× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
I bought 11 packets of food from the line for two and a half hours
hear-news
player
google_news print-icon

‘আড়াই ঘণ্টা লাইনে থেকে ১১ প্যাকেট খাবার কিনছি’

আড়াই-ঘণ্টা-লাইনে-থেকে-১১-প্যাকেট-খাবার-কিনছি
বাড্ডা-গুলশান লিঙ্ক রোডে নয়ন বিরিয়ানির দোকানে খাবার কিনতে মানুষের ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা
মা বিরিয়ানি হাউসের কর্মচারী রুবেল বলেন, ‘সারা দিন এই এলাকায় গ্যাস নাই, এজন্য দোকানে ভিড়। আমরা খাবার প্যাকেট করে সারতে পারছি না, তার আগেই থাবাথাবি। এত ভিড় আগে কখনো দেখিনি। রান্না করে আনতে না আনতে শেষ হয়ে যাচ্ছে খাবার।’

মহাখালীর বাসিন্দা হাবিবুর রহমান। সকাল ৬টা থেকে গ্যাস না থাকায় বাসায় রান্না হয়নি। গতকাল শুক্রবারের রান্না দিয়ে দুপুরে কোনো রকম সারলেও রাতের খাবারের জন্য হোটেলই ভরসা ছিল বলে তিনি জানান।

এ জন্য রাতের খাবার নিতে আড়াই ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার কিনতে হয়েছে তাকে।

হাবিবুর রহমান বলেন, ‘সকাল ৬টা থেকে গ্যাস নাই। বাসায় রান্নাবান্না হয়নি। বাধ্য হয়ে হোটেল থেকে খাবার কিনতে এসেছি। ১৪ শ টাকা দিয়ে ১১ প্যাকেট খাবার নিতে পারছি।’

বাড্ডার হোসেন মার্কেট এলাকার বাসিন্দা লিটন জানান, অনেকগুলো হোটেল ঘুরে তিনি গুদারাঘাট এলাকায় গিয়ে খাবার পেয়েছেন।

বলেন, ‘এক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ৫ প্যাকেট খাবার কিনছি। ঘরে বউ-বাচ্চা না খেয়ে আছে। সারাদিন রান্না হয়নি, বাসায় গ্যাস না থাকায়। কি করব, বাধ্য হয়ে কষ্ট হলেও লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার কিনতে হয়েছে।’

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার মহাখালী, বনানী, তেজগাঁও, গুলশান, নতুন বাজার ও বাড্ডা এলাকায় দুপুর ২টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত ১১ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না।

এ দিন সন্ধ্যায় সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, খাবারের দোকানে মানুষের উপচে পড়া ভিড়।

গুলশান বাড্ডার গুদারাঘাট এলাকার নয়ন বিরিয়ানী, বাড্ডার মা বিরিয়ানি, উত্তর বাড্ডার কামরুল হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে ক্রেতাদের ভিড় ছিল অনেকটা উপচে পড়া।

অনেক দোকানে দেখা গেছে খাবার কিনতে অনেকে লাইনে দাঁড়িয়েছেন।

খাবার কিনতে আসা সায়েম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সারাদিন গ্যাস নাই। অফিস শেষ করে দোকান থেকে খাবার নিয়ে বাসায় যাব বলে জানিয়েছি। কিন্তু খাবার দোকানের অবস্থা দেখে তো খাবার কেনার আগ্রহই শেষ। পেটতো আর তা শুনবে না।’

মা বিরিয়ানি হাউসের কর্মচারী রুবেল বলেন, ‘সারা দিন এই এলাকায় গ্যাস নাই, এজন্য দোকানে ভিড়। আমরা খাবার প্যাকেট করে সারতে পারছি না, তার আগেই থাবাথাবি। এত ভিড় আগে কখনো দেখিনি। রান্না করে আনতে না আনতে শেষ হয়ে যাচ্ছে খাবার।’

গ্যাস পাইপ লাইনের জরুরি কাজের জন্য রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ১১ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে জানায় তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি।

এ ছাড়া উল্লেখ করা এলাকার পাশের এলাকাগুলোতে গ্যাসের স্বল্প চাপ থাকবে বলে জানায় তিতাস।

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎ গ্যাস পানি এখন রাজনৈতিক পণ্য: আমীর খসরু
এবার লাটভিয়ায় গ্যাস বন্ধ রাশিয়ার
গ্যাস-বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করার আইন বাতিল চান ব্যবসায়ীরা
ইউরোপে রুশ গ্যাস পাওয়া নিয়ে নতুন শঙ্কা
ইউরোপে ফের গ্যাস দিচ্ছে রাশিয়া

