× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Accuseds review application in Professor Tahers murder case
hear-news
player
google_news print-icon

অধ্যাপক তাহের হত্যা মামলায় আসামিদের রিভিউ আবেদন

অধ্যাপক-তাহের-হত্যা-মামলায়-আসামিদের-রিভিউ-আবেদন
সুপ্রিম কোর্ট ভবনের একাংশ। ফাইল ছবি
রিভিউ আবেদনের শুনানির জন্য ১৭ নভেম্বর দিন ঠিক করে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়েছেন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি বোরহান উদ্দিন। এ আবেদনের ফলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত হয়ে গেল রিভিউ নিষ্পত্তি পর্যন্ত।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস তাহের হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের রায়কে পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে আবেদন করেছে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ও যাবজ্জীবনদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা।

তাদের এ আবেদনের ফলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত হয়ে গেল রিভিউ নিষ্পত্তি পর্যন্ত।

রিভিউ আবেদনের শুনানির জন্য ১৭ নভেম্বর দিন ঠিক করে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়েছেন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি বোরহান উদ্দিন। গত মঙ্গলবার তিনি এ আদেশ দেন।

বিষয়টি বৃহস্পতিবার নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন অধ্যাপক তাহেরের মেয়ে আইনজীবী সাগুফতা তাবাসসুম আহমেদ।

আদালতে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত সহযোগী অধ্যাপক মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম শাহজাহান।

মামলা থেকে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ার্টারের ম্যানহোল থেকে উদ্ধার করা হয় অধ্যাপক তাহেরের মরদেহ। ওই বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি অধ্যাপক তাহেরের ছেলে সানজিদ আলভি আহমেদ রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা করেন। পদোন্নতি সংক্রান্ত বিষয়ের জের ধরে হত্যার শিকার।

এ মামলায় ২০০৭ সালের ১৭ মার্চ ছয়জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।

এই হত্যা মামলার বিচার শেষে ২০০৮ সালের ২২ মে রাজশাহীর দ্রুত বিচার আদালত চারজনকে ফাঁসির আদেশ ও দুইজনকে খালাস দেয়।

বিচারিক আদালতে দণ্ডিতরা হলেন- একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, অধ্যাপক তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার মো. জাহাঙ্গীর আলম, জাহাঙ্গীরের ভাই নাজমুল আলম ও নাজমুল আলমের সম্বন্ধী আব্দুস সালাম।

খালাসপ্রাপ্ত চার্জশিটভুক্ত দুই আসামি হলেন- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সভাপতি মাহবুবুল আলম সালেহী ও আজিমুদ্দিন মুন্সী।

২০০৮ সালে বিচারিক আদালতের রায়ের পর নিয়ম অনুযায়ী ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিতকরণ) হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি আসামিরা আপিল করেন।

হাইকোর্টে শুনানি শেষে ২০১৩ সালের ২১ এপ্রিল অধ্যাপক তাহের হত্যা মামলায় দুই আসামির ফাঁসির দণ্ডাদেশ বহাল এবং অন্য দুই আসামির দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেয় হাইকোর্ট।

ফাঁসির দণ্ড হাইকোর্টে বহাল থাকা দুই আসামি হলেন- একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর।

ফাঁসির দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ পাওয়া দুই আসামি হলেন- নাজমুল আলম ও আব্দুস সালাম।

এরপর আসামিরা আপিল বিভাগে আপিল করেন। পাশাপাশি যাবজ্জীবন দণ্ডিত দুই আসামির দণ্ড বৃদ্ধি চেয়ে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

শুনানি শেষে গত ৫ এপ্রিল আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে।

১৫ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। ওই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন আসামিরা।

আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়, আসামিদের স্বীকারোক্তিগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, হত্যার এই ষড়যন্ত্রে মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিনই মুখ্য এবং সক্রিয় ভূমিকা পালন করছিলেন। আমাদের এটা বলতে দ্বিধা নেই, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন শুধু প্রফেসর হিসেবে পদোন্নতি পেতেই ড. তাহেরকে এই পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেন। তার ধারণা ছিল, ড. তাহের বেঁচে থাকলে অধ্যাপক হিসেবে তার পদোন্নতি পাওয়া সম্ভব নয়। আমাদের এও বলতে দ্বিধা নেই যে, আপিলকারী জাহাঙ্গীর আলম এবং আবেদনকারী আব্দুস সালাম ও নাজমুল আর্থিক সুবিধাসহ অন্যান্য সুবিধা পাওয়ার জন্য অধ্যাপক তাহেরকে হত্যার জন্য মহিউদ্দিনের প্রস্তাব গ্রহণ করেছিলেন।

