× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
A League is taking action against those responsible for the clash in Eden
hear-news
player
google_news print-icon

ইডেনের সংঘর্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে আ. লীগ

ইডেনের-সংঘর্ষে-দায়ীদের-বিরুদ্ধে-ব্যবস্থা-নিচ্ছে-আ-লীগ
ইডেন কলেজে সংঘর্ষের জের ধরে ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদক ক্যাম্পাসছাড়া হওয়ার পর রোববার রাতে বিরোধী পক্ষের উচ্ছ্বাস, স্লোগান। ছবি: নিউজবাংলা
আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের দায়িত্বশীল এক নেতা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ইডেনের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনগত দুই ধরনের ব্যবস্থাই নেয়া হবে। এর অংশ হিসেবে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পুলিশ হেফাজতে আছেন।’

ইডেন মহিলা কলেজে ছাত্রলীগের সংঘর্ষে জড়িত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছাত্রলীগকে দেখভালের দায়িত্বে থাকা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমকে রোববার রাতে টেলিফোন করে এ নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের বিশ্বস্ত একটি সূত্র নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, ওবায়দুল কাদের ফোনে নাছিমকে বলেন- ‘ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নেতাকর্মীদের গালাগাল করেছিলেন বলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের মেয়েরা নিজেদের মধ্যে মারামারি করে দুর্নাম বয়ে আনছে, দলের ক্ষতি করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সব উন্নয়ন অর্জন তারা ম্লান করে দিচ্ছে। এখনই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।’

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের দেখভাল করতে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেলকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

শাসক দলটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের দায়িত্বশীল এক নেতা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ইডেনের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনগত দুই ধরনের ব্যবস্থাই নেয়া হবে। এর অংশ হিসেবেই ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পুলিশ হেফাজতে আছেন।’

প্রসঙ্গত, শনিবার রাতে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের এক সহ-সভাপতিকে মারধর করেন কলেজ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা। এর প্রতিবাদে রাতেই বিক্ষোভ করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। রোববার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে ওই ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের ৪৩ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির ২৫ জন। সন্ধ্যায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ। বাকিরা এর প্রতিবাদ জানালে দু’পক্ষে পুনরায় সংঘর্ষ হয়।

আরও পড়ুন:
রিভার তোপে হলছাড়া সেই দুই ছাত্রী
ফের বিতর্কে ছাত্রলীগ নেত্রী রিভা
অডিও ফাঁস: ক্ষমা চাইলেন ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি
ট্রাম্পকে পুড়িয়ে ছেলেসহ অবকাশে বাইডেন
ফের করোনা পজিটিভ বাইডেন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The spirit of liberation war must be spread to build a prosperous country DU Vice Chancellor

সমৃদ্ধ দেশ গড়তে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দিতে হবে: ঢাবি উপাচার্য

সমৃদ্ধ দেশ গড়তে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দিতে হবে: ঢাবি উপাচার্য মহান বিজয় দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিজয় শোভাযাত্রা বের হয়। ছবি: নিউজবাংলা
‘মহান বিজয়ের মাস গৌরবের মাস। উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও মানবিক মূল্যবোধের চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে সর্বদা জাগ্রত রাখতে হবে।’

উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থীসহ সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার মহান বিজয় দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে বিজয় শোভাযাত্রা শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতা চত্বরে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এই আহ্বান জানান।

উপাচার্য বলেন, ‘মহান বিজয়ের মাস গৌরবের মাস। উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও মানবিক মূল্যবোধের চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। এই চেতনা তাদের মধ্যে সর্বদা জাগ্রত রাখতে হবে।’

বক্তব্যের শুরুতে উপাচার্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী শহীদ, মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত মা-বোনসহ দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু-কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে।’

অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে বেলুন উড়িয়ে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন উপাচার্য। সেটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থীরা জাতীয় সংগীত ও দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন।

শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্য, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রাধ্যক্ষ, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় প্রধান, প্রক্টর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির প্রতিনিধি ও শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
সমাবর্তনে ভুল: বিদেশিদের কাছে সম্মানহানির শঙ্কায় ঢাবি উপাচার্য
ঢাবিতে ঢুকলে জাবি অধ্যাপককে জীবন বিপন্নের হুমকি
৫২ ঘণ্টা পর শিক্ষার্থীরা মুক্ত করল ভাসানীর অবরুদ্ধ ভিসিকে
গবেষণার কল্যাণে দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ : শিল্পমন্ত্রী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকাশনা মেলা ২২-২৩ অক্টোবর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
New alliance of left 8 student organizations to oust the government

সরকার উচ্ছেদে বাম ৮ ছাত্র সংগঠনের নতুন জোট

সরকার উচ্ছেদে বাম ৮ ছাত্র সংগঠনের নতুন জোট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে বাম ৮ ছাত্র সংগঠনের নতুন জোট গঠনের ঘোষণা দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
‘গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট’ভুক্ত সংগঠনগুলো হলো- সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন।

আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার উচ্ছেদ করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নতুন জোট গঠন করেছে বামপন্থী আট ছাত্র সংগঠন। নতুন এই জোটের নাম দেয়া হয়েছে ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট’।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে নতুন এই জোট গঠনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

জোটভুক্ত সংগঠনগুলো হলো- সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন।

নতুন এই জোটের সমন্বয়ক এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের (মার্কসবাদী) সভাপতি সালমান সিদ্দিকী সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

সালমান বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ গভীর সংকটময় সময় পার করছে। ২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচন এবং ২০১৮ সালের ভোট ডাকাতির মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন রয়েছে আওয়ামী লীগ। বুর্জোয়া সংসদীয় ব্যবস্থার কবর রচনা করে মানুষের ন্যূনতম গণতান্ত্রিক অধিকার ভোট দেয়ার ক্ষমতাটুকুও কেড়ে নিয়েছে তারা।

‘বর্তমান সরকার দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে শোষণ, লুণ্ঠন, অর্থপাচার, দুর্নীতির মাধ্যমে দেশে এক দুর্বৃত্ত শ্রেণীর রাজত্ব কায়েম করেছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ নানা কালাকানুন দিয়ে স্বাধীন মতপ্রকাশে বাধা ও বিরোধী মত দমন করছে।’

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘সরকার গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশি আক্রমণ, মিছিলে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যাসহ গুম-খুনের মাধ্যমে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন দীর্ঘায়িত করে চলেছে। জনগণের মতামতের তোয়াক্কা না করে প্রতিনিয়ত বাড়াচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম।

‘আওয়ামী উন্নয়নের স্লোগান পরিণত হয়েছে ফাঁপা বুলিতে। আওয়ামী শাসনের ১৪ বছরে গ্যাসের দাম বেড়েছে আড়াই গুণ, বিদ্যুতের দাম বেড়েছে দুই গুণ, ৭ বার বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম, ওয়াসার পানির দাম বেড়েছে ১৩ বার, বেড়েছে সারের দাম। সাম্প্রতিক সময়ে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ২০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে এবং গ্রাহক পর্যায়েও বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। মানুষের আয় বাড়েনি কিন্তু ব্যয় বাড়ছে প্রতিনিয়ত। বিশ্ব খাদ্য সংস্থার রিপোর্টে এসেছে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির কারণে খাদ্য ব্যয় কমাতে বাধ্য হয়েছে প্রায় ৭৩ ভাগ মানুষ আর প্রতিরাতে না খেয়ে ঘুমাতে যায় প্রায় ৫ কোটি মানুষ। ‘দেশে দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা একদলীয় ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনে জনজীবনে নেমে এসেছে সীমাহীন দুর্ভোগ। তৈরি হয়েছে এক শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি।’

সালমান সিদ্দিকী বলেন, ‘উদ্ভূত পরিস্থিতি থেকে ছাত্র সমাজসহ আপামর জনগণ মুক্তি চাইছে। দেশের যেকোনো দুঃসময়ে এদেশের ছাত্র সমাজ কখনো চুপ থাকেনি। আমরা মনে করি এই ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ছাত্র আন্দোলন গড়ে তোলা সময়ের কর্তব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

