× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The husband was hanging the body of his wife on the bed
hear-news
player
google_news print-icon

খাটে স্ত্রীর মরদেহ, ফ্যানে ঝুলছিলেন স্বামী

খাটে-স্ত্রীর-মরদেহ-ফ্যানে-ঝুলছিলেন-স্বামী
প্রতীকী ছবি
পুলিশ জানায়, তারা স্বামী-স্ত্রী সাবলেট থাকতেন। দরজায় অনেকবার নক করেও তাদের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে বাড়ির কেয়ারটেকারের উপস্থিতিতে জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯-এ ফোন করে পাশের কক্ষের পরিবার। সেই ফোনেই ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

দিনে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া শুনেছেন পাশের কক্ষে সাবলেটে থাকা পরিবার। আর রাতেই একই কক্ষ থেকে উদ্ধার হলো তাদের মরদেহ।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের একটি বাসা থেকে এই দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, স্ত্রীকে মেরে স্বামী আত্মহত্যা করেছেন।

নিহতরা হলেন মো. নোমান ও ও তার স্ত্রী শামীমা। তাদের গ্রামের বাড়ি ভোলার লালমোহন এলাকায়।

রোববার রাত ১১টার দিকে বাসার কক্ষের দরজা ভেঙে নোমানকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে থাকা অবস্থায় এবং শামিমাকে বিছানার ওপর মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, তারা স্বামী-স্ত্রী সাবলেটে থাকতেন। দরজায় অনেকবার নক করেও তাদের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে বাড়ির কেয়ারটেকারের উপস্থিতিতে জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯-এ ফোন করে পাশের কক্ষের পরিবার। সেই ফোনেই ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মুজিব পাটোয়ারী।

তিনি বলেন, ‘নোমান সৌদি আরবে থাকেন। এই মাসের ৯ তারিখে দেশে এসেছেন। পরে বউ নিয়ে ঢাকায় এসে এই বাসায় সাবলেটে ভাড়া থাকেন। আজকে দিনে তারা অনেক ঝগড়াঝাটি করে কোনো একসময়ে স্ত্রীকে মেরে ফেলেছে নোমান। পরে নিজে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলেছেন।’

স্ত্রীকে কীভাবে মারা হয়েছে জানতে চাইলে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘স্ত্রীর মুখে রক্ত ও আঘাতের দাগ আছে। ঘটনাস্থলে থানা পুলিশের পাশাপাশি অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম সিনও আলামত সংগ্রহ করছে। ‍কাজ শেষ হলে এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।’

আরও পড়ুন:
নারী চিকিৎসক হত্যা: রেজাউলের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পিছিয়েছে
বাসার নিচে গৃহকর্মীর রক্তাক্ত দেহ, হাসপাতালে মৃত্যু
বাইরে তালা, ঘরে দম্পতির হাত-মুখ বাঁধা মরদেহ
কিশোরীকে ‘খুন’ করে নিখোঁজ মামলা, পরে ধরা  

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Head teacher arrested on charges of attempted molestation

শ্লীলতাহানি চেষ্টার অভিযোগে প্রধান শিক্ষক আটক

শ্লীলতাহানি চেষ্টার অভিযোগে প্রধান শিক্ষক আটক প্রধান শিক্ষকের অপসারনের দাবিতে স্কুলের গেটে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
শ্লীলতাহানি চেষ্টার জের ধরে দুপুরে বিদ্যালয়ের শতশত শিক্ষার্থী ও বহিরাগতরা স্কুলের সামনে অবস্থান নেয়। তারা সড়ক অবরোধ করে। প্রধান শিক্ষকের অপসারনের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর শ্লীলতাহানি চেষ্টার অভিযোগে প্রধান শিক্ষক শাখায়াত হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ।

উপজেলার শরীফাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে বুধবার এই ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার রাতে অভিযোগের ভিত্তিতে ধর্ষণ চেষ্টার মামলা দায়ের করা হয়। এর আগে দুপুরে প্রধান শিক্ষককে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়ারুল ইসলাম বলেন, এক ছাত্রীর অভিযোগ তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।

এই ঘটনার জের ধরে দুপুরে বিদ্যালয়ের শতশত শিক্ষার্থী ও বহিরাগতরা স্কুলের সামনে অবস্থান নেয়। তারা সড়ক অবরোধ করে। প্রধান শিক্ষকের অপসারনের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে।

ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীর লিখিত অভিযোগের সুত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে শরীফাবাদ স্কুলে পরীক্ষা দিচ্ছিল ওই ছাত্রী। নকল করার অভিযোগ তার খাতা নিয়ে যান ডিউটিরত শিক্ষিকা। এ সময় ঘন্টাব্যাপী ওই শিক্ষার্থীর খাতা আটকে রাখা হয়।

মেয়েটি কান্নাকাটি করলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে গিয়ে অনুমতি আনার কথা বলেন ওই শিক্ষিকা। প্রধান শিক্ষক শাখায়াত হোসেনের কাছে গিয়ে পরীক্ষার খাতা ফেরত চাইলে শাখায়াত তার রুমে যেতে বলেন।

রুমে প্রবেশ করতেই প্রধান শিক্ষক মেয়েটিকে জড়িয়ে ধরেন এবং শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন।

মেয়েটি চিৎকার দিলে তার মুখ চেপে ধরেন প্রধান শিক্ষক। ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য হুমকি দেন। পরে মেয়েটি পরীক্ষা না দিয়ে বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারকে ঘটনা জানায়।

মেয়েটির বাবা বলেন, মীমাংসার জন্য শাখায়াতের পক্ষ থেকে বিভিন্ন মহল চাপ প্রয়োগ করছে। আমি কোন মীমাংসায় যাবো না।

অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মো. শাখায়াত হোসেন জানান, বুধবার পরীক্ষা দেওয়ার সময় নকলের অভিযোগে মেয়েটির খাতা জব্দ করে রুমের শিক্ষক। মেয়েটি আমার কাছে এসে বিস্তারিত জানালে আমি তাকে বাড়ি যেতে বলি এবং পরবর্তী পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে বলি। সে আমার পা জড়িয়ে ধরে মাফ চাইলে আমি পরীক্ষা হলে গিয়ে দায়িত্ব পালন করা শিক্ষককে খাতা ফেরত দেওয়ার অনুরোধ করি। কিন্তু হঠাৎ সে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আজিম উদ্দিন বলেন, ‘আমি এবং ভাঙ্গা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সরজমিনে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি।’

এলাকাবাসী কে শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, স্কুলের কার্যক্রম আগের মতোই চলবে।

আরও পড়ুন:
শ্লীলতাহানির চেষ্টার পর ট্রেন থেকে ছুড়ে ফেলে হত্যা
শ্লীলতাহানির মামলায় প্রধান শিক্ষক কারাগারে
বাসে ছাত্রীর শ্লীলতাহানির মামলায় চালক রিমান্ডে
‘ছাত্রীর শ্লীলতাহানি’, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক গ্রেপ্তার
নারীর ‘শ্লীলতাহানি’, যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
College student killed by gang of teenagers in Comilla

কু‌মিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র নিহত

কু‌মিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র নিহত কলেজ শিক্ষার্থী মো. পাবেল। ছবি: সংগৃহীত
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, কলেজ ছাত্র পাবেল সঙ্গীদের নিয়ে রাতে ব্যাডমিন্টন খেলতে যান। এ সময় একদল কিশোর তাদেরকে মাঠ থেকে উঠে যেতে বলে। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তারা পাবেলকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ব্যাডমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় মো. পাবেল নামে এক কলেজ শিক্ষার্থী খুন হয়েছেন।

চৌদ্দগ্রামের আলকরায় রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শুভরঞ্জন চাকমা।

নিহত পাবেল উপজেলার গুণবতী এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে। তিনি ফেনী মহিপাল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, পাবেল নিজ বাড়ি গুণবতী থেকে পাশের আলকরা ইউনিয়নে নানা বাড়িতে বেড়াতে যান। সেখানে স্থানীয় কিশোরদের সঙ্গে রাতে ব্যাডমিন্টন খেলতে যান তিনি। এ সময় একদল কিশোর নিজেরা খেলবে বলে পাবেল ও তার সঙ্গীদের মাঠ থেকে উঠে যেতে বলে। ওইসময় কিশোরদের সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তারা এলোপাতাড়ি পাবেলকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। তাকে বাঁচাতে গিয়ে আরও দুজন আহত হন। তারা বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা চিকিৎসাধীন বলে জানা গেছে।

