× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
New militant organization launched in 2017 RAB
hear-news
player
google_news print-icon

নতুন জঙ্গি সংগঠনের শুরু ২০১৭ সালে: র‍্যাব

নতুন-জঙ্গি-সংগঠনের-শুরু-২০১৭-সালে-র‍্যাব
নতুন জঙ্গি সংগঠনের বিষয়টি জানান র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন। ফাইল ছবি
র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বৃহস্পতিবার ব্রিফিংয়ে জানান, গ্রেপ্তার হোসাইন আহম্মদ পটুয়াখালীর মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নিষিদ্ধঘোষিত বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন থেকে কিছু সদস্য একত্রিত হয়ে ২০১৭ সালে নব্য জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৯ সালে সংগঠনটি ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’ নাম ধারণ করে।

দেশে নিষিদ্ধঘোষিত বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের নেতা ও সদস্যদের নিয়ে ২০১৭ সালে আরেকটি জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম শুরু হয় বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

বাহিনীর ভাষ্য, ২০১৯ সালে এ সংগঠনের নাম দেয়া হয় ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’ বা পূর্বাঞ্চলীয় হিন্দের জামাতুল আনসার।

র‌্যাব জানায়, কুমিল্লা থেকে নিখোঁজ তরুণদের উদ্ধার করতে গিয়ে এই সংগঠনের তথ্য পাওয়া যায়।

বাড়ি ছেড়ে যাওয়া চারজনসহ সাতজনকে বুধবার মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। অন্য জঙ্গি সংগঠনের মতো তারাও ‘কাট আউট’ পদ্ধতিতে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করে যাচ্ছিলেন।

তারা হলেন পটুয়াখালীর হোসাইন আহম্মদ, নেছার উদ্দিন ওরফে উমায়ের, বনি আমিন। বাকিরা হলেন ঘর ছেড়ে যাওয়া কুমিল্লার তরুণ ইমতিয়াজ আহমেদ রিফাত, মো. হাসিবুল ইসলাম, গোপালগঞ্জের রোমান শিকদার ও পটুয়াখালীর মো. সাবিত।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বৃহস্পতিবার ব্রিফিংয়ে জানান, গ্রেপ্তার হোসাইন আহম্মদ পটুয়াখালীর মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নিষিদ্ধঘোষিত বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন থেকে কিছু সদস্য একত্রিত হয়ে ২০১৭ সালে নব্য জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৯ সালে সংগঠনটি ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’ নাম ধারণ করে।

তিনি জানান, বাংলাদেশের নিষিদ্ধ সংগঠন, বিশেষত জেএমবি, আনসার আল ইসলাম ও হুজির বিভিন্ন পর্যায়ের কিছু নেতা-কর্মীরা একত্রিত হয়ে নতুন জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম শুরু করে। হোসাইন সংগঠনের জন্য সদস্য সংগ্রহ ও তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন। এ ছাড়া তিনি সদস্যদের বিভিন্ন তাত্ত্বিক জ্ঞান ও প্রশিক্ষণ দেয়ার মাধ্যমে সশস্ত্র হামলার বিষয়ে প্রস্তুত করে তুলতেন। তিনি ২০১৪-১৫ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসায় অধ্যয়নকালে সিরাজ নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে উগ্রবাদে অনুপ্রাণিত হন। তিনি ১৫ থেকে ২০ জন সদস্য সংগ্রহ ও তাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন।

র‌্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার নেছার উদ্দিন ওরফে উমায়ের ভোলায় একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ২০১৯ সালের আগে উগ্রবাদী কার্যক্রমে যুক্ত হন। তিনি হিজরতকৃত সদস্যদের প্রশিক্ষক ও তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্বে ছিলেন। এ ছাড়া তিনি সদস্যদের বিভিন্ন তাত্ত্বিক জ্ঞান ও প্রশিক্ষণ দেয়ার মাধ্যমে সশস্ত্র হামলার বিষয়ে প্রস্তুত করে তুলতেন। তিনি ৯ থেকে ১০ সদস্যের তত্ত্বাবধান ও প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

