× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Danata wants to take charge of ground handling at the airport
hear-news
player
google_news print-icon

বিমানবন্দরে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্ব পেতে চায় ডানাটা

বিমানবন্দরে-গ্রাউন্ড-হ্যান্ডলিংয়ের-দায়িত্ব-পেতে-চায়-ডানাটা-
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ফাইল ছবি
গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং এজেন্ট নিয়োগে আন্তর্জাতিক টেন্ডারের অগ্রগতি জানতে চাইলে বিমান প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এটা অনেক দূর এগিয়েছে। সর্বোচ্চ মহলে এটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল আগামী বছরের অক্টোবরে চালু হবে, তার আগেই এটা চূড়ান্ত করা হবে।’

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের অন্য সব বিমানবন্দরে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পেতে আগ্রহী সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠান ডানাটা। চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি সমীক্ষা চালাচ্ছে তারা। লাভজনক বিবেচিত হলে পরে তারা আনুষ্ঠানিক দরপত্র প্রক্রিয়ায় অংশ নেবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিমান প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ডেনাটা চট্টগ্রামে গিয়েছে, তারা সেখানে সার্ভে করছে। তারা গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজ করতে উৎসাহী।’

গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একক আধিপত্যের অবসান ঘটাতে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক টেন্ডার আহ্বানের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

বিমানবন্দরে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্ব পেতে চায় ডানাটা

অস্ট্রেলিয়ার বিমানবন্দরে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠান ডানাটা। ছবি: অ্যাভিয়েশন অস্ট্রেলিয়া

আগামী বছর শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধনের আগেই দরপত্রের মাধ্যমে যোগ্য প্রতিষ্ঠান বাছাই করা হবে বলে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়।

এ প্রক্রিয়ায় বিমানও অংশ নিতে পারবে। টেন্ডার প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য এরই মধ্যে পরামর্শক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এমিরেটস এয়ারলাইনসের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা দিচ্ছে ডানাটা। বিশ্বের অন্যতম বড় দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়াও বিশ্বের আরও কয়েকটি বিমানবন্দরে তারা এ সেবা দিয়ে থাকে। এর মধ্যে আছে সিঙ্গাপুরে চাঙ্গি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, পাকিস্তানের করাচির জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, মালদ্বীপের ভেলেনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

বর্তমানে দেশের সব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই দেশি-বিদেশি এয়ারলাইনসগুলোকে এককভাবে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা দিচ্ছে বিমান। প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বিমানের সেবার মান নিয়ে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ উঠেছে। এর আগে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) বিমানকে বাদ দিয়ে নতুন গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং এজেন্ট নিয়োগ দিতে কয়েকবার উদ্যোগ নিয়েও ব্যর্থ হয়।

বিমানবন্দরে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্ব পেতে চায় ডানাটা

২০১৩ সালের জানুয়ারিতে বিমান কর্মীদের একটি সংগঠনের ধর্মঘটে প্রায় ৫ ঘণ্টা শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। ওই ধর্মঘটে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটের ২৪টি ফ্লাইটের প্রায় ৪ হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েন। সে সময় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজে বিকল্প এজেন্টের প্রয়োজনীয়তা জানিয়ে বিমান মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয় বেবিচক।

বেবিচকের চিঠিতে বলা হয়, এ ধরনের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজ নিরবচ্ছিন্ন করতে বিমান বাংলাদেশ ছাড়াও অন্য এজেন্সিকে অনুমতি দেয়া প্রয়োজন।

এর পর গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজে আধুনিকতা আনতে বিদেশি অংশীদার খোঁজা শুরু করে বিমান। তবে সে প্রক্রিয়াও আর বেশিদূর এগোয়নি বিমান কর্মীদের আরেকটি আন্দোলনের কারণে।

এর আগে, ২০০৬ সালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের জন্য একটি স্বতন্ত্র কোম্পানি গঠনের পরিকল্পনা করা হয়, যার ওপর বিমানের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। তবে শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনাটি অনুমোদন পায়নি।

বিমানের আয়ের একটি বড় অংশ আসে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং থেকে, যা বছরে গড়ে ৫০০ কোটি টাকারও বেশি।

বিমান পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সদস্য কাজী ওয়াহেদুল আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এটা (গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং এজেন্ট পরিবর্তন) দীর্ঘদিন ধরেই বিদেশি এয়ারলাইনস ও যাত্রীদের দাবি। কারণ আন্তর্জাতিক মানের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবার ১০ ভাগও বিমান দিতে পারছে না।

‘তারা বিদেশি এয়ারলাইনসগুলোর কাছে বিপুল পরিমাণ টাকা চার্জ করে। কিন্তু যে সেবা দেয়ার কথা সেটি দেয় না। এ কারণে বিদেশি এয়ারলাইনসগুলো বিমানের উপর ক্ষুব্ধ। পৃথিবীর বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একাধিক গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং এজেন্ট আছে। এতে সেবা বাড়ানোর প্রতিযোগিতা থাকে। এখন বিমান একা কাজটি করছে বলে ইচ্ছামতো চলছে।’

সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে বিমানের গাফিলতি তুলে ধরে এই এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘কর্মীদের শিফট পরিবর্তনের সময় দেখা যায়, তারা যে যেখানে যে অবস্থায় আছেন, সে অবস্থায় রেখে চলে যায়। পরবর্তী শিফটের কর্মী এলো কি এলো না তারা সেটা দেখে না। এর মধ্যে দেখা যায় যাত্রীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাগেজের জন্য দাঁড়িয়ে আছেন।

বিমানবন্দরে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্ব পেতে চায় ডানাটা

দায়িত্ব গ্রহণের তিন সপ্তাহ পর গত আগস্ট বলাকা ভবনে আয়োজিত মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) যাহিদ হোসেন জানান বিমানের কাস্টমার সার্ভিস কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ের নয়। ফাইল ছবি

‘সাধারণত আমরা দেখি, যারা গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করে তাদের স্টাফরাই কাউন্টারে চেক ইনের কাজ করে। যতগুলো কাউন্টার লাগে সেখানকার স্টাফ তারাই এয়ারলাইনসকে প্রোভাইড করতে বাধ্য। এটার জন্য তারা টাকা নেয়। কিন্তু আমাদের এখানে দেখা যায়, বিমান মাত্র একজন স্টাফ দেয়। এ কারণে প্রতিটি এয়ারলাইনসকেই নিজস্ব স্টাফ নিয়োগ দিতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘বিমানের সব স্টাফ মাস্টার রোলে কাজ করেন, কেউই স্থায়ী কর্মী নন। তারা দৈনিক চুক্তির ভিত্তিতে কাজ করেন। এ কারণে তাদের মধ্যে কমিটমেন্ট তৈরি হয় না। পাশাপাশি তাদের প্রশিক্ষণেরও কোনো উদ্যোগ নেই। তাদের মানোনন্নয়নে কোনো কাজ করা হয় না। বিমানের এ রকম প্রায় আড়াই হাজার কর্মী আছে।

‘এসব কারণে যাত্রীরা হয়রানির মুখে পড়ছেন। তাদের লাগেজ খোয়া যাচ্ছে, সময় মতো লাগেজ পাচ্ছেন না। সরকার যদি এটা বুঝে নতুন কাউকে দেয় তাহলে আমাদের এখানে সেবার মান অনেক বাড়বে।’

গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং এজেন্ট নিয়োগে আন্তর্জাতিক টেন্ডারের অগ্রগতি জানতে চাইলে বিমান প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এটা অনেক দূর এগিয়েছে। সর্বোচ্চ মহলে এটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল আগামী বছরের অক্টোবরে চালু হবে, তার আগেই এটা চূড়ান্ত করা হবে।’

আরও পড়ুন:
টরন্টো ফ্লাইটে আগ্রহ বিদেশি যাত্রীদের
সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার দেনা নিয়েও বিমান লাভজনক?
পাইলট নিয়োগে অনিয়ম: ব্যবস্থার আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর
বিমানে পাইলট নিয়োগে অনিয়মের তদন্ত চায় বাপা
ঢাকা-গুয়াংজু রুটে বিমানের দ্বিতীয় ফ্লাইটের টিকিট বিক্রি শুরু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Many of the wealthy are not paying income tax NBR

সামর্থ্যবানদের অনেকে দিচ্ছেন না আয়কর: এনবিআর

সামর্থ্যবানদের অনেকে দিচ্ছেন না আয়কর: এনবিআর ট্যাক্স গাইড ২০২২-২৩ প্রকাশ করেছে ডিসিসিআই। ছবি: নিউজবাংলা
‘বর্তমানে দেশে টিআইএন-ধারীর সংখ্যা ৮৩ লাখ। অথচ গত অর্থবছরে আয়কর রিটার্ন দাখিল হয়েছে মাত্র ২৫ লাখ ৩০ হাজার। দেশে আয়কর প্রদানে সক্ষম ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১৬ লাখ, বিপুল জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ কর ব্যবস্থাপনার বাইরে রয়ে গেছে।’

দেশে আয়কর দিতে সক্ষম ব্যক্তির সংখ্যা ১ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। তবে এর বড় একটি অংশ করের আওতার বাইরে বলে জানিয়েছেন এনবিআর সদস্য (আয়কর তথ্য ব্যবস্থাপনা ও সেবা) মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন।

শনিবার রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘কাস্টমস্, ভ্যাট অ্যান্ড ইনকাম ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তেব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডিসিসিআই বিগত বছরের ন্যায় এ বছর ‘ট্যাক্স গাইড ২০২২-২৩’ প্রকাশ করেছে। এতে আয়কর, ভ্যাট এবং কাস্টমস আইনের বিস্তারিত বিবরণী তুলে ধরা হয়েছে।

ডিসিসিআিই বলেছে, এই গাইডটি চেম্বারের সদ্যেসের পাশাপাশি দেশের সকল ব্যবসায়ীর কাজে লাগবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনবিআর সদস্য জাহিদ হাসান বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য দেশের অর্থনীতিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় নীতি ও সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে এনবিআর। আর সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া, যা অব্যাহত থাকবে।

