× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Scramble to take over Internet business
google_news print-icon

ইন্টারনেট ব্যবসার দখল নিতে হাঙ্গামা

ইন্টারনেট-ব্যবসার-দখল-নিতে-হাঙ্গামা
হামলায় আহত মীর ইন্টারনেট সার্ভিসের কর্মী।
আশুলিয়া থানার এসআই মাসুদ আল মামুন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গতকাল রাতে জামগড়া এলাকায় ডিউটি করার সময় মারামারির ঘটনাটি দেখি। লাঠিসোটা হাতে দলবদ্ধ হয়ে তারা বিভিন্ন যানবাহনে আঘাত করছিল।’

ঢাকার সাভারে জোর করে ইন্টারনেট ব্যবসা দখলে নিতে এক ব্যবসায়ীর অফিস ভাঙচুর ও তিন কর্মচারীকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে। তবে এই অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে অভিযুক্ত রনি ভূইয়ার পরিবার।

শনিবার ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেন আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার জান্নাত মীর ইন্টারনেট সার্ভিসের ব্যবস্থাপক শাহীন আলম। হামলায় আহতরা হলেন জান্নাত মীর ইন্টারনেট সার্ভিসের কর্মচারী মো. রাব্বী, মূসা ও ছানি।

এদিকে একই ঘটনায় পাল্টা অভিযোগ করেছেন অভিযুক্ত রনির বাবা বকুল ভূইয়া।

মীর ইন্টারনেট সার্ভিসের ব্যবস্থাপক শাহীন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সন্ত্রাসী রনি দীর্ঘদিন ধরে আমাদের ইন্টারনেট ব্যবসা অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করছে। কিছুদিন আগে সে অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জামিনে বেরিয়ে এসেছে। এসেই গতকাল তার লোকজন নিয়ে জামগড়া ব্রুকহিল মার্কেট ও আশরাফ প্লাজা এলাকার ইন্টারনেট সংযোগের তার কেটে দেয়। পরে আমরা আবার সংযোগ দিলে রাতেই লাঠি, রড, লোহার পাইপের মতো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রনিসহ ১৫-১৬ জন লোক আমাদের অফিসে হামলা করে।’

এ সময় রাব্বী, মূসা ও ছানি নামে ওই অফিসের তিন কর্মচারীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে আশপাশের চারটি দোকানে ভাঙচুর ও দোকানিদের মারধর করে চলে যায় তারা। আহত তিনজনকে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে রনি ভূইয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব না হলেও তার বাবা বকুল ভূইয়া বলেন, ‘আমার ছেলে রনি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তাকে মিথ্যাভাবে ফাঁসাতে এসব করা হচ্ছে। গতকাল ওরাই আমার মার্কেটে এসে দোকানপাট ভাঙচুর করছে, দুই-তিনজনরে মারধর করছে। আমি থানায় অভিযোগ দিয়েছি।’

রনির বিরুদ্ধে অস্ত্রসহ একাধিক মামলার বিষয়ে প্রশ্ন করলে বকুল বলেন, ‘রাজনীতিক গেম চলতাছে ভাই। সেই ফাঁদে পইড়া আইজকা আমার ছেলের এই অবস্থা।’

তবে মার্কেটে কেন ভাঙচুর করা হলো, সে বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি বকুল।

ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার এসআই মাসুদ আল মামুন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গতকাল রাতে জামগড়া এলাকায় ডিউটি করার সময় মারামারির ঘটনাটি দেখি। লাঠিসোটা হাতে দলবদ্ধ হয়ে তারা বিভিন্ন যানবাহনে আঘাত করছিল। পরে আমি ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যায়। এ সময় জানতে পারি তিনজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় জান্নাত ইন্টারনেট সার্ভিসের পক্ষে শাহিন আলম নামে একজন থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযুক্ত রনির বাবাও জান্নাত ইন্টারনেট সার্ভিসের মালিকসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন। তবে রনির বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা রয়েছে। সে এলাকায় উশৃঙ্খল-প্রকৃতির। তদন্ত করে পরবর্তী সময়ে এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
৪১ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওয়াইফাই ইন্টারনেট
অব্যবহৃত ইন্টারনেট ডেটা ফেরতে জটিল শর্ত
ইন্টারনেটে বাংলা কনটেন্টের ঘাটতি: মোস্তাফা জব্বার
ইন্টারনেট নিরাপদ হবে কীভাবে
২০২১ সালে প্রতি মিনিটে ইন্টারনেটে যা ঘটেছে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Preliminary investigations indicate that Rices helicopter crash was not sabotage