‘এই অনুধাবন থেকেই আমরা ৮টি ছাত্র সংগঠন সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান থেকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলা এবং পরিচালনার জন্য একত্রিত হয়েছি। আমরা ফ্যাসিবাদী এই সরকারকে জনগণের আন্দোলনের মাধ্যমে উচ্ছেদ করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

সংবাদ সম্মেলনে জোটের পক্ষ থেকে ১৩ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দাবিগুলো হলো- আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের পদত্যাগ; সার্বজনীন, বৈষম্যহীন, বিজ্ঞানভিত্তিক, গণতান্ত্রিক একই ধারার শিক্ষানীতি প্রণয়ন; শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করে গণরুম-গেস্টরুম বন্ধ করা, ডাকসুসহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা।

নবগঠিত জোটের দাবিগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে- পদাধিকারবলে রাষ্ট্রীয় প্রধান আচার্য এই বিধান বাতিল করে বরেণ্য ও সর্বজন গ্রহণযোগ্য শিক্ষাবিদকে আচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয়া; শিক্ষা খাতে জাতীয় বাজেটের ২৫ শতাংশ বরাদ্দ করা; ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ওটিটি নিয়ন্ত্রণ নীতিমালাসহ সব গণবিরোধী ও অগণতান্ত্রিক আইন বাতিল করা; দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রীয় বাণিজ্য চালু করা; শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি ও কৃষকের উৎপাদিত ফসলের লাভজনক মূল্য নিশ্চিত করা; নারী স্বার্থবিরোধী আইন বাতিল করা এবং ঘরে-বাইরে নারী নির্যাতন বন্ধ করা।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এসব দাবি দাবিতে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের পক্ষ থেকে ১৮ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে ছাত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন:
ঢাবিতে ঢুকলে জাবি অধ্যাপককে জীবন বিপন্নের হুমকি
আইএমএফের ঋণ নেয়ার কৈফিয়ত দিতে হবে: বাম জোট
গবেষণার কল্যাণে দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ : শিল্পমন্ত্রী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকাশনা মেলা ২২-২৩ অক্টোবর
ঢাবির হল প্রাধ্যক্ষকে ‘মৃত’ ঘোষণা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Kubi Teachers Associations Vote Pand to Occupy the Centre

কেন্দ্র দখল, কুবি শিক্ষক সমিতির ভোট পণ্ড

কেন্দ্র দখল, কুবি শিক্ষক সমিতির ভোট পণ্ড কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নির্বাচন এক পক্ষের শিক্ষকদের বাধায় পণ্ড হয়ে গেছে। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি ও নীল দলের সদস্য প্রফেসর ড. আবু তাহের বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন গঠনতন্ত্র মোতাবেক তফসিল ঘোষণা করে। একটা পক্ষ তখন নির্বাচন করার ঘোষণা দেয়নি। আমরা ভোট দিতে এসে দেখি তারা কেন্দ্র দখল করে বসে আছে। তারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়।’

ভোটকেন্দ্র দখল করে এক পক্ষের শিক্ষকদের বাধায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শিক্ষক সমিতির নির্বাচন পণ্ড হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরুর কথা ছিল। এ সময় এক পক্ষের শিক্ষকরা ভোটকেন্দ্র দখল করে নির্বাচন কমিশনকে ভোট গ্রহণ শুরু করতে দেননি।

সকাল ৯টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের সামনে গিয়ে দেখা যায় নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে একটি গ্রুপের শিক্ষকদের বাগবিতণ্ডা চলছে। এ নিয়ে উত্তেজনাকর পরিবেশ তৈরি হয়।

নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু পরিষদের একাংশের সাইদুল আল আমিন ও মো. মুর্শেদ রায়হানের অংশটি নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। অন্যদিকের কাজী ওমর সিদ্দিকী ও কাজী জাহিদ হাসানের পক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন ও ভোটের তারিখের বিরোধিতা করে আসছিল।

