× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Instability in politics is conflict within and outside the party
hear-news
player
google_news print-icon

রাজনীতিতে অস্থিরতা, দলের ভেতরে-বাইরে সংঘাত

রাজনীতিতে-অস্থিরতা-দলের-ভেতরে-বাইরে-সংঘাত
রাজধানীর মিরপুরে ১৫ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগ-বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ফাইল ছবি
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি সুখকর নয়। প্রধান দুই দলের মধ্যে রাজপথ দখলের লড়াই শুরু হয়েছে। অন্য দলগুলোও নিজেদের মধ্যে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতি দেশ ও জনগণের জন্য সুখকর নয়।’

দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ধরনের অস্থিরতা ভর করেছে। বাড়ছে অস্থিতিশীলতা, সংঘাত-সহিংসতা। শুধু প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নয়, এই অস্থিতিশীলতা রয়েছে কয়েকটি দলের ভেতরও। জোট রাজনীতিতেও শুরু হয়েছে অস্থিরতা।

দলে ও রাজনীতির মাঠে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা থেকেই এসব অস্থিরতা-অস্থিতিশীলতা শুরু হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও তাদের প্রধান বিরোধী শক্তি বিএনপি ইতোমধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কয়েক দফা সংঘর্ষে জড়িয়েছে। দুই দলের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কথার লড়াই চলছে আগে থেকেই।

আরেকটি বড় রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টিতে চলছে অভ্যন্তরীণ কোন্দল। বড় নেতার ছোট দল গণফোরামে চলছে পাল্টাপাল্টি বহিষ্কার। শাসক দল আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটে চলছে টানাপড়েন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ছেড়ে যাওয়া নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর অভ্যন্তরীণ আলোচনা এসেছে প্রকাশ্যে। এর মধ্য দিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে সন্দেহ, সংশয় আর অবিশ্বাস।

রাজনীতিতে অস্থিরতা, দলের ভেতরে-বাইরে সংঘাত
বরিশাল নগরীতে ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে জাতীয় পার্টির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ হয়। ফাইল ছবি

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি সুখকর নয়। প্রধান দুই দলের মধ্যে রাজপথ দখলের লড়াই শুরু হয়েছে। অন্য দলগুলোও নিজেদের মধ্যে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতি দেশ ও জনগণের জন্য সুখকর নয়।

‘রাজনীতির ময়দানে যেমন দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা হওয়া দরকার, তেমনই নিজেদের মধ্যেও বোঝাপড়া হওয়া দরকার। তাহলেই দেশ ও জনগণের কল্যাণ হবে।’

রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী মনে করছেন, রাজনীতি ব্যক্তি-স্বার্থকেন্দ্রিক হয়ে ওঠায় এসব সংঘাত-সহিংসতা।

তিনি বলেন, ‘এ দেশের রাজনীতিবিদরা সামষ্টিক স্বার্থে রাজনীতি করেন না, করেন ব্যক্তিস্বার্থে। কিছু পেতে হবে- এমন মনোভাব থেকেই তারা দলে ও রাজনীতিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। ফলে সংঘাত অনিবার্য হয়ে ওঠে।’

রাজনীতিতে অস্থিরতা, দলের ভেতরে-বাইরে সংঘাত
মুন্সীগঞ্জে ২৬ আগস্ট বিএনপির কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের হামলার পর সৃষ্ট সংঘাতময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিএনপি কর্মীদের লাঠিপেটা করে পুলিশ। ফাইল ছবি

সাম্প্রতিক সময়ে প্রায়ই গণমাধ্যমে প্রধান খবর হয়ে উঠছে রাজনৈতিক সংঘাত-সংঘর্ষ। সর্বশেষ ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর হাজারীবাগে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর মিরপুরে সংঘর্ষে জড়ায় দল দুটির নেতা-কর্মীরা। এভাবে নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, নোয়াখালী, মাগুরা, বরিশালের গৌরনদী, লক্ষ্মীপুরসহ বিভিন্ন স্থানে দল দুটির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ ছাড়া ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর লালবাগে ও ২৩ সেপ্টেম্বর চকবাজারে নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়ায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। আবার ১৮ সেপ্টেম্বর বরিশালে নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়ায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এর আগে ৩ সেপ্টেম্বর দিনাজপুরের খানসামায়, ২৯ আগস্ট চট্টগ্রামে, ২৪ আগস্ট মাদারীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিজেদের মধ্যে সংঘাত-সংঘর্ষে জড়ায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় যত এগিয়ে আসছে, রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-সংঘাতও তত প্রকট হয়ে উঠছে। জি এম কাদেরের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি কার্যত তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে।

জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পর তার ছোট ভাই দলটির চেয়ারম্যান হন। পাশাপাশি আরও দুটি পক্ষ দলটির নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করে। এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা তার ছেলে এরিক এরশাদকে দিয়ে দলটির নেতৃত্ব দখলের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে এখন দলের ছোট্ট একটি অংশ নিয়ে নিজস্ব বলয় তৈরি করেছেন।

এরশাদের স্ত্রী বেগম রওশন এরশাদ সম্প্রতি দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুকে পাশ কাটিয়ে দলের সম্মেলন ডাকেন। এর মধ্য দিয়ে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় পার্টির সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য মসিউর রহমান রাঙ্গা ও উপদেষ্টা জিয়াউল হক মৃধাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রাজনীতিতে অস্থিরতা, দলের ভেতরে-বাইরে সংঘাত
চলতি বছরের ১২ মার্চ জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণফোরামের একাংশের কর্মসূচিতে অপর অংশের কর্মী-সমর্থকরা হামলা চালায়। ফাইল ছবি

আরেক রাজনৈতিক দল গণফোরামে চলছে পাল্টাপাল্টি বহিষ্কার। দলটির প্রতিষ্ঠাতা ড. কামাল হোসেন বহিষ্কার করেন প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু ও তার অনুসারীদের। পাল্টা হিসেবে মোস্তফা মহসিন মন্টু পৃথক সম্মেলন করে নতুন কমিটি ঘোষণা করেন এবং ড. কামালকে অব্যাহতি দেন।

দলগুলোর অভ্যন্তরীণ বিরোধের পাশাপাশি জোট রাজনীতিতেও শুরু হয়েছে অস্থিরতা। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোটে চলছে টানাপড়েন।

মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের নিউজবাংলা বলেন, ‘এই জোটের আর অস্তিত্ব নেই।’

আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেও সাম্প্রতিক সময়ে জোটের বিষয়ে কোনো বক্তব্য নেই। আরেক জোট ১৪ দলের তিন শরিক দল দ্রব্যমূল্য ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ইস্যুতে সরাসরি সরকারের সমালোচনা করছে।

ভাঙনের শব্দ আছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটেও। ২০ দলে জামায়াত নেই- দলটির আমির ডা. শফিকুল ইসলামের এমন বক্তব্য ২৮ আগস্ট গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। তিনি এ বক্তব্য দেন দলটির অভ্যন্তরীণ এক বৈঠকে। এরপর বিএনপি বা জামায়াত কোনো দলই বিষয়টি পরিষ্কার করেনি। যদিও পরে বিএনপি নেতা ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন ও শামসুজ্জামান দুদু একাধিক বক্তব্যে জামায়াতের সমালোচনা করেন।

এসব বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. হারুনুর রশীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে অনেক রাজনৈতিক দলেই ভাঙাগড়া হয়। নির্বাচন সামনে রেখে দলগুলো নিজেদের সাজাতে চায়, আবার একাধিক সক্রিয় পক্ষ দলকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিতে চায়। সে কারণেই মূলত অস্থিরতা শুরু হয়। একইভাবে জোট রাজনীতিতেও সুবিধাপ্রাপ্তি ও লাভ-ক্ষতির হিসাব-নিকাশ থেকে যোগ-বিয়োগ চলে।’