প্রাথমিক তদন্তে রাইসির হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা নাশকতা নয়

প্রাথমিক তদন্তে রাইসির হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা নাশকতা নয় গত রোববার হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের পর সোমবার উদ্ধার তৎপরতা চালায় উদ্ধারকারী দল। ছবি: সংগৃহীত
প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন বলছে, হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায় কোনো অপরাধমূলক কার্যকলাপের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। তবে তদন্ত এখনও শেষ হয়নি বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে।

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট, পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ মোট আটজন নিহত হওয়ার ঘটনায় কোনো অপরাধমূলক কার্যকলাপের প্রমাণ মেলেনি।

দেশটির সেনাবাহিনীর প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনের বরাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরএনএ একথা জানিয়েছে।

গত রোববার ইরানের উত্তরাঞ্চলে আজারবাইজানের সীমান্তের কাছে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার মধ্যে রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি একটি পার্বত্য এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। ওই ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট নিহত হন। তার সঙ্গে একই হেলিকপ্টারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আব্দোল্লাহিয়ান ও ক্রুসহ আরও ছয় আরোহী ছিলেন। দুর্ঘটনায় সবার মৃত্যু হয়।

রাইসিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উত্তরসূরী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। ফলে তার এমন অস্বাভাবিক মৃত্যুর হিসাব অনেকের কাছে মিলছে না।

তবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের প্রকাশ করা তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি উঁচু স্থানে আঘাত লেগে হেলিকপ্টারটিতে আগুন ধরে যায়। হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষে কোথাও গুলির গর্তের চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায়নি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রোববার হেলিপ্টারটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে সেটি পূর্বনির্ধারিত রুটেই উড়ছিল। হেলিকপ্টারটি নির্ধারিত রুট ছেড়ে বাইরে যায়নি। ওয়াচ টাওয়ার ও ফ্লাইট ক্রুদের মধ্যে যোগাযোগের সময় কোনো সন্দেহজনক বিষয়ও পরিলক্ষিত হয়নি। হেলিকপ্টারটি দুর্ঘটনায় পড়ার দেড় মিনিট আগে সঙ্গে থাকা আরও দুটি হেলিকপ্টারের সঙ্গে এটির যোগাযোগ হয়।

তদন্ত আরও এগিয়ে যাওয়ার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে বলে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অনুসন্ধান শেষ করতে আরও সময় প্রয়োজন।

মৃত্যুর চারদিন পর বৃহস্পতিবার রাইসিকে শিয়া মুসলিমদের পবিত্র শহর মাশহাদে কবর দেয়া হয়।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের বিমান বহরের বেশ কয়েকটি আকাশযানই ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের আগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘদিন ধরে তারা পশ্চিমা দেশগুলো থেকে কোনো নতুন আকাশযান বা খুচরা যন্ত্রাংশ কিনতে পারছে না, ফলে বহরের আধুনিকায়নও করা যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন:
রাইসির জানাজায় জনসমুদ্র
রাইসির মৃত্যুতে যেভাবে অস্থির হয়ে উঠতে পারে ইরান
রাইসির দাফন হবে জন্ম-শহর মাশহাদে
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনায় রসদ যোগাতে পারে রাইসির মৃত্যু
ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Application Opportunity for Student Empowerment Program in Easy Group

ইজি গ্রুপে স্টুডেন্ট এমপাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রামে আবেদনের সুযোগ

ইজি গ্রুপে স্টুডেন্ট এমপাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রামে আবেদনের সুযোগ ইজি গ্রুপের স্টুডেন্ট এমপাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রামের পোস্টার। ছবি: ইজি গ্রুপ
ইজি গ্রুপের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্টুডেন্ট এমপাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মঅভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি পড়ালেখার ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান প্রয়োগ করে কর্মক্ষেত্রে নিজেদের দক্ষতা এবং নিয়োগযোগ্যতা বাড়াতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য ইজি গ্রুপ (Ezzy Group) আয়োজন করেছ স্টুডেন্ট এমপাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রাম (Student Empowerment Program)।

এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখার পাশাপাশি বাস্তব জীবনের কর্ম অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ পাবেন।

এ সময়ের কর্মক্ষেত্র, শিল্প ও বাণিজ্যের সঙ্গে ভারসাম্য রক্ষা করে কর্মসূচিটি তৈরি করা হয়েছে।

