× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Chubby student in hospital with snake bite
hear-news
player
google_news print-icon

বিষধর সাপের ছোবলে হাসপাতালে চবি শিক্ষার্থী

বিষধর-সাপের-ছোবলে-হাসপাতালে-চবি-শিক্ষার্থী
আহত মারজান হোসাইন ঝুঁকিমুক্ত বলে জানিয়েছেন চবি ভেনম রিসার্চ সেন্টারের শিক্ষানবিশ গবেষক। ছবি নিউজবাংলা
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী ও ভেনম রিসার্চ সেন্টারের শিক্ষানবিশ গবেষক রফিক ইসলাম বলেন, ‘ছেলেটিকে বিষধর সবুজ বোড়া সাপ ছোবল দিয়েছে। তবে বিষের মাত্রা কম ছিল বলে মনে হচ্ছে, তাই এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা হয়নি। রাতেই তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে নিয়ে আসা হয়েছে। ডাক্তারদের পর্যবেক্ষণে তার চিকিৎসা চলছে। বর্তমানে সে নিরাপদ।’

বিষধর সাপের ছোবলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল হলসংলগ্ন একটি কটেজে রোববার রাত ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

প্রাণিবিদ্যা বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী ও ভেনম রিসার্চ সেন্টারের শিক্ষানবিশ গবেষক রফিক ইসলাম নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আহত ওই শিক্ষার্থীর নাম মারজান হোসাইন। তিনি রাজনীতি বিজ্ঞান ১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। তাকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আহতের সঙ্গে থাকা চবি প্রাণিবিদ্যা বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী ও ভেনম রিসার্চ সেন্টারের শিক্ষানবিশ গবেষক রফিক ইসলাম বলেন, ‘ছেলেটিকে বিষধর সবুজ বোড়া সাপ ছোবল দিয়েছে। তবে বিষের মাত্রা কম ছিল বলে মনে হচ্ছে, তাই এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা হয়নি। রাতেই তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে নিয়ে আসা হয়েছে। ডাক্তারদের পর্যবেক্ষণে তার চিকিৎসা চলছে। বর্তমানে সে নিরাপদ।’

এই গবেষক আরও বলেন, ‘সাপটির নাম সবুজ বোড়া, ইংরেজিতে এটিকে Green Pit Viper সাপ বলে। এটি বিষধর, এর বিষে অনেক সময় ব্লাড সেল নষ্ট হয়ে যায় এবং রক্ত চলাচলে সমস্যা হয়। তাই সাপ ছোবল দিলে শরীরে কোনো ধরনের বাঁধ দিতে নিষেধ করা হয়। মৃত্যুঝুঁকি কম থাকলেও এই সাপের কামড়ে অঙ্গহানি ও অতিরিক্ত রক্তপাত ঘটতে পারে।

‘সবুজ বোড়া সাপের নির্দিষ্ট কোনো এন্টি ভেনম নেই। এর চিকিৎসা অন্য উপায়ে (এন্টিবায়োটিক দিয়ে) করা হয়।’

আরও পড়ুন:
‘মুরগি চোর’ কোলে নিয়ে ক্ষতিপূরণ দাবিতে বনদপ্তরে কৃষক
সাপের ছোবলে প্রাণ গেল স্কুলছাত্রীর
চবিতে ১০ ফুট লম্বা অজগর
ভাইয়ের শেষকৃত্যে এসে তারও মৃত্যু সাপের ছোবলে
সাপের ছোবলে প্রাণ গেল ২ মাদ্রাসাছাত্রের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Shall we eat lollipops to occupy Dhaka Obaidul Quader

ঢাকা দখল করবেন, আমরা কি ললিপপ খাব: ওবায়দুল কাদের

ঢাকা দখল করবেন, আমরা কি ললিপপ খাব: ওবায়দুল কাদের শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলনে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
ওবায়দুল কাদের বলেন- ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের কমিটি এক সঙ্গে ঘোষণা করা হবে।

