× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Electrician was declared dead the driver left the lagoon at Dhame and ran away
hear-news
player
google_news print-icon

ইলেকট্রিক মিস্ত্রিকে মৃত ঘোষণা, ঢামেকে লেগুনা ফেলে পালান চালক

ইলেকট্রিক-মিস্ত্রিকে-মৃত-ঘোষণা-ঢামেকে-লেগুনা-ফেলে-পালান-চালক
এই লেগুনার ধাক্কায় নিহত হন ইলেকট্রিক মিস্ত্রি মো. শাহিন। লেগুনাটি ঢাকা মেডিক্যালে ফেলে পালিয়েছেন চালক। ছবি: নিউজবাংলা
গুরুতর আহত অবস্থায় ৪০ বছর বয়সী মো. শাহিনকে সেই লেগুনায় তুলে নেন লেগুনাচালক ও সহকর্মীরা। এর পর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময়ও সেখানে অবস্থান করছিলেন লেগুনাচালক। কিন্তু চিকিৎসক রাত সাড়ে ১০টায় মো. শাহিনকে মৃত ঘোষণা করলে লেগুনা ফেলেই সেখান থেকে সটকে পড়েন চালক। লেগুনাটি ঢামেকের সামনেই রয়েছে।

রাজধানীর শ্যামপুরে পূজার আলোকসজ্জার কাজ করার সময় লেগুনার ধাক্কায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে লাল মহন পোদ্দার লেন নামের সড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

গুরুতর আহত অবস্থায় ৪০ বছর বয়সী মো. শাহিনকে সেই লেগুনায় তুলে নেন লেগুনাচালক ও শাহিনের সহকর্মীরা।

এর পর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময়ও সেখানে অবস্থান করছিলেন লেগুনাচালক। কিন্তু চিকিৎসক রাত সাড়ে ১০টায় মো. শাহিনকে মৃত ঘোষণা করলে লেগুনা ফেলেই সেখান থেকে সটকে পড়েন চালক। লেগুনাটি ঢামেকের সামনেই রয়েছে।

মো. শাহিনের সহকর্মী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘শ্যামপুরে পূজা মণ্ডপের আশপাশের রাস্তায় রিকশাভ্যানের ওপর মই দিয়ে আলোকবাতি লাগানোর সময় রিকশাভ্যানটিকে সজোরে ধাক্কা দেয় একটি লেগুনা। এতে শাহিন রাস্তার ওপর ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান।’

নিহতের ছেলে মোহাম্মদ শাহিন বলেন, ‘আমাদের গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধা সদর উপজেলা খোলাহাটি গ্রাম। বর্তমানে ফরিদাবাদ লেন এলাকায় থাকতেন। এক ছেলে এক মেয়ের বাবা ছিলেন। তিন ভাই দুই বোনের মধ্যে দ্বিতীয়।’

ঢামেক পুলিশ ক‍্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল শিশুর
অটোরিকশায় বাসের ধাক্কায় নিহত ৩
মাইক্রোবাসের চাপায় প্রাণ গেল পথচারীর
ট্রাকচাপায় পা হারাল ৩ বছরের শিশু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Housewife killed by slitting throat in Kurigram

শয়নকক্ষে গৃহবধূর গলা কাটা দেহ

শয়নকক্ষে গৃহবধূর গলা কাটা দেহ প্রতীকী ছবি
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। এরই জেরে শাহেরাকে হত্যা করে স্বামী পালিয়েছেন।

কুড়িগ্রাম সদরে শয়নকক্ষ থেকে গৃহবধূর গলা কাটা দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার পলাশবাড়ী পশ্চিমপাড়া গ্রাম থেকে বুধবার সন্ধ্যায় ৩৫ বছর বয়সী শাহেরা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার পর থেকে শাহেরার স্বামী মোখলেছুর রহমান পলাতক।

সদরের বেলগাছা ইউনিয়নের পলাশবাড়ী পশ্চিমপাড়া গ্রামের প্রয়াত আবদুস ছাত্তারের মেয়ে শাহেরা। তার স্বামী মোখলেছুর রহমান পার্শ্ববর্তী কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের ডোমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