ইজি গ্রুপের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্টুডেন্ট এমপাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মঅভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি পড়ালেখার ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান প্রয়োগ করে কর্মক্ষেত্রে নিজেদের দক্ষতা এবং নিয়োগযোগ্যতা বাড়াতে পারবেন।

ক্যারিয়ার শুরুর এ সুযোগে অংশ নিতে [email protected] মেইলে করা যাবে আবেদন।

আরও পড়ুন:
ইন্টারন্যাশনাল আইকনিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডে মনোনীত আলেয়া সারওয়ার ডেইজি
বিচারের আগে মিডিয়া ট্রায়াল অমানবিক: আইজিপি
আইনবিরোধী কাজে ব্যবস্থা নিতে দ্বিধাগ্রস্ত হলে পুলিশের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ: আইজিপি
ডিআইজি মিজানের ১৪ বছরের সাজা বহাল থাকছে
পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় কাউকে ছাড় নয়: আইজিপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
7 lakh 35 thousand animals are ready for sacrifice in Bogra

বগুড়ায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৭ লাখ ৩৫ হাজার পশু

বগুড়ায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৭ লাখ ৩৫ হাজার পশু বগুড়ায় খামারগুলোতে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে পশু। বগুড়া সদরের দোবাড়িয়া গ্রাম থেকে তোলা। ছবি: নিউজবাংলা
কোরবানিযোগ্য পশুর মধ্যে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪১টি গরু, ৪ লাখ ২২ হাজার ৬৫৭টি ছাগল, ৩৯ হাজার ৮৫১টি ভেড়া ও গাড়ল এবং ২ হাজার ২৬৬টি মহিষ রয়েছে।

ঈদুল আজহা সামনে রেখে বগুড়া জেলায় কোরবানির জন্য ৭ লাখ ৩৫ হাজার পশু প্রস্তুত রয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। ফলে জেলার চাহিদা মিটিয়ে অন্য জেলাতে বিক্রি হতে পারে এসব পশু। গত বছরের চেয়ে এ বছর বেড়েছে খামারির সংখ্যাও। ঈদকে ঘিরে খামারিরা এখন লাভের আশায় দিন গুনছেন।

বগুড়া জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার ১২টি উপজেলায় ৪৮ হাজার ৪৫৩ জন খামারিসহ ব্যক্তি পর্যায়ে এসব পশু পালন করা হচ্ছে। গত বছর বগুড়ায় ৪৪ হাজার ৩২৯ জন খামারি ছিলেন, যারা ৭ লাখ ২৬ হাজার ৫৯৭টি কোরবানিযোগ্য পশু পালন করেন।

এবার রয়েছে ৭ লাখ ৩৪ হাজার ৪১৫টি গবাদিপশু। কোরবানিযোগ্য পশুর মধ্যে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪১টি গরু, ৪ লাখ ২২ হাজার ৬৫৭টি ছাগল, ৩৯ হাজার ৮৫১টি ভেড়া ও গাড়ল এবং ২ হাজার ২৬৬টি মহিষ রয়েছে।

প্রস্তুতকৃত পশুর সঙ্গে এবার বেড়েছে চাহিদাও। গত বছর পশুর চাহিদা ছিল ৭ লাখ ৪ হাজার ৪৬০টি। চলতি বছর জেলায় কোরবানি পশুর চাহিদার বিপরীতে প্রস্তুতকৃত পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে ২৯ হাজার ১৫৫টি।

জানা যায়, ওষুধ ও গো-খাদ্যের অতিরিক্ত দামের কারণে প্রস্তুতকৃত পশুর প্রত্যাশিত দাম নিয়ে শঙ্কায় আছেন খামারিরা। এদিকে কুরবানির পশুর দাম অতিরিক্ত বেড়ে গেলে সংকটে পড়বেন মধ্যবিত্ত কোরবানিরদাতারাও। সবমিলিয়ে চলতি বছরের কোরবানির পশু প্রস্তুতকারী খামারি ও কোরবানি দিতে আগ্রহী ব্যক্তিরা বাজার নিয়ন্ত্রণ ও ন্যায্য মূল্যের আশা করছেন।

