× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Fakhrul is sitting in Dhaka looking for government failure Information Minister
hear-news
player
google_news print-icon

ফখরুল ঢাকায় বসে সরকারের ব্যর্থতা খুঁজছেন: তথ্যমন্ত্রী

ফখরুল-ঢাকায়-বসে-সরকারের-ব্যর্থতা-খুঁজছেন-তথ্যমন্ত্রী
পঞ্চগড়ে করতোয়া নদীতে নৌকাডুবিতে মৃত ৬৯ জনের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
‘নৌকাডুবির ঘটনা মির্জা ফখরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে, তিনি এখনও আসেননি, ঢাকায় বসে সরকারের ব্যর্থতা খুঁজছেন। আমরা এসেছি, আমাদের পর তিনি আসবেন। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আমরা প্রতিটি পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা মানবিক সাহায্য দিয়েছি।’

‘অর্থ দিয়ে মানুষের শোক মুছে দেয়া যায় না। আওয়ামী লীগ পঞ্চগড়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে আর মির্জা ফখরুল ঢাকায় বসে সরকারের ব্যর্থতা খুঁজছেন।’

পঞ্চগড়ের বোদায় করতোয়া নদীতে নৌকাডুবিতে মৃত ৬৯ জনের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের সময় তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেন।

রোববার বিকেলে উপজেলার মাড়েয়া বামনপাড়ায় ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক সুজতি রায় নন্দি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থ দিয়ে মানুষের শোক মুছে দেয়া যায় না, আমরা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি, তাদের শোকে শামিল হতে। এটা আওয়ামী লীগের আদর্শ।

‘নৌকাডুবির ঘটনা মির্জা ফখরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে, তিনি এখনও আসেননি, ঢাকায় বসে সরকারের ব্যর্থতা খুঁজছেন। আমরা এসেছি, আমাদের পর তিনি আসবেন। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আমরা প্রতিটি পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা মানবিক সাহায্য দিয়েছি।’

অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ মানুষকে কখনও বিপদে ঠেলে দেয় না। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে আছি এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত থাকব। ঘটনার পর থেকেই সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের মানবিক সহায়তা দেয়া হচ্ছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নে করতোয়ার আউলিয়ার ঘাটে সেতু নির্মাণ হবে। সেতু নির্মাণের বরাদ্দ এরই মধ্যে একনেকে পাস হয়েছে।’

‘এই এলাকার মানুষের প্রতি সেতুটি নির্মাণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি ছিল। আগামী জানুয়ারির মধ্যেই এর নির্মাণকাজ শুরু হবে।’

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মরদেহ সৎকারের জন্য ২০ হাজার টাকা, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ২৫ হাজার টাকা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়েছে।

বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন, রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা দিয়েছে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুকুমার চৌধুরী , পঞ্চগড় জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাৎ সম্রাট, বোদা পৌরসভার মেয়র ওয়াহেদুজ্জামান সুজু।

বোদেশ্বরী মন্দিরে মহালয়া পূজায় যোগ দিতে গিয়ে ২৫ সেপ্টেম্বর বোদার মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়নে করতোয়ার আউলিয়ার ঘাটে নৌকাডুবিতে ৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন তিনজন।

আরও পড়ুন:
নৌকাডুবি: একের পর এক মিলছে দেহ, মৃত বেড়ে ৬৮
বাধা উপেক্ষা করে স্রোতের মতো নৌকায় উঠেছিলেন পুণ্যার্থীরা
করতোয়ায় নৌকাডুবি: মৃত বেড়ে ৬১
করতোয়ায় নৌকাডুবি: লাশের সারি বাড়ছেই
মরণ তুচ্ছ করে স্বামীকে বাঁচালেন যশবালা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Tiger hunting by mixing poison in goat meat

ছাগলের মাংসে বিষ মিশিয়ে বাঘ শিকার

ছাগলের মাংসে বিষ মিশিয়ে বাঘ শিকার সাতক্ষীরার শ্যামনগর থেকে দুজনকে আটকের পর উদ্ধার করা বাঘের চামড়া। ছবি: নিউজবাংলা
সুন্দরবনে বাঘের বিচরণ এলাকায় রেখে আসা হয় বিষমিশ্রিত মাংস। বাঘ ওই মাংস খেয়ে মারা যাওয়ার পর সেটির চামড়া ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে আসা হয়। পরে এক শ্রেণির সৌখিন মানুষের কাছে তা বিক্রি করা হয় প্রায় কোটি টাকা দামে।

