× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
All the achievements of Sheikh Hasina
hear-news
player
google_news print-icon

শেখ হাসিনার যত অর্জন

শেখ-হাসিনার-যত-অর্জন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন আজ বুধবার। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তার অর্জনের তালিকা দীর্ঘ। সেসব অর্জনের সূত্র ধরেই বঙ্গবন্ধু-কন্যা ভূষিত হয়েছেন ‘জননেত্রী’, ‘গণতন্ত্রের মানসকন্যা’, ‘দেশরত্ন’, ‘রাষ্ট্রনায়ক’ প্রভৃতি উপাধিতে।

গণতন্ত্র ও দেশের মানুষের ভোট-ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন-সংগ্রামে অসামান্য অবদান রাখার পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনায়ও ব্যাপক সাফল্যের পরিচয় দিয়ে চলেছেন বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা। নিজের অর্জনেই তিনি ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন আজ বুধবার। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তিনি ‘জননেত্রী’, ‘গণতন্ত্রের মানসকন্যা’, ‘দেশরত্ন’, ‘রাষ্ট্রনায়ক’ প্রভৃতি উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন।

আওয়ামী লীগের টানা তিন মেয়াদের ক্ষমতায় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থেকে তার অর্জনের তালিকাটা এককথায় বিশাল। তার শাসনামলেই চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়েছে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার। শেষ হয়েছে একাত্তরের ঘাতক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার।

সংবিধান সংশোধনের মধ্য দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি ও সমুদ্রবক্ষে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ব্লু ইকনোমির নতুন দিগন্ত উন্মোচন, ভারতের সঙ্গে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন ও ছিটমহল বিনিময়, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফল উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে মহাকাশ জয়, সাবমেরিন যুগে বাংলাদেশের প্রবেশের মতো বড় বড় অর্জন এসেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আরও অনেক অর্জনের মধ্যে রয়েছে- নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ, মেট্রোরেল, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন নতুন উড়াল সেতু, মহাসড়কগুলো ফোর লেনে উন্নীত করা, এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন ও মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৮২৪ ডলারে উন্নীতকরণ।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থেকে শেখ হাসিনা জাতির জন্য আরও যেসব অর্জন নিয়ে এসেছেন তার মধ্যে রয়েছে- দেশে দারিদ্র্যের হার হ্রাস, গড় আয়ু প্রায় ৭৪ বছর ৪ মাসে উন্নীত হওয়া, যুগোপযোগী শিক্ষানীতি প্রণয়ন, সাক্ষরতার হার ৭৫ দশমিক ৬০ শতাংশে উন্নীত করা, বছরের প্রথম দিনে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে নতুন বই তুলে দেয়া, মাদ্রাসা শিক্ষাকে মূলধারার শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা ও স্বীকৃতি দান, মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, প্রতিটি জেলায় একটি করে সরকারি/বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ, নারী নীতি প্রণয়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও ফাইভ-জি মোবাইল প্রযুক্তি চালু।

শেখ হাসিনা ১৯৯৬-০১ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি ও ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি তার সরকারের অন্যতম সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। বিশ্বসভায় আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাঙালি।

গণতন্ত্র, শান্তি ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং নারী শিক্ষার বিস্তার, শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস ও দারিদ্র্য বিমোচনের সংগ্রামে অসামান্য ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে দেশি-বিদেশি বেশ কিছু পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হয়েছেন শেখ হাসিনা।

সেসবের মধ্যে সাউথ-সাউথ ভিশনারি পুরস্কার-২০১৪, শান্তি বৃক্ষ-২০১৪, জাতিসংঘ পুরস্কার-২০১৩ ও ২০১০, রোটারি শান্তি পুরস্কার-২০১৩, গোভি পুরস্কার-২০১২, সাউথ-সাউথ পুরস্কার-২০১১, ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার-২০১০, পার্ল এস. বার্ক পুরস্কার-২০০০, সিইআরইএস মেডাল-১৯৯৯, এম কে গান্ধী পুরস্কার-১৯৯৮, মাদার তেরেসা শান্তি পুরস্কার-১৯৯৮, ইউনেস্কোর ফেলিক্স হোফুয়েট-বোয়েগনি শান্তি পুরস্কার-১৯৯৮ উল্লেখযোগ্য।

