× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The breeze of democracy is blowing in the country who
hear-news
player
google_news print-icon

দেশে গণতন্ত্রের সুবাতাস বইছে: কাদের

দেশে-গণতন্ত্রের-সুবাতাস-বইছে-কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
বঙ্গবন্ধুকন্যা জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করেন এবং জনগণের ওপর আস্থা রাখে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘এ দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখতে পিতা মুজিবের মতো তিনিও বদ্ধপরিকর। তাই আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, কোনো অশুভ শক্তি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে এ দেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে নস্যাৎ করতে চাইলে তাদেরকে দাঁতভাঙা জবাব দেয়া হবে।’

বিরোধী দলগুলো যখন দেশে গণতন্ত্রহীনতার অভিযোগ করছে তখন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এখন দেশে গণতন্ত্রের সুবাতাস বইছে। আর শেখ হাসিনা ক্ষমতায় বলেই এই ঘটনাটি ঘটেছে।

বুধবার এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন ক্ষমতাসীন দলের নেতা।

কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সরকার আছে বলেই বাংলাদেশ একের পর এক উন্নয়নের মাইলফলক অর্জন করছে, বিশ্বসভায় প্রশংসিত হচ্ছে। শেখ হাসিনা আছেন বলেই দেশে গণতন্ত্রের সুবাতাস বইছে। আর সেজন্যই সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ স্থানীয় দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টের একটি নিবন্ধে বাংলাদেশে নারীদের বিস্ময়কর অগ্রগতি, শিক্ষা ও দারিদ্র্য নিরসন, সন্ত্রাসবাদ দমনের পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে।’

বঙ্গবন্ধুকন্যা জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করেন এবং জনগণের ওপর আস্থা রাখে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘এ দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখতে পিতা মুজিবের মতো তিনিও বদ্ধপরিকর। তাই আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, কোনো অশুভ শক্তি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে এ দেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে নস্যাৎ করতে চাইলে তাদেরকে দাঁতভাঙা জবাব দেয়া হবে।’

দেশে গণতন্ত্র না থাকার অভিযোগ এনে বিএনপির নানা বক্তব্যেরও জবাব দেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নস্যাৎ করে যাদের রাজনীতির যাত্রা শুরু হয়েছে, তাদের মুখে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের কথা শোভা পায় না।

‘বিএনপি নামক রাজনৈতিক দলটি এদেশের সাম্প্রদায়িক রাজনীতির ভরকেন্দ্র। তারা যতবার ক্ষমতায় এসেছে, ততবার সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে।’

আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘১৯৭২ সালের সংবিধানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু অসাংবিধানিক ও অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী জিয়াউর রহমান সংবিধান সংশোধন করে রাজনীতিতে ধর্মের অপব্যবহারের বৈধতা দিয়েছিলেন।

‘সেই দলের নেতা হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের কথা কুমিরের মায়াকান্না মাত্র। অসাম্প্রদায়িকতা ও গণতন্ত্রের জন্য বিএনপি মহাসচিবের ছদ্মবেশ ধারণ দেশের জনগণের সঙ্গে এক ধরনের পরিহাস।’

তিনি বলেন, ‘ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়। তারা ক্ষমতাসীন হয়ে সন্ত্রাসী ও উগ্রবাদী গোষ্ঠীকে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল। বিরোধী মতকে দমন করতে ২১ আগস্টের নারকীয় হত্যাযজ্ঞের পাশাপাশি সকল ধরনের অপচেষ্টা চালিয়েছিল। গণতান্ত্রিক সকল প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে জবাবদিহি ও দায়বদ্ধতার টুটি চেপে ধরে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল আর আজ বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার লক্ষ্যে সুগভীর ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
এখনও বলা যাচ্ছে না আমরা কোন দলে যাব: জিএম কাদের
‘বাংলাদেশের গণতন্ত্র নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে নিজেদের দিকে তাকান’
‘জাপার নির্বাচনি জোট দলে আলোচনা সাপেক্ষে’
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে পূজার নিরাপত্তা লজ্জার: জি এম কাদের
রাজনীতিতে অস্থিরতা, দলের ভেতরে-বাইরে সংঘাত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
UN must be effective and strong Paltu

জাতিসংঘকে কার্যকর ও শক্তিশালী হতে হবে: পল্টু

জাতিসংঘকে কার্যকর ও শক্তিশালী হতে হবে: পল্টু জাতীয় প্রেস ক্লাবে মঙ্গলবার আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু। ছবি: নিউজবাংলা
আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু বলেন, ‘মাত্র ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তানিদের নির্যাতনে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছিলাম। আর ফিলিস্তিনের মানুষ বছরের পর বছর এই মুক্তির আন্দোলন করে আসছে। জীবন দিয়ে যাচ্ছে। তারা অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম করছে।’

আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু বলেছেন, ‘মানুষের ন্যায্য অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সবকিছু প্রতিষ্ঠা করার জন্যই জাতিসংঘের সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে আন্তর্জাতিক বড় বড় শক্তির কাছে জাতিসংঘ যেন অসহায়। বিশ্ব সংস্থাটিকে এই অসহায়ত্ব দূর করে শক্তিশালী ও কার্যকরী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড়াতে হবে।’

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘ফিলিস্তিনের জনগণের সাথে আন্তর্জাতিক সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ শান্তি পরিষদ আয়োজিত এই সভায় আয়োজক সংগঠনের সভাপতি পল্টু বলেন, ‘আমরা মাত্র ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধ করেছি। সেখানে পাকিস্তানিদের নির্যাতনে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছিলাম। আর ফিলিস্তিনের মানুষ বছরের পর বছর এই মুক্তির আন্দোলন করে আসছে। জীবন দিয়ে যাচ্ছে। তারা অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম করছে।’

তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি ফিলিস্তিনিদের দুঃখ-দুর্দশার খবর। তারা কোনো আধিপত্যের জন্য সংগ্রাম করেনি। আজকে নিজ ভূমিতে তারা প্রতিমুহূর্তে মৃত্যুর প্রহর গুনছে। ফিলিস্তিনের এমন অবস্থা সৃষ্টির সঙ্গে আমেরিকা জড়িত। আমেরিকাপন্থি ইসরায়েল তাদের ‌ওপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।’

‘ফিলিস্তিনের শিশুরা জন্ম থেকেই দেখছে তাদের সামনে মা-বাবাকে হত্যা করা হচ্ছে। তাদের ওপর পাশবিক নির্যাতন করা হচ্ছে। এই নির্মমতা সবাইকে উপলব্ধি করতে হবে। তাই আন্তর্জাতিক মহল ফিলিস্তিনের জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে এই দিনকে ফিলিস্তিন দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP will not exist if lying is banned Who

মিথ্যাচার নিষিদ্ধ হলে বিএনপির অস্তিত্ব থাকবে না: কাদের

মিথ্যাচার নিষিদ্ধ হলে বিএনপির অস্তিত্ব থাকবে না: কাদের
১০ ডিসেম্বর রাজধানীতে বিএনপির সম্ভাব্য সমাবেশের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আক্রমণ না করলে কোনো পাল্টা আক্রমণ করা হবে না। কিন্তু যদি আক্রমণের মতলব থাকে, তবে খবর আছে।’

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বিএনপির সমালোচনা করে বলেছেন, ‘যদি আইন করে মিথ্যাচার নিষিদ্ধ করা হয়, তাহলে বিএনপির কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।’

আরও বলেন, ‘এরা ভোট চুরি করেছে, ভুয়া ভোটার তৈরি করেছে। অর্থ পাচার করে মুচলেকা দিয়ে তাদের নেতা লন্ডনে চলে গেছে। সেখানে বসে বসে মাঝেমাঝে হুংকার দেয়। আওয়ামী লীগ এসব হুংকারে ভয় পায় না। আর বাংলাদেশের মানুষও এমন নেতাকে মানে না।’

মঙ্গলবার বিকেলে নেত্রকোণা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন কাদের।

তিনি বলেন, ‘খেলা হবে। আন্দোলনে খেলা হবে। নির্বাচনে খেলা হবে। মোকাবিলায় খেলা হবে। হাওয়া ভবনের বিরুদ্ধে খেলা হবে। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে খেলা হবে।

‘যারা সন্ত্রাস করে আওয়ামী লীগের ২১ হাজার নেতা-কর্মীকে হত্যা করেছে, হাজারো মায়ের কোল খালি করেছে, অগণিত স্ত্রীদের স্বামীহারা করেছে, বোনদের ভাইহারা করেছে, তাদের কোনো ক্ষমা নেই।’

আগামী ১০ ডিসেম্বর রাজধানীতে বিএনপির সম্ভাব্য সমাবেশের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আক্রমণ না করলে কোনো পাল্টা আক্রমণ করা হবে না। কিন্তু যদি আক্রমণের মতলব থাকে, তবে খবর আছে।’

এ সময় দেশের জনসাধারণকে আতঙ্কিত না হবার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা জনগণের পাশে আছি। জনগণকে নিয়েই আমরা এদের প্রতিহত করব।’

শেখ হাসিনার সরকারের সাফল্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বিশ্বের বহু দেশে দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। কিন্তু সে তুলনায় আমরা বাংলাদেশের জনগণ অনেক ভালো আছি। শেখ হাসিনা ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকে।’

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে নেত্রকোণা জেলা আওয়ামী লীগের আংশিক নতুন কমিটি ঘোষণা করেন ওবায়দুল কাদের। কমিটিতে অ্যাডভোকেট আমীরুল ইসলামকে সভাপতি এবং অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান লিটনকে (ভিপি লিটন) সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

মিথ্যাচার নিষিদ্ধ হলে বিএনপির অস্তিত্ব থাকবে না: কাদের
নেত্রকোণা জেলা আওয়ামী লীগের নতুন সভাপতি অ্যাডভোকেট আমীরুল ইসলাম (বাঁয়ে) ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান লিটনকে (ভিপি লিটন)

নেত্রকোণা জেলা আওয়ামী লীগের বিদায়ী সভাপতি মতিয়র রহমান খানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী খান খসরুর পরিচালনায় সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল এমপি, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য মারুফা আক্তার পপি, উপাধ্যক্ষ রেমন্ড আরেং, ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল বীর প্রতীক এমপি, হাবিবা রহমান খান শেফালী এমপিসহ অনেকেই।

সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘বিএনপি যতই বলুক না কেন, পৃথিবীর কোনো শক্তিই আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে পরাজিত ও ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবে না। বিএনপির শাসনামলে গণতন্ত্র ছিল বিপন্ন। অর্থনীতি ছিল ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। তারা আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতা-কর্মী ও বহু হিন্দু পরিবারের ধনসম্পদ লুণ্ঠন করেছে, বাড়িতে আগুন দিয়েছে, অত্যাচার করেছে।’

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বিএনপি ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। সে পদ্ধতিতে আর নির্বাচনের সুযোগ নেই। সারা বিশ্বে যে পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়, সে পদ্ধতিতেই দেশের সংবিধান অনুসারে বাংলাদেশের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। '৭১, '৭৫ এবং ২১ আগস্টের খুনিদের আর বাংলার মাটিতে ঠাঁই হবে না।

