× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Arrest of attempted abduction of submitted examinees 5
hear-news
player
google_news print-icon

দাখিল পরীক্ষার্থীদের ‘অপহরণচেষ্টা’, গ্রেপ্তার ৫

দাখিল-পরীক্ষার্থীদের-অপহরণচেষ্টা-গ্রেপ্তার-৫
পুলিশ কর্মকর্তা আল-আমিন জানান, ওই দুই কিশোর-কিশোরীকে গল্প করতে দেখে তাদের কাছে চাঁদা দাবি করে আসামিরা। তাদের অশ্লীল ছবি তুলে ভাইরাল করার হুমকি দেয়। চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় তাদেরকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

নরসিংদীর পলাশে স্কুলছাত্রীকে অপহরণচেষ্টার অভিযোগে ৫ যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা স্থানীয় কিশোরগ্যাংয়ের সদস্য বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পলাশের ইছাখালী দাখিল মাদ্রাসার পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে বুধবার এ ঘটনা ঘটেছে বলে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আল-আমিন।

তিনি জানান, বুধবার দুপুরে পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে বের হয়ে সহপাঠী কিশোরীর সঙ্গে কথা বলছিলেন দাখিল পরীক্ষার্থী কিশোর। সে সময় তাদের অপহরণ করে গাড়িতে নিয়ে যাচ্ছিল ওই পাঁচ যুবক। পথে পুলিশের চেকপোস্টে তাদের আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয় দুই পরীক্ষার্থীকে। পরে অপহরণচেষ্টার শিকার কিশোরের বাবার করা মামলায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার পাঁচজন হলেন তামজিদ মিয়া, মানিক মৃধা, নাঈম মৃধা, আফসার মিয়া ও তৈয়বুর করিম। তাদের বয়স ১৮ থেকে ২১ বছরের মধ্যে।

পুলিশ কর্মকর্তা আল-আমিন জানান, ওই দুই কিশোর-কিশোরীকে গল্প করতে দেখে তাদের কাছে চাঁদা দাবি করে আসামিরা। তাদের অশ্লীল ছবি তুলে ভাইরাল করার হুমকি দেয়। চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় তাদেরকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে পুলিশের চেকপোস্টে ধরা পড়ে।

আরও পড়ুন:
টেকনাফে অপহৃত ৪ জন উদ্ধার, গ্রেপ্তার যুবক

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Leaders and workers in Rajshahi rally before the transport strike

পরিবহন ধর্মঘটের আগেই রাজশাহীর সমাবেশে নেতা-কর্মীরা

পরিবহন ধর্মঘটের আগেই রাজশাহীর সমাবেশে নেতা-কর্মীরা বিএনপি নেতা-কর্মীরা এরই মধ্যে রাজশাহী আসতে শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে দূর-দূরান্ত থেকে সমাবেশস্থল মাদ্রাসা মাঠে আসতে শুরু করেন। তাদের কেউ কেউ পলিথিন দিয়ে তাবু টাঙাতে ব্যস্ত। আবার কিছুদূর পরপর বড় বড় হাঁড়িতে চলছে রান্নার কাজ। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
পাবনার ঈশ্বরদী থেকে আসা মনোয়ারুল ইসলাম জানান, তারা প্রায় ২০০ নেতা-কর্মী একসঙ্গেই এসেছেন। সন্ধ্যা থেকেই তারা ঈদগাহ মাঠে অবস্থান করছেন। তাদের এলাকার আরও প্রায় ৮ হাজার লোক আসার কথা রয়েছে বৃহস্পতিবার। তারা এই কয়দিন এখানেই রান্না করে খাবার মতো প্রস্তুতি নিয়ে এসেছেন। চাল-তরিতরকারি, হাঁড়ি পাতিলসব কিছু নিয়ে তারা এখানে এসেছেন।

রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ শুরু হবে আগামী ৩ ডিসেম্বর দুপুরে। কিন্তু নেতা-কর্মীরা এরই মধ্যে রাজশাহী আসতে শুরু করেছেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে দূর-দূরান্ত থেকে সমাবেশস্থল মাদ্রাসা মাঠে আসতে শুরু করেন। তারা সমাবেশস্থলের লাগোয়া রাজশাহী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে অবস্থান নিতে শুরু করেন। রাত ১২টার দিকে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অবস্থান নেন সেখানে।

সমাবেশস্থলে মঞ্চ তৈরির প্রস্তুতিসহ পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও কড়াকড়ি থাকায় পাশের ঈদগাহ মাঠে অবস্থান নিয়েছেন তারা।

বুধবার দুপুরে আট শর্তে সমাবেশের অনুমতি পায় বিএনপি। আর সন্ধ্যার পর থেকে মাদ্রাসা মাঠের দিকে আসতে শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। রাত সাড়ে ১১টার দিকে মাঠে গিয়ে দেখা যায় ব্যাগ কাঁধে নিয়ে তাদের অনেকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে ঢুকছেন। আবার যারা কিছুক্ষণ আগে এসেছেন তারা পলিথিন দিয়ে তাবু টাঙাতে ব্যস্ত।

আবার কিছুদূর পরপর বড় বড় হাঁড়িতে চলছে রান্নার কাজ। নেতা-কর্মীরা যেন উৎসবে মেতেছে। তাদের অনেকে জানিয়েছেন, যেহেতু বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পরিবহন ধর্মঘট শুরু হবে সে কারণে তারা আগের দিনই সমাবেশ স্থলে চলে এসেছেন।

পাবনা জেলার ঈশ্বরদী এলাকা থেকে আসা মনোয়ারুল ইসলাম জানান তারা প্রায় ২০০ নেতা-কর্মী একসঙ্গেই এসেছেন। সন্ধ্যা থেকেই তারা ঈদগাহ মাঠে অবস্থান করছেন। তাদের এলাকার আরও প্রায় ৮ হাজার লোক আসার কথা রয়েছে বৃহস্পতিবার। তারা এই কয়দিন এখানেই রান্না করে খাবার মতো প্রস্তুতি নিয়ে এসেছেন। চাল-তরিতরকারি, হাঁড়ি পাতিলসব কিছু নিয়ে তারা এখানে এসেছেন।

যখন তার সঙ্গে কথা হচ্ছিল পাশেই চলছিল রান্নার আয়োজন।

বগুড়ার সারিয়াকান্দি এলাকা থেকে আসা আমিনুল ইসলাম জানান তারা এসেছেন প্রায় ৬ শ জন। সঙ্গে নিয়ে এসেছেন ৫ মন চাল, তরিতরকারি। সেই সঙ্গে মুড়ি, চিড়া, বিস্কুটও সঙ্গে এনেছেন। তাবু টাঙানোর জন্য তারা নিয়ে এসেছেন পলিথিন। আবার শীতের কথা মাথায় রেখে সবাই এনেছেন গরম পোশাকও।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘বাস বন্ধের কারণে নেতা-কর্মীরা আগেই আসতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার আরও বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী হাজির হবে। সকল বাধা উপেক্ষা করে লাখ লাখ মানুষ এই সমাবেশে যোগ দেবেন।

তিনি আরও বলেন, ‘গাড়ি বন্ধ করে সমাবেশে উপস্থিতি কমানো যাবে না। রাজশাহীর মানুষ সবাইকে স্বাগত জানাবে।’

সভার প্রস্তুতির বিষয়ে মিনু বলেন, ‘সমাবেশস্থলে মঞ্চ প্রস্তুতের কাজও শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে নেতা-কর্মীদের বিশ্রামের জন্য সমাবেশের মাঠের পাশে তাবু টাঙানো হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
সকাল থেকে রাজশাহী বিভাগে পরিবহন ধর্মঘট
নাশকতা মামলা: মানিকগঞ্জে বিএনপির ২ নেতা গ্রেপ্তার
বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ
ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলা, ভাঙচুর
চিড়া-গুড় নিয়ে রাজশাহী ঢুকছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Elder brother murder charges against younger brother

