× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Akash Alis death casts a pall over the joy of worship
hear-news
player
google_news print-icon

পূজার আনন্দে বিষাদ ঢেলেছে আকাশ মিয়ার মৃত্যু

পূজার-আনন্দে-বিষাদ-ঢেলেছে-আকাশ-মিয়ার-মৃত্যু
বুধবার সন্ধ্যায় জামালপুরে ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে আকাশ আলীর মরদেহ উদ্ধারের পর স্বজনের কান্না। ছবি: নিউজবাংলা
৩৬০ বছর পুরনো শ্রীশ্রী দয়াময়ী মন্দিরের পুরোহিত নিরঞ্জন ভাদুড়ী বলেন, ‘ঘটনাটি শোনার পর থেকেই নিজের ভেতরে এক ধরনের অস্থিরতা অনুভব করছি। এত বড় একটা উৎসবে একজন মা তার আদরের ধন হারাল। একটা মায়ের বুক খালি হয়ে গেল। এই ছেলেটি আমার বা আপনারও হতে পারত। তাই আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।’

বছর ঘুরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য আনন্দের উপলক্ষ হয়ে আসে শারদীয় দুর্গোৎসব। ব্যতিক্রম হয়নি এবারও। কিন্তু একটি মৃত্যু সেই আনন্দের আবহে বিষাদ ছড়িয়ে দিয়েছে।

জামালপুরে বুধবার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের সময় ব্রহ্মপুত্র নদের পানিতে ডুবে মারা যান মো. আকাশ মিয়া। আনন্দ আয়োজন উদযাপনকালে ২২ বছর বয়সী এই তরুণের মৃত্যুর শোক ছুয়ে গেছে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে।

আকাশ জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা এলাকার সোজাউর রহমান রানার ছেলে। এই অকাল মৃত্যুতে পরিবারটি শোকে বাকরুদ্ধ। স্থানীয় মুসলিম এবং হিন্দু কমিউনিটির মানুষও মেনে নিতে পারছেন না এই দুর্ঘটনা। তারা বলছেন- আনন্দ উৎসবে এমন মর্মান্তিক ঘটনা কখনোই কাম্য নয়।

বৃহস্পতিবার সকালে নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক গোরস্তানে আকাশ মিয়াকে দাফন করা হয়েছে।

পূজার আনন্দে বিষাদ ঢেলেছে আকাশ মিয়ার মৃত্যু
ব্রহ্মপুত্র নদের এই স্থানটিতেই বুধবার সন্ধ্যায় প্রতিমা বিসর্জনের সময় পানিতে ডুবে মারা যান মো. আকাশ মিয়া। ছবি: নিউজবাংলা

আকাশ মিয়ার এই অকাল মৃত্যুতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জামালপুর জেলা শাখার সভাপতি প্রদীপ কুমার সোম বলেন, ‘গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যায় ফায়ার সার্ভিস মুকন্দবাড়ির প্রতিমার নিচ থেকে ছেলেটির দেহ উদ্ধার করার পর আমরা সবাই অস্থির হয়ে গেলাম। ছেলেটিকে হাসপাতালে নিয়ে গেলাম। সব জায়গায় খবর লাগালাম। পরে তার পরিবারের লোকজন এল। রাত ১২টার পর আমরা হাসপাতাল থেকে এলাম।

এ ঘটনায় আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাই শোকাহত। এমন দুঃখজনক ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে আমাদেরে আরও সচেতন থেকে উৎসব উদযাপন করা উচিত।’

৩৬০ বছর পুরনো শ্রীশ্রী দয়াময়ী মন্দিরের পুরোহিত নিরঞ্জন ভাদুড়ী বলেন, ‘আমাদের বিভিন্ন উৎসবে মুসলমান ছেলেরাই বেশি থাকে। আমরা সবাই মিলে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেই। একটি উৎসবে এমন মৃত্যু কারও কাম্য নয়।

