× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Allegation of land grabbing against the judge
hear-news
player
google_news print-icon

বিচারকের বিরুদ্ধেই জমি দখলের অভিযোগ

বিচারকের-বিরুদ্ধেই-জমি-দখলের-অভিযোগ
জেলা জজ জুলফিকার আলী খান মাসুকের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগে মানববন্ধন।
জামালপুরের জেলা ও দায়রা জজ জুলফিকার আলী খান বলেন, ‘আমি আমার জমিতে ভবন নির্মাণ করতেছি। অভিযোগকারীরা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।’

ঝালকাঠির পোনাবালিয়া এলাকায় জোর করে জমি দখল, বাড়িঘর ভাঙচুর এবং অন্যের জমিতে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে জামালপুরের জেলা ও দায়রা জজ জুলফিকার আলী খান মাসুকের বিরুদ্ধে।

ঘটনার প্রতিবাদে জুলফিকার আলীর গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠিতে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী স্বজনসহ জমির ওয়ারিশরা।

শনিবার দুপুর ১২টায় ঝালকাঠি শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের সামনের সড়কে ওই মানববন্ধন হয়।

মানববন্ধন শেষে একটি লিখিত অভিযোগ সরবরাহ করেন অভিযোগকারীরা।

অভিযোগে উল্লেখ আছে- সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের বাসিন্দা প্রয়াত শওকত আলী খানের পুত্র জুলফিকার আলী খান (মাসুক হুজুর) অবৈধভাবে অন্যের জমি দখল ও বাড়িঘর ভাঙচুর করে স্থাপনা নির্মাণ করছেন। জমির ওয়ারিশান মামুন খান, রেজা খান, সাইদ খান ও অভি খান জানান, বিরোধীয় সম্পত্তির ৩ এর ১ অংশের অংশীদারদের নিয়ে তারা গত ২৬ সেপ্টেম্বর ঝালকাঠির একটি আদালতে ১৪৫ ধারায় মামলা করেন। এরপরই ঝালকাঠি সদর থানার ওসির সহযোগিতায় অবৈধ নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়া হয়। এ ছাড়া যেন বিশৃঙ্খলা না হয় সে জন্য পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে নোটিশ দিয়ে আসে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, জেলা জজ জুলফিকার আলী খান মাসুকের নির্দেশে তার ছোট ভাই আবু মইন খান (মামুন) ভাড়াটে মাস্তান নিয়ে জোর-জবরদস্তি করে এবং আদালতের নিষেধ অমান্য করে বিরোধীয় সম্পত্তিতে নির্মাণকাজ শুরু করেন।

বিষয়টি ঝালকাঠি জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মইনুল হক এবং সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রশান্ত কুমার দের নির্দেশে পুলিশ গিয়ে আবারও কাজ বন্ধ করে দেয়।

লিখিত পত্রে আরও জানানো হয়, গত বছরও (২০২১ সাল) জুলফিকার আলী খান ক্ষমতার অপব্যবহার করে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী ঝালকাঠি জেলা শাখার সভাপতি গোলাম সাঈদ খানের বসতবাড়ি ভেঙে দিয়ে ৭ শতাংশ জায়গা দখল করে প্রাচীর নির্মাণ করেন। সে সময়ও তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছিল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামালপুরের জেলা ও দায়রা জজ জুলফিকার আলী খান বলেন, ‘আমি আমার জমিতে ভবন নির্মাণ করতেছি। অভিযোগকারীরা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।’

আরও পড়ুন:
নারী নির্যাতন মামলার আসামি জজের নিয়োগ স্থগিত
বিচারকদের ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব
বিচার বিভাগে রদবদল, ৬৫ বিচারকের পদোন্নতি
এবার কামরুন্নাহারের বিচারিক ক্ষমতা জব্দ করল আপিল বিভাগ
আপিল বিভাগের শুনানিতে বিচারক কামরুন্নাহার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Ex student leader Khairul murder case 6 life life