র‌্যাবের কর্মকর্তা আল মঈন জানান, গ্রেপ্তার বনি আমিন উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে পটুয়াখালী এলাকায় কম্পিউটার সেলস ও সার্ভিসের ব্যবসা করতেন। তিনি সদস্যদের আশ্রয় দেয়া ও তত্ত্বাবধানে নিয়োজিত ছিলেন। ২০২০ সালে হোসাইনের মাধ্যমে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়েন তিনি। ২২ থেকে ২৫ জন সদস্যকে আশ্রয় দেয়ার পাশাপাশি তাদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন বনি।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার রিফাত কুমিল্লায় অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত ছিলেন। গ্রেপ্তার হাসিব উচ্চ মাধ্যমিকে অধ্যয়নরত এবং একটি অনলাইন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তারা হাবিবুল্লাহর মাধ্যমে জঙ্গিবাদে দীক্ষিত হতে গত ২৩ আগস্ট বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হন।

র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, গ্রেপ্তার রোমান পুরপ্রকৌশল বিষয়ে ডিপ্লোমা করে গোপালগঞ্জে ইলেকট্রিক্যাল ও স্যানিটারিবিষয়ক কাজ করতেন। তিনি অনলাইনে বিভিন্ন ভিডিও দেখে উগ্রবাদে উদ্বুদ্ধ হন এবং স্থানীয় এক ব্যক্তির মাধ্যমে সংগঠনটি সম্পর্কে ধারণা পায়। পরবর্তী সময়ে তিনি প্রায় এক মাস আগে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়।

গ্র্রেপ্তার সাবিত উত্তরা এলাকায় প্রায় এক মাস আগে একটি ছাপাখানায় স্টোর কিপারের কাজ করতেন। তিনি তার এক আত্মীয় ও অনলাইনে ভিডিও দেখার মাধ্যমে উগ্রবাদে অনুপ্রাণিত হন। তিনি জুন মাসে নিখোঁজ হন।

নতুন এই সংগঠনের আমির কে এবং সদস্য সংখ্যা কত, সাংবাদিকরা তা জানতে চাইলে র‌্যাবের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সংগঠনটির আঞ্চলিক নেতা পর্যন্ত আটক করতে সক্ষম হয়েছি। আমরা তার কাছ থেকে শুধু সংগঠনটির নাম জানতে পেরেছি। সঙ্গে এটাও জানা গেছে, নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠনগুলো যেমন হুজি, জেএমবি, আনসার আল ইসলাম এসব সংগঠন থেকে লোকজন চলে এসে এই নতুন সংগঠনটি গড়ে তুলেছে। ২০১৭ সালে তারা একসঙ্গে কার্যক্রম শুরু করে এবং ২০১৯ সালে সংগঠনের নামকরণ করে।

‘এখন পর্যন্ত সংগঠনটির আপার টিয়ার অর্থাৎ তাদের শুরা সদস্য কতজন বা তাদের আমির কে এ বিষয়ে জানতে আমাদের তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদ চলমান আছে।’

তাদের কোনো হামলার নির্দেশনা ছিল কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তাদের স্টেপ বাই স্টেপ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। তারা একটি স্টেপ যখন উত্তীর্ণ হয়েছে, এরপর তাদের অন্য স্টেপে পাঠানো হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাদের ভেতরে ধর্মকে ব্যবহার করে ক্রোধ সৃষ্টি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত আমরা যাদের আটক করেছি, তাদের প্রশিক্ষণের পর সশস্ত্র সংগ্রামে যেতে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছিল।

‘তাদের ভোলা ও পটুয়াখালীর চরাঞ্চলে প্রশিক্ষণ দেয়া হলেও পরবর্তী সময়ে আরও কঠিন প্রশিক্ষণ দেয়া হবে এমনটা বলা হয়েছিল, তবে তাদের কোথায় কীভাবে সংগ্রাম করতে হবে এমন কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া লিফলেটগুলো দেখলে বোঝা যায়, তাদের মধ্যে ক্রোধ সৃষ্টি করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য ও বিচারব্যবস্থার বিরুদ্ধে। তাই এই দুই বিভাগ তাদের টার্গেট হতে পারে।’