ওসি শুভরঞ্জন চাকমা জানান, বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তারা পাবেলকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেছে বলে স্থানীয়রা জা‌নি‌য়ে‌ছে। জড়িত সবাই স্থানীয় কিশোর। ঘটনার পর থে‌কে তারা পলাতক। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কু‌মিল্লা মে‌ডি‌কেল ক‌লেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বীমার টাকার জন্য স্ত্রীকে খুন
বড় ভাই খুন, অভিযোগ ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে
আফতাবকে বহনকারী পুলিশ ভ্যানে তরবারি হামলা
সন্তানকে নিয়ে স্বামীকে ১০ টুকরা করে ফ্রিজে
শ্রদ্ধার মরদেহ ফ্রিজে রেখেই ডেটিংয়ে আফতাব

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Police in 15 day special operation

১৫ দিনের বিশেষ অভিযানে পুলিশ

১৫ দিনের বিশেষ অভিযানে পুলিশ
আবাসিক হোটেল, মেস, হোস্টেল, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি সেন্টারসহ অপারাধীদের লুকিয়ে থাকার সম্ভাব্য স্থানগুলোতে কার্যকর অভিযান পরিচালনা করতে হবে বলে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

পলাতক জঙ্গিসহ অপরাধী গ্রেপ্তারে দেশব্যাপী বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া অভিযান চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

পুলিশ সদর দপ্তর থেকে ২৯ নভেম্বর চিঠি দিয়ে বিভিন্ন ইউনিটকে ১ ডিসেম্বর থেকে এ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেয়া হয়।

পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. হাসানুজ্জামানের সই করা চিঠিতে বলা হয়, মহান বিজয় দিবস, বড়দিন ও থার্টিফাস্ট নাইট উদযাপন নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে সারাদেশে বিশেষ অভিযান চালানোর নির্দেশনা দেয়া হলো।

দেশের সব পুলিশ ইউনিটের প্রধান ও সব জেলার পুলিশ সুপারকে এ চিঠি দেয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, ২০ নভেম্বর ঢাকা সিএমএম আদালত এলাকায় পুলিশ হেফাজত থেকে দণ্ডপ্রাপ্ত ২ জঙ্গি ছিনিয়ে নেয়ার প্রেক্ষাপট বিবেচনা, মহান বিজয় দিবস, বড়দিন এবং থার্টিফাস্ট নাইট উদযাপন নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে চলমান অভিযানের পাশাপাশি ১-১৫ ডিসেম্বর বিশেষ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আবাসিক হোটেল, মেস, হোস্টেল, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি সেন্টারসহ অপারাধীদের লুকিয়ে থাকার সম্ভাব্য স্থানগুলোতে কার্যকর অভিযান পরিচালনা করতে হবে বলে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বিশেষ এ অভিযানে জঙ্গি, সন্ত্রাসী, মাদকসেবী ও কারবারি, অবৈধ অস্ত্রধারী, ওয়ারেন্টভূক্ত আসামি গ্রেপ্তারসহ মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার হবে বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা।

বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ও মামলার বিস্তারিত তথ্য নির্ধারিত ছকের মাধ্যমে একীভূত করে প্রতিদিনের তথ্য পরের দিন সকাল ১০টার মধ্যে ফ্যাক্সযোগে এবং ই-মেইলে পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বিভিন্ন ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের।

আরও পড়ুন:
বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ
মেয়ের বান্ধবীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রামপুলিশ আটক
ছাত্রদল নেতা নয়ন হত্যা: পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা নেয়নি আদালত
বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষে মামলা, ৬৬ নেতা-কর্মী আসামি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dependence on technology is reducing book reading Chief Justice

প্রযুক্তিনির্ভরতায় বই পড়া কমছে: প্রধান বিচারপতি

প্রযুক্তিনির্ভরতায় বই পড়া কমছে: প্রধান বিচারপতি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। ছবি: নিউজবাংলা
প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘অতিরিক্ত প্রযুক্তিনির্ভরতা আমাদের বই পড়ার অভ্যাসকে অবিরত বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। বর্তমানে বইয়ের থেকে বেশি স্মার্টফোনের ছোঁয়া। বর্তমান প্রজন্ম বই থেকে অনেকটা দূরে।’

