× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
3 madrasa students were not found even in 9 days
hear-news
player
google_news print-icon

৯ দিনেও খোঁজ মেলেনি ৩ মাদ্রাসাছাত্রের

৯-দিনেও-খোঁজ-মেলেনি-৩-মাদ্রাসাছাত্রের
হবিগঞ্জের একটি মাদ্রাসার নিখোঁজ তিন ছাত্র জাকারিয়া, রাহিম ও ওয়াহিদ (বাঁ থেকে)। ছবি: সংগৃহীত
হাফেজ মাওলানা আবুল কালাম বলেন, ‘তিনজন ছাত্রই ব্যবহার ও লেখাপড়ায় খুব ভালো। কোনোদিন তাদের ধমকও দিতে হয়নি। কিন্তু কেন বা কার প্ররোচনায় তারা পালিয়ে গেল, সেটা বুঝতে পারছি না।’

হবিগঞ্জের বাহুবলে নিখোঁজের ৯ দিন পেরিয়ে গেলেও সন্ধান পাওয়া যায়নি তিন মাদ্রাসাছাত্রের। এতে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে পরিবার ও স্বজনদের।

মাদ্রাসাছাত্রদের উদ্ধারের জন্য বাহুবল মডেল থানায় ছাত্রদের পরিবারের পক্ষ থেকে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

পুলিশ বলছে, তিন ছাত্রকে উদ্ধারে তারা সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে।

নিখোঁজ তিন কিশোর বাহুবল উপজেলার উত্তরসুর গ্রামের হাফেজ আব্দুস শহিদের ছেলে ১৩ বছরের জাকারিয়া মিয়া, নিজগাঁও গ্রামের পাকু মিয়ার ১৪ বছরের ছেলে আব্দুল ওয়াহিদ ও হবিগঞ্জ সদর উপজেলার পূর্ব কাটাখালী গ্রামের মৃত ফিরোজ আলীর ১৪ বছরের ছেলে রাহিম উদ্দিন।

তারা তিনজনই বাহুবল জামেয়া মাহমুদিয়া হামিদনগর মাদ্রাসার ছাত্র।

জামেয়া মাহমুদিয়া হামিদনগর মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা আবুল কালাম বলেন, ‘গত ১৯ সেপ্টেম্বর বিকেল থেকে তিনজনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে আমরা ওইদিনই তিন ছাত্রের পরিবারকে বিষয়টি জানাই।’

জাকারিয়া, ওয়াহিদ ও রাহিমের অভিভাবকরা তাদের নিজ নিজ আত্মীয়স্বজনসহ সম্ভাব্য সব স্থানে সন্ধান করেছেন, কিন্তু পাননি।

২২ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ জাকারিয়ার বাবা হাফেজ আব্দুস শহিদ, ওয়াহিদের বাবা পাকু মিয়া ও রাহিম উদ্দিনের বড় ভাই সাইদ আহমদ বাহুবল মডেল থানায় তিনটি জিডি করেন।

হাফেজ মাওলানা আবুল কালাম বলেন, ‘তিনজন ছাত্রই ব্যবহার ও লেখাপড়ায় খুব ভালো। কোনোদিন তাদের ধমকও দিতে হয়নি। কিন্তু কেন বা কার প্ররোচনায় তারা পালিয়ে গেল, সেটা বুঝতে পারছি না।’

নিখোঁজ রাহিম উদ্দিনের বড় ভাই সাইদ আহমদ বলেন, ‘আমার ছোট ভাই রাহিমসহ তিন মাদ্রাসাছাত্র আজ ৯ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। তাদের সন্ধানে দেশের বিভিন্ন স্থানে হন্যে হয়ে ঘুরছি। কিন্তু কোনো সন্ধান পাচ্ছি না।’

এ ব্যাপারে বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমাদের কাছে শায়েস্তাগঞ্জ রেলস্টেশনের একটি সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে। ফুটেজে দেখা যায় নিখোঁজ তিন শিক্ষার্থী একটি ট্রেনে উঠে ঢাকামুখী চলে গেছে। তাদের সঙ্গে আর কোনো লোক ছিল না। তাই ধারণা করা হচ্ছে, তারা স্বেচ্ছায় পালিয়ে গেছে। আমরা তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।’

