× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Mayor Khalek is threatening to expel the voters
hear-news
player
google_news print-icon

‘ভোটারদের বহিষ্কারের হুমকি দিচ্ছেন মেয়র খালেক’

ভোটারদের-বহিষ্কারের-হুমকি-দিচ্ছেন-মেয়র-খালেক
খুলনা ক্লাবে ৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের সভায় বক্তব্য দেন কেসিসি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। ছবি: নিউজবাংলা
মোর্ত্তজা বলেন, ‘জেলা পরিষদ নির্বাচনে কেসিসি মেয়র ধারাবাহিকভাবে আচারণবিধি লঙ্ঘন করছেন। চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ হারুন মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় মেয়র সঙ্গে ছিলেন, সরকারি গাড়ি নিয়ে এসেছিলেন। পরে তিনি ভোটারদের দল থেকে বহিষ্কারের হুমকি দেন। তিনি প্রভাব খাটিয়ে ভোট বুঝে নিতে চেয়েছেন।

খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে আচারণ বিধি লঙ্ঘন করে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে প্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে।

মেয়রের বিরুদ্ধে রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্বতন্ত্রপ্রার্থী মোর্ত্তজা রশিদী দারা।

অভিযোগে বলা হয়, ‘দলীয় প্রার্থীকে ভোট দিতে প্রকাশ্যে নির্দেশ, নির্বাচনি সভায় অংশগ্রহণ, ভোট না দিলে জনপ্রতিনিধি ভোটারদের দল থেকে বহিষ্কারের হুমকি দিচ্ছেন মেয়র খালেক।’

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে রিটার্নিং অফিসারের পক্ষে অভিযোগ গ্রহণ করেন খুলনা জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক মো. ইউসুপ আলী।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ‘৩ অক্টোবর খুলনা ক্লাবে জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী শেখ হারুনুর রশিদের সভাপতিত্বে সভা হয়। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। তিনি মোটরসাইকেল প্রতীকে ভোটারদের কাছ থেকে ভোট বুঝে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।’

মোর্ত্তজা বলেন, ‘জেলা পরিষদ নির্বাচনে কেসিসি মেয়র ধারাবাহিকভাবে আচারণবিধি লঙ্ঘন করছেন। চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ হারুন মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় মেয়র সঙ্গে ছিলেন, সরকারি গাড়ি নিয়ে এসেছিলেন। পরে তিনি ভোটারদের দল থেকে বহিষ্কারের হুমকি দেন। তিনি প্রভাব খাটিয়ে ভোট বুঝে নিতে চেয়েছেন।

‘৩ অক্টোবরের সভায় মেয়র ভোটারদের বলেন, আপনারা কখন কার সঙ্গে দেখা করেন, কথা বলেন, মোবাইল ট্রাকের মাধ্যমে সব সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যায়। ভোট গণনার পর আমাদের দলের কয়টা ভোট পড়েছে, আমরা সঙ্গে সঙ্গে জানতে পারবো।’

দারা বলেন, ‘মেয়রের বক্তব্যের ওই ভিডিও আমাদের কাছে আছে। আমরা তা পেনড্রাইভের মাধ্যমে রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভোটাররা ভয়ে আমার সঙ্গে দেখা করতে চাচ্ছেন না। আওয়ামী লীগের নেতারা ভোটারদের ভয়ে রেখেছেন। তারা ভোটেরদের কর্মচারী মনে করে হুমকি দিচ্ছেন।’

জেলা পরিষদ (নির্বাচন আচারণ) বিধিমালার ২২ ধারায় বলা হয়েছে, সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী নির্বাচন পূর্ব সময়ে নির্বাচনি এলাকায় প্রচারণা বা নির্বাচনি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। তবে তিনি যদি ভোটার হন, তবে শুধু ভোট দেয়ার জন্য কেন্দ্রে যেতে পারবেন। এখানে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বলতে, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, হুইপ, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, মেয়র বা তাদের সমমর্যাদার ব্যক্তিদের বোঝানো হয়েছে।

ওই ধারায় আরও বলা হয়েছে, নির্বাচন-পূর্ব সময়ে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনি কাজে সরকারি প্রচারযন্ত্র, অন্য কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ এবং সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে ব্যবহার করতে পারবেন না।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ‘ক্লোজড ডোরে দলের সাংগঠনিক কাজ চালিয়ে যেতে কোনো বাধা নেই। আমি মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি, সেই হিসেবে দলীয় প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছিলাম।’

খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের তিন নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, মোটরসাইকেল প্রতীকে খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হারুনুর রশীদ, আনারস প্রতীকে খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও বিএমএর সভাপতি ডা. শেখ বাহারুল আলম এবং চশমা প্রতীক খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোর্ত্তজা রশিদী দারা।

এর মধ্যে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন শেখ হারুনুর রশিদ।

আরও পড়ুন:
আ.লীগের ২৪ নেতাকর্মী বহিষ্কার
দলীয় নেতাকে ‘হত্যাচেষ্টা’, বিএনপির সজল বহিষ্কার
এমপির সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডার জেরে আ. লীগ নেতাকে বহিষ্কারের অভিযোগ
শৃঙ্খলা ভঙ্গ: ইউনিয়ন আ.লীগ সভাপতিকে বহিষ্কার
ভাবির মামলায় জেল খাটা সেই ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Revision of RPO Govt doesnt care about EC