ছাগলের মাংসের মধ্যে কীটনাশক (বিষ) মিশিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় সুন্দরবনে। বাঘের বিচরণ এলাকার আশপাশে রেখে আসা হয় সেই মাংস। এক পর্যায়ে বাঘ ওই মাংস খেয়ে মারা গেলে সেটির চামড়া ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে আসা হয়। পরে এক শ্রেণির সৌখিন মানুষের কাছে তা বিক্রি করা হয় প্রায় কোটি টাকা দামে।

বাংলাদেশের জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার এভাবেই সুন্দরবন থেকে শিকার করে আসছিল একটি চক্র। এদের মধ্যে দুইজনকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

সোমবার বিকেলে আটক করা ওই দুজন হলেন মো. হাফিজুর শেখ ও মো. ইসমাইল শেখ। তাদের বাড়ি সুন্দরবন সংলগ্ন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ধলপাড়া গ্রামে।

র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘প্রথমে আমারা গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে এই বাঘ শিখার চক্রটি সম্পর্কে তথ্য পাই। পরে বাঘের চামড়া ও অঙ্গ-প্রত্যক্ষের ক্রেতা সেজে তাদেরকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি বাঘের চামড়া লবণ মাখা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।’

আটকদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘২৭ জানুয়ারি ওরা শ্যামনগর উপজেলা সংলগ্ন সুন্দরবন থেকে বাঘটি শিকার করেছিলেন। পরে সৌখিন মানুষদের খুঁজছিলেন, যারা প্রায় কোটি টাকা মূল্য দিয়ে একেকটি বাঘের চামড়া কিনে থাকে।

‘যারা এসব বাঘের চামড়া কেনে তারাও আমাদের নজরদারিতে আছে। গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিকারিরা জানিয়েছেন, তারা মাছ ও গোলপাতা সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সুন্দরবনে প্রবেশ করে বাঘ শিকার করতেন। সুযোগ বুঝে বনের অন্যান্য প্রাণিও শিকার করতেন তারা।

অধিনায়ক বলেন, আটকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। একইসঙ্গে এই মামলার তদন্তভার আমাদের দেয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হবে। তাহলে এই সিন্ডেকেটে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।’

আরও পড়ুন:
সুন্দরবনের ‘বাঘ হাবিব’ কারাগারে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The lawyer took the litigant out of the court

আদালত থেকে বিচারপ্রার্থীকে বের করে দিলেন আইনজীবী

আদালত থেকে বিচারপ্রার্থীকে বের করে দিলেন আইনজীবী কয়েকজন আইনজীবী আদালতের কাজ বন্ধ রয়েছে বলে সালামকে ধমকিয়ে আদালত ভবন থেকে বের করে দেন। ছবি: নিউজবাংলা
আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আদালতে বিচারক, কর্মকর্তা ও কার্মচারীগণ উপস্থিত রয়েছেন। বিচারকার্যের জন্য সবাই প্রস্তুত রয়েছেন। বিচার চেয়ে আদালতের কাছে দারস্থ হওয়া আইনগত অধিকার। তবে বিচারপ্রার্থীদের আদালতে আসতে না দেয়া সম্পূর্ণ বেআইনী।’

দীর্ঘ এক মাস ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই বিচারক ও নাজির মমিনুল ইসলামের শাস্তির দাবিতে কোর্ট বর্জন করছে আইনজীবীরা। এতে অচল হয়ে পড়ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিচার ব্যবস্থা। জেলা ও দায়রা জজ নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল-১ এর আদালত ব্যতীত সব আদালতে গিয়েছে আইনজীবীরা ।

দাবি পূরণ না হওয়ায় বুধবার সকাল থেকে আবারও সব আদালত বর্জন করেছে আইনজীবী সমিতি। এতে বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি বুধবার থেকে আরও বাড়বে বলে মনে আদালত-সংশ্লিষ্টরা।

আদালতে ঘুরে দেখা যায়, সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে আদালত চত্বরে বিচারপ্রার্থীদের সমাগম থাকলেও আইনজীবী দেখা যায় নি। তবে বিচার প্রার্থীরা জানতেন না বুধবার থেকে আবারও আদালত করবেন না আইনজীবীরা । বিষয়টি জেনে অনেক বিচারপ্রার্থী হতাশাগ্রস্থ হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা বিচারপ্রার্থীরা আদালত প্রাঙ্গণে এসে ঘুরে আবারও ফিরে যাচ্ছেন।