এছাড়া পরিবেশ সংরক্ষণে অসামান্য অবদানের জন্য এ বছর জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’-এ ভূষিত হয়েছেন শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন
শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে কাব্য সংকলন প্রকাশ
গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতায় নির্বাচনের বিকল্প নেই: ডেপুটি স্পিকার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Pistols hidden in Kishori Ranis rice bowl

কিশোরী রানীর ভাতের পাতিলে লুকানো পিস্তল-গুলি

কিশোরী রানীর ভাতের পাতিলে লুকানো পিস্তল-গুলি ভাতের ভেতর পিস্তল ও গুলি লুকিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পৌঁছে দেয়াসহ মুক্তিযুদ্ধের সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছেন গৃহবধু কিশোরী রানী শর্মা। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
কুমিল্লার গৃহবধূ কিশোরী রানী শর্মা মুক্তিযুদ্ধের সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যোদ্ধাদের সাহায্য করেছেন। পাড়ি দিয়েছেন শত্রু এলাকা। তার স্বামী মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র সারাই করে দিতেন। তাদের মেলেনি মুক্তিযুদ্ধের স্বীকৃতি।

ভারতের সোনামূড়া। ডিসেম্বর শুরু। শীতের সন্ধ্যা। চারদিকে আবছা কুয়াশা। রান্নার পাতিলে ভাতের ভেতর পিস্তল ও গুলি লুকিয়ে মুক্তিযোদ্ধারের কাছে যাচ্ছিলেন এক গৃহবধূ।

পথে আচমকা পাকিস্তানিরা দূর থেকে গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি পড়ে যান গোমতী নদীতে। স্রোতের টানে ভেসে যান অনেকদূর। মৃত ভেবে পাকিস্তানিরা চলে যায়। ঘটনার পর মুক্তিযোদ্ধারা আসেন। উদ্ধার করেন ওই গৃহবধূকে। ক্যাম্পে নিয়ে গুলি বের করেন। বাম কনুইয়ের ওপর গুলির দাগ আজও সেই বিভীষিকাময় দিনগুলোর কথা মনে করে দেয়।

গৃহবধূর নাম কিশোরী রানী শর্মা। তার স্বামী অরুণপ্রসাদ শর্মাও মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। অস্ত্র তৈরি করা, বিকল অস্ত্র ঠিক করার দায়িত্ব ছিল অরুণপ্রসাদ শর্মার ওপর। স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরও স্বামী-স্ত্রীর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি মেলেনি। মনের ভেতর কষ্ট নিয়েই বছর দশেক আগে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান অরুণপ্রসাদ।

কিশোরী রানী শর্মার বাড়ি কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার মধ্যম বিজয়পুরে। তার এক ছেলে এক মেয়ে। বছরচারেক আগে কিশোরী রানীর একমাত্র ছেলে বাসুপ্রসাদ শর্মা ট্রেন দুর্ঘটনায় মারা যান। এক মেয়ে বিজয়পুর মৃৎশিল্প কারখানার কাজ করেন। ৫ হাজার টাকা বেতন। এই টাকা দিয়ে কোনো রকমে খেয়ে-পড়ে বেঁচে আছেন তারা।

সরেজমিনে মধ্যম বিজয়পুরে গিয়ে দেখা যায়, কিশোরী রানীর বাড়ির সামনে একটি খাল। নড়বড়ে সাঁকো পার হয়ে সামনে গেলে ছোট্ট একটি টিনের ঘরে শুয়ে থাকতে দেখা যায় কিশোরী রানী শর্মাকে।

শোয়া থেকে উঠে ভাঙা কণ্ঠে কিশোরী রানী জানান, ১৯৩৭ সালে তার জন্ম। জাতীয় পরিচয়পত্রে তারিখটা লেখা ৬ মে। তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী অরুণপ্রসাদ অস্ত্র বানাতে পারতেন। ভাঙা অস্ত্র ঠিক করতে পারতেন। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা হয়েও স্বীকৃতি পাননি। ১০ বছর হলো তিনি মারা গেছেন।’