আরও পড়ুন:
বিএনপির এবার টানেলের জ্বালা: কাদের
কাদেরের কাছে ক্ষমা চাইলেন একরাম
বিএনপির পতন অনিবার্য: কাদের
ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে অপশক্তি মাঠে নেমেছে: ওবায়দুল কাদের
খেলার নিয়ম ভঙ্গ করলে বিএনপির খবর আছে: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
10 people in the fight for the post of mayor in Rangpur

রংপুরে মেয়র পদে লড়াইয়ে ১০ জন

রংপুরে মেয়র পদে লড়াইয়ে ১০ জন রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) ভবনের ফটক। ছবি: সংগৃহীত
রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল বাতেন জানান, মঙ্গলবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত মেয়র পদে ১০ জন, সংরক্ষিত কাউন্সিলরের ১১ পদের বিপরীতে ৬৯ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলরের ৩৩ পদের বিপরীতে ১৯৮ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে লড়তে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১০ জন।

মঙ্গলবার ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন। বিকেল ৪টা পর্যন্ত মেয়র পদে ১০ জন, সংরক্ষিত কাউন্সিলরের ১১ পদের বিপরীতে ৬৯ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলরের ৩৩ পদের বিপরীতে ১৯৮ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

বিকেলে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল বাতেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, মেয়র পদে মনোয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১০ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরুজ্জামান পিয়াল, জাসদের শফিয়ার রহমান।

এ ছাড়াও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আতাউর জামান বাবু, খেলাফত মজলিশের তৌহিদুর রহমান মণ্ডল, জাকের পার্টির খোরশেদ আলম এবং ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি লতিফুর রহমান মিলন, মেহেদী হাসান বনি, আবু রায়হান মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

মনোনয়নপত্র নিয়েও জমা দেননি জাপার বহিষ্কৃত নেতা এ কে এম আব্দুর রউফ মানিক, শ্রমিক লীগ নেতা এম এ মজিদ ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা মাহবুবার রহমান বেলাল।

তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই ১ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ৮ ডিসেম্বর। প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে ৯ ডিসেম্বর।

রংপুর সিটি করপোরেশনের তৃতীয়বারের নির্বাচন ২৭ ডিসেম্বর।

আরও পড়ুন:
রংপুর সিটিতে সুন্দর ভোট আয়োজনে কোনো ছাড় দেবে না ইসি
রসিক নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন ২৯ নভেম্বর
রংপুর সিটিতে ভোট ২৭ ডিসেম্বর
রংপুরে সমাবেশের মঞ্চে ফখরুল
রংপুরে বিএনপির সমাবেশ শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chhatra League conference has gone ahead to give chance to BNP

‘বিএনপিকে সুযোগ দিতে এগোনো হয়েছে ছাত্রলীগের সম্মেলন’

‘বিএনপিকে সুযোগ দিতে এগোনো হয়েছে ছাত্রলীগের সম্মেলন’ বিএনপিকে সমাবেশের সুযোগ দিতে ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ এগিয়ে আনার কথা জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘কোনো সম্মেলনের তারিখ পিছিয়ে দেওয়া সহজ কিন্তু এগিয়ে আনা সহজ নয়। তারপরেও বিএনপির জন্য আওয়ামী লীগ সেটি করেছে। শুধু তা-ই নয়, বিএনপি তো নির্বিঘ্নে সারা দেশে সমাবেশ করছে।’

বিএনপিকে রাজধানীতে সমাবেশের সুযোগ করে দিতে ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ এগিয়ে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

সচিবালয়ে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রলীগের সম্মেলন ৮ তারিখের পরিবর্তে এগিয়ে এনে ৬ তারিখ করেছেন। যাতে সেই মঞ্চ, প্যান্ডেল গুটিয়ে ফেলার পর বিএনপি সময় নিয়ে মঞ্চ এবং তাদের প্যান্ডেল নির্মাণ করতে পারে।

‘কোনো সম্মেলনের তারিখ পিছিয়ে দেওয়া সহজ কিন্তু এগিয়ে আনা সহজ নয়। তারপরও বিএনপির জন্য আওয়ামী লীগ সেটি করেছে। শুধু তা-ই নয়, বিএনপি তো নির্বিঘ্নে সারা দেশে সমাবেশ করছে।’

বিএনপি সরকারের সময়ে আওয়ামী লীগের ওপর ব্যাপক নির্মমতা চালানো হয়েছে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যখন সমাবেশ করতাম আমাদের ওপর গ্রেনেড হামলা, বোমা হামলা, বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালিয়ে মানুষ হত্যা করা হয়েছে। আমাদের দলীয় কার্যালয়ের দুই পাশে কাঁটাতারের বেড়া দেয়া ছিল, সহজে আমাদের সমাবেশ করতে দেয়া হতো না। রাসেল স্কয়ারে আমরা ২০ জন নিয়ে দাঁড়ালে পুলিশ লাঠিপেটা করত।

‘তাদের (বিএনপি) আমলে যেভাবে আমাদের প্রয়াত নেতা মো. নাসিমকে পুলিশ লাঠিপেটা করেছিল, আমাদের অন্যতম জ্যেষ্ঠ নেতা মতিয়া চৌধুরীকে টানাহেঁচড়া করেছিল, আমিও পুলিশের লাঠিপেটা খেয়েছি, এভাবে তাদের কোনো নেতাকে আমাদের ১৪ বছরের আমলে এসবের শিকার হতে হয়নি।’

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মঙ্গলবার এক চিঠিতে বিএনপিকে ১০ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি দেয়ার বিষয়টি জানায়। অবশ্য বিএনপি নেতারা বলছেন তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নয়, নয়াপল্টনেই সমাবেশ করতে অনড় অবস্থানে আছেন।