বিচার প্রার্থীরা ইচ্ছেকৃতভাবে ফিরে যাচ্ছে না, আইনজীবীরা আদালতের প্রতিটি প্রবেশ দ্বারে দাঁড়িয়ে আদালত থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে বিচার প্রার্থীদের।

তেমনটি অভিযোগ করেন সরাইল উপজেলা অরুয়াইল থেকে আসা সালমা বেগম। তিনি অভিযোগ করেন, স্বামীর জামিনের আবেদন করতে আসলে আদালতে ভিতর ঢুকতেই ধমকিয়ে বের করে দেয়া হয়েছে তাকে। চার শিশু সন্তান নিয়ে দীর্ঘ দেড় মাস যাবত এই আদালতে চত্বরে ঘুরছেন স্বামী কাউসারকে জামিন করানোর জন্য। তবে আইনজীবী ও বিচারকদের দ্বন্ধে স্বামীর জামিন না করাতে পেরে শিশু সন্তান নিয়ে পথে বসার মত অবস্থা তাদের।

সালমা বেগম বলেন, ‘৬ মাস আগে প্রতিবেশী এক মহিলা তার স্বামী কাউসারের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। আর সেই মামলায় জেল খাটছে তার স্বামী। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী হওয়ায় স্বামীকে জামিন করানো জন্য হন্য হয়ে ঘুরছে আদালতে।

‘গত ৩ জানুয়ারি আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। মামলায় প্রতিবেশী মহিলার সঙ্গে আপোষ করা হলেও সেদিন আইনজীবী না থাকায় তার স্বামীর জামিন হয় নি। তবে আদালতের বিচারক বলেছিলেন পিপি সাহেবের স্বাক্ষর নিয়ে আসলে জামিন দেয়া হবে। কিন্তু সেদিন ৫০০০ হাজার টাকা দিয়ে পায়ে ধরে কান্নাকাটি করলে তিনি স্বাক্ষর দেননি। বুধবার তার স্বামীর মামলা শুনানি ছিল। কিন্তু সকালে আদালতে প্রবেশ দ্বারে ঢুকতে গেলেই কয়েকজন আইনজীবী আদালতের কাজ বন্ধ রয়েছে বলে সালামকে ধমকিয়ে আদালত ভবন থেকে বের করে দেয়। এ সময় সাথে ছিল তার চার শিশু সন্তান।’
শুধু সালমা নয়, সরাইল রসূলপুরের মুমিনুল হক, কসবা উপজেলা শাহাদৎ মিয়া, আখাউড়া উপজেলা মনোয়ারা বেগম, বাঞ্ছারাপুরের ইলিয়াস মিয়া, নবীরনগর উপজেলা কৃষ্ণনগর গ্রামের ইছা মিয়া সহ আরও বেশ কয়েকজনকে আইনজীবীদের পথ আটকে দেয়ার কারণে আদালত থেকে ফিরে যেতে হয়েছে।

আদালত থেকে ফিরিয়ে দেয়ার কারণ জানতে চাইলে আইনজীবী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট বশির আহমেদ খান বলেন, ‘আমাদের দাবি অনুযায়ী আদালত বর্জন চলছে। কার্যক্রম যেন না নিতে পারে সেক্ষেত্রে ব্যবস্থা নিচ্ছি। আইনজীবী ছাড়া সরাসরি যেন কোনো পিটিশন না নেয় সেই বিষয়ে আমরা প্রয়োজন ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

এ ব্যাপারে আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আদালতে বিচারক, কর্মকর্তা ও কার্মচারীগণ উপস্থিত রয়েছেন। বিচারকার্যের জন্য সবাই প্রস্তুত রয়েছেন। বিচার চেয়ে আদালতের কাছে দারস্থ হওয়া আইনগত অধিকার। তবে বিচারপ্রার্থীদের আদালতে আসতে না দেয়া সম্পূর্ণ বেআইনী।’

আরও পড়ুন:
এক সপ্তাহ পর সচল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিচার বিভাগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই বিচারক বাদে অন্যদের আদালতে যাবেন আইনজীবীরা
দুই বিচারকের অপসারণ দাবিতে আইনজীবীদের কোর্ট বর্জন
এয়ারগানে পাখি শিকারের দায়ে ৬ মাসের জেল
এনআইডি জালিয়াতির মামলায় ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Old womans throat slit in cowshed

