× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
United Nations emphasis on nature conservation in tourism
hear-news
player
google_news print-icon

পর্যটনে প্রকৃতি সংরক্ষণে জোর জাতিসংঘের

পর্যটনে-প্রকৃতি-সংরক্ষণে-জোর-জাতিসংঘের
বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই পরিচ্ছন্ন ও টেকসই পর্যটনে বিনিয়োগ করতে হবে। এর মাধ্যমে এই খাতে জ্বালানি খরচ কমাতে হবে। কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনার পথে হাঁটতে হবে। জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে হবে।’

টেকসই উন্নয়নের শক্তিশালী মাধ্যম পর্যটন। তবে এই পর্যটনের বিকাশে প্রকৃতি সংরক্ষণ ও পর্যটন অঞ্চলের বিশেষ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে।

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে এক বিশেষ বাণীতে এমন অভিমত প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। সোমবার জাতিসংঘ সদর দফতর থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এমন অভিমত তুলে ধরা হয়।

বিশ্ব সংস্থাটির মহাপরিচালক অ্যান্তোনিও গুতেরেস বাণীতে বলেন, ‘বিশ্ব পর্যটন দিবসের অন্তর্ভুক্তি প্রকৃতি সংরক্ষণ ও সাংস্কৃতিক বোঝাপড়াকে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে পর্যটনের ক্ষমতা তুলে ধরে।

‘টেকসই উন্নয়নের শক্তিশালী এক চালক হল পর্যটন। শিক্ষা, নারী ও তরুণ জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন এবং আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে পর্যটন অবদান রাখে। সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা পুনরুদ্ধার ও সমৃদ্ধির ভিত্তি গড়ে দেয়।’

গুতেরেস বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই পরিচ্ছন্ন ও টেকসই পর্যটনে বিনিয়োগ করতে হবে। এর মাধ্যমে এই খাতে জ্বালানি খরচ কমাতে হবে। কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনার পথে হাঁটতে হবে। জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে হবে।

‘মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পর্যটন রাষ্ট্র ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী যেন লাভবান হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। শিল্প যুগের আগের তুলনায় বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ধরে রাখতে এবং টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদের অবশ্যই পর্যটন অনুশীলন করতে হবে। এর ওপর এই শিল্প এবং স্মল আইল্যান্ড ডেভেলপিং স্টেটসের (উন্নয়নশীল ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র) মতো পর্যটন আকর্ষী ভূখণ্ডগুলোর টিকে থাকা নির্ভর করছে।’

বাণীতে জাতিসংঘ মহাসচিব আরও বলেন, ‘এ বছর জাতিসংঘ মহাসাগর সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এই সম্মেলনে বৈশ্বিক সম্প্রদায় ও পর্যটন খাত ২০২৪ সালের মধ্যে প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে আইনি কাঠামো তৈরির লক্ষ্যে চুক্তির বিষয়ে একমত হয়েছে।

‘অপচয় করার মতো সময় নেই। আসুন, আমরা নতুন করে চিন্তা করি এবং পর্যটন খাতকে নতুন করে গড়ে তুলি। আমরা একসঙ্গে সবাইকে আরও বেশি টেকসই, সমৃদ্ধ ও স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যৎ উপহার দেই।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
Jabir NSCC Club Bajimat at Jabir Prajapati Mela

জাবির প্রজাপতি মেলায় জবির এনএসসিসি ক্লাবের বাজিমাৎ

জাবির প্রজাপতি মেলায় জবির এনএসসিসি ক্লাবের বাজিমাৎ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজাপতি মেলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এনএসসিসির সদস্য ও অন্যরা। ছবি: নিউজবাংলা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজাপতি মেলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নেচার স্টাডি অ্যান্ড কনজারভেশন ক্লাবের চারজন প্রজাপতি দৌড়ে, ছয়জন বারোয়ারি বিতর্কে, ছয়জন ছবি প্রদর্শনীতে ও ১৩ জন স্টল ডেকোরেশনে পুরস্কার পেয়েছেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) অনুষ্ঠিত প্রজাপতি মেলায় প্রজাপতির ছবি প্রদর্শনে প্রথম এবং বারোয়ারী বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ‘নেচার স্টাডি অ্যান্ড কনজারভেশন ক্লাব’ (এনএসসিসি)।