সাবেক ছাত্রনেতা খায়রুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

সাবেক ছাত্রনেতা খায়রুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) সুলতানুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত ১০ নভেম্বর যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ২৪ নভেম্বর রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন। তবে সপ্তমবারের মতো রায় ঘোষণার তারিখ পেছানো হয়। পূর্ব নির্ধারিত দিন অনুযায়ী আজ আদালত রায় ঘোষণা করেন।

কক্সবাজারের মহেশখালীর গোরকঘাটা বাজারে দুর্বৃত্তের গুলিতে তৎকালীন জেলা পরিষদ সদস্য ও তরুণ রাজনীতিক ২৮ বছর বয়সী খাইরুল আমিন সিকদার নিহত হওয়ার ৩১ বছর পর ওই হত্যা মামলায় ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মহেশখালীর সাবেক মেয়র সরওয়ার আজম, তার দুই ভাই মৌলভি জহির উদ্দিন ও নাসির উদ্দিন এবং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান শামসুল আলম, অ্যাডভোকেট হামিদুল হক ও সাধন নামের এক যুবক। রায় ঘোষণার সময় সাধন ছাড়া বাকি পাঁচজন উপস্থিত ছিলেন।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) সুলতানুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত ১০ নভেম্বর যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ২৪ নভেম্বর রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন। তবে সপ্তমবারের মতো রায় ঘোষণার তারিখ পেছানো হয়। পূর্ব নির্ধারিত দিন অনুযায়ী আজ আদালত রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে ২৬ আসামির মধ্যে ছয়জনকে যাবজ্জীবন ও বাকি ২০ জনকে খালাস দেন। এ মামলা চলার সময়ে সাতজন আসামি মারা গেছেন। মারা যাওয়া আসামিদের মধ্যে আছেন মহেশখালীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নুর বক্স, স্থানীয় বাসিন্দা রহিম সিকদার, আমির হোসেন ও আজিজুল হক।

এদিকে মামলার দুই আসামি জহির উদ্দিন ও মো. ইব্রাহিম হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

আদালতের পর্যবেক্ষণের বরাতে এপিপি বলেন, ‘আদালত মনে করছেন, এটি একটি রাজনৈতিক বিরোধে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ড, যা আদালতে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।’

১৯৯০ সালের ৯ এপ্রিল বিকেল ৫টার দিকে মহেশখালীর গোরকঘাটা বাজারে দুর্বৃত্তের গুলিতে খুন হন তৎকালীন জেলা পরিষদ সদস্য ও তরুণ রাজনীতিক খাইরুল আমিন সিকদার। তিনি গোরকঘাটার হামজা মিয়া সিকদারের ছেলে।

ওই দিন নিহত খাইরুল আমিনের বড় ভাই মাহমুদুল করিম মহেশখালী থানায় মহেশখালীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নুর বক্স, পুটিবিলার শামশুল আলম, নাসির উদ্দিন, হামিদুল হকসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ঘটনার তদন্ত করে এজাহারভুক্ত ২৫ জনসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন ওই বছরের ২২ নভেম্বর।

২০০৩ সালের ২৭ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

আরও পড়ুন:
৭ মাসের শিশু হত্যায় দাদির যাবজ্জীবন
পাবনায় কৃষক হত্যায় ২১ জনের যাবজ্জীবন
সিলেটে সাংবাদিক হত্যার এক যুগ পর ৬ জনের যাবজ্জীবন
৭ বছর পর গ্রেপ্তার যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া আসামি
হত্যার ২৬ বছর পর স্বামীসহ ৩ জনের যাবজ্জীবন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
One person was hanged in Kashimpur jail in the freedom fighter murder case