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
10 accused in militant robbery case remanded for 5 more days

জঙ্গি ছিনতাই মামলায় ১০ আসামি আরও ৫ দিনের রিমান্ডে

জঙ্গি ছিনতাই মামলায় ১০ আসামি আরও ৫ দিনের রিমান্ডে সিসিটিভি ফুটেজে আদালত থেকে জঙ্গিদের পালানোর দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত
বৃহস্পতিবার তাদের ১০ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য পুনরায় তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) পরিদর্শক মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ। ঢাকা মহানগর হাকিম শফি উদ্দিনের আদালতে এ রিমান্ড শুনানি হয়।

ঢাকার বিচারিক আদালত প্রাঙ্গণ থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা মামলায় ১০ আসামিকে ফের পাঁচ দিন করে রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার তাদের ১০ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য পুনরায় তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) পরিদর্শক মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ।

ঢাকা মহানগর হাকিম শফি উদ্দিনের আদালতে এ রিমান্ড শুনানি হয়।

এর আগে গত ২০ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম শফি উদ্দিন তাদের ১০ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।

আসামিরা হলেন শাহীন আলম ওরফে কামাল, শাহ আলম ওরফে সালাউদ্দিন, বি এম মজিবুর রহমান, সুমন হোসেন পাটোয়ারী, আরাফাত রহমান, খাইরুল ইসলাম ওরফে সিফাত, মোজাম্মেল হোসেন, শেখ আব্দুল্লাহ, আ. সবুর, রশিদুন্নবী ভূঁইয়া প্রমুখ।

গত ২০ নভেম্বর ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত প্রাঙ্গণ থেকে দুই জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় ২০ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা করেন পুলিশ পরিদর্শক জুলহাস উদ্দিন আকন্দ। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়।

সেদিন সকালে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার ১২ আসামিকে কাশিমপুর-২ কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে ঢাকার আদালতে আনা হয়।

সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকার প্রসিকিউশন বিভাগে আসামিদের হাজিরা দেয়ার জন্য সিজেএম আদালত ভবনে সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনাল-৮-এ নিয়ে যাওয়া হয়। মামলার শুনানি শেষে জামিনে থাকা দুই আসামি মো. ঈদী আমিন ও মেহেদী হাসান অমি ওরফে রাফি আদালত থেকে বের হয়ে যান।

পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কোর্টের শুনানি শেষে প্রথমে চারজনকে নিচে নামিয়ে আনা হয়। দুটি হাতকড়া দিয়ে দুজনকে আটকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বাকি আসামিরা তখন ওপরে ছিলেন।

‘চারজনের মধ্যে মইনুল হাসান ও আবু সিদ্দিককে জঙ্গিরা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তবে মো. আরাফাত ও মো. সবুরকে নিতে পারেনি। জঙ্গিরা পেপার স্প্রে ব্যবহার করে। এতে একজন সিকিউরিটি গার্ড, একজন পুলিশ সদস্যসহ কয়েকজন সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হন।’

আরও পড়ুন:
জঙ্গি ছিনতাই মামলায় একজনের আত্মসমর্পণ, চার দিনের রিমান্ড
২৯ বছর ধরে ঝুলে থাকা মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ
‘কারাবন্দি জঙ্গি ও ছিনতাই টিম সমন্বয় করেন অমি’
জঙ্গি ছিনতাই মামলায় গ্রেপ্তার মেহেদী ৭ দিনের রিমান্ডে
জঙ্গি আরাফাতকে ছিনিয়ে নেয়াই ছিল মূল লক্ষ্য

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The month of victory begins in December

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর শুরু

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর শুরু গত বছর ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ঢল নামে সব বয়সী মানুষের। ফাইল ছবি
বিজয়ের মাস ডিসেম্বর উপলক্ষে সকাল ৯টায় মিরপুর বীর মুক্তিযোদ্ধা কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদ ও প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা জাতীয় বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ ছাড়াও সকাল ১১টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বীর মুক্তিযোদ্ধা জাতীয় বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

শুরু হলো মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। বাঙালির ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম পূর্ণতা পেতে শুরু করে ডিসেম্বরের শুরু থেকে। মাসের প্রথম দিন থেকেই মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে পিছিয়ে যেতে থাকে পাক হানাদার বাহিনী। মুক্তিযোদ্ধারাও এগোতে থাকেন রাজধানী ঢাকার দিকে। একে একে বিভিন্ন রণাঙ্গনে উড়তে শুরু করে স্বাধীন বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা।

