× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Alig Fakhrul is spreading terrorism to suppress peoples movement
hear-news
player
google_news print-icon

জনগণের আন্দোলন দমন করতেই সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে আ.লীগ: ফখরুল

জনগণের-আন্দোলন-দমন-করতেই-সন্ত্রাস-ছড়াচ্ছে-আলীগ-ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
ফখরুল বলেন, ‘এই ধরনের আক্রমণ এবং ছাত্রদলের নেতাদের আহত করার মধ্যে দিয়ে আবারও প্রমাণিত হলো আওয়ামী লীগ একটি সন্ত্রাসী দল। ছাত্রলীগ হচ্ছে তাদের পেটোয়া বাহিনী। জন্মের পর থেকেই আওয়ামী লীগ সন্ত্রাস করে রাজনীতিতে আছে। সন্ত্রাসের মাধ্যমেই তারা ক্ষমতায় টিকে থাকতে চাচ্ছে।’

সন্ত্রাসের রাজনীতি করে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা টিকে থাকতে চাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বলেছেন, বেঁচে থাকার অধিকার প্রতিষ্ঠায় জনগণ যে আন্দোলন শুরু করেছে, তা দমন করতেই সন্ত্রাস ছড়িয়ে দিচ্ছে আওয়ামী লীগ।

রাজধানীর কাকরাইলে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে আহত ছাত্রদল নেতাদের দেখতে গিয়ে বুধবার তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনির্বাচিত কার্যকরী কমিটির সদস্যরা উপাচার্যের সঙ্গে কথা বলে দেখা করার অনুমতি চাইলে তিনি সময় দেন। সেই মোতাবেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতারা ফুলের তোড়া নিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন; কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঢোকার সঙ্গেই ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা আক্রমণ করে। এতে আমাদের প্রায় ১৫ জন আহত হন। এর মধ্যে ৭ জন গতকালই ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে দুই জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উপর মঙ্গলবার হামলা করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। হামলায় ছাত্রদলের বেশ কয়েকজন আহত হন।

ফখরুল বলেন, ‘এই ধরনের আক্রমণ এবং ছাত্রদলের নেতাদের আহত করার মধ্যে দিয়ে আবারও প্রমাণিত হলো আওয়ামী লীগ একটি সন্ত্রাসী দল। ছাত্রলীগ হচ্ছে তাদের পেটোয়া বাহিনী। জন্মের পর থেকেই আওয়ামী লীগ সন্ত্রাস করে রাজনীতিতে আছে। সন্ত্রাসের মাধ্যমেই তারা ক্ষমতায় টিকে থাকতে চাচ্ছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বেঁচে থাকার অধিকার প্রতিষ্ঠায় জনগণের যে আন্দোলন শুরু হয়েছে, এই আন্দোলনকে দমন করার জন্যই আজ এভাবে সব জায়গায় সন্ত্রাস ছড়িয়ে দিয়েছে আওয়ামী লীগ। বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে তারা ধ্বংস করে ফেলেছে। আমরা প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেখতে পাচ্ছি ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা একই কায়দায় ভিন্নমত পোষণকারীদের আক্রমণ করছে।

‘নিজেদের মধ্যে যে বিরোধ আছে সেটা ইডেন কলেজে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়েও একই পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। এক কথায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একই নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে। মূলত পরিকল্পিতভাবে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হচ্ছে। সন্ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করা হচ্ছে।’

এ ঘটনায় ছাত্রলীগের জড়িতদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের দাবি জানান ফখরুল। বলেন, একইসঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নৈরাজ্য সৃষ্টি এবং দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করার জন্য এই সরকারকে দায় নিয়ে পদত্যাগ করার দাবি জানাচ্ছি।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যখন থেকেই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে তখন থেকেই মিথ্যা বানোয়াট প্রতারণার মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চাচ্ছে। তাদের প্রত্যেকটা বক্তব্যে মিথ্যাচার। প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে যে বক্তব্য দিয়েছেন সেখানেও তিনি বলেছেন, দেশে চমৎকার নির্বাচন হয়। অথচ কী নির্বাচন এখানে হয়েছে সেটা সবাই জানে। গুম করার বিষয়ে বলেছেন এখানে গুমের কোনো কিছু নেই; গুম হয় কি না সেটা আমরা জানি। মূল বিষয়টা হচ্ছে; পুরোপুরিভাবে এই ধরনের রিপোর্টগুলোকে তারা ম্যানিপুলেট করে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডাক্তার হারুন আল রশীদ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ফখরুলের পাকিস্তান আমলের প্রশংসা নির্লজ্জ দালালি: কাদের
পাকিস্তান আমলে আরও ভালো ছিলাম: ফখরুল
নির্বাচন কমিশনকেই মানি না, আবার ‘রোডম্যাপ’: ফখরুল
জাতীয় পার্টিকে আবার পাশে চায় বিএনপি
রিজার্ভ নিয়ে খুব লাফালাফি করেছিল, এখন কমছে: ফখরুল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Death of Mahila League worker after coming to the conference