বড় ভাই খুন, অভিযোগ ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে

বড় ভাই খুন, অভিযোগ ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে বড় ভাইকে খুনের অভিযোগে আটক ছোট ভাই। ছবি: নিউজবাংলা
পুলিশ জানিয়েছে, দুই ভাইয়ের মধ্যে জমি নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে হোসেন বড় ভাই তোফায়েলকে দা দিয়ে কোপ দেন। এতে ঘটনাস্থলেই তোফায়েলের মৃত্যু হয়।

লক্ষ্মীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে ছোট ভাই হোসেন আহমদের হাতে বড় ভাই তোফায়েল আহমদ খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ধমধমা দিঘীরপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি হোসেন আহমদকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মন্তাজুর রহমানের ছেলে তোফায়েল আহমদ ও হোসেন আহমদের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। বুধবার রাত ৮টার দিকে পারিবারিক কলহ ও জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তোফায়েলের সঙ্গে ছোট ভাই হোসেনের স্ত্রী-সন্তানের কাটাকাটি হয়। হোসেন লক্ষ্মীপুর থেকে রাত ৯টার দিকে বাড়িতে যাওয়ার পর বিষয়টি বড় ভাইকে জিজ্ঞাসা করেন। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে হোসেন বড় ভাই তোফায়েলকে দা দিয়ে কোপ দেন। এতে ঘটনাস্থলেই তোফায়েলের মৃত্যু হয়।

পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ্জমান আশরাফ জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত হোসেনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুন:
দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর ব্যবসায়ী খুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
He used to extort money with fake employment letters

ভুয়া চাকরির নিয়োগপত্র দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিতেন তিনি

ভুয়া চাকরির নিয়োগপত্র দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিতেন তিনি
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কয়েকদিন আগে সরকারি হাসাপাতালে ওয়ার্ড বয় পদে নিয়োগ চলাকালে গ্রেপ্তার হাসান তৌফিক একজন প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করে চাকরি দেয়ার জন্য অবৈধভাবে ৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় এবং ভুয়া নিয়োগপত্র দেয়।

নওগাঁয় সরকারি হাসপাতালে ওয়ার্ড বয় পদে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া প্রতারক চক্রের মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৫) জয়পুরহাট ক্যাম্পের সদস্যরা।

র‌্যাব-৫ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে সন্ধ্যায় সাড়ে ৬টার দিকে জেলার বদলগাছী উপজেলার গোয়ালভিটা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তি হলেন, ৪২ বছর বয়সী প্যালেস ওরফে হাসান তৌফিক। উপজেলার পারিচা গ্রামের বাসিন্দা তিনি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেপ্তার হাসান তৌফিক একজন মাস্টারমাইন্ড ব্যক্তি। সে ৭-৮ জনের একটি সিন্ডিকেট চালাচ্ছিলেন, যেখানে সবাই ২০১৬ সাল থেকে দরিদ্র মানুষের সঙ্গে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড করে আসছে। তিনি অবৈধ নিয়োগের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে, কখনো বা জাল নিয়োগপত্র দিয়ে প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিতেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, কয়েকদিন আগে সরকারি হাসাপাতালে ওয়ার্ড বয় পদে নিয়োগ চলাকালে গ্রেপ্তার হাসান তৌফিক একজন প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করে চাকরি দেয়ার জন্য অবৈধভাবে ৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় এবং ভুয়া নিয়োগপত্র দেয়।

এমন সংবাদের ভিত্তিতে জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি অধিনায়ক মাসুদ রানার নেতৃত্বে সন্ধ্যায় বদলগাছী উপজেলার গোয়ালভিটা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ সময় তার কাছ থেকে ২টি মোবাইল, ৪টি সিমকার্ড ও ১টি মেমোরিকার্ড জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর তাকে বদলগাছী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