১০ ডিসেম্বরের সমাবেশের পর বিএনপি দেশে অরাজকতা ও বিশৃঙ্খল পরিবেশের সৃষ্টি করবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘আমি খবর পেয়েছি আজ বিএনপির রাজশাহীর সমাবেশ সুপার ফ্লপ হয়েছে। ফখরুল এখন হুংকার ছাড়ছেন। ১০ ডিসেম্বর যখন চলে যাবে, জানি অবরোধ দেবেন, জানি ধর্মঘট দেবেন, জানি আবারও আগুন-সন্ত্রাস শুরু করবেন। জানি আবারও লাঠিখেলা করবেন, ঢাকা দখল করবেন। তবে আমরা কি বসে থাকবো? দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ললিপপ খাবো?’

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার সামনে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘তারেক রহমান লন্ডনের টেমস নদীর তীর থেকে বাণী পাঠাচ্ছে; আর দেশে বসে ফখরুল হুংকার ছাড়ছেন। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাবে, মন্ত্রীরা সবাই দেশ ত্যাগ করবে, এসব কথা ছড়ানো হচ্ছে, তবে কখনো তা হবে না।

আওয়ামী লীগ কাউকে ভয় পায় না। শেখ হাসিনা আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পায় না। আওয়ামী লীগ ভয় পায় আপনাদের আগুন সন্ত্রাস, লাঠি নিয়ে খেলাধুলাকে। সেই বদ মতলব আপনাদের আছে। সে জন্যই আপনাদের পল্টন দরকার।’

সমাবেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যারা ভোট চুরি করে তারাই আবার ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার কথা বলে। তবে গ্রামের নিরীহ মানুষ এখন বলে বিএনপি থেকে সাবধান। বিএনপিকে কেউ বিশ্বাস করে না।’

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর হবে না। সংবিধান পরিবর্তন করার কোনো সুযোগ নেই। সংবিধানকে অনেক কচুকাটা করেছেন। আইন করে বঙ্গবন্ধু হত্যার ঘাতকদের বিচার বন্ধ করেছিলেন। সংবিধানে হাত দেওয়ার অধিকার কারো নেই। কাজেই তত্ত্বাবধায়ক দিবা স্বপ্ন; রঙিন খোয়াব দেখে লাভ নেই।’

পল্টনে সমাবেশ করার বিএনপির দাবির বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি কেন সোহরাওয়ার্দী মাঠকে বাদ দিয়ে পল্টনে জনসভা করতে চায়? তার কারণ আমরা সবাই জানি। গত নির্বাচনের আগেওতো বেগম জিয়া এখানে মিটিং করেছেন।

কিন্তু ফখরুল সাহেব, আপনি কেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে চান না? ধরা পরে গেছে, ধরা পড়ে গেছে! স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আপনার মধ্যে নেই, তা আবারো প্রমাণিত হলো। এ কারণেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে চাইছেন না।’

এ সময় গণমাধ্যমের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমরা এত বড় বড় জনসভা করি, কিন্তু কিছু মিডিয়া ওভাবে নিউজ দেয় না। কিন্তু ফখরুল দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিলে পুরো ছবিসহ কাভারেজ পান। যারা আমাদের পছন্দ করেন না, তাদেরকে বলেছি- আমরা বেশি চাই না। আমাদের ন্যায্য কাভারেজ দিন।’

দীর্ঘ চার বছর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিকেল সাড়ে ৩টায় ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় উপস্থিত হলে দলীয় সংগীত এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে দেশ এবং দলের পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর গান এবং নৃত্য পরিবেশন শেষে আল নাহিয়ান জয় সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, প্রতি দুই বছর পর পর সম্মেলনের কথা থাকলেও করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘ সাড়ে চার বছর পর ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। ফলে সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা দেখা যায়।

সারাদিন পুরো ক্যাম্পাসে ছিল সাজ সাজ রব; আর উৎসবের আমেজ। দীর্ঘ প্রতিক্ষিত এ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য এবং ঢাবি ছাত্রলীগ সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন।