চরাঞ্চলে কী ধরনের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে জানতে চাইলে খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘তাদের প্রথমে জিহাদি বইয়ের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে এবং সংগঠনের নিয়ম-কানুন শেখানো হয়েছে। এরপর ফিজ্যিক্যাল কিছু কসরত শেখানোর মাধ্যমে কীভাবে ফিট থাকতে হয় তা শেখানো হয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে বিভিন্ন বেশে আত্মগোপনে থাকার কায়দাকানুন শেখানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ফেরিতে উঠতে গিয়ে নদীতে পড়ে নিখোঁজ রাজস্ব কর্মকর্তা
‘নিখোঁজ’ সেই পুলিশ সদস্য এখন নেদারল্যান্ডসে হোটেল বয়
‘আমার পাপাকে ফিরিয়ে দিন’
আমার মেয়েকে জীবিত ফেরত চাই: সুকন্যার মা
নদীতে নিখোঁজ দুই শিশুর একজনের মরদেহ উদ্ধার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Youth Dal President Tuku arrested

যুবদল সভাপতি টুকু আটক

যুবদল সভাপতি টুকু আটক যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ছবি: সংগৃহীত
রাজশাহীতে সমাবেশ শেষে ঢাকায় আসার পথে রাতে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং তার সঙ্গে থাকা যুবদলের সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম নয়ন, ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি জাভেদ হাসান স্বাধীন এবং টুকুর ব্যক্তিগত সহকারী মোখলেসুর রহমানকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ।

জাতীয়তাবাদী যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুসহ চারজনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। শনিবার রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ শেষে ঢাকায় ফেরার পথে রাতে আমিন বাজার এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান।

তিনি জানান, ঢাকায় আসার পথে টুকুর সঙ্গে থাকা যুবদলের সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম নয়ন, ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি জাভেদ হাসান স্বাধীন এবং টুকুর ব্যক্তিগত সহকারী মোখলেসুর রহমানকেও আটক করা হয়।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ বিষয়ে বলেন, ‘সরকার আমাদের ১০ জানুয়ারির গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে উন্মাদ ও হিংস্র হয়ে উঠেছে। এই সরকারের অত্যাচার-অবিচার এমন পর্যায়ে চলে গেছে যে তা থেকে দেশবাসীকে মুক্ত করতে হলে প্রয়োজন একটি গণ অভ্যুত্থান।’ রিজভী অবিলম্বে টুকুসহ গ্রেপ্তার নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন।

এদিকে মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্য়বাক ও লালবাগের সাবেক কমিশনার মোশাররফ হোসেন খোকনকে ডিবি পুলিশ আটক করেছে বলে দাবি করেছেন তার পার্সোনাল এসিস্ট্যান্ট রাকিব।

এদিকে যুবদল সভাপতি টুকুসহ অন্যদের আটকের বিষয়টি ডিবি ও পুলিশের পক্ষ থেকে প্রথমে নাকচ করা হলেও রাতে খোকনকে আটকের কথা স্বীকার করেছে ডিবি। তবে কি অভিযোগে তাকে আটক, সে বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
রাতেই মাঠ উপচে রাস্তায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা
সমাবেশে যোগ দিতে রাজশাহীতে মির্জা ফখরুল
২০০ মোটরসাইকেল নিয়ে রাজশাহীতে বগুড়ার নেতা-কর্মীরা
এবারও মঞ্চে থাকবে খালেদা-তারেকের চেয়ার
রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ মঞ্চ প্রস্তুত হয়নি এখনও

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Gafargaon youth arrested for hacking to death 3

গফরগাঁওয়ে যুবক খুন, আটক ৩

গফরগাঁওয়ে যুবক খুন, আটক ৩ পাগলা থানা। ছবি: সংগৃহীত
গফরগাঁওয়ে আরিফুর রহমান রিয়াদ নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ।

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে আরিফুর রহমান রিয়াদ নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ।

উপজেলার পাগলা থানার উস্থি ইউনিয়নের কান্দিপাড়া এলাকা থেকে শনিবার সন্ধ্যায় তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, ওই ইউনিয়নের কান্দিপাড়া এলাকার মো. বিপুল, মো. রফিক ও নয়াপাড়া এলাকার খোকন।