গোয়াল ঘরে বৃদ্ধার গলাকাটা মরদেহ

গোয়াল ঘরে বৃদ্ধার গলাকাটা মরদেহ
মেলান্দহ থানার ওসি দেলোয়ার বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।’

জামালপুরের মেলান্দহে এক বৃদ্ধ নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নের টগারচর এলাকায় সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

৫৫ বছর বয়সী সুরাইয়া বেগম ওই এলাকার আজিজুল হকের স্ত্রী।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানান।

নিহতের স্বজনেরা জানান, বুধবার ভোর সকালে গোয়ালঘর থেকে গরু বের করতে যান নিহত সুরাইয়া বেগম। তার স্বামী আজিজুল হক মসজিদে ফজরের নামাজ পড়ে গোয়াল ঘরে গিয়ে দেখেন স্ত্রীর গলাকাটা লাশ। পরে ডাক চিৎকারে লোকজন আসেন। পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

ওসি দেলোয়ার বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।’

আরও পড়ুন:
দোকানের সামনের সড়কে যুবকের গলাকাটা ক্ষতবিক্ষত মরদেহ
কমলাপুরে আবাসিক হোটেলে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ
স্বামীর ওপর রাগ করে সৎ ছেলেকে বালিশচাপায় হত্যার অভিযোগ
নদীতে গোসলে নেমে নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু
ঢাকনাহীন সেপটিক ট্যাংকে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
All 65 students of 13 colleges in Dinajpur failed

দিনাজপুরে ১৩ কলেজের সবাই ফেল

দিনাজপুরে ১৩ কলেজের সবাই ফেল দিনাজপুরে এইচএসসির ফল পেয়ে উচ্ছ্বসিত ছাত্রীরা। ছবি: নিউজবাংলা
জেলায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষার পাসের হার গত বছরের তুলনায় কমেছে। এ বছর এ বোর্ডে পাস দাঁড়িয়েছে ৭৯ দশমিক ৮ শতাংশ। একই সঙ্গে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী, জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে। তবে সে তুলনায় গত বছরের তুলনায় অকৃতকার্য কলেজের সংখ্যা বেড়েছে।

দিনাজপুরে গত বছর অকৃতকার্য কলেজের সংখ্যা ছিল দুটি, তবে এ বছর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩টিতে। এই ১৩টি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল মাত্র ৬৫ জন।

জেলায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষার পাসের হার গত বছরের তুলনায় কমেছে। এ বছর এ বোর্ডে পাস দাঁড়িয়েছে ৭৯ দশমিক ৮ শতাংশ। একই সঙ্গে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী, জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে। তবে সে তুলনায় গত বছরের তুলনায় অকৃতকার্য কলেজের সংখ্যা বেড়েছে।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তোফাজ্জুর রহমানের সই করা এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বুধবার দুপুরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি বছর এসএসসি পাসের হার ৭৯ দশমিক ৮ শতাংশ। গত বছর এই বোর্ডে পাশের হার ছিল ৯২ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এই বোর্ডের অধীনে রংপুর বিভাগের ৮ জেলার ৬৭১টি কলেজ থেকে এক লাখ ২৯৩ জন পরীক্ষার্থী রেজিষ্ট্রেশন করে। কিন্তু পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ৯৯ হাজার ৭০৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৭৮ হাজার ৮৪৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিসূত্রে জানা গেছে, উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ১১ হাজার ৮৩০ জন। এর মধ্যে ৬ হাজার ২৫৫ জন ছাত্রী ও ৫ হাজার ৫৭৫ জন ছাত্র। গত বছর এই বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১৫ হাজার ৩৪৯ জন শিক্ষার্থী। সে তুলনায় চলতি বছর জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা কমেছে তিন হাজার ৫১৯ জন।