‘ঘটনাটি শোনার পর থেকেই নিজের ভেতরে এক ধরনের অস্থিরতা অনুভব করছি। এত বড় একটা উৎসবে একজন মা তার আদরের ধন হারাল। একটা মায়ের বুক খালি হয়ে গেল। এই ছেলেটি আমার হতে পারত। আপনারও হতে পারত। তাই আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।’

জামালপুরের মানবাধিকার কর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, ‘আনন্দ উৎসবে এমন মর্মান্তিক ঘটনায় সবারই আনন্দ ম্লান করে দিয়েছে। হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সবাইকে ছুয়ে গেছে এই বিয়োগান্তক ঘটনা।’

বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক সাযযাদ আনসারী বলেন, ‘জামালপুরের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন উৎসবে মুসলমান কিশোর-যুবকরা বরাবরই দলে দলে অংশগ্রহণ করে থাকে। সবাই মিলে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে। এটি হচ্ছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি বড় উদাহর। প্রতিমা বিসর্জনের সময় ছেলেটির এই অকাল মৃত্যুতে আমরা সবাই শোকাহত। এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কারও কাম্য নয়।’

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন শাখার রেসকিউ বোট ক্রু তানজিল আহম্মেদ তন্ময়। তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যা ৭টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে মো. আকাশ আলী নামের ছেলেটি দুইবার নদে পড়ে যায়। সঙ্গে থাকা বন্ধু-বান্ধবরা দুবারই তাকে নদের পাড়ে তুলে আনে।

‘তৃতীয় বার যখন ছেলেটি নদে পড়ে যায় তখন আর কেউ খেয়ালা করেনি। মিনিট দশেক পর তার অনুপস্থিতি দেখে সঙ্গীয় বন্ধুরা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়।ক দেয় পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ছেলেটিকে নদীতে বিসর্জন দেয়া প্রতিমার নিচ থেকে তাকে উদ্ধার করে।’

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, ‘এই মৃত্যু নিয়ে আকাশের মা-বাবার কোনো অভিযোগ নেই। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জামালপুর সদর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
প্রতিমার সঙ্গে ডুবে মুসলিম যুবকের মৃত্যু
পূজার আলোকসজ্জার তারে জড়িয়ে যুবকের মৃত্যু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The order to report within 3 months on the loss of money of Basic Bank

বেসিক ব্যাংকের অর্থ লোপাট নিয়ে ৩ মাসের মধ্যে প্রতিবেদনের নির্দেশ

বেসিক ব্যাংকের অর্থ লোপাট নিয়ে ৩ মাসের মধ্যে প্রতিবেদনের নির্দেশ রাজধানীতে বেসিক ব্যাংকের একটি শাখার ফাইল ছবি
রায়ের পরে আইনজীবী এস এম আবুল হোসেন বলেন, ‘রায়ের কপি পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে সব মামলার তদন্ত শেষ করে চার্জশিট জমার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে আমাদের জামিন আবেদনটি খারিজ করে দেয়া হয়েছে।’

বেসিক ব্যাংকের দুই হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি মামলায় তিন মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এই সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে ব্যর্থ হলে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ব্যাংকটির অর্থপাচারের মামলার আসামি মোহাম্মদ আলীর জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল খারিজ করে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেয়।

আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান, জামিন আবেদনকারী মোহাম্মদ আলীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এসএম আবুল হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক, তার সঙ্গে ছিলেন সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল আন্না খানম কলি।

রায়ের পরে আইনজীবী এস এম আবুল হোসেন বলেন, ‘রায়ের কপি পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে সব মামলার তদন্ত শেষ করে চার্জশিট জমার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে আমাদের জামিন আবেদনটি খারিজ করে দেয়া হয়েছে।’

আরও আসছে…

আরও পড়ুন:
বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি: আলামত চেয়ে মালয়েশিয়াকে দুদকের অনুরোধ
বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির তদন্ত ৬ বছরেও কেন শেষ হয়নি: হাইকোর্ট
বেসিক ব্যাংকের কত টাকা জব্দ, সাত দিনের মধ্যে জানানোর নির্দেশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Tipu Preity Murder Inquiry Report January 11