আরও পড়ুন:
ফখরুলের পাকিস্তান আমলের প্রশংসা নির্লজ্জ দালালি: কাদের
নির্বাচন নয়, জান বাঁচানোর প্রস্তুতি নেন, আ.লীগ‌কে অলি
খালি মাঠে গোল নয়, প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন চাই: কাদের
কোন্দল থাকলে ভোটে বিপর্যয়ের শঙ্কায় কাদের
জাতীয় পার্টি কি আবার ভাঙবে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Only police permission left for BNPs Rajshahi rally

বিএনপির রাজশাহী সমাবেশে বাকি শুধু পুলিশের অনুমতি

বিএনপির রাজশাহী সমাবেশে বাকি শুধু পুলিশের অনুমতি সমাবেশ সামনে রেখে আগেই চলে আসা নেতাকর্মীদের জন্য একটি প্যান্ডেল নির্মাণে বাধা দেয় পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার রফিকুল আলম বলেন, ‘বিএনপির পক্ষ থেকে সমাবেশের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। এখনও অনুমতি দেয়া হয়নি। তাদের আবেদনটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ ঘিরে স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উজ্জিবিত। চলছে প্রস্তুতিও। সমাবেশের মাইকিং চলছে শহরজুড়ে। নেতা-কর্মীদের সমাগম নিশ্চিত করতে বিভিন্ন স্থানে হচ্ছে ছোট বড় মিটিং-মিছিল। চলছে লিফলেট বিতরণ।

কিন্তু সমাবেশস্থল নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা কাটেনি বিএনপির। ৩ ডিসেম্বর সমাবেশ, অথচ মঙ্গলবার পর্যন্ত তারা পুলিশের অনুমতি পায়নি।

তবে জেলা প্রশাসক রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন বিএনপিকে। ১ ডিসেম্বর থেকেই বিএনপি নেতাকর্মীরা এই মাঠে প্রস্তুতি শুরু করবেন। নেতারা আশাবাদি, শীঘ্রই তারা পুলিশেরও অনুমতি পাবেন।

এদিকে এখনও পুলিশের অনুমতি না পাওয়ায় মাঠের প্রস্তুতি নেয়ার সুযোগ নেই তাদের। মঞ্চ বানাতে গিয়ে মঙ্গলবার বাধার মুখে পড়েন স্থানীয় নেতারা। একটি প্যান্ডেল তৈরির সময় পুলিশি বাধার মুখে তা ভেঙে নিতে বাধ্য হন মঞ্চ প্রস্তুতকারীরা।

ইতোমধ্যেই সমাবেশকে সামনে রেখে ১ ডিসেম্বর থেকে রাজশাহী বিভাগে পরিবহন ধর্মঘট ঘোষণা করা হয়েছে। এ কারণে নেতা-কর্মীদের আগে ভাগেই রাজশাহী আনার কথা ভাবছে বিএনপি নেতারা।

নেতা-কর্মীদের থাকার জন্যই মাদ্রাসা ময়দানের সামনে একটি ফাঁকা জায়গায় সোমবার সকাল থেকে প্যান্ডেল তৈরির কাজ শুরু হয়। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে পুলিশ সেই প্যান্ডেল ভেঙে নিতে বাধ্য করে।

তবে পুলিশের এমন ভূমিকায় নমনীয় বিএনপি। তারা আশাবাদি, এই মাঠেই তারা সমাবেশ করবেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘পুলিশ প্যান্ডেল ভাঙেনি। পুলিশের সঙ্গে আমাদের খুব ভালোভাবেই কথা হচ্ছে। কোনো অসুবিধা নেই। পুলিশ আমাদের মাদ্রাসা ময়দানেই সমাবেশ করার অনুমতি দেবে।’

মিনু আরও বলেন, ‘নানাভাবে সরকার এই সমাবেশ বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু সব বাধা উপেক্ষা করে এখানে সফল একটি সমাবেশ হবে। জনতার ঢল নামবে মাদ্রাসা মাঠে।’

রাজশাহী নগর পুলিশের বিশেষ শাখার উপ-কমিশনার মো. আবদুর রকিব বলেন, ‘যে স্কুলের মাঠে বিএনপি সমাবেশ করবে বলছে, সেই স্কুলে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা চলছে। বুধবার পরীক্ষা হবে, বৃহস্পতিবার সকালেও একটা পরীক্ষা আছে। তাই এখনও সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয়নি। তবে বৃহস্পতিবার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে যাবে।’

মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার রফিকুল আলম বলেন, ‘বিএনপির পক্ষ থেকে সমাবেশের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। এখনও অনুমতি দেয়া হয়নি। তাদের আবেদনটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

এদিকে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠের নিয়ন্ত্রক জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল বলেন, ‘মাদ্রাসা মাঠ ঐতিহাসিক মাঠ। তারা সেই মাঠই চান। তাদের অনুরোধের কারণে বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছে। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত পরীক্ষা রয়েছে। পরের দিন ১ ডিসেম্বর থেকে তারা মাঠ ব্যবহার করতে পারবেন।’

আরও পড়ুন:
সোহরাওয়ার্দীতে বিএনপির সমাবেশে উসকানিমূলক বক্তব্য নিষেধ
দুই বিবেচনায় জামায়াত-বিচ্ছেদ গোপন বিএনপির
সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশের অনুমতি, পল্টনে অনড় বিএনপি
সিনিয়র নেতাদের নামে ‘কুৎসা রটানোয়’ পদ গেল বিএনপির সাবেক এমপির
ডিসেম্বরেই আওয়ামী লীগকে পরাজিত করতে হবে: দুদু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Abbas the former mayor of Katakhali is free on bail

জামিনে মুক্ত কাটাখালীর সাবেক মেয়র আব্বাস

জামিনে মুক্ত কাটাখালীর সাবেক মেয়র আব্বাস
বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল প্রতিষ্ঠা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েন আব্বাস আলী। ঘরোয়া একটি বৈঠকের অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ে গত বছরের নভেম্বরে। অডিওতে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করলে ‘পাপ হবে’ এমন মন্তব্য করতে শোনা যায় আব্বাসকে।

রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার বরখাস্ত হওয়া মেয়র আব্বাস আলী এক বছর পর জামিনে মুক্ত হয়েছেন।

রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জিয়াউর রহমান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দুই মামলায় মঙ্গলবার সকালে আব্বাস আলীকে জামিন দিয়েছেন। রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি সন্ধ্যায় মুক্তি পান। কারাফটক থেকে তাকে মোটরসাইকেল শোডাউন করে নিয়ে যান সমর্থকরা।

রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আব্বাস আলী পর পর দুবার নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে মেয়র হন। তিনি ছিলেন পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও দলটির জেলা কমিটির সদস্য।

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল প্রতিষ্ঠা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েন আব্বাস আলী। ঘরোয়া একটি বৈঠকের অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ে গত বছরের নভেম্বরে। অডিওতে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করলে ‘পাপ হবে’ এমন মন্তব্য করতে শোনা যায় আব্বাসকে।

এ রেকর্ড ছড়িয়ে পড়লে রাজশাহীতে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। তাকে আওয়ামী লীগের দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে নগরীর বোয়ারিয়া থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আব্দুল মমিন। এরপর কাটাখালী পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক জনি ইসলাম আরেকটি মামলা করেন কাটাখালী থানায়।

সে বছরের ১ ডিসেম্বর ভোরে র‌্যাব ঢাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন তাকে রাজশাহী কারাগারে পাঠানো হয়। গত ১০ ডিসেম্বর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় আব্বাসকে বরখাস্ত করে। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে আরও একটি মামলা হয়েছিল। এসব ঘটনার পর।

আইনজীবী ইসমত আরা জানান, তিনটি মামলাতেই জামিন পেয়েছেন সাবেক পৌর মেয়র।

আরও পড়ুন:
মেয়র আব্বাসের রিমান্ড চেয়ে পুলিশের আবেদন
দেশ ছেড়ে পালাতে চেয়েছিলেন মেয়র আব্বাস: র‍্যাব
মেয়র আব্বাস আটক
মেয়র আব্বাস কোথায়
মেয়র আব্বাসের উত্থান যেভাবে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The people of the country are in fear