এবার ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ এই ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ২৪৫ জন নেতা-কর্মী জীবন বৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন।

ঢাবি ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কমিটি, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কমিটি এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রলীগের কমিটি এক সঙ্গে ঘোষণা করা হবে।

আরও পড়ুন:
দুর্নীতি ও ভোট চুরির বিরুদ্ধে খেলা হবে: ওবায়দুল কাদের
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ভয় পায় বিএনপি: ওবায়দুল কাদের
সম্মেলনে বিশৃঙ্খলায় ছাত্রলীগ, ক্ষোভ কাদেরের
বিএনপির খবর আছে: কাদের
সরকার পতনের হাঁকডাক দিয়ে লাভ নেই: ওবায়দুল কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Inauguration of special classroom for disabled students in Jabi

জাবিতে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পাঠকক্ষ উদ্বোধন

জাবিতে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পাঠকক্ষ উদ্বোধন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের নিচতলায় দুই কক্ষের বিশেষ পাঠকক্ষ উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলম। ছবি: নিউজবাংলা
শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের নিচতলায় দুই কক্ষের এই বিশেষ পাঠকক্ষ উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলম। তিনি বলেন, ‘নবনির্মিত আবাসিক হল এবং একাডেমিক ভবনগুলোতে তাদের চলাফেরার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা রয়েছে। তাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির আরও পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবসে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য দুটি বিশেষ পাঠকক্ষ উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের নিচতলায় দুই কক্ষের এই বিশেষ পাঠকক্ষ উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলম। ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (পিডিএফ) জাবি শাখা এ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলম বলেন, ‘প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের চলাফেরা এবং তাদের উপযোগী পরিবেশ গড়ে তুলতে নানা ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। নবনির্মিত আবাসিক হল এবং একাডেমিক ভবনগুলোতে তাদের চলাফেরার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা রয়েছে। তাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির আরও পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

কেক ও ফিতা কেটে পাঠকক্ষের উদ্বোধনের পর কক্ষ দুটি ঘুরে দেখেন উপাচার্য। এ সময় তিনি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। একই সঙ্গে প্রতিবন্ধীবান্ধব ক্যাম্পাস গঠনে তাদের আশ্বস্ত করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ সুযোগ সৃষ্টি করায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ্ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী অহেদুর রহমান বলেন, ‘গ্রন্থাগারে এতো দিন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পরিবেশ ছিল না। আজ গ্রন্থাগারে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পাঠাগার কক্ষের উদ্বোধন করায় ভীষণ ভালো লাগছে। এখন ইচ্ছে হলে গ্রন্থাগারে এসে পড়ালেখা করতে পারব। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী বান্ধব অনেক সুযোগ-সুবিধা আছে। তবে এ সুযোগ-সুবিধা আরও বৃদ্ধি করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আমি আশা করি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে আরও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।’

অনুষ্ঠানে গ্রন্থাগারের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক অধ্যাপক ড. এম শামীম কায়সার বলেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের কল্যাণে পরিচালিত ডাইভার্সএশিয়া প্রকল্পের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়ক পরিবেশ গড়ে তোলাসহ নানান ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক, রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ, ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. এ এ মামুন, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. এ টি এম আতিকুর রহমান, গ্রন্থাগারের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ হানিফ আলী প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
জাবির প্রজাপতি মেলায় একঝাঁক শিশু
জাবিতে ‘প্রফেসর ড. হাফিজা খাতুন স্বর্ণপদক’ চালু
জাবিতে ‘প্রজাপতি মেলা’ এবার ২ ডিসেম্বর
মসজিদ নির্মাণের দাবিতে জাবিতে মানববন্ধন
ছাত্রকে থাপ্পড় দেয়া জাবির ২ ছাত্রীর বহিষ্কারাদেশ অবৈধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The primary scholarship exam has resumed