বগুড়া জেলায় প্রাকৃতিক খাদ্য দিয়েই অস্ট্রেলিয়ার ফ্রিজিয়ান, আমেরিকার ব্রাহমা ক্রস, ভারতীয় শাহীওয়াল, নেপালের গীরসহ দেশীয় জাতের গরু-ছাগল পালন করে এখন ভালো দামের প্রত্যাশা করছেন খামারিরা। প্রতিবছরই ঈদ এলে গরু বিক্রি করে বাড়তি আয় করেন তারা। ছোট-বড় খামারের পাশাপাশি ঈদকে সামনে রেখে ৪ মাস ধরে অনেকেই গরু মোটাতাজা করে থাকেন।

খামারিরা বলছেন, চলতি বছর পশুখাদ্যের দাম ও শ্রমিকের মজুরিসহ অন্যান্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় পশুপালন খরচও বেড়েছে কয়েক গুণ। এতে করে কোরবানির পশুর দাম গত বছরের চেয়ে বেশি হবে।

বগুড়ায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৭ লাখ ৩৫ হাজার পশু

বগুড়া সদর উপজেলার দোবাড়িয়া গ্রামের খামারি ফারুক আহম্মেদ জানান, ২০১৭ সালে ৪টি গরু ও ৬টি ছাগল দিয়ে খামার শুরু করেন তিনি। এরপর প্রতি বছর তার খামারে গবাদিপশু বাড়তে থাকে। বর্তমানে তার খামারে কোরবানিযোগ্য গরুর সংখ্যা ৪৫টি ও ছাগলের সংখ্যা ৬২টি ।

কোরবানির জন্য তিনি ফ্রিজিয়ান, শাহীওয়াল, নেপালি গীর ও দেশি ষাঁড় প্রস্তুত করেছেন। খামারে সর্বোচ্চ ৪ লাখ টাকা থেকে সর্বনিম্ন দেড় লাখ টাকা মূল্যের গরু রয়েছে।

ছাগলের মধ্যে রয়েছে যমুনা পরী, তোতা পরী, হরিয়ানা ও দেশি ব্ল্যাক বেঙ্গল, প্রকারভেদে যার মূল্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এছাড়া দেশি জাতের ছাগলও কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে, যেগুলোর মূল্য ২০ হাজার টাকা করে।

কোরবানির পশু ছাড়াও তার খামারে রয়েছে ৪টি দুধেল গাভী, যেগুলো থেকে প্রতিদিন গড়ে ৪০ লিটার দুধ পান তিনি। ছয়জন শ্রমিক তার খামার দেখাশুনা করেন। প্রতি মাসে খামারের পেছনে তার সব মিলিয়ে খরচ হয় প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা। বছর শেষে তিনি আয় করেন ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা।

বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোছা. নাছরিন পারভীন জানান, গত বছরের চেয়ে এবছর বগুড়ায় প্রস্তুতকৃত পশুর সংখ্যা বেড়েছে। এবার জেলায় যে পরিমাণ কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে, তার চেয়ে প্রস্তুতকৃত কোরবানির পশুর উদ্বৃত্ত রয়েছে ২৯ হাজার ১৫৫টি।

তিনি জানান, আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বগুড়ায় পশু প্রতিপালনের হার বেড়েছে। তাই কোরবানির পশুর কোনো সংকট হবে না এ জেলায়।

এছাড়া বগুড়ায় গবাদিপশু মোটাতাজাকরণে খামারি ও ব্যক্তি পর্যায়ে কেউ যেন ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্যাদি ব্যবহার না করেন, সেজন্য প্রচার চালানো হচ্ছে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
কোরবানির চাহিদার চেয়েও প্রায় ২৩ লাখ বেশি গবাদিপশু প্রস্তুত
ঈদ-পরবর্তী সাতদিন বাইরের চামড়া ঢাকায় ঢুকতে পারবে না
দেশে পশু চিকিৎসায় প্রথমবারের মতো ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Presidents Industrial Development Award 2021 received 20 institutions

‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০২১’ পেল ২০ প্রতিষ্ঠান

‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০২১’ পেল ২০ প্রতিষ্ঠান রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে ক্রেস্ট ও সনদ হাতে পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক/প্রতিনিধিরা। ছবি: নিউজবাংলা
শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী ছয় ক্যাটাগরির মোট ২০টি শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোক্তাকে ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০২১’ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে ছয়টি, মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে তিনটি, ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে চারটি, মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে তিনটি, কুটিরশিল্প ক্যাটাগরিতে তিনটি এবং হাইটেক শিল্প ক্যাটাগরিতে একটি।