আরপিওর সংশোধন: ইসিকে পাত্তা দিচ্ছে না সরকার

আরপিওর সংশোধন: ইসিকে পাত্তা দিচ্ছে না সরকার নির্বাচন ভবন। ফাইল ছবি
আরপিও সংশোধন খসড়া বিল প্রস্তুত করে গত ৮ আগস্ট তা লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, বিচার সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়। অগ্রগতি জানতে নির্বাচন কমিশনের চিঠি দুইবার উপেক্ষা করেছে মন্ত্রণালয়। ক্ষুব্ধ ইসি বলেছে, এই আচরণে জনমনে সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে সংশয় জাগবে।

সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের সাহায্য সহযোগিতা করার আশ্বাস দিলেও কমিশনের একটি অনুরোধ গত সাড়ে তিন মাস ধরে উপেক্ষা করে আসছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ।

কমিশনের খসড়া প্রস্তাবের পর কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, তার তথ্য চেয়ে পাঠানো দুটি চিঠিও উপেক্ষা করা হয়েছে। দুইবার জবাব না পেয়ে এবার কমিশন আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে জবাব দিতে সময় বেঁধে দিয়েছে।

সাংবিধানিক সংস্থা হিসেবে কমিশনক সহযোগিতা করা সবার কর্তব্য- এই বিষয়টি স্মরণ করিয়ে চিঠিতে এও বলা হয়েছে যে, কমিশন যা চাইছে, তা পূরণ না হলে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তারা সক্ষমতা অর্জন করতে পারবে না।

সরকার সহযোগিতা না করলে জনমনে সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে সংশয় জাগবে- এই বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে এই চিঠিতে।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএমে ভোটদানের ক্ষেত্রে আঙ্গুলের ছাপ না মেলায় প্রিজাইংডিং কর্মকর্তার আঙ্গুলের ছাপ ব্যবহার করে ব্যালট ইউনিট ওপেন করার ব্যবস্থাটি আরপিওতে অন্তুর্ভুক্ত করতে চায় কমিশন। বেশ কিছু আইনের সংস্কারের পক্ষেও তারা।

এ বিষয়ে পাঠানো প্রস্তারের বিষয়ে সাড়ে তিন মাসেও কোনো কিছু জানানো হয়নি কমিশনকে। এতে অসন্তুষ্ট তারা।

রোববার নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব আব্দুল হালিম স্বাক্ষরিত একটি চিঠি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব বরাবর পাঠানো হয়। এতে এ কথা বলা হয়।

আরপিওর সংশোধন: ইসিকে পাত্তা দিচ্ছে না সরকার

নির্বাচন কমিশনের কড়া প্রতিক্রিয়া

রোববার মন্ত্রণালয় বরাবর পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ- ১৯৭২ এ কিছু সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে আরপিও সংশোধন খসড়া বিল প্রস্তুত করে গত ৮ আগস্ট তা লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, বিচার সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়।

খসড়া বিলটি নিয়ে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে গত ২৮ সেপ্টেম্বর জরুরি পত্র পাঠিয়ে অগ্রগতি জানতে চায় কমিশিন। কিন্তু জবাব আসেনি। এরপর ১০ অক্টোবর আরও একটি চিঠি পাঠানো হয়। এবারও কমিশনের চিঠি উপেক্ষা করা হয়।

এবারের চিঠিতে বলা হয়, ‘আরপিওর সংশোধন সংক্রান্ত খসড়া বিলের অগ্রগতির বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে অবগত করার জন্য শেষবারের মতো বিশেষভাবে সনির্বন্ধ অনুরোধ করেছে।’

সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদের বিধান মতে দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করা যে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য- সেই বিষয়টিও চিঠিতে স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়।

এতে বলা হয়, ‘আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং উহার লেজেসটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ রাষ্ট্র ও সরকারের নির্বাহী বিভাগের একাংশ। দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করা ইহার সাংবিধানিক সংবিধিবদ্ধ দায়িত্ব।’

নির্বাচন কমিশন মনে করে, কমিশনের অনুরোধ ও চাহিদা উপেক্ষিত হলে তারা দায়িত্ব পালনে সক্ষমতা অর্জন করতে পারবে না। এতে নির্বাচন বিষয়ে কমিশনের সক্ষমতা, স্বাধীনতা এবং সরকারের সদিচ্ছা প্রশ্নে জনমনে অনাকাঙ্ক্ষিত সংশয়ের উদ্রেক হতে পারে বলেও ভাবছে তারা।

আরও পড়ুন:
আরপিও সংশোধনে মন্ত্রণালয়ের সাড়া পাচ্ছে না ইসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Election Commission stumbles in verifying the conditions of registration