নিবন্ধনের চেয়ে করদাতার সংখ্যা কম, এমন তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দেশে টিআইএন-ধারীর সংখ্যা ৮৩ লাখ। অথচ গত অর্থবছরে আয়কর রিটার্ন দাখিল হয়েছে মাত্র ২৫ লাখ ৩০ হাজার। এটি মোটেই আশাব্যঞ্জক নয়।

‘চলতি অর্থবছরের বাজেটে বেশ কিছু সেবা গ্রহণে রিটার্ন-এর সাথে প্রমাণপত্র দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর ফলে আশা করা যাচ্ছে রিটার্নের সংখ্যা অনেক বাড়বে। আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে এনবিআর সকল কার্যক্রমে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর উপর জোর দিচ্ছে। এর ফলে জনগনের ভোগান্তি কমবে এবং রাজস্ব আহরণের হার বৃদ্ধি পাবে।’

দেশে আয়কর প্রদানে সক্ষম লোকের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১৬ লাখ, এমন তথ্য জানিয়ে জাহিদ হাসান বলেন, ‘বিপুল জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ কর ব্যবস্থাপনার বাইরে রয়ে গেছে। কর-জাল সম্প্রসারণে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সারাদেশে কর অঞ্চলের অফিস বাড়ানোসহ নানা উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে করদাতার সংখ্যা আরও বাড়বে।’

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্যে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, ‘কোম্পানীর রাজস্ব ব্যবস্থাপনার জন্য আয়কর ও ভ্যাট সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান রাখা অপরিহার্য। এটা জানা থাকলে একজন উদ্যোক্তার ব্যবসায়িক কর্মকান্ড সফলভাবে পরিচালনা ও কৌশল নির্ধারন সহজ হয়।

‘চলতি অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে কর-জাল বৃদ্ধির জন্য ৩৮টি ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ভ্যাটের কেন্দ্রীয় নিবন্ধন বাধ্যতামূলক, স্থানীয় পর্যায়ে কেমিক্যাল উৎপাদনে ৬ শতাংশ ভ্যাট ছাড়, মূসক ফরমে পরিবর্তন এবং কম্পিউটার যন্ত্রাংশ আমদানিতে ভ্যাট বৃদ্ধিসহ বেশকিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। এসব পরিবর্তন সম্পর্কে ব্যবসায়ীদের অবশ্যই অবগত থাকতে হবে।’

রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে করদাতা ও কর্মকর্তাদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি আরমান হক।

কর্মশালায় দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডিসিসিআই’র কাস্টমস্, ভ্যাট অ্যান্ড এনবিআর বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির উপদেষ্টা স্নেহাশীষ বড়ুয়া ও যুগ্ম-আহবায়ক এমবিএম লুৎফুল হাদী।

আরও পড়ুন:
আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়ল এক মাস
শেষ মুহূর্তে রিটার্ন জমার হিড়িক, সময় বাড়তে পারে
রিটার্ন জমা পড়েছে ৯ লাখ, অনলাইনে সাড়া কম
ভুয়া আয়কর রিটার্ন শনাক্ত করা যাবে সহজে 
আয়কর রিটার্ন দ্বিগুণ করতে চায় এনবিআর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The game will not be a political slogan Tofail

‘খেলা হবে’ রাজনৈতিক স্লোগান হতে পারে না: তোফায়েল

‘খেলা হবে’ রাজনৈতিক স্লোগান হতে পারে না: তোফায়েল যুবলীগের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তোফায়েল আহমেদ। ছবি: নিউজবাংলা
রাজনীতিতে শিষ্টাচার এবং গুণগত চর্চা হারিয়ে যাচ্ছে বলে খেদ প্রকাশ করে বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ বলেন, "অনেকের মুখেই 'খেলা হবে' স্লোগান শুনতে পাই। কিন্তু এমন স্লোগান রাজনীতিকে সমৃদ্ধ করে না।"

সম্প্রতি আলোচিত-সমালোচিত রাজনৈতিক স্লোগান ‘খেলা হবে’-এর সমালোচনা করেছেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, এটা কোনো রাজনৈতিক স্লোগান হতে পারে না।

শনিবার যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ শেখ ফজলুল হক মণির ৮৪তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ প্রধান কার্যালয়ের সামনে যুবলীগের আয়োজনে এ অনুষ্ঠান হয়।

দীর্ঘদিন পর কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বক্তব্য দিলেন তোফায়েল আহমেদ। রাজনীতিতে শিষ্টাচার এবং গুণগত চর্চা হারিয়ে যাচ্ছে বলে খেদ প্রকাশ করে তিনি বলেন, "অনেকের মুখেই 'খেলা হবে' স্লোগান শুনতে পাই। কিন্তু এমন স্লোগান রাজনীতিকে সমৃদ্ধ করে না।’

১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে অল্প জায়গায় বেশি লোক দেখিয়ে বিএনপি ধোঁকা দিতে চায় বলেই দলটি সেখানে সমাবেশ করতে চায় বলে মন্তব্য করেন তিনি। বর্ষীয়ান এই জননেতা বলেন, ‘ওখানে মাত্র ২০-৩০ হাজার লোক হলেই মঞ্চ ভরে যায়। ব্লাফ দেওয়ার জন্যে বিএনপি এটা করতে চায়।’