আরও পড়ুন:
পদোন্নতি না হওয়ার শঙ্কায় অধ্যাপক তাহেরকে খুন
রায়ে সন্তুষ্ট, কার্যকরের অপেক্ষায় অধ্যাপক তাহেরের স্ত্রী
রাবি অধ্যাপক তাহের হত্যা: ২ জনের ফাঁসির আদেশ আপিলে বহাল
রাবির অধ্যাপক তাহের হত্যা: আপিলের রায় ৫ এপ্রিল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
It will be murder case DC Ramana

এটি হত্যাকাণ্ড, মামলা হবে: ডিসি রমনা

এটি হত্যাকাণ্ড, মামলা হবে: ডিসি রমনা নারীকে রিকশা থেকে ফেলে টিএসসি থেকে নীলক্ষেত থেকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায় প্রাইভেট কারটি। এক পর্যায়ে চালককে আটকে পিটুনি দেয় পথচারীরা। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
পুলিশের রমনা বিভাগের ডিসি শহীদুল্লাহ বলেন, ‘যেহেতু এটা মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা, তাই আমরা একটা মামলা নেব। গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি। সড়ক আইন অনুযায়ী রেকলেস ড্রাইভিংয়ে মৃত্যু ঘটনার শাস্তির বিধান আছে। এই আইনে তার যাতে সর্বোচ্চ শাস্তি হয়, সেটি আমরা চেষ্টা করব।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নারীকে প্রাইভেট কারের নিচে ফেলে টিএসসি থেকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় মামলা হবে জানিয়ে রমনা বিভাগের ডিসি শহীদুল্লাহ বলেন, ‘এটি অবশ্যই একটি হত্যাকাণ্ড।’

শুক্রবার রাতে শাহবাগ থানায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ডিসি শহীদুল্লাহ্ বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, ওই নারী দেবরের সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে শ্বশুরবাড়ি থেকে বাবার বাড়ি হাজারীবাগে যাচ্ছিলেন। তারা যখন শাহবাগ থেকে টিএসসির আগে কাজী নজরুলের মাজারের উল্টো দিকের রাস্তায় পৌঁছান, তখন প্রাইভেট কারটি মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে ওই নারী সড়কে পড়ে যান ও প্রাইভেট কারের সঙ্গে আটকে যান।

‘তবে চালক গাড়িটি না থামিয়ে টেনে-হিঁচড়ে তাকে নিয়ে যান। অনেক চেষ্টা করেও তাকে থামানো যায়নি। উনি টিএসসি পৌঁছালে আমাদের মোবাইল টিমও তাকে থামানোর চেষ্টা করে। তারপরও উনি গাড়ি না থামিয়ে নীলক্ষেত মোড়ের দিকে চলে যান। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে থামায়।’

তিনি বলেন, ‘গাড়ির চালক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক। উত্তেজিত জনতার পিটুনিতে তার অবস্থাও সঙ্কটাপন্ন।’

ডিসি আরও বলেন, ‘যেহেতু এটা মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা, তাই আমরা একটা মামলা নেব। গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সড়ক আইন অনুযায়ী রেকলেস ড্রাইভিংয়ে মৃত্যু ঘটনার শাস্তির বিধান আছে। এই আইনে তার যাতে সর্বোচ্চ শাস্তি হয়, সেটি আমরা চেষ্টা করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার পর আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ওই শিক্ষকের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। একটা নম্বর পেয়েছি। তবে ঘটনা জানাতে যোগাযোগের পর থেকে মোবাইল ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তাদের কারও সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পেলে সাবেক ওই শিক্ষক সুস্থ নাকি অসুস্থ ছিলেন সে বিষয়ে জানা যেত।’

