× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
BNP dialogue with two parties including LDP on Monday
hear-news
player
google_news print-icon

এলডিপিসহ দুই দলের সঙ্গে সোমবার বিএনপির সংলাপ

এলডিপিসহ-দুই-দলের-সঙ্গে-সোমবার-বিএনপির-সংলাপ
সরকারের পতন দাবিতে রাজধানীতে বিএনপির মশাল মিছিল। ফাইল ছবি
সরকার পতন আন্দোলনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি হিসেবে সোমবার সন্ধ্যায় এলডিপি সভাপতি অলি আহমদের বাসায় এবং সকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির সঙ্গে সংলাপে বসছে বিএনপি।

সরকার পতন আন্দোলনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি হিসেবে রাজনৈতিক মিত্রদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা সংলাপ শুরু করেছে বিএনপি। এর অংশ হিসেবে দলটি সোমবার দ্বিতীয় দিনে সংলাপ করবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির নেতাদের সঙ্গে।

অন্যান্য দলের নেতাদের অফিস বা বিএনপির কার্যালয়ে সংলাপ হলেও এলডিপির সঙ্গে সংলাপটি অনুষ্ঠিত হবে দলটির সভাপতি অলি আহমদের বাসায়।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় মহাখালী ডিওএইচএস-এ অলি আহমদের বাসায় এই সংলাপে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান অংশ নেবেন।

এছাড়াও সোমবার সকাল ১১টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দারের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সংলাপ করবে।

একই দিন বিকেল সাড়ে ৪টায় গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে রাজশাহী, রংপুর ও কুমিল্লা বিভাগের বিএনপি নেতাদের সঙ্গে দলীয় হাইকমান্ড মতবিনিময় করবে।

সূত্রমতে, সরকার পতনের আন্দোলন চূড়ান্ত করতে এই মতবিনিময়ের আয়োজন করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে নেতাদের মতামতের ভিত্তিতে আন্দোলনের রূপরেখা বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
মুন্সীগঞ্জে সংঘর্ষ: দুই মামলায় বিএনপির ১৭৭ জনের জামিন
তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচন হতে দেয়া হবে না: ফখরুল
পুলিশ শুধু বিরোধী দলের লাঠি দেখে: দুদু
বিএনপির আন্দোলনে সারা দেশে গণজোয়ার: গয়েশ্বর
ইডেন কলেজ কলঙ্কিত করেছে আ.লীগ: রিজভী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
If BNP tries to riot like Hefazat the right answer Kader

তাণ্ডবের চেষ্টা করলে সমুচিত জবাব: কাদের

তাণ্ডবের চেষ্টা করলে সমুচিত জবাব: কাদের শনিবার রাতে চট্টগ্রাম নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানের প্রবেশ পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বাড়াবাড়িটা খুব বেশি হচ্ছে। দেখেন, মিটিং হবে এক সপ্তাহ পর; এখনই তারা তাঁবু খাটিয়ে বালিশ-বিছানা, কম্বল মশার কয়েল নিয়ে চলে আসছে। এনে একটা নাটক সাজাচ্ছে। আমরা তৈরি আছি। আমাদের নেতাকর্মীরা প্রস্তুত থাকবে।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আমরা মারামারি করব না। আমাদের আক্রমণ করলে দেখা যাবে পাল্টা আক্রমণ কীভাবে হবে। বাড়াবাড়ি করলে ছেড়ে দেব না। বিএনপি হেফাজতের মতো তাণ্ডবের চেষ্টা করলে সমুচিত জবাব দেয়া হবে।’

শনিবার রাত ১০টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানের প্রবেশ পথে আওয়ামী লীগের জনসভাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজকে বাড়াবাড়িটা খুব বেশি হচ্ছে। দেখেন, মিটিং হবে এক সপ্তাহ পর; এখনই তারা তাঁবু খাটিয়ে বালিশ-বিছানা, কম্বল মশার কয়েল নিয়ে চলে আসছে। এনে একটা নাটক সাজাচ্ছে। আমরা তৈরি আছি। আমরা পাড়া-মহল্লায়, শহরে, প্রতিটি জেলায়, প্রতিটি উপজেলায়, প্রতিটি থানায় এমনকি ওয়ার্ড পর্যন্ত আমাদের নেতাকর্মীরা প্রস্তুত থাকবে।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এই চট্টগ্রাম বঙ্গবন্ধুর সব আন্দোলন-সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের দুর্ভেদ্য ঘাঁটি। এই চট্টগ্রাম বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনারও দুর্জয় ঘাঁটি। আগামীকাল (রোববার) এখানে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ মহাসমাবেশ হবে।’