‘প্রজাপতি প্রজাপতি... কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা?’ স্লোগানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শুক্রবার দিনব্যাপী ১২তম প্রজাপতি মেলা অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মেলায় ছিল নানা আয়োজন।

মেলায় প্রতিবারের মতো এবারও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের নেচার স্টাডি অ্যান্ড কনজারভেশন ক্লাবের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের মধ্যে প্রজাপতির ছবি প্রদর্শনে ক্লাবটি প্রথম স্থান অর্জন করে। এছাড়াও বারোয়ারি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে ক্লাবটি।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে ক্লাবের সদস্যরা ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছেন। তার মধ্যে প্রজাপতি দৌড়ে চারজন, বারোয়ারি বিতর্কে ছয়জন, ছবি প্রদর্শনীতে ছয়জন এবং স্টল ডেকোরেশনে ১৩ জন পুরস্কার পেয়েছেন।

নেচার স্টাডি অ্যান্ড কনজারভেশন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. তানজিলুর রহমান খান বলেন, ‘বাগান সুরক্ষিত রাখা, বাস্তুতন্ত্ৰ রক্ষা, জলবায়ু বুঝতে সাহায্য করার ক্ষেত্রে প্রজাপতির ভূমিকা অনস্বীকার্য। প্রজাপতি আমাদের জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। প্রজাপতি সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসা উচিত। আমাদের ক্লাব এই উদ্দেশ্যে নিরলস কাজ করে আসছে।’

এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মাসুদসহ অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

জীবনযাপন
Zabir Prajapati Mela is vibrant with childrens colors

জাবির প্রজাপতি মেলায় একঝাঁক শিশু

জাবির প্রজাপতি মেলায় একঝাঁক শিশু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রজাপতির মেলায় প্রজাপতি দেখছে শিশুরা। ছবি: নিউজবাংলা
২০১০ সাল থেকে প্রতিবছর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রজাপতি মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রজাপতি সংরক্ষণ ও জনসচেতনতা বাড়াতে এই মেলার আয়োজন করা হয়।

কেউ জীবন্ত প্রজাপতি দেখছে, কেউ বা আবার শরীরে আঁকছে প্রজাপতির আল্পনা। কেউ কেউ রং-তুলিতে আঁকছে প্রজাপতির রঙিন ছবি। এভাবেই শিশুদের পদচারণায় প্রাণবন্ত ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজাপতি মেলা।

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের আয়োজনে জহির রায়হান অডিটোরিয়ামের সামনে শুরু হওয়া এ মেলা চলে বিকেল পর্যন্ত।

মেলার উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য শেখ মনজুরুল হক। তিনি বলেন, ‘প্রজাপতি সংরক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। বর্তমানে এই ক্যাম্পাসে প্রজাপতির সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে বলেও শোনা যাচ্ছে। আমরা চিন্তা করছি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা নির্দিষ্ট জায়গাকে শুধুমাত্র প্রজাপতির জন্য নির্দিষ্ট করে দেয়া যায় কি-না।’

জাবির প্রজাপতি মেলায় একঝাঁক শিশু

এবারের মেলায় ছিল জীবন্ত প্রজাপতি প্রদর্শনী, প্রজাপতির হাট দর্শন, শিশু-কিশোরদের জন্য প্রজাপতি নিয়ে ছবি আঁকা ও কুইজ প্রতিযোগিতা, প্রজাপতি বিষয়ক আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী, প্রজাপতি চেনা প্রতিযোগিতা, প্রজাপতির আদলে তৈরি ঘুড়ি ওড়ানোর প্রতিযোগিতা, বারোয়ারি বিতর্ক প্রতিযোগিতা, প্রজাপতি বিষয়ক তথ্যচিত্র প্রদর্শন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

প্রকৃতি সংরক্ষণে সার্বিক অবদানের জন্য এবারের প্রজাপতি মেলায় ‘তরুপল্লব’ সংগঠনকে ‘বাটারফ্লাই অ্যাওয়ার্ড-২০২২’ দেয়া হয়। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী দীপ্ত বিশ্বাসকে দেয়া হয় ‘বাটারফ্লাই ইয়াং ইনথুজিয়াস্ট’ অ্যাওয়ার্ড।