আওয়ামী লীগের প্রবীণ এই নেতা বলেন, ‘বিশৃঙ্খলা করার উদ্দেশ্যে সমাবেশ করবে বিএনপি। এ ব্যাপারে যুবলীগের সভাপতির নেতৃত্বে আপনারা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবেন। সতর্ক থাকবেন। কেউ যেন আমার দেশ নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে।’

দেশের বিরুদ্ধে যড়যন্ত্র চলছে অভিযোগ করে তোফায়েল বলেন, ‘আমরা অনুমতি দিয়েছি, ছাত্রলীগের সমাবেশ দুদিন এগিয়ে নিয়েছি। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু পল্টনে বিশৃঙ্খলা করতে সমাবেশ করতে চায় বিএনপি।’

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘শেখ হাসিনা ছাড়া কারোর পক্ষে পদ্মা সেতু, টানেল, মেট্রোরেল করা সম্ভব হতো না। উন্নয়নমূলক কাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে নানা চক্রান্ত চলছে। কেউ যেন দেশ নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে, সেদিকে সবাইকে নজর রাখতে হবে।’

যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ শেখ ফজলুল হক মণি সম্পর্কে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘আমি যতটুকু হয়েছি, তার সবচেয়ে অবদান শেখ ফজলুল হক মণি ভাইয়ের। উনি শুধু নেতা ছিলেন না, নেতা তৈরি করতেন। আমার সৌভাগ্য তার সঙ্গ পেয়েছিলাম।’

তিনি বলেন, "মণি ভাই ছিলেন আমার প্রিয় নেতা। আমি যখন বরিশালে বিএম কলেজে পড়তাম, তখন তিনি আমার হোস্টেলে গিয়েছিলেন। আমাকে বলেছিলেন, 'তুমি আমার সঙ্গে ছাত্রলীগের রাজনীতি কর।' তখন মণি ভাই ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তারপর থেকে আমার ছাত্রলীগে যাত্রা শুরু।

"তার সঙ্গে আমার অনেক স্মৃতি। তাকে গ্রেপ্তার করার পরে ১৯৬৭ সালে মুক্তি পেয়েছিলেন। আমরা একসঙ্গে মুজিব বাহিনীতে ছিলাম।"

একই অনুষ্ঠানে যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, ‘একটা তথাকথিত বিরোধী দল বিএনপি-জামায়াত আজ দেশবিরোধী অপপ্রচারে লিপ্ত, কীভাবে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা রোধ করা যায়, শেখ হাসিনার জনবান্ধব সরকারকে পরাস্ত করে কীভাবে ক্ষমতায় আসা যায়, সেই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত তারা। তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশকে একটা মৌলবাদী ব্যর্থ রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করা। কিন্তু শেখ হাসিনার জন্য সর্বোচ্চ আত্মাহুতি দিতে আমরা প্রস্তুত।’

তিনি বলেন, ‘শেখ মণির জন্মদিন আমার কাছে ব্যক্তিগত পর্যায়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। ব্যক্তিগতভাবে আমার বাবা শেখ মনিকে আমি খুব কম পেয়েছি। মাত্র ৫ বছর, তার মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ, সাংবাদিকতা, লেখালেখি, রাজনীতি, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গঠন– সব মিলিয়ে বাবা ভীষণ ব্যস্ত সময় কাটাতেন। কিন্তু যতটুকু সময় পেয়েছি, আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ স্মৃতি হিসেবে তা চিরভাস্বর।’

এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুল। এ ছাড়া আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইনুদ্দিন রানা, সাধারণ সম্পাদক ভারপ্রাপ্ত রেজাউল করিম রেজাসহ যুবলীগের জাতীয় নেতারা।

আরও পড়ুন:
তোফায়েল আহমেদের ফিজিওথেরাপি শুরু
তোফায়েল আহমেদের সুস্থতা কামনায় দোয়া
ভালো আছেন তোফায়েল
তোফায়েলের স্ট্রোক, নেয়া হলো দিল্লিতে
বঙ্গবন্ধুকে দেখার জন্য মানুষ ব্যাকুল থাকত: তোফায়েল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dengue detected 351 on deathless days

মৃত্যুশূন্য দিনে ডেঙ্গু শনাক্ত ৩৫১

মৃত্যুশূন্য দিনে ডেঙ্গু শনাক্ত ৩৫১ হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু আক্রান্তদের অনেকে। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
বর্তমানে সারাদেশে ১ হাজার ৭১০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৯৩৩ ও ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ৭৭৭ জন।

এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও ৩৫১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে শনিবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আক্রান্তদের কেউ মারা যাননি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সারাদেশে গত ২৪ ঘন্টায় ৩৫১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত কারও মৃত্যু হয়নি।

ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২০৭ জন রোগী। একই সময়ে ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪৪ জন ডেঙ্গু রোগী।

বর্তমানে সারাদেশে ১ হাজার ৭১০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৯৩৩ ও ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ৭৭৭ জন।

এ বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৫৪ জনের। যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৮ হাজার ২০৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৭ হাজার ১০ জন ও ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ১৯৯ জন।