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অচিরেই সংকট কেটে যাবে উল্লেখ করে সড়ক ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘এখন সবাইকে বুঝতে হবে, এই কোভিড পরিস্থিতির পর নিষেধাজ্ঞা, যুদ্ধের প্রতিক্রিয়া হচ্ছে। উন্নত দেশগুলোও হিমশিম খাচ্ছে। বিশেষ করে রাশিয়ার গ্যাস বন্ধ হওয়ার পর। এই সংকটে আমাদের নেত্রী দেশের পরিস্থিতি সামলাচ্ছেন। রপ্তানি আয় আবার বাড়তে শুরু করছে। আমরা ঘুরে দাঁড়াচ্ছি। আমরা আশা করছি এই সংকট শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অচিরেই কেটে যাবে।’

রোববারের জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য বক্তব্যের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আগামী দিনে নেত্রী অলরেডি ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন। আমাদের এবারের নির্বাচনী ওয়াদা স্মার্ট বাংলাদেশ। এ সম্পর্কে তিনি বলবেন। তিনি উন্নয়নের কথা বলবেন। ভবিষ্যৎ করণীয় বলবেন। সাম্প্রদায়িক জঙ্গিবাদী শক্তি উৎখাতে মুক্তিযুদ্ধের সসপক্ষের শক্তির বৃহত্তর ঐক্য নিয়েও কথা বলবেন।

‘জঙ্গিবাদী সাম্প্রদায়িক শক্তির যে উত্থান, তা বিএনপির পৃষ্ঠপোষকতায়। এই উত্থানের বিরুদ্ধে, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ, স্বাধীনতার আদর্শে যারা বিশ্বাস করে আজ তাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সংকট বিষয়ে বলবেন।’

আরও পড়ুন:
সরকার পতনের হাঁকডাক দিয়ে লাভ নেই: ওবায়দুল কাদের
বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে নজর রাখবে আ.লীগ: কাদের
বিএনপি লাঠি আনলে আওয়ামী লীগ ললিপপ চুষবে না: কাদের
প্রধানমন্ত্রী ঘুমান মাত্র ৩ থেকে সাড়ে ৩ ঘণ্টা: কাদের
বিএনপির এবার টানেলের জ্বালা: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
7 were injured in the attack on the Chhatra League leaders in Bogra

বগুড়ায় ছাত্রলীগ নেতাদের ওপর ‘পদবঞ্চিতদের’ হামলা, আহত ৭

বগুড়ায় ছাত্রলীগ নেতাদের ওপর ‘পদবঞ্চিতদের’ হামলা, আহত ৭ বগুড়ায় শনিবার রাতে জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির নেতাদের ওপর হামলা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
বগুড়া জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সজীব সাহা বলেন, ‘অধ্যক্ষের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য আমি ও সম্পাদকসহ প্রায় ৫০ নেতাকর্মী এসেছিলাম। এ সময় তৌহিদ ও মাহফুজারের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে৷ আমাদের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ সময় প্রায় ১৫ থেকে ২০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।’

বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির নেতাদের ওপর পদবঞ্চিত বিদ্রোহীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাত ছাত্রলীগ নেতা আহত হন। ছাত্রলীগের বিদ্রোহী নেতাদের দাবি, কলেজ ক্যাম্পাসে নাশকতার উদ্দেশ্যে আসা ছাত্রদল ও শিবির নেতা-কর্মীদের প্রতিহত করেছেন তারা।

বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষের বাসভবনের সামনে শনিবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

হামলায় আহতদের মধ্যে আছেন, সরকারি শাহ সুলতান কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক, পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান সাব্বির, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক নূর আলম ও আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগ নেতা রিমন রহমান।

আহতদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জেলা ছাত্রলীগের নেতারা জানান, হামলায় নেতাকর্মীদের অন্তত ১৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।