হত্যার শিকার ২৪ বছর বয়সী আরিফুর রহমান রিয়াদ উস্থি ইউনিয়নের কান্দিপাড়া এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসান উল্লাহ ফেরদৌসের ছেলে ।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন পাগলা থানার ওসি রাশেদুজ্জামান খান।

তিনি বলেন, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে লংগাইর ইউনিয়নের বড় দীঘিরপাড় এলাকায় বসে ছিলেন রিয়াদ। এ সময় দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে ফেলে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে প্রথমে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে থেকে তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে রাত ১২টার দিকে রিয়াদের মৃত্যু হয়।

পরিবারের বরাতে ওসি জানান, বিপুল, রফিক ও খোকনসহ কয়েকজনের সঙ্গে রিয়াদের শত্রুতা ছিল। এর জেরে রাতের আঁধারে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদেরও আটকের চেষ্টা চলছে।

তিনি জানান, মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আটককৃতদের রোববার দুপুরে ময়মনসিংহ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন:
‘দা বাহিনীর’ প্রধানের প্রাণ গেল দায়ের কোপে
স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামী আটক
পাগল বলায় কুপিয়ে বৃদ্ধকে হত্যা, মারধরে ‘পাগলও’ নিহত
বিএসএফের হাতে আটক ৪ বাংলাদেশি নারী
ছাত্রলীগ কর্মীকে হত্যা: শ্রমিক লীগ নেতার নামে মামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Police checkpoint on the road leading to Khaledas residence

খালেদার বাসভবনে প্রবেশের সড়কে পুলিশের চেকপোস্ট

খালেদার বাসভবনে প্রবেশের সড়কে পুলিশের চেকপোস্ট গুলশান ২ নম্বরের ৭৯ নম্বর রোডে শনিবার রাতে চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার শনিবার রাতে নিউজবাংলাকে বলেন, গুলশান ২ নম্বরের ৭৯ নম্বর রোডে খালেদা জিয়ার বাসভবনে প্রবেশের সড়কে শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে চেকপোস্ট বসানো হয়।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় প্রবেশের রাস্তায় চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ।

গুলশান ২ নম্বরের ৭৯ নম্বর রোডে খালেদা জিয়ার বাসভবনে প্রবেশপথে শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার শনিবার রাতে নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানান।

বিএনপি ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় সমাবেশের কর্মসূচি দিয়েছে। এই সমাবেশে খালেদা জিয়া নিজেও উপস্থিত হতে পারেন- এমন প্রচার আছে। তার ভিত্তিতে পুলিশের পক্ষ থেকে এমন পদক্ষেপ কীনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেননি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস এ বিষয়ে শনিবার রাতে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সরকার কতটা ঘাবড়ে গেছে তা আজ (শনিবার) সন্ধ্যা থেকে স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।

‘নয়াপল্টনের রাস্তায় তারাই ককটেল বিস্ফোরণের নাটক করেছে। আর ওই ঘটনা দেখিয়ে ধরপাকড় শুরু করেছে। এরপর গুলশানে চেয়ারপারসনের বাসার সামনে চেকপোস্ট বসিয়েছে। ভয়ে থাকা সরকার এসব করে বিএনপিকে ভয় দেখাতে চায়।’

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এসব কর্মকাণ্ড করে আর নিজেদের দুর্বলতার প্রকাশ ঘটাবেন না।’

আরও পড়ুন:
আরও ছয় মাস জেলের বাইরে খালেদা জিয়া
ফের পেছাল খালেদার দুই মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি
খালেদার ভারত সফর নিয়ে ভুল তথ্য আব্বাসের
খালেদার মুক্তির মেয়াদ ষষ্ঠবারের মতো বাড়ানোর আবেদন
পরিবার চাইলে খালেদার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়বে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bananis residential hotel was searched by the police at night

