× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
KR Islam was expelled from Jatiya Party
hear-news
player
google_news print-icon

কে আর ইসলামকে জাতীয় পার্টি থেকে অব্যাহতি

কে-আর-ইসলামকে-জাতীয়-পার্টি-থেকে-অব্যাহতি
জাপার কর্মী সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন ডা. কে আর ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের দলীয় গঠনতন্ত্র প্রদত্ত ক্ষমতাবলে কে আর ইসলামকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ-পদবি থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। এ আদেশ কার্যকর হয়েছে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ময়মনসিংহ জেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. কে আর ইসলামকে দলের সব পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

দলের দপ্তর সম্পাদক-২ এম এ রাজ্জাক খান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের দলীয় গঠনতন্ত্র প্রদত্ত ক্ষমতাবলে কে আর ইসলামকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ-পদবি থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। এ আদেশ কার্যকর হয়েছে।

জাতীয় পার্টির একটি সূত্র জানিয়েছে, কে আর ইসলাম বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের ডাকা কাউন্সিলে ময়মনসিংহ জেলার আহ্বায়ক হয়েছেন। এ কারণে তাকে দলের সব পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
রাঙ্গাদের ফেরাতে কাদেরকে চিঠি রওশনের
রওশনকে অপসারণ: এবার পাল্টা চিঠি পাঠাবেন রাঙ্গা
গণমানুষের আস্থা হারালে আ.লীগের সঙ্গে নয়: জি এম কাদের
বিএনপি-জাতীয় পার্টি জোট নিয়ে প্রশ্ন এড়ালেন চুন্নু
ইসির রোডম্যাপ মূল্যহীন: চুন্নু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
People have said they dont want this government

‘জনগণ জানিয়ে দিয়েছে তারা এই সরকার চায় না’

‘জনগণ জানিয়ে দিয়েছে তারা এই সরকার চায় না’ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ রিসার্স সেন্টার আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন ড. মোশাররফ হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ রাস্তায় নেমে গায়ের জোরের এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে দেবে। তারা নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবে।’

‘জনগণ যে এই সরকার চায় না সেই বার্তা বিএনপির আটটি সমাবেশে জনগণ জানিয়ে দিয়েছে। আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকার সমাবেশ থেকে সরকারের বিদায়ের কর্মসূচি ঘোষণা দেয়া হবে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেছেন।

সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ রিসার্স সেন্টার আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ড. মোশাররফ হোসেন।

তিনি বলেন, ‘১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ রাস্তায় নেমে গায়ের জোরের এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে দেবে। তারা একটা নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবে।’

জনগণ বিএনপিকে ক্ষমতায় পাঠালে দেশের অর্থনীতি রক্ষা করা হবে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।

মোশাররফ বলেন, ‘গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করছি, মানুষের অধিকারের জন্য আন্দোলন করছি। অর্থনীতিকে মেরামত করার জন্য আন্দোলন করছি। ইনশা আল্লাহ, জনগণ যদি আমাদের ক্ষমতায় পাঠায় তাহলে সেই কাজগুলো আমরা আন্তরিকতার সঙ্গে করব। এ দেশকে রক্ষা করব। জনগণকে রক্ষা করব, অর্থনীতি রক্ষা করব, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করব।

‘আমরা বিশ্বাস করি, জনগণ খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বের দল বিএনপিকে আগামী দিনে ক্ষমতায় বসাবে।’

গণতন্ত্র শক্তিশালী করার আগে উদ্ধার করাটা জরুরি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনি বলেন, ‘এই সরকারের অধীনে, এই নির্বাচন কমিশন থাকা অবস্থায় কেউ নির্বাচনে যেতে চাইলে তা হবে আত্মহত্যার শামিল। এই সরকার ও নির্বাচন কমিশন পরিবর্তন করতে হলে একটি পক্ষ থাকতে হবে। নইলে এই স্বৈরশাসকের পতন হবে না। আর এদের পতন করতে হলে দরকার গণ-অভ্যুত্থান, আন্দোলন।