নতুন কমিটির নেতারা জানান, শনিবার রাতে বগুড়া জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সজীব সাহা ও সাধারণ সম্পাদল আল-মাহিদুল জয়ের নেতৃত্বে ২০ থেকে ৩০টি মোটরসাইকেলে প্রায় ৫০ নেতা-কর্মী আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষর সঙ্গে সাক্ষাত করতে যান। সভাপতি ও সম্পাদকের অধ্যক্ষের বাসভবনে প্রবেশের কিছুক্ষণ পর ছাত্রলীগের বিদ্রোহী গ্রুপের নেতা তৌহিদুর রহমান ও মাহাফুজারের নেতৃত্বে হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলায় আহত শাহ সুলতান কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক বলেন, ‘রাত সাড়ে ৯টার দিকে আমাদের ওপর হামলা হয়। আমার মাথায় আঘাত লেগেছে। মাথায় সেলাই লেগেছে।’

বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজীব সাহা বলেন, ‘অধ্যক্ষের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য আমি ও সম্পাদকসহ প্রায় ৫০ নেতাকর্মী এসেছিলাম। এ সময় তৌহিদ ও মাহফুজারের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে৷’

সজীব আরও বলেন, ‘হামলায় আমাদের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ সময় প্রায় ১৫ থেকে ২০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। আমরা এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেব।’

সরকারি আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী বলেন, ‘জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদক আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে দুর্বৃত্তরা বাইরে হামলা চালায়।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিদ্রোহী গ্রুপের নেতা মাহাফুজার রহমান বলেন, ‘২৬ নভেম্বর আমরা আজিজুল হক কলেজে ছাত্রদলকে প্রতিহত করি। আমাদের কাছে খবর ছিল ছাত্রদল ও শিবিরের নেতাকর্মীরা কলেজ ক্যাম্পাসে নাশকতার জন্য এসেছে। এ জন্য আমরা কলেজে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে প্রবেশ করতেই একটি দল আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমরা হামলা শুধু প্রতিহত করেছি। তবে তারা কারা ছিল আমাদের জানা নেই।’

হামলার বিষয়ে বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরাফত ইসলাম বলেন, ‘সরকারি আজিজুল হক কলেজে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। আমাদের টিম সেখানে আছে। অভিযোগ সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

৭ নভেম্বর সজীব সাহাকে সভাপতি ও আল-মাহিদুল ইসলাম জয়কে সাধারণ সম্পাদক করে বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের ৩০ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের সই করা চিঠিতে এক বছর মেয়াদী এ আংশিক কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়।

কমিটির ঘোষণার পর পরই জেলা ছাত্রলীগের একাংশ বিক্ষোভ শুরু করে। কাঙ্ক্ষিত পদ না পেয়ে তখন জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়েছিলেন সংগঠনটির একাংশের নেতাকর্মী।

আরও পড়ুন:
ঢাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন: নেতৃত্বের দৌড়ে যারা
জবির ১৬ বিভাগে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা
ছাত্রলীগের সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত চবি, আহত ৮
‘শাসন করতে’ ছাত্রলীগ নেতার জুতাপেটা
ছাত্রলীগের বয়সসীমা ‘উনত্রিশ’ই থাকছে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Youth Dal President Tuku arrested

যুবদল সভাপতি টুকু আটক

যুবদল সভাপতি টুকু আটক যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ছবি: সংগৃহীত
রাজশাহীতে সমাবেশ শেষে ঢাকায় আসার পথে রাতে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং তার সঙ্গে থাকা যুবদলের সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম নয়ন, ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি জাভেদ হাসান স্বাধীন এবং টুকুর ব্যক্তিগত সহকারী মোখলেসুর রহমানকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ।

জাতীয়তাবাদী যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুসহ চারজনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। শনিবার রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ শেষে ঢাকায় ফেরার পথে রাতে আমিন বাজার এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান।

তিনি জানান, ঢাকায় আসার পথে টুকুর সঙ্গে থাকা যুবদলের সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম নয়ন, ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি জাভেদ হাসান স্বাধীন এবং টুকুর ব্যক্তিগত সহকারী মোখলেসুর রহমানকেও আটক করা হয়।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ বিষয়ে বলেন, ‘সরকার আমাদের ১০ জানুয়ারির গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে উন্মাদ ও হিংস্র হয়ে উঠেছে। এই সরকারের অত্যাচার-অবিচার এমন পর্যায়ে চলে গেছে যে তা থেকে দেশবাসীকে মুক্ত করতে হলে প্রয়োজন একটি গণ অভ্যুত্থান।’ রিজভী অবিলম্বে টুকুসহ গ্রেপ্তার নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন।

এদিকে মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্য়বাক ও লালবাগের সাবেক কমিশনার মোশাররফ হোসেন খোকনকে ডিবি পুলিশ আটক করেছে বলে দাবি করেছেন তার পার্সোনাল এসিস্ট্যান্ট রাকিব।