আরও পড়ুন:
‘আমার পাপাকে ফিরিয়ে দিন’
আমার মেয়েকে জীবিত ফেরত চাই: সুকন্যার মা
নদীতে নিখোঁজ দুই শিশুর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সমুদ্রে গোসলে নেমে কলেজছাত্র নিখোঁজ
সিলেটে সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন নেতা ‘নিখোঁজ’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Order to submit public works report on Salam Murshedis house by January 16

সালাম মুর্শেদীর বাড়ি: গণপূর্তের প্রতিবেদন চেয়েছে হাইকোর্ট

সালাম মুর্শেদীর বাড়ি: গণপূর্তের প্রতিবেদন চেয়েছে হাইকোর্ট সংসদ সদস্য সালাম মুর্শেদী। ছবি: সংগৃহীত
সালাম মুর্শেদীর গুলশানের বাড়িটি পরিত্যক্ত সম্পত্তি হওয়ায় অবৈধ দখলমুক্ত করে সরকার নিজ জিম্মায় নিতে পারে বলে মত দেয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি।

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহসভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদীর গুলশানের বাড়ি নিয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন ১৬ জানুয়ারির মধ্যে হাইকোর্টে জমার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

একইসঙ্গে গণপূর্ত যে প্রতিবেদন তৈরি করেছে তা দুদকে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

আদালত গণপূর্তের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান, সাঈদ আহমেদ রাজা। অন্যদিকে রিটকারী সুমনের পক্ষে ছিলেন অনিক আর হক।

সালাম মুর্শেদীর গুলশানের বাড়িটি পরিত্যক্ত সম্পত্তি হওয়ায় অবৈধ দখলমুক্ত করে সরকার নিজ জিম্মায় নিতে পারে বলে মত দেয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে রাজউকের আইন বিভাগের জবাব জমা দেয়া হয়েছে হাইকোর্টে।

এর আগে ১ নভেম্বর সরকারের সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নিয়ে বাড়ি বানানোর অভিযোগে সালাম মুর্শেদীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ওই সম্পত্তি সম্পর্কিত সব কাগজপত্র ১০ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান, গণপূর্ত সচিব ও সালাম মুর্শেদীকে আদেশ দেয় আদালত।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন ৬ নভেম্বর এ রিট করার পর রুল জারি করেছিল হাইকোর্ট।

এর আগে সালাম মুর্শেদীর বাড়িটির বৈধতা যাচাইয়ে দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত সেপ্টেম্বরে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে। কমিটির প্রধান ছিলেন মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন অধিশাখা-৯ এর যুগ্ম-সচিব মো. মাহমুদুর রহমান হাবিব। সদস্য সচিব রাজউকের পরিচালক (প্রশাসন) মুহাম্মদ কামরুজ্জামান এবং সদস্য ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং শাখা-১১ এর উপসচিব জহুরা খাতুন।

তদন্ত প্রতিবেদন ও হাইকোর্টে রাজউকের আইন শাখার জবাবের অনুলিপি পেয়েছে নিউজবাংলা। এতে সালাম মুর্শেদীর বাড়িটি জাল দলিলের মাধ্যমে অবৈধ দখলের প্রমাণ উল্লেখ করে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনা এবং সম্পদের দখল সরকারের বুঝে নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

যা আছে তদন্ত প্রতিবেদন ও রাজউকের আইন বিভাগের জবাবে

মন্ত্রণালয়ের কমিটির তদন্তের পর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরেজমিন পরিদর্শন ও গুলশান আবাসিক এলাকার লে-আউট নকশা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, রোড নং ১০৪ ও রোড নং ১০৩-এর সংযোগস্থলের কর্নারের প্লট/বাড়িটি (২৭ নং প্লট) অবস্থান বিবেচনায় ১০৪ নং রাস্তায় অবস্থিত। এটি ১৯৮৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত ৯৭৬৪ (১) নং পৃষ্ঠার ৪৬ নং ক্রমিকে ‘খ’ তালিকাভুক্ত পরিত্যক্ত বাড়ি।

সবশেষ জরিপ/সিটি জরিপে সংশ্লিষ্ট এলাকার সিইএন (ডি) ব্লকের ২৭ নং প্লটের ৫২০৪ ও ৫২০৫ দাগসমূহ সিটি জরিপের ৯ নং খতিয়ানভুক্ত, যা সরকারের পক্ষে গণপূর্ত নগর উন্নয়ন বিভাগ ঢাকার নামে রেকর্ডভুক্ত।