নিহতদের পক্ষে এখন পর্যন্ত কেউ মামলা করতে আসেননি জানিয়ে ডিসি শহীদুল্লাহ্ বলেন, ‘উনারা হয়তো ব্যস্ত আছেন। কিছুক্ষণ পর আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।’

এ বিষয়ে দুর্ঘটনার শিকার নারীর পরিবারকে সর্বোচ্চ আইনগত সহযোগিতা দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো নারী রুবিনা আক্তার তিনি গৃহবধূ ছিলেন। থাকতেন তেজগাঁওয়ে। তার ১২ বছরের একটি ছেলে আছে। দুই বছর আগে তার স্বামী মারা গেছেন।

অন্যদিকে গাড়িচালক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আজাহার জাফর শাহ।

আরও পড়ুন:
টিএসসিতে চাপা দিয়ে নারীকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে নিল গাড়ি
মতিঝিলে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
বাবা-ছেলেকে পিষ্ট করে হোটেলে কাভার্ড ভ্যান, নিহত ৫
বাসচাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত
মেয়েকে মাদ্রাসায় দিতে গিয়ে বাসচাপায় মা-বাবাও নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Another girls body hanging in the washroom of the madrasa after a month and a half

মাদ্রাসার শৌচাগারে দেড় মাসের ব্যবধানে আরেক মেয়ের ঝুলন্ত দেহ

মাদ্রাসার শৌচাগারে দেড় মাসের ব্যবধানে আরেক মেয়ের ঝুলন্ত দেহ
দুই ছাত্রীর মরদেহ একইভাবে মাদ্রাসায় পাওয়া যাওয়ার বিষয়টি দুর্ঘটনা বলেই জানালেন মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সামছুল আলম বকুল। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দায় কতটুকু জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দুর্ঘটনা ঘটে গেছে, আমরা বুঝতে পারিনি।’

নরসিংদীর মাধবদীতে একই মাদ্রাসার শৌচাগারে দেড় মাসের ব্যবধানে দুই ছাত্রীর মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। দুটি ঘটনাকেই মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আত্মহত্যা বলে জানিয়েছে। তবে সবশেষ ঘটনাটিকে মৃত শিশুর পরিবার হত্যাকাণ্ড বলে অভিযোগ করেছে।

মেহেরপাড়া ইউনিয়নের শেখেরচরে কুঁড়েরপাড় জামিয়া ক্বওমিয়া মহিলা মাদ্রাসায় এই দুটি ঘটনা ঘটেছে। সেখানকার শৌচাগারে বৃহস্পতিবার বিকেলে পাওয়া যায় ১০ বছরের মাইশা আক্তারের ঝুলন্ত দেহ। এর আগে গত ১৯ অক্টোবর এই মাদ্রাসার শৌচাগারে পাওয়া যায় ১৪ বছর বয়সি আফরিন আক্তারের ঝুলন্ত দেহ।

মাধবদী থানার ওসি মো. রকিবুজ্জামান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মৃত মাইশার বাড়ি মাধবদীর মেহেরপাড়া ইউনিয়নের ভগীরথপুর গ্রামে। তার মৃত্যুর বিষয়টি জানাজানি হয়েছে শুক্রবার। এদিন সন্ধ্যায় তাকে হত্যা করা হয়েছে জানিয়ে বিচারের দাবিতে এলাকাবাসি বিক্ষোভ মিছিল করেছে। বিচারের পাশাপাশি মাদ্রাসাটি বন্ধের দাবিও তুলেছেন তারা।

আরও পড়ুন: মেয়েকে জোর করে মাদ্রাসায় পাঠালেন বাবা, পেলেন মৃতদেহ


মাদ্রাসার মুহতামীম মুফতি আসানউল্লাহ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আসরের নামাজের সময় ছাত্রীরা এস্তেঞ্জা করতে গিয়ে মাইশাকে শৌচাগারের পানির পাইপের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে হুজুর ও খাদেমকে জানায়। শিক্ষকদের নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আমিই মাইশাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেই। ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

‘লাশের ময়নাতদন্ত শেষে শুক্রবার বাদ আসর ভগীরথীপুর কবরস্থানে মাইশার দাফন হয়।’

মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সামছুল আলম বকুল নিউজবাংলাকে জানান, ‘আমি শেখেরচর হাটে ছিলাম। শিক্ষকরা আমাকে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে হাসপাতাল মেয়েটিকে মৃত ঘোষণা করে। তবে ঘটনাটি কীভাবে ঘটলো, আমি বলতে পারছি না।

