× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
3 lives lost on Dhaka Chittagong highway
hear-news
player
google_news print-icon

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গেল ৩ প্রাণ

ঢাকা-চট্টগ্রাম-মহাসড়কে-গেল-৩-প্রাণ
মো. বায়েজিদ। ছবি: সংগৃহীত
ফাতেমা আক্তার রেবা কুমিল্লার অজিতগুহ কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। তার বাড়ি চৌদ্দগ্রামের কালিকাপুর ইউনিয়নের বিজয়পুর গ্রামে। একই দুর্ঘটনায় নিহত মিমের বাড়ি চান্দিনায়। এদিকে চান্দিনায় নিহত বায়েজিতের বাড়ি তিতাস উপজেলার উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের কদমতলী গ্রামে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লায় আলাদা দুর্ঘটনায় কলেজছাত্রীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে মহাসড়কের চৌদ্দগ্রামে মিয়াবাজার ও চান্দিনার মাধাইয়ায় এসব ঘটনা ঘটে।

বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মিয়াবাজার এলাকায় বিজলী সুপার সার্ভিসের একটি বাস সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে কলেজছাত্রী ফাতেমা আক্তার রেবা ও শিশু মিম নিহত হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিয়াবাজার হাইওয়ে ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক মো. মোহসিন।

২৪ বছর বয়সী ফাতেমা কুমিল্লার অজিতগুহ কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। তিনি চৌদ্দগ্রামের কালিকাপুর ইউনিয়নের বিজয়পুর গ্রামের মফিজুর রহমানের মেয়ে। তিন বছর বয়সী মিমের বাড়ি চান্দিনা উপজেলায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা মোহসিন জানান, সিএনজি অটোরিকশাকে বাসটি পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি সামনের আরেকটি বাসের পেছনে ধাক্কা দেয়। দুই জনের মরদেহ কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাখা হয়েছে।

এদিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনার মাধাইয়ায় বাসের ধাক্কায় মো. বায়েজিদ নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।

৩৫ বছর বয়সী বায়েজিতের বাড়ি তিতাস উপজেলার উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের কদমতলী গ্রামে।

পুলিশ জানায়, বিকেলে বায়েজীদ মোটরসাইকেলে কুমিল্লা যাচ্ছিলেন। মাধাইয়া এলাকায় পেছনে থেকে একটি বাস তার মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিলে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) ওবায়দুল হক বলেন, ‘আমরা বাসটিকে আটক করতে পারিনি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল মর্গে নেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
বাস উল্টে প্রাণ গেল ২ নারীর , আহত ১৫
নসিমনের ধাক্কায় গেল শিক্ষকের প্রাণ
পিলারে বাইকের ধাক্কায় গেল ২ যুবকের প্রাণ
দোকানে ঢুকে পড়ল অ্যাম্বুলেন্স, নৈশপ্রহরী নিহত
কুষ্টিয়ায় আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Comilla Rally Fire of anger inside BNP

কুমিল্লা সমাবেশ: বিএনপির ভেতরে ক্ষোভের আগুন

কুমিল্লা সমাবেশ: বিএনপির ভেতরে ক্ষোভের আগুন
মঞ্চজুড়ে সেদিন ছিল সেলফি তোলার হিড়িক, একের পর এক ফোন চুরি। এমন বিশৃঙ্খলায় বিরক্ত কেন্দ্রীয় নেতারাও। বিরক্তি প্রকাশ করেন মির্জা ফখরুল, খন্দকার মোশাররফ। রাগে সমাবেশস্থল ত্যাগ করেন এহছানুল হক মিলন।

এক মাসেরও বেশি সময় ধরে প্রচার, সমাবেশে জড়ো হতে আপ্রাণ চেষ্টা। নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগে থেকেই জড়ো হওয়া, শেষ পর্যন্ত বিরাট জমায়েত। তবে শনিবারের সমাবেশ নিয়ে বিএনপিতে যত উচ্ছ্বাস, তার চেয়ে হতাশা, ক্ষোভও কম নয়।