তদন্ত কমিটি বলেছে, বাস্তবে ওই এলাকায় রাজউকের লে-আউট নকশায় কথিত বাড়ির অস্তিত্ব বিদ্যমান নেই। এ ক্ষেত্রে সুকৌশলে ওই এলাকার ১০৪ নং রোডের ওই বাড়িটি ১০৩ নং রোড দেখিয়ে জাল-কাগজপত্র তৈরি করে হস্তান্তর-নামজারিসহ অন্য কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

তদন্ত কমিটি তাদের সুপারিশে উল্লেখ করে ‘অবৈধ দখলভুক্ত প্লটটি অবিলম্বে সরকারের দখলে আনার’ সুপারিশও করেছে। সেই সঙ্গে এ জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছে।

একই তথ্য উল্লেখ করে উচ্চ আদালতে পাটানো জবাবে রাজউকের আইন বিভাগ বলেছে, ‘সার্বিক পর্যালোচনায় গুলশান আবাসিক এলাকার ১০৪ নং রাস্তার সিইএন (ডি) ব্লকের ২৭ নং বাড়িটি পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকা হতে অবমুক্ত ব্যতিরেকে যে সব কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে তার বৈধতার বিষয়ে সুস্পষ্ট দালিলিক প্রমাণ অনুপস্থিত। তর্কিত বাড়িটির হস্তান্তর প্রক্রিয়া বিধিসম্মত হয়নি।’

তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে কমিটির সদস্য সচিব রাজউকের পরিচালক (প্রশাসন) মুহাম্মদ কামরুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা তিন সদস্যের কমিটি তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দিয়েছি। আমরা তদন্তে যা যা পেয়েছি তার সবই স্পষ্ট রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
সালাম মুর্শেদীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চায় খুলনা আ. লীগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Order to publish name of borrowers on website

ঋণগ্রহীতাদের নাম ওয়েব সাইটে প্রকাশের নির্দেশ

ঋণগ্রহীতাদের নাম ওয়েব সাইটে প্রকাশের নির্দেশ
হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে, ব্যাংকের টাকা জনগণের টাকা। জনগণের টাকা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংক কাকে দিচ্ছে, তা জনগণের জানার অধিকার আছে। তাই প্রত্যেক ঋণ মঞ্জুরের সঙ্গে সঙ্গে মঞ্জুরের অনুমতিপত্র সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েব সাইটে প্রকাশ করার নির্দেশ দেয়া হলো।

ঋণগ্রহীতাদের নামের তালিকা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওয়েব সাইটে প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

চেক ডিজ-আনার মামলা না নিতে নির্দেশনা দিয়ে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। ১৩ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়ে বৃহস্পতিবার এ নির্দেশনা দিয়েছে আদালত।

এদিকে এ রায়ের কার্যকারিতা দুই মাসের জন্য স্থগিত করেছে আপিল বিভাগ। এ সময়ের মধ্যে নিয়মিত আপিল ফাইল করতে বলেছে সর্বোচ্চ আদালত।

এদিকে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে, ব্যাংকের টাকা জনগণের টাকা। জনগণের টাকা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংক কাকে দিচ্ছে, তা জনগণের জানার অধিকার আছে। তাই প্রত্যেক ঋণ মঞ্জুরের সঙ্গে সঙ্গে মঞ্জুরের অনুমতিপত্র সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েব সাইটে প্রকাশ করার নির্দেশ দেয়া হলো।

লিখিত রায়ে আদালত বলেছে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণের বিপরীতে জামানত হিসেবে গৃহীত চেক বিনিময়যোগ্য দলিল নয় হেতু এমনতর চেক প্রত্যাখ্যানের মোকদ্দমা গ্রহণে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হলো। যদি কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান এমনতর চেক প্রত্যাখ্যানের মোকদ্দমা করে, তবে তা বিচারিক আদালত সরাসরি প্রত্যাখ্যান করবে।

দ্বিতীয়ত, আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণের বিপরীতে জামানত হিসেবে গৃহীত চেক থেকে উদ্ভূত চেক প্রত্যাখ্যানে ইতোমধ্যে দাখিল করা সব মোকদ্দমার কার্যক্রম এখতিয়ার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি নির্দেশনা প্রদান জরুরি বিধায় নির্দেশ প্রদান করা যাচ্ছে যে আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রতিটি ঋণের বিপরীতে ইনস্যুরেন্স বাধ্যতামূলক করে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি অনতিবিলম্বে বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশনা জারি করবে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সব ঋণ প্রদানে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও আধুনিকীকরণের পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ প্রদান করবে এবং নিয়মিত বিরতিতে তা দেখাশোনা করবে।