বাবার সঙ্গে রাজধানীর শ্যামলী থেকে মেলা দেখতে আসা নার্সারিতে পড়া আদিন আহমেদ। সে নিউজবাংলাকে বলে, ‘বাবার সঙ্গে মেলায় ঘুরতে এসেছি। অনেক রঙের প্রজাপতি দেখেছি, চিত্র এঁকেছি। মেলায় এসে আমার ভাল্লাগছে।’

মেলার আহ্বায়ক প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘একটা সময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রজাপতি ছিল ১১০ প্রকার। এখন সে সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৫২টিতে। প্রাণ-প্রকৃতির প্রতি গণসচেতনতা বাড়ানো এবারের প্রজাপতি মেলার অন্যতম উদ্দেশ্য। মানুষের প্রকৃতির প্রতি, প্রজাপতির প্রতি সচেতন হওয়া উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রজাপতি মেলাকে ঘিরে প্রকৃতিপ্রেমীদের তীর্থক্ষেত্র হয়ে উঠেছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা উঁচুতে তুলে ধরবে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ২০১০ সাল থেকে প্রতিবছর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রজাপতি মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রজাপতি সংরক্ষণ ও জনসচেতনতা বাড়াতে এই মেলার আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন:
ঢাবিতে ঢুকলে জাবি অধ্যাপককে জীবন বিপন্নের হুমকি
জাবি প্রশাসনের বিরুদ্ধে দুদকে সাবেক অধ্যাপকের অভিযোগ
জাবিতে গাড়িচালকদের প্রাথমিক চিকিৎসাবিষয়ক প্রশিক্ষণ
জাবির সাবেক ভিসির গাড়িচালকের ঘরে মদভর্তি ট্রাংক
জাবি ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃত্বে অর্ণব-অমর্ত্য

মন্তব্য

জীবনযাপন
The beach is covered with jellyfish

সমুদ্রসৈকত ছেয়ে গেছে জেলিফিশে

সমুদ্রসৈকত ছেয়ে গেছে জেলিফিশে সৈকতের শৈবাল পয়েন্ট ছেয়ে গেছে অসংখ্য জেলিফিশে। ছবি: নিউজবাংলা
সৈকতকর্মী বেলাল হোসেন জানান, ধারণা করা হচ্ছে, টানা জালে আটকে মারা পড়েছে জেলিফিশগুলো। জেলেদের ফেলে দেয়া মৃত জেলিফিশ ভাসতে ভাসতে সৈকতে চলে আসে।

জেলিফিশে ভরে গেছে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত। প্রতিবছর এই সময় সৈকতে জেলিফিশের দেখা মেলে। এবার অনেক বেশি আসছে দফায় দফায়।

শনিবার সৈকতের শৈবাল পয়েন্ট ছেয়ে গেছে অসংখ্য জেলিফিশে। সকালে জোয়ারের পানিতে জেলিফিশগুলো ভেসে আসে।

দায়িত্বরত সৈকতকর্মী বেলাল হোসেন জানান, ধারণা করা হচ্ছে, টানা জালে আটকে মারা পড়েছে জেলিফিশগুলো। জেলেদের ফেলে দেয়া মৃত জেলিফিশ ভাসতে ভাসতে সৈকতে চলে আসে।

বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দার জানান, কক্সবাজারের কাছাকাছি সমুদ্রে জেলিফিশের জন্ম হয় বেশি। জেলেদের কাছে এই মাছের কোনো গুরুত্ব না থাকায় তারা মেরে ফেলেন। মরা মাছগুলো একপর্যায় কূলে ভেসে আসে। সৈকতে জেলিফিশে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

তিনি আরও জানান, জেলিফিশের সংস্পর্শে কোনো ধরনের ক্ষতি হয় না, বরং প্রক্রিয়া করা গেলে খাদ্য হিসেবে বেশ উপযোগী। এ নিয়ে গবেষণা চলছে।

স্থানীয় ভাষায় জেলিফিশকে নুইন্না বলা হয়। হাবিবুর রহমান নামের এক জেলে বলেন, 'কক্সবাজারের মানুষ জেলিফিশ খায় না। এগুলো বেচাকেনাও হয় না। ফলে এসব আমাদের কোনো কাজে আসে না। কিছু প্রজাতির জেলিফিশ গায়ে লাগলে বেশ চুলকায়। তাই এসব জালে আটকা পড়লে আমরা ফেলে দিই।'

