× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Syed Ashrafs sister did not want such a Chhatra League
hear-news
player
google_news print-icon

এমন ছাত্রলীগ চাননি সৈয়দ আশরাফের বোন

এমন-ছাত্রলীগ-চাননি-সৈয়দ-আশরাফের-বোন
কিশোরগঞ্জ-১ আসনের এমপি সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি। ছবি: সংগৃহীত
ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উদ্দেশে লিপি লেখেন, ‘স্নেহের ভাই জয় ও লেখক, শুভেচ্ছা নিও। শ্রদ্ধেয় বড় আপা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও শ্রদ্ধেয় ছোট আপা শেখ রেহানা আপার আন্তরিকতায় আমি কিশোরগঞ্জ-১ (সদর ও হোসেনপুর) সংসদীয় আসন থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছি। আমার নির্বাচনী এলাকাধীন—কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি আমার কনসার্ন নিয়ে যেন হয়, সে বিষয়ে সতর্ক খেয়াল রেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিও।’

কথা দিয়ে তা রাখতে না পারা ছাত্রলীগ চাননি বলে আক্ষেপ করেছেন আওয়ামী লীগের প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের বোন ও সংসদ সদস্য (এমপি) ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া স্ট্যাটাসে এমন আক্ষেপ করেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের এমপি।

বুধবার রাত ১টা ১৪ মিনিটে দেয়া স্ট্যাটাসে কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর থেকে নির্বাচিত আইনপ্রণেতা লেখেন, ‘এই লেখাটি বারবার তাদের কাছে পাঠিয়েছি। আমরা কি এই ছাত্রলীগ চেয়েছিলাম? যারা কথা দিয়ে কথা রাখতে পারে না। কিসের লোভে? এখন জানার সময় হয়েছে।’

স্ট্যাটাসে ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে উদ্দেশ করে লিপি লেখেন, ‘স্নেহের ভাই জয় ও লেখক, শুভেচ্ছা নিও। শ্রদ্ধেয় বড় আপা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও শ্রদ্ধেয় ছোট আপা শেখ রেহানা আপার আন্তরিকতায় আমি কিশোরগঞ্জ-১ (সদর ও হোসেনপুর) সংসদীয় আসন থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছি। আমার নির্বাচনী এলাকাধীন—কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি আমার কনসার্ন নিয়ে যেন হয়, সে বিষয়ে সতর্ক খেয়াল রেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিও।

‘উল্লেখ্য তোমরা দুজনে আমাকে কথা দিয়েছিলে সদর ও হোসেনপুরের কমিটি আমার মতো করে দেবে। এ ছাড়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকও আমাকে অনুরূপ কথাই দিয়েছিল।’

তিনি আরও লেখেন, ‘জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলামের কন্যা ও প্রয়াত জননেতা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ছোট বোন হিসেবে আশা করি এ ব্যাপারে তোমাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা থাকবে।’

উল্লিখিত স্ট্যাটাসের পর কাছাকাছি সময়ে আরেকটি স্ট্যাটাস দেন লিপি। এতে তাকে না জানিয়ে হোসেনপুর উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে জায়গা পাওয়াদের নাম ফেসবুকে প্রকাশ হয়েছে বলে জানান এমপি।

তিনি লেখেন, ‘শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলামের জ্যেষ্ঠ পুত্র, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী, প্রয়াত জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের একাধিক মেয়াদে নির্বাচনী এলাকা তথা বর্তমানে আমার নির্বাচনী এলাকাধীন হোসেনপুর উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের কমিটি কিছুক্ষণ আগে ফেসবুকে প্রকাশিত হয়েছে, যা সম্পর্কে আমি অবহিত নই। অছাত্র, বিবাহিত, বয়স উত্তীর্ণ ও বিতর্কিতদের দিয়ে কমিটি করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

‘কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদককে বারবার বলার পরও কেন বা কী কারণে সমন্বয় না করেই মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা কমিটি কর্তৃক এমন একটি বিতর্কিত কমিটি ঘোষণা করা হলো? আমরা কি এমন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ চেয়েছিলাম?’

ছাত্রলীগ নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কিশোরগঞ্জ-১ আসনের এমপি লেখেন, ‘বি.দ্র. মেয়াদোত্তীর্ণ ও বিতর্কিত কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের কমিটি ও নবগঠিত হোসেনপুর উপজেলা ছাত্রলীগের বিতর্কিত কমিটির বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

স্ট্যাটাসের বিষয়ে কী বলছেন লিপি

মতামত না নিয়ে ছাত্রলীগের কমিটি গঠনের বিষয়ে স্ট্যাটাস প্রসঙ্গে নিউজবাংলার প্রশ্নের জবাবে জাকিয়া নূর লিপি বলেন, ‘আমি যেটা বলতে চাই যে, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি এবং সেক্রেটারি আছে, জয়-লেখক, তাদের গত দুই বছরে…কত যে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ পাঠাইছি এবং ফোনে কথা বলছি। এমনকি জয়কে আমার বাসায়ও ডেকে আনছি।

‘শুধু একটা কথা বলছি; ভাই আমাকে জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার ওপর আস্থা রেখে এখানে নিয়ে আসছেন আমার ভাইয়ের জায়গায়; ভাইয়ের কাজ সমাপ্ত করার জন্য। সবারই আমার সহযোগিতা দরকার, কিন্তু আমার একটাই অনুরোধ থাকবে...আমার যে সংসদীয় আসনের দুইটা উপজেলা: কিশোরগঞ্জ সদর এবং হোসেনপুরে, এখানে ছাত্রলীগের কমিটিগুলো যখন হবে, অন্তত আমার কনসার্নটা যেন একটু নেয়।’