প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা ফের চালু

প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা ফের চালু পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা হবে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে। ফাইল ছবি
সব শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ থাকবে না। মোট শিক্ষার্থীর ১০ শতাংশ হিসাব করে কেন্দ্রের সংখ্যা নির্ধারণ করে ৬ ডিসেম্বরের মধ্যে তথ্য পাঠাতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে। ২০০৮ সালে সবশেষ এই পরীক্ষা হয়েছিল।

পরের বছর পঞ্চম শ্রেণিতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা চালু হলে বাদ হয়ে যায় প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা। তবে গত ২৮ নভেম্বর আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় আবার এ পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের সই করা এক অফিস আদেশ এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে মেধাবৃত্তি প্রদানের বিকল্প মেধা যাচাই পদ্ধতিবিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা হয়েছে। এতে বর্তমানে প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রাথমিক বৃত্তি অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত হয়। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে বৃত্তি পরীক্ষা নিতে হবে। এ পরীক্ষা উপজেলা সদরে অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলা, ইংরেজি, বিজ্ঞান ও গণিত এই চার বিষয়ে এক দিনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দুই ঘণ্টায় শিক্ষার্থীদের ২০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। তবে সব শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ থাকবে না। মোট শিক্ষার্থীর ১০ শতাংশ হিসাব করে কেন্দ্রের সংখ্যা নির্ধারণ করে ৬ ডিসেম্বরের মধ্যে তথ্য পাঠাতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

২০০৯ সালে জাতীয়ভাবে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য পিইসি পরীক্ষা শুরু করে সরকার। এরপর থেকে এর ফলের ভিত্তিতেই বৃত্তি দেয়া হতো। করোনা সংক্রমণের কারণে গত দুই বছর পিইসি পরীক্ষা হয়নি। ফলে দেয়া হয়নি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি।

নতুন শিক্ষাক্রমে অবশ্য বৃত্তি পরীক্ষার উল্লেখ নেই। একেবারে দশম শ্রেণিতে গিয়ে পাবলিক পরীক্ষা (এসএসসি ও সমমান) নেয়ার কথা বলা হয়েছে। আগামী বছর থেকে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন শুরু হবে।

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল ১৪ ডিসেম্বর
বন্যাকবলিত এলাকায় প্রাথমিকে পাঠদান স্থগিত
৪১ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওয়াইফাই ইন্টারনেট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Demand to ban foreign vehicles in Dhaka University

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগত গাড়ি বন্ধের দাবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগত গাড়ি বন্ধের দাবি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে শনিবার দুপুরে মানববন্ধন করে নিরাপদ সড়ক চাই। ছবি: নিউজবাংলা
‘বহিরাগত যান যেন ক্যাম্পাসের ভেতর দিয়ে চলাচল না করে- বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত সেই ব্যবস্থা করা। এই ধরনের ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই ব্যবস্থা নিতে হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বহিরাগত সব যান চলাচল বন্ধের দাবি জানিয়েছে নিরাপদ সড়ক চাই।

শনিবার দুপুর ১২টার দিকে ক্যাম্পাসের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে মানববন্ধন শেষে সমাবেশে এ দাবি জানায় সংগঠনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষকের গাড়ির চাপায় এক নারীর মৃত্যুর ঘটনায় কর্মসূচি দেয় নিরাপদ সড়ক চাই।

‘বহিরাগত গাড়ি ক্যাম্পাসে চলাচল বন্ধ চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড তুলে প্রতিবাদ জানান তারা।

সমাবেশে নিরাপদ সড়ক চাই এর ঢাবি শাখার সভাপতি রিফাত জাহান শাওন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় আর বিশ্ববিদ্যালয় নেই, এটা একটা পার্কে পরিণত হচ্ছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় যেন পার্কে পরিণত না হয়।

‘বহিরাগত যান যেন ক্যাম্পাসের ভেতর দিয়ে চলাচল না করে- বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত সেই ব্যবস্থা করা। এই ধরনের ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই ব্যবস্থা নিতে হবে।’