ত্রিশ লাখ শহীদ আর দুই লাখ নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে পাওয়া স্বাধীনতার স্বাক্ষর এবারের বিজয়ের মাস নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হবে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ঘটনা হলো একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের এক ঐতিহাসিক পরিক্রমায় বাঙালি জাতির কয়েক হাজার বছরের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির স্বপ্ন পূরণ হয় এ মাসে।

দীর্ঘ ২৩ বছরের শোষণ আর বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এ মাসের ১৬ ডিসেম্বর আসে বিজয়। আর এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের বুকে স্বাধীন জাতি হিসেবে আত্মপরিচয় লাভ করে বাঙালিরা। অর্জিত হয় নিজস্ব ভূ-খণ্ড আর সবুজের বুকে লাল সূর্য খচিত নিজস্ব জাতীয় পতাকা। ভাষার ভিত্তিতে যে জাতীয়তাবাদ গড়ে উঠেছিল, এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বিজয়ের মাধ্যমে ঘোষিত স্বাধীনতা পূর্ণতা পায় এ মাসে।

বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মুক্তিযুদ্ধের অবিস্মরণীয় গৌরবদীপ্ত চূড়ান্ত বিজয় আসে এ মাসের ১৬ ডিসেম্বর। স্বাধীন জাতি হিসেবে বিশ্বে আত্মপরিচয় লাভ করে বাঙালিরা। অর্জন করে নিজস্ব ভূ-খণ্ড আর সবুজের বুকে লাল সূর্য খচিত নিজস্ব জাতীয় পতাকা। ভাষার ভিত্তিতে যে জাতীয়তাবাদ গড়ে উঠেছিল, এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বিজয়ের মাধ্যমে ঘোষিত স্বাধীনতা পূর্ণতা পায় এ দিনে।

বাঙালির হাজার বছরের স্বপ্ন পূরণ হওয়ার পাশাপাশি বহু তরতাজা প্রাণ বিসর্জন আর মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে এই অর্জন হওয়ায় বেদনাবিধূর এক শোকগাথার মাসও এই ডিসেম্বর।

এ মাসেই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার-আলবদর আল-শামসদের সহযোগিতায় হানাদার গোষ্ঠী দেশের মেধাবী, শ্রেষ্ঠ সন্তান-বুদ্ধিজীবী হত্যার নৃশংস হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠেছিল। সমগ্র জাতিকে মেধাহীন করে দেয়ার এধরনের ঘৃণ্য হত্যাযজ্ঞের দ্বিতীয় কোন নজির বিশ্বে নেই।

১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকেই মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা আক্রমণ আর ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর জল, স্থল আর আকাশপথে সাঁড়াশি আক্রমণের মুখে বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরাজয়ের খবর চারদিক থেকে ভেসে আসতে থাকে। ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। যেখান থেকে ৭ মার্চ স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম,’ বলে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন, সেখানেই পরাজয়ের দলিলে স্বাক্ষর করেন পাকিস্তানি জেনারেল নিয়াজী। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। আর জাতি অর্জন করে হাজার বছরের স্বপ্নের স্বাধীনতা।

বঙ্গবন্ধু একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতে পাক বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হবার আগে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং তার ডাকে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

দীর্ঘ ৯ মাসের সশস্ত্র জনযুদ্ধে ১৬ ডিসেম্বর জাতির চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়।

মহান এ বিজয়ের মাস উদযাপনে জাতীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ এবং মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন আজ দেশব্যাপী মুক্তিযোদ্ধা দিবস পালন করবে।

এ উপলক্ষে সকাল ৯টায় মিরপুর বীরমুক্তিযোদ্ধা কবরস্থানে পুষ্পস্তবক র্অপণ করে শহীদ ও প্রয়াত বীরমুক্তিযোদ্ধা জাতীয় বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

এ ছাড়াও সকাল ১১টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তনে পুস্পস্তবক র্অপণ করে বীরমুক্তিযোদ্ধা জাতীয় বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

আরও পড়ুন:
বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীর নতুন অঙ্গীকার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
94 Bar Pechal Sagar Rooney murder case report

৯৪ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

৯৪ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন সাংবাদিক দম্পতি মেহেরুন রুনি ও সাগর সারোয়ার। ছবি: সংগৃহীত
সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার দিন ঠিক করা হয়েছিল বৃহস্পতিবার, কিন্তু তদন্ত সংস্থা র‌্যাব প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় ঢাকার মহানগর হাকিম রশিদুল আলমের আদালত নতুন তারিখ ঠিক করে।