এমন ছাত্রলীগ চাননি সৈয়দ আশরাফের বোন
এ কমিটির ক্ষেত্রে মতামত নেয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন এমপি লিপি। ছবি: সংগৃহীত

জেলা ছাত্রলীগের কমিটির ক্ষেত্রে কোনো মতামত নেয়া হয়নি দাবি করে এই এমপি বলেন, ‘কোনো রকম কনসার্ন তারা নেয় নাই এবং জেলা ছাত্রলীগ যারা আছে, তারা মেয়াদোত্তীর্ণ। তারা এক বছরের জন্য আসছিল। অলরেডি দুই বছর হয়ে গেছে।

‘মানে কোনো রকম আমার কাছে কনসার্ন নেয় নাই এবং কমিটিতে যাদের নেয়া হয়েছে, সভাপতির বয়স ত্রিশের ওপরে ৩৩ এবং জানা মতে অনেকে বিবাহিত এবং কারও কারও ওয়াইফের বাচ্চাও হবে।’

আরও পড়ুন:
রিভাও তো মানুষ, ভুল করতেই পারে: তিলোত্তমা
শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ৭৬ ছাত্রীকে বাইসাইকেল দিল ছাত্রলীগ
বিয়ে, পিতৃত্ব শেষে এবার তারা ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদক
ঢাবি ক্যাম্পাসকে সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য করা হয়েছে: সাদা দল
ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদকের নামে হত্যাচেষ্টার মামলা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
BNP to IGP to stop the disappearance case

‘গায়েবি’ মামলা বন্ধে আইজিপির কাছে বিএনপি

‘গায়েবি’ মামলা বন্ধে আইজিপির কাছে বিএনপি বৃহস্পতিবার আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বরকত উল্লাহ বুলু। ছবি: নিউজবাংলা
ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকের পর বরকত উল্লাহ বুলু সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেশে একের পর এক গায়েবি মামলা হচ্ছে। পুলিশ ও আওয়ামী লীগের লোকজন বোমা ফাটিয়ে আমাদের লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা দিচ্ছে, গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। এসব মামলার উল্লেখ করে তা প্রত্যাহারে মহাসচিবের পক্ষ থেকে একটি চিঠি আমরা আইজিপিকে পৌঁছে দিয়েছি।’

নতুন করে পুলিশের দায়ের করা ‘গায়েবি’ মামলাগুলো প্রত্যাহারে ব্যবস্থা নিতে পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) চিঠি দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলুর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার দুপুরে আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করে মহাসচিবের এই চিঠি পৌঁছে দেন। এ সময় তারা পুলিশের দায়ের করা বিভিন্ন মামলার বিষয়াদি নিয়ে কথা বলেন।

প্রতিনিধি দলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ও আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

আইজিপির সঙ্গে প্রতিনিধিদের বৈঠকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার ফারুক আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকের পর বরকত উল্লাহ বুলু সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেশে একের পর এক গায়েবি মামলা হচ্ছে। পুলিশ ও আওয়ামী লীগের লোকজন বোমা ফাটিয়ে আমাদের লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা দিচ্ছে, গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। এসব মামলার উল্লেখ করে তা প্রত্যাহারে মহাসচিবের পক্ষ থেকে একটি চিঠি আমরা আইজিপিকে পৌঁছে দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আইজিপি আমাদের সবার বক্তব্য শুনেছেন। আমরা বিভিন্ন জায়গায় গায়েবি মামলা, নেতা-কর্মীদের হয়রানি-গ্রেপ্তার ও বাড়ি বাড়ি তল্লাশির মতো ঘটনাগুলোর প্রতিকার চেয়েছি। উনি এগুলো খতিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছেন।’

বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, ‘গতকাল (বুধবার) হাইকোর্ট থেকে আমাদের সাড়ে চার শ’ নেতা-কর্মী জামিন নেয়ার পর হাইকোর্টের গেট থেকে ৫০ জনকে তাদের ল’ইয়ার্স সার্টিফিকেট ছিঁড়ে ফেলে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

‘নরসিংদীতে একটা গায়েবি মামলা দেয়া হয়েছে। ওই মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে- চলো চলো, ঢাকায় চলো, বেগম খালেদা জিয়া জিন্দাবাদ, তারেক রহমান জিন্দাবাদ বলে আসামিরা ৫/৬টি ককটেল ফাটিয়েছে। এজন্য এই মামলা দেয়া হয়েছে।

আমরা বলেছি যে, আমাদের লোকজনকে ঢাকায় আসার জন্য দাওয়াত দিতে গিয়ে আমরাই বোমা ফাটাব কেন? তাহলে তো মানুষ আতঙ্কিত হবে, তারা সমাবেশে আসবে না।

‘এভাবে আমাদের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হচ্ছে।’

মহাসচিবের চিঠির সঙ্গে গায়েবি উল্লেখ করে ১৬৯টি মামলার তালিকা দেয়া হয়েছে। ২২ আগস্ট থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত দায়ের করা এসব মামলায় এজাহারভুক্ত আসামির সংখ্যা ৬ হাজার ৭২৩ জন। অজ্ঞাত আসামির সংখ্যা ১৫ হাজার ৫০ জন এবং ৫৫৯ জন গ্রেপ্তারের তালিকাও রয়েছে।