আরও পড়ুন:
৮০ শতাংশ গাড়ি আসে মোংলা বন্দর দিয়ে: বারবিডা 
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসবেন তাই সরলো বাবরের সেই গাড়ি
বিলাস দ্রব্যের তালিকা থেকে গাড়িকে বাদ দেয়ার দাবি
গাজীপুরে ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণ: দগ্ধ আরেকজনের মৃত্যু
গাজীপুরে ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণ: দগ্ধ একজনের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Zabir Prajapati Mela is vibrant with childrens colors

জাবির প্রজাপতি মেলায় একঝাঁক শিশু

জাবির প্রজাপতি মেলায় একঝাঁক শিশু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রজাপতির মেলায় প্রজাপতি দেখছে শিশুরা। ছবি: নিউজবাংলা
২০১০ সাল থেকে প্রতিবছর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রজাপতি মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রজাপতি সংরক্ষণ ও জনসচেতনতা বাড়াতে এই মেলার আয়োজন করা হয়।

কেউ জীবন্ত প্রজাপতি দেখছে, কেউ বা আবার শরীরে আঁকছে প্রজাপতির আল্পনা। কেউ কেউ রং-তুলিতে আঁকছে প্রজাপতির রঙিন ছবি। এভাবেই শিশুদের পদচারণায় প্রাণবন্ত ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজাপতি মেলা।

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের আয়োজনে জহির রায়হান অডিটোরিয়ামের সামনে শুরু হওয়া এ মেলা চলে বিকেল পর্যন্ত।

মেলার উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য শেখ মনজুরুল হক। তিনি বলেন, ‘প্রজাপতি সংরক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। বর্তমানে এই ক্যাম্পাসে প্রজাপতির সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে বলেও শোনা যাচ্ছে। আমরা চিন্তা করছি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা নির্দিষ্ট জায়গাকে শুধুমাত্র প্রজাপতির জন্য নির্দিষ্ট করে দেয়া যায় কি-না।’

জাবির প্রজাপতি মেলায় একঝাঁক শিশু

এবারের মেলায় ছিল জীবন্ত প্রজাপতি প্রদর্শনী, প্রজাপতির হাট দর্শন, শিশু-কিশোরদের জন্য প্রজাপতি নিয়ে ছবি আঁকা ও কুইজ প্রতিযোগিতা, প্রজাপতি বিষয়ক আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী, প্রজাপতি চেনা প্রতিযোগিতা, প্রজাপতির আদলে তৈরি ঘুড়ি ওড়ানোর প্রতিযোগিতা, বারোয়ারি বিতর্ক প্রতিযোগিতা, প্রজাপতি বিষয়ক তথ্যচিত্র প্রদর্শন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

প্রকৃতি সংরক্ষণে সার্বিক অবদানের জন্য এবারের প্রজাপতি মেলায় ‘তরুপল্লব’ সংগঠনকে ‘বাটারফ্লাই অ্যাওয়ার্ড-২০২২’ দেয়া হয়। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী দীপ্ত বিশ্বাসকে দেয়া হয় ‘বাটারফ্লাই ইয়াং ইনথুজিয়াস্ট’ অ্যাওয়ার্ড।

বাবার সঙ্গে রাজধানীর শ্যামলী থেকে মেলা দেখতে আসা নার্সারিতে পড়া আদিন আহমেদ। সে নিউজবাংলাকে বলে, ‘বাবার সঙ্গে মেলায় ঘুরতে এসেছি। অনেক রঙের প্রজাপতি দেখেছি, চিত্র এঁকেছি। মেলায় এসে আমার ভাল্লাগছে।’