বীর মুক্তিযোদ্ধা হত্যা: কাশিমপুর কারাগারে একজনের ফাঁসি কার্যকর

বীর মুক্তিযোদ্ধা হত্যা: কাশিমপুর কারাগারে একজনের ফাঁসি কার্যকর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২। ছবি: নিউজবাংলা
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর সিনিয়র জেল সুপার আমিরুল ইসলাম জানান, সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার রাত ১১টা ১ মিনিটে ফাঁসি কার্যকর করা হয়। ওই সময় কারাগারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নারায়ণগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দীন মেম্বার হত্যা মামলায় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এ বন্দি এক আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর সিনিয়র জেল সুপার আমিরুল ইসলাম জানান, সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার রাত ১১টা ১ মিনিটে ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। ওই সময় কারাগারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও জানান, ফাঁসি কার্যকর হওয়া ৪৭ বছর বয়সী কামাল ওরফে এক্সেল কামাল নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার কোতোয়ালেরবাগ এলাকায় থাকতেন।

কারা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ২০০৪ সালে নারায়ণগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দীন মেম্বার হত্যা মামলায় ২০০৬ সালে নারায়ণগঞ্জ জেলা দায়রা জজ আদালত কামালকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। পরে হাইকোর্ট তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে।

ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে আপিল বিভাগও মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে। পরে আপিল বিভাগে রিভিউ আবেদন করা হলে গত ২৮ এপ্রিল সেটিও খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে সর্বোচ্চ আদালত। সবশেষে আসামি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করলে গত ১ নভেম্বর তা নাকচ হয়।

আরও পড়ুন:
সাড়ে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যায় আসামির মৃত্যুদণ্ড
আয়াতের দেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার
বরিশালে অভিমান করে স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা
গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা
গৃহবধূ হত্যার ১৬ বছর পর ৬ আসামির যাবজ্জীবন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Erteza editor of Bhorer Pata is on permanent bail

ভোরের পাতার সম্পাদক এরতেজার স্থায়ী জামিন

ভোরের পাতার সম্পাদক এরতেজার স্থায়ী জামিন ‘দৈনিক ভোরের পাতা’র সম্পাদক ড. কাজী এরতেজা হাসান। ফাইল ছবি
এ দিন এরতেজা হাসান আইনজীবীর মাধ্যমে স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে। জালিয়াতি ও প্রতারণার এ মামলায় তিনি ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জামিনে ছিলেন।

জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলায় ‘দৈনিক ভোরের পাতা’র সম্পাদক ড. কাজী এরতেজা হাসানকে স্থায়ী জামিন দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম আহম্মেদ হুমায়ুন কবিরের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার দিন ঠিক করা ছিল। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা না দেয়ায় আগামী ১ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন জমার পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেন বিচারক।

এ দিন এরতেজা হাসান আইনজীবীর মাধ্যমে স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে।

এ মামলায় তিনি ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জামিনে ছিলেন। গত ৭ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম মেহেদী হাসান ২০ হাজার টাকা মুচলেকায় এরতেজা হাসানের ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেছিলেন।

গত ১ নভেম্বর রাতে রাজধানীর গুলশানে ‘ইভা রোজ’ নামের একটি বাড়ি থেকে এরতেজাকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। পরে কল্যাণপুরে পিবিআই কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাকে।

পিবিআই জানায়, আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের ভাই সাইফুল ইসলাম গত ১০ জানুয়ারি জালিয়াতি ও প্রতারণার একটি মামলা করেন।

খিলক্ষেত থানার করা মামলায় আসামিদের মধ্যে আছেন নর্দান ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ আব্দুল্লাহ, রিয়াজুল আলম ও সেলিম মুন্সী। তদন্তের একপর্যায়ে এরতেজার নাম আসে।

মামলায় বলা হয়, নর্দান ইউনিভার্সিটির জন্য দক্ষিণখানে আশিয়ান সিটি প্রজেক্টে ৫ বিঘা জমি কেনার জন্য একটি চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী ৫০ কোটি টাকা দেয়ার কথা ছিল। প্রথম দফায় ৩০ কোটি টাকা দেয় নর্দান কর্তৃপক্ষ। বাকি টাকা পরিশোধ না করেই আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের সই জাল করে জমির রেজিস্ট্রি করা হয়। এ সময় জমির মূল্য দেখানো হয় ৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।