স্মৃতির ঝাঁপি খুলে কিশোরী রানী বলেন, ‘শীতের রাতে কতবার বিবিরবাজার বর্ডার ক্রস করে ভারতের সোনামুড়া গেছি। সেখানে যুদ্ধের প্রশিক্ষণ হতো। প্রতিবার পাকিস্তানিদের চোখ ফাঁকি দিতে কত কৌশলের আশ্রয় নিয়েছি। গুলি খেয়ে নদীতে পড়ে গেছি। তবুও মুক্তিযুদ্ধ করে গেছি।

‘আমরা মেজর এনামের নেতৃত্বে যুদ্ধ করেছি। অথচ আজ আমাদের স্বামী-স্ত্রীর কোনো রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নেই। আমার ছেলেটা মারা গেল। একমাত্র মেয়ে আর ছেলের ঘরের নাতি-নাতনিদের নিয়ে কোনো রকমে বেঁচে আছি। কেউ আমাদের খবর রাখে না। আমার স্বামী বেঁচে থাকতে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতির জন্য আবেদন করেছিল। আমিও করেছি। কেউ আমাদের স্বীকৃতি দেয় না।’

বিষয়টি নিয়ে কুমিল্লা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সফিউল আহমেদ বাবুল বলেন, ‘ভারতীয় তালিকা, দেশের গেজেট ও লাল তালিকায় কিশোরী রানী ও তার স্বামী অরুণের নাম নেই। তাই তাদের মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি দেয়া যাচ্ছে না। তবে তারা যদি মন্ত্রণালয় বা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) কাছে গিয়ে প্রমাণ করতে পারেন, সে ক্ষেত্রে তাদের নাম গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।’

কিশোরী রানী শর্মার মেয়ে পান্না রানী শর্মা বলেন, ‘মাকে নিয়ে কত কষ্টে আছি, কেউ না এলে বুঝবেন না। দেশকে শত্রুমুক্ত করতে বিনা শর্তে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল আমার বাবা-মা। অথচ আজ আমার মা ও বাবার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেতে কত শর্ত মানতে হবে। এর চেয়ে দুঃখের কী আছে! আমি আশা করব, একদিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঠিকই আমাদের বাবা-মাকে স্বীকৃতি দিবেন। কারণ পৃথিবীতে অনেক সত্য আছে, যেগুলোর জন্য প্রমাণ লাগে না। আমার বাবা-মাও তেমন।’

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শুভাশিস ঘোষ বলেন, ‘আমি কিশোরী রানী শর্মাকে চিনি। তার জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনা শুনেছি। তিনি ও তার স্বামী মুক্তিযুদ্ধ করেছেন। তবে যথাযথ ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করতে পারেননি বলে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাননি। আমি আশা করব, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন তার এই ত্যাগের বিষয়টি মূল্যায়ন করেন। তিনি যেন তার প্রাপ্য পান। কারণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিয়েছেন। সেখানে স্বাধীনতার অর্ধশত বছর পরে এসে যদি একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা তার স্বীকৃতি না পান, সেটা হবে দুর্ভাগ্যজনক।’

আরও পড়ুন:
ডিসেম্বরকে ‘মুক্তিযোদ্ধা মাস’ চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
একাত্তরে শহীদ আইনজীবীদের তালিকা চায় সুপ্রিম কোর্ট
রাজাপুর পাকহানাদার মুক্ত দিবস
‘৯০ ভাগ সমবায় সমিতি শুধু কাগজে-কলমে’
বঞ্চিত মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি দাবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Police in 15 day special operation

১৫ দিনের বিশেষ অভিযানে পুলিশ

১৫ দিনের বিশেষ অভিযানে পুলিশ
আবাসিক হোটেল, মেস, হোস্টেল, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি সেন্টারসহ অপারাধীদের লুকিয়ে থাকার সম্ভাব্য স্থানগুলোতে কার্যকর অভিযান পরিচালনা করতে হবে বলে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