আরও পড়ুন:
নওগাঁর ইমো চক্র হাতিয়ে নিয়েছে লাখ লাখ টাকা
সরকারি কর্মচারীদের গ্রেপ্তারে পূর্বানুমতির বিধান বাতিলের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি
ইউপি সদস্য হত্যায় সাবেক চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার
নতুন জঙ্গি সংগঠনে ভিড়ছে নারীরাও
মাথাব্যথার কারণ হতে পারে ‘অর্ধ শতাধিক জঙ্গি’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Transport strike in Rajshahi division since morning

সকাল থেকে রাজশাহী বিভাগে পরিবহন ধর্মঘট

সকাল থেকে রাজশাহী বিভাগে পরিবহন ধর্মঘট ছবি: সংগৃহীত
বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘সমাবেশে নেতা-কর্মীরা যাতে আসতে না পারে সে জন্য পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছে। ধর্মঘট দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের আটকে রাখা যাবে না। যে কোনো মূল্যে এই সমাবেশ সফল করা হবে।’

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজশাহী বিভাগে শুরু হচ্ছে পরিবহন ধর্মঘট। পরিবহন মালিক শ্রমিকরা বলছেন, সড়কে অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধসহ ১০ দফা দাবিতে তারা এই ঘর্মঘট ডেকেছে।

তবে, বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, ৩ ডিসেম্বর রাজশাহীতে তাদের বিভাগীয় সমাবেশে যেন নেতা কর্মীরা উপস্থিত হতে না পারে সে জন্যই এই ধর্মঘট।

তারা বলছেন, যত বাধাই আসুক, সমাবেশে মানুষের ঢল নামবে।

গত শনিবার নাটোরে বিভাগীয় পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভায় ১০ দফা দাবি আদায়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিয়ে ধর্মঘটের ঘোষণা দেয়া হয়।

রাজশাহী পরিবহণ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মতিউল হক জানান, মহাসড়কে নছিমন, করিমন, ভুটভটির মতো অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধ করাসহ ১০ দফা দাবিতে আল্টিমেটাম দিয়ে ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছিল। কিন্তু বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে তাদের দাবি পূরণ হয়নি।

এ কারণে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছে। এ ধর্মঘটের আওতায় থাকবে সব যাত্রী ও পণ্যবাহী পরিবহন।

অন্যন্য দাবির মধ্যে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ সংশোধন, জ্বালানি তেল ও যন্ত্রাংশের মূল্য হ্রাস, করোনাকালে গাড়ি চলাচল না করায় সে সময়ের ট্যাক্স মওকুফ, চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন, পুলিশি হয়রানি বন্ধ ও উপজেলা পর্যায়ে বিআরটিসি চলাচল দ্রুত বন্ধ করার দাবি উল্লেখযোগ্য।

বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের আগ মুহূর্তে কেন এই ধর্মঘট জানতে চাইলে এই পরিবহণ মালিক বলেন, ‘রাজনৈতিক কর্মসূচি বা অন্যান্য কর্মসূচি তো চলতেই থাকে। আমাদের এই দাবিগুলো নিয়ে অনেকদিন ধরেই আন্দোলন চলছে।’

এদিকে, বিএনপি নেতাদের দাবি, রাজশাহীর সমাবেশে মানুষকে আসতে বাধা দিতেই এই পরিবহন ধর্মঘট ডাকা হয়েছে।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘সমাবেশে নেতা-কর্মীরা যাতে আসতে না পারে সে জন্য পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছে। ধর্মঘট দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের আটকে রাখা যাবে না। যে কোনো মূল্যে এই সমাবেশ সফল করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নেতা-কর্মীদের আসা শুরু হয়ে গেছে। এখানে মানুষের ঢল নামবে। যত বাধায় আসুক, সবকিছু উপেক্ষা করে মানুষ সমাবেশে যোগ দেবে।’