এদিকে যুবদল সভাপতি টুকুসহ অন্যদের আটকের বিষয়টি ডিবি ও পুলিশের পক্ষ থেকে প্রথমে নাকচ করা হলেও রাতে খোকনকে আটকের কথা স্বীকার করেছে ডিবি। তবে কি অভিযোগে তাকে আটক, সে বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
রাতেই মাঠ উপচে রাস্তায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা
সমাবেশে যোগ দিতে রাজশাহীতে মির্জা ফখরুল
২০০ মোটরসাইকেল নিয়ে রাজশাহীতে বগুড়ার নেতা-কর্মীরা
এবারও মঞ্চে থাকবে খালেদা-তারেকের চেয়ার
রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ মঞ্চ প্রস্তুত হয়নি এখনও

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Police checkpoint on the road leading to Khaledas residence

খালেদার বাসভবনে প্রবেশের সড়কে পুলিশের চেকপোস্ট

খালেদার বাসভবনে প্রবেশের সড়কে পুলিশের চেকপোস্ট গুলশান ২ নম্বরের ৭৯ নম্বর রোডে শনিবার রাতে চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার শনিবার রাতে নিউজবাংলাকে বলেন, গুলশান ২ নম্বরের ৭৯ নম্বর রোডে খালেদা জিয়ার বাসভবনে প্রবেশের সড়কে শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে চেকপোস্ট বসানো হয়।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় প্রবেশের রাস্তায় চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ।

গুলশান ২ নম্বরের ৭৯ নম্বর রোডে খালেদা জিয়ার বাসভবনে প্রবেশপথে শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার শনিবার রাতে নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানান।

বিএনপি ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় সমাবেশের কর্মসূচি দিয়েছে। এই সমাবেশে খালেদা জিয়া নিজেও উপস্থিত হতে পারেন- এমন প্রচার আছে। তার ভিত্তিতে পুলিশের পক্ষ থেকে এমন পদক্ষেপ কীনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেননি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস এ বিষয়ে শনিবার রাতে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সরকার কতটা ঘাবড়ে গেছে তা আজ (শনিবার) সন্ধ্যা থেকে স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।

‘নয়াপল্টনের রাস্তায় তারাই ককটেল বিস্ফোরণের নাটক করেছে। আর ওই ঘটনা দেখিয়ে ধরপাকড় শুরু করেছে। এরপর গুলশানে চেয়ারপারসনের বাসার সামনে চেকপোস্ট বসিয়েছে। ভয়ে থাকা সরকার এসব করে বিএনপিকে ভয় দেখাতে চায়।’

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এসব কর্মকাণ্ড করে আর নিজেদের দুর্বলতার প্রকাশ ঘটাবেন না।’

আরও পড়ুন:
আরও ছয় মাস জেলের বাইরে খালেদা জিয়া
ফের পেছাল খালেদার দুই মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি
খালেদার ভারত সফর নিয়ে ভুল তথ্য আব্বাসের
খালেদার মুক্তির মেয়াদ ষষ্ঠবারের মতো বাড়ানোর আবেদন
পরিবার চাইলে খালেদার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়বে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Shall we eat lollipops to occupy Dhaka Obaidul Quader

ঢাকা দখল করবেন, আমরা কি ললিপপ খাব: ওবায়দুল কাদের

ঢাকা দখল করবেন, আমরা কি ললিপপ খাব: ওবায়দুল কাদের শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলনে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
ওবায়দুল কাদের বলেন- ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের কমিটি এক সঙ্গে ঘোষণা করা হবে।

১০ ডিসেম্বরের সমাবেশের পর বিএনপি দেশে অরাজকতা ও বিশৃঙ্খল পরিবেশের সৃষ্টি করবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘আমি খবর পেয়েছি আজ বিএনপির রাজশাহীর সমাবেশ সুপার ফ্লপ হয়েছে। ফখরুল এখন হুংকার ছাড়ছেন। ১০ ডিসেম্বর যখন চলে যাবে, জানি অবরোধ দেবেন, জানি ধর্মঘট দেবেন, জানি আবারও আগুন-সন্ত্রাস শুরু করবেন। জানি আবারও লাঠিখেলা করবেন, ঢাকা দখল করবেন। তবে আমরা কি বসে থাকবো? দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ললিপপ খাবো?’