টিপু-প্রীতি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১১ জানুয়ারি

টিপু-প্রীতি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১১ জানুয়ারি জাহিদুল ইসলাম টিপু ও সুমাইয়া আফরিন প্রীতি। ফাইল ছবি
মঙ্গলবার মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার দিন ঠিক ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। এ জন্য ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী প্রতিবেদন জমার নতুন এ তারিখ ঠিক করেন।

মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু ও কলেজছাত্রী সামিয়া আফরিন প্রীতি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার তারিখ পিছিয়ে আগামী ১১ জানুয়ারি ঠিক করেছে আদালত।

মঙ্গলবার মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার দিন ঠিক ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। এ জন্য ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী প্রতিবেদন জমার নতুন এ তারিখ ঠিক করেন।

গত ২৪ মার্চ রাত পৌনে ১০টার দিকে মতিঝিল এজিবি কলোনির কাঁচা বাজারসংলগ্ন নিজের রেস্টুরেন্ট থেকে বাসায় ফেরার পথে শাহজাহানপুর আমতলা ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের সামনে দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হন মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক টিপু। এ সময় তার মাইক্রোবাসের পাশে রিকশায় থাকা কলেজছাত্রী প্রীতিও গুলিতে নিহত হন। আহত হন টিপুর গাড়িচালক মুন্না।

এ ঘটনায় টিপুর স্ত্রী ফারজানা ইসলাম ডলি হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।

মামলার পর ২৬ মার্চ রাতে বগুড়া থেকে শ্যুটার মাসুম মোহাম্মদ ওরফে আকাশকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি।

এরপর আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। তারা হলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটির ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক, আবু সালেহ শিকদার ওরফে শ্যুটার সালেহ, নাছির উদ্দিন ওরফে কিলার নাছির, মোরশেদুল আলম ওরফে কাইল্লা পলাশ ও আরফান উল্লাহ দামাল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ১০টা ২২ মিনিটে টিপু একটি সাদা রঙের নোয়াহ মাইক্রোবাসে করে শাহজাহানপুর আমতলা মসজিদের সামনে থেকে খিলগাঁও ফ্লাইওভারের দিকে যাচ্ছিলেন। গাড়িটি সাউথইস্ট ব্যাংকের সামনে জ্যামে আটকা পড়ে।

ওদিকে বিপরীত দিকের রাস্তায় দুই যুবক মোটরসাইকেল নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। টিপুর গাড়িটি জ্যামে আটকা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে হেলমেটধারী দুই যুবকের একজন এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে টিপুর গাড়ির দিকে ছুটে আসেন। এরপর গাড়ি লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়েন। এতে গাড়ির ভেতরেই গুলিবিদ্ধ হন টিপু। এ সময় চালকের হাতে গুলি লাগলে তিনি গাড়ির গতি বাড়িয়ে ঘটনাস্থল থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

ওদিকে শুরুর দিকে ছোড়া এলোপাতাড়ি গুলিতে আহত হন গাড়ির পাশে রিকশায় থাকা কলেজছাত্রী প্রীতি। ঘটনার পরপরই আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে চিকিৎসকরা তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধদের উদ্ধার করে ঢামেকে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রাত ১১টার দিকে টিপু ও প্রীতিকে মৃত ঘোষণা করেন।

২০১৩ সালের ২৯ জুলাই রাজধানীর গুলশানে শপার্স ওয়ার্ল্ড নামে একটি বিপণিবিতানের সামনে খুন হন যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল হক খান মিল্কী। আলোচিত এ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন তৎকালীন মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু।

আরও পড়ুন:
টিপু-প্রীতি হত্যা: এক আসামির জামিন
টিপু-প্রীতি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ২৯ নভেম্বর
টিপু-প্রীতি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ১৭ অক্টোবর
টিপু-প্রীতি হত্যা: মোল্লা শামীমসহ ৫ জন ৩ দিনের রিমান্ডে
টিপু-প্রীতি হত্যা: সেই বাইক-পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ৫