মেলার আহ্বায়ক প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘একটা সময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রজাপতি ছিল ১১০ প্রকার। এখন সে সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৫২টিতে। প্রাণ-প্রকৃতির প্রতি গণসচেতনতা বাড়ানো এবারের প্রজাপতি মেলার অন্যতম উদ্দেশ্য। মানুষের প্রকৃতির প্রতি, প্রজাপতির প্রতি সচেতন হওয়া উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রজাপতি মেলাকে ঘিরে প্রকৃতিপ্রেমীদের তীর্থক্ষেত্র হয়ে উঠেছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা উঁচুতে তুলে ধরবে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ২০১০ সাল থেকে প্রতিবছর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রজাপতি মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রজাপতি সংরক্ষণ ও জনসচেতনতা বাড়াতে এই মেলার আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন:
ঢাবিতে ঢুকলে জাবি অধ্যাপককে জীবন বিপন্নের হুমকি
জাবি প্রশাসনের বিরুদ্ধে দুদকে সাবেক অধ্যাপকের অভিযোগ
জাবিতে গাড়িচালকদের প্রাথমিক চিকিৎসাবিষয়ক প্রশিক্ষণ
জাবির সাবেক ভিসির গাড়িচালকের ঘরে মদভর্তি ট্রাংক
জাবি ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃত্বে অর্ণব-অমর্ত্য

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The anger of a section of students at the football festival in DU

ঢাবিতে ফুটবল উৎসবে শিক্ষার্থীদের একাংশের ক্ষোভ  

ঢাবিতে ফুটবল উৎসবে শিক্ষার্থীদের একাংশের ক্ষোভ

  ঢাবিতে বড় পর্দায় খেলা উপভোগ করা দর্শকদের একাংশ। ছবি: নিউজবাংলা
গাড়িচাপায় গৃহবধূ রুবিনা আক্তারের মৃত্যুর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের একটি অংশ ক্যাম্পাসে রাতের বেলায় বড় পর্দায় বিশ্বকাপ খেলা না দেখানোর দাবি জানায়, তবে সেটি না ঘটায় ক্ষোভ জানিয়েছে তারা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় সাবেক শিক্ষক আজাহার জাফর শাহর প্রাইভেট কারের চাপায় নারী নিহত হওয়ার ঘটনার মধ্যে ক্যাম্পাসে ফুটবল উৎসব নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন একদল শিক্ষার্থী।

প্ল্যাকার্ড হাতে সড়কে দাঁড়িয়ে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক স্ট্যাটাসে তারা এ ক্ষোভের কথা জানান।

ননদের স্বামীর মোটরসাইকেলে চড়ে শুক্রবার ঢাবি হয়ে হাজারীবাগ যাচ্ছিলেন গৃহবধূ রুবিনা আক্তার। বিকেল সোয়া ৩টার দিকে চারুকলা অনুষদের বিপরীতে পাশের রাস্তা ধরে যাওয়ার সময় আজাহারের গাড়ির ধাক্কায় তিনি পড়ে যান। পরে আজাহার গাড়ি না থামিয়ে রুবিনাকে টেনেহিঁচড়ে নীলক্ষেত পর্যন্ত নিয়ে যান। এতে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনার পর ঢাবি শিক্ষার্থীদের একটি অংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে রাতের বেলায় বড় পর্দায় বিশ্বকাপ খেলা না দেখানোর দাবি জানায়, তবে শুক্রবার মধ্যরাতে ব্রাজিল-ক্যামেরুনের ম্যাচের সময় চেনা দৃশ্য দেখা যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুহসীন হল মাঠ ও টিএসসিতে।

এতে ক্ষুব্ধ কিছু শিক্ষার্থী মধ্যরাতেই রাজু ভাস্কর্যে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবি জানান। তাদের একজন এসএম হল ছাত্র সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) জুলিয়াস সিজার তালুকদার বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস অনিরাপদ, আমি এখানে দাঁড়িয়ে যখন রুবিনা হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানাচ্ছি, তখনও ক্যাম্পাসে অনিরাপদের সব আয়োজন চলছে।

‘এই খেলা দেখার ছলে ক্যাম্পাসের বাইরের অন্তত কয়েক হাজার লোক এখানে অবস্থান করছে। তারা ভুভুজেলা বাজিয়ে শব্দদূষণ করছে। তাদের শব্দদূষণের কারণে এখন যাদের পরীক্ষা চলমান, তাদের কেউ পড়তে পারছে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকের মর্মান্তিক ঘটনা জানার পর যে কেউ একটু সংবেদনশীল হবে, কিন্তু এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উৎসব চলছে।