‘ইতোমধ্যে মানুষ তার অধিকার আদায়ে রাস্তায় নেমে এসেছে। এই জালিম সরকার যতদিন থাকবে মুক্তিযুদ্ধকে ভূলুণ্ঠিত করবে। বাংলাদেশের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে না। এই হানাদারতুল্য শক্তিকে পুনরায় আমাদের পরাজিত করতে হবে। এ ছাড়া অন্য কোনো পথ আছে বলে আমি মনে করি না।’

আরও পড়ুন:
জনগণ অভ্যুত্থান সৃষ্টির জন্য প্রস্তুত: মোশাররফ
পরিবহন ধর্মঘটে জনগণকে থামানো যাবে না: বিএনপি নেতা
জনগণ ইভিএম মানবে না: মোশাররফ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
People are ready for a coup Musharraf

জনগণ অভ্যুত্থান সৃষ্টির জন্য প্রস্তুত: মোশাররফ

জনগণ অভ্যুত্থান সৃষ্টির জন্য প্রস্তুত: মোশাররফ শহীদ ডা. মিলন দিবস উপলক্ষে সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
‘জনবিচ্ছিন্ন এই সরকারের জনগণের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা নেই। তারা টাকা লুট ও পাচার করে দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের মুখে নিয়ে গেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি লাগামহীন। ৪০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে এসব সংকটের সমাধান হবে না।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘জনগণ সরকারকে বার্তা দিয়ে দিয়েছে যে তারা এই সরকারকে চায় না। তারা অভ্যুত্থান সৃষ্টির জন্য প্রস্তুত। ইনশা আল্লাহ তা হবে। আমরা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্দোলন করছি। সামনে সরকার পতনের আন্দোলন আসছে।

সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. মিলন দিবস উপলক্ষে ‘শহীদ ডা. মিলন-গণতন্ত্রের মুক্তি এবং বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আজ দেশে গণতন্ত্র নেই। বিএনপির ছয় শতাধিক নেতা-কর্মী গুমের শিকার। এক হাজারের বেশি মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় কারাগারে রাখা হয়েছে।

‘জনবিচ্ছিন্ন এই সরকারের জনগণের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা নেই। তারা টাকা লুট ও পাচার করে দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের মুখে নিয়ে গেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি লাগামহীন। ৪০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে।

‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে এসব সংকটের সমাধান হবে না। যারা অর্থনীতি ধ্বংস করেছে তারা এর পুনর্গঠন করতে পারবে না। দেশে বিচার ব্যবস্থাও সরকারের নিয়ন্ত্রণে।’

আমান উল্লাহ আমান বলেন, ‘স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার পেছনে অনেক রক্ত দিতে হয়েছে। সেই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া।

'খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার হয়েছিল। কিন্তু এখন মানুষ ভোট দিতে পারে না। প্রয়োজনে কয়েক হাজার মানুষ রক্ত দেবে। তবু আর ভোটারবিহীন নির্বাচন হতে দেব না।’

সভাপতির বক্তব্যে ডা. মিলনের সহপাঠী অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ বলেন, ‘ডা. মিলন স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে জীবন দিয়েছেন। তিনি সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু তার স্বপ্ন কেড়ে নিয়েছে স্বৈরাচার এরশাদের পুলিশ। আজও আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আমাদের তেমন আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আসুন এই শপথ করি- তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ব।

আলোচনা সভার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ড্যাব মহাসচিব ডা. মো. আবদুস সালাম।

ডা. মেহেদী হাসান ও ডা. মো. ফখরুজ্জামান ফখরুলের পরিচালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সহপ্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম, ড্যাবের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. শাহিদুর রহমান, সহসভাপতি ডা. মোসাদ্দেক হোসেন বিশ্বাস ডাম্বেল, ডা. পরিমল চন্দ্র মল্লিক, কোষাধ্যক্ষ ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, ডা. এ কে এম কবির আহমেদ রিয়াজ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের গোলাম মাওলা শাহিন, নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি বিলকিস জাহান চৌধুরী, অ্যামট্যাবের বিপ্লবুজ্জামান বিপ্লব, ফিজিওথেরাপিস্ট ডা. মাহাতাব উদ্দিন প্রমুখ।