সম্মেলনে এসে মহিলা লীগ কর্মীর মৃত্যু

সম্মেলনে এসে মহিলা লীগ কর্মীর মৃত্যু
প্রতিবেশী চম্পা বেগম বলেন, ‘মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন শেষে হেঁটে শাহবাগ মোড়ে গাড়িতে ওঠার সময় তিনি মাথা ঘুরে পড়ে যান। উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালের জরুরি বিভাগে নিলে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে এসে কমলা বেগম নামে এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।

কমলা বেগমকে হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী চম্পা বেগম বলেন, ‘আমরা মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যোগ দিতে গাজীপুরের পুবাইল থেকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসি। সম্মেলন শেষে হেঁটে শাহবাগ মোড়ে গাড়িতে ওঠার সময় তিনি মাথা ঘুরে পড়ে যান। মাথায় পানি ঢালার পরও জ্ঞান না ফেরায় আমরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসি। সেখানে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

তিনি জানান, কমলা বেগম পুবাইল থানা মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। তিনি থানার বড় কেল্লারটেক এলাকার মো. কুমুদ আলীর স্ত্রী। তিনি দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জননী।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
How about the dialogue with Khaleda Tarek Prime Minister

খালেদা-তারেকের সঙ্গে সংলাপ কেমন কথা: প্রধানমন্ত্রী

খালেদা-তারেকের সঙ্গে সংলাপ কেমন কথা: প্রধানমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শনিবার মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি
মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘নির্বাচন করার মতো শক্তি যদি কারও না থাকে, তারা হয়তো করবে, নয়তো করবে না। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন করবে। তারা ভোট দেবে।’

জাতীয় নির্বাচন নিয়ে উদ্ভূত সংকট নিরসনে অতীতে সংলাপ করলেও এবার তা না করার ইঙ্গিত দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘অনেকেই সংলাপের কথা বলছেন। কার সঙ্গে সংলাপ করতে হবে? ওই বিএনপি-খালেদা জিয়া-তারেক জিয়ার সঙ্গে! যারা আমাকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে হত্যা করতে চেয়েছিল, যারা অর্থ পাচারকারী, খুনি, সন্ত্রাসী, জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত। যারা এতিমদের অর্থ আত্মসাৎ করে দণ্ডিত আসামি। তাদের সঙ্গে সংলাপ করতে হবে, সেটা আবার কেমন কথা!’

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শনিবার মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন উদ্বোধন করে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন করার মতো শক্তি যদি কারও না থাকে, তারা হয়তো করবে, নয়তো করবে না। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন করবে। তারা ভোট দেবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার দেশকে মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা এনে দিয়েছে। সব সেক্টরে উন্নয়ন করেছে। কিন্তু বিএনপি কী দিয়েছে? সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, অর্থ পাচার, মানি লন্ডারিং। এই খুনি ও সন্ত্রাসী এবং যুদ্ধাপরাধীরা আবার ক্ষমতায় এসে ত্রাসের রাজত্ব করবে তা আর জনগণ চায় না।’

সরকার বিএনপির কোনো কর্সূচিতে বাধা দিচ্ছে না উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তাদের আন্দোলনের নামে যদি একজন মানুষও আঘাতপ্রাপ্ত হয়, কাউকে ছাড়া হবে না।’

মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনস্থলে উপস্থিত হয়ে সংগঠনের সভাপতি সাফিয়া খাতুন ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। তার আগে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন ওড়ান তিনি।