৯৪তম বারের মতো পিছিয়েছে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ।

আগামী ৪ জানুয়ারি প্রতিবেদন জমা দেয়ার পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেছে আদালত।

মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমার দিন ঠিক করা হয়েছিল বৃহস্পতিবার, কিন্তু তদন্ত সংস্থা র‌্যাব প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় ঢাকার মহানগর হাকিম রশিদুল আলমের আদালত নতুন তারিখ ঠিক করে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নিজ বাসায় খুনের শিকার হন। পরদিন ভোরে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় এ ঘটনায় হত্যা মামলা করেন।

প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার একজন উপপরিদর্শক (এসআই)। চার দিন পর চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে হত্যার রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলার তদন্তভার র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ আসামি আটজন। অন্য আসামিরা হলেন বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ।

আরও পড়ুন:
সাগর-রুনি হত্যা: পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন
৮১ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন
সাগর-রুনি হত্যা: ৭৯ বার পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The young mans wrist was broken by the train

যুবকের কবজি বিচ্ছিন্ন ট্রেনের ধাক্কায়

যুবকের কবজি বিচ্ছিন্ন ট্রেনের ধাক্কায় প্রতীকী ছবি
‘কমলাপুর থেকে ছেড়ে আসা ট্রেন বিমানবন্দর স্টেশনের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় রেললাইন পার হতে গিয়ে সজিব দুর্ঘটনায় পড়েন। ট্রেনের ধাক্কায় তার ডান হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।’

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ট্রেনের ধাক্কায় মোহাম্মদ সজিব নামে এক যুবকের হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

বুধবার বেলা দুইটার দিকে কারওয়ান বাজার রেলগেটের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আহত অবস্থায় সজিবকে নেয়া হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে।

তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা যুবক কামাল হোসেন বলেন, ‘কমলাপুর থেকে ছেড়ে আসা ট্রেন বিমানবন্দর স্টেশনের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় রেললাইন পার হতে গিয়ে সজিব দুর্ঘটনায় পড়েন। ট্রেনের ধাক্কায় মাথাসহ শরীরের অন্য জায়গায় জখমের পাশপাশি তার ডান হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দ্রুত তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।’

তেজগাঁও থানার একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই) সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে সজিবের খোঁজখবর নেন। হাসপাতালের ১০১ নম্বর অর্থোপেডিক ওয়ার্ডে ভর্তি রেখে সজিবের চিকিৎসা চলছে। ২২ বছর বয়সী এ যুবকের শারীরিক অবস্থা অনেকটা শঙ্কামুক্ত বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘ট্রেনের ধাক্কায় কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া যুবককে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। তার বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।’

আরও পড়ুন:
ট্রেনের ধাক্কায় এক যুবক নিহত
মহাখালীতে ট্রেনের ধাক্কায় যুবক নিহত
ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেল মাইক্রোবাস, বেঁচে যায় ১৬ শিশুশিক্ষার্থী
ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু
হেডফোন কানে দিয়ে রেললাইন পার হতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hospitals to segregate medical waste Tapas

হাসপাতালগুলোকেই চিকিৎসা বর্জ্য পৃথক করতে হবে: তাপস

হাসপাতালগুলোকেই চিকিৎসা বর্জ্য পৃথক করতে হবে: তাপস বুধবার খিলগাঁও তালতলা কবরস্থান ও মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে মোনাজাত করেন মেয়র ফজলে নূর তাপস ও সাংসদ সাবের হোসেন চৌধুরীসহ অন্যরা। ছবি: নিউজবাংলা
সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘চিকিৎসা বর্জ্য উৎসেই পৃথক করার কথা পরিবেশ আইনে সুস্পষ্টভাবে বলা আছে। অতীতে এটা নিয়ে আমরা কেউ ভাবিনি। এখন আমরা প্রতিটি বর্জ্য ও বর্জ্যের উৎসস্থল আমরা চিহ্নিত করছি। উৎসে চিকিৎসা বর্জ্য পৃথক না করা হলে সিটি করপোরেশনের খুব একটা বেশি কিছু করার নেই।’

হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ চিকিৎসা-সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে সৃষ্ট চিকিৎসা বর্জ্য সাধারণ বর্জ্যের সঙ্গে মিশিয়ে হস্তান্তর করা হচ্ছে। এতে চিকিৎসা বর্জ্য বিশেষ প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এসব তথ্য জানিয়ে বলেছেন, এখন থেকে চিকিৎসা বর্জ্য আলাদা করে সিটি করপোরেশন নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।