দেশের শিল্প খাতে অবদানের স্বীকৃতি প্রদান, প্রণোদনা সৃষ্টি, সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা এবং বেসরকারি খাতে শিল্প স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় ছয় ক্যাটাগরির ২০টি শিল্প প্রতিষ্ঠানকে ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০২১’ দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিক/প্রতিনিধিদের হাতে পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ তুলে দেন।

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুস শহীদ ও এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম।

অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের যুগোপযোগী পরিকল্পনা ও নীতি এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে শিল্প খাতে উল্লেখযোগ্য ও দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি দিয়ে তাদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।

‘এ ধরনের স্বীকৃতি শিল্প উদ্যোক্তাদের নিজ নিজ কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের উৎকর্ষ সাধনে অনুপ্রাণিত করবে। এই দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে নবীন শিল্প উদ্যোক্তারাও নিজেদের পণ্যের গুণগত মানোন্নয়ন এবং বিশ্বমানের শিল্প স্থাপনে উজ্জীবিত হবেন। ফলে দেশে গুণগত মানসম্পন্ন শিল্পায়নের ধারা বেগবান হবে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুস শহীদ বলেন, ‘কৃষি উৎপাদনে ঈর্ষণীয় সাফল্য থাকা সত্ত্বেও আমরা কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও রপ্তানিতে অনেকটা পিছিয়ে আছি। প্রক্রিয়াজাতকরণের কম সুযোগ ও সংরক্ষণাগারের অভাবে আমাদের উৎপাদিত শাকসবজি ও ফলমূলের ২০ থেকে ৩০ শতাংশ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ভোক্তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

তিনি বলেন, ‘বছরে আমাদের কৃষিপণ্য রপ্তানি হয় মাত্র এক বিলিয়ন ডলারের মতো। অথচ এখানে সম্ভাবনা অনেক বেশি। কৃষিপণ্য রপ্তানি করে প্রতি বছর কয়েক বিলিয়ন ডলার আয় করা সম্ভব।’ তিনি কৃষি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য শিল্পোদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান।

শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী ছয় ক্যাটাগরির মোট ২০টি শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোক্তাকে এই পুরস্কার দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে ছয়টি, মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে তিনটি, ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে চারটি, মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে তিনটি, কুটির শিল্প ক্যাটাগরিতে তিনটি এবং হাইটেক শিল্প ক্যাটাগরিতে একটি।

বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে প্রথম হয়েছে ইকোটেক্স লি., প্রাণ ডেইরী লি. ও মীর আক্তার হোসেন লি.। দ্বিতীয় হয়েছে স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লি.। যৌথভাবে তৃতীয় হয়েছে স্নোটেক্স আউটারওয়্যার লি. ও স্কয়ার টয়লেট্রিজ লি.।

মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রম হয়েছে বেঙ্গল পলি অ্যান্ড পেপার স্যাক লি.। দ্বিতীয় হয়েছে বসুমতি ডিস্ট্রিবিউশন লি. এবং তৃতীয় এপিএস অ্যাপারেলস লি.।

ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে প্রথম হয়েছে দ্য রিলায়েবল বিল্ডার্স ও কনকর্ড এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানী লি.। দ্বিতীয় হয়েছে রংপুর ফাউন্ড্রী লি. এবং তৃতীয় হয়েছে গুনজে ইউনাইটেড লি.।

মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রম হয়েছে ফারিহা গ্রীন মুড লেদারস্ লি.। দ্বিতীয় হয়েছে এ.বি.এম ওয়াটার কোম্পানী এবং তৃতীয় ডীপলেড ল্যাবরেটরিজ লি.।

কুটির শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে ব্লু-স্টার এগ্রো প্রোডাক্ট অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ। এই ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় হয়েছে প্রীতি বিউটি পার্লার এবং তৃতীয় হয়েছে লেহাজ সালমা যুব মহিলা কল্যাণ সংস্থা।

হাইটেক শিল্প ক্যাটাগরিতে একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত বিজ সলুশনস লি.।

প্রসঙ্গত, শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার প্রদান সংক্রান্ত নির্দেশনাবলী ২০১৩’ অনুযায়ী ২০১৪ সালে প্রথম বারের মতো ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার’ দেয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এ বছর সপ্তম বারের মতো ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০২১’ দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধির হটস্পট হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে: শিল্পমন্ত্রী
শুধু স্বীকৃতি নয়, পণ্যের মানের দিকেও নজর দিতে হবে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The price of the dollar in the banks exceeded 120 taka in the open market