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার সামনে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘তারেক রহমান লন্ডনের টেমস নদীর তীর থেকে বাণী পাঠাচ্ছে; আর দেশে বসে ফখরুল হুংকার ছাড়ছেন। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাবে, মন্ত্রীরা সবাই দেশ ত্যাগ করবে, এসব কথা ছড়ানো হচ্ছে, তবে কখনো তা হবে না।

আওয়ামী লীগ কাউকে ভয় পায় না। শেখ হাসিনা আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পায় না। আওয়ামী লীগ ভয় পায় আপনাদের আগুন সন্ত্রাস, লাঠি নিয়ে খেলাধুলাকে। সেই বদ মতলব আপনাদের আছে। সে জন্যই আপনাদের পল্টন দরকার।’

সমাবেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যারা ভোট চুরি করে তারাই আবার ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার কথা বলে। তবে গ্রামের নিরীহ মানুষ এখন বলে বিএনপি থেকে সাবধান। বিএনপিকে কেউ বিশ্বাস করে না।’

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর হবে না। সংবিধান পরিবর্তন করার কোনো সুযোগ নেই। সংবিধানকে অনেক কচুকাটা করেছেন। আইন করে বঙ্গবন্ধু হত্যার ঘাতকদের বিচার বন্ধ করেছিলেন। সংবিধানে হাত দেওয়ার অধিকার কারো নেই। কাজেই তত্ত্বাবধায়ক দিবা স্বপ্ন; রঙিন খোয়াব দেখে লাভ নেই।’

পল্টনে সমাবেশ করার বিএনপির দাবির বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি কেন সোহরাওয়ার্দী মাঠকে বাদ দিয়ে পল্টনে জনসভা করতে চায়? তার কারণ আমরা সবাই জানি। গত নির্বাচনের আগেওতো বেগম জিয়া এখানে মিটিং করেছেন।

কিন্তু ফখরুল সাহেব, আপনি কেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে চান না? ধরা পরে গেছে, ধরা পড়ে গেছে! স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আপনার মধ্যে নেই, তা আবারো প্রমাণিত হলো। এ কারণেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে চাইছেন না।’

এ সময় গণমাধ্যমের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমরা এত বড় বড় জনসভা করি, কিন্তু কিছু মিডিয়া ওভাবে নিউজ দেয় না। কিন্তু ফখরুল দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিলে পুরো ছবিসহ কাভারেজ পান। যারা আমাদের পছন্দ করেন না, তাদেরকে বলেছি- আমরা বেশি চাই না। আমাদের ন্যায্য কাভারেজ দিন।’

দীর্ঘ চার বছর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিকেল সাড়ে ৩টায় ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় উপস্থিত হলে দলীয় সংগীত এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে দেশ এবং দলের পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর গান এবং নৃত্য পরিবেশন শেষে আল নাহিয়ান জয় সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, প্রতি দুই বছর পর পর সম্মেলনের কথা থাকলেও করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘ সাড়ে চার বছর পর ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। ফলে সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা দেখা যায়।

সারাদিন পুরো ক্যাম্পাসে ছিল সাজ সাজ রব; আর উৎসবের আমেজ। দীর্ঘ প্রতিক্ষিত এ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য এবং ঢাবি ছাত্রলীগ সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন।

এবার ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ এই ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ২৪৫ জন নেতা-কর্মী জীবন বৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন।

ঢাবি ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কমিটি, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কমিটি এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রলীগের কমিটি এক সঙ্গে ঘোষণা করা হবে।

আরও পড়ুন:
দুর্নীতি ও ভোট চুরির বিরুদ্ধে খেলা হবে: ওবায়দুল কাদের
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ভয় পায় বিএনপি: ওবায়দুল কাদের
সম্মেলনে বিশৃঙ্খলায় ছাত্রলীগ, ক্ষোভ কাদেরের
বিএনপির খবর আছে: কাদের
সরকার পতনের হাঁকডাক দিয়ে লাভ নেই: ওবায়দুল কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
DU Chhatra League conference Those in the race for leadership

ঢাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন: নেতৃত্বের দৌড়ে যারা

ঢাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন: নেতৃত্বের দৌড়ে যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলনে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
ক্যাম্পাসে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে বিকেল ৩টায় শুরু হয় সম্মেলন। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এতে প্রধান অতিথি ছিলেন। তবে সম্মেলন হলেও কমিটি ঘোষণা দেয়া হয়নি। ৬ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সম্মেলন থেকে এই কমিটির ঘোষণা দেয়া হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে শনিবার। তবে সম্মেলনে কমিটি ঘোষণা দেয়া হয়নি। ৬ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সম্মেলনে কেন্দ্রের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কমিটি ঘোষণা করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে বিকেল ৩টায় সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