এ পর্যন্ত ডেঙ্গু থেকে সেরে উঠেছেন ৫৬ হাজার ২৪৫ জন। ঢাকা ৩৫ হাজার ৯২২ জন এবং ঢাকার বাইরে সুস্থ হয়েছেন ২০ হাজার ৩২৩ জন।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুতে আরও চার মৃত্যু
মৃত্যুশূন্য একদিন পর ডেঙ্গুতে আবার ৩ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে মৃত্যুশূন্য দিন, শনাক্ত ৩৬৬
ডেঙ্গুতে ৩ মৃত্যু, আক্রান্ত ৫২৩ জন
ডেঙ্গুর জ্বরে আক্রান্ত গৃহবধূর ‘আত্মহত্যা’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The Prime Minister wants WHF to support the development of healthcare

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে ডব্লিউএইচএফকে পাশে চান প্রধানমন্ত্রী

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে ডব্লিউএইচএফকে পাশে চান প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ডব্লিউএইচএফের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডা. জগৎ নরুলা।
গণভবনে ডব্লিউএইচএফের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডা. জগৎ নরুলা সৌজন্য সাক্ষাতে এলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘চিকিৎসাবিজ্ঞানের ওপর মৌলিক গবেষণা পরিচালনায় আমাদের সহায়তা করুন এবং আমাদের জনশক্তি বিকাশে অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণ দিন।’

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে মৌলিক চিকিৎসাবিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশনের (ডব্লিউএইচএফ) সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গণভবনে শনিবার সকালে ডব্লিউএইচএফের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডা. জগৎ নরুলা সৌজন্য সাক্ষাতে এলে তিনি এই সহযোগিতার কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘চিকিৎসাবিজ্ঞানের ওপর মৌলিক গবেষণা পরিচালনায় আমাদের সহায়তা করুন এবং আমাদের জনশক্তি বিকাশে অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণ দিন।’

সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম।

দেশের সার্বিক উন্নয়নে মৌলিক গবেষণা খুবই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে গবেষণায় বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

বর্তমান সরকারের সময় কৃষি খাতে গবেষণায় সাফল্যের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ দুধ, মাংস ও মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে।

তিনি বলেন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনসহ কৃষি খাতে বাংলাদেশের সাফল্যের পেছনে প্রধানত গবেষণার অবদান রয়েছে।

বঙ্গবন্ধুকন্যা জানান, স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া তার সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। তিনি সারা দেশে ইউনিয়ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র স্থাপন শুরু করেন। কিন্তু কাজ শেষ করতে পারেননি। কারণ, ১৯৭৫ সালে তাকে পরিবারের বেশির ভাগ সদস্যসহ হত্যা করা হয়েছিল।

জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন শুরু করেছিলেন বলেও জানান তিনি।

কিন্তু ২০০১ সালে বিএনপি জোট সরকার কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্প বন্ধ করে দেয় জানিয়ে তিনি বলেন, ২০০৯ সালে দায়িত্ব গ্রহণ করে তার সরকার আবারও ক্লিনিক স্থাপন শুরু করে।

এখন সারা দেশে ১৮ হাজারেরও বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক তৈরির পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে মানুষ বিনা মূল্যে ৩০ ধরনের ওষুধ পাচ্ছেন। অসচ্ছল ও দরিদ্র ডায়াবেটিক রোগীরাও বিনা মূল্যে ইনসুলিন পাচ্ছেন।

তিনি বলেন, সরকার চিকিৎসাবিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য ইতোমধ্যে বিভাগীয় সদরে পাঁচটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে এবং প্রতি বিভাগে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কথা ভাবছে।

শেখ হাসিনা বলেন, হৃদযন্ত্র, কিডনি এবং ক্যানসার রোগীদের চিকিৎসায় সরকারি উদ্যোগে সরকারি ও বেসরকারি খাতে অনেক বিশেষায়িত হাসপাতাল তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি অঞ্চলে বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের লক্ষ্য রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ওষুধ খাতে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। বর্তমানে জীবন রক্ষাকারী সব ওষুধ উৎপাদন এবং বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে।

ডব্লিউএইচএফের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জগৎ নরুলা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের প্রশংসা করেন এবং এই অগ্রগতিকে ‘আকর্ষণীয়’ হিসেবে অভিহিত করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রচুর প্রতিভাবান চিকিৎসক রয়েছেন, যাদের দক্ষতা বাড়াতে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও সহায়তা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আগামী জানুয়ারিতে ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে হৃদরোগ নিয়ে প্রথমে বাংলাদেশ, ভারত ও মঙ্গোলিয়ার সঙ্গে কাজ করার লক্ষ্য রয়েছে।

