আহ্বান জানানো হয়।

এদিন সকাল ১০টায় জেলা শহরের প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলেও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ওসি তানভিরুল ইসলাম বলেন, ‘নিহতের মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
‘মোগো ওপর দিয়া বাস চালাইয়া যাউক’
বাসচাপায় ইজিবাইকের ৬ যাত্রী নিহতের ঘটনায় চালক গ্রেপ্তার
ইজিবাইকে বাসচাপায় নিহত বেড়ে ৬
ইজিবাইকে চাঁদাবাজি: সাদিক-মনীষা মুখোমুখি
মহাসড়কে চলতে পারবে না ইজিবাইক: আপিল বিভাগ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Police checkpoint on the road leading to Khaledas residence

খালেদার বাসভবনে প্রবেশের সড়কে পুলিশের চেকপোস্ট

খালেদার বাসভবনে প্রবেশের সড়কে পুলিশের চেকপোস্ট গুলশান ২ নম্বরের ৭৯ নম্বর রোডে শনিবার রাতে চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার শনিবার রাতে নিউজবাংলাকে বলেন, গুলশান ২ নম্বরের ৭৯ নম্বর রোডে খালেদা জিয়ার বাসভবনে প্রবেশের সড়কে শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে চেকপোস্ট বসানো হয়।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় প্রবেশের রাস্তায় চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ।

গুলশান ২ নম্বরের ৭৯ নম্বর রোডে খালেদা জিয়ার বাসভবনে প্রবেশপথে শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার শনিবার রাতে নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানান।

বিএনপি ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় সমাবেশের কর্মসূচি দিয়েছে। এই সমাবেশে খালেদা জিয়া নিজেও উপস্থিত হতে পারেন- এমন প্রচার আছে। তার ভিত্তিতে পুলিশের পক্ষ থেকে এমন পদক্ষেপ কীনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেননি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস এ বিষয়ে শনিবার রাতে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সরকার কতটা ঘাবড়ে গেছে তা আজ (শনিবার) সন্ধ্যা থেকে স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।

‘নয়াপল্টনের রাস্তায় তারাই ককটেল বিস্ফোরণের নাটক করেছে। আর ওই ঘটনা দেখিয়ে ধরপাকড় শুরু করেছে। এরপর গুলশানে চেয়ারপারসনের বাসার সামনে চেকপোস্ট বসিয়েছে। ভয়ে থাকা সরকার এসব করে বিএনপিকে ভয় দেখাতে চায়।’

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এসব কর্মকাণ্ড করে আর নিজেদের দুর্বলতার প্রকাশ ঘটাবেন না।’

আরও পড়ুন:
আরও ছয় মাস জেলের বাইরে খালেদা জিয়া
ফের পেছাল খালেদার দুই মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি
খালেদার ভারত সফর নিয়ে ভুল তথ্য আব্বাসের
খালেদার মুক্তির মেয়াদ ষষ্ঠবারের মতো বাড়ানোর আবেদন
পরিবার চাইলে খালেদার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়বে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bananis residential hotel was searched by the police at night

রাতে বনানী-মতিঝিলের আবাসিক হোটেলে পুলিশের তল্লাশি

রাতে বনানী-মতিঝিলের আবাসিক হোটেলে পুলিশের তল্লাশি কাকলীর বিভিন্ন হোটেল তল্লাশি চালায় পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
শনিবার রাতে কাকলীর ইনসাফ নামের একটি আবাসিক হোটেলে জঙ্গিরা অবস্থান করছে, এমন তথ্যে অভিযান শুরু হয়। পরে আশেপাশের অন্য হোটেলে তল্লাশি চলে।

রাজধানীর বনানী ও মতিঝিল এলাকার বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল ও মেসে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। তবে আটক ও উদ্ধার সম্পর্কে রাতে কিছু জানাতে রাজি হননি পুলিশ কর্মকর্তারা।

শনিবার রাত ৯ টার দিকে বনানীর কাকলী মোড়ে শুরু হওয়া এক অভিযানে পুলিশ সেখানে আবাসিক হোটেলে অবস্থানরতদের পরিচয় যাচাইয়ের পাশাপাশি আশেপাশে তল্লাশি চালায়।

প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানায়, কাকলীর ইনসাফ নামের একটি আবাসিক হোটেলে জঙ্গিরা অবস্থান করছে, এমন তথ্যে অভিযান শুরু হয়। পরে আশেপাশের অন্য হোটেলে তল্লাশি চলে।

অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করে বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আযম মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের কাছে প্রাথমিক তথ্য আছে হোটেলটিতে জঙ্গিবাদে সম্পৃক্তরা অবস্থান করছে। এজন্য আমরা এখানে অভিযান পরিচালনা করছি।’

রাতে বনানী-মতিঝিলের আবাসিক হোটেলে পুলিশের তল্লাশি
কাকলীর হোটেল ইনসাফে জঙ্গিদের অবস্থানের তথ্য পেয়েছিল পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

মধ্যরাত পর্যন্ত কাকলী এলাকার বিভিন্ন হোটেলে পুলিশের একাধিক টিমকে অবস্থান করতে দেখা যায়। তখন কাউকে আটক অথবা গ্রেপ্তারের বিষয় নিশ্চিত করেননি পুলিশ কর্মকর্তারা।

শতাধিক পুলিশ সদস্য কাকলী এলাকার হোটেলগুলোতে ঢুকে তল্লাশি চালায়। একাধিক হোটেলে ও মেসে অভিযান চালালেও সন্দেহভাজন কাউকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি পুলিশ।

রাত সাড়ে দশটায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আযম মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের কাছে তথ্য আছে আদালত থেকে পলাতক জঙ্গিরা কাকলী এলাকায় আত্মগোপন করে আছে। তাই আমরা এই এলাকার সম্ভাব্য সব জায়গায় অভিযান পরিচালনা করছি। কাকলী এলাকার সকল আবাসিক হোটেল ও মেসে ধারাবাহিকভাবে আমাদের অভিযান চলবে। তবে এখনো পর্যন্ত সন্দেহভাজন কাউকে পাওয়া যায়নি, আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।

এদিকে রাত দশটার দিকে মতিঝিলের দৈনিক বাংলা মোড়ে পুলিশ তল্লাশি চালায় হোটেল রহমানীয়াতে। পুলিশের বিশেষ অভিযান চলে পল্টনসহ আশেপাশের এলাকাতেও।

মতিঝিল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইয়াসির আরাফাত বলেন, আমরা অভিযান পরিচালনা করছি। এ বিষয়ে পরে জানানো হবে।

আরও পড়ুন:
১৫ দিনের বিশেষ অভিযানে পুলিশ
বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল, আহত পুলিশ
বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ

মন্তব্য

p
উপরে