১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ আয়োজন নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে বুলু বলেন, ‘সমাবেশ নিয়ে ওনারা কথা বলেছেন। আমরা বলিনি। আমরা বলেছি যে এটা (সমাবেশ) পল্টনে করতে চাই।

‘সমাবেশের স্থান বিষয়ে আমরা দুটি চিঠি ওনাদেরকে দিয়েছি। একটা ১৩ নভেম্বর, আরেকটি ২০ নভেম্বর। দুটি চিঠিতেই আমরা সমাবেশের স্থান হিসেবে নয়াপল্টন চেয়েছি। আমরা কোনো দ্বিতীয় স্থান চাইনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওনারা বলেছেন যে, আপনারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে করেন, আমরা সব সহযোগিতা করব। আমরা বলেছি যে এটা আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় নয়। আমরা যে বিষয়টি নিয়ে এসেছি তার সঙ্গে সমাবেশের স্থান নির্ধারণ সংশ্লিষ্ট নয়। এটা আমাদের এখতিয়ারে নেই। আমাদের স্থায়ী কমিটি ও মহাসচিব আছেন, তারা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন।’

প্রসঙ্গত, ডিএমপি মঙ্গলবার এক চিঠিতে ২৬ শর্তে বিএনপিকে ১০ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়।

পরে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়, নয়াপল্টনে বিভাগীয় সমাবেশ করার জন্য অনুমতি চেয়ে ডিএমপিতে আবেদন করা হয়েছিল। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান তারা চায়নি।

ওইদিন দলের এক অনুষ্ঠানে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আজকে সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, যে জায়গায় আপনারা (সরকার) অনুমতি দিতে চান সেই জায়গায় আমরা কনফোর্টেবল নই। চারদিকে দেয়াল দিয়ে ঘেরা, যাওয়ার রাস্তা নেই। একটি মাত্র গেট, যে গেট দিয়ে এক-দুইজন করে মানুষ ঢুকতে পারে, বেরুতে পারে না।

‘আমরা পরিষ্কার করে আবার বলছি- আপনাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করুন। জনগণের ভাষা বুঝতে পেরে নয়াপল্টনে আমাদেরকে ১০ তারিখ শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করার সব ব্যবস্থা নিন।’

আরও পড়ুন:
সমাবেশে সরকারকে লাল কার্ড দেখাল জনগণ: সেলিমা
পরিবহন ধর্মঘটের আগেই রাজশাহীর সমাবেশে নেতা-কর্মীরা
সকাল থেকে রাজশাহী বিভাগে পরিবহন ধর্মঘট
নাশকতা মামলা: মানিকগঞ্জে বিএনপির ২ নেতা গ্রেপ্তার
বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
People showed red card to government Selima

সমাবেশে সরকারকে লাল কার্ড দেখাল জনগণ: সেলিমা

সমাবেশে সরকারকে লাল কার্ড দেখাল জনগণ: সেলিমা বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে ‘আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান। ছবি: নিউজবাংলা
সরকারের বিরুদ্ধে সমগ্র দেশ আজকে ঐক্যবদ্ধ দাবি করে সেলিমা রহমান বলেন, ‘সমগ্র দেশ তার (তারেক রহমানের) কথায় ঐক্যবদ্ধ। অল্প সময়ের মধ্যে আমাদের এই নেতা বিভাগীয় সম্মেলনগুলো সফল করিয়েছেন। আমরা তখন ভেবেছিলাম এই সমাবেশগুলোতে শুধু আমাদের নেতা-কর্মীরাই অংশগ্রহণ করবেন। তবে আমাদের সব ভুল দূর করে সাধারণ জনগণ এই সমাবেশগুলোতে মিশে গেছে। কোনো বাধাই জনগণকে আটকাতে পারেনি। তারা আজকে সরকারকে লাল কার্ড দেখিয়ে দিয়েছে।’

শুধু দলের নেতা-কর্মীরা নয় বিএন‌পির বিভা‌গীয় সমা‌বেশে দে‌শের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ ক‌রে সরকার‌কে লাল কার্ড দে‌খি‌য়ে দি‌য়ে‌ছে ব‌লে মন্তব‌্য ক‌রে‌ছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান।

তিনি বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিএনপিকে সংগঠিত করে এমন এক জায়গায় দাঁড় করিয়েছেন যেখানে বিএনপি বর্তমান সরকারের জন্য আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বে দল আজকে সুসংগঠিত। তিনি জনগণের অধিকারের জন্য লড়াই করছেন।’

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে ‘আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদ’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভাটি আয়োজন করে আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদ।

সরকারের বিরুদ্ধে সমগ্র দেশ আজকে ঐক্যবদ্ধ দাবি করে সেলিমা রহমান বলেন, ‘সমগ্র দেশ তার (তারেক রহমানের) কথায় ঐক্যবদ্ধ। অল্প সময়ের মধ্যে আমাদের এই নেতা বিভাগীয় সম্মেলনগুলো সফল করিয়েছেন। আমরা তখন ভেবেছিলাম এই সমাবেশগুলোতে শুধু আমাদের নেতা-কর্মীরাই অংশগ্রহণ করবেন। তবে আমাদের সব ভুল দূর করে সাধারণ জনগণ এই সমাবেশগুলোতে মিশে গেছে। কোনো বাধাই জনগণকে আটকাতে পারেনি। তারা আজকে সরকারকে লাল কার্ড দেখিয়ে দিয়েছে।’