নিবন্ধনের শর্ত যাচাইয়ে নির্বাচন কমিশনের হোঁচট

নিবন্ধনের শর্ত যাচাইয়ে নির্বাচন কমিশনের হোঁচট রাজনৈতিক দলগুলো নিবন্ধনের শর্তগুলো মেনে চলছে কি না সেটি যাচাইয়ে উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ছবি: নিউজবাংলা
রাজনৈতিক দলগুলো নিবন্ধনের শর্ত মেনে চলছে কি না, সে বিষয়ে তাদের কাছ থেকে প্রতিবেদন চাওয়া হয়। গত ১৩ অক্টোবর পাঠানো চিঠিতে ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে জবাব চাওয়া হয়। সে হিসেবে বৃহস্পতিবার ছিল প্রতিবেদন জমার শেষ সময়। কিন্তু ১৯টি দল প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। তিনটি দল সময় চেয়েছে। বাকিরা কিছুই জানায়নি।

রাজনৈতিক দলগুলো নিবন্ধনের শর্তগুলো মেনে চলছে কি না সেটি যাচাইয়ে নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগ মুখ থুবড়ে পড়ল। কমিশনের বেঁধে দেয়া সময়ে তাদেরকে তথ্য দিল না আওয়ামী লীগ, বিএনপির মতো প্রধান দলগুলো।

নিবন্ধিত ৩৯টি দলের মধ্যে নির্ধারিত সময়ে কমিশনে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে ১৯টি দল। তিনটি দল সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে। বাকি ১৭টি দল কিছুই জানায়নি।

যারা সময় চেয়েছে, তাদের মধ্যে আছে বিএনপি, যারা এক মাস সময় চেয়েছে। আওয়ামী লীগ সময় চেয়েও চিঠি দেয়নি।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের অনুচ্ছেদ ৯০ (খ) এ একটি দল নিবন্ধন পাওয়ার ক্ষেত্রে যেসব শর্ত পূরণ করতে হয় সেগুলোর উল্লেখ রয়েছে। এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে-কেন্দ্রীয় কমিটিসহ সব পর্যায়ের কমিটিতে সদস্য নির্বাচিত করা, ২০২০ সালের মধ্যে সব স্তরের কমিটিতে শতকরা ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য রাখা, শিক্ষক বা ছাত্র কিংবা আর্থিক, বাণিজ্যিক বা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মচারী বা শ্রমিক সমন্বয়ে বা অন্য কোনো পেশার সমন্বয়ে সহযোগী বা অঙ্গ সংগঠন থাকবে না- এসব কথা উল্লেখ আছে।

দলগুলো এসব শর্ত মেনে চলছে কি না, সে বিষয়ে তাদের কাছ থেকে প্রতিবেদন চাওয়া হয়। গত ১৩ অক্টোবর পাঠানো চিঠিতে ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে জবাব চাওয়া হয়। সে হিসেবে বৃহস্পতিবার ছিল প্রতিবেদন জমার শেষ সময়।

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন দলের নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। এর আগে সেপ্টেম্বরের মধ্যে পুরনো দলগুলোর যাচাইবাছাই শেষ করতে চেয়েছিল। সেই হিসেবে এমনিতেই দুই মাস পিছিয়ে তারা। দলগুলোর কাছে সাড়া না পাওয়ার কারণে আরও পিছিয়ে পড়বে সাংবিধানিক সংস্থাটি।

জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের উপসচিব আব্দুল হালিম খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দলগুলো প্রতিবেদন জমা দিচ্ছে। অফিসিয়ালি আজকে লাস্ট ডেট। অনেকেই বলবে চিঠিপত্র পেতে দেরি হয়েছে। তারা হয়তো পরে দেবে।’

কমিশন সময় বাড়াবে কি না-জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে সময় বাড়াবো না। কেউ দরখাস্ত তো করে নাই। আমার মনে হয় ওরা দিয়ে দেবে।’

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি জমা দিয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না ওরা দেই নাই। এদের সঙ্গে কথা হয়েছে।’

বিএনপি ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়ে আবেদন করেছে বলে জানিয়েছেন কমিশনের এক কর্মকর্তা। তবে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ এ সংক্রান্ত কোনো আবেদন জমা দেন নাই।

নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এ বিষয়ে তো এখনও জানি না।’

সময় বাড়াবেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে কিছু বলতে পারবো না। কারণ এ নিয়ে তো কোনো আলাপ হয় নাই।’

নিবন্ধনের শর্ত যদি পূরণ করতে না পানে তাহলে নিবন্ধন বাতিল করবেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কী শর্ত পূরণ করতে পারে নাই। তার উপরে নির্ভর করে। নিবন্ধন বাতিলের মতো হলে হবে।’

ইসির জবাব সাড়া দিয়েছে যারা

জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি, জাতীয় পার্টি জেপি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, বিজেপি, গণফোরাম, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি- বাংলাদেশ ন্যাপ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), ন্যাশনাল পিপলস পার্টি-এনপিপি, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ, মুক্তিজোট

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশন, বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্ট ও জাকের পার্টি।

সময় চায় যারা

বিএনপি দুই মাস সময় চাইলেও তিন মাস সময় চেয়েছে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ ও বাংলাদেশ কংগ্রেস।