কান্দিরপাড়ে টাউন হলে সমাবেশ শেষে এখন তুমুল আলোচনা মঞ্চের বিশৃঙ্খলা নিয়ে। সমাবেশস্থলে এসেও ফিরে গেছেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। যারা বক্তব্য রাখবেন, সেই তালিকায় ছিল না ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদের নাম। বক্তব্য না রাখতে পেরে দলটির বেশ কয়েকজন নেতা ক্ষোভও প্রকাশ করেন।

মঞ্চজুড়ে সেদিন ছিল সেলফি তোলার হিড়িক, একের পর এক ফোন চুরি। এমন বিশৃঙ্খলায় বিরক্ত কেন্দ্রীয় নেতারাও।

শনিবার বেলা ১১টায় ধর্মগ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে সমাবেশ শুরু হয়। মঞ্চে ওঠেন কুমিল্লা, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কয়েকজন নেতা। তাদের সঙ্গে উঠে পড়েন অর্ধশত কর্মীও।

ভিড় সামাল দিতে এগিয়ে আসেন কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লা বুলু। মঞ্চের মধ্যেই স্থানীয় নেতা রেজাউল ইসলাম তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।

আয়োজকদের ভুলে বক্তব্যর তালিকায় নাম ছিল না কুমিল্লার সন্তান শওকত মাহমুদের। অবশ্য তিনি জানতে পেরে সমাবেশে যাননি।

আগের দিন দুপুরে কয়েক হাজার নেতা-কর্মী নিয়ে কুমিল্লায় আসেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি যান মঞ্চের সামনে। কিন্তু মঞ্চে উঠতে পারেননি। ক্ষোভে ফিরে যান সেখান থেকে।

চাঁদপুর থেকে আসা একাধিক কর্মী বলেন, সমাবেশে বক্তার তালিকায় নাম না থাকায় তাদের নেতা-কর্মীদের নিয়ে ফিরে যান।

মঞ্চে বসেও বক্তব্য না দিতে পেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফুর ভুঁইয়া ও আনোয়ারুল আজিম।

সমাবেশের পুরো সময়টাতে মঞ্চে কোনো শৃঙ্খলাই ছিল না। অবস্থা এমন হয়েছে যে কর্মীদের কারণে নেতাদের চেহারাও ভালো করে দেখা যায়নি। তাদের মধ্যে অনেকেই ব্যস্ত ছিলেন ছবি ও সেলফি তোলা নিয়ে।

এ সময় বিরক্তি প্রকাশ করেন দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। এক কর্মী প্রায় গা ঘেঁষে সেলফি তোলায় রেগে ওই কর্মীকে সাবধানও করেন তিনি। আগের রাতে সমাবেশস্থল থেকে রুমিনের মোবাইল ফোনটি খোয়া যাওয়া নিয়ে এমনিতেই তিনি ছিলেন বিরক্ত।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব জসিম উদ্দিন বলেন, ‘৭০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩০ ফুট প্রস্থের ওই মঞ্চে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে থাকবেন বিএনপির পাঁচ সাংগঠনিক ইউনিটের জ্যেষ্ঠ নেতারা। সে লক্ষ্যে ৭০টি চেয়ার রাখা হয়েছিল। অন্যান্য বিভাগীয় গণসমাবেশের মতোই কুমিল্লাতেও খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের জন্য চেয়ার ফাঁকা রাখা ছিল। তবে মঞ্চে এত লোক আসবে ভাবতেও পারি নাই।’

বিএনপি নেতা জসিম যখন কথাগুলো বলছিলেন, সে সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সাড়ে তিন শর বেশি কর্মী।

বেলা ২টার দিকে মঞ্চে ওঠার সিঁড়িতে দলটির কর্মীদের ভিড় সামাল দিতে হিমশিম অবস্থা তৈরি হয় স্বেচ্ছাসেবক ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের।