এ বোর্ডে অকৃতকার্য ১৩টি কলেজগুলো হলো- ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার গড় কলেজ (১৩ জন পরীক্ষার্থী), ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর মহিলা কলেজ (১১ জন পরীক্ষার্থী), কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাটে সিংগার ডাবরিরহাট বিএল হাই স্কুল এন্ড কলেজ (৭ জন পরীক্ষার্থী), পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলার আলহাজ্ব তমিজ উদ্দীন কলেজ (৭জন পরীক্ষার্থী), পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার মারেয়া মডেল হাই স্কুল এন্ড কলেজ (৭জন পরীক্ষার্থী), লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার নাসির উদ্দীন কলেজ (৬জন পরীক্ষার্থী), একই জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার দুহুলা এসসি হাই স্কুল এন্ড কলেজ (৪জন পরীক্ষার্থী), নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার চৌধুরীরানী হাই স্কুল এন্ড কলেজ (৩জন পরীক্ষার্থী), দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার সনকা আদর্শ কলেজ (৩জন পরীক্ষার্থী), গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা মহিলা কলেজ (একজন পরীক্ষার্থী), লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার দইখাওয়া মহিলা কলেজ (একজন পরীক্ষার্থী), দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার উত্তর লক্ষিপুর হাই স্কুল এন্ড কলেজ (একজন পরীক্ষার্থী) ও ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার পীরগঞ্জ কলেজিয়েট স্কুল এন্ড কলেজ (একজন পরীক্ষার্থী)।

আরও পড়ুন:
এইচএসসির ফল প্রকাশ
এইচএসসি ও সমমানের ফল জানবেন কীভাবে
এইচএসসির ফলের অপেক্ষা
এইচএসসির ফল ৮ ফেব্রুয়ারি
এসএসসি এপ্রিলে, এইচএসসি জুনে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangladeshi killed in BSF firing at Maheshpur border

মহেশপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

মহেশপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত আরিফুল ইসলামের নিহতের ঘটনায় স্বজনদের আহাজারি। ছবি: নিউজবাংলা
শ্যামকুড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জামিরুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মরদেহ ভারতে রয়েছে। আমরা মরদেহ দেশে ফেরত আনার জন্য বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেছি।’

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার শ্যামকুড় সীমান্তে বিএসএফের এক গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।

ভারতের পাকুড়া সীমান্তে বুধবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ৩০ বছর বয়সী আরিফুল ইসলাম শ্যামকুড় পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা।

স্থানীয় সংবাদকর্মী মশিউর রহমান টিংকু জানান, আরিফুল ইসলামসহ আরও কয়েকজন সীমান্তের ওপারে গরু আনতে যায়। ভোররাতে ফেরার পথে ভারতের পাখিউড়া ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যসের সামনে পড়ে। সেসময় বিএসএফ তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে অন্যরা পালিয়ে গেলেও গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় আরিফুল ইসলাম।

শ্যামকুড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জামিরুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মরদেহ ভারতে রয়েছে। আমরা মরদেহ দেশে ফেরত আনার জন্য বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেছি।’

আরও পড়ুন:
থানচিতে র‌্যাবের সঙ্গে জঙ্গিদের গোলাগুলি
ট্রাকচাপায় বাইক আরোহী নিহত
ভবন মালিকের গুলিতে রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার ও কর্মচারী আহত
গরুবোঝাই ভটভটির ধাক্কায় প্রাণ গেল বাইক আরোহীর
ফলার আঘাতে নিহত পল্লি চিকিৎসক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
100 pass in 34 colleges in Barishal

ব‌রিশা‌লে শতভাগ পাস ৩৪টি ক‌লে‌জে

ব‌রিশা‌লে শতভাগ পাস ৩৪টি ক‌লে‌জে বরিশালে এইচএসসির ফল পেয়ে উচ্ছ্বসিত ছাত্রীরা সেলফি তুলছেন। ছবি: নিউজবাংলা
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ব‌লেন, ব‌রিশাল বিভা‌গে এবা‌রে পাসের হা‌রে এ‌গি‌য়ে র‌য়ে‌ছে ভোলা জেলা। এই জেলায় পা‌শের হার ৯২ দশ‌মিক ৯। এরপ‌রে ৯১ দশ‌মিক ১২ ভাগ নি‌য়ে এ‌গি‌য়ে আ‌ছে ব‌রিশাল। ঝালকা‌ঠি‌তে পা‌সের হার ৮৮ দশ‌মিক ২৫, পি‌রোজপু‌রে ৮৮ দশ‌মিক ১৮, বরগুনায় ৮৭ দশ‌মিক ৮৩ ও পটুয়াখালী‌তে পা‌সের হার ৭৩ দশ‌মিক ৭৫ ভাগ।