ব্যাংকে ডলারের দাম ১২০ টাকা ছাড়িয়ে, খোলাবাজারে ১২৫

ব্যাংকে ডলারের দাম ১২০ টাকা ছাড়িয়ে, খোলাবাজারে ১২৫
একটি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান জানান, মঙ্গলবার তাদের ব্যাংক ১১৯ টাকায় রেমিট্যান্স কিনেছে। আর এ কারণে আমদানি এলসি নিষ্পত্তি করা হয়েছে ১২০ টাকার বেশি দরে।

আমদানির ঋণপত্র নিষ্পত্তি করতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতি ডলারের দর ১২০ টাকার বেশি নিচ্ছে ব্যাংকগুলো। কার্ব মার্কেট অর্থাৎ খোলা বাজারের দর ১২৫ ছাড়িয়েছে।

ব্যাংকাররা বলছেন, তারা রেমিট্যান্স কিনেছেন ১১৯ টাকায়। এ কারণে আমদানিকারকদের কাছ থেকে ডলারের দর ১২০ টাকা নিতে হচ্ছে।

বেশ কয়েকটি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান বলেছেন, ক্রলিং পেগ পদ্ধতি চালু করে ডলারের যে রেট নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে, সেই রেটে ডলার কিনতে পাওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে বাড়তি দরে ডলার কেনাবেচা শুরু করেছেন তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংক ৮ মে বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়ের জন্য ক্রলিং পেগ ব্যবস্থা চালু করে। ক্রলিং পেগ মিড-রেট (সিপিএমআর) বা এই ব্যবস্থার আওতায় প্রতি ডলারের মাঝামাঝি বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয় ১১৭ টাকা। যদিও এই ব্যবস্থা চালুর আগে দেশে প্রতি ডলারের দাম ছিল ১১০ টাকা।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণের শর্ত হিসেবে সংস্থাটির পরামর্শ অনুযায়ী ক্রলিং পেগ ব্যবস্থা চালু করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু এই দরে কোথাও ডলার মিলছে না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে অবশ্য বলা হচ্ছে যে ক্রলিং পেগ পদ্ধতির আওতায় নির্ধারিত রেটের আশপাশেই আন্তঃব্যাংকে ডলার কেনাবেচা হচ্ছে।

তবে একটি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান জানান, মঙ্গলবার তাদের ব্যাংক ১১৯ টাকায় রেমিট্যান্স কিনেছে। আর আমদানি এলসি নিষ্পত্তি করা হয়েছে ১২০ টাকার বেশি দরে।

যোগাযোগ করা হলে রাষ্ট্রায়ত্ত একটি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান বলেন, ক্রলিং পেগ চালুর প্রথম সপ্তাহে সব ব্যাংক ঠিকঠাক অনুসরণ করলেও এখন অনেক ব্যাংক বেশি রেটে ডলার সংগ্রহ করছে। একইসঙ্গে এলসি খুলতেও বেশি রেট নিচ্ছে তারা।

শরিয়াভিত্তিক অধিকাংশ ব্যাংক এই ক্রলিং পেগ রেট অনুসরণ করছে না বলে জানান তিনি।

এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যস্থতায় ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি এবং বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ডিলারদের সংগঠন বাফেদা ডলারের একটি আনুষ্ঠানিক দর ঘোষণা করত। যদিও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এর চেয়ে বেশি দরে লেনদেন হতো। নতুন পদ্ধতি চালুর আগে সবশেষ ঘোষিত দর ছিল ১১০ টাকা।

মঙ্গলবার থেকে কিছু কিছু ব্যাংক বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো থেকে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করেছে ১১৯ টাকা দরে। এ ছাড়া আমদানিকারকদের এলসি নিষ্পত্তি করেছে ১২০ টাকা কিংবা তার চেয়েও বেশি দরে।

এদিকে খোলাবাজারে ডলার বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকারও বেশি দরে।

আরও পড়ুন:
খোলা বাজারে ডলার সংকট, দর উঠে গেছে ১২৫ টাকায়
ডলারের দাম এক লাফে বেড়েছে ৭ টাকা
ডলারের বিপরীতে ৩৪ বছরের সর্বনিম্নে জাপানি ইয়েনের দর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bashundhara Cement Annual Sales Conference 2024 Held

বসুন্ধরা সিমেন্টের বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন-২০২৪ অনুষ্ঠিত