বৃহস্পতিবার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, নির্বাচন বাতিল পক্ষের গ্রুপ কেন্দ্র দখল করে বসে আছে। ভোট গ্রহণের পক্ষে থাকা শিক্ষকরা কেন্দ্রের বাইরে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছেন। এ সময় শিক্ষকদের দুই গ্রুপের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনারদের বাগবিতণ্ডায় উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করে।

শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি ও নীল দলের সদস্য প্রফেসর ড. আবু তাহের বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন গঠনতন্ত্র মোতাবেক তফসিল ঘোষণা করে। একটা পক্ষ তখন নির্বাচন করার ঘোষণা দেয়নি। আমরা ভোট দিতে এসে দেখি তারা কেন্দ্র দখল করে বসে আছে। তারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়।’

অন্য গ্রুপের সদস্য শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. তোফায়েল হোসেন মজুমদার বলেন, ‘নির্বাচন শিক্ষক লাউঞ্জে হচ্ছে না, এ কথা আমাদের আগে জানানো হয়নি।’

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. জি এম মনিরুজ্জামান বলেন, ‘নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে শিক্ষক সমিতির বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদ। ২২ নভেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। আগে নির্বাচন শিক্ষক লাউঞ্জে হতো। এবার সেখানে একই দিনে আরেকটি প্রোগ্রাম থাকায় রেজিস্ট্রার ও ট্রেজারার শিক্ষক লাউঞ্জে ভোট গ্রহণের অনুমতি দেননি।’

আমরা তিনটি স্থান থেকে বাছাই করে বুধবার রাতে এই স্থান বাছাই করি। এটা সব বিভাগের চেয়ারম্যানদের মেইল করে জানিয়ে দেয়া হয়। সবকিছু নিয়মমাফিক হওয়ার পরও একটি অংশ নির্বাচনের বিরোধিতা করার কারণ খুঁজে পাচ্ছি না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ভোটার বলেন, ‘বিদ্রোহী গ্রুপ ভোট গ্রহণে বাধা দেয়ার নানা কারণ রয়েছে। ভোটাররা বলছেন, বিদ্রোহীরা চায় নির্বাচন যেন ১২ ডিসেম্বরের পরে করা হয়। এ সময়ে বেশ কয়েকজন শিক্ষক নিয়োগ দেবে বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষক নিয়োগ হলে সেসব শিক্ষকদের বিদ্রোহীরা দলে টানতে পারবে। তাই নানা ছুঁতোয় বিদ্রোহীরা ভোট হতে দেয়নি। বিদ্রোহীরা এসব করেছে উপাচার্যের মদতে।’

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এফ এম আবদুল মঈন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষক নির্বাচনে কোনোভাবেই পক্ষপাতিত্ব করতে পারে না। এমনকি কাউকে মদত দেয় নাই। কেউ যদি এসব কথা বলে থাকেন, সেটা প্রচণ্ড রকম ভুল।’

ভিসি আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের বিষয়ে আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। উল্টো আমি দুই পক্ষকে ডেকে বলেছি, আপনারা নির্বাচন করেন সমস্যা নেই। তবে এই নির্বাচন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম যেন নষ্ট না হয়, সেদিকটা সবাই খেয়াল রাখবেন।’

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি নির্বাচনে ভোটার ২৬৪ জন।

আরও পড়ুন:
শিক্ষক নিয়োগ: খাতা অবমূল্যায়নের অভিযোগ স্বর্ণপদক পাওয়া শিক্ষার্থীর
‘ফেসবুক পোস্ট’ কেন্দ্র করে কুবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার চেষ্টা
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় জিপিএর নম্বর কমানোর দাবি শিক্ষার্থীদের
প্রথম প্রো-ভিসি পেল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা শুরু, উৎসবমুখর ক্যাম্পাস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Inauguration of academic and administrative building at MIST

এমআইএসটিতে একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন

এমআইএসটিতে একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন এমআইএসটি-এর ফাইল ছবি।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ সোমবার রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসে এমআইএসটি-তে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ফ্যাকাল্টি টাওয়ার ৩, ৪, অ্যাডমিন টাওয়ার ও হল অফ ফেমের ভবন উদ্বোধন করেন।