‘মেয়েটা আত্মহত্যা করেছে বলেই শুনেছি, মাদ্রাসার শিক্ষকরা বলেছেন।’

শিশু মাইশার চাচা মাওলানা মোছলেহ উদ্দিন নিউজবাংলাকে জানান, ‘মাইশার বাবা নেছারউদ্দিন সকালে মেয়েকে মাদ্রাসায় গিয়ে নাস্তা করিয়ে রেখে আসে। পরে দুপুরে পারিবারিক একটি দাওয়াতে মাইশার পরিবারসহ আমরা আত্মীয়ের বাড়িতে যাই।

‘বিকেল ৪টার দিকে মাদ্রাসার হুজুরদের ফোন থেকে কল করে জানানো হয় আপনাদর মেয়ে অসুস্থ। তাকে আমরা নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে আসছি, আপনারা আসেন। সবাই গিয়ে দেখতে পায় মাইশা মৃত। ডাক্তার জানায় মাইশাকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।’

মাদ্রাসার শৌচাগারে দেড় মাসের ব্যবধানে আরেক মেয়ের ঝুলন্ত দেহ

শিশুর ফুপা আইনুল হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মাইশার শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম দেখতে পাই। দেখেই বুঝা যায় এটা একটা হত্যা। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’

মাইশার মায়ের অভিযোগ, মাদ্রাসার শিক্ষকরা এতে জড়িত; তাদের মেয়েকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল বৃহস্পতিবার রাতেই পরিদর্শন করেছেন নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ ও মাধবদী থানার ওসি।

শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মাইশার পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত কোনো অভিযোগ আসেনি জানিয়ে ওসি বলেন, ‘মৃত্যুর কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।’

দুই ছাত্রীর মরদেহ একইভাবে মাদ্রাসায় পাওয়া যাওয়ার বিষয়টি দুর্ঘটনা বলেই জানালেন মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সামছুল আলম বকুল। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দায় কতটুকু জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দুর্ঘটনা ঘটে গেছে, আমরা বুঝতে পারিনি।’

মাদ্রাসার শৌচাগারে দেড় মাসের ব্যবধানে আরেক মেয়ের ঝুলন্ত দেহ

দেড় মাস আগে মৃত আফরিনের বাড়ি সদর উপজেলার মাধবদী থানার দড়িগাজীরগাঁও এলাকায়। সে ওই মাদ্রাসায় ফাজিল প্রথম বর্ষে পড়ত। তার বাবার নাম ডালিম মিয়া।

মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আসানউল্লাহ সে সময় নিউজবাংলাকে জানান, সেদিন সকাল ৮টার কিছু আগে আফরিনকে নিয়ে আসেন তার বাবা ডালিম। আফরিন মাদ্রাসার গেট দিয়ে ঢুকতে চাচ্ছিল না। তাকে জোর করে ভেতরের দিকে ঠেলে দিতে দেখা যায় ডালিমকে।

মাদ্রাসার গেটম্যান ইদ্রিস আলী সে সময় নিউজবাংলাকে বলেন, “বাড়ি থেকে নির্যাতন করে ওই ছাত্রীকে মাদ্রাসায় নিয়ে এসেছিলেন বাবা। এ সময় আফরিন বলছিল, ‘আমি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করব না, বেশি জোর করলে ফাঁস লাগিয়ে মারা যাব।’

“তখন আমার সামনেই তার বাবা বলছিল, ‘মরলে মাদ্রাসার ভেতরেই মর, আমি এসে মরদেহ নিয়ে যাব।’ এর আগেও অনেকবার জোর করে মেয়েকে এখানে দিয়ে গিয়েছিলেন তিনি।”

শিক্ষক আসানউল্লাহ ও আফরিনের সহপাঠীরা জানায়, মাদ্রাসায় এসে সকালে যথারীতি ক্লাস করছিল আফরিন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চারতলার শৌচাগারে যায় সে। এরপর আর ক্লাসে ফিরে না আসায় কয়েকজন ছাত্রী তাকে খুঁজতে যায়।