নাম না প্রকাশ করার শর্তে এক স্বেচ্ছাসেবক বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি। এ সময় অনেককেই দেখা গেছে মঞ্চে দুপুরের খাবার খাওয়া নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করতে।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মঞ্চে আসার কিছুক্ষণ পরই সংবাদ সংগ্রহে আসা দুই গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে অসদাচরণ করেন মহানগর বিএনপির এক কর্মী। তিনি গালাগালের পাশাপাশি ওই দুই সাংবাদিকের ওপর হাত তোলার চেষ্টাও করেন। অন্য সাংবাদিকরা বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ জানালে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়।

দলের শীর্ষ নেতারা যখন বক্তব্য রাখছিলেন তখন বেশির ভাগ কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবককে অন্য নেতাদের সঙ্গে ছবি ও সেলফি তুলতে ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে। মঞ্চে ওঠার সময় মির্জা ফখরুলকেও ঘিরে ধরেন শতাধিক সেলফিপ্রত্যাশী।

মঞ্চের এই চিত্র দেখে বিরক্তি প্রকাশ করেন বিএনপির মহাসচিব। যারা দায়িত্বে ছিলেন তাদের প্রতি ক্ষোভও ঝাড়েন তিনি। মঞ্চে শৃঙ্খলা আনতে ব্যর্থ হয়ে রাগান্বিত হয়ে ওঠেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনও।

বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া বলেন, ‘সমাবেশে কারা বক্তব্য দেবেন, কাদের জন্য চেয়ার রাখা হবে সেই নির্দেশনা দেয়া ছিল কেন্দ্র থেকেই। সে তালিকায় নাম ছিল না সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহছানুল হক মিলন ও দলটির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদের।

কেন তাদের নাম রাখা হয়নি এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এটা দলের সিদ্ধান্ত। এর বেশি আমি কিছু বলতে পারব না।’

বিশৃঙ্খলার বিষয়টি স্বীকার করে মোস্তাক বলেন, ‘কিছু উচ্ছৃঙ্খল পোলাপান আছে। সেলফি তুলে ফেসবুকে দেয়ার জন্য তারা মঞ্চে হুমড়ি খেয়ে পড়েছে। এখানে আমাদের আরও সতর্ক হওয়ার দরকার ছিল।’

আরও পড়ুন:
দল আমাকে বহিষ্কার করলেও বিএনপি ছাড়ব না: সাক্কু
কুমিল্লার সমাবেশে শতাধিক ফোন চুরির অভিযোগ
কোরআন গীতা ত্রিপিটক পাঠে শুরু কুমিল্লায় বিএনপির সমাবেশ
কুমিল্লায় খালেদার পাশে তারেকের সম্মানেও চেয়ার
বিএনপির সমাবেশস্থলে মোবাইল ইন্টারনেট বিঘ্নিত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Life sentence for 2 accused in the murder case of 2 years ago

দুই যুগ আগের হত্যা মামলায় ২ আসামির যাবজ্জীবন

দুই যুগ আগের হত্যা মামলায় ২ আসামির যাবজ্জীবন
১৯৯৮ সালের ১৬ নভেম্বর বিকেলে কলেজছাত্র এম এ মাসুদ চৌধুরীকে হত্যা করে আসামিরা। পরের বছর ৩০ অক্টোবর তিনজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট আদালতে দেয় পুলিশ। ২০০১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় বিচারকাজ।

চট্টগ্রামে কলেজছাত্রকে গুলি করে হত্যার দায়ে দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

তারা হলেন মো. রফিক ও আজিম উদ্দিন।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আরেক আসামি অনুপ মল্লিককে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁইয়ার আদালত রোববার দুপুরে এই রায় দেয়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী ওমর ফুয়াদ।

১৯৯৮ সালের ১৬ নভেম্বর বিকেলে বাসার গলিতে গুলি করে কলেজছাত্র এম এ মাসুদ চৌধুরীকে হত্যা করে আসামিরা। পরের বছর ৩০ অক্টোবর তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। ২০০১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় বিচারকাজ।

ওমর ফুয়াদ বলেন, ‘আসামিদের বিচার শুরুর পর ২৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্য নেয় আদালত। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে রোববার রায় ঘোষণা হয়। রায়ে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডসহ দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আদালত।’