আরও উপস্থিত ছিলেন ডা. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম, ডা. আদনান হাসান খান মাসুদ, ডা. সায়ীদ মেহবুব উল কাদির, ডা. পারভেজ রেজা কাকন, যুবদলের ওমর ফারুক মুন্না, অ্যামট্যাবের দবির উদ্দিন তুষারসহ ড্যাবের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা।

আরও পড়ুন:
পরিবহন ধর্মঘটে জনগণকে থামানো যাবে না: বিএনপি নেতা
জামিন মেলেনি সাবেক মন্ত্রী মোশাররফের ভাই বাবরের
সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফের এপিএস রিমান্ডে
সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফের এপিএস আটক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Awami League wont suck lollipop if BNP brings sticks Kader

বিএনপি লাঠি আনলে আওয়ামী লীগ ললিপপ চুষবে না: কাদের

বিএনপি লাঠি আনলে আওয়ামী লীগ ললিপপ চুষবে না: কাদের অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘১০ তারিখের বিএনপির সমাবেশে বাধা দেয়া হবে না। তবে বিএনপি লাঠি নিয়ে এলে ললিপপ চুষবে না আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা।’

আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকার সমাবেশে বিএনপির নেতা-কর্মীরা লাঠি নিয়ে এলে আওয়ামী লীগও কঠোর হবে বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার বিকেলে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘১০ তারিখের বিএনপির সমাবেশে বাধা দেয়া হবে না। তবে বিএনপি লাঠি নিয়ে এলে ললিপপ চুষবে না আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা।’

তিনি বলেন, ‘খেলা হবে ভোট চোরের বিরুদ্ধে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে। এ দেশের মানুষকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানানো যাবে না।’
জনগণের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘তারেক রহমান থেকে সাবধান। খেলা হবে তৈরি থাকেন। ডিসেম্বরে খেলা হবে, নির্বাচনে খেলা হবে। ১০ তারিখে খেলা হবে।’

সুইচ ব্যাংকসহ বিদেশের অনেক ব্যাংকে তারেক রহমানের হাজার হাজার কোটি টাকা থাকার কথা উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এই তারেকের কত বাড়ি কত মার্কেট আছে তার হিসাব নেই।’

জামালপুর জিলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত ত্রিবার্ষিক এই সম্মেলন উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক।

জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভপতি মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান দুলাল, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, মারুফা আক্তার পপিসহ আরও অনেকে।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে ওবায়দুল কাদের জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ ও বিজন কুমার চন্দকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রী ঘুমান মাত্র ৩ থেকে সাড়ে ৩ ঘণ্টা: কাদের
বিএনপির এবার টানেলের জ্বালা: কাদের
বিএনপির পতন অনিবার্য: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Awami League must be defeated in December itself Dudu

ডিসেম্বরেই আওয়ামী লীগকে পরাজিত করতে হবে: দুদু

ডিসেম্বরেই আওয়ামী লীগকে পরাজিত করতে হবে: দুদু সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। ছবি: নিউজবাংলা
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘বিএনপির আন্দোলন শুধু বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন নয়। এ আন্দোলন এ দেশের জনগণের মুক্তির আন্দোলন। দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আন্দোলন। তাই এই আন্দোলনে দেশের সব জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