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1 killed in shooting attack on DBs car in Comilla

কুমিল্লায় ডিবির গাড়িতে হামলা, গুলিবিদ্ধ ১ ‘ডাকাত’

কুমিল্লায় ডিবির গাড়িতে হামলা, গুলিবিদ্ধ ১ ‘ডাকাত’
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গাড়িতে হামলার ঘটনায় বন্দুকযুদ্ধে একজন আহত হয়েছেন। ফাইল ছবি
গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাজেশ বড়ুয়া বলেন, ‘ডিবির অফিসার ও ফোর্সরা দ্রুত গাড়ি থেকে নামলে সশস্ত্র ডাকাতদল ডিবির জ্যাকেট পরিহিত পুলিশ দেখে আক্রমণাত্মকভাবে তাদের লক্ষ্য করে গুলি করে।’

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কাকিয়ারচর এলাকায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গাড়িতে হামলাচেষ্টার ঘটনায় ডাকাত দলের এক সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, এমন দাবি করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বিষয়টি নিশ্চিত করে গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজেশ বড়ুয়া জানান গুলিবিদ্ধ ২৯ বছর বয়সী যুবক আবু ইউসুফ বুড়িচং উপজেলার হালগাঁও গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের ছেলে।

রাজেশ বড়ুয়া বলেন, ‘সোমবার মধ্যরাতে ডিবির একটি টিম বুড়িচং থানার নিমসারসংলগ্ন আবিদপুর যাওয়ার রাস্তায় কাকিয়ারচর নামক এলাকায় পৌঁছালে গাড়ির চাকায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলে (চালক) গাড়ি থামায়। গাড়ি থামার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তার পাশের ধানক্ষেত থেকে ৭-৮ সদস্যের সশস্ত্র ডাকাতদল গাড়িটিকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলে।

‘ডিবির অফিসার ও ফোর্সরা দ্রুত গাড়ি থেকে নামলে সশস্ত্র ডাকাতদল ডিবির জ্যাকেট পরিহিত পুলিশ দেখে আক্রমণাত্মকভাবে তাদের লক্ষ্য করে গুলি করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তখন ডিবি পুলিশ পাল্টা গুলি করলে ডাকাতদল দিগ্বিদিক পালাতে থাকে। গুলির ও পুলিশের বাঁশির আওয়াজ শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে।’

‘পরবর্তী সময়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও ডিবি পুলিশ সড়কের পাশের ধানক্ষেত ও খালি জায়গায় তল্লাশি করে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ডাকাতকে পেয়ে হেফাজতে নিয়ে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে তার চিকিৎসা চলছে,’ যোগ করেন তিনি।

ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপ গান, একটি ছেনি (লম্বা দা), একটি কিরিচ, একটি লোহার রড, একটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন:
ডাকাত আতঙ্কে মাদারীপুরের পাঁচ উপজেলার মানুষ
আ.লীগ নেতার খামারে ডাকাতি, নিয়ে গেছে বিদেশি ৬ গাভি
মাদক কারবারিদের গুলিতে নিহত হন শাহীন, দাবি র‍্যাবের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The miscreants hacked the tea shopkeeper to death

চা দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা

চা দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা প্রতীকী ছবি
টিটন বাড়ির পাশে নিজের চায়ের দোকানে ছিলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে ৩টি মোটরসাইকেলে কয়েকজন ব্যক্তি এসে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। 

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় জীবন চৌধুরী টিটন নামের এক চা দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের ধান্যহাড়িয়া গ্রামে সোমবার রাত ১০ টার দিকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

নিহত টিটন একই গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে।

যাদবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন জানান, টিটন বাড়ির পাশে নিজের চায়ের দোকানে ছিলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে ৩টি মোটরসাইকেলে কয়েকজন ব্যক্তি এসে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে।

আহত টিটনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মিয়া জানান, পুর্ব শত্রুতার জের ধরে এই হত্যাকান্ড হয়েছে বলে ধারনা করছি। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।