নিশ্চুপ যারা

আওয়ামী লীগ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ, বিকল্পধারা বাংলাদেশ বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এম এল), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, বিপ্লবী ওয়াকার্স পার্টি, বাংলাদেশ গণতন্ত্রী পার্টি, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, গণফ্রন্ট, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন এনডিএম, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও ইসলামিক ফ্রন্ট এখনও কমিশনকে কিছু জানায়নি।

নিবন্ধন কবে, কাদের বাতিল

সেনা সমর্থিত তত্ববধায়ক সরকারের আমলে ২০০৮ সাল থেকে নবম সংসদ নির্বাচনের আগে দলের নিবন্ধন প্রথা চালুর পর ৪৪টি দল নিবন্ধন পায়। এরমধ্যে ৫টি দলের নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় বর্তমানে নিবন্ধিত রয়েছে ৩৯টি দল।

শর্তসাপেক্ষে নিবন্ধন পেলেও স্থায়ী সংশোধিত গঠনতন্ত্র দিতে না পারায় ২০০৯ সালে ফ্রিডম পার্টির নিবন্ধন বাতিল হয়। এছাড়া দশম সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৩ সালে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন আদালত অবৈধ ঘোষণা করে।

একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে নিবন্ধন শর্ত প্রতিপালন না করায় ২০১৮ সালে ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন এবং ভোটের পরে ২০২০ সালে প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক পার্টি-পিডিপি, ২০২১ সালে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার নিবন্ধন বাতিল করে ইসি।

আরও পড়ুন:
ইভিএমে রি-রাইটের সুযোগ নেই: ইসি আলমগীর
বিএনপি নির্বাচনে আসবে: ইসি আনিছুর
নিবন্ধন চেয়ে আবেদন ৮০ নয়, ৯৮ বা তার চেয়ে বেশি
নাকফুল, বাবেস, মুসকিল লীগ, বৈরাবরী পার্টিসহ নিবন্ধন চায় যারা
ইসির সাবেকদের নিয়ে বুধবার বৈঠক করবে কমিশন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rangpur election taken as a challenge EC Rashida

রংপুরের নির্বাচন চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি: ইসি রাশিদা

রংপুরের নির্বাচন চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি: ইসি রাশিদা রংপুরে শনিবার দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ করেন নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশিদা সুলতানা। ছবি: নিউজবাংলা
ইসি রাশিদা সুলতানা বলেন, ‘আমরা বসার পর থেকেই শুনছি, নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা নেই। শুধু নির্বাচন কমিশন একা আস্থা তৈরি করবে তা নয়, সবাইকে আস্থা তৈরি করতে হবে। কারও না কারও প্রতি বিশ্বাস থাকতে হবে। আমরা ভালো ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে চাই, এই আস্থা-বিশ্বাস মনের ভেতর আনতে হবে।’

‘রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন শতভাগ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করাকে আমরা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। ভোট সফল করতে যা যা করা দরকার সব উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ জন্য সব প্রার্থী, ভোটারসহ নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন।’

শনিবার দুপুরে রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশিদা সুলতানা।

তিনি বলেন, ‘আমরা বসার পর থেকেই শুনছি, নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা নেই। শুধু নির্বাচন কমিশন একা আস্থা তৈরি করবে তা নয়, সবাইকে আস্থা তৈরি করতে হবে। কারও না কারও প্রতি বিশ্বাস থাকতে হবে। আমরা ভালো ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে চাই, এ আস্থা-বিশ্বাস মনের ভেতর আনতে হবে।’

রংপুর সিটি নির্বাচনে ইভিএম নিয়ে এক প্রার্থীর শঙ্কার বিষয়ে রাশিদা সুলতানা বলেন, ‘শুধু উনি কেন, ইভিএম নিয়ে অনেকেই শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। আমরা ব্যাপকভাবে ইভিএম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছি। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভাসহ বিভিন্ন নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করেছি। ইভিএমে কোনো ত্রুটি নেই। আমি শুধু এটুকু বলব, নির্বাচন কমিশনের মতো ইভিএমেও আস্থা আনতে হবে।’

এ সময় রংপুর বিভাগীয় কমিশনার সাবিরুল ইসলাম, রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেন উপস্থিত ছিলেন।

আগামী ২৭ ডিসেম্বর রংপুর সিটি করপোরেশনে ভোট গ্রহণ হবে।

আরও পড়ুন:
রসিক নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন ২৯ নভেম্বর
রংপুর সিটিতে ভোট ২৭ ডিসেম্বর
রংপুরে সমাবেশের মঞ্চে ফখরুল
রংপুরে বিএনপির সমাবেশ শুরু
খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশে বিএনপির নেতা-কর্মীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Will not balance with police CEC

পুলিশ দিয়ে ব্যালেন্স করব না: সিইসি

পুলিশ দিয়ে ব্যালেন্স করব না: সিইসি বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সংবাদ সম্মেলন বক্তব্য দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। ছবি: নিউজবাংলা
সিইসি বলেন, ‘পুলিশ দিয়ে কিন্তু আমি ব্যালেন্স (সমতা) তৈরি করব না। ব্যালেন্সটা তৈরি হবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে। যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে প্রার্থীদের ইলেকশন এজেন্টরাই প্রতিটি কেন্দ্রে ব্যালেন্স তৈরি করবে।’