রাতে বনানী-মতিঝিলের আবাসিক হোটেলে পুলিশের তল্লাশি

রাতে বনানী-মতিঝিলের আবাসিক হোটেলে পুলিশের তল্লাশি কাকলীর বিভিন্ন হোটেল তল্লাশি চালায় পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
শনিবার রাতে কাকলীর ইনসাফ নামের একটি আবাসিক হোটেলে জঙ্গিরা অবস্থান করছে, এমন তথ্যে অভিযান শুরু হয়। পরে আশেপাশের অন্য হোটেলে তল্লাশি চলে।

রাজধানীর বনানী ও মতিঝিল এলাকার বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল ও মেসে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। তবে আটক ও উদ্ধার সম্পর্কে রাতে কিছু জানাতে রাজি হননি পুলিশ কর্মকর্তারা।

শনিবার রাত ৯ টার দিকে বনানীর কাকলী মোড়ে শুরু হওয়া এক অভিযানে পুলিশ সেখানে আবাসিক হোটেলে অবস্থানরতদের পরিচয় যাচাইয়ের পাশাপাশি আশেপাশে তল্লাশি চালায়।

প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানায়, কাকলীর ইনসাফ নামের একটি আবাসিক হোটেলে জঙ্গিরা অবস্থান করছে, এমন তথ্যে অভিযান শুরু হয়। পরে আশেপাশের অন্য হোটেলে তল্লাশি চলে।

অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করে বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আযম মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের কাছে প্রাথমিক তথ্য আছে হোটেলটিতে জঙ্গিবাদে সম্পৃক্তরা অবস্থান করছে। এজন্য আমরা এখানে অভিযান পরিচালনা করছি।’

রাতে বনানী-মতিঝিলের আবাসিক হোটেলে পুলিশের তল্লাশি
কাকলীর হোটেল ইনসাফে জঙ্গিদের অবস্থানের তথ্য পেয়েছিল পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

মধ্যরাত পর্যন্ত কাকলী এলাকার বিভিন্ন হোটেলে পুলিশের একাধিক টিমকে অবস্থান করতে দেখা যায়। তখন কাউকে আটক অথবা গ্রেপ্তারের বিষয় নিশ্চিত করেননি পুলিশ কর্মকর্তারা।

শতাধিক পুলিশ সদস্য কাকলী এলাকার হোটেলগুলোতে ঢুকে তল্লাশি চালায়। একাধিক হোটেলে ও মেসে অভিযান চালালেও সন্দেহভাজন কাউকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি পুলিশ।

রাত সাড়ে দশটায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আযম মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের কাছে তথ্য আছে আদালত থেকে পলাতক জঙ্গিরা কাকলী এলাকায় আত্মগোপন করে আছে। তাই আমরা এই এলাকার সম্ভাব্য সব জায়গায় অভিযান পরিচালনা করছি। কাকলী এলাকার সকল আবাসিক হোটেল ও মেসে ধারাবাহিকভাবে আমাদের অভিযান চলবে। তবে এখনো পর্যন্ত সন্দেহভাজন কাউকে পাওয়া যায়নি, আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।

এদিকে রাত দশটার দিকে মতিঝিলের দৈনিক বাংলা মোড়ে পুলিশ তল্লাশি চালায় হোটেল রহমানীয়াতে। পুলিশের বিশেষ অভিযান চলে পল্টনসহ আশেপাশের এলাকাতেও।

মতিঝিল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইয়াসির আরাফাত বলেন, আমরা অভিযান পরিচালনা করছি। এ বিষয়ে পরে জানানো হবে।

আরও পড়ুন:
১৫ দিনের বিশেষ অভিযানে পুলিশ
বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল, আহত পুলিশ
বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After missing the bodies of 2 Rohingya children were found in the pond

নিখোঁজ ২ রোহিঙ্গা শিশুর মরদেহ মিলল পুকুরে

নিখোঁজ ২ রোহিঙ্গা শিশুর মরদেহ মিলল পুকুরে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প। ফাইল ছবি
শুক্রবার বিকেলে ঘর থেকে বেরিয়ে আর ফেরেনি রোহিঙ্গা দুই শিশু। শনিবার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকার পুকুর থেকে ওদের মরদেহ উদ্ধার হয়।

কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্প থেকে নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর পুকুরে ভাসমান অবস্থায় রোহিঙ্গা দুই শিশুর লাশ পাওয়া গেছে।