মঞ্চে আসার পর সংগঠনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুকন্যাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান দলটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। পরে সম্মেলনের সাংস্কৃতিক উপকমিটির আয়োজনে সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। সাফিয়া খাতুনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সম্মেলনে সাংগঠনিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম, শোক প্রস্তাব পাঠ করেন দপ্তর সম্পাদক রোজিনা নাসরিন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ দেশের সকল অঙ্গনে নারীর অবদান রয়েছে। দেশের অগ্রযাত্রায়ও তাদের ভূমিকা রাখতে হবে। গণতন্ত্র অব্যাহত রাখতে এবং দেশকে উন্নত করে গড়ে তুলতে তাদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক অধিকার প্রয়োগ করতে হবে। আমাদের সরকার নারীদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করে।’

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘আমরা মুক্তিযুদ্ধ করে এই দেশ স্বাধীন করেছি। জাতির পিতা আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। জাতির পিতা চেয়েছিলেন এ দেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ করতে। জাতির পিতাকে হত্যার পর খুনিদের রাজত্ব আর যুদ্ধাপরাধীদের রাজত্ব। আওয়ামী লীগই একমাত্র এ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। পরপর আমরা তিনবার ক্ষমতায় এসেছি। আজকে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত আছে বলেই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, ‘খালেদা জিয়া বলেছিল, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা বিরোধী দলের নেতাও কোনোদিন হবে না। হতে পারবে না। আর আওয়ামী লীগ ১০০ বছরেও ক্ষমতায় যাবে না। আল্লাহতালা এ ধরনের গর্বভরা কথা পছন্দ করেন না। আর বাংলোদেশের মানুষ তো একেবারেই পছন্দ করে না। সেই জন্য খালেদা জিয়ার মুখের কথা তার বেলায় লেগে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন ওই দুর্নীতিবাজ সাজাপ্রাপ্ত এতিমের অর্থ আত্মসাৎকারী, অর্থ পাচারকারী, গ্রেনেড হামলাকারী, আইভি রহমানের হত্যাকারী আর জিয়াউর রহমান ছিল আমার বাবার হত্যাকারী, আর এদের সাথে ডায়ালগ করতে হবে, আলোচনা করতে হবে, আবার মানবাধিকারের কথাও বলে– এটা কেমন ধরনের কথা, সেটাই আমি জিজ্ঞেস করি?’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্র আছে, নির্বাচন কমিশন আছে। যাদের ইচ্ছা নির্বাচন করবে। আর নির্বাচন করার মতো শক্তি যদি কারও না থাকে তারা হয়তো করবে না। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন করবে। তারা ভোট দেবে। আর ভোট চুরি করলে তারা মেনে নেয় না। খালেদা জিয়া ভোট চুরি করেছিল ১৫ ফ্রেবুয়ারি ’৯৬ সালে। বাংলাদেশের মানুষ তাকে ক্ষমতা থেকে টেনে নামিয়েছিল। ওই ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন করেছে, দেড় মাস থাকতে পারে নাই। ৩০ মার্চ জনগণের আন্দোলনে খালেদা জিয়া পদত্যাগে বাধ্য হয়েছিল ভোট চুরির অপরাধে। ভোট চোররা ভোট চুরি করতেই জানে।’

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘ভোটের অধিকার সকলের। আমাদের মহিলারা সকলে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিবে। তার গণতান্ত্রিক অধিকার, সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করবে। আর নির্বাচনে স্থানীয় সরকারে ৩০ শতাংশ কোটা আছে, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ সব জায়গায় কোটা রাখা আছে। সেখানে আমাদের মেয়েরা সরাসরি নির্বাচনও করতে পারে, কোটার মাধ্যমে করতে পারে। কাজেই আজকে আমরা সকলে নারী-পুরুষ সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।’

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর আপাতত স্থগিত
দেশের অর্থনীতি নিরাপদে: প্রধানমন্ত্রী
যশোরে প্রধানমন্ত্রী, বক্তব্য দিচ্ছেন প্যারেড গ্রাউন্ডে
খেলাধুলায় সরকার পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাবে: প্রধানমন্ত্রী
পরিবেশের ক্ষতি করে উন্নয়ন নয়: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Tajuddins daughter Rimi is a member of the presidium of A League