রায় ঘোষণার সময় আসামিদের মধ্যে মো. রফিক আদালতে ছিলেন বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
স্কুলকক্ষে ২ ভাইয়ের মরদেহ, মিলছে না বাবার খোঁজ
বাবুল আক্তারকে গ্রেপ্তারে আদেশ
অন্তঃসত্ত্বাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা, ৫ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড
মাঠে দম্পতির মরদেহ, গলায় ওড়না
জামিনে মুক্ত ফেনীর সেই সাংবাদিক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
No opportunity to seize power at gunpoint Deepu Moni

বন্দুকের নল ঠেকিয়ে ক্ষমতা দখলের সুযোগ নেই: দীপু মনি

বন্দুকের নল ঠেকিয়ে ক্ষমতা দখলের সুযোগ নেই: দীপু মনি মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ছবি: নিউজবাংলা
‘নির্বাচন সামনে রেখে যারা শান্তি-শৃঙ্খলা, উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথ বন্ধ করতে চায়, তারা একাত্তরের হত্যাকারী ধর্ষণকারী, লুণ্ঠনকারী, যুদ্ধাপরাধের দোসর। পঁচাত্তরের হত্যাকারী, ২১ আগস্টের হত্যাকারী, অগ্নিসন্ত্রাসী। তারাই আবার উদ্যত হয়েছে।’

বিএনপি যদি দেশ পরিচালনার দায়িত্বে যেতে চায় তাহলে জনগণের ভোটে সে দায়িত্বে আসতে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। বলেছেন, অতীতের মতো বন্দুকের নল ঠেকিয়ে ক্ষমতা দখলের সুযোগ নেই।

নাশকতা বা দেশের মানুষের জানমালের ক্ষতি করার চেষ্টা করলে সরকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিহত করবে বলেও জানিয়ে দেন তিনি।

রোববার মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার ইসলামপুর কামিল মাদ্রাসার নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে উপজেলা পরিষদ কার্যালয় পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

এক প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের জন্ম হয়েছে মানুষের অধিকার আদায়ের মধ্য দিয়ে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ভাষার অধিকার, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে। আওয়ামী লীগের মাধ্যমে উন্নয়ন প্রথমে বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে এখন তার কন্যা শেখ হাসিনার হাত ধরে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন সামনে রেখে যারা শান্তি-শৃঙ্খলা, উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথ বন্ধ করতে চায়, তারা একাত্তরের হত্যাকারী ধর্ষণকারী, লুণ্ঠনকারী, যুদ্ধাপরাধের দোসর। পঁচাত্তরের হত্যাকারী, ২১ আগস্টের হত্যাকারী, অগ্নিসন্ত্রাসী। তারাই আবার উদ্যত হয়েছে।’

জেলা প্রশাসক নাহিদ রসুল, পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান আল-মামুন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ লুৎফর রহমান, সিরাজদিখান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফুল আলম তানভীর, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসনিম আক্তারও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সংখ্যা নয়, শিক্ষার মানের দিকেও নজর দিতে হবে: দীপু মনি
বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই : শিক্ষামন্ত্রী
এইচএসসি: পরীক্ষার্থী কমেছে প্রায় ২ লাখ
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিতর্ক চর্চা চান শিক্ষামন্ত্রী
ইভটিজিং রোধের উপায় মেয়েদের ঘরে আটকে রাখা নয়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Disappointment of Sakku Kaiser State over assembly at Comilla

কুমিল্লায় সমাবেশ নিয়ে সাক্কু-কায়সারের রাজ্যের হতাশা

কুমিল্লায় সমাবেশ নিয়ে সাক্কু-কায়সারের রাজ্যের হতাশা বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা ও কুমিল্লা সিটির সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু (বাঁয়ে) এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ও আরেক বহিষ্কৃত নেতা নিজাম উদ্দিন কায়সার।
গত ১৫ জুন দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নেন এই দুই নেতা, যদিও বিএনপির সিদ্ধান্ত এমন যে বর্তমান সরকারের আমলেও নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো ভোটে অংশ নেবে না তারা। শনিবারের সমাবেশে কেন্দ্রীয় নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণে আপ্রাণ চেষ্টা করেন তারা। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি।

দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বহিষ্কৃত হলেও শনিবারের সমাবেশ সফল করতে শ্রম কম দেননি মনিরুল হক সাক্কু ও নিজামউদ্দিন কায়সার। আশা ছিল, তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত পাল্টাবে দল। কিন্তু সেটি হয়নি আর এতে হতাশ এই দুই নেতা ও তাদের হাজারো অনুসারী।

এই সমাবেশ ঘিরে দুই নেতা কয়েক সপ্তাহ ধরেই ছিলেন তৎপর। দিন-রাত এক করেছেন সমাবেশ সফল করতে। সমাবেশের দিন সমাবেশস্থলেও যান অনুসারীদের নিয়ে। তবু মন পেলেন না কেন্দ্রীয় নেতাদের।

কিন্তু যে আশায় এত চেষ্টা, সেই আশায় গুড়েবালি। তাদের নাম মুখেও আনেননি কেন্দ্রীয় নেতারা।

শনিবার কুমিল্লা টাউন হল ময়দানে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ শুরু হয় সকাল ১০টায়। জমায়েতের পূর্ব পাশে নেতা-কর্মীদের নিয়ে অবস্থান নেন বহিষ্কৃত নেতা ও সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু। মঞ্চের ঠিক ৩০ গজ সামনে অবস্থান নেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ও আরেক বহিষ্কৃত নেতা নিজাম উদ্দিন কায়সার।

গত ১৫ জুন দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নেন এই দুই নেতা, যদিও বিএনপির সিদ্ধান্ত এমন যে বর্তমান সরকারের আমলেও নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো ভোটে অংশ নেবে না তারা।

দল কাউকে প্রতীক না দিলেও দুইজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে অংশ নেন ভোটে। সাক্কু ও কায়সারের মধ্যে ভোট ভাগাভাগির সুযোগে অল্প ভোটে জিতে যান নৌকার প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত। সাক্কু তার চেয়ে ভোট কম পেয়েছেন ৩৪৩টি। অন্যদিকে কায়সার ভোট পান ২৯ হাজার ৯৯টি। অর্থাৎ একক প্রার্থী থাকলে সাক্কু বড় ব্যবধানে আবার জিততে পারতেন।

সেই ভোটের পাঁচ মাসেও বহিষ্কারাদেশ তোলেনি বিএনপি। এরই মধ্যে কুমিল্লায় ডাকা হয় সমাবেশ। সাক্কু সব সময় বলে থাকেন, বিএনপি তাকে দল থেকে বের করে দিলেও তিনি দলেই আছেন।

এই সমাবেশ নিয়ে তৎপরতা বর্ণনা করে নিউজবাংলাকে কুমিল্লার সাবেক মেয়র বলেন, ‘মাসব্যাপী প্রচারণা, লিফলেট বিতরণ, মিছিল করেছি। দূর থেকে আসা নেতা-কর্মীদের ৭৮টি ফ্ল্যাটে থাকার ব্যবস্থা করেছি। দলকে ভালোবাসি বলেই এত কিছু করি। দল আমাকে ছাড়লেও আমি দলকে ছাড়তে পারব না।’

সমর্থকরা আশা করছিলেন, সাক্কুকে মঞ্চে না টানলেও তার উপস্থিতি নজরে আনবেন কেন্দ্রীয় নেতারা। কিন্তু তারা সাবেক মেয়র নিয়ে কিছু বলেননি, তাকে ডেকে কথাও বলেননি।

সাক্কু বলেন, ‘আমার সঙ্গে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের কথা হয়। তারা আমাকে বলেছেন দলের জন্য কাজ করতে। আমি কাজ করছি এবং ভবিষ্যতেও করব। তবে গতকাল সমাবেশে আমি আশা করেছিলাম তারা আমার নাম নেবে। এটা হয়নি। তবে আমার বিশ্বাস, কেন্দ্রীয় নেতারা একদিন আমার কাজের মূল্যায়ন করে আমার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নেবে।’