জালিয়াতির এ মামলায় আসামি আবু ইউসুফ আব্দুল্লাহ ও রিয়াজুল আলমকে এর আগে গ্রেপ্তার করে পিবিআই।

দৈনিক ভোরের পাতা সম্পাদনার পাশাপাশি বেশ কিছু সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত সিআইপি মর্যাদা পাওয়া এরতেজা হাসান।

তিনি ভোরের পাতা গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারপারসন। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফ্ল্যাঞ্চাইজি রংপুর রাইডার্সের প্রেসিডেন্টও ছিলেন।

কাজী এরতেজা ব্যবসায়ীদের সংগঠন দ্য ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বার্স অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) পরিচালক। তিনি ইরান-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।

আরও পড়ুন:
ভোরের পাতার সম্পাদক এরতেজার জামিন
রিমান্ড শেষে কারাগারে ভোরের পাতা সম্পাদক এরতেজা
ভোরের পাতা সম্পাদক এরতেজা রিমান্ডে
ভোরের পাতা সম্পাদক এরতেজাকে রিমান্ডে চায় পিবিআই

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two persons sentenced to death in organized rape case

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মাধবপুর উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামের ৪৫ বছর বয়সী মো. মাহিদ মিয়া ও রাজেন্দ্রপুর গ্রামের ৩৫ বছর বয়সী মোস্তফা।

হবিগঞ্জের মাধবপুরে ১০ম শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দুইজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এসএম নাসিম রেজা বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মাধবপুর উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামের ৪৫ বছর বয়সী মো. মাহিদ মিয়া ও রাজেন্দ্রপুর গ্রামের ৩৫ বছর বয়সী মোস্তফা।

হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর স্পেশাল পিপি মো. মোস্তফা মিয়া নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রায়ের সময়ে আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৮ জুন রাত ১১টার দিকে উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামের ১০ম শ্রেণির ছাত্রীর ঘরের জানালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে শাহিদ ও মোস্তফা।

এ ঘটনার পরদিন রাতে স্কুলছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে মাধবপুর থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এ রায় দেন।

রাষ্টপক্ষের আইনজীবী হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর স্পেশাল পিপি মো. মোস্তফা মিয়া বলেন, ‘এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ থেকে মানুষ বিরত থাকবে। রায়ে বাদিপক্ষ খুশি। এখন আমরা চাই দ্রুত রায় কার্যকর করা হোক।’

আরও পড়ুন:
মেয়ের বান্ধবীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রামপুলিশ আটক
স্বপন হত্যা মামলায় ব্যবসায়ীর মৃত্যুদণ্ড, বান্ধবীর যাবজ্জীবন
ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে প্রধান শিক্ষকের যাবজ্জীবন
বন্ধুর প্রেমিকাকে ধর্ষণের মামলায় ইমাম, মাদ্রাসাশিক্ষকসহ গ্রেপ্তার ৩
গার্মেন্টসকর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ৫ জনের নামে মামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Now rescue the head of the verse

এবার উদ্ধার আয়াতের মাথা

এবার উদ্ধার আয়াতের মাথা চট্টগ্রামের ইপিজেড থানা এলাকা থেকে নিখোঁজ সাত বছর বয়সী আয়াতকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
পিবিআইয়ের পরিদর্শক ইলিয়াস খান বলেন, ‘সকালে জেলেরা মাথাটি পেয়ে আমাদের জানায়। আমরা এটি উদ্ধার করে পরিবারকে জানালে তারা নিশ্চিত করে যে এটি আয়াতেরই মাথা। গতকাল তার যে দুটি পা উদ্ধার হয়েছিল, সেসব মর্গে পাঠানো হয়েছে, আজ উদ্ধার মাথাও মর্গে পাঠানো হবে। সব কিছুরই ময়নাতদন্ত হবে।’

চট্টগ্রামের ইপিজেড থানা এলাকায় নিখোঁজের পর হত্যার শিকার ৫ বছর বয়সী আলিনা ইসলাম আয়াতের মরদেহের আরেকটি খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই অংশটি আয়াতের মাথা বলে চিহ্নিত করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আকমল আলী সড়ক এলাকার সাগরপাড় স্লুইজ গেটের পাশ থেকে খণ্ডিত অংশটি উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক ইলিয়াস খান।