গত ৩ ও ৪ আগস্ট এবং ১১ নভেম্বর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে বিপুল পরিমাণে জেলিফিশ ভেসে আসে। এসব জেলিফিশের নমুনা নিয়ে গবেষণা করছেন বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিওআরআইর) বিজ্ঞানীরা।

আরও পড়ুন:
সৈকতে শত শত মৃত জেলিফিশ
মৃত্যুকে হার মানিয়ে ‘অমর’ যে জেলিফিশ
মৃত জেলিফিশের দখলে কুয়াকাটার সৈকত
সৈকতে একঝাঁক মৃত জেলিফিশ, তবু এটি ‘অমর’ কেন?
ঘরে এলো জেলিফিশ

মন্তব্য

জীবনযাপন
After 37 years Bangladesh is free from the dreaded DDT

৩৭ বছর পর ভয়ংকর ডিডিটি মুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ

৩৭ বছর পর ভয়ংকর ডিডিটি মুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ
বাংলাদেশে ডিডিটি ধ্বংস করা সম্ভব নয়। এর ধ্বংস প্রক্রিয়া সম্পর্কে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তফা কামাল জানান, ডিডিটি পুড়িয়ে যে ছাই হবে সেটিও সাবধানে সংরক্ষণ করতে হবে। শুধু তাই নয়, পুড়ানোর সময় যে গ্যাস বের হবে সেটিও সংরক্ষণ করতে হবে।

নিষিদ্ধের তিন দশক পর ক্ষতিকর রাসায়নিক ডাইক্লোরোডিফেনাইলট্রিক্লোরোইথেন (ডিডিটি)-এর সবচেয়ে বড় মজুত ধ্বংসের জন্য চট্টগ্রাম থেকে পাঠানো হচ্ছে ফ্রান্সে।

শুক্রবার ২৪টি কন্টেইনারে ৫২০ টন ডিডিটি নিয়ে ফ্রান্সের উদ্দেশে চট্টগ্রাম ছেড়ে যাবে বহনকারী জাহাজ।

১৯৮৫ সালে ম্যালেরিয়ার জীবাণু বহনকারী মশা নিধনের উদ্দেশে পাকিস্তান থেকে ৫০০ টন ডিডিটি আমদানি করে সরকার। কিন্তু ওই ডিডিটি নিম্নমানের হওয়ায় সে সময় তা ব্যবহার করা যায়নি। এরপর থেকেই এ রাসায়নিক চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের গুদামে রাখা হয়।

এ অবস্থায় জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক হওয়ায় ১৯৯১ সালে দেশে ডিডিটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। ২০০১ সালে স্টকহোম সম্মেলনের চুক্তি অনুযায়ীও সারাবিশ্বে নিষিদ্ধ এই রাসায়নিক।

ক্ষতিকর এই রাসায়নিক অবিরাম দূষক বা প্রেসিসটেন্ট অর্গানিক পলিউটেন্ট (পপস) প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে জীববৈচিত্র্যের ক্ষতিসাধন করে। ক্ষতিকর এই রাসায়নিকের ফলে ক্যান্সারের ঝুঁকি, আয়ুষ্কাল কমে যাওয়া, বংশবৃদ্ধিতে অস্বাভাবিকতা, স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি, শিশুর বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত, প্রজননতন্ত্রের ক্ষতিসাধন সহ নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়।

আমদানির ৩৭ বছর পর অবশেষে এই ক্ষতিকর রাসায়নিকটি বাংলাদেশ থেকে ধ্বংসের জন্য ফ্রান্সে পাঠানো হচ্ছে।

সম্প্রতি ৩ দফায় ২৪টি কন্টেইনারে এসব রাসায়নিক শিপিংয়ের জন্য চট্টগ্রাম বন্দরে পাঠানো হয়েছে।

৩৭ বছর পর ভয়ংকর ডিডিটি মুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ
২৪টি কন্টেইনারে এসব রাসায়নিক শিপিংয়ের জন্য চট্টগ্রাম বন্দরে পাঠানো হয়েছে

বুধবার নগরীর পাঁচ তারকা হোটেল ‘রেডিসন ব্লু’ এর মোহনা হলে এই ডিডিটি অপসারণ প্রকল্পের সমাপ্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘উপকূলীয় অঞ্চলে ক্যান্সার বেড়ে যাওয়া সরকারের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই এলাকায় ক্যান্সার নিয়ে যে চিকিৎসক কাজ করতেন তিনিও ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। আমরা এও জেনেছি, মায়ের দুধেও ডিডিটির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এই ডিডিটি এত বছর এখানে কেন পড়েছিল এটা একটা প্রশ্ন!’