ডা. নরুলা অসংক্রামক রোগ সম্পর্কে মায়েদের সচেতন করার ওপর জোর দেন।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মীর জামাল উদ্দিন বৈঠকে জানান, প্রধানমন্ত্রী দরিদ্র ও অসচ্ছল হৃদরোগীদের জন্য ভালভ, স্টেন্ট ও পেসমেকার কিনতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে প্রতিষ্ঠানটিকে ৭ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এ পর্যন্ত রোগীদের হার্টে ৩০০টি ভালভ, ৪৫০টি স্টেন্ট এবং ২৫০টি পেসমেকার স্থাপন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া, বাংলাদেশ সোসাইটি ফর কার্ডিওভাসকুলার ইন্টারভেনশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুর রহমান, বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার মো. (অব.) আবদুল মালিক, যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী অধ্যাপক চৌধুরী হাফিজ আহসান, অধ্যাপক এমজি আজম ও অধ্যাপক ফজিলা-তুন-নেসা মালিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
জঙ্গি ইস্যুসহ সচিবদের একগুচ্ছ নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রীর সফর স্থগিত ‘জাপানে রাজনৈতিক অস্থিরতায়’
সংকট মোকাবিলায় আগাম সতর্কতা চান প্রধানমন্ত্রী
খাদ্য মজুত ১৫ লাখ টনের নিচে না নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
খালেদা-তারেকের সঙ্গে সংলাপ কেমন কথা: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
It will be murder case DC Ramana

এটি হত্যাকাণ্ড, মামলা হবে: ডিসি রমনা

এটি হত্যাকাণ্ড, মামলা হবে: ডিসি রমনা নারীকে রিকশা থেকে ফেলে টিএসসি থেকে নীলক্ষেত থেকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায় প্রাইভেট কারটি। এক পর্যায়ে চালককে আটকে পিটুনি দেয় পথচারীরা। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
পুলিশের রমনা বিভাগের ডিসি শহীদুল্লাহ বলেন, ‘যেহেতু এটা মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা, তাই আমরা একটা মামলা নেব। গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি। সড়ক আইন অনুযায়ী রেকলেস ড্রাইভিংয়ে মৃত্যু ঘটনার শাস্তির বিধান আছে। এই আইনে তার যাতে সর্বোচ্চ শাস্তি হয়, সেটি আমরা চেষ্টা করব।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নারীকে প্রাইভেট কারের নিচে ফেলে টিএসসি থেকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় মামলা হবে জানিয়ে রমনা বিভাগের ডিসি শহীদুল্লাহ বলেন, ‘এটি অবশ্যই একটি হত্যাকাণ্ড।’

শুক্রবার রাতে শাহবাগ থানায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ডিসি শহীদুল্লাহ্ বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, ওই নারী দেবরের সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে শ্বশুরবাড়ি থেকে বাবার বাড়ি হাজারীবাগে যাচ্ছিলেন। তারা যখন শাহবাগ থেকে টিএসসির আগে কাজী নজরুলের মাজারের উল্টো দিকের রাস্তায় পৌঁছান, তখন প্রাইভেট কারটি মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে ওই নারী সড়কে পড়ে যান ও প্রাইভেট কারের সঙ্গে আটকে যান।

‘তবে চালক গাড়িটি না থামিয়ে টেনে-হিঁচড়ে তাকে নিয়ে যান। অনেক চেষ্টা করেও তাকে থামানো যায়নি। উনি টিএসসি পৌঁছালে আমাদের মোবাইল টিমও তাকে থামানোর চেষ্টা করে। তারপরও উনি গাড়ি না থামিয়ে নীলক্ষেত মোড়ের দিকে চলে যান। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে থামায়।’

তিনি বলেন, ‘গাড়ির চালক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক। উত্তেজিত জনতার পিটুনিতে তার অবস্থাও সঙ্কটাপন্ন।’

ডিসি আরও বলেন, ‘যেহেতু এটা মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা, তাই আমরা একটা মামলা নেব। গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সড়ক আইন অনুযায়ী রেকলেস ড্রাইভিংয়ে মৃত্যু ঘটনার শাস্তির বিধান আছে। এই আইনে তার যাতে সর্বোচ্চ শাস্তি হয়, সেটি আমরা চেষ্টা করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার পর আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ওই শিক্ষকের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। একটা নম্বর পেয়েছি। তবে ঘটনা জানাতে যোগাযোগের পর থেকে মোবাইল ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তাদের কারও সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পেলে সাবেক ওই শিক্ষক সুস্থ নাকি অসুস্থ ছিলেন সে বিষয়ে জানা যেত।’

নিহতদের পক্ষে এখন পর্যন্ত কেউ মামলা করতে আসেননি জানিয়ে ডিসি শহীদুল্লাহ্ বলেন, ‘উনারা হয়তো ব্যস্ত আছেন। কিছুক্ষণ পর আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।’

এ বিষয়ে দুর্ঘটনার শিকার নারীর পরিবারকে সর্বোচ্চ আইনগত সহযোগিতা দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো নারী রুবিনা আক্তার তিনি গৃহবধূ ছিলেন। থাকতেন তেজগাঁওয়ে। তার ১২ বছরের একটি ছেলে আছে। দুই বছর আগে তার স্বামী মারা গেছেন।

অন্যদিকে গাড়িচালক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আজাহার জাফর শাহ।