বিএনপির রাজনীতি হচ্ছে উৎপাদনমুখী দাবি করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘শহীদ জিয়া বলেছিলেন, এ দেশের মাটি হলো সোনার, যেখানে আমরা পরিশ্রম করে কাজ করলে দেশকে সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারব। এ দেশের মানুষ সুখে থাকতে পারবে। শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের মধ্য দিয়ে জনগণ নিজেরাই এ দেশকে সাবলম্বী করতে পারবে।’

সরকার যা কিছু বলছে সব মিথ্যা কথা বলছে মন্তব‌্য ক‌রে তি‌নি বলেন, ‘আজকের সরকারের যে দুঃশাসন, যে স্বৈরশাসন তা ২০০৮ সাল থেকে চলছে। মাইনাস ওয়ান ফর্মুলায় যেখানে বেগম খালেদা জিয়াকে সরাতে চেয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘বিভাগীয় সম্মেলনগুলোর আগে তারা (আওয়ামী লীগ) বলত বিএনপি আন্দোলন করতে জানে না। বিএনপির রাজপথে নামতে জানে না। বিএনপি কিন্তু ঠিকই রাজপথে নেমেছে তারা ঠিকই কিন্তু আন্দোলন করে যাচ্ছে। কারণ বিএনপি হল জনগণের দল।’

রক্তের হোলি খেলা দিয়ে আওয়ামী লীগ দেশকে রক্তাক্ত করে দিচ্ছে মন্তব‌্য ক‌রে সেলিমা রহমান বলেন, ‘ওনারা আর কত রক্তের হোলি খেলবেন। তারা (আওয়ামী লীগ) প্রতিনিয়ত নতুন নতুন খেলা খেলছে। যে খেলা ওবায়দুল কাদের সাহেব নিজেই বলে চলছেন আমরা খেলব। আমি বলব ওনারা কত আর খেলবেন। আর কত রক্তের হোলি খেলা ওনাদের হাতের মধ্যে চলবে। রক্তের হোলি খেলা দিয়ে আওয়ামী লীগ দেশকে রক্তাক্ত করে দিচ্ছে।’

আমাদের এখন থেকে এক দফা দবিতে আন্দোলন করতে হবে জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘আমাদের এখন থেকে এক দফা আন্দোলন করতে হবে। তা হচ্ছে এই সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বিলুপ্ত এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দেয়া। যাতে করে যে-ই আসুক না কেন আমরা তাকে নিয়ে যেন জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারি। আজকের যে দেশের অবস্থা তা থেকে জনগণকে মুক্ত করতে পারলেই তা হবে আমাদের সাফল্য।’

সংগঠনের সভাপতি নাজিম উদ্দিন আলমের সভাপ‌তি‌ত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীমের সঞ্চালনায় আরও বক্তব‌্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু।

অনুষ্ঠানের শুরুর আগে বনানী কবরস্থানে আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করেন সংগঠনের নেতারা। পরবর্তী সময়ে অনুষ্ঠান শেষে শিশুদের মাঝে খাবার ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

আরও পড়ুন:
পরিবহন ধর্মঘটের আগেই রাজশাহীর সমাবেশে নেতা-কর্মীরা
সকাল থেকে রাজশাহী বিভাগে পরিবহন ধর্মঘট
নাশকতা মামলা: মানিকগঞ্জে বিএনপির ২ নেতা গ্রেপ্তার
বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ
ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলা, ভাঙচুর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Leaders and workers in Rajshahi rally before the transport strike

পরিবহন ধর্মঘটের আগেই রাজশাহীর সমাবেশে নেতা-কর্মীরা

পরিবহন ধর্মঘটের আগেই রাজশাহীর সমাবেশে নেতা-কর্মীরা বিএনপি নেতা-কর্মীরা এরই মধ্যে রাজশাহী আসতে শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে দূর-দূরান্ত থেকে সমাবেশস্থল মাদ্রাসা মাঠে আসতে শুরু করেন। তাদের কেউ কেউ পলিথিন দিয়ে তাবু টাঙাতে ব্যস্ত। আবার কিছুদূর পরপর বড় বড় হাঁড়িতে চলছে রান্নার কাজ। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
পাবনার ঈশ্বরদী থেকে আসা মনোয়ারুল ইসলাম জানান, তারা প্রায় ২০০ নেতা-কর্মী একসঙ্গেই এসেছেন। সন্ধ্যা থেকেই তারা ঈদগাহ মাঠে অবস্থান করছেন। তাদের এলাকার আরও প্রায় ৮ হাজার লোক আসার কথা রয়েছে বৃহস্পতিবার। তারা এই কয় দিন এখানেই রান্না করে খাবার মতো প্রস্তুতি নিয়ে এসেছেন। চাল-তরিতরকারি, হাঁড়ি-পাতিলসহ সব কিছু নিয়ে তারা এখানে এসেছেন।

রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ শুরু হবে আগামী ৩ ডিসেম্বর দুপুরে। কিন্তু নেতা-কর্মীরা এরই মধ্যে রাজশাহী আসতে শুরু করেছেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর দূর-দূরান্ত থেকে সমাবেশস্থল মাদ্রাসা মাঠে আসতে শুরু করেন। তারা সমাবেশস্থলের লাগোয়া রাজশাহী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে অবস্থান নিতে শুরু করেন। রাত ১২টার দিকে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী অবস্থান নেন সেখানে।