আরও পড়ুন:
মসজিদে যাওয়ার পথে ব্যবসায়ী খুন
সাভারের নীলা হত্যা মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য ২০ ফেব্রুয়ারি
দুই যুগ আগের হত্যা মামলায় ২ আসামির যাবজ্জীবন
কোথায় গেল আয়াতের টুকরা দেহ
শিশুর রক্তাক্ত মরদেহ বস্তায়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The businessman was killed on the way to the mosque

মসজিদে যাওয়ার পথে ব্যবসায়ী খুন

মসজিদে যাওয়ার পথে ব্যবসায়ী খুন নিহত মাসুদের গলায় ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। ছবি: সংগৃহীত
এশার নামাজ পড়তে হেঁটে বাজারের মসজিদের দিকে যাচ্ছিলেন মাসুদ। অন্ধকার গলিতে পৌঁছলে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তার গলায় ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে আব্দুর রহমান মাসুদ নামের এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

নিহত ৪২ বছর বয়সী মাসুদ কোচাশহর ইউনিয়নের মোকদ্দপুর গ্রামের আজিজার রহমান খট্টুর ছেলে।

ঘটনার পর হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের নয়ারহাট শীতবস্ত্রের বাজারের মুর্শিদের গলিতে এ ঘটনা ঘটে।

কোচাশহরে তার শীতবস্ত্র তৈরির কারাখানা রয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, এশার নামাজ পড়তে হেঁটে বাজারের মসজিদের দিকে যাচ্ছিলেন মাসুদ। অন্ধকার গলিতে পৌঁছলে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তার গলায় ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।

আহত মাসুদকে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসকরা। সেখানে পৌঁছার আগেই রাস্তায় তার মৃত্যু হয়।

নিহতের ভাই শাহ আলম জানান, রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলেন মাসুদ। দুর্বৃত্তরা তার গলায় ছুরি দিয়ে আঘাত করেছে। পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

নিহতের স্ত্রী নারগিস বেগম বলেন, 'আমার স্বামী কারো ক্ষতি করেনি। কেন এমনটা করল মানুষ? আমি স্বামী হত্যার বিচার চাই।'

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইজার উদ্দীন ও কোচাশহর ইউপি চেয়ারম্যান জহরুল ইসলাম জাহিদ।

ওসি ইজার উদ্দীন বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি মসজিদের সামনে থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
স্কুলকক্ষে ২ ভাইয়ের মরদেহ: বাবা আটক
শিশু আয়াতকে হত্যার পর ৬ টুকরা করেন সাবেক ভাড়াটিয়া
স্কুলকক্ষে ২ ভাইয়ের মরদেহ, মিলছে না বাবার খোঁজ
বাবুল আক্তারকে গ্রেপ্তারে আদেশ
অন্তঃসত্ত্বাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা, ৫ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The investigation of the case of crimes against humanity against thin doctor is over

পাতলা ডাক্তারের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার তদন্ত শেষ

পাতলা ডাক্তারের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার তদন্ত শেষ
তদন্ত সংস্থা জানায়, আসামি সৈয়দ শওকাতুল ইসলাম ওরফে পাতলা ডাক্তারের বিরুদ্ধে ১০ হত্যাকাণ্ডসহ তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে চারজনকে ধর্ষণ, দেড় শতাধিক লোককে আটক-নির্যাতন এবং দুই শতাধিক বাড়িঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ রয়েছে।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির সৈয়দ শওকাতুল ইসলাম ওরফে পাতলা ডাক্তারের বিরুদ্ধে একাত্তর সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তদন্ত শেষ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

শিগগিরই এ প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনে জমা দেয়া হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

সোমবার ধানমণ্ডিতে তদন্ত সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক এম সানাউল হক। এটি তদন্ত সংস্থার ৮৬তম প্রতিবেদন বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, আসামি সৈয়দ শওকাতুল ইসলাম ওরফে পাতলা ডাক্তারের বিরুদ্ধে ১০ হত্যাকাণ্ডসহ তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে চারজনকে ধর্ষণ, দেড় শতাধিক লোককে আটক-নির্যাতন এবং দুই শতাধিক বাড়িঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ রয়েছে।