তিনি বলেন, ‘সকালে জেলেরা মাথাটি পেয়ে আমাদের জানায়। আমরা এটি উদ্ধার করে পরিবারকে জানালে তারা নিশ্চিত করে যে এটি আয়াতেরই মাথা। গতকাল তার যে দুটি পা উদ্ধার হয়েছিল, সেসব মর্গে পাঠানো হয়েছে। আজ উদ্ধার হওয়া মাথাও মর্গে পাঠানো হবে। সব কিছুরই ময়নাতদন্ত হবে।’

এর আগে বুধবার একই এলাকা থেকে আয়াতের দুটি পা উদ্ধার করে পিবিআই।

১৫ নভেম্বর নগরীর ইপিজেড থানার বন্দরটিলা নয়ারহাট বিদ্যুৎ অফিস এলাকার বাসা থেকে পার্শ্ববর্তী মসজিদে আরবি পড়তে যাওয়ার সময় নিখোঁজ হয় আলিনা ইসলাম আয়াত। পরদিন এই ঘটনায় ইপিজেড থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন তার বাবা সোহেল রানা।

নিখোঁজের ৯ দিন পর সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জড়িত সন্দেহে আয়াতের পরিবারের ভাড়াটিয়া আবির আলীকে আটকের কথা জাানায় পিবিআই। পিবিআইয়ের দাবি, আটকের পর আয়াতকে খুন ও লাশ গুম করার কথা স্বীকার করেছেন তিনি। মূলত ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে আয়াতকে অপহরণ চেষ্টার সময় শ্বাসরোধে হত্যা করেন তিনি।

এরপর শনিবার প্রথমবার আবিরকে ২ দিনের রিমান্ডে পায় পুলিশ। আবিরকে নিয়ে আয়াতের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারে সাগরপাড়ে নিষ্ফল অভিযান পরিচালনা করে পিবিআই। এরপর সোমবার আবিরকে দ্বিতীয় দফায় ৭ দিনের রিমান্ডে পায় পুলিশ। দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডের প্রথম দিন মঙ্গলবার আবিরের মা-বাবার ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। একই দিন প্রবেশন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ভিক্টিম সাপোর্ট সেন্টারে আবিরের ১৫ বছর বয়সী বোনকে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন আদালত।

দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডের প্রথম দিনে আয়াতের খণ্ডিত মরদেহের খোঁজে সাগরপাড় এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহায়তায় একটি জলাশয় পানিশূন্য করা হয় বলে জানান পরিদর্শক ইলিয়াস খান।

আরও পড়ুন:
আয়াতের দেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার
আবিরের মা-বাবাও রিমান্ডে, খোঁজ চলছে আয়াতের মরদেহেরও
আয়াত হত্যায় আরও ৭ দিনের রিমান্ডে আবির
কোথায় গেল আয়াতের টুকরা দেহ
আলামত নষ্ট করার বিদ্যা ‘ক্রাইম পেট্রল’ দেখে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Three districts suffer due to transport strike

পরিবহন ধর্মঘটে তিন জেলায় ভোগান্তি

পরিবহন ধর্মঘটে তিন জেলায় ভোগান্তি বাসস্টান্ডে নিশ্চল বাসের সারি। ছবি: নিউজবাংলা
যাত্রী শারমিন বেগম বলেন, ‘কয়েক দিন পরপর পরিবহন শ্রমিক ও মালিকরা ধর্মঘটের ডাক দেন। এতে অন্য কারও কিছু না হলেও যাত্রীদের হয়রানি এবং ভোগান্তির শিকার হতে হয়।’

মহাসড়কে অবৈধ যান চলাচল বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে রাজশাহী বিভাগে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়েছে। এতে তিন জেলার যাত্রীরা পড়েছে ভোগান্তিতে।