বরিশালে উচ্চ মাধ‌্যমিক পরীক্ষায় এবা‌রে কো‌নো ক‌লে‌জেই শূন‌্য পাস নেই, ত‌বে শতভাগ পাস র‌য়ে‌ছে ৩৪টি ক‌লে‌জে।

ব‌রিশাল বো‌র্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুন কুমার গাইন বুধবার এক সংবাদ স‌ম্মেল‌নে এ ফলাফল প্রকাশ ক‌রেন।

তি‌নি বলেন, ‘এবা‌রে কো‌নো ক‌লে‌জেই শূন‌্য পাস নেই। ত‌বে শতভাগ পাস র‌য়ে‌ছে ৩৪টি ক‌লে‌জে। এবা‌রে ইং‌রেজি সাব‌জে‌ক্টে তুলনামূলক ফলাফল খারাপ হ‌য়ে‌ছে পরীক্ষার্থী‌দের।’

উচ্চ মাধ‌্যমিক পরীক্ষায় ব‌রিশাল মাধ‌্যমিক ও উচ্চ মাধ‌্যমিক শিক্ষাবো‌র্ডে পা‌সের হার ৮৬ দশ‌মিক ৯৫ ভাগ। গত বছর পা‌সের হার ছি‌ল ৯৫ দশ‌মিক ৭৬। ত‌বে গত বছ‌রের তুলনায় পা‌সের হার কম হ‌লেও ফলাফলে সবাই সন্তুষ্ট ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ। এ‌দি‌কে এবা‌রে জি‌পিএ ৫ পে‌য়ে‌ছে ৭৩৮৬ জন, যা গত বছ‌রের তুলনায় ২৫৮৫ জন কম।

অরুন কুমার ব‌লেন, ‘৬১ হাজার ৮৮৫ পরীক্ষার্থীর ম‌ধ্যে উত্তীর্ণ হ‌য়ে‌ছে ৫৩ হাজার ৮০৭ জন। এর ম‌ধ্যে ছে‌লে ২৫ হাজার ৫৮৮ ও মে‌য়ে ২৮ হাজার ২১৯ জন। ৭ হাজার ৩৮৬ জন জি‌পিএ-৫ প্রাপ্তদের ম‌ধ্যে ছে‌লে দুই হাজার ৫৮০ ও মে‌য়ে ৫ হাজার ৮০৬ জন।’

৩৩১ ক‌লে‌জের পরীক্ষার্থীরা ১২৫ কে‌ন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নে‌য় এবং পু‌রো পরীক্ষায় ব‌হিষ্কার হ‌য়েছেন ২০ জন পরীক্ষার্থী। তা‌দের ম‌ধ্যে ৭ জন বিজ্ঞান বিভা‌গের, ১২ জন মান‌বিক ও একজন ব‌্যবসায় শিক্ষার।

বিজ্ঞান বিভা‌গে পরীক্ষার্থী ছি‌ল ১২ হাজার ৭২ জন, পাশ ক‌রে‌ছে ১০ হাজার ৮৬১ জন, মা‌নবিক বিভা‌গে পরীক্ষার্থী ছি‌ল ৪০ হাজার ৩১১ জন ও পাস ক‌রে‌ছেন ৩৪ হাজার ৬৭৩ জন এবং ব‌্যবসায় শিক্ষা বিভা‌গে পরীক্ষার্থী সংখ‌্যা ৯ হাজার ৫০২ জন ও পাস ক‌রে‌ছে ৮ হাজার ২৭৩ জন।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ব‌লেন, ব‌রিশাল বিভা‌গে এবা‌রে পা‌সের হা‌রে এ‌গি‌য়ে র‌য়ে‌ছে ভোলা জেলা। এই জেলায় পা‌সের হার ৯২ দশ‌মিক ৯। এরপ‌রে ৯১ দশ‌মিক ১২ ভাগ নি‌য়ে এ‌গি‌য়ে আ‌ছে ব‌রিশাল। ঝালকা‌ঠি‌তে পা‌সের হার ৮৮ দশ‌মিক ২৫, পি‌রোজপু‌রে ৮৮ দশ‌মিক ১৮, বরগুনায় ৮৭ দশ‌মিক ৮৩ ও পটুয়াখালী‌তে পা‌সের হার ৭৩ দশ‌মিক ৭৫ ভাগ।