মোখলেছুর শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। ওই দম্পতির দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।

গৃহবধূর ছেলে শামীম জানান, তিনি সকালে কাজের জন্য বাইরে বের হন। কাজ শেষে সন্ধ্যায় ফিরে ঘর তালাবদ্ধ দেখতে পান। পরে তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে লেপ দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় মায়ের গলা কাটা দেহ দেখতে পান।

তিনি আরও জানান, তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। পরে তাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় পুলিশ।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। এরই জেরে শাহেরাকে হত্যা করে স্বামী পালিয়েছেন।

শাহেরার মা ফাতেমা বেগম বলেন, ‘আমার জামাই (জামাতা) মেয়েকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে। আমি সারা দিন বাইরে ছিলাম।

‘খবর শুনে এসে মেয়ের গলা কাটা মরদেহ দেখতে পাই। আমি মেয়ে হত্যার বিচার চাই।’

কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে নিজেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের কারণে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

‘তদন্ত চলছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।’

আরও পড়ুন:
গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা
গৃহবধূ হত্যার ১৬ বছর পর ৬ আসামির যাবজ্জীবন
প্রতিপক্ষের হামলায় ধর্ষণ মামলার সাক্ষী নিহত
বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ
আদালতে যাওয়ার পথে আসামিপক্ষের মারধরে সাক্ষী নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The High Court warned against publishing the courts statement

আদালতের বক্তব্য প্রকাশে সতর্ক করল হাইকোর্ট

আদালতের বক্তব্য প্রকাশে সতর্ক করল হাইকোর্ট ফাইল ছবি
আদালত বলেছে, সাংবাদিকদের আদালত সংক্রান্ত প্রতিবেদন সম্পূর্ণ সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠভাবে তৈরি করতে হবে। আদালতের কার্যক্রম ও কথোপকথন নিয়ে প্রতিবেদন পুরোপুরি সম্ভব না হলেও যতটা সম্ভব কাছাকাছি হতে হবে।

মামলার শুনানিকালে বিচারকের বক্তব্য নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে বলেছে হাইকোর্ট।

বুধবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ কথা বলেছে।

আদালত বলেছে, সাংবাদিকদের আদালত সংক্রান্ত প্রতিবেদন সম্পূর্ণ সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠভাবে তৈরি করতে হবে। আদালতের কার্যক্রম ও কথোপকথন নিয়ে প্রতিবেদন পুরোপুরি সম্ভব না হলেও যতটা সম্ভব কাছাকাছি হতে হবে।

বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারক বলেন, ‘যে কথা আমরা বলিনি, সে কথা লেখা উচিত নয়।‘

এখন থেকে আদালতের বক্তব্যের রেকর্ড থাকবে বলেও জানায় আদালত।

সংশ্লিষ্ট কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সোমবার হাইকোর্টের মন্তব্য নিয়ে কয়েকটি অনলাইনে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়, যেখানে কিছু শব্দের ব্যাপারে আদালত আপত্তি জানিয়েছেন। জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয় এমন কথা যেটা আদালত বলে না সেটা যাতে না যায়।

‘আদালতের বক্তব্য লেখার ক্ষেত্রে প্রয়োজনে অ্যাটর্নি জেনারেল বা সংশ্লিষ্ট কোর্টের ডিএজি বা অপরপক্ষের আইনজীবীর কাছ থেকে বিষয়টি পরিষ্কার করে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আদালত।’

আরও পড়ুন:
ইসলামী ব্যাংকের ‘অর্থ লোপাট’ নিয়ে রিটের পরামর্শ হাইকোর্টের
চেক ডিজঅনার মামলা নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত হয়নি
ব্যাংক কেলেঙ্কারি নিয়ে হাইকোর্ট, আমরা শুধু চেয়ে দেখব?
বড় ঋণখেলাপিরা কি বিচারের ঊর্ধ্বে, প্রশ্ন হাইকোর্টের
ওসি মোয়াজ্জেমের হাইকোর্টে জামিন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
5 arrested along with Bada A League leaders to arrest the accused in the rape case