পলাতক জঙ্গিসহ অপরাধী গ্রেপ্তারে দেশব্যাপী বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া অভিযান চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

পুলিশ সদর দপ্তর থেকে ২৯ নভেম্বর চিঠি দিয়ে বিভিন্ন ইউনিটকে ১ ডিসেম্বর থেকে এ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেয়া হয়।

পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. হাসানুজ্জামানের সই করা চিঠিতে বলা হয়, মহান বিজয় দিবস, বড়দিন ও থার্টিফাস্ট নাইট উদযাপন নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে সারাদেশে বিশেষ অভিযান চালানোর নির্দেশনা দেয়া হলো।

দেশের সব পুলিশ ইউনিটের প্রধান ও সব জেলার পুলিশ সুপারকে এ চিঠি দেয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, ২০ নভেম্বর ঢাকা সিএমএম আদালত এলাকায় পুলিশ হেফাজত থেকে দণ্ডপ্রাপ্ত ২ জঙ্গি ছিনিয়ে নেয়ার প্রেক্ষাপট বিবেচনা, মহান বিজয় দিবস, বড়দিন এবং থার্টিফাস্ট নাইট উদযাপন নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে চলমান অভিযানের পাশাপাশি ১-১৫ ডিসেম্বর বিশেষ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আবাসিক হোটেল, মেস, হোস্টেল, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি সেন্টারসহ অপারাধীদের লুকিয়ে থাকার সম্ভাব্য স্থানগুলোতে কার্যকর অভিযান পরিচালনা করতে হবে বলে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বিশেষ এ অভিযানে জঙ্গি, সন্ত্রাসী, মাদকসেবী ও কারবারি, অবৈধ অস্ত্রধারী, ওয়ারেন্টভূক্ত আসামি গ্রেপ্তারসহ মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার হবে বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা।

বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ও মামলার বিস্তারিত তথ্য নির্ধারিত ছকের মাধ্যমে একীভূত করে প্রতিদিনের তথ্য পরের দিন সকাল ১০টার মধ্যে ফ্যাক্সযোগে এবং ই-মেইলে পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বিভিন্ন ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের।

আরও পড়ুন:
বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ
মেয়ের বান্ধবীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রামপুলিশ আটক
ছাত্রদল নেতা নয়ন হত্যা: পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা নেয়নি আদালত
বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষে মামলা, ৬৬ নেতা-কর্মী আসামি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dependence on technology is reducing book reading Chief Justice

প্রযুক্তিনির্ভরতায় বই পড়া কমছে: প্রধান বিচারপতি

প্রযুক্তিনির্ভরতায় বই পড়া কমছে: প্রধান বিচারপতি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। ছবি: নিউজবাংলা
প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘অতিরিক্ত প্রযুক্তিনির্ভরতা আমাদের বই পড়ার অভ্যাসকে অবিরত বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। বর্তমানে বইয়ের থেকে বেশি স্মার্টফোনের ছোঁয়া। বর্তমান প্রজন্ম বই থেকে অনেকটা দূরে।’

মানুষের জীবনে অতিরিক্ত প্রযুক্তিনির্ভরতায় বই পড়া কমছে বলে মনে করেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

বৃহস্পতিবার সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির অডিটরিয়ামে অ্যাডভোকেট আবুল খায়েরের লেখা তিনটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘অতিরিক্ত প্রযুক্তিনির্ভরতা আমাদের বই পড়ার অভ্যাসকে অবিরত বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। বর্তমানে বইয়ের থেকে বেশি স্মার্টফোনের ছোঁয়া। বর্তমান প্রজন্ম বই থেকে অনেকটা দূরে।

‘যারা আগামী দিনে আমাদের দেশ গড়ার কারিগর, তাদের বইয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়া জরুরি। নতুন প্রজন্মকে সৎ, উদার, সহনশীল খাঁটি মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের সকলের। একটি বই জাতিকে পরিবর্তন করে দিতে পারে। মানুষের মধ্যে সৃজনশীল ও মননশীল গুণাবলি তৈরির জন্য বইয়ের কোনো তুলনা নেই।’

বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য আগরতলা মামলার প্রেক্ষাপট অপরিসীম জানিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আগরতলা মামলা একটি ঐতিহাসিক ঘটনা, এটা নিয়ে একটি মনুমেন্ট তৈরি করা যেতে পারে। স্বাধীনতার সূতিকাগার বলা যায় ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা আন্দোলন, আগরতলা মামলা এবং উনসত্তরের অভ্যুত্থানকে।’

৭০ বছর বয়সেও বই লেখার প্রবণতা নিয়ে অ্যাডভোকেট আবুল খায়েরেকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশংসা করেন প্রধান বিচারপতি।
অনুষ্ঠানে কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন ছাড়াও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ূন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোমতাজ উদ্দিন ফকিরসহ আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক আব্দুন নূর দুলাল।

আরও পড়ুন:
দুর্নীতি রাষ্ট্রের ভিত্তি দুর্বল করে: প্রধান বিচারপতি
ধর্মের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক হলো অজ্ঞতা: প্রধান বিচারপতি
ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় চাই শক্তিশালী বিচার বিভাগ: প্রধান বিচারপতি
সুপ্রিম কোর্টে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারে নতুন দিগন্ত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The BSEC commissioner did not take responsibility for the wrong decision

ভুল সিদ্ধান্তের দায় নিলেন না বিএসইসি কমিশনার

ভুল সিদ্ধান্তের দায় নিলেন না বিএসইসি কমিশনার প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে বিএসইসি কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ। ছবি: নিউজবাংলা
শেখ শামসুদ্দিন বলেন, ‘আইপিও প্রক্রিয়ার সব আইনকানুন পরিপালন করতে হবে। অনেক বিষয় আছে, যা ডকুমেন্ট দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। এ বিষয়গুলো ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় দিয়ে বুঝতে হয়। আরও দেখতে হয় কোম্পানির পরিচালকদের অন্য কোনো কোম্পানি আছে কি না, সে কোম্পানিগুলোকে তারা কীভাবে পরিচালিত করছেন।’

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্তিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদনের ক্ষেত্রে ভুল সিদ্ধান্তের দায় অডিটরদের বলে জানালেন নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ।

‘ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিংস (আইপিও): প্রসেসেস অ্যান্ড প্রসিডিউরস’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনীতে বুধবার তিনি এমন মন্তব্য করেন।

মার্চেন্ট ব্যাংক, অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি ও ইস্যু ম্যানেজার কোম্পানির প্রতিনিধিদের জন্য দুই দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে ডিএসই ট্রেনিং একাডেমি।

বিএসইসি কমিশনার বলেন, ‘অনেক সময় অডিটরদের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেয়া হয়৷ এই জিনিসগুলো পরিবর্তনের চেষ্টা করা হচ্ছে৷ আইপিও প্রসেসটাকে ডিজিটালাইজড করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

আইপিও প্রক্রিয়ার আধুনিকায়নে বিএসইসি বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ৮ থেকে ১০ মিলিয়ন ডলার অর্থায়নের চেষ্টা করছে বলে জানান শেখ শামসুদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘এই ডিজিটালাইজেশন ফিনটেক টেকনোলজি ব্যবহার করা হবে। এ জন্য সরকারের ইতিবাচক সম্মতি পাওয়া গেছে। আশা করা যাচ্ছে, কয়েক মাসের মধ্যে ফান্ডটি পাওয়া যাবে৷ বিএসইসি সে ফান্ড নিয়ে পুরো আইপিও প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিতে কাজ করবে।’

কোম্পানির তথ্য ঘাটতি আইপিও প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করে জানিয়ে বিএসইসি কমিশনার বলেন, ‘অনেক সময় আইপিও অনুমোদনের জন্য কালক্ষেপণ হয়। এ জন্য বিএসইসি ও ডিএসই দায়ী থাকে না। কোম্পানির তথ্য ঘাটতির জন্য মূলত এটি হয়ে থাকে।’