সমাবেশস্থলে মঞ্চ তৈরির প্রস্তুতিসহ পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও কড়াকড়ি থাকায় পাশের ঈদগাহ মাঠে অবস্থান নিয়েছেন তারা।

বুধবার দুপুরে আট শর্তে সমাবেশের অনুমতি পায় বিএনপি। আর সন্ধ্যার পর থেকে মাদ্রাসা মাঠের দিকে আসতে শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। রাত সাড়ে ১১টার দিকে মাঠে গিয়ে দেখা যায় ব্যাগ কাঁধে নিয়ে তাদের অনেকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে ঢুকছেন। আবার যারা কিছুক্ষণ আগে এসেছেন তারা পলিথিন দিয়ে তাঁবু টানাতে ব্যস্ত।

পরিবহন ধর্মঘটের আগেই রাজশাহীর সমাবেশে নেতা-কর্মীরা

আবার কিছুদূর পর পর বড় বড় হাঁড়িতে চলছে রান্নার কাজ। নেতা-কর্মীরা যেন উৎসবে মেতেছেন। তাদের অনেকে জানিয়েছেন, যেহেতু বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পরিবহন ধর্মঘট শুরু হবে, সে কারণে তারা আগের দিনই সমাবেশ স্থলে চলে এসেছেন।

পাবনা জেলার ঈশ্বরদী এলাকা থেকে আসা মনোয়ারুল ইসলাম জানান, তারা প্রায় ২০০ নেতা-কর্মী একই সঙ্গে এসেছেন। সন্ধ্যা থেকেই তারা ঈদগাহ মাঠে অবস্থান করছেন। তাদের এলাকার আরও প্রায় ৮ হাজার লোক আসার কথা রয়েছে বৃহস্পতিবার। তারা এই কয়েক দিন এখানেই রান্না করে খাবার মতো প্রস্তুতি নিয়ে এসেছেন। চাল-তরিতরকারি, হাঁড়ি-পাতিলসহ সব কিছু নিয়ে তারা এখানে এসেছেন।

যখন তার সঙ্গে কথা হচ্ছিল, পাশেই চলছিল রান্নার আয়োজন।

বগুড়ার সারিয়াকান্দি এলাকা থেকে আসা আমিনুল ইসলাম জানান, তারা এসেছেন প্রায় ৬০০ জন। সঙ্গে নিয়ে এসেছেন ৫ মণ চাল, তরিতরকারি। সেই সঙ্গে মুড়ি, চিড়া, বিস্কুটও সঙ্গে এনেছেন। তাবু টানানোর জন্য তারা নিয়ে এসেছেন পলিথিন। আবার শীতের কথা মাথায় রেখে সবাই এনেছেন গরম পোশাকও।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘বাস বন্ধের কারণে নেতা-কর্মীরা আগেই আসতে শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার আরও বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী হাজির হবেন। সব বাধা উপেক্ষা করে লাখ লাখ মানুষ এই সমাবেশে যোগ দেবেন।'

তিনি আরও বলেন, ‘গাড়ি বন্ধ করে সমাবেশে উপস্থিতি কমানো যাবে না। রাজশাহীর মানুষ সবাইকে স্বাগত জানাবে।’

সভার প্রস্তুতির বিষয়ে মিনু বলেন, ‘সমাবেশস্থলে মঞ্চ প্রস্তুতের কাজও শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে নেতা-কর্মীদের বিশ্রামের জন্য সমাবেশের মাঠের পাশে তাঁবু টানানো হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
সকাল থেকে রাজশাহী বিভাগে পরিবহন ধর্মঘট
নাশকতা মামলা: মানিকগঞ্জে বিএনপির ২ নেতা গ্রেপ্তার
বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ
ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলা, ভাঙচুর
চিড়া-গুড় নিয়ে রাজশাহী ঢুকছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Allegation of cocktail attack from BNP procession

বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ

বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ ও হামলার অভিযোগ ওঠে।

মুন্সীগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ উঠেছে।

সারা দেশে বিএনপি নেতা-কর্মীদের নামে মামলা ও ধরপাকড়ের প্রতিবাদে দুই জেলাতেই বুধবার রাতে মিছিল বের করে স্থানীয় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠন। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিচুর রহমান জানান, বঙ্গবন্ধু সড়কের চাষাড়া এলাকায় পপুলারের গলি থেকে বিএনপির ও সহযোগী সংগঠনের একদল নেতা-কর্মী মশাল মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। তারা সড়কে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করে। পুলিশ গিয়ে ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যায়। তবে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

ফতুল্লার কমর আলী স্কুলের সামনে ও শিবু মার্কেট এলাকাতেও মশাল মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ফতুল্লা থানার ওসি রিজাউল হক।

রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক ও মাদানী নগর এলাকাতেও বিএনপির মিছিলের পর ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমান জানান, স্থানীয় নেতা-কর্মীরা মশাল মিছিল শেষে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে আগুন দেয় ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। পুলিশ গিয়ে কাউকে পায়নি, তবে ককটেলের খোসা জব্দ করা হয়েছে।