ভোলা পা‌সের হা‌রে এ‌গি‌য়ে থাক‌লেও দুই হাজার ২৯৭‌টি জি‌পিএ-৫ এ পে‌য়ে এ‌গি‌য়ে ব‌রিশাল জেলা। এ ছাড়া ভোলায় জি‌পিএ-৫ পে‌য়ে‌ছে ৬৫৩ জন, ঝালকা‌ঠি‌তে ২৯৮ জন, পি‌রোজপু‌রে ৫৪৭ জন, বরগুনায় ৫২৭ জন ও পটুয়াখালী‌তে ৪৮৪ জন।

এ‌দি‌কে ফলাফ‌লে খু‌শি হ‌য়ে ব‌রিশা‌লে ক‌লে‌জে ক‌লে‌জে উচ্ছ্বাস ক‌রে‌ছে শিক্ষার্থীরা। কা‌ঙ্খিত ফলাফল পে‌য়ে খু‌শি তারা।

আরও পড়ুন:
এইচএসসি ও সমমানের ফল জানবেন কীভাবে
এইচএসসির ফলের অপেক্ষা
এইচএসসির ফল ৮ ফেব্রুয়ারি
এসএসসি এপ্রিলে, এইচএসসি জুনে
রাজশাহী বোর্ডে ২০ হাজার পরীক্ষার্থীর খাতা চ্যালেঞ্জ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rajshahi Board pass GPA five ahead girls

রাজশাহী বোর্ডে পাস, জিপিএ ফাইভে এগিয়ে মেয়েরা

রাজশাহী বোর্ডে পাস, জিপিএ ফাইভে এগিয়ে মেয়েরা এইচএসসি ফল ভালো করায় শিক্ষার্থীদের মিষ্টি খাওয়াচ্ছেন শিক্ষক। ছবি: নিউজবাংলা
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরিফুল ইসলাম বলেন, ছাত্রীদের পাসের হার ৮৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ। আর ছাত্রদের পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৭ ভাগ। জিপিএ-৫ প্রাপ্তি ছাত্রীর সংখ্যা ১১ হাজার ৯৫৭ জন। আর জিপিএ ৫ পাওয়া ছাত্রের সংখ্যা ৯ হাজার ৮৯৮ জন।’

রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে ছাত্রদের চেয়ে এগিয়ে ছাত্রীরা।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরিফুল ইসলাম বুধবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরিফুল ইসলাম বলেন, ছাত্রীদের পাসের হার ৮৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ। আর ছাত্রদের পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৭ ভাগ। জিপিএ-৫ প্রাপ্তি ছাত্রীর সংখ্যা ১১ হাজার ৯৫৭ জন। আর জিপিএ ৫ পাওয়া ছাত্রের সংখ্যা ৯ হাজার ৮৯৮ জন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এবার পাস করেছে এক লাখ ৩ হাজার ৩৮৫ জন। পাসের হার ৮১ দশমিক ৬০। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১ হাজার ৮৫৫ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিক দিয়ে গতবারের চেয়ে কমেছে। গত বছর এ বোর্ডে পাসের হার ছিল ৯৭ দশমিক ২৯ শতাংশ।’

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন, ‘এ বছর শতভাগ পাশ করেছে ৩১ টি কলেজের শিক্ষার্থীরা। শতভাগ ফেল করেছে এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৯টি।’

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরও বলেন, ‘গত বছরের ৬ নভেম্বর থেকে শুরু হয় এইচএসসি পরীক্ষা। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের আওতায় বিভাগের আট জেলায় এবার পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ২৯ হাজার ৪২৩ জন। এর মধ্যে পরীক্ষা দেয় ১ লাখ ২৬ হাজার ৭০০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৬৬ হাজার ৯৪৩ জন আর ছাত্রী ৫৯ হাজার ৭৫৭ জন। বিভাগের আট জেলার ৭৫১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এসব শিক্ষার্থী ২০১টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।’

আরও পড়ুন:
এইচএসসির ফল ৮ ফেব্রুয়ারি
এসএসসি এপ্রিলে, এইচএসসি জুনে
রাজশাহী বোর্ডে ২০ হাজার পরীক্ষার্থীর খাতা চ্যালেঞ্জ
ভিক্ষুকের কাছে এইচএসসির ৫০টি খাতা, থানায় নিয়ে গেলেন পথচারী
‘ঘটা করে’ এসএসসি, এইচএসসির ফল প্রকাশ নিয়ে প্রশ্ন

মন্তব্য

p
উপরে