আইপিও প্রক্রিয়া মূল্যায়নের জন্য ইএসজি রিপোর্টিংয়ের মতো নতুন নতুন নির্দেশিকা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

শেখ শামসুদ্দিন বলেন, ‘আইপিও অনুমোদনের ক্ষেত্রে কমিশন ডকুমেন্ট কেন্দ্রিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। এই ডকুমেন্ট তৈরিতে কমিশনের কোনো হাত নেই। কমিশন অডিটরদের অডিট রিপোর্টকে পর্যাপ্ত ধরে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

শেখ শামসুদ্দিন বলেন, ‘আইপিও প্রক্রিয়ার সব আইনকানুন পরিপালন করতে হবে। অনেক বিষয় আছে যা ডকুমেন্ট দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। এ বিষয়গুলো ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় দিয়ে বুঝতে হয়। আরও দেখতে হয় কোম্পানির পরিচালকদের অন্য কোনো কোম্পানি আছে কিনা, সে কোম্পানিগুলোকে তারা কীভাবে পরিচালিত করছেন।’

আইপিও অনুমোদনের ক্ষেত্রে কমিশন ৪টি বিষয় খেয়াল রাখা হয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ইস্যুয়ার প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা কেমন ও তাদের মানসিকতা কী, আইপিওতে বিনিয়োগকারীর বিভিন্ন বিষয় জানা, কোম্পানিটি কোনো রেগুলেটরি ক্রাইসিস তৈরি করবে কিনা সেটি লক্ষ রাখা এবং যে সকল প্রতিষ্ঠান দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে যেতে পারে, এমন প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত না করার বিষয়ে খেয়াল রাখে কমিশন।’

প্রশিক্ষণার্থীদের তিনি বলেন, ‘কর্মশালার মাধ্যমে যে সব বিষয় শিখছেন, তা শুধুমাত্র শেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ করে ভালো কোম্পানিগুলোকে কমিশনের কাছে নিয়ে আসবেন। ভালো মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানি তালিকাভুক্ত হলেই পুঁজিবাজার ও দেশের কল্যাণ হবে।’​

অনুষ্ঠানে ডিএসইর ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সাইফুর রহমান মজুমদার, বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ রেজাউল করিম এবং ডিএসইর উপ-মহাব্যবস্থাপক ও ডিএসই ট্রেনিং একাডেমির প্রধান সৈয়দ আল আমিন রহমান উপস্থিত ছিলেন।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রসপেক্টাস মূল্যায়নে বিএসইসি এবং এক্সচেঞ্জগুলোর ভূমিকা, রেড-হেয়ারিং প্রসপেক্টাসের বিশেষত্ব, প্রসপেক্টাসের প্রয়োজনীয়তা ও বিষয়বস্তু, সংক্ষিপ্ত সংস্করণ, মূল্যায়ন প্রতিবেদন এবং আর্থিক বিবৃতি মূল্যায়ন, প্রসপেক্টাসের যাচাই-বাছাই পদ্ধতি, ভেটিং পদ্ধতি, আবেদনপত্রের প্রয়োজনীয়তা এবং বিষয়বস্তু, সিকিউরিটিজ বিতরণ প্রক্রিয়া, লক ইন বিধান, ডিফল্ট এবং শাস্তিমূলক বিধানের পরিণতি এবং আইপিও অনুমোদন পদ্ধতি সম্পর্কে আলোকপাত করেন বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ রেজাউল করিম৷

আরও পড়ুন:
অল্প অল্প করে বাড়ছে পুঁজিবাজারে লেনদেন
গ্রাহকদের ওএমএস সুবিধা দেবে এনবিএল সিকিউরিটিজ
পুঁজিবাজার দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের উৎস হতে পারছে না: ডিএসই চেয়ারম্যান
পুঁজিবাজার: অন্ধকারে আশার ক্ষীণ আলো
পুঁজিবাজারের লভ্যাংশে করমুক্তির দাবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BGMEA wants to stop theft of export goods on highways