বুধবার খিলগাঁও তালতলা কবরস্থান ও মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘চিকিৎসা বর্জ্য ধ্বংসে প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে হাসপাতালগুলো নিয়ম মেনে সাধারণ বর্জ্য থেকে চিকিৎসা বর্জ্য পৃথকীকরণ করছে না। এটা স্ব স্ব হাসপাতাল ও ক্লিনিককে নিজ দায়িত্বে পৃথক করতে হবে।

‘চিকিৎসা বর্জ্য সংগ্রহে অঞ্চলভিত্তিক প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন দেওয়া হচ্ছে। যেসব প্রতিষ্ঠানকে চিকিৎসা বর্জ্য সংগ্রহের জন্য আমরা নিবন্ধন দেবো, তাদের কাছে তা হস্তান্তর করতে হবে। তারা সরাসরি মাতুয়াইল ভাগাড়ে ইনসিনারেশন প্লান্টে নিয়ে এলে আমরা পরিপূর্ণভাবেই চিকিৎসা বর্জ্য থেকে ঢাকাবাসীকে মুক্ত করতে পারব।’

পরিকল্পিত নগরায়নের মাধ্যমে ঢাকাবাসীর কল্যাণে সব উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে উল্লেখ করে মেয়র তাপস বলেন, ‘আমরা এখানে একটি কবরস্থান ও মসজিদের উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করলাম। এই কবরস্থানের জমি দীর্ঘদিন ধরে দখল অবস্থায় ছিল। আমরা পুরোটা দখলমুক্ত করে পরিপূর্ণ জায়গা নিয়ে সুন্দর কবরস্থান করছি।’

চিকিৎসা বর্জ্য উৎসেই পৃথক করার বিধান আছে উল্লেখ করে ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘পরিবেশ আইনেই বিধানটি সুস্পষ্টভাবে বলা আছে। অতীতে এটা নিয়ে আমরা কেউ ভাবিনি। এখন আমরা প্রতিটি বর্জ্য ও বর্জ্যের উৎসস্থল আমরা চিহ্নিত করছি। উৎসে চিকিৎসা বর্জ্য পৃথক না করা হলে সিটি করপোরেশনের খুব একটা বেশি কিছু করার নেই।

‘মুগদা হাসপাতালে আমরা একটা প্রটোকল চালু করেছি। তারা এটা কিভাবে ডিসপোজাল করবে সেজন্য সেখানে আমাদের একটা কমিটিও আছে। ঢাকা শহর ছাড়াও বাংলাদেশের আরও বিভাগে চিকিৎসালয় আছে। সেখানেও নানা ধরনের চিকিৎসা বর্জ্য তৈরি হয়। সুতরাং এটা আমাদের একটি জাতীয় কনসার্ন।’

কবরস্থান ও মসজিদের উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে মেয়র তাপস কবরস্থান প্রাঙ্গণে একটি কৃষ্ণচূড়া ও সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী একটি রাধাচূড়া গাছের চারা রোপণ করেন।

এর আগে মেয়র শেখ তাপস টিকাটুলি জামে মসজিদ পুনঃনির্মাণ, বাংলাদেশ মাঠ ভবন ও ধানমন্ডি নগর সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং এলিফ্যান্ট রোডে নবনির্মিত গণশৌচাগার উদ্বোধন করেন।

এসব অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী, ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব আকরামুজ্জামান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সব ওয়ার্ডে হবে ব্যায়ামাগার: মেয়র তাপস
মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরের চেয়ে বাংলাদেশের উন্নতি দ্রুত: তাপস
মেয়র তাপসকে নিয়ে গুজব ছড়ানোর মামলার প্রতিবেদন পেছাল
ঢাকা এখন আর বর্জ্যের শহর নয়: মেয়র তাপস
মেয়র তাপসের নামে মামলা: ফের পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Death sentence for the accused in the rape and murder of a three and a half year old child

সাড়ে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যায় আসামির মৃত্যুদণ্ড

সাড়ে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যায় আসামির মৃত্যুদণ্ড প্রতীকী ছবি
রায়ে বিচারক বলেন, শিশুরা যদি তাদের আশপাশের প্রতিবেশীদের কাছে নিরাপদ না থাকে তা সমাজের জন্য অশনিসংকেত। আসামি একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তি হিসেবে নিজের পাশবিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে ভিকটিমের জীবনে কালিমা লেপন করেছে এবং তার জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দিয়েছে।