তাজউদ্দীনকন্যা রিমি আ.লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য

তাজউদ্দীনকন্যা রিমি
আ.লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সিমিন হোসেন রিমি। ফাইল ছবি
শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হয়েছেন তাজউদ্দীন আহমদের কন্যা সিমিন হোসেন রিমি। আর মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন জাহানারা বেগম।

শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের প্রথমে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের নতুন সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শবনম জাহান শিলার নাম ঘোষণা করেন।

এরপর তিনি আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকির স্থলে (মহিলাবিষয়ক সম্পাদক) জাহানারা বেগমের নাম ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে সিমিন হোসেন রিমির নাম ঘোষণা দেন।

এ ছাড়া মহিলা আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাহেদা খানম দিপ্তী। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন হাসিনা বারী। দক্ষিণের সভাপতি সাবেরা বেগম স্বপদে বহাল রয়েছেন। নতুন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন পারুল আক্তার।

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও আশপাশের এলাকা ব্যানার, প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুনে ছেয়ে যায়। শাহবাগ থেকে মৎস্য ভবন, অন্যদিকে শাহবাগ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি হয়ে শাপলা চত্বর পর্যন্ত সাজানো হয় নানাভাবে।

আরও পড়ুন:
মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে চুমকি ও শিলা
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী
আওয়ামী লীগের ভিত জনগণ: হাছান মাহমুদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A League attacked and vandalized BNP office injured 10

বিএনপি কার্যালয়ে ‘আ.লীগের’ হামলা ভাঙচুর, আহত ১০

বিএনপি কার্যালয়ে ‘আ.লীগের’ হামলা ভাঙচুর, আহত ১০ বারহাট্টা উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে শনিবার বিকেলে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম হিলালী জানান, বারহাট্টা উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে কৃষক দলের উদ্যোগে কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ কর্মসূচি চলছিল। বেলা ৩টার দিকে হঠাৎ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে সেখানে হামলা চালান। তারা কার্যালয়ের চেয়ার, টেবিল ও আসবাব ভাঙচুর করেন। হামলায় বিএনপির অন্তত ১০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।

নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় অন্তত ১০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।

শনিবার বেলা ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বারহাট্টা থানার ওসি লুৎফর রহমান ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে মারামারি হয়েছে।

হামলার ঘটনায় আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছে বিএনপি।

জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম হিলালী জানান, বারহাট্টা উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে কৃষক দলের উদ্যোগে কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ কর্মসূচি চলছিল। বেলা ৩টার দিকে হঠাৎ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে সেখানে হামলা চালান। তারা কার্যালয়ের চেয়ার, টেবিল ও আসবাব ভাঙচুর করেন।

তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগের হামলায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অন্তত ১০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি বাবুল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক সুধীন্দ্র চন্দ্র দাস, কৃষক দলের সদস্য দুলাল মিয়া, যুবদলের তোফাজ্জল, মুশফিক ও সাফিন। তাদের নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে বারহাট্টা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মাইনুল হক কাশেম বলেন, ‘আমাদের দলের কোনো নেতা-কর্মী বিএনপির কার্যালয়ে হামলা করেনি। এটা তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল হতে পারে।’

বারহাট্টা থানার ওসি লুৎফর রহমান বলেন, ‘কৃষক দলের কর্মসূচি এবং আওয়ামী লীগের মিছিল চলাকালে দুই পক্ষের মধ্যে কিছুটা মারামারি হয়েছে। এতে আওয়ামী লীগেরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে শুনেছি। তবে আমরা গিয়ে কাউকে পাইনি।’

আরও পড়ুন:
৭১ টিভির গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতাকে অব্যাহতি
কুমিল্লায় ৭১ টিভির গাড়ি ভাঙচুর
পরাজিত ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ
বরিশাল শহরে জ‌মি নি‌য়ে বিরোধ, পাল্টাপাল্টি হামলা
প্রতিমন্ত্রী স্বপনের লোকজনের বিরুদ্ধে ভাঙচুরের অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
How can we forget their atrocities PM