তার বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ৬ মার্চ তদন্ত শুরু হয়। তিন বছর ৮ মাস ২০ দিন তদন্ত করে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। এই মামলার দুই আসামির মধ্যে একজন ইতোমধ্যে মারা গেছেন। আর গ্রেপ্তার শওকাতুল ইসলাম কারাগারে রয়েছেন।

অপরাধ সংঘটনের স্থান চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানার বিভিন্ন এলাকায় বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আসামির বিরুদ্ধে আনীত প্রথম অভিযোগে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ২ জুন রাজাকার শওকাতুল ইসলামসহ অনুমান ১০/১৫ জন সশস্ত্র রাজাকার এবং অনুমান ১০০/১৫০ জন পাকিস্তানি আর্মি চট্টগ্রাম জেলা সার্কিট হাউজের আর্মি ক্যাম্প থেকে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানাধীন নানুপুর সৈয়দপাড়া গ্রাম এবং মাইজভাণ্ডার আমতলী গ্রামের ওয়াইজ কাজী বাড়ি, সিকদার বাড়ি ও আমতলী বাজার এলাকায় সশস্ত্র হামলা চালায়। তারা নানুপুর সৈয়দপাড়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, শিল্পপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক মির্জা আবু আহম্মদের কোম্পানির ম্যানেজার হিরণ্য কুমার দত্ত বাবু ও নানুপর ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নূর আহমদ, মির্জা আবু আহম্মদের ছেলে মির্জা মোহাম্মদ আকবর ও বোন সৈয়দা গুল চম্পা বেগম এবং তাদের প্রতিবেশী মুক্তিযোদ্ধা ইপিআর সুবেদারের স্ত্রী তাহেরা বেগমসহ দুই শতাধিক লোককে আটক ও নির্যাতন করে।

এরপর হিরণ্য কুমার দত্ত বাবু ও চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নুর আহম্মেদকে নানুপুর বিনাজুড়ি খালের পাড়ে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে।

এছাড়াও রাজাকারদের সহায়তায় পাকিস্তানি আর্মি আটক অন্যদের ছেড়ে দিয়ে মির্জা মোহাম্মদ আকবর, সৈয়দা গুল চম্পা বেগম ও তাহেরা বেগমকে অপহরণ করে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে নিয়ে যায়। পরদিন সকালে তাদেরকে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে নিয়ে আটক রেখে অমানষিক নির্যাতন করে। মির্জা মোহাম্মদ আকবরকে তারা ১৫ দিন পরে ছেড়ে দেয় এবং আটককৃত ভিকটিম সৈয়দা গুল চম্পা বেগম ও তাহেরা বেগমকে ২৬ দিন পর্যন্ত চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আটক রেখে নির্যাতন ও ধর্ষণ করে।

দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা থেকে অনুমান ১টা পর্যন্ত রাজাকার শওকাতুল ইসলামসহ ১৫/২০ জন রাজাকার নিয়ে ৪০/৫০ জন পাকিস্তানি আর্মি ফটিকছড়ির নানুপর ইউনিয়নের মাইজভাণ্ডার আমতলী গ্রাম ও আমতলী বাজার এবং রোসাংগিরী ইউনিয়নের পূর্ব আজিমনগর গ্রামের শীল পাড়াসহ আশপাশ এলাকায় সশস্ত্র হামলা চালায়। তারা ছাত্রলীগ কর্মী সৈয়দ জসিম উদ্দিন, আব্দুস সালাম, মোহাম্মদ ইসহাক ও হাজী নূর আহম্মেদকে অস্ত্রের মুখে আটক ও অপহরণ করে আজিমনগর শীলপাড়ায় নিয়ে।