ডিডিটি ধ্বংসের দীর্ঘ প্রক্রিয়াকে ‘ডিডিটি মুক্তিযুদ্ধ’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘যারা কাজ করেছেন আমি তাদের অভিনন্দন জানাই। পরিবেশ অধিদপ্তরে যে কোনো অনুষ্ঠানে আপনাদের স্মরণ করা হবে। এটার যে ইতিহাস লেখা হবে, সেখানে যারা কাজ করেছেন তাদের নামও থাকা উচিত। কারণ তাদের ক্ষতি হতে পারে। যদি তাদের নামের তালিকা থাকে তাহলে কাজের কারণে কোনো রোগে আক্রান্ত হলে সরকার ও রাষ্ট্র দায়িত্ব নেবে।’

এ সময় সীমান্ত দিয়ে ডিডিটি কিংবা এর মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক যেন দেশে প্রবশে করতে না পারে সেজন্য বিজিবি ও জননিরাপত্তা বিভাগকে সতর্ক থাকারও পরামর্শ দেন সচিব।

এ সময় তিনি শুটকিতে ক্ষতিকর কোনো রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে কি-না তা খতিয়ে দেখতেও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান রাখেন মোস্তফা কামাল।

বাংলাদেশে ডিডিটি ধ্বংস করা সম্ভব নয়। এর ধ্বংস প্রক্রিয়া সম্পর্কে সচিব জানান, ডিডিটি পুড়িয়ে যে ছাই হবে সেটিও সাবধানে সংরক্ষণ করতে হবে। শুধু তাই নয়, পুড়ানোর সময় যে গ্যাস বের হবে সেটিও সংরক্ষণ করতে হবে।

আরেকটি বিষয় হলো- বাংলাদেশ থেকে ফ্রান্সে ডিডিটি নিয়ে যেতে বিভিন্ন দেশের অন্তত ১৩টি বন্দরের অনুমতি নিতে হয়েছে। শুরুতে কয়েকটা দেশ আপত্তিও জানিয়েছে যে, এসব দূষিত জিনিস তাদের বন্দর দিয়ে যেতে দেয়া হবে না। পরে তাদেরকে রাজি করানো সম্ভব হয়েছে।

৩৭ বছর পর ভয়ংকর ডিডিটি মুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ
ডিডিটি অপসারণ প্রক্রিয়ায় কাজ করা ব্যক্তিরাও ঝুঁকির মধ্যে আছেন

জাতিসংঘের ফুড অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচার অরগানাইজেশন (এফএও) এর কীটনাশক বিশেষজ্ঞ মার্ক ডেভিস বাংলাদেশে ডিডিটির এই মজুদকে ‘অত্যন্ত অস্বাভাবিক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ডেভিস বলেন, ‘আমার জানামতে, আর কোথাও একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে এই পরিমাণ কীটনাশক অপসারণের ঘটনা ঘটেনি। এটি অত্যন্ত অস্বাভাবিক যে, একটি শহরের প্রাণকেন্দ্রে এত দীর্ঘ সময় ধরে এটি সংরক্ষণ করা ছিল!’

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ জানান, গ্লোবাল অ্যানভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটি (জিইএফ) ও জলবায়ু ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মাধ্যমে ডিডিটি ধ্বংসের প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘এটা ফ্রান্সে পাঠিয়ে ধ্বংস করতে হচ্ছে। কারণ আমারদের সক্ষমতা নেই। আশা করছি, এফএও সঠিক সময় এটি বাস্তবায়ন করবে।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এফএও এর জ্যেষ্ঠ প্রযুক্তি কর্মকর্তা সাসো মার্টিনোভ, প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদ, এফএও রিপ্রেজেনটেটিভ নূর আহমেদ খন্দকার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সঞ্জয় কুমার ভৌমিক, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক আব্দুল হামিদসহ আরও অনেকেই।