তাদের অত্যাচার আমরা ভুলব কীভাবে: প্রধানমন্ত্রী

তাদের অত্যাচার আমরা ভুলব কীভাবে: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের বোনেরা যখন তাদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গেছে তখন বিএনপির গুণ্ডা বাহিনী, জামায়াত-শিবির থেকে শুরু করে পুলিশ তাদের ওপর অকথ্য অত্যাচার চালিয়েছে। অন্তঃসত্ত্বারাও রেহাই পায়নি।’

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর ওপর যে অত্যাচার-নির্যাতন চালানো হয়েছে তা আমরা ভুলব কীভাবে। এখন আন্দোলনের নামে মানুষের ওপর অত্যাচার করা হলে বিএনপির কোনো নেতাকর্মীকে ছেড়ে দেয়া হবে না।’

শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ করে আওয়ামী লীগ প্রধান বলেন, বিএনপি-জামায়াতের সেই অত্যাচার-নির্যাতন ভুলে যাওয়া যাবে না। এতোটা জঘন্য কাজ তারা করতে পারে, যা কল্পনাও করা যায় না।

‘আমাদের বোনেরা যখন তাদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গেছে তখন একদিকে বিএনপির গুণ্ডা বাহিনী অন্যদিকে জামায়াত-শিবির থেকে শুরু করে পুলিশ বাহিনী তাদের ওপর অকথ্য অত্যাচার চালিয়েছে।

‘আমাদের বোনেদের ওরা রাস্তায় ফেলে কীভাবে মেরেছে! নির্যাতন করেছে, বুটের লাথি মেরেছে, পুলিশ স্টেশনে নিয়ে তাদের ওপর অত্যাচার করেছে। এমনকি অন্তঃসত্ত্বারাও রেহাই পায়নি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কই আমরা তো কিছু করছি না। তাদের মেয়েরা মিছিল করছে, আন্দোলন করছে, স্লোগান দিচ্ছে। তারা তাদের ইচ্ছেমতো আন্দোলন করতে পারছে। আমরা তাদের বাধা দিচ্ছি না। কিন্তু যেভাবে তারা অত্যাচার চালিয়েছিল তা আমরা ভুলবো কীভাবে? সাধারণ মানুষ ভুলবে কীভাবে?’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘তারপর তাদের অগ্নি-সন্ত্রাস। এটা কোনো মানুষের কাজ? জীবন্ত মানুষকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারা? এটাই নাকি বিএনপির আন্দোলন। এজন্য আমরা হুশিয়ার করে বলেছি- আপনারা আন্দোলন করেন, মিটিং করেন, মিছিল করেন; কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু যদি কোনো মানুষকে ওইভাবে পুড়িয়ে মারা, বোমা মারা বা অত্যাচার করতে যান তাহলে একটাকেও ছাড়ব না। এটা হলো বাস্তব কথা।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের ওপর যে আঘাত করা হয়েছে তা আমরা ভুলিনি। আমরা সহ্য করেছি দেখে তারা যেন মনে না করে যে এই সহ্য করাটা আমাদের দুর্বলতা। দুর্বলতা নয়। বাংলাদেশের জনগণ আওয়ামী লীগের সঙ্গে আছে। আমাদের সঙ্গে আছে। ওই খনিদের সঙ্গে নেই।’

আরও পড়ুন:
শেখ হাসিনার জন্মদিনে টুঙ্গিপাড়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
শেখ হাসিনা বাঙালির আঁধারের দীপশিখা: নানক
শেখ হাসিনার যত অর্জন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন
শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে কাব্য সংকলন প্রকাশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chumki and Shila led by Mahila Awami League

মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে চুমকি ও শিলা

মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে চুমকি ও শিলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি (বাঁয়ে) ও সাধারণ সম্পাদক শাবনাজ জাহান শিলা। ছবি: সংগৃহীত
২০১৭ সালের ৪ মার্চ সংগঠনটির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় পাঁচ বছর পর ষষ্ঠ সম্মেলন হলো রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।

আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়েছেন আওয়ামী লীগের নারীবিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন শবনম জাহান শিলা।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সংগঠনটির ষষ্ঠ ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তাদের নাম ঘোষণা করেন।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বেলা ৩টার দিকে সম্মেলনে পৌঁছান তিনি।

মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন ঘিরে সকাল থেকে সম্মেলনস্থল রঙিন সাজে সাজতে শুরু করে। শাড়িসহ বর্ণিল পোশাক আর নানা সাজে উপস্থিত হতে থাকেন নেতা-কর্মীরা।

একে একে আসেন মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা, কাউন্সিলর এবং ডেলিগেটরা। সঙ্গে আনেন ব্যানার, প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন। মুখে ছিল স্লোগান। মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলতে থাকে।

মঞ্চের সামনে অবস্থান নেন আওয়ামী লীগসহ অন্য সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। আর সম্মেলনস্থল ঘিরে ছিলেন মহিলা লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

সম্মেলন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও আশপাশের এলাকা ব্যানার, প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুনে ছেয়ে যায়। শাহবাগ থেকে মৎস্য ভবন, অন্যদিকে শাহবাগ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি হয়ে শাপলা চত্বর পর্যন্ত সাজানো হয় নানাভাবে।

এর আগে ২০১৭ সালের ৪ মার্চ সংগঠনটির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনে সাফিয়া খাতুনকে সভাপতি ও মাহমুদা বেগমকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পর সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও প্রায় পাঁচ বছর পর এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। করোনা পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ে সম্মেলন হয়নি।

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল বহরে ককটেল হামলা
এমপির ছেলের সভায় ককটেল বিস্ফোরণ
সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর দিকে নজর আওয়ামী লীগের
‘খুবই বিপদগ্রস্ত’ অর্থনীতিতে উদ্বিগ্ন দুদু
গাজীপুর মহানগর আ.লীগের সম্মেলনে উপচে পড়া ভিড়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
10 injured in A League clash in Aditmari

কমিটি নিয়ে আ.লীগের সংঘর্ষ, আহত ১০

কমিটি নিয়ে আ.লীগের সংঘর্ষ, আহত ১০ আদিতমারীতে শনিবার বিকেলে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ছবি: নিউজবাংলা
আদিতমারী থানার ওসি মোক্তারুল ইসলাম বলেন, ‘সংঘাত এড়াতে আমরা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে অবস্থান নিয়েছিলাম। কিন্তু আদিতমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের একাংশের মিছিলটি দলীয় কার্যালয়ের দিকে এলেই উভয় পক্ষে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। এই মুহূর্তে আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।’

লালমনিরহাটের আদিতমারীতে কমিটি নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সাংবাদিক, পুলিশসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।

শনিবার বেলা ৩টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে দুই গ্রুপে সংঘর্ষ শুরু হয়।

আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা জানান, কমিটি নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সংঘর্ষে এক পক্ষের নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ আলী ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম এবং অপর পক্ষের নেতৃত্বে আছেন কমলাবাড়ী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মাহমুদ ওমর চিশতী।

চিশতীর পক্ষ উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে অবস্থান নিয়েছে, অপর পক্ষটি আদিতমারী ভাদাই জিএস উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আছে।

স্থানীয়রা জানান, দলীয় কার্যালয়ে চিশতীর নেতা-কর্মীর ওপর হামলা চালান মোহাম্মদ আলী ও রফিকুল আলমের নেতৃত্বে নেতা-কর্মীরা। এ সময় সাংবাদিক, পুলিশসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।

পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দুই রাউন্ড সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

আদিতমারী থানার ওসি মোক্তারুল ইসলাম বলেন, ‘সংঘাত এড়াতে আমরা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে অবস্থান নিয়েছিলাম। কিন্তু আদিতমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের একাংশের মিছিলটি দলীয় কার্যালয়ের দিকে এলেই উভয় পক্ষে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। এই মুহূর্তে আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।’

আরও পড়ুন:
মিলাদের মঞ্চ থেকে নেত্রীকে নামতে বলা নিয়ে বিএনপির সংঘর্ষ
নয়াপল্টন কার্যালয়ে যুবদল কর্মীদের হামলা, ক্ষুব্ধ ফখরুল
আ.লীগের সম্মেলনে সংঘর্ষ, গুলি: আহত ১৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের গুলি, ছাত্রদল নেতা নিহত
যুবলীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ, ২ জন আহত

মন্তব্য

p
উপরে