তারা শৌচাগারে আফরিনকে দেয়ালের পাইপের সঙ্গে নিজের ওড়নায় ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। মাদ্রাসার শিক্ষকরা গিয়ে তাকে নামিয়ে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আফরিনের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে অগ্রগতি আছে কি না জানতে ওসিকে কল করা হলে ‘মিটিংয়ে আছি’ বলে কল কেটে দেন তিনি।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কে. এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ নিউজবাংলাকে জানান, ওই ঘটনায় আফরিনের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি অপমৃত্যুর অভিযোগ করা হয়েছিল। তবে আত্মহত্যার কারণ তিনি সুনির্দিষ্টভাবে জানাতে পারেননি।

আরও পড়ুন:
শিশু পর্নোগ্রাফি: গুগলের তথ্যে ধরা বরগুনার মাদ্রাসাছাত্র
যুবকের ঝুলন্ত মৃতদেহ, হারপিক পান তরুণীর
ডেমরায় কিশোরীর ঝুলন্ত দেহ
শিশুকে মাদ্রাসার ভেতরে ধর্ষণ, নিরাপত্তাকর্মী গ্রেপ্তার
মা-মেয়ের আত্মহত্যাচেষ্টা: অভিযুক্ত আ.লীগ নেতা কারাগারে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Arrest 4 with cocktail in Bisik area

বিসিক এলাকায় ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৪

বিসিক এলাকায় ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৪ কুমিল্লা বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় অস্ত্রসহ চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বাগিচাগাঁও এলাকার নয়ন চক্রবর্তী, অশোকতলা বিসিক এলাকার রবিউল হোসেন, একই এলাকার ইয়াছিন হোসেন মাসুম, দৌলতপুর কলোনি এলাকার গোলাম হোসেন সজিব।

কুমিল্লা বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় দেশীয় অস্ত্র, ককটেল ও ইয়াবাসহ চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে তাদেরকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

কুমিল্লা কোতোয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ হানিফ সরকার এসব তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বাগিচাগাঁও এলাকার নয়ন চক্রবর্তী, অশোকতলা বিসিক এলাকার রবিউল হোসেন, একই এলাকার ইয়াছিন হোসেন মাসুম, দৌলতপুর কলোনি এলাকার গোলাম হোসেন সজিব।

পুলিশ কর্মকর্তা হানিফ সরকার বলেন, ডিসেম্বরের বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে কুমিল্লা বিসিক শিল্প নগরীতে অভিযান পরিচালনা করি। এ সময় চারজনকে গ্রেপ্তার করি। তাদের কাছ থেকে প্রচুর দেশীয় অস্ত্র, ১৪টি ককটেল, ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন:
বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল, আহত পুলিশ
বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ
নওগাঁর নিয়ামতপুরে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৪
ছাত্রলীগের বহরে বিস্ফোরণ: যুবদল নেতাসহ ১২ জনের নামে মামলা
ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল বহরে ককটেল হামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of the missing woman is in the drain behind the house

নিখোঁজ নারীর মরদেহ বাড়ির পেছনের নালায়

নিখোঁজ নারীর মরদেহ বাড়ির পেছনের নালায় রাউজান থানা। ছবি: ফেসবুক
ওসি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির পেছনের শৌচাগারের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামীকে হেফাজতে নেয়া হয়েছে।’

চট্টগ্রামের রাউজানে নিখোঁজের ৪ দিন পর গৃহবধূর মরদেহ বাড়ির পেছনের নালা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে তার স্বামীকে।

নিহতের মা এ ঘটনায় ৬ জনকে আসামি করে শুক্রবার মামলা করেছেন রাউজান থানায়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল হারুন।

নিহত ২৮ বছর বয়সী রোকসানা আক্তার উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের পাঠান পাড়া এলাকার মো. আজমের স্ত্রী। তিনি রোববার সকালে শ্বশুরবাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। তার স্বামীয় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন।

ওসি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির পেছনের শৌচাগারের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামীকে হেফাজতে নেয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জমি বিক্রির টাকা নিয়ে আজমের পরিবারের সঙ্গে তাদের নিকটাত্মীয় ইসহাকের বিরোধ ছিল। সেই বিরোধ থেকে মারামারির ঘটনাও ঘটেছে। সেখান থেকে এই হত্যার ঘটনা ঘটেছে কি না আমরা তদন্ত করছি।’