আরও পড়ুন:
নিউজিল্যান্ডের ৭৫ শতাংশ মাছে প্লাস্টিক কণা
আ.লীগের কনফারেন্সে পরিবেশ রক্ষায় ১১ সুপারিশ
পাহাড় কাটার অভিযোগে কাউন্সিলর ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা
আর নিরাপদ নয় বৃষ্টির পানি
দাবদাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ

মন্তব্য

জীবনযাপন
Butterfly Fair in Jabi is on December 2

জাবিতে ‘প্রজাপতি মেলা’ এবার ২ ডিসেম্বর

জাবিতে ‘প্রজাপতি মেলা’ এবার ২ ডিসেম্বর ২০১০ সাল থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রজাপতি মেলা। ছবি: নিউজবাংলা
২০১০ সাল থেকে প্রতিবছর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘প্রজাপতি মেলা’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রজাপতি সংরক্ষণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ মেলার আয়োজন করা হয়।

‘উড়লে আকাশে প্রজাপতি, প্রকৃতি পায় নতুন গতি’- এই স্লোগানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী ২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে প্রজাপতি মেলা-২০২২।

বুধবার মেলার আহ্বায়ক ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবছরের মতো এবারও মেলায় থাকবে প্রজাপতি প্রদর্শন, শিশু-কিশোরদের জন্য প্রজাপতি-বিষয়ক ছবি আঁকা ও কুইজ প্রতিযোগিতা, প্রজাপতি-বিষয়ক আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা, প্রজাপতি চেনা প্রতিযোগিতা, প্রজাপতি-বিষয়ক তথ্যচিত্র প্রদর্শনী, বারোয়ারি বিতর্ক প্রতিযোগিতা, ঘুড়ি ওড়ানোসহ নানা আয়োজন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় প্রকৃতি সংরক্ষণে সার্বিক অবদানের জন্য ‘তরুপল্লব’ সংগঠনকে এবার ‘বাটারফ্লাই অ্যাওয়ার্ড-২০২২’ দেয়া হবে। আর ‘বাটারফ্লাই ইয়াং ইনথুজিয়াস্ট অ্যাওয়ার্ড’ দেয়া হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী দীপ্ত বিশ্বাসকে।

২০১০ সাল থেকে প্রতিবছর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রজাপতি মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রজাপতি সংরক্ষণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই মেলার আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন:
জাবিতে গাড়িচালকদের প্রাথমিক চিকিৎসাবিষয়ক প্রশিক্ষণ
জাবির সাবেক ভিসির গাড়িচালকের ঘরে মদভর্তি ট্রাংক
জাবি ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃত্বে অর্ণব-অমর্ত্য
জাবির ভিসি হতে এগিয়ে আমির
জাবি ছাত্রীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ 

মন্তব্য

জীবনযাপন
30 surgeries in a 4 week coma from one mosquito bite

মশার কামড়ে ৪ সপ্তাহ কোমায়, ৩০ সার্জারি!

মশার কামড়ে ৪ সপ্তাহ কোমায়, ৩০ সার্জারি! এশিয়ান টাইগার মশা। ছবি: সংগৃহীত
অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে রটস্কে বলেন, ‘আমি দেশের বাইরে যাইনি। জার্মানিতেই ওই মশা আমাকে কামড়িয়েছে। এরপরই ধকল শুরু । আমি শয্যাশায়ী হলাম, বাথরুমেও যেতে পারতাম না। জ্বর ছিল। কিছুই খেতে পারতাম না। মনে হচ্ছিল, সব শেষ হয়ে যাচ্ছে। পরে চিকিৎসকরা ধারণা করে, এশিয়ান টাইগার মশা আমাকে কামড়িয়েছে। তারা বিশেষজ্ঞকে ডাকেন।’

মশার কামড় সবসময় বিরক্তিকর। অনেক সময় এটির কামড় জটিল রোগের কারণ। দেশে প্রতি বছরই বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটে ডেঙ্গুতে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর এটি আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এডিসবাহী মশার মতোই একটি মশার কামড় ভুগিয়েছে ২৭ বছর বয়সী জার্মান যুবক সেবাস্তিয়ান রটস্কেকে। ৩০টি অস্ত্রোপচার এবং ৪ সপ্তাহ কোমায় থাকার পর বেঁচে ফিরেছেন তিনি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়, সেবাস্তিয়ান রটস্কে জার্মানির রোডারমার্ক শহরের বাসিন্দা। গত বছরের গ্রীষ্মে ‘এশিয়ান টাইগার’ নামে এক ধরনের মশা তাকে কামড়েছিল। এরপর তার সর্দি–জ্বরের উপসর্গ দেখা দেয়।