আরও পড়ুন: সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশের অনুমতি, পল্টনে অনড় বিএনপি

এ বিষয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ঢাকায় বিএনপির নির্বিঘ্ন সমাবেশের সুবিধার্থে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ দেয়ার কথা বলা এবং সেখানে ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ এগিয়ে আনা হয়েছে। এরপরেও তারা যদি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে চায়, বাড়াবাড়ি করা হয়, তাহলে সরকার যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে।’

বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘এ দেশে জঙ্গিদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হচ্ছে বিএনপি, তাদের কারণেই জঙ্গিদের উত্থান ঘটেছে। সাম্প্রতিক সময়ে জঙ্গিদের যে অপতৎপরতা দেখতে পাচ্ছি এর সঙ্গেও বিএনপির অপতৎপরতা একই সূত্রে গাঁথা।’

‘বাংলা ভাইকে মাঠে নামিয়েছিল বিএনপি। তখন বাংলা ভাইকে পুলিশ প্রটেকশন দেয়া হয়েছিল। এর নেপথ্যে গডফাদার ছিলেন রুহুল কুদ্দুস দুলু, রাজশাহীর সাবেক মেয়র মিনু, আলমগীর কবির, নাদিম মোস্তফা, ব্যারিস্টার আমিনুল হকসহ আরও অনেকে। এভাবেই জঙ্গিগোষ্ঠীর উত্থান ও বিস্তৃতি ঘটিয়েছিল বিএনপি। তাদের সময়েই ৫০০ জায়গায় বোমা ফাটিয়ে জঙ্গিরা অস্তিত্ব জানান দিয়েছে, যার বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপি সারা দেশে সমাবেশের নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছে এবং দেশে একটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। একই সঙ্গে দেখা যাচ্ছে জঙ্গিরাও আগের তুলনায় তৎপর হচ্ছে। এ দেশের জঙ্গিগোষ্ঠী, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর প্রধান পৃষ্ঠপোষক হচ্ছে বিএনপি।’

আরও পড়ুন:
পিরোজপুরে ৭ বছর পর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন
দুধ দিয়ে গোসল করে ভাইরাল ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম
তাজউদ্দীনকন্যা রিমি আ.লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য
মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে চুমকি ও শিলা
হঠাৎ আলোচনায় এসেই অগোচরে সোহেল তাজ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
EC officials announced strike on various demands including NID

এনআইডিসহ বিভিন্ন দাবিতে কর্মবিরতির ঘোষণা ইসি কর্মকর্তাদের

এনআইডিসহ বিভিন্ন দাবিতে কর্মবিরতির ঘোষণা ইসি কর্মকর্তাদের মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইসি সচিব জাহাংগীর আলম সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ছবি: নিউজবাংলা
দাবি আদায়ে ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপ না এলে পরদিন থেকে কালোব্যাজ ধারণ এবং ৮ ডিসেম্বর থেকে অর্ধদিবস কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন। তারপরও কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

জাতীয় পরিচয়পত্রের কর্তৃত্ব ধরে রাখাসহ বেশকিছু দাবিতে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন। ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে ‌এ বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না এলে পরদিন থেকে কালোব্যাজ ধারণ এবং ৮ ডিসেম্বর থেকে অর্ধদিবস কর্মবিরতির ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সংগঠনটি।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রথমে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব জাহাংগীর আলম ও পরে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে জমা দেয়া এক চিঠিতে সংগঠনটির পক্ষে থেকে এমন কর্মসূচির কথা জানানো হয়।

ইসি সচিব সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন ২৬ নভেম্বর একটি মিটিং করেছে। সেই মিটিংয়ে নেয়া সিদ্ধান্তগুলো তারা আমাদেরকে জানিয়েছে। পর্যায়ক্রমে তারা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং বিভাগকে এসব সিদ্ধান্ত জানাবে।’

তিনি বলেন, ‘অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন বেশকিছু দাবি তুলে ধরেছে। প্রথম হচ্ছে, কমিশনে তাদের শূন্য পদগুলো পূরণ করা। এক্ষেত্রে আমরা মনে করি, যারা যোগ্যতা অর্জন করবেন তাদেরকে চাকরি বিধি অনুযায়ী শূন্য পদগুলোতে পদোন্নতি প্রদান এবং শূন্য পদগুলো পূরণ করাটা যৌক্তিক হবে। আমরা অবশ্যই কমিশনের মাধ্যমে তাদেরকে পদোন্নতি এবং শূন্য পদ পূরণে উদ্যোগ নেব।’

জাহাংগীর আলম বলেন, ‘দ্বিতীয় বিষয়টি হচ্ছে ইভিএম-এর লজিস্টিক ইত্যাদি বিষয় দৃশ্যমান করা। এজন্য একটি প্রকল্প প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। সেটি একনেকে উঠবে। তারা অনুমোদন দিলে তখন এ বিষয়ে বলা যাবে।

‘একনেকে অনুমোদনের আগে কোনো কিছু বলা যৌক্তিক হবে না। এটা আমাদেরই প্রকল্প। যখন একনেকে অনুমোদন হবে তখনই আমরা বলতে পারব যে আমাদের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে তারা কী দিল আর কী দিল না।’

সাংগঠনিক কাঠামোর প্রসঙ্গ টেনে ইসি সচিব বলেন, ‘অনেক পদ সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু সেটা সাংগঠনিক কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এটির কার্যক্রম চলমান। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে যে কমিটি আছে সেখানে বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। এরপর এটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যাবে। মন্ত্রণালয়ের ভেটিং সাপেক্ষে এটি যাবে অর্থ মন্ত্রণালয়ে। অর্থ মন্ত্রণালয় মিটিং করে সামারি অ্যাপ্রুভ করলে পদগুলোর অন্যান্য কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। এটি চলমান প্রক্রিয়া এবং সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।’