মানুষের জীবনে অতিরিক্ত প্রযুক্তিনির্ভরতায় বই পড়া কমছে বলে মনে করেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

বৃহস্পতিবার সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির অডিটরিয়ামে অ্যাডভোকেট আবুল খায়েরের লেখা তিনটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘অতিরিক্ত প্রযুক্তিনির্ভরতা আমাদের বই পড়ার অভ্যাসকে অবিরত বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। বর্তমানে বইয়ের থেকে বেশি স্মার্টফোনের ছোঁয়া। বর্তমান প্রজন্ম বই থেকে অনেকটা দূরে।

‘যারা আগামী দিনে আমাদের দেশ গড়ার কারিগর, তাদের বইয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়া জরুরি। নতুন প্রজন্মকে সৎ, উদার, সহনশীল খাঁটি মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের সকলের। একটি বই জাতিকে পরিবর্তন করে দিতে পারে। মানুষের মধ্যে সৃজনশীল ও মননশীল গুণাবলি তৈরির জন্য বইয়ের কোনো তুলনা নেই।’

বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য আগরতলা মামলার প্রেক্ষাপট অপরিসীম জানিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আগরতলা মামলা একটি ঐতিহাসিক ঘটনা, এটা নিয়ে একটি মনুমেন্ট তৈরি করা যেতে পারে। স্বাধীনতার সূতিকাগার বলা যায় ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা আন্দোলন, আগরতলা মামলা এবং উনসত্তরের অভ্যুত্থানকে।’

৭০ বছর বয়সেও বই লেখার প্রবণতা নিয়ে অ্যাডভোকেট আবুল খায়েরেকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশংসা করেন প্রধান বিচারপতি।
অনুষ্ঠানে কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন ছাড়াও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ূন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোমতাজ উদ্দিন ফকিরসহ আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক আব্দুন নূর দুলাল।

আরও পড়ুন:
দুর্নীতি রাষ্ট্রের ভিত্তি দুর্বল করে: প্রধান বিচারপতি
ধর্মের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক হলো অজ্ঞতা: প্রধান বিচারপতি
ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় চাই শক্তিশালী বিচার বিভাগ: প্রধান বিচারপতি
সুপ্রিম কোর্টে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারে নতুন দিগন্ত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mothers life sentence for killing her child

সন্তানকে হত্যার দায়ে মায়ের যাবজ্জীবন

সন্তানকে হত্যার দায়ে মায়ের যাবজ্জীবন
আসামি সাদিয়ার স্বামী এরশাদ আলী কাজের সুবাদে ঢাকায় থাকেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ লেগে থাকত। ২০১৭ সালের ৬ জুলাই রাতে মেয়ে মাইমুনা আক্তারকে নিয়ে ঘুমাতে যান সাদিয়া। পরদিন শাশুড়ি রেজিয়া বেগম তাদের ডাকতে যান। দরজা খুলে দেখেন সাদিয়া ও মাইমুনা মেঝেতে পড়ে আছে।

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে দাম্পত্য কলহের জেরে ৬ বছরের শিশু মাইমুনাকে হত্যার দায়ে তার মাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ যাবিদ হোসেন বৃহস্পতিবার দুপুরে এই রায় দেন।

আসামি ২৫ বছর বয়সী সাদিয়া আক্তার আশার বাড়ি পার্বতীপুরের হরিরামপুরে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রবিউল ইসলাম এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আসামি সাদিয়ার স্বামী এরশাদ আলী কাজের সুবাদে ঢাকায় থাকেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ লেগে থাকত। ২০১৭ সালের ৬ জুলাই রাতে মেয়ে মাইমুনা আক্তারকে নিয়ে ঘুমাতে যান সাদিয়া। পরদিন শাশুড়ি রেজিয়া বেগম তাদের ডাকতে যান। দরজা খুলে দেখেন সাদিয়া ও মাইমুনা মেঝেতে পড়ে আছে। স্থানীয়রা তাদের হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মাইমুনাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

সাদিয়ার বাঁ হাত ও ডান পায়ের কবজি কাটা ছিল। এ ঘটনায় পরদিন মাইমুনার চাচা ইব্রাহিম সাদিয়াকে আসামি করে পার্বতীপুর থানায় মামলা করেন।