কার্যকর প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন সফল হয় না উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইস) কাজী হাবিবুল আউয়াল জানান, ভোট কেন্দ্রগুলোতে প্রার্থীদের সমর্থক ও এজেন্টদের মধ্যেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। এতে পুলিশের কোনো ভূমিকা থাকবে না। নির্বাচন সফল হতে সবচেয়ে বেশি দরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সমঝোতা ও সহযোগিতা।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সম্প্রতি সিইসির নেপাল সফর নিয়ে তার এই সংবাদ সম্মেলন।

সিইসি বলেন, ‘পুলিশ দিয়ে কিন্তু আমি ব্যালেন্স (সমতা) তৈরি করব না। ব্যালেন্সটা তৈরি হবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে। যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে প্রার্থীদের ইলেকশন এজেন্টরাই প্রতিটি কেন্দ্রে ব্যালেন্স তৈরি করবে।’

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘তারা (রাজনৈতিক দল) যদি সেই ভারসাম্য তৈরি না করে তাহলে পুলিশ-মিলিটারি দিয়ে সব সময় নির্বাচনকে সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য ও আস্থাভাজনভাবে উঠিয়ে আনা সম্ভব হবে না।’

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ডায়ালগ অপরিহার্য জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যদি মোটাদাগে মতৈক্য না থাকে নির্বাচনকে সুষ্ঠু করতে নির্বাচন কমিশন সুন্দর নির্বাচন তুলে দিতে পারবে না। রাজনৈতিক দলগুলোর সহায়তা লাগবে। তাদের মধ্যে একটা সমঝোতা লাগবে। নির্বাচন আয়োজনে একটা অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে দিতে হবে। তাহলে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে নির্বাচনটা গ্রহণযোগ্য হবে।’

সিইসি বলেন, ‘সরকারের একটা ভিন্ন সত্তা আছে। তার যে মিনিস্ট্রিগুলো আছে, ডিপার্টমেন্টগুলো আছে। যাদের আমাদের সহায়তা করতে হবে। তাদের তরফ থেকে আন্তরিক এবং সদিচ্ছাভিত্তিক সহায়তা না থাকে তাহলে নির্বাচনটাকে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় সফল করা সম্ভব হবে না। তাদের সহযোগিতা থাকলে নির্বাচনটা আরও বেশি সুন্দর ও সফল হবে।’

এ ছাড়া গাইবান্ধা-৫ আসনে উপনির্বাচনের তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।

আরপিও সংশোধনে আইন মন্ত্রণালয়ের সাড়া না পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরলে সিইসি বলেন, ‘এখনো আসেনি। এটা ঠিক। তবে আসবে না, এটা না। আমরা একটু অপেক্ষা করি। আমার বিশ্বাস সরকার সেটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখবে। আমরা মনে করি, যৌক্তিকভাবেই কিছু প্রস্তাব পাঠিয়েছি। সেটি সরকার অগ্রাহ্য করবে, বিষয়টি এমন নয়। আমরা আরও কিছুদিন দেখি।’

নির্বাচনে আগে নেপালের মতো রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আবার সংলাপে বসবেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেই নাই।

আমি মনে করি, ডায়ালগ (সংলাপ) যত করা যায়, সেটা ভালো।

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ডায়ালগ একেবারেই হচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা হওয়া খুব প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি। রাজনীতিতে আমরা জড়িত হতে চাই না। কিন্তু রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে আমরা আমাদের আবশ্যক সহায়তা প্রত্যাশা করি।'

রাজনৈতিক দলগুলোর প্রজ্ঞা আছে উল্লেখ করে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘ওনারাও একটু চিন্তা করবেন। রাজপথে শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে একটা সুন্দর নির্বাচন হবে, এটা আমি বিশ্বাস করি না। সব দলই বলতে চাচ্ছে রাজপথে দেখা হবে। রাজপথে শক্তি পরীক্ষা হবে।

‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি বলব, রাজপথে শক্তি প্রদর্শন করে শক্তি দেখিয়ে সত্যিকারের যে গণতান্ত্রিক নির্বাচন, সেটা হবে না। আপনাদের নির্বাচনে আসতে হবে। নির্বাচনের মাঠে নির্বাচনের যে নীতিবিধি আছে, সেই অনুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
গাইবান্ধা ‍উপনির্বাচনের প্রতিবেদন: হঠকারী সিদ্ধান্ত নেবেন না সিইসি
জিএসপি প্লাস সুবিধা পেতে মূল্য সংযোজন বৃদ্ধি চায় এফবিসিসিআই
‘বর্তমান সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন’
দুই দল বসেন, জনগণকে বাঁচান: শহীদুল হক
ইউপি নির্বাচনেও দিতে হবে হলফনামা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Affidavit will also be given in UP elections