এনআইডির বিষয়টি সরকারি সিদ্ধান্ত জানিয়ে ইসি সচিব বলেন, ‘ইতোমধ্যে কমিশন তার বক্তব্য স্পষ্ট করেছে। সরকার যেটা বাস্তবায়ন করবে আমাদেরও সেটাই করতে হবে। এসোসিয়েশনের কর্মকর্তারাও এর সঙ্গে একমত।’

দাবি না মানলে কালো বেশ ধারণসহ নানা কর্মসূচি দিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন। তাদের বেঁধে দেয়া সময়সীমা রোববারের মধ্যে দাবিগুলো পূরণ করা সম্ভব কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘এটা যারা দাবি করেছে তারাই বলতে পারবে। আমি আগেই বলেছি এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। ইভিএম-এর বিষয়টিও একনেক হয়ে আসতে হবে। রোববারের মধ্যে তা কীভাবে সম্ভব? ‘অ্যাসোসিয়েশন তাদের মিটিংয়ে নেয়া সিদ্ধান্তগুলো আমাদেরকে অবহিত করেছে। এখন তাদের সিদ্ধান্তগুলো যৌক্তিক কিনা এটা আমি কীভাবে বলব?

‘পদগুলো যখন যেভাবে সৃষ্টি হয়েছে সেখানে বলা আছে, যতক্ষণ পর্যন্ত যোগ্য কর্মকর্তা না পাবেন ততক্ষণ পর্যন্ত প্রেষণে থাকবে। সুতরাং পথ সৃজনের আগে এর বাইরে তো কিছু করা হচ্ছে না।’

সচিব জাহাংগীর বলেন, ‘আমার কাজই হচ্ছে তাদের যৌক্তিক বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট জায়গায় উপস্থাপন করা এবং বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা। সে ক্ষেত্রে তাদের জন্য আমার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’ কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন কমিশনের কর্মকাণ্ডে অচলাবস্থার সৃষ্টি হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘দেখা যাক কী হয়।’

আরও পড়ুন:
ইসির প্রস্তাব উপেক্ষা: সরকারের একটি বক্তব্য চান সিইসি
আরপিওর সংশোধন: ইসিকে পাত্তা দিচ্ছে না সরকার
নিবন্ধনের শর্ত যাচাইয়ে নির্বাচন কমিশনের হোঁচট
জামায়াত-সংশ্লিষ্ট কেউ নিবন্ধন চাইলে যাচাই করে ব্যবস্থা
গাইবান্ধার মতো ভোট রংপুরে চায় না ইসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jamaat separation secret of BNP in two considerations

দুই বিবেচনায় জামায়াত-বিচ্ছেদ গোপন বিএনপির

দুই বিবেচনায় জামায়াত-বিচ্ছেদ গোপন বিএনপির ইফতার মাহফিলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে জামায়াতের সাবেক দুই আমির মতিউর রহমান নিজামী ও মকবুল আহমাদ। এর মধ্যে যুদ্ধাপরাধের দায়ে ২০১৬ সালে ফাঁসির দড়িতে ঝুলেছেন নিজামী। আর ২০২১ সালে হাসপাতালে মৃত্যু হয় মকবুলের। ছবি: সংগৃহীত
জামায়াতকে বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির আবার সম্ভাব্য জোটকে মোকাবিলায় পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা আছে। আবার জামায়াত জোটে থাকলে যুগপৎ আন্দোলনে অন্য দলগুলোকে কাছে পাওয়ার বাসনাও পূরণ হওয়া নিয়ে আছে অনিশ্চয়তা। এর অংশ হিসেবেই দলটি থেকে দূরত্ব রাখার কৌশল আছে।

বিএনপির সঙ্গে জোট নেই, দলের নেতা-কর্মীদের জানিয়ে দিয়েছেন জামায়াতের আমির। কিন্তু ‘রা’ নেই বিএনপির মুখে। এর মধ্যে রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির বর্জনের মুখেও জামায়াতের প্রার্থী দেয়ার মধ্যে রাজনৈতিক সমীকরণটাও স্পষ্ট। তবু সম্পর্ক স্পষ্ট করছে না বিএনপি। কেবল দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, এখন থেকে বিএনপি-জামায়াত আর নয়।

কেবল জামায়াত নয়, ২০-দলীয় জোটের বেশির ভাগ শরিকের সঙ্গেই বিএনপির যোগাযোগ একেবারে তলানিতে। যুগপৎ আন্দোলনের পরিকল্পনার কথা বলে গত জুলাই থেকে রাজপথে কর্মসূচি বাড়িয়ে কেবল শরিকদের নয়, যাদের সঙ্গে সংলাপ, তাদেরও ডাকছে না দলটি।

কেন জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি বিএনপি স্পষ্ট করে না, এমন প্রশ্নে ২০-দলীয় জোটের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘১০ ডিসেম্বরের পর এসব নিয়ে প্রশ্ন করেন। এখন আমরা অনেক ব্যস্ত আছি।’

বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বললে তারাও নিশ্চিত করেন, জামায়াতের সঙ্গে এখন কোনো পর্যায়ে রাজনৈতিক যোগাযোগ নেই। এমনকি বিএনপি বিভিন্ন দল ও জোটের শরিকদের সঙ্গেও যুগপৎ আন্দোলন নিয়ে যে সংলাপ করেছে, সেখানেও ডাকা হয়নি জামায়াতকে।