আদালত বলে, বর্তমানে দেখা যাচ্ছে যে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩-কে পাশ কাটিয়ে ঋণগ্রহীতা থেকে তাদের খেয়ালখুশিমতো বেআইনিভাবে জামানতস্বরূপ ব্লাঙ্ক চেক গ্রহণ করছে। তাদের খেয়ালখুশিমতো ওই ব্লাঙ্ক চেকে টাকার অঙ্ক বসিয়ে চেক প্রত্যাখ্যান করে ঋণগ্রহীতার বিরুদ্ধে চেক প্রত্যাখ্যানের মোকদ্দমা করে সাধারণ জনগণকে বিশেষ করে কৃষক, ক্ষুদ্র এবং ছোট ব্যবসায়ীদের জেলে পাঠিয়েছে।

যেহেতু আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ মোতাবেকই তার খেলাপি ঋণ তথা অনাদায়ী ঋণ আদায়ের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে, সেহেতু ঋণগ্রহীতার বিরুদ্ধে খেলাপি ঋণ আদায়ে চেক প্রত্যাখ্যানের মোকদ্দমার কোনো সুযোগ নেই। তবে আর্থিক প্রতিষ্ঠান যদি তার নিজস্ব কোনো সম্পত্তি বিক্রি করে এবং বিনিময়ে সম্পত্তির ক্রেতা থেকে কোনো চেক গ্রহণ করে এবং পরে যদি সেই চেক প্রত্যাখ্যাত হয় তখন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ওই চেক প্রত্যাখ্যানের বিরুদ্ধে চেকের মামলা করতে পারবে।

কিন্তু কোনোভাবেই ঋণ আদায়ের নিমিত্তে চেক জামানত হিসেবে গ্রহণ করে তা প্রত্যাখ্যানের মাধ্যমে চেক প্রত্যাখ্যানের মামলা করতে আইনত অধিকারী নয়। ফলে বাদী কর্তৃক অত্র চেক প্রত্যাখ্যানের মোকদ্দমা আইন ও বিধিবহির্ভূত বিধায় বাদীর মোকদ্দমাই বেআইনি।

আরও পড়ুন:
খেলাপি ঋণে গ্রেপ্তার ১২ কৃষকের জামিন
বড় ঋণখেলাপিরা কি বিচারের ঊর্ধ্বে, প্রশ্ন হাইকোর্টের
ঋণখেলাপি মামলায় ১২ কৃষক কারাগারে
বিদেশি ঋণেও যুদ্ধের ধাক্কা, ৪ মাসে কমল ২৫ শতাংশ
গরিবদের থেকে এনজিওর বেশি সুদ আদায় অন্যায়: গভর্নর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
10 accused in militant robbery case remanded for 5 more days

জঙ্গি ছিনতাই মামলায় ১০ আসামি আরও ৫ দিনের রিমান্ডে

জঙ্গি ছিনতাই মামলায় ১০ আসামি আরও ৫ দিনের রিমান্ডে সিসিটিভি ফুটেজে আদালত থেকে জঙ্গিদের পালানোর দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত
বৃহস্পতিবার তাদের ১০ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য পুনরায় তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) পরিদর্শক মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ। ঢাকা মহানগর হাকিম শফি উদ্দিনের আদালতে এ রিমান্ড শুনানি হয়।

ঢাকার বিচারিক আদালত প্রাঙ্গণ থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা মামলায় ১০ আসামিকে ফের পাঁচ দিন করে রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার তাদের ১০ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য পুনরায় তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) পরিদর্শক মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ।

ঢাকা মহানগর হাকিম শফি উদ্দিনের আদালতে এ রিমান্ড শুনানি হয়।

এর আগে গত ২০ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম শফি উদ্দিন তাদের ১০ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।

আসামিরা হলেন শাহীন আলম ওরফে কামাল, শাহ আলম ওরফে সালাউদ্দিন, বি এম মজিবুর রহমান, সুমন হোসেন পাটোয়ারী, আরাফাত রহমান, খাইরুল ইসলাম ওরফে সিফাত, মোজাম্মেল হোসেন, শেখ আব্দুল্লাহ, আ. সবুর, রশিদুন্নবী ভূঁইয়া প্রমুখ।