বিএনপির নেতারা বলছেন, আগামী শনিবার রাজশাহীতে অনুষ্ঠেয় তাদের বিভাগীয় সমাবেশকে বাধা দিতেই এ ধর্মঘট ডাকা হয়েছে, তবে বাস মালিক সমিতির নেতারা বলছেন, সমাবেশের সঙ্গে তাদের ধর্মঘটের সম্পর্ক নেই।

রাজশাহী, নওগাঁ ও নাটোরের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য অনু্যায়ী যাত্রীদের ভোগান্তির বিষয়টি জানা গেছে।

রাজশাহী

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজশাহী থেকে কোনো রুটে বাস ছেড়ে যায়নি। অন্য জেলা থেকে কোনো বাস রাজশাহীতে প্রবেশ করেনি।

বাস চলাচল বন্ধ থাকায় সকাল থেকে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। অটোরিকশা বা ছোট বাহনে করে মানুষ গন্তব্যে যাচ্ছেন। এজন্য তাদের বাড়তি ভাড়াও গুনতে হচ্ছে।

বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে দূর-দূরান্ত থেকে সমাবেশস্থল মাদ্রাসা মাঠে আসতে শুরু করেন। তারা সমাবেশস্থলের লাগোয়া রাজশাহী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে অবস্থান নিতে শুরু করেন। রাত ১২টার দিকে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অবস্থান নেন সেখানে।

নওঁগা

বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে শুরু হওয়া ধর্মঘটের মধ্যে বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন নওগাঁ থেকে বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীরা।

শহরের বালুডাঙ্গা ব্যাসস্টান্ডে দাঁড়িয়ে যাত্রী শারমিন বেগম বলেন, ‘জরুরি একটি কাজে সাড়ে ১০টার মধ্যে রাজশাহী যেতে হবে। প্রায় ৪০ মিনিট থেকে অপেক্ষা করেও কোনো যানবাহন পাচ্ছি না।

পরিবহন ধর্মঘটে তিন জেলায় ভোগান্তি

‘কয়েক দিন পরপর পরিবহন শ্রমিক ও মালিকরা ধর্মঘটের ডাক দেন। এতে অন্য কারও কিছু না হলেও যাত্রীদের হয়রানি এবং ভোগান্তির শিকার হতে হয়।’

বাসস্ট্যান্ডে আসা আরও দুই যাত্রী আলাউদ্দিন আহমেদ ও কবির হোসেন জানান, বাসস্ট্যান্ডে আসার আগে তারা ধর্মঘটের কথা শুনেছেন। ভেবেছিলেন বিকল্প কোনো বাহনে করে যাবেন, কিন্তু স্ট্যান্ডে এসে কোনো কিছুই পাচ্ছেন না। এমনকি সিএনজিচালিত অটোরিকশাও দেখা যাচ্ছে না। আবার যেগুলো আছে, বেশি ভাড়া চাচ্ছে।

নাটোর

বৃহস্পতিবার ধর্মঘটের প্রথম দিনে সকাল থেকেই নাটোর থেকে কোনো ধরনের বাস ও গাড়ি চলাচল করতে দেখা যায়নি। গাড়ি চলাচল না করায় ভোগান্তিতে পড়েছে কর্মজীবী মানুষ।

জরুরি প্রয়োজনেও তাদের গন্তব্যে যেতে পারছেনা তারা। গাড়ি বন্ধ থাকায় বাস চালক ও সহকারীরাও পড়েছে বিপদে।

আমিনুল ইসলাম নামে এক যাত্রী জানান, কাজে যাওয়ার জন্য বের হয়ে কোনো গাড়ি পাচ্ছেন না। সময়মত অফিসে পৌঁছাতে না পারলে সমস্যা হবে। বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন বিকল্পভাবে যেতে হবে কিন্তু তাতে অনেক টাকা খরচ হবে। এভাবে সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা না করে যখন তখন ধর্মঘট দেয়া ঠিক না।