২০১৮ সালের ১১ ও ১২ মে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সঙ্গে ঢাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন হয়। এর প্রায় দুই মাসের মাথায় ৩১ জুলাই ঢাবি ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়। ওই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সাদ্দাম হোসেন নেতৃত্বে আসেন। এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের শীর্ষ পদে আসতে আগ্রহীদের কাছ থেকে জীবন-বৃত্তান্ত আহ্বান করা হয়। সম্মেলনের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার করা হয় ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহ-সভাপতি রায়হান কাউসারকে।

আগ্রহী প্রার্থীরা শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে গোলঘর থেকে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও জমা দেন।

রায়হান কাউসার বলেন, ‘২৩৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও জমা দিয়েছেন। সেগুলো যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে।’

ঢাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন: নেতৃত্বের দৌড়ে যারা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে শনিবার অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলন। ছবি: নিউজবাংলা

জানা যায়, ঢাবি ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই পদের জন্য বিভিন্ন হল, অনুষদ, ইনস্টিটিউট, শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাবি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির পদপ্রাপ্তরা প্রার্থী হয়েছেন।

সম্মেলন উপলক্ষে ঢাবি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মাঝে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।

মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘সম্মেলন হলে তৃণমূল কর্মীদের মাঝে উচ্ছ্বাসমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। সংগঠনেও গতিশীলতা আসে। সংগঠনে গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ছাত্রলীগকে আরও বেগবান করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলন-২০২২ গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগে আগামীতে এমন নেতৃত্ব আসুক যারা শেখ হাসিনার প্রশ্নে আপোষহীন। তারা যেন আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জন্য ভূমিকা রাখতে পারবে।’

নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে যারা

সম্মেলন ঘিরে পদপ্রত্যাশী নেতাকর্মীরা লবিং-তদবিরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। একইসঙ্গে মধুর ক্যান্টিনসহ দৃশ্যমান স্থানে নিজেদের ছবিসংবলিত ব্যানার-পোস্টার টানিয়ে নিজেদের প্রার্থিতার জানান দেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বিগত কয়েক কমিটির তথ্য বলছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের হল শাখায় নেতৃত্ব দেয়াদের মধ্যে যেকোনো একজন ঢাবি ছাত্রলীগের শীর্ষ পদে এসেছেন।

বর্তমান ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস আগে জগন্নাথ হল শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

তবে সাধারণ সম্পাদক হল ছাত্রলীগের শীর্ষ পদে ছিলেন না। তিনি হল রাজনীতিতে স্যার এ এফ রহমান হল ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

এর আগে ২০১৫ সালে মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান।

২০১১ সালে ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান মোল্লা আগে স্যার এ এফ রহমান হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

এসব কিছু বিবেচনায় এবারও হল ছাত্রলীগের নেতাদের মধ্য থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতৃত্ব চান পদপ্রত্যাশী অনেকে। আর সে লক্ষ সামনে রেখে হল ছাত্রলীগে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এরকম প্রত্যেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

ঢাবি ছাত্রলীগের শীর্ষ পদে আসার দৌড়ে এগিয়ে আছেন- হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হলের সভাপতি শহিদুল হক শিশির ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন, ড. মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ হলের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হল শাখার সভাপতি মেহেদি হাসান শান্ত, বিজয় একাত্তর হল ছাত্রলীগের সভাপতি সজিবুর রহমান সজিব ও সাধারণ সম্পাদক আবু ইউনুস, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান শান্ত, সলিমুল্লাহ মুসলিম হল শাখার সভাপতি তানভীর শিকদার, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের সভাপতি কামাল উদ্দীন রানা, স্যার এ এফ রহমান হল ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম এবং ফজলুল হক হলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইন নাইম।

এছাড়াও আলোচনায় আছেন- কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সমাজসেবা বিষয়ক উপ-সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত, সাহিত্য বিষয়ক উপ-সম্পাদক জয়দ্বীপ দত্ত (জয়জিৎ), নাট্য ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ, সহ-সম্পাদক দিদারুল আলম, এস এম রাকিব সিরাজী, ঢাবি ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সবুজ তালুকদার ও সাংগঠনিক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম।