‘দেশের মানুষ আতঙ্কে আছে’

‘দেশের মানুষ আতঙ্কে আছে’ জাতীয় ছাত্র সমাজের সম্মেলনে মুজিবুল হক চুন্নু। ছবি: নিউজবাংলা
মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আর বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় দূর্নীতি ও লুটপাট করেছে। দেশের মানুষ তাদের ওপর বিরক্ত। জনগন এখন জাতীয় পার্টিকে চায়।’

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ক্ষমতার জন্য সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। তাদের কারণে দেশের মানুষ আতঙ্কে আছেন। জনগন মুক্তির জন্য তাকিয়ে আছেন জাতীয় পার্টির দিকে।

মঙ্গলবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয় ছাত্র সমাজের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্মেলনের প্রধান অতিথি মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আর বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় দূর্নীতি ও লুটপাট করেছে। দেশের মানুষ তাদের ওপর বিরক্ত। জনগন এখন জাতীয় পার্টিকে চায়।

‘বিএনপি ১৯৯১-৯৬ সালে যখন ক্ষমতায় ছিল তখন জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের রাস্তায় নামতে দেয়নি। এখন তারাও পারছে না। বাংলাদেশের ৫ কোটি বেকার মানুষ নিয়ে দুই দলের কোন চিন্তা নেই। তাদের চিন্তা ক্ষমতায় থাকা, আর ক্ষমতায় যাওয়া নিয়ে।

জাতীয় পার্টি কোনও জোটে নেই, সে কারণে ৩০০ আসনে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানান চুন্নু।

সম্মেলনে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘গণতন্ত্র চর্চায় জাতীয় পার্টি কাজ করবে। প্রমাণ করবে জাতীয় পার্টি একটি শক্তিশালী দল। জাতীয় পার্টি কাজ করবে মানবকল্যাণে। জিএম কাদেরের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি এগিয়ে যাবে, তা রোধ করা যাবে না।’

জাতীয় ছাত্র সমাজের সভাপতি ইব্রাহিম খান জুয়েলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আল মামুনের পরিচালনায় সম্মেলনে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শফিকুল ইসলাম সেন্টু, এডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়াসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
জি এম কাদেরের জাতীয় পার্টি চালাতে বাধা নেই
বিএনপির সঙ্গে জোটের প্রশ্নই আসে না
‘জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে’
রওশন-কাদের বিরোধে রংপুরে মনোনয়ন জটিলতা
‘তত্ত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচনের ধারণায় জাপা বিশ্বাস করে না’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Revision of RPO EC receives Ministrys reply

আরপিও সংশোধন: মন্ত্রণালয়ের জবাব পেল ইসি

আরপিও সংশোধন: মন্ত্রণালয়ের জবাব পেল ইসি

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) বিধান সংশোধনের অগ্রগতি জানতে চেয়ে নির্বাচন কমিশনের দেয়া চিঠির জবাব দিয়েছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ। বেশ কয়েকবার চিঠি দিয়ে দীর্ঘ তিন মাস পর অবশেষে এই জবাব পেল ইসি।

আইন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আসাদুজ্জামান নূর স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে মঙ্গলবার এ জবাব দেয়া হয়। নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক আসাদুজ্জামান আরজু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) খসড়া প্রস্তাবের পর গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে তথ্য চেয়ে পাঠানো ইসির দুটি চিঠি উপেক্ষা করা হয়। কমিশন সবশেষ চিঠিতে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে জবাব দিতে সময় বেঁধে দিয়েছিল। অবশেষে সেই চিঠির জবাব মিলেছে।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, বিদ্যমান আরপিওতে বেশকিছু সংশোধনী আনার প্রস্তাব করা হয়। ভোট বাতিলে ইসির ক্ষমতা ও ভোট বন্ধে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার ক্ষমতা বাড়ানো, প্রার্থীর এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখালে বা কেন্দ্রে যেতে বাধা দিলে শাস্তির বিধান, সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে বাধা দিলে শাস্তি, দলের সর্বস্তরের কমিটিতে নারী প্রতিনিধিত্ব রাখতে ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময় দেয়া, দায়িত্বে অবহেলায় কর্মকর্তাদের শাস্তির আওতা বাড়ানো, প্রার্থীদের আয়কর সনদ জমা দেয়া বাধ্যতামূলক করাসহ বেশকিছু বিষয়ে সংস্কার চায় বর্তমান কমিশন৷

মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়, ‘আরপিও-এর সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নীতিনির্ধারণী বিষয়। সংবিধান ও বিদ্যমান আরপিও-এর বিধানগুলোর সঙ্গে ওইসব প্রস্তাব সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা সে বিষয়সহ সার্বিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা কার্যক্রম চলমান।

‘রুলস অফ বিজনেস, ১৯৯৬ এবং অ্যালোকেশন অফ বিজনেস অ্যামং দ্য ডিফারেন্ট মিনিস্ট্রিজ অ্যান্ড অনুযায়ী, প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলো বিল আকারে প্রস্তুতপূর্বক নীতিগত/চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপনসহ জাতীয় সংসদে উত্থাপনের জন্য যাবতীয় কার্যক্রম লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ওপর ন্যস্ত।

‘লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ সরকারের নির্বাহী বিভাগের অংশ হিসেবে নির্বাচন কমিশনকে সর্বদা সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করছে। ইতিপূর্বে নির্বাচন কমিশন থেকে আরপিওসহ নির্বাচন সংক্রান্ত অন্য যেসব আইন, বিধি, প্রবিধি, প্রজ্ঞাপন ইত্যাদি নতুনভাবে প্রণয়ন বা সংশোধনের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে সেসব প্রস্তাব সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সূচারুভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।’

আইন মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘আরপিও-এর প্রস্তাবিত সংশোধনগুলোর ওইরকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়া মাত্রই বিল আকারে প্রস্তুতপূর্বক নীতিগত/চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
গাইবান্ধার মতো ভোট রংপুরে চায় না ইসি
ইভিএমে রি-রাইটের সুযোগ নেই: ইসি আলমগীর
বিএনপি নির্বাচনে আসবে: ইসি আনিছুর
নিবন্ধন চেয়ে আবেদন ৮০ নয়, ৯৮ বা তার চেয়ে বেশি
নাকফুল, বাবেস, মুসকিল লীগ, বৈরাবরী পার্টিসহ নিবন্ধন চায় যারা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
UN must be effective and strong Paltu

জাতিসংঘকে কার্যকর ও শক্তিশালী হতে হবে: পল্টু

জাতিসংঘকে কার্যকর ও শক্তিশালী হতে হবে: পল্টু জাতীয় প্রেস ক্লাবে মঙ্গলবার আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু। ছবি: নিউজবাংলা
আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু বলেন, ‘মাত্র ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তানিদের নির্যাতনে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছিলাম। আর ফিলিস্তিনের মানুষ বছরের পর বছর এই মুক্তির আন্দোলন করে আসছে। জীবন দিয়ে যাচ্ছে। তারা অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম করছে।’

আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু বলেছেন, ‘মানুষের ন্যায্য অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সবকিছু প্রতিষ্ঠা করার জন্যই জাতিসংঘের সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে আন্তর্জাতিক বড় বড় শক্তির কাছে জাতিসংঘ যেন অসহায়। বিশ্ব সংস্থাটিকে এই অসহায়ত্ব দূর করে শক্তিশালী ও কার্যকরী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড়াতে হবে।’

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘ফিলিস্তিনের জনগণের সাথে আন্তর্জাতিক সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ শান্তি পরিষদ আয়োজিত এই সভায় আয়োজক সংগঠনের সভাপতি পল্টু বলেন, ‘আমরা মাত্র ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধ করেছি। সেখানে পাকিস্তানিদের নির্যাতনে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছিলাম। আর ফিলিস্তিনের মানুষ বছরের পর বছর এই মুক্তির আন্দোলন করে আসছে। জীবন দিয়ে যাচ্ছে। তারা অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম করছে।’

তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি ফিলিস্তিনিদের দুঃখ-দুর্দশার খবর। তারা কোনো আধিপত্যের জন্য সংগ্রাম করেনি। আজকে নিজ ভূমিতে তারা প্রতিমুহূর্তে মৃত্যুর প্রহর গুনছে। ফিলিস্তিনের এমন অবস্থা সৃষ্টির সঙ্গে আমেরিকা জড়িত। আমেরিকাপন্থি ইসরায়েল তাদের ‌ওপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।’

‘ফিলিস্তিনের শিশুরা জন্ম থেকেই দেখছে তাদের সামনে মা-বাবাকে হত্যা করা হচ্ছে। তাদের ওপর পাশবিক নির্যাতন করা হচ্ছে। এই নির্মমতা সবাইকে উপলব্ধি করতে হবে। তাই আন্তর্জাতিক মহল ফিলিস্তিনের জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে এই দিনকে ফিলিস্তিন দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP will not exist if lying is banned Who

মিথ্যাচার নিষিদ্ধ হলে বিএনপির অস্তিত্ব থাকবে না: কাদের

মিথ্যাচার নিষিদ্ধ হলে বিএনপির অস্তিত্ব থাকবে না: কাদের
১০ ডিসেম্বর রাজধানীতে বিএনপির সম্ভাব্য সমাবেশের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আক্রমণ না করলে কোনো পাল্টা আক্রমণ করা হবে না। কিন্তু যদি আক্রমণের মতলব থাকে, তবে খবর আছে।’

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বিএনপির সমালোচনা করে বলেছেন, ‘যদি আইন করে মিথ্যাচার নিষিদ্ধ করা হয়, তাহলে বিএনপির কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।’

আরও বলেন, ‘এরা ভোট চুরি করেছে, ভুয়া ভোটার তৈরি করেছে। অর্থ পাচার করে মুচলেকা দিয়ে তাদের নেতা লন্ডনে চলে গেছে। সেখানে বসে বসে মাঝেমাঝে হুংকার দেয়। আওয়ামী লীগ এসব হুংকারে ভয় পায় না। আর বাংলাদেশের মানুষও এমন নেতাকে মানে না।’

মঙ্গলবার বিকেলে নেত্রকোণা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন কাদের।

তিনি বলেন, ‘খেলা হবে। আন্দোলনে খেলা হবে। নির্বাচনে খেলা হবে। মোকাবিলায় খেলা হবে। হাওয়া ভবনের বিরুদ্ধে খেলা হবে। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে খেলা হবে।

‘যারা সন্ত্রাস করে আওয়ামী লীগের ২১ হাজার নেতা-কর্মীকে হত্যা করেছে, হাজারো মায়ের কোল খালি করেছে, অগণিত স্ত্রীদের স্বামীহারা করেছে, বোনদের ভাইহারা করেছে, তাদের কোনো ক্ষমা নেই।’

আগামী ১০ ডিসেম্বর রাজধানীতে বিএনপির সম্ভাব্য সমাবেশের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আক্রমণ না করলে কোনো পাল্টা আক্রমণ করা হবে না। কিন্তু যদি আক্রমণের মতলব থাকে, তবে খবর আছে।’

এ সময় দেশের জনসাধারণকে আতঙ্কিত না হবার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা জনগণের পাশে আছি। জনগণকে নিয়েই আমরা এদের প্রতিহত করব।’

শেখ হাসিনার সরকারের সাফল্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বিশ্বের বহু দেশে দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। কিন্তু সে তুলনায় আমরা বাংলাদেশের জনগণ অনেক ভালো আছি। শেখ হাসিনা ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকে।’

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে নেত্রকোণা জেলা আওয়ামী লীগের আংশিক নতুন কমিটি ঘোষণা করেন ওবায়দুল কাদের। কমিটিতে অ্যাডভোকেট আমীরুল ইসলামকে সভাপতি এবং অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান লিটনকে (ভিপি লিটন) সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

মিথ্যাচার নিষিদ্ধ হলে বিএনপির অস্তিত্ব থাকবে না: কাদের
নেত্রকোণা জেলা আওয়ামী লীগের নতুন সভাপতি অ্যাডভোকেট আমীরুল ইসলাম (বাঁয়ে) ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান লিটনকে (ভিপি লিটন)