মহাসড়কে রপ্তানিপণ্য চুরি বন্ধ চায় বিজিএমইএ

মহাসড়কে রপ্তানিপণ্য চুরি বন্ধ চায় বিজিএমইএ রপ্তানি পোশাক চুরি বন্ধে পুলিশের বাড়তে নজরদারি চায় বিজিএমএই। ফাইল ছবি
আইজিপির সঙ্গে বিজিএমইএ সভাপতির বৈঠকের সময় সংগঠনের পরিচালক আসিফ আশরাফ ও পরিচালক রাজীব চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। তারা পোশাকশিল্পের বর্তমান চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনাসহ সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে রপ্তানি পোশাক চুরি বন্ধে পুলিশি নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান।

ঢাকায় পুলিশ সদর দপ্তরে বৃহস্পতিবার আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের সঙ্গে দেখা করার সময় তিনি এ আহ্বান জানান।

বৈঠকে বিজিএমইএর পরিচালক আসিফ আশরাফ ও পরিচালক রাজীব চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। তারা পোশাকশিল্পের বর্তমান চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনাসহ সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।

বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ‘শিল্পাঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পরবর্তী ধাপে যেতে পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, কারণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশ শিল্পের সুষ্ঠু কার্যক্রম পরিচালনার পূর্বশর্ত।’

তিনি পোশাক খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে এই শিল্পকে সহযোগিতা দেয়ায় পুলিশ বাহিনীর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

তিনি বলেন, ‘বিজিএমইএ বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশ ও পোশাকশিল্পের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বিজিএমইএ সম্প্রতি বাংলাদেশ ও পোশাকশিল্পকে আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরতে মেড ইন বাংলাদেশ উইক আয়োজন করেছে।’

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘মহাসড়কে পণ্য পরিবহনের সময় চুরির ঘটনা কেবল পোশাক রপ্তানিকারকদের আর্থিকভাবে ক্ষতি করে না, ক্রেতাদের কাছেও শিল্পের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে।’

বিজিএমইএ সভাপতি সড়ক ও মহাসড়ককে যানজটমুক্ত রাখতে, বিশেষ করে ঢাকা ও গাজীপুরের মতো বিপুলসংখ্যক রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানা ও অন্য শিল্প এলাকাগুলোকে যানজটমুক্ত রাখতে পুলিশের সহযোগিতা চান।

আরও পড়ুন:
অর্থনীতির ক্ষতি না করতে আহ্বান বিজিএমইএ’র
রপ্তানি আয় নগদায়নে সনদ ইস্যু করতে পারবে এডি শাখা
বিজিএমইএ সভাপতি বললেন সংকট নেই, অন্যদের দ্বিমত
বিজিএমইএ কাপ: চতুর্থবারের মতো শিরোপা বান্দো ডিজাইনের
রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে ১২ খাত নিয়ে গবেষণা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Home Minister wants December as freedom fighter month

ডিসেম্বরকে ‘মুক্তিযোদ্ধা মাস’ চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডিসেম্বরকে ‘মুক্তিযোদ্ধা মাস’ চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। ফাইল ছবি
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ছিল বিজয়ের মাস ডিসেম্বরকে যেন মুক্তিযোদ্ধা মাস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

বিজয়ের মাস ডিসেম্বরকে ‘মুক্তিযোদ্ধা মাস’ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেন, ‘আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ছিল বিজয়ের মাস ডিসেম্বরকে যেন মুক্তিযোদ্ধা মাস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। আমি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে বলব বিষয়টি যাতে দ্রুত বাস্তবায়ন হয়।’

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে তিনি এ দাবি জানান। ঢাকা জেলা ইউনিট কমান্ড ও মহানগর ইউনিট কমান্ড এ সমাবেশের আয়োজন করে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এ দেশ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। একটা সময় দেখতাম রাজাকারপ্রধানের গাড়িতে জাতীয় পতাকা উড়ছে। এটা দেখে আমাদের মাথা নিচু হয়ে যেত। আর কেউ যেন আমাদের ইতিহাস বিকৃতি করতে না পারে।’