সেদিন মঞ্চের সামনে জাতীয় পতাকা নেড়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের দৃষ্টি কাড়ার চেষ্টা করেন নিজাম উদ্দিন কায়সার। তার অনুসারীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্লোগানও দিতে থাকেন। বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ছয় ঘণ্টায় একবারের জন্যও তারা কায়সারের নাম মুখে নেননি।

কায়সার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি বিএনপির রাজনীতি করি। নির্বাচনের জন্য আমাকে বহিষ্কার করেছে। কী পরিস্থিতিতে নির্বাচন করেছি সবাই জানে, দলকেও বিষয়টি জানিয়েছি। সমাবেশে গিয়েছি বিএনপির কর্মী হিসেবে।’

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লা বুলু, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব জসিম উদ্দিন। সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।

আরও পড়ুন:
কুমিল্লার সমাবেশে শতাধিক ফোন চুরির অভিযোগ
কোরআন গীতা ত্রিপিটক পাঠে শুরু কুমিল্লায় বিএনপির সমাবেশ
কুমিল্লায় খালেদার পাশে তারেকের সম্মানেও চেয়ার
বিএনপির সমাবেশস্থলে মোবাইল ইন্টারনেট বিঘ্নিত
খুলনার বিএনপির সমাবেশে যাওয়ার পথে হামলায় আহত নেতার মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fire in Bhairab shoe market

ভৈরবে মার্কেটে আগুন

ভৈরবে মার্কেটে আগুন
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মো. আবুজর গিফারী জানান, মার্কেটের তৃতীয় তলায় জুতা ও প্লাস্টিকের দোকান আছে। সেখানেই আগুন লেগেছে।

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জুতার মার্কেটে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট।

উপজেলা পরিষদের সামনে রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হাজী মার্কেটের তৃতীয় তলায় আগুন লাগে।

কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মো. আবুজর গিফারী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মার্কেটের তৃতীয় তলায় জুতা ও প্লাস্টিকের দোকান আছে। সেখানেই আগুন লেগেছে। তবে এর সূত্রপাত এখনও জানা যায়নি।

আগুনে হতাহতের কোনো খবর এখনও পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
মানববন্ধনে তাজরীন ট্র্যাজেডিসহ শ্রমিক ‘হত্যাকাণ্ডের’ বিচার দাবি
চট্টগ্রামে বাটার শোরুমের আগুন নিয়ন্ত্রণে
চীনে কারখানায় আগুন, নিহত ৩৬
আগুনে দগ্ধ ছেলের মৃত্যু, বাবার মামলায় মা গ্রেপ্তার
উত্তরার বস্তিতে আগুন: পরিবারপ্রতি ৫ হাজার টাকা দেয়ার নির্দেশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chittagong port stalled due to shipping strike

নৌযান ধর্মঘটে স্থবির চট্টগ্রাম বন্দর

নৌযান ধর্মঘটে স্থবির চট্টগ্রাম বন্দর নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দর স্থবির হয়ে পড়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বন্দরের কার্যক্রমে স্বাভাবিকভাবেই শ্রমিক ধর্মঘটের প্রথম পড়বে। তবে কনটেইনার জাহাজ বা কনটেইনার কার্গোতে কোনো সমস্যা নেই। আউটার অ্যাংকরেজ (বহির্নোঙর) থেকে পণ্য লোড-আনলোড বন্ধ আছে।’

সারা দেশে নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দর স্থবির হয়ে পড়েছে। বন্দরে জাহাজের পণ্য লোড-আনলোড বন্ধ রয়েছে। অচলাবস্থার দেখা দিয়েছে বহির্নোঙরেও।

শনিবার রাত থেকে সারা দেশে নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘট শুরু হয়। রোববার সকাল থেকে বন্দরে লাইটারেজর জাহাজে লোড-আনলোড, সেইলিংসহ সব কার্যক্রম বন্ধ করে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেন শ্রমিকরা।