ককটেল বিস্ফোরণে দায় নেননি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘আগামী ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমাদের ৭টি থানা এলাকাতেই নেতা-কর্মীদের নামে গায়েবী মামলা করা হয়েছে। সমাবেশকে ঘিরে এসব করা হচ্ছে, যাতে করে আমরা প্রস্তুতি নিতে না পারি। বাড়িঘর ছাড়া থাকি।’

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব গোলাম ফারুক খোকন বলেন, ‘পুলিশের করা মামলা মিথ্যা ও বানোয়াট। কাল্পনিক অভিযোগই এর প্রমাণ। বুধবার আমাদের কোনো মিছিল হয়নি।’

এদিকে, মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভ মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ তুলেছে স্থানীয়রা। ছাত্রলীগ কর্মীদের অভিযোগ, মিছিল থেকে চালানো হামলায় তাদের ৩ জন আহত হয়েছে।

বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশের ভিটিকান্দি এলাকায় বুধবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটেছে।

গজারিয়া থানার এসআই সেকান্দার আলী ককটেল বিস্ফোরণের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে আসি। এ সময় আমরা কয়েকটি বিস্ফোরিত ককটেলের আলামত দেখতে পাই। তবে কারা এ কাজ করেছে, এ বিষয়ে আমরা এখনও নিশ্চিত নই।’

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী দাবি করে অটোরিকশাচালক মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘সন্ধ্যায় ভবেরচর বাসস্ট্যান্ড থেকে আনারপুরে যাওয়ার জন্য আমার অটোতে ওঠেন ৩ জন ছাত্রলীগ কর্মী। ভিটিকান্দি এলাকায় পৌঁছালে দেখি ৪০ থেকে ৪৫ জন বিএনপি নেতা-কর্মী মিছিল করছে। আমার অটোটা মিছিলের মাঝখানে পড়ে যায়।

‘এ সময় মিছিল থেকে অন্তত ১১টা ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। আমার অটোতে থাকা যাত্রীদের মারধর করে। অটোটাও ভাঙে তারা।’

হামলায় আহত ছাত্রলীগ কর্মী সুমন প্রধান বলেন, ‘কিছু বুঝে ওঠার আগেই বিএনপি নেতা-কর্মীরা মারধর করতে থাকে। আমার সাথে থাকা দুইজন দৌড়ে পালিয়ে বাঁচতে পারলেও আমাকে মারধর করা হয়।’

সুমন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলা, ভাঙচুর
চিড়া-গুড় নিয়ে রাজশাহী ঢুকছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা
গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা
মিছিল না করাসহ ৮ শর্তে রাজশাহীতে বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি
বিএনপির রাজশাহী সমাবেশে বাকি শুধু পুলিশের অনুমতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP rally vandalized in Faridpur

ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলা, ভাঙচুর

ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলা, ভাঙচুর
বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘পুলিশের গুলিতে এ পর্যন্ত বিএনপির ১১জন নেতা-কর্মী নিহত হয়েছে। তার প্রতিবাদে চারদিন আগে আমরা এ বিক্ষোভ কর্মসূচি দিয়েছি। পুলিশের তত্ত্বাবধানে ছাত্রলীগ-যুবলীগ এই হামলা করেছে। আর পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় ককটেল রেখে গায়েবি মামলা দিচ্ছে।’

হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণে ফরিদপুরে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে পণ্ড হয়ে গেছে।

ফরিদপুর প্রেসক্লাব চত্বরে বুধবার বিকেলে এই হামলার সময় বেশকিছু চেয়ার ভাঙচুর করা হয়। বিএনপির পক্ষ থেকে এই হামলার জন্য ছাত্রলীগ ও যুবলীগকে দায়ী করা হয়েছে।

মিথ্যা মামলা, পুলিশি নির্যাতন ও গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করে বিএনপির ফরিদপুর মহানগর শাখা। এতে সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এ এফ এম আব্দুল কাইউম।

সমাবেশে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেয়ার কথা ছিল যথাক্রমে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান ও বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদের। তবে হামলার সময় তারা সমাবেশস্থলে ছিলেন না।

সমাবেশ উপলক্ষে ফরিদপুর প্রেসক্লাব চত্বরে ছোট আকারের একটি মঞ্চ করা হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সমাবেশের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তখনও ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেননি। ওই সময় মঞ্চে অন্যান্যদের মধ্যে বসা ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেছ আলী ও সদস্য সচিব এ কে কিবরিয়া।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিকেল পৌনে ৪টার দিকে হেলমেট ও মাস্ক পরিহিত ৩০/৩৫ জন তরুণ লাঠি ও ইট নিয়ে সভাস্থলে হামলা চালায়। তারা ব্যানার ছিনেয়ে নেয় ও চেয়ার ভাংচুর করে। এ সময় হামলাকারীরা তিনটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়।

ওই সময় পুলিশ সিজান নামে ছাত্রদলের এক কর্মীকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাদের ধ্বস্তাধ্বস্তি হয়।

হামলার পর ড. আব্দুল মঈন খান ও শামা ওবায়েদ ঘটনাস্থলে আসেন।

ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলা, ভাঙচুর

শামা ওবায়েদ এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘পুলিশের গুলিতে এ পর্যন্ত বিএনপির ১১জন নেতা-কর্মী নিহত হয়েছে। তার প্রতিবাদে চারদিন আগে আমরা এ বিক্ষোভ কর্মসূচি দিয়েছি। পুলিশের তত্ত্বাবধানে ছাত্রলীগ-যুবলীগ এই হামলা করেছে।