এর মধ্যে গত আগস্টের শেষে কুমিল্লা জামায়াতের একটি রুকন সম্মেলনে ভার্চ্যুয়ালি যোগ দিয়ে দলটির আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা এতদিন একটা জোটের সঙ্গে ছিলাম। আপনারা শুনে হয়তো ভাবছেন কী হয়েছে এখন। হ্যাঁ, হয়ে গেছে।’

বিএনপির প্রতি দোষ দিয়ে তিনি বলেন, ‘এই বিষয়টি এখন আমাদের কাছে স্পষ্ট, দিবালোকের মতো পরিষ্কার এবং তারা আমাদের সঙ্গে বসে এটা স্বীকার করেছে। …বছরের পর বছর এই ধরনের অকার্যকর জোট চলতে পারে না।…একটা জোটের সঙ্গে কি কেয়ামত পর্যন্ত থাকব?... কোনো অ্যালায়েন্স আপনারা করবেন না, বাস্তবতাও নাই, পারবেনও না।’

বিএনপির পক্ষ থেকে এই বক্তব্যের বিপরীতে কোনো জবাব দেয়া হয়নি। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এ বিষয়ে তারা কিছুই বলবেন না। সাংবাদিকদের প্রশ্নে এ-ও বলেছেন, কিছু না বলতে চাওয়া তার গণতান্ত্রিক অধিকার।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ করে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জোট ভেঙে গেছে অনেক আগেই। নানা প্রতিকূলতা আর সিদ্ধান্তহীনতার কারণে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হচ্ছে না।’

কী সেই প্রতিকূলতা আর সিদ্ধান্তহীনতা?- এই প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘প্রতিকূলতা বলতে দলের সিদ্ধান্তহীনতার কথাই বলছি। সেটা বিএনপিরও হতে পারে, জামায়াতেরও হতে পারে। এটা তো খোলাসা করে বলা মুশকিল।’

তবে এই সিদ্ধান্তহীনতা দূর হবে- এমন প্রশ্নে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এই নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তই হয়নি।’

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য জমির উদ্দিন সরকার বলেন, ‘জোট আনুষ্ঠানিকভাবে ভেঙে দেয়া হয়নি, ফলে এখনও আছে।

‘সংলাপে জোটের শরিক দলগুলো একমত হয়েছে, তারা যুগপৎ আন্দোলনটা শুরু করবে। যার যার অবস্থান থেকে আন্দোলন শুরু হয়ে চলতে থাকবে। যারা আন্তরিকতার সঙ্গে সেই আন্দোলনে থাকবে, তারা কোনো একপর্যায়ে গিয়ে আবার ঐক্যবদ্ধ হবে কি না সেটা এখনই বলা যাবে না। আন্দোলনের গতি-প্রকৃতির ওপর সেটা নির্ভর করবে।’

দুই বিবেচনায় জামায়াত-বিচ্ছেদ গোপন বিএনপির
২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে সে সময়ের চারদলীয় জোটের নেতারা এক মঞ্চে। ফাইল ছবি

বিএনপির না হয় নানা হিসেবনিকেশ। রংপুরে প্রার্থী দিয়ে বিএনপির সঙ্গে মতভিন্নতা স্পষ্ট করার পরও জামায়াতের গোপনীয়তার কী বাকি- এমন প্রশ্ন নিয়ে দলটির মুখপাত্র মতিউর রহমান আকন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করে হতাশ হতে হয়।

নারী কণ্ঠে প্রশ্ন শুনে তিনি কথা বলতেই চাননি। পরে অন্য একজনকে দিয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি জোট নয়, কথা বলেন যুগপৎ আন্দোলন নিয়ে।

তিনি বলেন, ‘যুগপৎ আন্দোলন চূড়ান্ত হলে আমাদের সঙ্গে (বিএনপির) সংলাপ হবে।’

বিএনপির ‘দুই ভয়’

ভোটের সমীকরণের হিসাবনিকাশের কারণে স্বাধীনতাবিরোধী দলটির সঙ্গে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়ে দেয়াও কঠিন। জামায়াতকে বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির আবার সম্ভাব্য জোটকে মোকাবিলায় পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা আছে। এ কারণে শেষ পর্যন্ত জোটের বিষয়ে ধোঁয়াশা রেখে দেয়ার একটি ভাবনা আছে।

জামায়াতের একটি ভোটব্যাংক আছে উত্তরাঞ্চল, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, উত্তর-পূর্ব ও চট্টগ্রাম বিভাগে। সব মিলিয়ে ৭০ থেকে ৮০টি আসনে ভোটের লড়াইয়ে বিএনপিকে সুবিধা এনে দেয় তা।

আবার জামায়াত জোটে থাকলে যুগপৎ আন্দোলনে অন্য দলগুলোকে কাছে পাওয়ার বাসনাও পূরণ হওয়া নিয়ে আছে অনিশ্চয়তা। এর অংশ হিসেবেই দলটি থেকে দূরত্ব রাখার কৌশল আছে।

২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনেই বিএনপি বিষয়টি নিয়ে ভুগেছে। ভোটের আগে আগে ভারতীয় একটি প্রভাবশালী দৈনিককে দেয়া সাক্ষাৎকারে বিএনপির জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রধান নেতা ড. কামাল হোসেন বলেছিলেন, জামায়াত জোটে আছে জানতে পারলে তারা বিএনপির সঙ্গে সম্পর্কই গড়তেন না।

এবারও বৃহত্তর বা যুগপৎ আন্দোলনের ক্ষেত্রে জামায়াত ইস্যু কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায় কি না, এই ভাবনা থেকে দলটির সঙ্গে কোনো প্রকাশ্য আলোচনায় যায়নি দলটি। যদিও গত আগস্টে এই জোট ভেঙে যাওয়ার কথা জানিয়ে কুমিল্লা ইউনিটের রুকন সম্মেলনে জামায়াত আমির শফিকুর রহমান বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে আপত্তি নেই তাদের।