এরপর শীলপাড়ার দেবেন্দ্র কুমার শীল, হেমেন্দ্র কুমার শীল, মোহন্ত কুমার শীলকে অস্ত্রের মুখে আটক ও নির্যাতন এবং তাদের বাড়ির মালামাল লুট করে। রাজাকার ও পাকিস্তানি আর্মি ইতোপূর্বে আকটকৃত সৈয়দ জসিম উদ্দিন, আব্দুস সালাম, ইসহাক ও হাজী নূর আহম্মদকে জনৈক রায় মোহন শীল ওরফে বোঁচা ডাক্তারের বাড়ির উঠোনে দাঁড় করিয়ে গুলি করে। এতে তিনজন ঘটনাস্থলেই শহীদ হন। গুলিবিদ্ধ হাজী নূর আহম্মদ ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান।

এছাড়াও আজিমনগর শীলপাড়ায় দেবেন্দ্র কুমার শীলকে এবং আবাদী জমিতে হেমেন্দ্র কুমার শীল ও মোহন্ত কুমার শীলকে গুলি করে হত্যা করে।

তৃতীয় অভিযোগে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ২ ডিসেম্বর ভোর ৪টা থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত রাজাকার শওকতুল ইসলামসহ ১০/১২ জন রাজাকারকে নিয়ে ৩০/৪০ জন পাকিস্তানি আর্মি ফটিকছড়ির নানুপর ইউনিয়নের মাইজভাণ্ডার সূত্রধর পাড়া ও আশপাশ এলাকায় অতর্কিতে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে অনুমান ৩০/৩৫টি বাড়ির মালামাল লুট এবং অগ্নিসংযোগ করে।

আরও পড়ুন:
মানবতাবিরোধী অপরাধ: ৮ বছর পর তালিকায় মোবারকের আপিল
মানবতাবিরোধী অপরাধ: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খলিলুর গ্রেপ্তার
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৪ জন কারাগারে
মানবতাবিরোধী অপরাধ: ২২ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ
মানবতাবিরোধী অপরাধ: খুলনার আমজাদসহ ৬ জনের ফাঁসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
DSCCs eviction operation in Gulistan jails 5 shopkeepers

গুলিস্তানে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান, ৫ দোকানিকে জেল

গুলিস্তানে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান, ৫ দোকানিকে জেল গুলিস্তানে রেড জোনে সোমবার অভিযান চালায় ডিএসসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত। ছবি: নিউজবাংলা
ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে দোকান বসানোয় ‌একজনকে ১৫ দিন ও চারজনকে ৭ দিনের জেল দেয়া হয়। এছাড়া ৯ দোকানিকে ৬৮ হাজার টাকা জরিমানা এবং জব্দ মালামাল স্পট নিলামে ১ লাখ ৩ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।

রাজধানীর গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে আহাদ পুলিশ বক্স, গুলিস্তান হল মার্কেট থেকে গোলাপ শাহ মাজার হয়ে বঙ্গ ভবন এলাকা পর্যন্ত ঘোষিত ‘রেড জোন’-এ আবারও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ডিএসসিসির সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনিরুজ্জামান এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফিফা খানের নেতৃত্বে অষ্টম দিনের মতো গুলিস্তান রেড জোনে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে অন্যান্যের মধ্যে ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ রতন উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানকালে ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে দোকান বসানোয় মোহাম্মদ রুবেল, মাসুদ রানা, আরাফাত, সাকিব ও ফারুক নামে পাঁচজনকে কারাদণ্ড দেয়া হয়। তাদের মধ্যে মোহাম্মদ রুবেলকে ১৫ দিন এবং বাকি চারজনকে ৭ দিনের জেল দেয়া হয়।

এছাড়া ৯ দোকানিকে নয়টি মামলায় ৬৮ হাজার টাকা জরিমানা এবং অভিযানকালে জব্দকৃত মালামাল স্পট নিলামে ১ লাখ ৩ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
বহুতল মার্কেট করতে গুলিস্তান হকার্সে উচ্ছেদ
ডিএসসিসির অভিযান: ৮ দশক পর মাইশা খালের জমি উদ্ধার
মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু

মন্তব্য

p
উপরে