ইউপি নির্বাচনেও দিতে হবে হলফনামা

ইউপি নির্বাচনেও দিতে হবে হলফনামা প্রতীকী ছবি
হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, যেহেতু বিধিমালার ওপরে আইন প্রাধান্য পাবে সে কারণে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের ক্ষেত্রেও প্রার্থীদের হলফনামা দাখিল করতে হবে। এরপর থেকে সব ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলাদা ফরমে হলফনামার তথ্য দাখিল করতে হবে।

জাতীয় সংসদ, সিটি করপোরেশনের মতো ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও প্রার্থীদের সাতটি তথ্য সম্বলিত হলফনামা দাখিল করতে হবে বলে রায়ের পর্যবেক্ষণ দিয়েছে হাইকোর্ট।

নির্বাচন কমিশনকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ পর্যবেক্ষণ দেয়।

চট্রগ্রাম ফটিকছড়ির এক ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীকে বৈধতা ঘোষণার রায়ে আদালত এ পর্যবেক্ষণ দিয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম ও অ্যাডভোকেট মো. জাহেদ উল আনোয়ার।

রায়ের বিষয়ে আইনজীবী মো. জাহেদ উল আনোয়ার বলেন, ‘২০২১ সালের ২৭ অক্টোবর চট্রগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার বখতপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ফারুকুল আজমের মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে রিট করা হয়। রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট গত বছরের ৩১ অক্টোবর ফারুকুল আজমের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে প্রতীক বরাদ্দের নির্দেশ দেয়।

‘আদেশের বিরুদ্ধে অপর প্রার্থী আপিল করেন। শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন। একইসঙ্গে ইউপি নির্বাচনের গেজেট স্থগিত করে দেন। পরে আপিল বিভাগ গত ৬ মার্চ রুলটি নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেন। সেই ধারাবাহিকতায় রুলের শুনানি হয়।’

আইনজীবী জানান, দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত রুল যথাযথ ঘোষণা করে। ফারুকুল আজমের প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে ওই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ভোট নিতে নির্দেশ দেয়া হয়।

এই রায়ের পর্যবেক্ষণে হাইকোর্ট বলেছে, অন্যান্য নির্বাচনে নমিনেশন পেপারের সঙ্গে ৭টি তথ্য সম্বলিত হলফনামা দেয়ার বিধান আছে। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে হলফনামা দেয়া হয় না। যদিও ইউনিয়ন পরিষদ আইন ২০০৯ এর ২৬(৩) এ হলফনামা দেয়ার কথা বলা হয়েছে।

২০১০ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিতে শুধুমাত্র প্রত্যায়নপত্র দেয়ার কথা বলা হয়েছে। সেখানে হলফনামা দেয়ার কথা নেই।

পর্যবেক্ষণে বলা হয়, যেহেতু বিধিমালার ওপরে আইন প্রাধান্য পাবে সে কারণে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের ক্ষেত্রেও প্রার্থীদের হলফনামা দাখিল করতে হবে। এরপর থেকে সব ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলাদা ফরমে হলফনামার তথ্য দাখিল করতে হবে।

এজন্য নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে রায়ে।

আরও পড়ুন:
১২ ইউপি নির্বাচনে আ.লীগের প্রার্থী ঘোষণা
সিলেটে বিদ্রোহীতে ধরাশায়ী নৌকা
নৌকাকে হারিয়ে ইউপির চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা
ইউ‌পি নির্বাচন: ভোট শুরুর আগেই অস্ত্রের মহড়া, সংঘর্ষ
চট্টগ্রামে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Memorandum of martyred children not to register Jamaat affiliated parties

জামায়াত-সম্পৃক্ত দলকে নিবন্ধন না দিতে শহীদ সন্তানদের স্মারকলিপি

জামায়াত-সম্পৃক্ত দলকে নিবন্ধন না দিতে শহীদ সন্তানদের স্মারকলিপি বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সিইসি দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দেয় প্রজন্ম ’৭১। ছবি: নিউজবাংলা
প্রজন্ম ’৭১ এর সভাপতি আসিফ মুনীর তন্ময় বলেন, ‘বাংলাদেশ ডেভেলোপমেন্ট পার্টি তারা নিজেদের নিবন্ধনের আবেদন করেছে তাতে আমরা শঙ্কিত। আমরা প্রজন্ম ’৭১ থেকে সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে একটা স্মারকলিপি দিয়েছি। আমরা মূলত যেটা বলতে চেয়েছি শহীদ সন্তান ও পরিবার থেকে আমাদের একটা ইমোশনাল আপিল আছে। যে আমরা চাই যাদের কোনো না কোনোভাবে সম্পৃক্ত আছে জামায়েত ইসলামীর সাথে এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের আদর্শের সাথে সেরকম কোনো ব্যক্তি যদি গঠন করেন এবং নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেন তাদের যাতে নিবন্ধন না দেয়া হয়।’

নিবন্ধন প্রত্যাশী নতুন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ ডেভেলোপমেন্ট পার্টিসহ (বিডিপি) জামায়েত সংশ্লিষ্ট কোনো দলকে নিবন্ধন না দেয়ার দাবি তুলেছে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সন্তানদের সংগঠন প্রজন্ম ’৭১।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) দপ্তরে বেলা ১১টায় স্মারকলিপি জমা দেয় শহীদ সন্তানদের এই সংগঠন প্রজন্ম ’৭১।