আইনজীবী রবিউল আরও জানান, সাদিয়া জবানবন্দিতে পারিবারিক কলহের কারণেই সন্তানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। ঘটনা প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে কারাদণ্ড দিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টায় ১০ বছরের কারাদণ্ড
জেলা পরিষদের ডাকবাংলোতে হিসাবরক্ষকের ঝুলন্ত দেহ
বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যায় জড়িতকে খুঁজছে পুলিশ
সাড়ে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যায় আসামির মৃত্যুদণ্ড
আয়াতের দেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Death penalty for killing ex wife

সাবেক স্ত্রীকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড

সাবেক স্ত্রীকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড
২০২০ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মোহছেনার রক্তাক্ত মরদেহ তার ঘর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। সেখানেই পাওয়া যায় শরিফুলকে। নিহতের ছোট ভাই মো. সাদ্দাম হোসেন এ ঘটনায় কাশিমপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।

গাজীপুরে সাবেক স্ত্রীকে হত্যার দায়ে আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

জেলা ও দায়রা জজ মমতাজ বেগমের আদালত বৃহস্পতিবার দুপুরে এ রায় দেন।

দণ্ড পাওয়া আসামি হলেন মো. সাইফুল ইসলাম শরিফুল। তার বাড়ি নীলফামারী সদর থানার রামকলা এলাকায়।

গাজীপুর আদালতের ভারপ্রাপ্ত পিপি মকবুল হোসেন কাজল এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, একই কারখানায় চাকরি করার সুবাদে পরিচয়ের পর বিয়ে হয় মোছা. মোহছেনা ও শরিফুলের। তবে বিয়ের পর মোহছেনা জানতে পারেন, শরিফুলের আগেই বিয়ে হয়েছে। ওই সংসারে চার সন্তানও আছে। এসব নিয়ে কলহের পর শরিফুলকে তিনি তালাক দেন। এরপর থেকে মোহছেনাকে শরিফুল হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

২০২০ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মোহছেনার রক্তাক্ত মরদেহ তার ঘর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। সেখানেই পাওয়া যায় শরিফুলকে। নিহতের ছোট ভাই মো. সাদ্দাম হোসেন এ ঘটনায় কাশিমপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
জেলা পরিষদের ডাকবাংলোতে হিসাবরক্ষকের ঝুলন্ত দেহ
বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যায় জড়িতকে খুঁজছে পুলিশ
সাড়ে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যায় আসামির মৃত্যুদণ্ড
আয়াতের দেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার
বরিশালে অভিমান করে স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP leader former MP Nadeem got bail

জামিন পেলেন বিএনপি নেতা সাবেক এমপি নাদিম

জামিন পেলেন বিএনপি নেতা সাবেক এমপি নাদিম জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট নাদিম মোস্তফা। ছবি: নিউজবাংলা
২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি পুঠিয়ার বানেশ্বরের মজির উদ্দীন হত্যা মামলায় নাদিম মোস্তফার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। গত মার্চে উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন পান। তবে উচ্চ আদালত নাদিম মোস্তফাকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিলেও তিনি হাজির হননি।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য ও রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাদিম মোস্তফাকে জামিন দিয়েছে আদালত।

রাজশাহীর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুল হালিম বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে জামিন দিয়েছেন।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশের পরিদর্শক পরিমল চক্রবর্তী।

এর আগে গত ২৩ নভেম্বর দুপুরে নগরীর পাঠানপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হন এই বিএনপি নেতা। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি পুঠিয়ার বানেশ্বরের মজির উদ্দীন হত্যা মামলায় নাদিম মোস্তফার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। গত মার্চে উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন পান। তবে উচ্চ আদালত নাদিম মোস্তফাকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিলেও তিনি হাজির হননি।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুন:
সমাবেশে সরকারকে লাল কার্ড দেখাল জনগণ: সেলিমা
পরিবহন ধর্মঘটে তিন জেলায় ভোগান্তি
রাজশাহীতে পরিবহন ধর্মঘটে ভোগান্তি
পরিবহন ধর্মঘটের আগেই রাজশাহীর সমাবেশে নেতা-কর্মীরা
ভুয়া চাকরির নিয়োগপত্র দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিতেন তিনি

মন্তব্য

p
উপরে