এই ডিসেম্বরেই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে পরাজিত করতে হবে বলে মন্তব্য করছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অপরাজেয় বাংলাদেশ নামের এক সংগঠনের উদ্যোগে এক মানববন্ধনে তিনি এই মন্তব্য করেন।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘সামনে ডিসেম্বর মাস। ডিসেম্বর হচ্ছে গণতন্ত্র, স্বাধীনতার বিজয়ের মাস, স্বৈরতন্ত্রকে পরাজিত করার মাস, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কার্যকরী মাস। তাদের (আওয়ামী লীগ) এই ডিসেম্বরে পরাজিত করতে হবে। পরাজিত করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র পুনর্জীবিত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির আন্দোলন শুধু বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন নয়। এ আন্দোলন এ দেশের জনগণের মুক্তির আন্দোলন। দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আন্দোলন। তাই এই আন্দোলনে দেশের সব জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘দ্রব্যমূল্য কমানোর দাবিতে যে আন্দোলন হয়েছে, সেই আন্দোলনকারীদের মধ্যে এ সরকার সাত থেকে আটজনকে গুলি করে হত্যা করেছে। আমরা এই হত্যার বিচার দাবি করছি। আমরা দাবি করছি এ সরকার পদত্যাগ করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। পার্লামেন্ট ভেঙে দেন, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করেন। এটাই আমাদের দাবি।’

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘সরকারি ব্যাংক আগেই লোপাট হয়েছে। এখন শুনছি বেসরকারি ইসলামী ব্যাংক যেটা লাভজনক প্রতিষ্ঠান ছিল গত এক মাসে সেই ব্যাংক থেকে ১০ থেকে ১২ হাজার কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে। যাদের নাম নাই, ঠিকানা নাই তাদের নামে এই টাকা লুটপাট করা হয়েছে।

‘বাংলাদেশ এখন লুটেরাদের সরকার ক্ষমতায়। এদেশে লুটের উৎসব চলছে। তারা (আওয়ামী লীগ) লুট করার জন্য ক্ষমতায় এসেছে। পার্লামেন্ট এসেছে লুট করার জন্য। এদের যদি পতন করতে না পারি। তাহলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।’

২০১৪ ও '১৮-এর নির্বাচন এ দেশের জনগণের জন্য লজ্জাজনক মন্তব্য করেন কৃষক দলের সাবেক এই আহ্বায়ক বলেন, ‘এই নির্বাচনে আমাদের যে ঐতিহ্যবাহী পুলিশ ছিল, যারা মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল তাদের একটা অংশ, একটা গোষ্ঠীকে ব্যবহার করে পুলিশ বাহিনীকে জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়েছে। প্রশাসনকে জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়েছে এই অবৈধ সরকার।

অপরাজেয় বাংলাদেশের সহসভাপতি কে এম ওয়াজেদ আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন সিরাজির সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য দেন বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মো. রহমতুল্লাহ।

আরও পড়ুন:
কুমিল্লায় বিএনপির সমাবেশে মোবাইল হারানোর ৭১ জিডি
কুমিল্লা সমাবেশ: বিএনপির ভেতরে ক্ষোভের আগুন
কুমিল্লায় সমাবেশ নিয়ে সাক্কু-কায়সারের রাজ্যের হতাশা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
How the government will go will be told on December 10 Gayeshwar

সরকার কীভাবে যাবে ১০ ডিসেম্বর বলে দেয়া হবে: গয়েশ্বর

সরকার কীভাবে যাবে ১০ ডিসেম্বর বলে দেয়া হবে: গয়েশ্বর সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য দেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ছবি: নিউজবাংলা
সরকারকে উদ্দেশ করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘ঢাকায় ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ থেকে আমাদের দেয়া ঘোষণা অনুযায়ী আপনারা পদত্যাগের প্রস্তুতি নেবেন। হয় পদত্যাগ করবেন, নয়তো বাধ্য করব।’

‘সরকার কোন পদ্ধতিতে পদত্যাগ করবে তা ঢাকায় ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ থেকে বলে দেয়া হবে। সে অনুযায়ী সরকারকে প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আফসার আহমদ সিদ্দিকীর ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে ওই আলোচনার আয়োজন করে আফসার আহমদ সিদ্দিকী স্মৃতি ফাউন্ডেশন।