শনিবার বিকালে পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকার পুকুর থেকে লাশ দুটি উদ্ধার হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী।

হতভাগ্য দুই শিশু বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এফ-৮ ব্লকের বাসিন্দা মো. ইলিয়াছের ছেলে মো. রাইয়ান (৮) ও একই ক্যাম্পের ইসমাইলের ছেলে আবছার মিয়া (৯)।

ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, ‌‌‘শুক্রবার বিকেল থেকে দুই শিশু নিখোঁজ ছিল। শনিবার তাদের লাশ পাওয়া যায় পুকুরে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি আব্দুল আমিন বলেন, শুক্রবার বিকেলে ঘর থেকে বেরিয়ে ওই দুই শিশু আর ফেরেনি। শনিবার দুপুরে ক্যাম্পের কয়েকজন বাসিন্দা বাজারে যাওয়ার সময় পুকুরে তাদের লাশ ভেসে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।

আরও পড়ুন:
হাজার ঘর পুড়িয়ে নিভল রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আগুন
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হাসপাতালে আগুন
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ‘কনেপক্ষের হামলায়’ বরের চাচা নিহত
‘রোহিঙ্গা ক্যাম্প উত্তপ্ত মাদক ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে’
ডোবায় শিশুর মরদেহ, মাথায় আঘাতের চিহ্ন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Cocktail explosion in front of BNP office

নয়াপল্টনে ককটেল বিস্ফোরণ

নয়াপল্টনে ককটেল বিস্ফোরণ শনিবার সন্ধ্যায় নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা
পল্টন থানার ওসি মো. সালাউদ্দিন মিয়া বলেন, ‘সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে একটি ককটেল বিস্ফোরণের খবর পেয়েছি। আমাদের টিম কাজ করছে। বিকেল থেকে ওই এলাকায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা ছিলেন। তাদের মধ্যে কেউ উত্তেজনা ছড়াতে বা নাশকতার উদ্দেশ্যে এমনটা করে থাকতে পারেন।’

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ এ ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে।

শনিবার সন্ধ্যার পর নয়াপল্টন সড়কের ফাঁকা জায়গায় ককটেলটি বিস্ফোরিত হয়। কে বা কারা এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

বিএনপির দপ্তরে সংযুক্ত থাকা কেন্দ্রীয় নেতা তারিকুল ইসলাম তেনজিং এ বিষয়ে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সন্ধ্যার পর পার্টি অফিসের সামনে ফাঁকা রাস্তায় একটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে বলে শুনেছি। তবে এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।’

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সন্ধ্যা ৬টার পর এই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তারা বলেন, চলন্ত গাড়ি থেকে কেউ ককটেল নিক্ষেপ করে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।

পল্টন থানার ওসি মো. সালাউদ্দিন মিয়া বলেন, ‘সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে একটি ককটেল বিস্ফোরণের খবর আমরা পেয়েছি। আমাদের টিম কাজ করছে। বিকেল থেকে ওই এলাকায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা ছিলেন। তাদের মধ্যে কেউ উত্তেজনা ছড়াতে বা নাশকতার উদ্দেশ্যে এমনটা করে থাকতে পারেন। তদন্তের পর সব কিছু নিশ্চিত করে বলা যাবে।’

ককটেল বিস্ফোরণের এ ঘটনায় পুলিশি ৪-৫ জনকে আটক করেছে। তাদের সংশ্লিস্টতা না পেলে ছেড়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে পল্টন থানা পুলিশ।

পল্টন মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সালাহউদ্দীন মিয়া বলেন, নয়া পল্টনে ককটেল বিষ্ফোরনের ঘটনায় তদন্ত চলছে। বেশ কয়েকজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে যদি কেউ অপরাধী না হয় তাহলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হবে।

এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মতিঝিল বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার হায়াতুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের বলেন, নয়াপল্টনে কেন ককটেল বিষ্ফোরনের ঘটনা ঘটেছে সেটা তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে আমরা বেশ কয়েকজনকে আটক করেছি। জনমনে আতঙ্ক তৈরি করা এবং সমাবেশকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টনে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি।