এদিকে বেশ কয়েকজন নারী নেতাও আলোচনায় রয়েছেন। তারা হলেন- কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ফরিদা পারভীন, তিলোত্তমা শিকদার, উপ-সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক ফাল্গুনী দাস তন্বী এবং মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা বিষয়ক উপ-সম্পাদক রওনক জাহান রাইন।

কেমন নেতৃত্ব চান- এমন প্রশ্নে শহিদুল্লাহ হলের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, ‘আমাদের নেত্রী ডেল্টা প্ল্যান ২১০০, ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং চতুর্থ শিল্পবিপ্লব উপযোগী বাংলাদেশ গঠন করতে চাচ্ছেন। এজন্য কিন্তু বিজ্ঞানমনষ্ক কিছু ছেলের দরকার আছে। আর আমাদের সামনে জাতীয় নির্বাচন আছে।

‘সেই নির্বাচনে রক্ত বিসর্জন দিয়েও যে রাজপথে থাকতে পারবে, স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার থেকে দেশরত্ন শেখ হাসিনার জন্য কাজ করতে পারবে এবং সততা দেশপ্রেম ও ত্রিশ লাক শহীদের রক্তের ঋণের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে রাজনীতি করবে- এমন নেতৃত্ব আসবে এমন প্রত্যাশা আমার।’

সলিমুল্লাহ মুসলিম হল শাখার সভাপতি তানভীর শিকদার বলেন, ‘হল ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে যারা সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার ছিল তাদেরকে ঢাবি ছাত্রলীগের নেতৃত্বে আনলে তারা নিজেদের আরও মেলে ধরার সুযোগ পাবেন।’

এ বিষয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ধারণ করে, পারিবারিকভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, নিয়মিত শিক্ষার্থী, বিতর্কমুক্ত, সৎ ও যোগ্যদেরই কমিটিতে স্থান দেয়া হবে। যারা বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদের কমিটিতে রাখা হবে না। আমাদের নেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্ব নির্বাচনে এসব বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন।’

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে আঞ্চলিকতার প্রাধান্যও থাকবে। সে ক্ষেত্রে বৃহত্তর ফরিদপুর, বরিশাল ও খুলনা অঞ্চলের প্রাধান্য থাকবে।

বিগত কয়েকটি কমিটির তথ্য-বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই অঞ্চলের প্রার্থীরাই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতৃত্বে এসেছেন। এর বাইরে উত্তরবঙ্গ, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ-ঢাকা অঞ্চলের প্রার্থীদেরও বিবেচনা করা হবে। সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান ও বিতর্কমুক্তদের প্রাধান্য দেয়া হবে।

এছাড়া করোনাকালে যেসব নেতা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ভুক্তভোগীদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সেবা পৌঁছে দিয়েছেন তাদেরও বিবেচনায় রাখা হবে।

আরও পড়ুন:
‘শাসন করতে’ ছাত্রলীগ নেতার জুতাপেটা
ছাত্রলীগের বয়সসীমা ‘উনত্রিশ’ই থাকছে
সম্মেলনে বিশৃঙ্খলায় ছাত্রলীগ, ক্ষোভ কাদেরের
ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সম্মেলন আজ
‘বিএনপিকে সুযোগ দিতে এগোনো হয়েছে ছাত্রলীগের সম্মেলন’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
We will not hand over the country to BNP the sponsor of militant groups Information Minister

জঙ্গি-পৃষ্ঠপোষক বিএনপির হাতে দেশ তুলে দেব না: তথ্যমন্ত্রী

জঙ্গি-পৃষ্ঠপোষক বিএনপির হাতে দেশ তুলে দেব না: তথ্যমন্ত্রী শনিবার প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল পলোগ্রাউন্ড মাঠ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ও জঙ্গিগোষ্ঠীর প্রধান পৃষ্ঠপোষক বিএনপির হাতে আমরা দেশকে তুলে দিতে পারি না।

বাংলাদেশকে পেছনের দিকে নিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ দেয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

শনিবার চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল পলোগ্রাউন্ড মাঠ পরিদর্শন শেষে তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, “বিএনপি স্লোগান দেয় ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশ’, বাংলাদেশকে পেছনে নিয়ে যাও। কিন্তু বাংলাদেশ আজ উন্নতির সোপানে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে, আমরা দেশকে পেছনে নিয়ে যেতে পারি না। স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ও জঙ্গিগোষ্ঠীর প্রধান পৃষ্ঠপোষক বিএনপির হাতে আমরা দেশ তুলে দেব না। জনগণকে আমরা সে সব বিষয় ব্যাখ্যা করব।”