আরও পড়ুন:
বিএনপির রাজশাহী সমাবেশে বাকি শুধু পুলিশের অনুমতি
সোহরাওয়ার্দীতে বিএনপির সমাবেশে উসকানিমূলক বক্তব্য নিষেধ
দুই বিবেচনায় জামায়াত-বিচ্ছেদ গোপন বিএনপির
সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশের অনুমতি, পল্টনে অনড় বিএনপি
সিনিয়র নেতাদের নামে ‘কুৎসা রটানোয়’ পদ গেল বিএনপির সাবেক এমপির

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bus driver beaten up in Barisal by sergeant closed

বরিশালে বাসচালককে মারধর, সার্জেন্ট ক্লোজড

বরিশালে বাসচালককে মারধর, সার্জেন্ট ক্লোজড বরিশালের নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল। ছবি: সংগৃহীত
বরিশাল জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ফরিদ হোসেন বলেন, ‘সার্জেন্ট টুটুল আমাদের এক শ্রমিককে অহেতুক মারধর করে রক্তাক্ত করেছেন। চালক আলী হোসেনকে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।’

বরিশালের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদে বাস পার্কিং নিয়ে বিতণ্ডায় এক চালককে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ট্রাফিক সার্জেন্ট মো. টুটুলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই সার্জেন্টকে ক্লোজ করে বরিশাল পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার সন্ধ‌্যায় এই ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা পরিবহন ধর্মঘটের হুমকি দেয়ার পর রাতে সার্জেন্ট টুটুলকে ক্লোজ করা হয়।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার তানভীর আরাফাত বলেন, ‘আমাদের সচিব মহোদয় আসছিলেন বরিশালে। তখন রাস্তা ক্লিয়ার করতে সার্জেন্ট টুটুল বাসগুলো দ্রুত সরানোর কাজ করছিলেন। হাতের লাঠি নেড়ে বাস সরানোর নির্দেশ দেয়ার সময় ওই বাসের ড্রাইভারের হাতে আঘাত লাগে। এ নিয়ে শ্রমিকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। পরবর্তী সময়ে সার্জেন্ট টুটুলকে ক্লোজ করা হয়। শ্রমিকরা লিখিত অভিযোগ নিয়ে এলে বিভাগীয় ব‌্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।’

বরিশাল জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ফরিদ হোসেন বলেন, ‘সার্জেন্ট টুটুল আমাদের এক শ্রমিককে অহেতুক মারধর করে রক্তাক্ত করেছেন। আরফি পরিবহনের চালক আলী হোসেনকে শের-ই-বাংলা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আমরা হুঁশিয়ারি দিয়েছি সার্জেন্ট টুটুলের বিরুদ্ধে ব‌্যবস্থা নেয়ার জন‌্য।’

তিনি আরও বলেন, ‘সার্জেন্ট টুটুল বিভিন্ন সময় বাসচালকদের হয়রানি করে আসছিলেন। এর আগেও আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একাধিকবার জানিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
চাঁদাবাজির অভিযোগে সার্জেন্টের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ বাসশ্রমিকদের
মারধরে চালক নিহতের মামলায় গ্রেপ্তার ৩
মারধরে চালক নিহতের ঘটনায় মামলা
মারধরে চালক নিহতের অভিযোগে বাস বন্ধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Allegation of cocktail attack from BNP procession

বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ

বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ ও হামলার অভিযোগ ওঠে।

মুন্সীগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ উঠেছে।

সারা দেশে বিএনপি নেতা-কর্মীদের নামে মামলা ও ধরপাকড়ের প্রতিবাদে দুই জেলাতেই বুধবার রাতে মিছিল বের করে স্থানীয় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠন। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিচুর রহমান জানান, বঙ্গবন্ধু সড়কের চাষাড়া এলাকায় পপুলারের গলি থেকে বিএনপির ও সহযোগী সংগঠনের একদল নেতা-কর্মী মশাল মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। তারা সড়কে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করে। পুলিশ গিয়ে ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যায়। তবে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