‘খেলা উৎসব। আমরাও দেখব, কিন্তু বড় পর্দায় সম্মিলিতভাবে না দেখালে কি হতো না আজ? বিভিন্ন করপোরেট ব্যানারের আড়ালে বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব কালো মুখ লুকিয়ে আছে, তাদের প্রতিহত করতে হবে।’

এদিকে ফেসবুকে মনসুর রাফি নামের এক শিক্ষার্থী লিখেন, ‘আজ দুপুরে একটি রক্তক্ষয়ী ঘটনা ঘটে গেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে৷ সেই রক্ত শুকানোর আগেই ফুটবল উৎসবে মেতে উঠেছি আমরা। ছি!’

আজহার উদ্দীন অনিক নামে আরেক শিক্ষার্থী লেখেন, ‘আমি আশা করেছিলাম, অন্তত আজকের মতো হৈ-হুল্লোড় করে খেলা দেখা বন্ধ থাকবে। যেহেতু ওই নারীকে গাড়ির তলায় চেপে টিএসসি থেকেই নীলক্ষেতের দিকে মুহসীন হলের মাঠের বিপরীত রাস্তা দিয়েই পিষে ফেলা হয়েছিল, কিন্তু আমি জানি সেটা অবাস্তব আশা; কিছু হবে না।’

সানজানা আফিফা অদিতি নামের একজন লেখেন, ‘এখনও খেলা দেখা হচ্ছে!!! বাঁশি বাজানো হচ্ছে!!! আপনাদের বিবেক কি একটুও কাজ করে না??? এতদিন তো প্রতিদিন বাঁশি বাজিয়ে খেলা দেখলেন। আজও???’

সাইদ আবদুল্লাহ লেখেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে নারীকে গাড়ির চাকায় আটকে টেনে নিয়ে পিষিয়ে পিষিয়ে মারা হয়েছে, রাস্তায় এখনও হয়তো তার রক্তের দাগ শুকায় নাই। অথচ এর ভেতরেই সেই ক্যাম্পাসেই বড় পর্দায় বিশ্বকাপ খেলা দেখার হিড়িক লেগে গেছে, বাজছে বাঁশি, হচ্ছে লাফালাফি-ঝাঁপাঝাঁপি।

‘ভাবতে অবাক লাগে, এই ক্যাম্পাসের ছাত্ররাই একসময় ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিত। আর এখনকার ছাত্ররা রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ তো নয়ই, বরং আনন্দ-উৎসবে মত্ত থাকাটাই প্রেফার করে!’

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশি সমর্থকদের ধন্যবাদ জানালেন আর্জেন্টিনার কোচ
আর্জেন্টিনাকে পাত্তা দিচ্ছে না অস্ট্রেলিয়া
বাংলাদেশকে ধন্যবাদ আর্জেন্টিনা দলের
পর্তুগালের সঙ্গী হওয়ার সুযোগ তিন দলের
বিশ্বকাপে আর না-ও দেখা যেতে পারে নেইমারকে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chhatra League committee announcement in 16 sections of Jabir

জবির ১৬ বিভাগে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা

জবির ১৬ বিভাগে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা ক্যাম্পাসে কর্মসূচিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। ফাইল ছবি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইন বলেন, ‘দীর্ঘদিন যাবৎ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। যার ফলে অনেক কর্মীই কোনো রাজনৈতিক পরিচয় পায়নি। সে জন্যই আমরা বিভাগভিত্তিক কমিটি দিচ্ছি। সামনে যেহেতু নির্বাচন, তাই দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ কাজ করবে।’

বিভাগে বিভাগে কমিটি দিচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগ। এরই মধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে ১৬টি বিভাগে আংশিক কমিটি।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহীম ফরাজি ও সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইনের সই করা পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে চারটি ও শুক্রবার রাতে আরও ১২টি কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়। এসব কমিটিতে স্নাতকপর্যায়ের শিক্ষার্থীরা পদ পেয়েছেন।