বসুন্ধরা সিমেন্টের বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন-২০২৪ অনুষ্ঠিত

বসুন্ধরা সিমেন্টের আয়োজনে ‘উদ্ভাবন এবং কৌশলের মাধ্যমে বিক্রয় দক্ষতা’ শিরোনামে দিনব্যাপী ‘বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন-২০২৪’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি, বসুন্ধরা, ঢাকায় এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।

বসুন্ধরা সিমেন্টের ৩০০ জনেরও বেশি বিক্রয় প্রতিনিধির অংশগ্রহণে বিক্রয় সম্মেলনটি দুর্দান্ত সাফল্যের সঙ্গে সমাপ্ত হয়েছে, যা বসুন্ধরা গ্রুপ ও সিমেন্ট শিল্পের যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

সম্মেলনটি সিমেন্ট শিল্পের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি, বিক্রয় বিশেষজ্ঞ ও স্টেকহোল্ডারদের মেলবন্ধনের মাধ্যমে এই শিল্পের অভূতপূর্ব বৃদ্ধি ও উদ্ভাবনের দিকে আলোকপাত করেছে।

সম্মেলনে ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান।

এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন- বসুন্ধরা গ্রুপের ‘সেক্টর সি’-এর সিনিয়র ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, ‘প্লানড, ডিসিপ্লিনড ও সায়েন্টিফিক সেলস কল এবং সেলসম্যানশিপ-ভালো সিমেন্ট সেলসম্যানের বৈশিষ্ট্য’ বিষয়ে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর কে এম জাহিদ উদ্দিন, চিফ অপারেটিং অফিসার (মিডল ইস্ট অ্যান্ড আফ্রিকা ডিভিশন) কে এম শাহেদ জাহিদ, ‘সেলস অপারেশন, টার্গেট সেটিং এবং অন্যান্য সেলস অপারেশনাল আসপেক্টস’ বিষয়ে প্রধান বিক্রয় কর্মকর্তা শাহ জামাল সিকদার এবং ‘কর্পোরেট কাস্টমার হ্যান্ডেলিং” বিষয়ে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আইআরকেএম সালাহউদ্দিন বিশ্বাস।

সম্মেলনে বসুন্ধরা গ্রুপ, সেক্টর সি থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন- চিফ অপারেটিং অফিসার মির্জা মুজাহিদুল ইসলাম, চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসার মোহাম্মদ কামরুল হাসান, হেড অফ এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন মোহাম্মদ ইমরান বিন ফেরদৌস, হেড অফ মার্কেটিং মোহাম্মদ আলাউদ্দিন এবং অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

সম্মেলন জুড়ে অংশগ্রহণকারীরা প্রাণবন্ত আলোচনা, কর্মশালা ও নেটওয়ার্কিং সেশনে যুক্ত থেকে নতুন সম্পর্ক ও সহযোগিতার ভিত্তি স্থাপন করেন।

ইভেন্টটির মাধ্যমে বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিশ্রুতি এবং বাংলাদেশ ও এর বাইরে সিমেন্ট বিক্রয়ের ভবিষ্যত গঠনে আলোকপাত করা হয়।

বসুন্ধরা সিমেন্ট বিক্রয় সম্মেলন-২০২৪ এর সাফল্য বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উদ্ভাবনের চালিকাশক্তি হিসেবে বসুন্ধরা গ্রুপের অবস্থানকে সুদৃঢ় করে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
USTDAs Study Grant to CDNet on Expanding Internet Connectivity
সাবমেরিন ক্যাবল প্রকল্পে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচন

ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারণে সিডিনেটকে ইউএসটিডিএর সমীক্ষা অনুদান

ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারণে সিডিনেটকে ইউএসটিডিএর সমীক্ষা অনুদান মঙ্গলবার সমীক্ষা অনুদান অনুমোদন সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের পর তা তুলে ধরেন সিডিনেটের পরিচালক ও বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা ড. নাফিজ সরাফাত এবং ইউএসটিডিএর পরিচালক এনোহ টি. ইবং। ছবি: সংগৃহীত
সিডিনেটের পরিচালক ও বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তা ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘বাঘা-১ বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত সংযোগকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে এবং ফাইভ-জি পরিষেবা, আন্তর্জাতিক ডাটা সেন্টার ও আন্তর্জাতিক হাইপারস্কেলারের জন্য উদীয়মান ডিজিটাল পরিষেবাগুলোর জন্য ব্যাপক সুযোগ উন্মুক্ত করবে।’