গয়েশ্বর বলেন, ‘আগামী ১০ তারিখ আমরা সরকারকে জানাব তারা কীভাবে পদত্যাগ করবে। আমরা যা কিছু করব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জানিয়ে করব। বিএনপি তো সর্বহারা পার্টি না বা আড়ালে আবডালে থাকা দল না যে গোপনে কিছু করবে।’

সরকারকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘সুতরাং ১০ তারিখ আমাদের দেয়া ঘোষণা অনুযায়ী আপনারা পদত্যাগের প্রস্তুতি নেবেন। আর আমাদের প্রস্তুতি আপনাদের মোকাবিলা করা নয়, পরাস্ত করা।

‘হয় পদত্যাগ করবেন, নয়তো পদত্যাগে বাধ্য করব। আপনাদেরকে পদত্যাগে বাধ্য করব ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়, জনগণের ভোটাধিকার জনগণকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য। মোটকথা, যারা দেশকে পৈতৃক সম্পত্তি মনে করে তাদের সরাতে হবে।’

আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ. জেড. এম জাহিদ হোসেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন আফসার আহমদ সিদ্দিকী স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক জাহানারা সিদ্দিকী। সঞ্চালনা করেন ফাউন্ডেশনের সদস্যসচিব জামিল আহমদ সিদ্দিকী।

আরও পড়ুন:
সরকারের সঙ্গে আঁতাতে বিএনপির একাংশ, সন্দেহ গয়েশ্বরের
এই সরকারকে ভারত রাখবে, কোয়াইট ইম্পসিবল: গয়েশ্বর
বিদ্যুতে লুটপাটের টাকা বিদেশে পাঠানো হয়েছে: গ‌য়েশ্বর
বিএনপি ভোটে চলে যায় কি না, সন্দেহ গয়েশ্বরের
যে কদিন আছেন চুপচাপ বসে থাকেন, চা-টা খান: ইসিকে গয়েশ্বর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In response to the governments killing and torture movement Fakhrul

সরকারের হত্যা-নির্যাতনের জবাব আন্দোলনে: ফখরুল

সরকারের হত্যা-নির্যাতনের জবাব আন্দোলনে: ফখরুল সোমবার ঢাকায় ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া সাবেক সাংসদ শাহজাহান খানের মরদেহের পাশে বিএনপি মহাসচিব ও অন্যরা। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘চলমান আন্দোলনে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের অত্যাচার-নির্যাতনে ইতোমধ্যে আমাদের সাতজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। দুইজন আওয়ামী লীগের নির্যাতনে প্রাণ হারিয়েছেন। তাদের নির্যাতনে আজ একজন সাবেক সাংসদের জীবন চলে গেল। আন্দোলনের মাধ্যমে তাদের এই হত্যা-নির্যাতনের জবাব দেবে জনগণ।’

সরকারের হত্যা ও নির্যাতনের জবাব জনগণ আন্দোলনেই দেবে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

পটুয়াখালী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান খানের মৃত্যুর ঘটনায় এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি একথা বলেন। বরিশালে সমাবেশে যাওয়ার পথে হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ধানমণ্ডিতে ল্যাবএইড হাসপাতালে মারা যান তিনি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘চলমান আন্দোলনে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের অত্যাচার-নির্যাতনে ইতোমধ্যে আমাদের সাতজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। দুইজন আওয়ামী লীগের নির্যাতনে প্রাণ হারিয়েছেন। তাদের নির্যাতনে আজ আমাদের একজন সাবেক সংসদ সদস্যের জীবন চলে গেল।

‘এই অত্যাচার-নির্যাতনের বিরুদ্ধে জনগণ জেগে উঠেছে। আমরা বিশ্বাস করি এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শাহজাহান খানের এই মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে আমরা সক্ষম হবো। জনগণ এর উপযুক্ত জবাব দেবে।’