আরও পড়ুন:
খাগড়াছড়িতে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সন্তানকে হত্যার দায়ে মায়ের যাবজ্জীবন
সাবেক স্ত্রীকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড
বীর মুক্তিযোদ্ধা হত্যা: কাশিমপুর কারাগারে একজনের ফাঁসি কার্যকর
এবার উদ্ধার আয়াতের মাথা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of the youth was recovered from Khagrachari

খাগড়াছড়িতে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

খাগড়াছড়িতে যুবকের মরদেহ উদ্ধার প্রতীকী ছবি
গুইমারা থানার ওসি মুহাম্মদ রশীদ জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ভোরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহের গলায় ও পেটে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে কিছু দূরে নিহতের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি পাওয়া যায়।

খাগড়াছড়ির গুইমারায় সড়কের উপর থেকে রমজান আলী নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

জালিয়াপাড়া-মহালছড়ি সড়কের সিন্দুকছড়ির পক্সখীমুড়া এলাকা থেকে শুক্রবার ভোর রাতে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত রমজান আলী চট্টগ্রামের পাহাড়তলী আমবাগান বাস্তুহারা এলাকার ইউনুস সিকদারের ছেলে।

গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রশীদ জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ভোরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহের গলায় ও পেটে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে কিছু দূরে নিহতের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি পাওয়া যায়।

মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।

আরও পড়ুন:
শয়নকক্ষে গৃহবধূর গলা কাটা দেহ
জেলা পরিষদের ডাকবাংলোতে হিসাবরক্ষকের ঝুলন্ত দেহ
বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যায় জড়িতকে খুঁজছে পুলিশ
সাড়ে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যায় আসামির মৃত্যুদণ্ড
আয়াতের দেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Head teacher arrested on charges of attempted molestation

ভাঙ্গায় ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা মামলায় প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার

ভাঙ্গায় ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা মামলায় প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার ফরিদপুরের ভাঙ্গায় প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে স্কুলের গেটে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
ভাঙ্গা থানার ওসি জিয়ারুল ইসলাম জানান, বুধবার সকালে উপজেলার শরীফাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে শাখায়াত শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন বলে বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযোগ করেন ওই ছাত্রীর অভিভাবক। এর ভিত্তিতে হওয়া ধর্ষণচেষ্টা মামলায় প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়।

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় শাখায়াত হোসেন নামের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

থানায় লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে হওয়া মামলায় বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়ারুল ইসলাম বলেন, বুধবার সকালে উপজেলার শরীফাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে শাখায়াত শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন বলে বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযোগ করেন ওই ছাত্রীর অভিভাবক। এর ভিত্তিতে হওয়া ধর্ষণচেষ্টা মামলায় প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি জানান, শুক্রবার শিক্ষককে আদালতে পাঠানো হবে।

ওসি আরও জানান, বুধবার সকালের ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর বৃহস্পতিবার দুপুরে শতাধিক শিক্ষার্থী ও বহিরাগতরা স্কুলের সামনে অবস্থান নেয়। তারা সড়ক অবরোধ করে প্রধান শিক্ষকের অপসারণ চেয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে।

লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, বুধবার সকালে শরীফাবাদ স্কুলে পরীক্ষা দিচ্ছিল ওই ছাত্রী। নকল করার অভিযোগে তার খাতা নিয়ে এক ঘণ্টা আটকে রাখেন দায়িত্বরত শিক্ষিকা। মেয়েটি কান্নাকাটি করলে প্রধান শিক্ষক শাখায়াতের কাছে গিয়ে অনুমতি আনার কথা বলেন ওই শিক্ষিকা।

পরে মেয়েটি খাতা ফেরত চাইলে প্রধান শিক্ষক তাকে তার কক্ষে যেতে বলেন। কক্ষে প্রবেশ করতেই মেয়েটিকে জড়িয়ে ধরে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন তিনি। মেয়েটি চিৎকার দিলে তার মুখ চেপে ধরে ঘটনাটি কাউকে না জানানোর হুমকি দেন শাখায়াত। পরে ছাত্রী পরীক্ষা না দিয়ে বাড়িতে গিয়ে পরিবারকে ঘটনাটি জানায়।