ভোটের হিসাবনিকাশ

পাকিস্তান আমলে ১৯৭০ সালের নির্বাচন এবং স্বাধীন বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় নির্বাচনের ফল বিবেচনা করে দেখা যায়, জামায়াতে ইসলামীর ভোট ৫ থেকে ৭ শতাংশের মধ্যেই থাকে। এর মধ্যে ১৯৯১ সালেই কেবল তা লাফ দিয়েছিল, তবে সে সময় বিএনপির সঙ্গে অঘোষিত সমঝোতা একটি কারণ হতে পারে।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে ৬ শতাংশ ভোট পাওয়া জামায়াত মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের পক্ষে অস্ত্র ধরে যুদ্ধ শেষে নিষিদ্ধ হয়। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের শাসনামলে রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ পাওয়ার পর ১৯৮৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে তারা অংশ নেয়। সেই নির্বাচনে দলটি ভোট পায় ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। আসন পায় ১০টি।

বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সমঝোতায় ভোটের রাজনীতিতে কতটা প্রভাব পড়ে, সেটি বোঝা গেছে ১৯৯১ ও ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে।

এরশাদ পতনের পর প্রথমবারের ভোটে আওয়ামী লীগকে দ্বিতীয় অবস্থানে ঠেলে দিয়ে বিএনপির ক্ষমতায় আসা নিয়ে এখনও আলোচনা হয় যে, এটা কীভাবে হলো।

ওই নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের নায়েবে আমির মুজিবুর রহমানের লেখা একটি বইয়ের তথ্য বলছে, পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে জামায়াতকে অঘোষিতভাবে ৩৫ আসনে সমর্থন দেয় বিএনপি। আর বিএনপিকে শতাধিক আসনে ভোট দেয় দলটি।

সেই নির্বাচনে বিএনপি আসন পায় ১৪০টি, জামায়াত পায় ১৮টি। আর আওয়ামী লীগ পায় ৮৮ আসন।

ওই নির্বাচনে দুই প্রধান দলের ভোট ছিল একেবারেই কাছাকাছি। ধানের শীষ নিয়ে বিএনপি পায় মোট ভোটের ৩০ দশমিক ৮ শতাংশ। আর নৌকা নিয়ে আওয়ামী লীগ পায় ৩০ দশমিক ১০ শতাংশ।

জামায়াতের বাক্সে পড়ে ১২ দশমিক ১০ শতাংশ ভোট। দলটির রাজনৈতিক ইতিহাসে স্বাভাবিক হারের দ্বিগুণের বেশি ভোট পাওয়াতেই এটা স্পষ্ট হয় যে নেপথ্যে কিছু একটা ছিল।

২০০১ সালের অষ্টম সংসদ নির্বাচনে আনুষ্ঠানিক জোটই করে দল দুটি। সঙ্গে ছিল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টি থেকে বের হয়ে আসা একটি অংশ, যারা এরশাদ জোট ছাড়ার পরেও বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে থেকে যায়। একই সঙ্গে ছিল কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রিক দলগুলোর মোর্চা ইসলামী ঐক্যজোট।

এই সম্মিলিত শক্তিতে আওয়ামী লীগকে বলতে গেলে উড়িয়ে দেয় তারা। ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে এই জোট আসন পায় দুই শতাধিক, যার মধ্যে বিএনপি একাই পায় ১৯৩টি, জামায়াত পায় ১৭টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি বা বিজেপি পায় চারটি, ইসলামী ঐক্যজোট পায় দুটি আসন।

ওই বছর আওয়ামী লীগ আসন পায় ৬২টি। এর মধ্যে উপনির্বাচনে দলটি আরও চারটি আসন হারিয়ে ফেলে। শেষ পর্যন্ত আসন দাঁড়ায় ৫৮তে।

সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ভোটের পার্থক্য ছিল কম। বিএনপি পায় মোট ভোটের ৪১ দশমিক ৪০ শতাংশ। আর আওয়ামী লীগ পায় ৪০ দশমিক ০২ শতাংশ।

জামায়াতের আসন ১৭টি হলেও তাদের ভোট ছিল ৪ দশমিক ২৮ শতাংশ।

মাঝে ১৯৯৬ সালে যে দুইবার ভোট হয়, তার মধ্যে ১৫ ফেব্রুয়ারির ভোট আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির মতো বর্জন করে জামায়াতও। ওই বছরের ১২ জুন সব দল একক শক্তিতে যে নির্বাচন করে, তাতে জামায়াতের ভোট আবার কমে যায়।

ওই বছর মোট ভোটের ৩৭ দশমিক ৪০ শতাংশ পড়ে আওয়ামী লীগের বাক্সে। দলটি আসন পায় ১৪৬টি। বিএনপি ১১৬টি আসন পায়। মোট ভোটের ৩৩ দশমিক ৬০ শতাংশ পায় দলটি।

অর্থাৎ এই নির্বাচনেও যদি বিএনপি ও জামায়াতের সমঝোতা থাকত, তাহলে তারা আওয়ামী লীগের চেয়ে বেশি ভোট পেতে পারত। আর এরশাদ সরকারের পতনের পর যে দুটি নির্বাচনে বিএনপি ভোট কিছুটা বেশি পেয়েছে, দুটিতেই আসন অনেক বেশি নিয়ে সরকার গঠন করেছে।

২০০৮ সালের পর নতুন সমীকরণ

২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে তৈরি হয় নতুন সমীকরণ। ওই বছর আওয়ামী লীগও ভোটে নামে জোটের শক্তি নিয়ে। জাতীয় পার্টির একটি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ভোট যোগ হওয়ার পর বিএনপির জোট আর পাত্তা পায়নি।