আমরা দেখেছি পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় ককটেল রেখে গায়েবি মামলা দিচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় এখানে ককটেল ফাটিয়ে আমাদের লোকদের ধরপাকড় করেছে।’

মঈন খান বলেন, সাধারণ মানুষ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর সরকারের নির্যাতনের বিরুদ্ধে এবং ১১ জন নেতাকর্মী নিহত হওয়ার প্রতিবাদে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। আর একটি শান্তিপূর্ণ ছোট সমাবেশ করতে এসে আমরা হামলার শিকার হলাম।’

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ কে কিবরিয়া বলেন, ‘হামলায় আমাদের আট নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। পুলিশ রিতু, কামাল, রাজীব ও সিজানসহ ছাত্রদলের বেশ কয়েকজন কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে।’

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ জলিল বলেন, ‘ফরিদপুর বিএনপি শামা ওবায়েদ ও নায়াব ইউসুফ এই দুই ভাগে বিভক্ত। তাদের নিজেদের মধ্যে বিরোধ থেকে সভাস্থলে হামলা ও ভাংচুর হয়েছে।

‘হামলা ঠেকাতে গিয়ে পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছে। পুলিশ শর্টগানের ১১ রাউন্ড গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’

আরও পড়ুন:
আদালতে যাওয়ার পথে আসামিপক্ষের মারধরে সাক্ষী নিহত
সোহরাওয়ার্দীতে বিএনপির সমাবেশে উসকানিমূলক বক্তব্য নিষেধ
দুই বিবেচনায় জামায়াত-বিচ্ছেদ গোপন বিএনপির
সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশের অনুমতি, পল্টনে অনড় বিএনপি
সিনিয়র নেতাদের নামে ‘কুৎসা রটানোয়’ পদ গেল বিএনপির সাবেক এমপির

মন্তব্য

বাংলাদেশ
New alliance of left 8 student organizations to oust the government

সরকার উচ্ছেদে বাম ৮ ছাত্র সংগঠনের নতুন জোট

সরকার উচ্ছেদে বাম ৮ ছাত্র সংগঠনের নতুন জোট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে বাম ৮ ছাত্র সংগঠনের নতুন জোট গঠনের ঘোষণা দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
‘গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট’ভুক্ত সংগঠনগুলো হলো- সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন।

আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার উচ্ছেদ করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নতুন জোট গঠন করেছে বামপন্থী আট ছাত্র সংগঠন। নতুন এই জোটের নাম দেয়া হয়েছে ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট’।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে নতুন এই জোট গঠনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

জোটভুক্ত সংগঠনগুলো হলো- সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন।

নতুন এই জোটের সমন্বয়ক এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের (মার্কসবাদী) সভাপতি সালমান সিদ্দিকী সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

সালমান বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ গভীর সংকটময় সময় পার করছে। ২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচন এবং ২০১৮ সালের ভোট ডাকাতির মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন রয়েছে আওয়ামী লীগ। বুর্জোয়া সংসদীয় ব্যবস্থার কবর রচনা করে মানুষের ন্যূনতম গণতান্ত্রিক অধিকার ভোট দেয়ার ক্ষমতাটুকুও কেড়ে নিয়েছে তারা।

‘বর্তমান সরকার দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে শোষণ, লুণ্ঠন, অর্থপাচার, দুর্নীতির মাধ্যমে দেশে এক দুর্বৃত্ত শ্রেণীর রাজত্ব কায়েম করেছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ নানা কালাকানুন দিয়ে স্বাধীন মতপ্রকাশে বাধা ও বিরোধী মত দমন করছে।’

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘সরকার গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশি আক্রমণ, মিছিলে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যাসহ গুম-খুনের মাধ্যমে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন দীর্ঘায়িত করে চলেছে। জনগণের মতামতের তোয়াক্কা না করে প্রতিনিয়ত বাড়াচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম।

‘আওয়ামী উন্নয়নের স্লোগান পরিণত হয়েছে ফাঁপা বুলিতে। আওয়ামী শাসনের ১৪ বছরে গ্যাসের দাম বেড়েছে আড়াই গুণ, বিদ্যুতের দাম বেড়েছে দুই গুণ, ৭ বার বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম, ওয়াসার পানির দাম বেড়েছে ১৩ বার, বেড়েছে সারের দাম। সাম্প্রতিক সময়ে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ২০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে এবং গ্রাহক পর্যায়েও বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। মানুষের আয় বাড়েনি কিন্তু ব্যয় বাড়ছে প্রতিনিয়ত। বিশ্ব খাদ্য সংস্থার রিপোর্টে এসেছে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির কারণে খাদ্য ব্যয় কমাতে বাধ্য হয়েছে প্রায় ৭৩ ভাগ মানুষ আর প্রতিরাতে না খেয়ে ঘুমাতে যায় প্রায় ৫ কোটি মানুষ। ‘দেশে দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা একদলীয় ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনে জনজীবনে নেমে এসেছে সীমাহীন দুর্ভোগ। তৈরি হয়েছে এক শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি।’

সালমান সিদ্দিকী বলেন, ‘উদ্ভূত পরিস্থিতি থেকে ছাত্র সমাজসহ আপামর জনগণ মুক্তি চাইছে। দেশের যেকোনো দুঃসময়ে এদেশের ছাত্র সমাজ কখনো চুপ থাকেনি। আমরা মনে করি এই ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ছাত্র আন্দোলন গড়ে তোলা সময়ের কর্তব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