বাংলাদেশ লাইটার শ্রমিক ইউনিয়নের সহসভাপতি মোহাম্মদ নবী আলম বলেন, ‘নৌযান শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, নৌপথে চাঁদাবাজি বন্ধ, শ্রমিকদের পরিচয়পত্র প্রদানসহ ১০ দফা দাবিতে এই ধর্মঘট পালন করা হচ্ছে। রাতে কিছু কিছু শ্রমিক কাজ করলেও সকাল থেকে পুরোপুরি ধর্মঘট চলছে।’

শ্রমিকদের ১০ দফা দাবি হলো নৌযান শ্রমিকদের নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র, সার্ভিস বুক দেয়াসহ সর্বনিম্ন মজুরি ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ, খাদ্য ভাতা ও সমুদ্র ভাতার সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কন্ট্রিবিউটরি প্রভিডেন্ট ফান্ড ও নাবিক কল্যাণ তহবিল গঠন করা, দুর্ঘটনা ও কর্মস্থলে মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ ১০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা।

এ ছাড়াও রয়েছে চট্টগ্রাম থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহে দেশের স্বার্থবিরোধী প্রকল্প বাস্তবায়নে চলমান কার্যক্রম বন্ধ করা, বালুবাহী বাল্কহেড ও ড্রেজারের রাত্রিকালীন চলাচলের ওপর ঢালাও নিষেধাজ্ঞা শিথিল, নৌ-পথে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও ডাকাতি বন্ধ করা।

দাবির মধ্যে আরও রয়েছে ভারতগামী শ্রমিকদের ল্যান্ডিং পাস দেয়াসহ ভারতীয় সীমানায় হয়রানি বন্ধ করা, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য পরিবহন নীতিমালা শতভাগ কার্যকর করে সব লাইটার জাহাজকে সিরিয়াল মোতাবেক চলাচলে বাধ্য করা, চরপাড়া ঘাটে ইজারা বাতিল ও নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা বন্ধ করা।

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারাদেশে নৌ-শ্রমিকদের এই ধর্মঘট চলবে বলে জানান তিনি।

এই বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বন্দরের কার্যক্রমে স্বাভাবিকভাবেই শ্রমিক ধর্মঘটের প্রথম পড়বে। তবে কনটেইনার জাহাজ বা কনটেইনার কার্গোতে কোনো সমস্যা নেই। আউটার অ্যাংকরেজ (বহির্নোঙর) থেকে পণ্য লোড-আনলোড বন্ধ আছে।’

এর আগে ১১ নভেম্বর চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান ও পতেঙ্গা থানার ওসিকে প্রত্যাহারসহ ৫ দফা দাবিতে বন্দর নগরীতে সকাল-সন্ধ্যা ধর্মঘট পালন করেন লাইটারেজ জাহাজ শ্রমিকরা।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা বাড়ছে দেড়গুণ
চট্টগ্রাম-ইতালি সরাসরি পণ্যবাহী জাহাজ ফেব্রুয়ারিতে
এলসিএল কনটেইনার ডেলিভারিতে নানা সংকট
কনটেইনার ধারণক্ষমতা বাড়ল চট্টগ্রাম বন্দরের
পণ্য হ্যান্ডলিংয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের রেকর্ড

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bail granted to 12 farmers arrested for defaulting loans

খেলাপি ঋণে গ্রেপ্তার ১২ কৃষকের জামিন

খেলাপি ঋণে গ্রেপ্তার ১২ কৃষকের জামিন ঋণখেলাপি মামলায় গ্রেপ্তার ১২ কৃষককে জামিন দিয়েছে আদালত। রোববার আদালত প্রাঙ্গণ। ছবি: নিউজবাংলা
২০১৬ সালে ৩৭ জন প্রান্তিক কৃষকের একটি গ্রুপ বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংকের পাবনা জেলা কার্যালয় থেকে জনপ্রতি ২৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নেয়। ঋণখেলাপির দায়ে ২০২১ সালে ব্যাংকের পক্ষে তৎকালীন ম্যানেজার সৈয়দ মোজাম্মেল হক মাহমুদ বাদী হয়ে ৩৭ জনের নামে মামলা করেন।