গত ২০ নভেম্বর ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত প্রাঙ্গণ থেকে দুই জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় ২০ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা করেন পুলিশ পরিদর্শক জুলহাস উদ্দিন আকন্দ। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়।

সেদিন সকালে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার ১২ আসামিকে কাশিমপুর-২ কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে ঢাকার আদালতে আনা হয়।

সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকার প্রসিকিউশন বিভাগে আসামিদের হাজিরা দেয়ার জন্য সিজেএম আদালত ভবনে সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনাল-৮-এ নিয়ে যাওয়া হয়। মামলার শুনানি শেষে জামিনে থাকা দুই আসামি মো. ঈদী আমিন ও মেহেদী হাসান অমি ওরফে রাফি আদালত থেকে বের হয়ে যান।

পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কোর্টের শুনানি শেষে প্রথমে চারজনকে নিচে নামিয়ে আনা হয়। দুটি হাতকড়া দিয়ে দুজনকে আটকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বাকি আসামিরা তখন ওপরে ছিলেন।

‘চারজনের মধ্যে মইনুল হাসান ও আবু সিদ্দিককে জঙ্গিরা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তবে মো. আরাফাত ও মো. সবুরকে নিতে পারেনি। জঙ্গিরা পেপার স্প্রে ব্যবহার করে। এতে একজন সিকিউরিটি গার্ড, একজন পুলিশ সদস্যসহ কয়েকজন সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হন।’

আরও পড়ুন:
জঙ্গি ছিনতাই মামলায় একজনের আত্মসমর্পণ, চার দিনের রিমান্ড
২৯ বছর ধরে ঝুলে থাকা মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ
‘কারাবন্দি জঙ্গি ও ছিনতাই টিম সমন্বয় করেন অমি’
জঙ্গি ছিনতাই মামলায় গ্রেপ্তার মেহেদী ৭ দিনের রিমান্ডে
জঙ্গি আরাফাতকে ছিনিয়ে নেয়াই ছিল মূল লক্ষ্য

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Reinvestigation of money laundering case against Falu on February 23

ফালুর বিরুদ্ধে অর্থ পাচার মামলার পুনঃ তদন্ত ২৩ ফেব্রুয়ারি

ফালুর বিরুদ্ধে অর্থ পাচার মামলার পুনঃ তদন্ত ২৩ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা পরিষদের সাবেক সদস্য মোসাদ্দেক আলী ফালু। ছবি: সংগৃহীত
অফশোর কোম্পানি খুলে ১৮৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা দুবাইয়ে পাচারের অভিযোগে ফালুসহ চার ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়।

দুবাইয়ে প্রায় ১৮৪ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা পরিষদের সাবেক সদস্য মোসাদ্দেক আলী ফালুসহ তিনজনের বিরুদ্ধে করা মামলায় পুনঃ তদন্তের আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ সৈয়দ কামাল হোসেনের আদালত এ আবেদন মঞ্জুর করে। মামলার পুনঃ তদন্ত প্রতিবেদন জমার জন্য ২৩ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করেছে আদালত।

গত ২৭ অক্টোবর একই আদালতে এই আবেদন করেছিলেন দুদকের আইনজীবী মীর আহম্মদ আলী সালাম।

২০২১ সালের ১৩ ডিসেম্বর ফালুসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ করে আদালত। এ সময় ফালু পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

অন্য দুই আসামি হলেন আরএকে সিরামিকসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এ কে একরামুজ্জামান ও স্টার সিরামিকস প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক সৈয়দ এ কে আনোয়ারুজ্জামান।

স্টার সিরামিকস প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক আমির হোসাইনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে অব্যাহতি দেয়ার আবেদন করা হয়েছে।

অফশোর কোম্পানি খুলে ১৮৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা দুবাইয়ে পাচারের অভিযোগে ফালুসহ চার ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়।