লোকপ্রশাসন বিভাগে সভাপতি হিসেবে রাকিবুল হাফিজ অন্তর ও সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম, ইতিহাস বিভাগে সভাপতি চয়ন কুমার রায় ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতি আহমেদ হাসনাত ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আরিফ, প্রাণিবিদ্যা বিভাগে সভাপতি নাহিদুল ইসলাম হিমেল ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফাহিম, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে সভাপতি বায়েজিদ শেখ ও সাধারণ সম্পাদক মাশরাফি রহমান খান, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে সভাপতি হা-মীম ইবনে বাসার ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আল-আমিন দিমানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়াও অন্য বিভাগগুলোর মধ্যে নৃবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতি হিসেবে মশিউর রহমান শুভ ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম রাফি, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে সভাপতি আকরাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইমতিয়াজ আহম্মেদ রওনক, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতি সোহানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান, মনোবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতি রাসেল মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক মো. আকিব হায়দার ইমন, ফার্মেসি বিভাগে সভাপতি মো. আসিফ আরাফাত নিলয় ও সাধারণ সম্পাদক এস এম বায়েজিদ, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে সভাপতি সুমিত দত্ত ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তারিদ্দোহা সৌম্য দায়িত্ব পেয়েছেন।

বাংলা বিভাগের সভাপতি হয়েছেন তুষার মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে অর্জুন বিশ্বাসকে। এই কমিটিতে সহসভাপতি পদে রয়েছেন মাহমুদুল হক সামি, মো. তরিকুল ইসলাম, মাহমুদুজ্জামান পাভেল, পাবুন চন্দ্ৰ অধিকারী, জুনাঈদ হুসাইন রায়িন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আটজন। সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয় আফসানা মীমী ও ফারহানা জেসমিনকে।

অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি প্রিয়দর্শী চাকমা ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ রানা। কমিটির অন্যরা হলেন সহসভাপতি ইব্রাহীম খলিল, মৃদুল হাসান, ইবনুল ইয়াসিন ও সৌরভ সূত্রধর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুকিত উল ইসলাম, মমতাজুর রহমান, মো. নবুয়ত হোসেন নুহান ও মেহেদী হাসান আবির।

নাফিস ইকবাল তাশিককে সভাপতি ও রাসেল আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করে গঠিত নাট্যকলা বিভাগের কমিটির অন্যরা হলেন সহসভাপতি আলিমুল ইসলাম, অনামিকা ইবাদ, মো. মোস্তাকিন মিয়া, মো. ইবনে সিনা ইউনুস ও মিঠুন চন্দ্র দাস। এতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন পাঁচজন।
পরিসংখ্যান বিভাগের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল রাফি সাকিব ও সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীন আলম। কমিটির অন্যরা হলেন সহসভাপতি আবির মাহমুদ, জারিফ তাজওয়ার, শাহ নাবিল হোসেন তানিম ও রকিবুল ইসলাম। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান সিফাত, মো. মাঈনুল হক সাকিব, মো. ওমর ফারুক জয়, রিফাত চৌধুরী সজল, শরিফুল হক তানজীম, তৌফাতুল ফেরদৌসী ঝিলিক ও আয়শা ইশরাত।

এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইন বলেন, ‘দীর্ঘদিন যাবৎ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। যার ফলে অনেক কর্মীই কোনো রাজনৈতিক পরিচয় পায়নি। সে জন্যই আমরা বিভাগভিত্তিক কমিটি দিচ্ছি। সামনে যেহেতু নির্বাচন, তাই দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ কাজ করবে।’

এর আগে ২৫ থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি অনুষদ, বিভাগ এবং ইনস্টিটিউটের পদপ্রত্যাশীদের সিভি জমা নেয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত চবি, আহত ৮
‘শাসন করতে’ ছাত্রলীগ নেতার জুতাপেটা
ছাত্রলীগের বয়সসীমা ‘উনত্রিশ’ই থাকছে

মন্তব্য

p
উপরে