মেয়েটির বাবা বলেন, ‘মীমাংসার জন্য শাখায়াতের পক্ষ থেকে বিভিন্ন মহল চাপ দিয়েছে। আমি কোনো মীমাংসায় যাব না।’

অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক শাখায়াত হোসেন বলেন, ‘বুধবার পরীক্ষা দেয়ার সময় নকলের অভিযোগে মেয়েটির খাতা জব্দ করে দায়িত্বরত শিক্ষক। মেয়েটি আমার কাছে এসে বিস্তারিত জানালে আমি তাকে বাড়ি যেতে বলি এবং পরবর্তী পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে বলি।

‘সে আমার পা জড়িয়ে ধরে মাফ চাইলে আমি পরীক্ষা হলে গিয়ে দায়িত্ব পালন করা শিক্ষিকাকে খাতা ফেরত দেয়ার অনুরোধ করি, কিন্তু হঠাৎ সে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা অভিযোগ করেছে।’

এ বিষয়ে ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আজিম উদ্দিন বলেন, ‘আমি এবং ভাঙ্গা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সরেজমিনে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি।’

স্থানীয়দের শান্ত থাকার অনুরোধ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, স্কুলের কার্যক্রম আগের মতোই চলবে।

আরও পড়ুন:
পাওনা টাকা চাওয়ায় নারীর ‘শ্লীলতাহানি’ যুবলীগ নেতার
কলেজছাত্রীকে তুলে নিয়ে ‘শ্লীলতাহানির চেষ্টা’
শিক্ষার্থীকে ‘শ্লীলতাহানির চেষ্টা’, শিক্ষক গ্রেপ্তার
কোচিংয়ে ‘ছাত্রীর শ্লীলতাহানি’, কলেজশিক্ষক গ্রেপ্তার
পরীক্ষার হলে ছাত্রীকে ‘শ্লীলতাহানি’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
College student killed by gang of teenagers in Comilla

কু‌মিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র নিহত

কু‌মিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র নিহত কলেজ শিক্ষার্থী মো. পাবেল। ছবি: সংগৃহীত
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, কলেজছাত্র পাবেল সঙ্গীদের নিয়ে রাতে ব্যাডমিন্টন খেলতে যান। এ সময় একদল কিশোর তাদের মাঠ থেকে উঠে যেতে বলে। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তারা পাবেলকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ব্যাডমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় মো. পাবেল নামের এক কলেজ শিক্ষার্থী খুন হয়েছেন।

চৌদ্দগ্রামের আলকরায় রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শুভরঞ্জন চাকমা।

নিহত পাবেল উপজেলার গুণবতী এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে। তিনি ফেনী মহিপাল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, পাবেল নিজ বাড়ি গুণবতী থেকে পাশের আলকরা ইউনিয়নে নানা বাড়িতে বেড়াতে যান। সেখানে স্থানীয় কিশোরদের সঙ্গে রাতে ব্যাডমিন্টন খেলতে যান তিনি। এ সময় একদল কিশোর নিজেরা খেলবে বলে পাবেল ও তার সঙ্গীদের মাঠ থেকে উঠে যেতে বলে। ওই সময় কিশোরদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তারা এলোপাতাড়ি পাবেলকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। তাকে বাঁচাতে গিয়ে আরও দুজন আহত হন। তারা বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন বলে জানা গেছে।

ওসি শুভরঞ্জন চাকমা জানান, বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে তারা পাবেলকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেছে বলে স্থানীয়রা জা‌নি‌য়ে‌ছে। জড়িত সবাই স্থানীয় কিশোর। ঘটনার পর থে‌কে তারা পলাতক। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কু‌মিল্লা মে‌ডি‌ক্যাল ক‌লেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর ব্যবসায়ী খুন
স্যুটকেসে দেহাবশেষ, পুলিশের ধারণা শ্রদ্ধার
৫ ছুরি দিয়ে বান্ধবীকে টুকরা আফতাবের: পুলিশ
শ্রদ্ধার দেহাংশের সন্ধান দিয়েছি, আদালতে আফতাব
স্ত্রী-ছেলের হাতে খুন হয়ে ৫ টুকরা

মন্তব্য

p
উপরে