পরিবহন ধর্মঘটে তিন জেলায় ভোগান্তি

রিতু সুলতানা নামে এক শিক্ষার্থী জানান, মাকে নিয়ে ঢাকায় বেড়াতে যাবার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলেন। বড়হরিশপুর এলাকায় এসে দেখেন বাস চলছে না। ধর্মঘট শুধু ভোগান্তি বাড়ায় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বাস ড্রাইভার হানিফ আলী বলেন, ‘ধর্মঘটে বাস না চললে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। যেহেতু এটা পরিবহন কর্তৃপক্ষের ব্যাপার, তাই এ নিয়ে বেশি কথা বলা ঠিক হবেনা।’

আরও পড়ুন:
বাস মালিকরা স্বাধীন, আমাদের কিছু করার নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সিলেটে ধর্মঘট, বন্ধ সব যান চলাচল
উত্তরাঞ্চলে রোববার থেকে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক
৮ দিন ভুগিয়ে বাস চালু করল পরিবহন শ্রমিকরা
পিরোজপুর-বরিশাল রুটে বাধা ঝালকাঠি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Suffering from transport strike in Rajshahi

রাজশাহীতে পরিবহন ধর্মঘটে ভোগান্তি

রাজশাহীতে পরিবহন ধর্মঘটে ভোগান্তি রাজশাহীতে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। ছবি: নিউজবাংলা
বাস চলাচল বন্ধ থাকায় সকাল থেকে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। অটোরিকশা বা ছোট বাহনে করে মানুষ গন্তব্যে যাচ্ছেন। এজন্য তাদের বাড়তি ভাড়াও গুনতে হচ্ছে।

রাজশাহীতে শুরু হয়েছে পরিবহন ধর্মঘট। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজশাহী থেকে কোনো রুটে বাস ছেড়ে যায়নি। অন্য জেলা থেকে কোনো বাস রাজশাহীতে প্রবেশ করেনি।

রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ শুরু হবে আগামী ৩ ডিসেম্বর দুপুরে। তার আগেই সেখানে শুরু হয়েছে পরিবহন ধর্মঘট।

বাস চলাচল বন্ধ থাকায় সকাল থেকে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। অটোরিকশা বা ছোট বাহনে করে মানুষ গন্তব্যে যাচ্ছেন। এজন্য তাদের বাড়তি ভাড়াও গুনতে হচ্ছে।

এদিকে সমাবেশকে ঘিরে বিএনপির নেতা-কর্মীরা এরই মধ্যে রাজশাহী আসতে শুরু করেছেন।

রাজশাহীতে পরিবহন ধর্মঘটে ভোগান্তি
রাজশাহী থেকে কোনো বাস ছেড়ে যায়নি

বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে দূর-দূরান্ত থেকে সমাবেশস্থল মাদ্রাসা মাঠে আসতে শুরু করেন। তারা সমাবেশস্থলের লাগোয়া রাজশাহী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে অবস্থান নিতে শুরু করেন। রাত ১২টার দিকে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অবস্থান নেন সেখানে।

সমাবেশস্থলে মঞ্চ তৈরির প্রস্তুতিসহ পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও কড়াকড়ি থাকায় পাশের ঈদগাহ মাঠে অবস্থান নিয়েছেন তারা।

বুধবার দুপুরে আট শর্তে সমাবেশের অনুমতি পায় বিএনপি। আর সন্ধ্যার পর থেকে মাদ্রাসা মাঠের দিকে আসতে শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। তাদের অনেকে জানিয়েছেন, যেহেতু বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পরিবহন ধর্মঘট শুরু হবে সে কারণে তারা আগের দিনই সমাবেশ স্থলে চলে এসেছেন।

আরও পড়ুন:
বাস মালিকরা স্বাধীন, আমাদের কিছু করার নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সিলেটে ধর্মঘট, বন্ধ সব যান চলাচল
উত্তরাঞ্চলে রোববার থেকে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক
৮ দিন ভুগিয়ে বাস চালু করল পরিবহন শ্রমিকরা
পিরোজপুর-বরিশাল রুটে বাধা ঝালকাঠি

মন্তব্য

p
উপরে