গত ১৪ নভেম্বর একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী দল জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পৃক্ততা আছে এমন কোনো রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন না দেয়ার দাবি জানিয়েছে এই সংগঠনটি।

একই দাবিতে বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন বরাবর স্মারকলিপি দেন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, নিবন্ধন বাতিল হওয়া জামায়াতে ইসলামীর নেতারাই দলটি গঠন করেছেন।

গত অক্টোবরে বিডিপি যেদিন ইসিতে নিবন্ধন জমা দিতে আসে, জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ততা আছে কি না- জানতে চাইলে বিডিপি সভাপতি বলেন, ‘ভুল কথা অনেকেই বলতে পারেন। এটা একটা নতুন দল। আমার সঙ্গে যারা আছেন তারা নতুন প্রজন্মের। বিভিন্নভাবে তাদের সংগ্রহ করছি। এখানে কারও কোনো দলের লেজুড়বৃত্তি বা সহিযোগিতা ফিল করি না। এখন কেউ যদি কিছু বলে, আমরা এজন্য দায়ী নয়।’

মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সন্তানদের সংগঠন প্রজন্ম ’৭১ এর সভাপতি আসিফ মুনীর তন্ময় বলেন, ‘বাংলাদেশ ডেভেলোপমেন্ট পার্টি তারা নিজেদের নিবন্ধনের আবেদন করেছে তাতে আমরা শঙ্কিত। আমরা প্রজন্ম ’৭১ থেকে সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে একটা স্মারকলিপি দিয়েছি। আমরা মূলত যেটা বলতে চেয়েছি শহীদ সন্তান ও পরিবার থেকে আমাদের একটা ইমোশনাল আপিল আছে। যে আমরা চাই যাদের কোনো না কোনোভাবে সম্পৃক্ত আছে জামায়েত ইসলামীর সাথে এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের আদর্শের সাথে সেরকম কোনো ব্যক্তি যদি গঠন করেন এবং নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেন তাদের যাতে নিবন্ধন না দেয়া হয়।’

তিনি বলেন, ‘সেটি তদন্ত সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী তদন্ত করবেন। কোন কোন যুক্তিতে নিবন্ধন না দেয়া যেতে পারে সেগুলোর আওতায় যদি কোনোভাবে আসে শুধুমাত্র বাংলাদেশ ডেভেলোপমেন্ট পার্টি নয় অন্যকোনো দল যদি থাকে তাদের নিবন্ধন যাতে না দেয়া হয়। যাতে করে রিভিউ কমিটি আমাদের আবেদনটি আমলে নেন বলে জানান।’

এক প্রশ্নের জবাবে সংগঠনটির প্রচার সম্পাদক অনল রায়হান বলেন, ‘মিডিয়ার খবর অনুযায়ী বাংলাদেশ ডেভোলোপমেন্ট পার্টির সভাপতি সেক্রেটারি জামায়েতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। খবর নিয়েছি তিনি জামায়েত ইসলামীর সুরা সদস্য ছিলেন এবং আছেন। সংগঠনের যারা সদস্য তারা কখনও না কখনও জামায়েত ইসলামীর সঙ্গে ছিলেন। ছাত্রশিবিরের সঙ্গে ছিলেন। জামায়েত ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশ ডেভোলপমেন্ট পার্টি আপহোল্ড করছে। এটা সকল সুস্থ নাগরিক বোঝেন।’

এমনটি নির্বাচন কমিশনসহ আওয়ামী লীগ ও বিএনপি বুঝবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

২০১২ সালের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘গত নির্বাচনে জামায়েতের নিবন্ধন যখন বাতিল হলো তখন আমরা সবাই জানতাম জামায়েত নতুন ফ্রন্ট খুলবে। নতুন চেহারা নিয়ে আসবে।’

বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যারা ছিলেন তাদের উদ্দেশে শহীদ সন্তান নুজহাত চৌধুরী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে ছিলেন। যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতাই চায় নাই। তারা যদি সেই অপরাজনীতি থেকে সরে না আসে। তারা বাংলাদেশের মঙ্গল চায় না। তারা কি ক্ষমা চেয়েছেন ত্রিশ লক্ষ শহীদের কাছে? স্বাধীন বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশের যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সেটা আপহোল্ড করবে। নিবন্ধন প্রত্যাশী দলের ভেতর আদর্শিকভাবে যদি থাকে মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে কেউ থাকে তাদের যাতে নিবন্ধন না দেয়া হয়।’

সংগঠনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন আসিফ মুনীর, সাইফুদ্দিন আব্বাস, নুজহাত চৌধুরী শম্পা, তানভীর হায়দায় চৌধুরী ও অনল রায়হান।

আরও পড়ুন:
অফিস নেই, ঠিকানা ভুল, তবু নিবন্ধনের বাসনা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Gaibandha poll irregularities Action against those responsible next week

গাইবান্ধা ভোটে অনিয়ম: দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আগামী সপ্তাহে