‘এই অনুধাবন থেকেই আমরা ৮টি ছাত্র সংগঠন সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান থেকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলা এবং পরিচালনার জন্য একত্রিত হয়েছি। আমরা ফ্যাসিবাদী এই সরকারকে জনগণের আন্দোলনের মাধ্যমে উচ্ছেদ করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

সংবাদ সম্মেলনে জোটের পক্ষ থেকে ১৩ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দাবিগুলো হলো- আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের পদত্যাগ; সার্বজনীন, বৈষম্যহীন, বিজ্ঞানভিত্তিক, গণতান্ত্রিক একই ধারার শিক্ষানীতি প্রণয়ন; শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করে গণরুম-গেস্টরুম বন্ধ করা, ডাকসুসহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা।

নবগঠিত জোটের দাবিগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে- পদাধিকারবলে রাষ্ট্রীয় প্রধান আচার্য এই বিধান বাতিল করে বরেণ্য ও সর্বজন গ্রহণযোগ্য শিক্ষাবিদকে আচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয়া; শিক্ষা খাতে জাতীয় বাজেটের ২৫ শতাংশ বরাদ্দ করা; ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ওটিটি নিয়ন্ত্রণ নীতিমালাসহ সব গণবিরোধী ও অগণতান্ত্রিক আইন বাতিল করা; দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রীয় বাণিজ্য চালু করা; শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি ও কৃষকের উৎপাদিত ফসলের লাভজনক মূল্য নিশ্চিত করা; নারী স্বার্থবিরোধী আইন বাতিল করা এবং ঘরে-বাইরে নারী নির্যাতন বন্ধ করা।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এসব দাবি দাবিতে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের পক্ষ থেকে ১৮ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে ছাত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন:
ঢাবিতে ঢুকলে জাবি অধ্যাপককে জীবন বিপন্নের হুমকি
আইএমএফের ঋণ নেয়ার কৈফিয়ত দিতে হবে: বাম জোট
গবেষণার কল্যাণে দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ : শিল্পমন্ত্রী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকাশনা মেলা ২২-২৩ অক্টোবর
ঢাবির হল প্রাধ্যক্ষকে ‘মৃত’ ঘোষণা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sheikh Selims call for unity to stop the conspiracy

ষড়যন্ত্র রুখতে ঐক্যবদ্ধের ডাক শেখ সেলিমের

ষড়যন্ত্র রুখতে ঐক্যবদ্ধের ডাক শেখ সেলিমের বক্তব্য রাখছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। ছবি: নিউজবাংলা
শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, ‘দরকার হলে পাকিস্তান প্রেমিদের বাক্সে ভরে পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেয়া হবে। বাংলাদেশে বসে পাকিস্তানে কথা চিন্তা করবেন আর পাকিস্তানে বৃষ্টি হলে বাংলাদেশে ছাতা ধরবেন এটা করতে দেয়া হবে না।’

দলের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা ষড়যন্ত্রকারীরা যেন সফল হতে না পারে সেজন্য দলের নেতা-কর্মীদেরকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি।

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে যারা হত্যা করেছিল তারা হত্যার আগে বিভিন্নভাবে কাছে তার কাছে আসার চেষ্টা করেছিল, ঘনিষ্ট হবার চেষ্টা করেছে। অথচ তারাই এক সময়ে জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করেছিল।’

গোপালগঞ্জ পৌর পার্কের মুক্ত মঞ্চে মঙ্গলবার বিকেলে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সদর পৌরসভা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

সদর ‍উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী লিয়াকত আলী লেকুর সভাপতিত্বে আয়োজনে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, এস,এম কামাল হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসমত আলী সিকদার চুন্নু।

এর আগে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চৌধুরী এমদাদুল হক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে শেখ সেলিম বলেন, ‘বিএনপি কোনো দিন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসতে পারবে না। আওয়ামী লীগ, মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে আর যদি শেখ হাসিনা এবং ত্যাগী নেতারা জীবিত থাকে তবে আজীবন বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে পরিচালিত করবে।

‘দরকার হলে পাকিস্তান প্রেমিদের বাক্সে ভরে পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেয়া হবে। বাংলাদেশে বসে পাকিস্তানে কথা চিন্তা করবেন আর পাকিস্তানে বৃষ্টি হলে বাংলাদেশে ছাতা ধরবেন এটা করতে দেয়া হবে না।’

নেতার্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়ে শেখ সেলিম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ও তার আদর্শকে যদি ভালবাসেন তাহলে ভোগের নয় ত্যাগের রাজনীতি করবেন। নিজেদের মধ্যে গোলমাল করবেন না। যারা গোলমাল করবে তাদের আওয়ামী লীগে স্থান হবে না। ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষককে লাঞ্ছনার মামলায় আ.লীগ নেতা কারাগারে
ধর্ষণ মামলার আসামি ধরতে পুলিশকে বাধা, আ.লীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৫
আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য হচ্ছেন মতিয়র রহমান
আওয়ামী লীগ পা‌লি‌য়ে যাওয়া দল না: শেখ সে‌লিম
আ.লীগের সম্মেলনে টোকাই কোত্থেকে আনছেন, স্বপনের প্রশ্ন

মন্তব্য

p
উপরে