পটুয়াখালী থেকে ৪ নভেম্বর বরিশালে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে যাওয়ার পথে তেলিখালী এলাকা অতিক্রমকালে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হামলায় গুরুতর আহত হন সাবেক সাংসদ শাহজাহান খান। তাকে প্রথমে পটুয়াখালীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ২২ নভেম্বর তাকে ঢাকায় এনে ল্যাবএইডে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এটা কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু নয়। তিনি বরিশালের বিভাগীয় সমাবেশে যাওয়ার পথে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে আক্রান্ত হয়েছেন এবং তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। সন্ত্রাসীদের হামলায় তার কিডনি ফেটে যায়। তার পুরো শরীরে বিষাক্ত রক্ত ছড়িয়ে পড়ে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘শাহজাহান খানের মৃত্যু দক্ষিণাঞ্চলে আমাদের জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে বিরাট শূন্যতা তৈরি করবে। আজীবন সংগ্রামী ও ত্যাগী এই রাজনীতিক এলাকার জনগণের কাছে একজন অভিভাবক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

‘আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে, চেয়ারপারসন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি, গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং তার পরিবারের প্রতি আমাদের সমবেদনা জানাচ্ছি।’

বিএনপি মহাসচিব ল্যাবএইড হাসপাতালে প্রয়াত শাহজাহান খানের মরদেহের সামনে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় দলের কেন্দ্রীয় নেতা আমিরুজ্জামান শিমুল, আইনজীবী ফোরামের নুরুল ইসলাম জাহিদসহ পটুয়াখালীর নেতারা ছিলেন।

শাহজাহান খানের ছেলে শিপলু খান জানান, সকাল সাড়ে ১০টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তার বাবা।

তিনি বলেন, ‘বিভাগীয় সমাবেশে যোগ দিতে ৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় বাবা ও অন্যরা কয়েকটি মোটরসাইকেলযোগে পটুয়াখালী থেকে বরিশাল যাচ্ছিলেন। পটয়াখালী-বরিশাল মহাসড়কের গাবুয়া এলাকা অতিক্রমের সময় বাবার গাড়িতে ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসীরা অতর্কিতে হামলা চালায়। তারা বাবাকে লাঠি, রড ও লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গুরুতর জখম করে।’

শাহজাহান খানের মৃত্যু খবর শোনার পর বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী হাসপাতালে ছুটে যান। তিনিও পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, সোমবার বাদ জোহর নয়াপল্টনে জানাজার পর মরদেহ সড়কপথে নিয়ে যাওয়া হবে পটুয়াখালীতে। সেখানে মঙ্গলবার সকাল ৯টায় জেলা কার্যালয়ের সামনে, ১১টায় দশমিনা উপজেলায়, বাদ জোহর গলাচিপা উপজেলায় এবং বিকেল ৩টায় চিকনিকান্দি ইউনিয়নে শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে সেখানে মায়ের কবরে তাকে দাফন করা হবে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহান ওমর এক শোকবার্তায় শাহজাহান খানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
সরকারের পতন অনিবার্য: ফখরুল
ঝামেলা না করে নয়াপল্টন দিন: পুলিশকে ফখরুল
রিজার্ভ লুট করে এখন ডিফেন্সিভ পজিশনে: ফখরুল
জনগণের উত্তাল তরঙ্গে আ.লীগ ভেসে যাবে: ফখরুল
ভোট নিয়ে জাপানি দূতের বক্তব্য চরম সত্য কথা: ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chhatra League will play with BNP from now on Information Minister

এখন থেকে বিএনপির সঙ্গে খেলবে ছাত্রলীগ: তথ্যমন্ত্রী

এখন থেকে বিএনপির সঙ্গে খেলবে ছাত্রলীগ: তথ্যমন্ত্রী দিনাজপুর গোর-এ শহীদ বড় ময়দানে সোমবার দুপুরে জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে বক্তব্য দেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মির্জা ফখরুল বারবার বলেন খেলা হবে। গত নির্বাচনে ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুলকে হারিয়েছিলেন রমেশ চন্দ্র সেন। সে সময় রমেশদা তাকে আউট করেছিলেন। আপনাদের সঙ্গে আমরা খেলব না। বিএনপির সঙ্গে এখন থেকে খেলবে ছাত্রলীগ। চাইলে যুবলীগও খেলতে পারবে।’