গাইবান্ধা ভোটে অনিয়ম: দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আগামী সপ্তাহে গাইবান্ধা-৫ আসনের একটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজে অনিয়ম ধরা পড়ে। ফাইল ছবি
গত ১২ অক্টোবর গাইবান্ধা-৫ আসনে উপনির্বাচনে সবগুলো কেন্দ্র সিসি টিভি ক্যামেরা দিয়ে ঢাকার নির্বাচন ভবনে বসে মনিটরিং করে নির্বাচন কমিশন। ভোট চলার চার ঘণ্টার মাথায় ১৪৫টি কেন্দ্রের ৫১টিতে ভোট স্থগিত করা হয়। পরে নির্বাচনই বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরে অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই তদন্ত কমিটি করে কমিশন। তদন্ত প্রতিবেদন এরই মধ্যে জমা পড়েছে।

গাইবান্ধা-৫ আসনে উপনির্বাচনে ভোটে অনিয়মে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আগামী সপ্তাহে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান। বলেছেন, যার যার অপরাধ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

আনিছুর বলেন, ‘গাইবান্ধার প্রতিবেদনে বেশ কিছু অনিয়ম পাওয়া গেছে। ১৭টির মতো কেন্দ্রের অনিয়ম পাওয়া গেছে।… অনিয়ম হয়েছে, বিধিতে যা আছে সে শাস্তিই হবে। অপরাধের মাত্রা দেখে শাস্তি নির্ধারিত হবে।

‘সরাসরি আমরা শাস্তি সবগুলোকে দিতে পারব না। কিছু কিছু মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিতে হবে।'


গাইবান্ধা ভোটে অনিয়ম: দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আগামী সপ্তাহে
গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনে ভোটে অনিয়ম নিয়ে কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান। ছবি: নিউজবাংলা


গত ১২ অক্টোবর গাইবান্ধা-৫ আসনে উপনির্বাচনে সবগুলো কেন্দ্র সিসি টিভি ক্যামেরা দিয়ে ঢাকার নির্বাচন ভবনে বসে মনিটরিং করে নির্বাচন কমিশন। ভোট চলার চার ঘণ্টার মাথায় ১৪৫ টি কেন্দ্রের ৫১টিতে ভোট স্থগিত করা হয়। পরে নির্বাচনই বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

পরে অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই তদন্ত কমিটি করে কমিশন। তদন্ত প্রতিবেদন এরই মধ্যে জমা পড়েছে।

ডিসি-এসপিরা অনিয়মে জড়িত কি না, জানতে চাইলে আনিছুর বলেন, ‘যদি কেউ জড়িত থাকে, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেব কার বিরুদ্ধে কী নেয়া হবে না হবে। অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

‘ডিসি-এসপির কতটুকু সম্পৃক্ততা আছে, সেটা দেখে ব্যবস্থা নেব। আগামী সপ্তাহে একেবারে ডিটেইলসটাই পেয়ে যাবেন।’

শাস্তি কী ধরনের হতে পারে, এমন প্রশ্নে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘তিরষ্কার করাও কিন্তু শাস্তি, সেটাও হতে পারে। কিছু কিছু আমরা নিজেরাই করতে পারব। কিছু আছে তাদের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। তাদের কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।’

তিনি বলেন, ‘কর্মকর্তাদের মধ্যে কেউ আছে শিক্ষক, তাদের বিরুদ্ধে তো আমরা ব্যবস্থা নিতে পারব না। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে আমরা বলব। আমরা যদি সুপারিশ পাঠাই তাহলে তারা (নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ) তা করতে বাধ্য। কোনো ব্যত্যয় করার তাদের তো সুযোগ নাই। আইন তো সবাইকে মানতে হবে।’

প্রার্থীর দায় ছিল কি না, জানতে চাইলে আনিছুর বলেন, ‘এজেন্টরা যে নিজেরাই ভোট দিতে গিয়েছেন, ইনফ্লেুয়েন্স করেছেন, এটা তো আমরা দেখেছি। নির্বাচনি এজেন্ট তো প্রার্থীর ওপরেই বর্তায়।’

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে নির্বাচন কমিশন সম্ভব সব কিছুই করবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের সর্বোচ্চ ক্ষমতা অ্যাপ্লাই করব। তফসিলের পর সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ আমাদের কাছে চলে আসবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যত ধরনের প্রচেষ্টা, আমরা অব্যহত রাখব। গাইবান্ধায় আবার ফ্রেশ নির্বাচন হবে। ব্যবস্থা আগে নিই। তারপরই সব ঠিক হয়ে যাবে।’

আরও পড়ুন:
গাইবান্ধা উপনির্বাচনে অনিয়ম: প্রথম দিনের তদন্ত শুরু
গাইবান্ধার ভোট: শুনানিতে ৬৮৫ জনকে ডাকছে তদন্ত কমিটি
গাইবান্ধায় প্রমাণ হয়েছে তত্ত্বাবধায়কের দরকার নেই: তথ্যমন্ত্রী
সব মিথ্যা, তাড়ানো হয়েছে আমার এজেন্ট: রিপন
গাইবান্ধা-৫ আসনে নৌকার প্রার্থী ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রিপন

মন্তব্য

p
উপরে