ধর্ষণ মামলার আসামি ধরতে পুলিশকে বাধা, আ.লীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৫

ধর্ষণ মামলার আসামি ধরতে পুলিশকে বাধা, আ.লীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৫
ওসি বলেন, ‘ওই তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালায় পুলিশ। সেসময় অভিযুক্তরা ও তাদের পরিবারের অন্য সদস্যরা পুলিশকে বাধা দেয়। পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশের এক কনস্টেবল আহত হয়।’

গাজীপুরের টঙ্গীতে পোশাককর্মীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আসামি গ্রেপ্তারে গিয়ে বাধা ও হামলার শিকার হওয়ায় আওয়ামী লীগ নেতাসহ আরও ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগ নেতার নাম লুৎফর রহমান কালু। তিনি টঙ্গী থানা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক। পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে তাকে ও তার দুই স্ত্রী সোনিয়া আক্তার সনি ও ফাতেমা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আর ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বাবুল হোসেন বাবু ও আসাদুজ্জামান শাওন নামে দুজনকে।

টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম এসব নিশ্চিত করেছেন।

পোশাককর্মীর বরাতে তিনি জানান, শাওনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তাদের মধ্যে বিভিন্ন সময় শারীরিক সম্পর্কও হয়েছে। সবশেষ গত সোমবার গভীর রাতে শাওন মেয়েটিকে নিজের এলাকায় ডেকে নেন। সেখানে পৌঁছালে স্থানীয় মরকুন কবরস্থানে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন শাওনের দুই বন্ধু বাবু ও রিপন। পরদিন ৯৯৯ এ কল পেয়ে পুলিশ গিয়ে মেয়েটিকে শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

ওসি বলেন, ‘ওই তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালায় পুলিশ। সেসময় অভিযুক্তরা ও তাদের পরিবারের অন্য সদস্যরা পুলিশকে বাধা দেয়। পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশের এক কনস্টেবল আহত হয়।

‘পরে ঘটনাস্থল থেকে ধর্ষণে অভিযুক্ত দুই যুবকসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় এসআই নজরুল ইসলাম ১২ জনের নামসহ অজ্ঞাতপরিচয় ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আর ধর্ষণের ঘটনায় ভিকটিমের করা মামলায় ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টায় ১০ বছরের কারাদণ্ড
আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য হচ্ছেন মতিয়র রহমান
বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যায় জড়িতকে খুঁজছে পুলিশ
সাড়ে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যায় আসামির মৃত্যুদণ্ড
বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The young mans wrist was broken by the train

যুবকের কবজি বিচ্ছিন্ন ট্রেনের ধাক্কায়

যুবকের কবজি বিচ্ছিন্ন ট্রেনের ধাক্কায় প্রতীকী ছবি
‘কমলাপুর থেকে ছেড়ে আসা ট্রেন বিমানবন্দর স্টেশনের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় রেললাইন পার হতে গিয়ে সজিব দুর্ঘটনায় পড়েন। ট্রেনের ধাক্কায় তার ডান হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।’

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ট্রেনের ধাক্কায় মোহাম্মদ সজিব নামে এক যুবকের হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

বুধবার বেলা দুইটার দিকে কারওয়ান বাজার রেলগেটের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আহত অবস্থায় সজিবকে নেয়া হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে।

তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা যুবক কামাল হোসেন বলেন, ‘কমলাপুর থেকে ছেড়ে আসা ট্রেন বিমানবন্দর স্টেশনের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় রেললাইন পার হতে গিয়ে সজিব দুর্ঘটনায় পড়েন। ট্রেনের ধাক্কায় মাথাসহ শরীরের অন্য জায়গায় জখমের পাশপাশি তার ডান হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দ্রুত তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।’