ইউএস ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (ইউএসটিডিএ) বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল সাবমেরিন ক্যাবল (বাঘা-১)-এর উন্নয়নের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারণের জন্য মঙ্গলবার বাংলাদেশি টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি সিডিনেট কমিউনিকেশনস লিমিটেডকে (সিডিনেট) সমীক্ষা অনুদান অনুমোদন করেছে।

সাব-সি ক্যাবল শহর ও গ্রাম উভয় ক্ষেত্রেই সক্ষমতা বাড়াবে এবং ইন্টারনেট সেবার মান উন্নত করবে। সমীক্ষা পরিচালনার জন্য ফ্লোরিডাভিত্তিক এপি টেলিকম এলএলসি-কে নির্বাচিত করেছে সিডিনেট।

ইউএসটিডিএ ও সিডিনেট ষষ্ঠ ইন্দো-প্যাসিফিক বিজনেস ফোরামে এই চুক্তি স্বাক্ষর করে। সেখানে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ রোমুয়াল্ডেজ মার্কোস জুনিয়র মূল বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে ইউএসটিডিএর পরিচালক এনোহ টি. ইবং বলেন, ‘ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলজুড়ে আমরা সিডিনেটের মতো অংশীদারদের সঙ্গে সাব-সি ক্যাবল প্রকল্পগুলোর একটি পোর্টফোলিও তৈরি করছি। তারা সাব-সি ফাইবার অপটিক ক্যাবল সিস্টেমের মাধ্যমে তাদের দেশগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চ গতির ব্রডব্যান্ড ক্ষমতা সম্প্রসারণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের এজেন্সি একটি অংশীদারত্বভিত্তিক ইকোসিস্টেম তৈরি করতে সাহায্য করে, যা প্রকল্পের বিকাশকারী, যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি খাত, সরকারি সংস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সমমনা ইন্দো-প্যাসিফিক অংশীদারদের সম্পদ ও ক্ষমতাকে কাজে লাগায়। এসব প্রকল্পের সাফল্যের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ বাঘা-১।’

সাব-সি ক্যাবলগুলো বিশ্বব্যাপী যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটা বাস্তবায়িত হলে বাঘা-১ ক্যাবলটি বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য ব্যান্ডউইথড বৃদ্ধি করবে, যা নিরাপদ উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রসারিত করতে এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল অবকাঠামোর স্থিতিস্থাপকতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

ইউএসটিডিএর গবেষণা বাংলাদেশে একটি বিশ্বস্ত সাব-সি ক্যাবল সিস্টেম স্থাপনের জন্য সবচেয়ে কৌশলগত পথ চিহ্নিত করার বিকল্পগুলো মূল্যায়নে সিডিনেটকে সহায়তা করবে।

সিডিনেটের পরিচালক এবং বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তা ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত অনুষ্ঠানে বলেন, ‘বাঘা-১ বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য এবং বিশ্বস্ত সংযোগকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে এবং ফাইভ-জি পরিষেবা, আন্তর্জাতিক ডাটা সেন্টার ও আন্তর্জাতিক হাইপারস্কেলারের জন্য উদীয়মান ডিজিটাল পরিষেবাগুলোর জন্য ব্যাপক সুযোগ উন্মুক্ত করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য আরও কানেক্টেড এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে চলার এই অগ্রযাত্রার অংশ হতে পেরে আমরা গর্বিত।’

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, ‘ইউএসটিডিএর সমীক্ষা বাংলাদেশের জনগণের জন্য উন্নত ইন্টারনেট ব্যবহার আরও সহজ ও সুবিধাজনক করবে।’

দ্রুতগতির ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাংলাদেশকে আরও কানেক্টেড করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সংস্থার সঙ্গে একটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের অংশীদারত্ব স্থাপন করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

ইউএসটিডিএ বাইডেন-হ্যারিস প্রশাসনের অগ্রাধিকারের লক্ষ্যগুলো যেমন এগিয়ে নেয়, তেমনি বৈশ্বিক অবকাঠামো, বিনিয়োগের জন্য অংশীদারত্ব, ডিজিটাল সংযোগ এবং সাইবার নিরাপত্তা অংশীদারত্ব ও সমৃদ্ধ প্রকল্প প্রস্তুতি সুবিধার জন্য ইন্দো-প্যাসিফিক অর্থনৈতিক কাঠামোকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা পালন করে থাকে।

মন্তব্য

p
উপরে