‘জয় বাংলা’-কে জাতীয় স্লোগান করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘জয় বাংলা এমন এক স্লোগান, তার প্রকম্পে আতঙ্কিত হয়ে পড়ত পাকিস্তানি বাহিনী।’

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন মোল্লার সভাপতিত্বে সমাবশে প্রধান বক্তা ছিলেন সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খান, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ।

এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আগাখান মিন্টু, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল হেলাল মোর্শেদ খান, মাহবুব উদ্দিন আহমেদ, ওসমান আলী।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Indication of increase in electricity prices at consumer level

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ইঙ্গিত

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ইঙ্গিত গ্রাহক পর্যায়েও বাড়তে পারে বিদ্যুতের দাম। ফাইল ছবি
গত ২১ নভেম্বর পাইকারি পর্যায়ে ১৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এবার গ্রাহক পর্যায়েও বাড়তি দামের ইঙ্গিত রয়েছে প্রতিমন্ত্রীর কথায়।

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

রাজধানীর ডিপিডিসির আওতাভুক্ত বিভিন্ন এলাকা বৃহস্পতিবার পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

গত ২১ নভেম্বর পাইকারি পর্যায়ে ১৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সে সময় বিইআরসি চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দর বৃদ্ধির ঘোষণা দেন। আগে পাইকারি পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের দর ছিল ৫ টাকা ১৭ পয়সা, এখন যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ টাকা ২০ পয়সা। এ দফায় প্রতি ইউনিটে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বেড়েছে ১ টাকা ৩ পয়সা।

পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ার পর এবার গ্রাহক পর্যায়েও বাড়তি দামের ইঙ্গিত রয়েছে প্রতিমন্ত্রীর কথায়।

রাজধানীর বেশির ভাগ বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা ভূগর্ভস্থ করা হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে ধানমন্ডির বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থা পুরোপুরি আন্ডারগ্রাউন্ড করা হবে।

‘আর পাঁচ থেকে ছয় বছরের মধ্যে রাজধানীর বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার বড় অংশ আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকবে। বিতরণ নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রাখা হবে। ভূগর্ভস্থ বৈদ্যুতিক তার ও সাবস্টেশন এবং অটোমেশন, সেন্ট্রাল স্ক্যাডা বিতরণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে। অপটিক্যাল ফাইবারসহ ভূগর্ভস্থ ক্যাবল নেটওয়ার্ক ডুয়েল সোর্সের মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।’

সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সরবরাহ বাড়াতে ব্রুনাই, কাতার, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে। বৈশ্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এলএনজি কেনা হবে।

তিনি বলেন, ‘আগামী বছর যেন লোডশেডিং না থাকে সরকার সেই চেষ্টা করছে। আশা করছি লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে থাকবে। তবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার যে প্রভাব সেটা অস্বীকার করার উপায় নেই। এর মধ্যেও আমরা জনভোগান্তি কমাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

তিনি বলেন, আগামী মার্চের পর কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হলে বিদ্যুৎ-সংকট কেটে যাবে।

বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ‘ডিপিডিসি’র আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ’ শীর্ষক প্রকল্পটির আওতায় নতুন ১৪টি ১৩২/৩৩ কেভি ও ২৬টি ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে এবং বিদ্যমান আটটি ১৩২/৩৩ কেভি ও চারটি ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। ঢাকা শহরের ভূমির দুষ্প্রাপ্যতা বিবেচনায় আধুনিক এবং উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ৩৫/৫০ এমভিএ ৩৩/১১ কেভি পাওয়ার ট্রান্সফর্মার স্থাপন করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
ব্যাডমিন্টন কোর্টে বিদ্যুতের লাইন দিতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু
সাবেক স্ত্রীর বর্তমান স্বামীকে হত্যার অভিযোগে ভাইসহ গ্রেপ্তার
স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে যুবদল নেতার নামে মামলা
জ্বালানি খাত উন্মুক্ত করে দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী
গ্রাহকপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব ওজোপাডিকোর

মন্তব্য

p
উপরে