তেজগাঁও থানার একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই) সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে সজিবের খোঁজখবর নেন। হাসপাতালের ১০১ নম্বর অর্থোপেডিক ওয়ার্ডে ভর্তি রেখে সজিবের চিকিৎসা চলছে। ২২ বছর বয়সী এ যুবকের শারীরিক অবস্থা অনেকটা শঙ্কামুক্ত বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘ট্রেনের ধাক্কায় কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া যুবককে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। তার বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।’

আরও পড়ুন:
ট্রেনের ধাক্কায় এক যুবক নিহত
মহাখালীতে ট্রেনের ধাক্কায় যুবক নিহত
ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেল মাইক্রোবাস, বেঁচে যায় ১৬ শিশুশিক্ষার্থী
ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু
হেডফোন কানে দিয়ে রেললাইন পার হতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
10 years imprisonment for attempted rape of a child

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টায় ১০ বছরের কারাদণ্ড

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টায় ১০ বছরের কারাদণ্ড
২০১৯ সালের ২১ এপ্রিল বিকেলে কাউখালী পোয়াপাড়ায় বাজার থেকে শিশুটিকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে আসামি। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ক্যামেরায় সে দৃশ্য রেকর্ড হয়।

রাঙ্গামাটির কাউখালী উপজেলায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় আসামিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বুধবার দুপুরে এই রায় দেন বিচারক এ.ই.এম ইসমাইল হোসেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামি গোপাল কৃঞ্চ নাথকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

গোপালের বাড়ি কাউখালীর ঘাগড়া ইউনিয়নে।

এসব নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম অভি।

তিনি জানান, ২০১৯ সালের ২১ এপ্রিল বিকেলে কাউখালী পোয়াপাড়ায় বাজার থেকে শিশুটিকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে আসামি। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ক্যামেরায় সে দৃশ্য রেকর্ড হয়। খবর পেয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে স্বজনরা। সে রাতেই শিশুর বাবা কাউখালী থানায় মামলা করেন।

এসব অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক আসামিকে কারাদণ্ড দিয়েছেন বলে জানান আইনজীবী।

আরও পড়ুন:
রিসোর্টে যুবক হত্যা, ২ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড
যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড
দুই যুগ আগের হত্যা মামলায় ২ আসামির যাবজ্জীবন
অন্তঃসত্ত্বাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা, ৫ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড
কৃষক উজ্জ্বল হত্যায় ১০ জনের যাবজ্জীবন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
GM Quader lost the ability to run the team again

দল চালানোর ক্ষমতা ফের হারালেন জি এম কাদের 

দল চালানোর ক্ষমতা ফের হারালেন জি এম কাদের  জি এম কাদেরের দল চালানোর ক্ষমতা ফের স্থগিত করেছে আদালত। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
জাপা থেকে বহিষ্কৃত নেতা জিয়াউল হক মৃধা গত ৪ অক্টোবর জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে জি এম কাদেরের দায়িত্বপালনে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে মামলা করেন। এরপর বিচারিক আদালত কাদেরের দলীয় যাবতীয় কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞার অস্থায়ী আদেশ দেয়। তবে হাইকোর্ট মঙ্গলবার সে আদেশ স্থগিত করে। হাইকোর্টের সেই আদেশ আবার স্থগিত করেছে চেম্বার জজ আদালত।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে বিভিন্ন দলীয় সিদ্ধান্ত নিতে জি এম কাদেরের ওপর বিচারিক আদালতের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছিল হাইকোর্ট। তবে হাইকোর্টের সেই আদেশ বুধবার চেম্বার জজ আদালত স্থগিত করে দিয়েছে।

বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চেও পাঠিয়েছে চেম্বার আদালত। আগামী সোমবার এ শুনানির আগপর্যন্ত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত থাকবে। ফলে আপাতত আবার দলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা হারালেন জিএম কাদের।

চেম্বার জজ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।

আদালতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করার আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমেদ রাজা। জি এম কাদেরের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম।