আরও পড়ুন:
টিএসসিতে চাপা দিয়ে নারীকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে নিল গাড়ি
মতিঝিলে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
বাবা-ছেলেকে পিষ্ট করে হোটেলে কাভার্ড ভ্যান, নিহত ৫
বাসচাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত
মেয়েকে মাদ্রাসায় দিতে গিয়ে বাসচাপায় মা-বাবাও নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The age limit of BCL remains thirty nine

ছাত্রলীগের বয়সসীমা ‘উনত্রিশ’ই থাকছে

ছাত্রলীগের বয়সসীমা ‘উনত্রিশ’ই থাকছে ছবি: সংগৃহীত
চার বছর পর ৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলন। এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে আবারও আলোচনায় এসেছে ছাত্রলীগের বয়সসীমার বিষয়টি।

ছাত্রলীগের নেতৃত্বের বয়সসীমা ঊনত্রিশই থাকছে। সংগঠনটির অভিভাবক দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গত বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্টদের বিষয়টি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের বিশ্বস্ত সূত্র নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রতিদিনের মতো অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে বসেন দলটির নেতারা। আলাপচারিতার এক পর্যায়ে ওবায়দুল কাদের অন্য নেতাদের জানিয়ে দেন, দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে। ছাত্রলীগের নেতৃত্ব প্রত্যাশীদের বয়সসীমা এবারও ঊনত্রিশই থাকছে। কোনোভাবেই তা বাড়ানো হবে না।

সূত্রমতে, বৈঠকে ছাত্রলীগের দেখভালের দায়িত্বে থাকা চার নেতার মধ্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম উপস্থিত ছিলেন। তারা বয়সসীমার বিষয়ে কিছুটা আপত্তির সুর তুললে ওবায়দুল কাদের স্পষ্ট জানিয়ে দেন- দলের সভাপতি কোনোভাবেই ছাত্রলীগকে আদু ভাইদের দল বানাতে চান না।

এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট নেতারা দলের সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে এ নিয়ে পরে বৈঠক করতে চান।

প্রসঙ্গত, চার বছর পর আগামী ৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলন।

সম্মেলনকে ঘিরে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন সংগঠনটির শীর্ষ পদপ্রত্যাশীরা। দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই লবিং-তদবিরের ব্যস্ততা বাড়ছে এসব নেতার। শীর্ষ পদে কারা আসছেন এ নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা। আর বয়সসীমার বিষয়টি পরিষ্কার না থাকায় প্রার্থীদের অনেকের মধ্যেই এ নিয়ে ধোঁয়াশা বিরাজ করছে। তারা এখন আশা-নিরাশার দোলাচলে। কেননা আলোচিত প্রার্থীদের বেশিরভাগই ঊনত্রিশোর্ধ্ব।

সংগঠনটির গঠনতন্ত্রের ৫-এর ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সর্বোচ্চ বয়সসীমা ২৭ থাকলেও ২৮ বছর ৩৬৫ দিনের মধ্যে নেতৃত্ব বাছাই করা হয়। মূলত, যথাসময়ে সম্মেলন না হওয়ার কারণেই ছাত্রলীগের নেতৃত্ব প্রত্যাশীরা এই ছাড় পেয়ে থাকেন।

ছাত্রলীগের সর্বশেষ সম্মেলন ২০১৮ সালের ১১ ও ১২ মে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই সম্মেলনে অনূর্ধ্ব ২৯ বছর বয়সী রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে সভাপতি ও গোলাম রব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর দুজনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। তখন ওই কমিটির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয়কে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়। ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি তাদের পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব দেয়া হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শাসক দল আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপপ্রতীম সংগঠন ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ পদ পেতে আগ্রহীরা হলেন সহ-সভাপতি শেখ সাগর আহমেদ, সোহান খান, ইয়াজ আল রিয়াদ, সৈয়দ আরিফ হোসেন, মাজহারুল ইসলাম শামীম, কামাল খান, রাকীব হোসেন, মাহমুদুল হাসান তুষার, ফরিদা পারভীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকদের মধ্য থেকে প্রদীপ চৌধুরী, আরিফুজ্জামান আল ইমরান, তাহসান রাসেল, বেনজীর নিশি, সাংগঠনিক সম্পাদক ফোরদৌস আলম, বরিকুল ইসলাম বাঁধন, সোহানুর রহমান সোহান, সাদ বিন কাদের, নাজিমুদ্দিন, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক হায়দার মোহাম্মদ জিতু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন সাদ্দাম, ত্রাণ ও দূর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক এমরান জমাদ্দার, শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ লিমন, স্কুলছাত্র বিষয়ক সম্পাদক প্রতুল চন্দ্র রায়, ক্রীড়া সম্পাদক আলামিন সিদ্দিক সুজন, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক আবু হাসনাত হিমেল, মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক নাহিদ হাসান শাহীন, আইন সম্পাদক ফুয়াদ হাসান শাহাদৎ, গণশিক্ষা সম্পাদক আব্দুল্লাহ হিল বারী, গণযোগাযোগ সম্পাদক শেখ শামীম তুর্য, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক রনি মোহাম্মদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান তাপস, পরিবেশ সম্পাদক শামীম পারভেজ, ধর্ম সম্পাদক তুহিন রেজা, উপ-দপ্তর সম্পাদক সজীব নাথ, উপ-তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক আহসান পিয়াল, এস এম হলের সাবেক সভাপতি কামাল হোসেন ওরফে ভিপি কামাল উল্লেখযোগ্য।