ফতুল্লার কমর আলী স্কুলের সামনে ও শিবু মার্কেট এলাকাতেও মশাল মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ফতুল্লা থানার ওসি রিজাউল হক।

রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক ও মাদানী নগর এলাকাতেও বিএনপির মিছিলের পর ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমান জানান, স্থানীয় নেতা-কর্মীরা মশাল মিছিল শেষে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে আগুন দেয় ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। পুলিশ গিয়ে কাউকে পায়নি, তবে ককটেলের খোসা জব্দ করা হয়েছে।

ককটেল বিস্ফোরণে দায় নেননি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘আগামী ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমাদের ৭টি থানা এলাকাতেই নেতা-কর্মীদের নামে গায়েবী মামলা করা হয়েছে। সমাবেশকে ঘিরে এসব করা হচ্ছে, যাতে করে আমরা প্রস্তুতি নিতে না পারি। বাড়িঘর ছাড়া থাকি।’

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব গোলাম ফারুক খোকন বলেন, ‘পুলিশের করা মামলা মিথ্যা ও বানোয়াট। কাল্পনিক অভিযোগই এর প্রমাণ। বুধবার আমাদের কোনো মিছিল হয়নি।’

এদিকে, মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভ মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ তুলেছে স্থানীয়রা। ছাত্রলীগ কর্মীদের অভিযোগ, মিছিল থেকে চালানো হামলায় তাদের ৩ জন আহত হয়েছে।

বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশের ভিটিকান্দি এলাকায় বুধবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটেছে।

গজারিয়া থানার এসআই সেকান্দার আলী ককটেল বিস্ফোরণের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে আসি। এ সময় আমরা কয়েকটি বিস্ফোরিত ককটেলের আলামত দেখতে পাই। তবে কারা এ কাজ করেছে, এ বিষয়ে আমরা এখনও নিশ্চিত নই।’

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী দাবি করে অটোরিকশাচালক মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘সন্ধ্যায় ভবেরচর বাসস্ট্যান্ড থেকে আনারপুরে যাওয়ার জন্য আমার অটোতে ওঠেন ৩ জন ছাত্রলীগ কর্মী। ভিটিকান্দি এলাকায় পৌঁছালে দেখি ৪০ থেকে ৪৫ জন বিএনপি নেতা-কর্মী মিছিল করছে। আমার অটোটা মিছিলের মাঝখানে পড়ে যায়।

‘এ সময় মিছিল থেকে অন্তত ১১টা ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। আমার অটোতে থাকা যাত্রীদের মারধর করে। অটোটাও ভাঙে তারা।’

হামলায় আহত ছাত্রলীগ কর্মী সুমন প্রধান বলেন, ‘কিছু বুঝে ওঠার আগেই বিএনপি নেতা-কর্মীরা মারধর করতে থাকে। আমার সাথে থাকা দুইজন দৌড়ে পালিয়ে বাঁচতে পারলেও আমাকে মারধর করা হয়।’

সুমন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলা, ভাঙচুর
চিড়া-গুড় নিয়ে রাজশাহী ঢুকছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা
গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা
মিছিল না করাসহ ৮ শর্তে রাজশাহীতে বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি
বিএনপির রাজশাহী সমাবেশে বাকি শুধু পুলিশের অনুমতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP rally vandalized in Faridpur

ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলা, ভাঙচুর

ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলা, ভাঙচুর
বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘পুলিশের গুলিতে এ পর্যন্ত বিএনপির ১১জন নেতা-কর্মী নিহত হয়েছে। তার প্রতিবাদে চারদিন আগে আমরা এ বিক্ষোভ কর্মসূচি দিয়েছি। পুলিশের তত্ত্বাবধানে ছাত্রলীগ-যুবলীগ এই হামলা করেছে। আর পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় ককটেল রেখে গায়েবি মামলা দিচ্ছে।’

হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণে ফরিদপুরে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে পণ্ড হয়ে গেছে।