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি আবার বাংলাভাই, শায়খ আবদুর রহমানের জমানায় দেশকে নিয়ে যেতে চায়। তাদের কাজ আবার হাওয়া ভবন ও খোয়াব ভবন সৃষ্টি কর, পাঁচশ’ জায়গায় বোমা ফাটাও, দুর্নীতিতে দেশকে আবার পরপর পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন বানাও।’

চট্টগ্রামে রোববার অনুষ্ঠেয় জনসভার সার্বিক প্রস্তুতি এবং পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক বলে জানান তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে চট্টগ্রাম জুড়ে ব্যাপক সাড়া জেগেছে, মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। আমরা আশা করছি পলোগ্রাউন্ড পূর্ণ করে মাঠের বাইরে আরও আট-দশগুণ মানুষ হবে।’

বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের জনসভা বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন নয়াপল্টনের সামনেই তাদের জনসভা হবে। আসলে ওদের উদ্দেশ্য জনসভা করা নয়, দেশে একটা গণ্ডগোল লাগানো এবং দেশকে অস্থিতিশীল করা।

'বিএনপির আবেদন অনুযায়ী তাদের সুবিধার্থে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সেখানে না গিয়ে নয়াপল্টনে জনসভা হবে- এটি বার বার ঘোষণা দেয়ার অর্থ হচ্ছে দেশে একটি গণ্ডগোল লাগানো। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তারা এটি বলছে। সরকার দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য কাউকে অনুমতি ও লাইসেন্স দিতে পারে না। তারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাচ্ছে, সেটি আমরা হতে দেব না।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড অনেক বড় মাঠ। এখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু জনসভা করেছেন, বঙ্গবন্ধু-কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাও জনসভা করেছেন। কানায় কানায় পূর্ণ জনসভা হয়েছে। অতীতেও মাঠ ছাড়িয়ে মানুষ বাইরে দাঁড়িয়েছে। আমরা যেভাবে সাড়া দেখতে পাচ্ছি, এবার মাঠের তুলনায় আট-দশগুণ বেশি মানুষ মাঠের বাইরে থাকবে।’

জনসভার মধ্য দিয়ে দেশবাসীকে আওয়ামী লীগ কী বার্তা দিতে চায়- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যেহেতু জনগণের রায় নিয়ে সরকার গঠন করেছি, জনগণের সামনে হাজির হওয়া আমাদের দায়িত্ব। দেশ আগে কোথায় ছিল, এখন কোথায় গেছে, আমরা জনগণের জন্য কী করেছি, দেশকে আমরা কোথায় নিয়ে যেতে চাই- এসব বিষয় জনগণের সামনে উপস্থাপন করব। জনগণের দল হিসেবে এটা আমাদের দায়িত্ব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ হচ্ছে গণমানুষের দল, আমরা জনগণের জন্যই কাজ করি। প্রধানমন্ত্রী ১৪ বছরে বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেছেন। বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশে উন্নীত হয়েছে। মানুষের মাথাপিছু আয় পাকিস্তানকে বহু আগেই ছাড়িয়েছে, ভারতকেও ছাড়িয়ে গেছে।’

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমপি মোছলেম উদ্দিন আহম্মদ, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন, উত্তর জেলার সভাপতি এম এ সালাম ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এটিম পেয়ারুল ইসলামসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা ঘিরে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে চট্টগ্রামে। জনসভার ডেকোরেশনের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠান শাহাবুদ্দিন ডেকোরেশনের মালিক শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘সভাস্থলের কাজ প্রায় শেষ। মঞ্চও প্রস্তুত। এখন কিছু মাইক লাগানো বাকি। এখন পর্যন্ত সভাস্থলের আশপাশে দুইশ’ মাইক লাগানো হয়েছে। আরো একশ’ মাইক লাগানো হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় চট্টগ্রাম
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ভয় পায় বিএনপি: ওবায়দুল কাদের
সড়কে আ.লীগের মঞ্চ, ক্ষোভ নগরবাসীর
সমাবেশ ঘিরে অপরাজনীতি হলে রাজপথেই জবাব: মেয়র লিটন
ষড়যন্ত্র রুখতে ঐক্যবদ্ধের ডাক শেখ সেলিমের

মন্তব্য

p
উপরে