পাবনার ঈশ্বরদীতে ঋণখেলাপি মামলায় গ্রেপ্তার ১২ কৃষককে জামিন দিয়েছে আদালত।

রোববার বেলা ১১টার দিকে পাবনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. শামসুজ্জামান এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে এই মামলার অন্য ২৫ আসামিকে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন তিনি।

জামিন পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন ঈশ্বরদীর ছলিমপুর ইউনিয়নের ভাড়ইমারি গ্রামের শুকুর প্রামাণিকের ছেলে ৫০ বছর বয়সী আলম প্রামাণিক, মনি মণ্ডলের ছেলে ৪৫ বছর বয়সী মাহাতাব মণ্ডল, মৃত কোরবান আলীর ছেলে ৫০ বছরের কিতাব আলী, হারেজ মিয়ার ছেলে ৪৩ বছরের হান্নান মিয়া, মৃত আবুল হোসেনের ছেলে ৪০ বছরের মোহাম্মদ মজনু, মৃত আখের উদ্দিনের ছেলে ৫০ বছরের মোহাম্মদ আতিয়ার রহমান, মৃত সোবহান মণ্ডলের ছেলে ৫০ বছরের আব্দুল গণি মণ্ডল, কামাল প্রামাণিকের ছেলে ৪৫ বছরের শামীম হোসেন, মৃত আয়েজ উদ্দিনের ছেলে ৪৩ বছরের সামাদ প্রামাণিক, মৃত সামির উদ্দিনের ছেলে ৪৫ বছরের নূর বক্স, রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে ৪৬ বছরের মোহাম্মদ আকরাম এবং লালু খাঁর ছেলে ৪০ বছরের মোহাম্মদ রজব আলী। গ্রেপ্তার সবাই প্রান্তিক কৃষক।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৬ সালে ৩৭ জন প্রান্তিক কৃষকের একটি গ্রুপ বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংকের পাবনা জেলা কার্যালয় থেকে জনপ্রতি ২৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নেয়। ঋণখেলাপির দায়ে ২০২১ সালে ব্যাংকের পক্ষে তৎকালীন ম্যানেজার সৈয়দ মোজাম্মেল হক মাহমুদ বাদী হয়ে ৩৭ জনের নামে মামলা করেন।

২৩ নভেম্বর পাবনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত পরোয়ানাভুক্ত ৩৭ জনের মধ্যে ১২ জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়।

কৃষকদের পরিবারের দাবি, ঋণ নেওয়ার পর এক বছরের মধ্যে অধিকাংশ কৃষক তাদের ঋণ পরিশোধ করে দিয়েছেন। তাদের পাস বই ও জমা স্লিপও রয়েছে। অথচ সেই অর্থ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা জমা না করে আত্মসাৎ করেছেন। ফলে তাদের হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে।

কৃষকরা জানান, গত বুধবার যখন কৃষকদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়, তখন তারা গাজরের ক্ষেতে কাজ করছিলেন। বাড়িতে ও বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ ১২ জনকে গ্রেপ্তার করে। বাকিরা গ্রেপ্তার আতঙ্কে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। তারা ঋণের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত এবং অবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানি মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

সৈয়দ মোজাম্মেল হক মাহমুদ বলেন, কৃষকরা ঋণের টাকা পরিশোধ না করায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মামলা করা হয়। খেলাপি ঋণ আদায়ে এটা চলমান প্রক্রিয়া। আমরা আমাদের অফিশিয়াল ব্যবস্থা নিয়েছি। তারা তাদের আইনগত সহায়তা পেয়েছেন।

আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী সাইদুর রহমান সুমন, কাজী সাজ্জাদ ইকবাল লিটন ও মইনুল ইসলাম মোহন।

আরও পড়ুন:
‘আইএমএফের শর্ত শুভদিক খুলে দিতে পারে’
আট ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা
তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৯,১৩৯ কোটি টাকা
আবাসন ঋণের ৭৫ শতাংশই ৫ ব্যাংকের
এখন অন্যরাও ঋণ দেবে, সংকট কেটে যাবে

মন্তব্য

p
উপরে