ফরিদপুর প্রেসক্লাব চত্বরে বুধবার বিকেলে এই হামলার সময় বেশকিছু চেয়ার ভাঙচুর করা হয়। বিএনপির পক্ষ থেকে এই হামলার জন্য ছাত্রলীগ ও যুবলীগকে দায়ী করা হয়েছে।

মিথ্যা মামলা, পুলিশি নির্যাতন ও গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করে বিএনপির ফরিদপুর মহানগর শাখা। এতে সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এ এফ এম আব্দুল কাইউম।

সমাবেশে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেয়ার কথা ছিল যথাক্রমে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান ও বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদের। তবে হামলার সময় তারা সমাবেশস্থলে ছিলেন না।

সমাবেশ উপলক্ষে ফরিদপুর প্রেসক্লাব চত্বরে ছোট আকারের একটি মঞ্চ করা হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সমাবেশের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তখনও ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেননি। ওই সময় মঞ্চে অন্যান্যদের মধ্যে বসা ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেছ আলী ও সদস্য সচিব এ কে কিবরিয়া।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিকেল পৌনে ৪টার দিকে হেলমেট ও মাস্ক পরিহিত ৩০/৩৫ জন তরুণ লাঠি ও ইট নিয়ে সভাস্থলে হামলা চালায়। তারা ব্যানার ছিনেয়ে নেয় ও চেয়ার ভাংচুর করে। এ সময় হামলাকারীরা তিনটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়।

ওই সময় পুলিশ সিজান নামে ছাত্রদলের এক কর্মীকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাদের ধ্বস্তাধ্বস্তি হয়।

হামলার পর ড. আব্দুল মঈন খান ও শামা ওবায়েদ ঘটনাস্থলে আসেন।

ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলা, ভাঙচুর

শামা ওবায়েদ এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘পুলিশের গুলিতে এ পর্যন্ত বিএনপির ১১জন নেতা-কর্মী নিহত হয়েছে। তার প্রতিবাদে চারদিন আগে আমরা এ বিক্ষোভ কর্মসূচি দিয়েছি। পুলিশের তত্ত্বাবধানে ছাত্রলীগ-যুবলীগ এই হামলা করেছে।

আমরা দেখেছি পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় ককটেল রেখে গায়েবি মামলা দিচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় এখানে ককটেল ফাটিয়ে আমাদের লোকদের ধরপাকড় করেছে।’

মঈন খান বলেন, সাধারণ মানুষ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর সরকারের নির্যাতনের বিরুদ্ধে এবং ১১ জন নেতাকর্মী নিহত হওয়ার প্রতিবাদে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। আর একটি শান্তিপূর্ণ ছোট সমাবেশ করতে এসে আমরা হামলার শিকার হলাম।’

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ কে কিবরিয়া বলেন, ‘হামলায় আমাদের আট নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। পুলিশ রিতু, কামাল, রাজীব ও সিজানসহ ছাত্রদলের বেশ কয়েকজন কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে।’

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ জলিল বলেন, ‘ফরিদপুর বিএনপি শামা ওবায়েদ ও নায়াব ইউসুফ এই দুই ভাগে বিভক্ত। তাদের নিজেদের মধ্যে বিরোধ থেকে সভাস্থলে হামলা ও ভাংচুর হয়েছে।

‘হামলা ঠেকাতে গিয়ে পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছে। পুলিশ শর্টগানের ১১ রাউন্ড গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’

আরও পড়ুন:
আদালতে যাওয়ার পথে আসামিপক্ষের মারধরে সাক্ষী নিহত
সোহরাওয়ার্দীতে বিএনপির সমাবেশে উসকানিমূলক বক্তব্য নিষেধ
দুই বিবেচনায় জামায়াত-বিচ্ছেদ গোপন বিএনপির
সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশের অনুমতি, পল্টনে অনড় বিএনপি
সিনিয়র নেতাদের নামে ‘কুৎসা রটানোয়’ পদ গেল বিএনপির সাবেক এমপির

মন্তব্য

p
উপরে