ছাত্রলীগ সূত্রে জানা যায়, আলোচিত প্রার্থীদের মধ্যে সোহান খান, প্রদীপ চৌধুরী, ইয়াজ আল রিয়াদ, সৈয়দ আরিফ হোসেন ও কামাল খান ত্রিশোর্ধ্ব। আর সাদ বিন কাদের মেহেদী হাসান তাপস আবু হাসনাত হিমেল শামীম পারভেজ, নাজিমুদ্দিন, নাহিদ হাসান শাহীন, তুহিন রেজা, আব্দুল্লাহ হিল বারী, বরিকুল ইসলাম বাঁধন, রনি মোহাম্মদ, ফুয়াদ হাসান শাহাদৎ এর বয়স ৩০ এর মধ্যে।

এ ছাড়া ফরিদা পারভীন, এমরান জমাদ্দার, প্রশিক্ষণ বিষয়ক উপ সম্পাদক মেশকাত হোসেন, কামাল হোসেন ওরফে ভিপি কামাল, জিয়া হল শাখার সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান শান্ত, মুহসিন হল ছাত্রলীগের সভাপতি শহিদুল হক শিশিরের বয়স ২৯ এর মধ্যে।

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের বহরে বিস্ফোরণ: যুবদল নেতাসহ ১২ জনের নামে মামলা
ছাত্রলীগ নেতাকে বাড়ি থেকে বের করে পিটুনি
ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল বহরে ককটেল হামলা
এমপির ছেলের সভায় ককটেল বিস্ফোরণ
ঢাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ৩ ডিসেম্বর, দুই মহানগরের ২ ডিসেম্বর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A woman riding a rickshaw was killed after being hit by a private car in DU

টিএসসিতে চাপা দিয়ে নারীকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে নিল গাড়ি

টিএসসিতে চাপা দিয়ে নারীকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে নিল গাড়ি নারীকে রিকশা থেকে ফেলে টিএসসি থেকে নীলক্ষেত থেকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায় প্রাইভেট কারটি। এক পর্যায়ে চালককে আটকে পিটুনি দেয় পথচারীরা। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
এক নারীকে সড়ক দিয়ে টেনে নেয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুকে। এতে দেখা গেছে, গাড়ির বাম পাশে সামনের চাকার পেছনে বাঁধিয়ে ওই নারীকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে প্রাইভেট কার। এক পর্যায়ে চালককে আটকায় পথচারীরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে নারীকে রিকশা থেকে ফেলে টিএসসি থেকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে গেছে একটি প্রাইভেট কার।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকের এ ঘটনায় আহত ওই নারীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যু হয়।

নিহত ৪৫ বছর বয়সী নারীর নাম রুবিনা আক্তার। তিনি গৃহবধূ ছিলেন; থাকতেন তেজগাঁওয়ে। তার ১২ বছরের এক ছেলে আছে। দুই বছর আগে তার স্বামী মারা গেছেন।

ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া নিউজবাংলাকে এসব নিশ্চিত করেছেন।

ওই নারীকে সড়ক দিয়ে টেনে নেয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুকে। এতে দেখা যায়, গাড়ির বাম পাশে সামনের চাকার পেছনে আটকে পড়া নারীকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে প্রাইভেট কারটি। এক পর্যায়ে গাড়িটিকে আটকায় পথচারীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম জানায়, গাড়িচালক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক; নাম আজাহার জাফর শাহ।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী টিএসসির একাধিক ভ্রাম্যমাণ দোকানদার নিউজবাংলাকে জানায়, একটি রিকশায় ওই নারী শাহবাগ থেকে টিএসসির দিকে আসছিলেন। এ সময় পেছন থেকে একটি প্রাইভেট কার রিকশাকে ধাক্কা দিলে, তিনি পড়ে যান। নারীকে চাপা দেয়ার পর চালক গাড়ি না থামিয়ে চালিয়ে যেতে থাকেন। আশপাশের লোকজন গাড়িটিকে থামানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

চাপা পড়া নারীকে হিঁচড়ে নীলক্ষেত মোড় পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়। এক পর্যায়ে আশপাশের লোকজন গাড়িটিকে থামাতে সক্ষম হন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক রিকশাচালক নিউজবাংলাকে জানান, নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়ে গাড়ির চালককে ইট দিয়ে আঘাত করে লোকজন। তাকে ৩-৪ মিনিট মারধর করা হয়। পরে পুলিশ চালককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

ঘটনাস্থলে থাকা শাহবাগ থানা পুলিশের উপপরিদর্শক জাফর বলেন, ‘একজন নারী কার দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। কারচালককে উত্তেজিত জনতা আটক করে পিটিয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ঢাবির হলে শিক্ষার্থীকে রড দিয়ে পিটিয়েছে ছাত্রলীগের কর্মী
ঢাবি প্রক্টরের বিরুদ্ধে ‘গুরুতর’ অভিযোগ

মন্তব্য

p
উপরে