জাপা থেকে বহিষ্কৃত নেতা সাবেক এমপি জিয়াউল হক মৃধা গত ৪ অক্টোবর জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে জি এম কাদেরের দায়িত্বপালনে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে মামলা করেন। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৩১ অক্টোবর ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ আদালত জি এম কাদেরের দলীয় যাবতীয় কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞার অস্থায়ী আদেশ দেয়।

তবে হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়ালের একক বেঞ্চ মঙ্গলবার বিচারিক আদালতের আদেশ স্থগিত করে। এর ফলে দলে চেয়ারম্যানের কর্তৃত্ব ফিরে পেয়েছিলেন কাদের।

মামলায় বলা হয়, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর মারা যান। এরপর বিবাদী জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে একটি রিট মামলা বিচারাধীন থাকার পরও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ওই বছর ২৮ ডিসেম্বর কাউন্সিল করে নিজেকে তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করেন।

জিয়াউল হক মৃধার মামলায় বলা হয়, জি এম কাদের গত ৫ মার্চ গাজীপুর মহানগর কমিটির উপদেষ্টা আতাউর রহমান সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক সবুর শিকদার, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. মো. আজিজকে বহিষ্কার করেন। এ ছাড়া ১৪ সেপ্টেম্বর মসিউর রহমান রাঙ্গাকে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

মামলায় বলা হয়, ১৭ সেপ্টেম্বর অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধাকেও জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কার করা হয়, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।

আরও পড়ুন:
১০ ডিসেম্বর কী হতে যাচ্ছে ঢাকায়?
বিএনপির সঙ্গে জোটের প্রশ্নই আসে না
মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে চুমকি ও শিলা
হঠাৎ আলোচনায় এসেই অগোচরে সোহেল তাজ
‘জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Death sentence for the accused in the rape and murder of a three and a half year old child

সাড়ে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যায় আসামির মৃত্যুদণ্ড

সাড়ে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যায় আসামির মৃত্যুদণ্ড প্রতীকী ছবি
রায়ে বিচারক বলেন, শিশুরা যদি তাদের আশপাশের প্রতিবেশীদের কাছে নিরাপদ না থাকে তা সমাজের জন্য অশনিসংকেত। আসামি একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তি হিসেবে নিজের পাশবিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে ভিকটিমের জীবনে কালিমা লেপন করেছে এবং তার জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দিয়েছে।

রাজধানীর বাড্ডায় সাড়ে তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে আসামি শিপনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক সাবেরা সুলতানা খানম বুধবার আসামির উপস্থিতিতে এই রায় দেন।

আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

রায়ে বিচারক বলেন, শিশুরা যদি তাদের আশপাশের প্রতিবেশীদের কাছে নিরাপদ না থাকে তা সমাজের জন্য অশনিসংকেত। আসামি একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তি হিসেবে নিজের পাশবিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে ভিকটিমের জীবনে কালিমা লেপন করেছে এবং তার জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দিয়েছে। এই অপরাধের জন্য তার সর্বোচ্চ শাস্তি প্রাপ্য।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির উপপরিদর্শক রাশেদুল আলম ২০১৯ সালের ২৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালের ৩০ জুলাই আসামি শিপন নিজের বাসায় আসেন। ভুক্তভোগী শিশুকে বাসার সামনে দেখে তিনি শিশুটিকে ভাত খাওয়ান। এরপর ধর্ষণ করেন। শিশুটি চিৎকার করলে তার মুখ ও গলা চেপে ধরে রাখেন। এতে সে নিস্তেজ হয়ে পড়লে আসামি তাকে বাথরুমে ফেলে রেখে চলে যান।

ঘটনার পরদিন ৩১ জুলাই শিশুটির বাবা মেহেদী হাসান বাড্ডা থানায় মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ
আদালতে যাওয়ার পথে আসামিপক্ষের মারধরে সাক্ষী নিহত
জমি লিখে না দেয়ায় স্বামীকে হত্যার অভিযোগ
যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড
স্বপন হত্যা মামলায় ব্যবসায়ীর মৃত্যুদণ্ড, বান্ধবীর যাবজ্জীবন

মন্তব্য

p
উপরে