এই নবম সংসদ নির্বাচনে ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগ আসন পায় ২৩০টি। এই ভোটের মধ্যে জাতীয় পার্টি ও অন্য শরিকদের সমর্থকদের অংশগ্রহণও ছিল।

আর বিএনপির ধানের শীষে ভোট পড়ে ৩২ দশমিক ৫০ শতাংশ। আসন হয় ৩০টি।

জোটের শক্তিতে বলীয়ান হয়ে জাতীয় পার্টিও পায় ২৭টি আসন। আওয়ামী লীগের ভোটাররাও লাঙ্গলে সিল দেয়ার পর দলটির ভোট দাঁড়ায় ৭ দশমিক ০৪ শতাংশ, যা ছিল আগের নির্বাচনের চেয়ে বেশি।

ওই নির্বাচনে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লায় ভোট পড়ে ৪ দশমিক ৭০ শতাংশ, যা আগের নির্বাচনের চেয়ে বেশি, তবে আসন কমে হয় দুটি।

দুই বিবেচনায় জামায়াত-বিচ্ছেদ গোপন বিএনপির
২০০৬ সালে পল্টনে লগি-বৈঠা হাতে থাকা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন প্রাণহানি হয়। সে সময় সরকারের পক্ষ থেকে কাঙ্ক্ষিত সহায়তা পায়নি জামায়াত। ফাইল ছবি

ঘোষণা দিয়ে বিএনপির জোট ছেড়েছে যারা

বিএনপি জোট থেকে গত কয়েক বছরে বের হয়ে গেছে বেশ কয়েকটি দল। এর মধ্যে রয়েছে প্রয়াত আবুল হাসনাত আমিনীর নেতৃত্বাধীন ইসলামী ঐক্যজোট, আন্দালিভ রহমান পার্থের বিজেপি, জেবেল রহমান গানির বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ, মুহম্মদ ইসহাকের নেতৃত্বাধীন খেলাফত মজলিস, প্রয়াত নূর হোসেন কাসেমীর জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এনডিপি ও হামদুল্লাহ আল মেহেদীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ লেবার পার্টি।

অবশ্য এই দলগুলো ২০-দলীয় জোট ছেড়ে গেলেও জোটে দলের সংখ্যা কমেনি একটিও। কারণ, যে দল জোট ছেড়েছে, সে দলের কয়েকজন নেতা একই নামে দল করে ২০-দলীয় জোটের শরিক হিসেবে থেকে গেছে।

আরও পড়ুন বিএনপির ওপর জামায়াত নাখোশ ‘তিন কারণে’

বিএনপি-জামায়াতের বিচ্ছেদে কতটা পাল্টাবে রাজনীতি

আরও পড়ুন:
ভালোয় ভালোয় কেটে পড়ুন: সরকারকে ফখরুল
চব্বিশে আমরা ক্ষমতায়: রুমিন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP adamant to change permission for rally in Suhrawardy

সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশের অনুমতি, পল্টনে অনড় বিএনপি

সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশের অনুমতি, পল্টনে অনড় বিএনপি নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপির সমাবেশ। ফাইল ছবি
বিএনপিকে ১০ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে ডিএমপি। এ ক্ষেত্রে ২৬টি শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নয়াপল্টনেই সমাবেশ আয়োজনে তারা অনড়।

রাজধানীতে আগামী ১০ ডিসেম্বর সমাবেশ আয়োজনের জন্য নয়াপল্টনের সড়ক পাচ্ছে না বিএনপি। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে দলটিকে শর্ত সাপেক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ আয়োজনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্স মঙ্গলবার বিএনপিকে চিঠি দিয়ে এই অনুমতি দেয়ার বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছে।

তবে বিএনপি নয়াপল্টনে সমাবেশ আয়োজনে অনড়। দলটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া না গেলেও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান দলের এমন অবস্থানের কথা জানিয়েছেন।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আমরা পল্টনে সমাবেশ করার সিদ্ধান্তেই আছি। এখন পর্যন্ত এটাই আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত। কেন আমরা সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশ করতে চাই না, সেটাও আপনাদের শিগগির জানিয়ে দেয়া হবে। কী কী কারণে আমরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান চাচ্ছি না তার বিস্তারিত আমরা তুলে ধরব।’

বিএনপির পক্ষ থেকে নয়াপল্টনে সমাবেশ আয়োজনের অনুমতি চেয়ে ডিএমপি কমিশনারের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। তবে সেখানে তাদের অনুমতি দেয়া হয়নি। অবশেষে দলটিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে উদ্দেশ করে লেখা চিঠিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ আয়োজনের অনুমতি দেয়ার উল্লেখ করে তাতে ২৬টি শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, এসব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে দলটি ১০ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে পারবে।

নয়াপল্টনে সমাবেশ আয়োজনের অনুমতি না দেয়ার কারণ হিসেবে যানজট ও জনভোগান্তি সৃষ্টির কথাও চিঠিতে তুলে ধরা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল অবশ্য কয়েকদিন আগেই এমন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে সে সময় বিএনপির পক্ষ থেকে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে যেকোনো মূল্যে সমাবেশ আয়োজনের ঘোষণা দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
সম্প্রীতির অনন্য উদাহরণ কুমিল্লার সমাবেশ
ভালোয় ভালোয় কেটে পড়ুন: সরকারকে ফখরুল
চব্বিশে আমরা ক্ষমতায়: রুমিন
রুমিনের সঙ্গে ছবি তুলতে কর্মীদের ধাক্কাধাক্কি
দল আমাকে বহিষ্কার করলেও বিএনপি ছাড়ব না: সাক্কু

মন্তব্য

p
উপরে