রাজধানীর বাড্ডায় সাড়ে তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে আসামি শিপনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক সাবেরা সুলতানা খানম বুধবার আসামির উপস্থিতিতে এই রায় দেন।

আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

রায়ে বিচারক বলেন, শিশুরা যদি তাদের আশপাশের প্রতিবেশীদের কাছে নিরাপদ না থাকে তা সমাজের জন্য অশনিসংকেত। আসামি একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তি হিসেবে নিজের পাশবিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে ভিকটিমের জীবনে কালিমা লেপন করেছে এবং তার জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দিয়েছে। এই অপরাধের জন্য তার সর্বোচ্চ শাস্তি প্রাপ্য।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির উপপরিদর্শক রাশেদুল আলম ২০১৯ সালের ২৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালের ৩০ জুলাই আসামি শিপন নিজের বাসায় আসেন। ভুক্তভোগী শিশুকে বাসার সামনে দেখে তিনি শিশুটিকে ভাত খাওয়ান। এরপর ধর্ষণ করেন। শিশুটি চিৎকার করলে তার মুখ ও গলা চেপে ধরে রাখেন। এতে সে নিস্তেজ হয়ে পড়লে আসামি তাকে বাথরুমে ফেলে রেখে চলে যান।

ঘটনার পরদিন ৩১ জুলাই শিশুটির বাবা মেহেদী হাসান বাড্ডা থানায় মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ
আদালতে যাওয়ার পথে আসামিপক্ষের মারধরে সাক্ষী নিহত
জমি লিখে না দেয়ায় স্বামীকে হত্যার অভিযোগ
যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড
স্বপন হত্যা মামলায় ব্যবসায়ীর মৃত্যুদণ্ড, বান্ধবীর যাবজ্জীবন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP will make a mistake if it causes chaos in the name of assembly Home Minister

সমাবেশের নামে বিশৃঙ্খলা করলে ভুল করবে বিএনপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সমাবেশের নামে বিশৃঙ্খলা করলে ভুল করবে বিএনপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। ফাইল ছবি
মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সব সময় বলে আসছি আপনাদের (বিএনপি) পার্টির যেকোনো কার্যক্রম করতে চান অবশ্যই করবেন। এটা রাজনৈতিক অধিকার। কিন্তু আপনারা কোনোক্রমেই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারবেন না এবং তার চেষ্টাও করবেন না। আমি একটি কথা স্পষ্ট করে বলতে চাই, বিএনপি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করলে ভুল করবে।’

আসন্ন ১০ ডিসেম্বর সমাবেশের নামে কোনো বিশৃঙ্খলা করলে বিএনপি ভুল করবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর রাজারবাগে ‘নারী পুলিশের গৌরবময় যাত্রা ও অর্জন ১৯৭৪-২০২২’ প্রতিপাদ্যে বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্কের বার্ষিক প্রশিক্ষণ সম্মেলন-২০২২ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘সুন্দর পরিবেশের জন্যই তাদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয়েছে। বিএনপি প্রথমে বলেছিল সমাবেশে অনেক লোকের সমাগম করবে। তারা দুটি জায়গা চেয়েছিল। একটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, আরেকটি মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জাতীয় সংসদ ভবন রয়েছে। সেখানে কাউকে সমাবেশ করতে দেওয়া হয় না। বিএনপির দাবির প্ররিপ্রেক্ষিতেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান দেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সব সময় বলে আসছি আপনাদের (বিএনপি) পার্টির যেকোনো কার্যক্রম করতে চান অবশ্যই করবেন। এটা রাজনৈতিক অধিকার। কিন্তু আপনারা কোনোক্রমেই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারবেন না এবং তার চেষ্টাও করবেন না। আমি একটি কথা স্পষ্ট করে বলতে চাই, বিএনপি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করলে ভুল করবে।’

১০ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া সমাবেশে যোগদান করলে, তার জামিন বাতিল হবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে শর্ত সাপেক্ষে আদালত জামিন দিয়েছে। তিনি যদি সমাবেশে যান, সে বিষয়ে আদালত ব্যবস্থা নেবে।’

আরও পড়ুন:
১০ ডিসেম্বর বিএনপির সমাবেশে বিশৃঙ্খলা হলেই ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
২৫ লাখ লোক ধরে এমন জায়গা ঢাকায় নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
দিল্লিতে বাংলাদেশ ও ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

মন্তব্য

p
উপরে