২০১৯ সালের ১৩ মে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করেন।

দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১০ সালে মোসাদ্দেক আলী ফালু, একরামুজ্জামান, আনোয়ারুজ্জামান ও আমির হোসাইন দুবাইয়ে আল মদিনা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ও থ্রি স্টার লিমিটেড নামে অফশোর কোম্পানি খোলেন। পরে তারা বাংলাদেশে ‘দুর্নীতির মাধ্যমে’ অর্জিত ১৮৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা দুবাইয়ে পাচার করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, দুবাইয়ে ওই অর্থ উর্পাজনের কোনো উৎস তারা দেখাতে পারেননি। ওই টাকা কীভাবে উপার্জন করা হয়েছে তার কোনো তথ্যপ্রমাণও তাদের কাছে নেই।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, দুবাইয়ে ব্যবসা করার কথা তারা বাংলাদেশ ব্যাংককে কখনও জানাননি বা কোনো ধরনের অনুমতি নেননি।

দুদকের অভিযোগ, বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় ফালু ক্ষমতার অপব্যবহার করে দেশে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করে অফশোর কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেন।

আরও পড়ুন:
ফালুর বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মামলায় ফের তদন্তের আবেদন
ফালুর দখল করা জমি উদ্ধার, ঠিকানা পেল ৬৪ পরিবার
অর্থ পাচারের মামলায় ফালুর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

মন্তব্য

বাংলাদেশ
High Court decision not to take check dishonor case stayed

চেক ডিজঅনার মামলা না নিতে হাইকোর্টের রায় স্থগিত

চেক ডিজঅনার মামলা না নিতে হাইকোর্টের রায় স্থগিত প্রতীকী ছবি
আদালত আগামী দুই মাসের জন্য হাইকোর্টের রায় স্থগিত করে মামলার আসামিদের জামিন বহাল রেখেছে।

ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের করা চেক ডিজঅনার মামলা না নিতে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছে আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীসহ পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালত আগামী দুই মাসের জন্য হাইকোর্টের রায় স্থগিত করে মামলার আসামিদের জামিন বহাল রেখেছে।

আদালতে ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। অন্যদিকে ছিলেন আব্দুল্লা আল বাকী।

ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের করা চেক ডিজঅনার (চেক প্রত্যাখ্যান) মামলা না নিতে এবং এ-সংক্রান্ত সব মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে ২৩ নভেম্বর রায় দেয় হাইকোর্ট। ওই রায় স্থগিত চেয়ে আপিলে আবেদন করে ব্র্যাক ব্যাংক।

পরে চেম্বার জজ আদালত ওই আবেদনের শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেয়।

ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ আদায়ের জন্য শুধু ২০০৩ সালের অর্থঋণ আইনের বর্ণিত উপায়ে অর্থঋণ আদালতে মামলা করতে পারবে বলে রায় দেয় হাইকোর্ট।

রায়ে নিম্ন আদালতের প্রতি নির্দেশনা দিয়ে হাইকোর্ট বলে, ‘আজ থেকে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান যদি চেক ডিজঅনার মামলা করে তাহলে আদালত তা সরাসরি খারিজ করে দেবেন। একই সঙ্গে তাদের ঋণ আদায়ের জন্য অর্থঋণ আদালতে পাঠিয়ে দেবেন।’

এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে নির্দেশ দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
চেক ডিজঅনার মামলায় হাইকোর্টের রায় চেম্বার আদালতে স্থগিত
চেক ডিজঅনারে জেলে পাঠানো সংবিধান পরিপন্থি, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
One person was hanged in Kashimpur jail in the freedom fighter murder case

বীর মুক্তিযোদ্ধা হত্যা: কাশিমপুর কারাগারে একজনের ফাঁসি কার্যকর

বীর মুক্তিযোদ্ধা হত্যা: কাশিমপুর কারাগারে একজনের ফাঁসি কার্যকর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২। ছবি: নিউজবাংলা
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর সিনিয়র জেল সুপার আমিরুল ইসলাম জানান, সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার রাত ১১টা ১ মিনিটে ফাঁসি কার্যকর করা হয়। ওই সময় কারাগারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নারায়ণগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দীন মেম্বার হত্যা মামলায় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এ বন্দি এক আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর সিনিয়র জেল সুপার আমিরুল ইসলাম জানান, সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার রাত ১১টা ১ মিনিটে ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। ওই সময় কারাগারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও জানান, ফাঁসি কার্যকর হওয়া ৪৭ বছর বয়সী কামাল ওরফে এক্সেল কামাল নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার কোতোয়ালেরবাগ এলাকায় থাকতেন।

কারা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ২০০৪ সালে নারায়ণগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দীন মেম্বার হত্যা মামলায় ২০০৬ সালে নারায়ণগঞ্জ জেলা দায়রা জজ আদালত কামালকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। পরে হাইকোর্ট তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে।

ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে আপিল বিভাগও মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে। পরে আপিল বিভাগে রিভিউ আবেদন করা হলে গত ২৮ এপ্রিল সেটিও খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে সর্বোচ্চ আদালত। সবশেষে আসামি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করলে গত ১ নভেম্বর তা নাকচ হয়।

আরও পড়ুন:
সাড়ে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যায় আসামির মৃত্যুদণ্ড
আয়াতের দেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার
বরিশালে অভিমান করে স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা
গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা
গৃহবধূ হত্যার ১৬ বছর পর ৬ আসামির যাবজ্জীবন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Erteza editor of Bhorer Pata is on permanent bail

ভোরের পাতার সম্পাদক এরতেজার স্থায়ী জামিন

ভোরের পাতার সম্পাদক এরতেজার স্থায়ী জামিন ‘দৈনিক ভোরের পাতা’র সম্পাদক ড. কাজী এরতেজা হাসান। ফাইল ছবি
এ দিন এরতেজা হাসান আইনজীবীর মাধ্যমে স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে। জালিয়াতি ও প্রতারণার এ মামলায় তিনি ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জামিনে ছিলেন।

জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলায় ‘দৈনিক ভোরের পাতা’র সম্পাদক ড. কাজী এরতেজা হাসানকে স্থায়ী জামিন দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম আহম্মেদ হুমায়ুন কবিরের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার দিন ঠিক করা ছিল। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা না দেয়ায় আগামী ১ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন জমার পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেন বিচারক।

এ দিন এরতেজা হাসান আইনজীবীর মাধ্যমে স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে।

এ মামলায় তিনি ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জামিনে ছিলেন। গত ৭ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম মেহেদী হাসান ২০ হাজার টাকা মুচলেকায় এরতেজা হাসানের ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেছিলেন।

গত ১ নভেম্বর রাতে রাজধানীর গুলশানে ‘ইভা রোজ’ নামের একটি বাড়ি থেকে এরতেজাকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। পরে কল্যাণপুরে পিবিআই কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাকে।

পিবিআই জানায়, আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের ভাই সাইফুল ইসলাম গত ১০ জানুয়ারি জালিয়াতি ও প্রতারণার একটি মামলা করেন।

খিলক্ষেত থানার করা মামলায় আসামিদের মধ্যে আছেন নর্দান ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ আব্দুল্লাহ, রিয়াজুল আলম ও সেলিম মুন্সী। তদন্তের একপর্যায়ে এরতেজার নাম আসে।

মামলায় বলা হয়, নর্দান ইউনিভার্সিটির জন্য দক্ষিণখানে আশিয়ান সিটি প্রজেক্টে ৫ বিঘা জমি কেনার জন্য একটি চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী ৫০ কোটি টাকা দেয়ার কথা ছিল। প্রথম দফায় ৩০ কোটি টাকা দেয় নর্দান কর্তৃপক্ষ। বাকি টাকা পরিশোধ না করেই আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের সই জাল করে জমির রেজিস্ট্রি করা হয়। এ সময় জমির মূল্য দেখানো হয় ৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।

জালিয়াতির এ মামলায় আসামি আবু ইউসুফ আব্দুল্লাহ ও রিয়াজুল আলমকে এর আগে গ্রেপ্তার করে পিবিআই।

দৈনিক ভোরের পাতা সম্পাদনার পাশাপাশি বেশ কিছু সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত সিআইপি মর্যাদা পাওয়া এরতেজা হাসান।

তিনি ভোরের পাতা গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারপারসন। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফ্ল্যাঞ্চাইজি রংপুর রাইডার্সের প্রেসিডেন্টও ছিলেন।

কাজী এরতেজা ব্যবসায়ীদের সংগঠন দ্য ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বার্স অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) পরিচালক। তিনি ইরান-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।

আরও পড়ুন:
ভোরের পাতার সম্পাদক এরতেজার জামিন
রিমান্ড শেষে কারাগারে ভোরের পাতা সম্পাদক এরতেজা
ভোরের পাতা সম্পাদক এরতেজা রিমান্ডে
ভোরের পাতা সম্পাদক এরতেজাকে রিমান্ডে চায় পিবিআই

মন্তব্য

p
উপরে