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল বহরে ককটেল হামলা
উত্তরায় ফ্ল্যাটের রান্নাঘরে ৬ ককটেল বিস্ফোরণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পত্রিকা অফিসে ‘ককটেল’ বিস্ফোরণ
ককটেল বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণ, মা সহ যুবলীগ নেতা আহত
শিবগঞ্জে বাথান ঘরে ৩৩ ককটেল, একজন গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Writ regarding deposit of original certificate of employment

চাকরিতে মূল সনদ জমা রাখা নিয়ে রিট

চাকরিতে মূল সনদ জমা রাখা নিয়ে রিট
রিট আবেদনে বলা হয়, মো. শাহেন শাহ ২০১৭ সালে এনজিও প্রোগ্রেসের ক্রেডিট অফিসার হিসেবে নিয়োগ পান। নিয়োগের সময় এনজিওটি তার কাছ থেকে এসএসসি, এইচএসসির মূল সনদ ও ব্ল্যাংক চেক জমা রাখে। চার বছর কাজ করার পর ২০২১ সালে তিনি চাকরিচ্যুত হন। এরপর থেকে তার বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপের অভিযোগ এনে মূল সনদ আটকে রাখে।

বেসকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার মূল সনদ জমা রাখার বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

রুল জারির পাশাপাশি রিটে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা-প্রোগ্রেসকে চাকরিচ্যুত এক ব্যক্তির মূল সনদ ফেরত দেয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

চাকরিচ্যুত হওয়ার পর বারবার আবেদন করেও সাড়া না পাওয়ায় মো. শাহান শাহ নামে এক ব্যক্তি ২৯ নভেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন।

রিটকারীর আইনজীবী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রোগ্রেসে চাকরি করতেন মো. শাহান শাহ। গত বছর তার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ তুলে চাকরিচ্যুত করা হয়। পরে তিনি তার মূল সনদ ফেরত চেয়ে আবেদন করেন প্রতিষ্ঠানের কাছে। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বলা হয়, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, সেই অভিযোগ তদন্তের পর সনদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

‘এরপর তিনি ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন। ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ প্রোগ্রেসকে চিঠি দিয়ে মূল সনদ ফেরত দিতে কয়েক দফা চিঠি পাঠায়। তাতেও সাড়া দেয়নি প্রতিষ্ঠানটি।’

আইনজীবী সেলিম মিয়া বলেন, ‘আমরা হাইকোর্টে রিট করেছি। রিটে অর্থসচিব, ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের নির্বাহী সহসভাপতি ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা-প্রোগ্রেসের নির্বাহী পরিচালককে বিবাদী করেছি।’

সংবিধানের ৪০ অনুচ্ছেদের কথা উল্লেখ করে রিটকারীর এই আইনজীবী বলেন, ‘এ অনুচ্ছেদে পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে। কোনো ব্যক্তির শিক্ষাগত মূল সনদ আটকে রাখতে পারে না। এটা সংবিধান পরিপন্থি।’

রিটটি শুনানির জন্য বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চের তালিকায় রয়েছে।

রিট আবেদনে বলা হয়, মো. শাহেন শাহ ২০১৭ সালে এনজিও প্রোগ্রেসের ক্রেডিট অফিসার হিসেবে নিয়োগ পান। নিয়োগের সময় এনজিওটি তার কাছ থেকে এসএসসি, এইচএসসির মূল সনদ ও ব্ল্যাংক চেক জমা রাখে। চার বছর কাজ করার পর ২০২১ সালে তিনি চাকরিচ্যুত হন। এরপর থেকে তার বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপের অভিযোগ এনে মূল সনদ আটকে রাখে।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের নির্বাচন ঘিরে শান্তি চায় ব্রিটেন
সুষ্ঠু নির্বাচন উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নেবে: ব্রিটিশ হাইকমিশনার
রানির মৃত্যুতে আইনজীবীর সর্বোচ্চ উপাধিতেও পরিবর্তন
যুক্তরাজ্যে রাজা-রানিতে কেন বদলায় জাতীয় সংগীত?
চার্লসের মাথায় ব্রিটিশ রাজমুকুট, বদলাচ্ছে জাতীয় সংগীত

মন্তব্য

p
উপরে