বিএনপির সঙ্গে এখন থেকে ছাত্রলীগ খেলবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

দিনাজপুর গোর-এ শহীদ বড় ময়দানে সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মির্জা ফখরুল বারবার বলেন খেলা হবে। গত নির্বাচনে ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুলকে হারিয়েছিলেন রমেশ চন্দ্র সেন। সে সময় রমেশদা তাকে আউট করেছিলেন। আপনাদের সঙ্গে আমরা খেলব না। বিএনপির সঙ্গে এখন থেকে খেলবে ছাত্রলীগ। চাইলে যুবলীগও খেলতে পারবে।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ‘হিমালয় ও সাইবেরিয়া থেকে শীতের সময় কিছু পাখি বাংলাদেশে আসে। তারা বাংলাদেশে এসে এ দেশের ফসল খেয়ে আবার চলে যায়। বিএনপিও শীতের পাখির মতো। বিএনপি সমাবেশের নামে পিকনিক পার্টি করছে। কুমিল্লায় সমাবেশের তিন দিন আগে থেকে তাদের নেতা-কর্মীরা সেখানে পিকনিক শুরু করে দিয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘কুমিল্লায় সমাবেশে ১০০ গরু জবাই করে পিকনিক খেয়েছে। সেই সমাবেশে বিএনপির সাবেক মেয়র সাক্কু বলেছেন- আমার ৭৩টি ফ্ল্যাট নেতা-কর্মীদের জন্য বরাদ্দ রেখেছি। এই ফ্ল্যাটগুলোতে সমাবেশে আসা নেতা-কর্মীরা থাকবেন।

‘বর্ষাকালে বৃষ্টি হলে পুকুরে কিছু মাছ লাফালাফি শুরু করে। বড় মাছ লাফালাফি করে না, লাফায় পুঁটি মাছ। বিএনপিও পুঁটি মাছের মতো লাফাচ্ছে। মনে রাখতে হবে, পুকুরে বোয়াল মাছ থাকে। বোয়াল কিন্তু পুঁটি মাছ খেয়ে ফেলবে।’

সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এতে সভাপতিত্ব করেন দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন সম্মেলন উদ্বোধন করেন।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শফিক, সদস্য হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, সফুরা বেগম রুমি, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ইকবালুর রহিম, আবুল হাসান মাহমুদ আলী, মনোরঞ্জন শীল গোপাল, শিবলী সাদিক ও জাকিয়া তাবাসসুম জুই।

সভাপতি ফিজার, সম্পাদক মিতা

মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার আবার দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক হলেন আলতাফুজ্জামান মিতা।

বিকেলে কাউন্সিল শেষে এই ঘোষণা দেন রমেশ চন্দ্র সেন।

এ সময় তিনি সহসভাপতি হিসেবে আজিজুল ইমাম চৌধুরী, তৌহিদুল হক সরকার ও শাহ ইয়াজদান মার্শাল এবং যুগ্ম সম্পাদক পদে ফারুকুজ্জামান চৌধুরী মাইকেলের নাম ঘোষণা করেন।

রমেশ বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন হবে।

আরও পড়ুন:
বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার অর্থ পেয়েছে বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী
বাংলাদেশের আত্মিক উন্নয়ন সব দেশ অনুসরণ করবে: তথ্যমন্ত্রী
রিজার্ভ এখনও বিএনপি আমলের ১২ গুণ: তথ্যমন্ত্রী
আমরা চাই বিএনপি সমাবেশ করুক: তথ্যমন্ত্রী
বিএনপির খুলনার সমাবেশ দেখে তথ্যমন্ত্রীর কাতুকুতু

মন্তব্য

p
উপরে