তবে সেটা ছিল কেবল শুরু। এরপর ভয়াবহ সব শারীরিক জটিলতায় ভোগতে হয় রটস্কেকে।

গত দেড় বছরে রক্তদূষণ, যকৃৎ, কিডনি, হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুস অকার্যকর হয়ে যাওয়ার মতো অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। এসব শারীরিক জটিলতার কারণে চার সপ্তাহ কোমায় ছিলেন রটস্কে। অস্ত্রের নিচে নিজেকে সঁপে দিয়েছেন ৩০ বার।

ঊরুতেও অস্ত্রোপচার হয়েছে রটস্কের। সেখানে মারাত্মক একটি ফোড়া ছিল। এ কারণে ঊরুর একটা অংশে পচন ধরেছিল। তখন রটস্কের মনে হয়েছিল, তার বাঁচার সম্ভাবনা খুব কম।

মশার কামড়ে ৪ সপ্তাহ কোমায়, ৩০ সার্জারি!
এশিয়ান টাইগার মশার কামড়ে শয্যাশায়ী সেবাস্তিয়ান রটস্কে

অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে রটস্কে বলেন, ‘আমি দেশের বাইরে যাইনি। জার্মানিতেই ওই মশা আমাকে কামড়িয়েছে। এরপরই ধকল শুরু । আমি শয্যাশায়ী হলাম, বাথরুমেও যেতে পারতাম না। জ্বর ছিল। কিছুই খেতে পারতাম না। মনে হচ্ছিল, সব শেষ হয়ে যাচ্ছে। পরে চিকিৎসকরা ধারণা করে, এশিয়ান টাইগার মশা আমাকে কামড়িয়েছে। তারা বিশেষজ্ঞকে ডাকেন।’

‘এশিয়ান টাইগার মশা’ জংলি মশা নামেও পরিচিত। এই মশাগুলো দিনের বেলায় কামড়ায়। জিকা ভাইরাস, ওয়েস্ট নিল ভাইরাস, চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গুর মতো মারাত্মক সব রোগের জীবাণু বহন করে এই মশা।

মন্তব্য

জীবনযাপন
Winter mood in West Bengal

পশ্চিমবঙ্গে শীতের আমেজ

পশ্চিমবঙ্গে শীতের আমেজ
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানায়, আগামী চার-পাঁচ দিন জেলাগুলোর তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক ডিগ্রি নিচে থাকবে। তবে তীব্র শীত নামতে কিছুদিন লাগবে।

পশ্চিমবঙ্গে জেঁকে বসছে শীত। গত শুক্রবার থেকে টানা তিনদিন ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে কলকাতায়। সোমবার ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে তা হয়েছে ১৭।

আবহাওয়া অফিস বলছে, সামনের কয়েকদিন কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রার সামান্য ওঠানামা করলেও, শীতের আমেজ বজায় থাকবে। সোমবার কলকাতার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি।

পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলোতে অবশ্য উত্তরের শুষ্ক হাওয়ার দাপটে ভালোই ঠান্ডা পড়েছে। কোথাও কোথাও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গেছে।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানায়, আগামী চার-পাঁচ দিন জেলাগুলোর তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক ডিগ্রি নিচে থাকবে। তবে তীব্র শীত নামতে কিছুদিন লাগবে।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বীরভূম শ্রীনিকেতনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রোববার ছিল ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস; পুরুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস; মুর্শিদাবাদে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং উত্তর চব্বিশ পরগনার ব্যারাকপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আগামী ৪-৫ দিন রাজ্যে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। বাধাহীনভাবে রাজ্যে প্রবেশ করছে শুষ্ক হওয়া। কমছে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ। ফলে জাঁকিয়ে শীত পড়ার আগে, আগামী কয়েক দিন এই আমেজ বজায় থাকবে।

মন্তব্য

p
উপরে