নেত্রকোণা জেলা আওয়ামী লীগের বিদায়ী সভাপতি মতিয়র রহমান খানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী খান খসরুর পরিচালনায় সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল এমপি, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য মারুফা আক্তার পপি, উপাধ্যক্ষ রেমন্ড আরেং, ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল বীর প্রতীক এমপি, হাবিবা রহমান খান শেফালী এমপিসহ অনেকেই।

সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘বিএনপি যতই বলুক না কেন, পৃথিবীর কোনো শক্তিই আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে পরাজিত ও ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবে না। বিএনপির শাসনামলে গণতন্ত্র ছিল বিপন্ন। অর্থনীতি ছিল ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। তারা আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতা-কর্মী ও বহু হিন্দু পরিবারের ধনসম্পদ লুণ্ঠন করেছে, বাড়িতে আগুন দিয়েছে, অত্যাচার করেছে।’

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বিএনপি ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। সে পদ্ধতিতে আর নির্বাচনের সুযোগ নেই। সারা বিশ্বে যে পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়, সে পদ্ধতিতেই দেশের সংবিধান অনুসারে বাংলাদেশের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। '৭১, '৭৫ এবং ২১ আগস্টের খুনিদের আর বাংলার মাটিতে ঠাঁই হবে না।

আরও পড়ুন:
বিএনপির এবার টানেলের জ্বালা: কাদের
কাদেরের কাছে ক্ষমা চাইলেন একরাম
বিএনপির পতন অনিবার্য: কাদের
ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে অপশক্তি মাঠে নেমেছে: ওবায়দুল কাদের
খেলার নিয়ম ভঙ্গ করলে বিএনপির খবর আছে: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
10 people in the fight for the post of mayor in Rangpur

রংপুরে মেয়র পদে লড়াইয়ে ১০ জন

রংপুরে মেয়র পদে লড়াইয়ে ১০ জন রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) ভবনের ফটক। ছবি: সংগৃহীত
রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল বাতেন জানান, মঙ্গলবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত মেয়র পদে ১০ জন, সংরক্ষিত কাউন্সিলরের ১১ পদের বিপরীতে ৬৯ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলরের ৩৩ পদের বিপরীতে ১৯৮ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে লড়তে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১০ জন।

মঙ্গলবার ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন। বিকেল ৪টা পর্যন্ত মেয়র পদে ১০ জন, সংরক্ষিত কাউন্সিলরের ১১ পদের বিপরীতে ৬৯ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলরের ৩৩ পদের বিপরীতে ১৯৮ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

বিকেলে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল বাতেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, মেয়র পদে মনোয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১০ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরুজ্জামান পিয়াল, জাসদের শফিয়ার রহমান।

এ ছাড়াও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আতাউর জামান বাবু, খেলাফত মজলিশের তৌহিদুর রহমান মণ্ডল, জাকের পার্টির খোরশেদ আলম এবং ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি লতিফুর রহমান মিলন, মেহেদী হাসান বনি, আবু রায়হান মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

মনোনয়নপত্র নিয়েও জমা দেননি জাপার বহিষ্কৃত নেতা এ কে এম আব্দুর রউফ মানিক, শ্রমিক লীগ নেতা এম এ মজিদ ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা মাহবুবার রহমান বেলাল।

তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই ১ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ৮ ডিসেম্বর। প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে ৯ ডিসেম্বর।

রংপুর সিটি করপোরেশনের তৃতীয়বারের নির্বাচন ২৭ ডিসেম্বর।

আরও পড়ুন:
রংপুর সিটিতে সুন্দর ভোট আয়োজনে কোনো ছাড় দেবে না ইসি
রসিক নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন ২৯ নভেম্বর
রংপুর সিটিতে ভোট ২৭ ডিসেম্বর
রংপুরে সমাবেশের মঞ্চে ফখরুল
রংপুরে বিএনপির সমাবেশ শুরু

মন্তব্য

p
উপরে