মিলিটারি ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে (এমআইএসটি) আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা সংবলিত একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার ফ্যাকাল্টি টাওয়ার ৩, ৪, অ্যাডমিন টাওয়ার ও হল অফ ফেমের উদ্বোধন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানিয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমআইএসটির সাবেক কমান্ড্যান্টবৃন্দ, সেনাবাহিনী সদর দপ্তরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারগণ এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

স্থাপনাগুলো উদ্বোধনের মাধ্যমে এমআইএসটির প্রতিটি অনুষদের বিপরীতে একটি করে স্বতন্ত্র টাওয়ার বিল্ডিং-এ একাডেমিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সহজ হবে। উদ্বোধন করা ফ্যাকাল্টি টাওয়ারগুলোতে সর্বাধুনিক (স্টেট অফ আর্টস) গবেষণাগার রয়েছে, যা এমআইএসটি তথা বাংলাদেশের গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে বিশেষ অবদান রাখবে বলে আশা করা যায়।

আইএসপিআর জানায়, হল অফ ফেম-এর দেয়ালে সংরক্ষিত হয়েছে এমআইএসটির প্রতিষ্ঠা থেকে এ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, সব স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের নাম, আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতাগুলোর উল্লেখযোগ্য সাফল্য।

সেনাপ্রধানের উদ্বোধনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করা এমআইএসটির পেট্রোলিয়াম ও লুব্রিকেটিং স্টেটিং ল্যাব বাংলাদেশে ব্যবহৃত পেট্রোলিয়ামজাত জ্বালানির সঠিক মান নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। সেনাপ্রধান একইসঙ্গে সাইবার সিকিউরিটিতে উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য নির্মিত সাইবার রেঞ্জও পরিদর্শন করেন।

নতুন প্রশাসনিক ভবনে ৪৫ হাজার বর্গফুটের এমআইএসটির সেন্ট্রাল লাইব্রেরি রয়েছে। লাইব্রেরির একটি অংশে একাডেমিক বইয়ের পাশাপাশি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর প্রায় চার হাজার বই সংবলিত ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ কর্নার স্থাপন করা হয়েছে। একইসঙ্গে লাইব্রেরিতে আনুমানিক আড়াই হাজার বই নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে বিশেষ ‘শেখ রাসেল আঙ্গিনা’, যা শেখ রাসেল সম্পর্কে ছাত্র-ছাত্রীদের জানতে সাহায্য করবে।

১৯৯৯ সালে নতুন কোনো অবকাঠামো নির্মাণ ছাড়াই সেনাবাহিনীর নিজস্ব স্থাপনায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৪০ জন ছাত্র অফিসার নিয়ে মিরপুর সেনানিবাসে যাত্রা শুরু করে এমআইএসটি। বর্তমানে চারটি অনুষদের অধীনে ১৩টি বিভাগে ২ হাজার ৯১৭ জন শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পাশাপাশি এমআইএসটিতে ৮টি বিভাগে এমএসসি, ৩টি বিভাগে এমফিল এবং ৭টি বিভাগে পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু আছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
CUB MBA opportunity for journalists at special discount

সিইউবিতে বিশেষ ছাড়ে এমবিএ’র সুযোগ সাংবাদিকদের

সিইউবিতে বিশেষ ছাড়ে এমবিএ’র সুযোগ সাংবাদিকদের
সাংবাদিক ও তাদের পোষ্যরা ৬০ শতাংশ ছাড়ে এই সুযোগ পাচ্ছেন। ক্লাসের জন্য অনসাইট ও অনলাইন দুই ব্যবস্থাই রাখা আছে৷ পুরো ডিগ্রি সম্পন্ন করতে খরচ পড়বে মাত্র ৯৭ হাজার ২০০ টাকা।

দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও পেশাজীবীদের এক্সিকিউটিভ এমবিএ করার সুযোগ দিচ্ছে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (সিইউবি)। সাংবাদিক ও তাদের পোষ্যরা ৬০ শতাংশ ছাড়ে এই সুযোগ পাবেন।

রাজধানীর প্রগতি সরণিতে সিইউবি’র নিজস্ব ক্যাম্পাসে চলছে এই ভর্তি কার্যক্রম। বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি চত্বরেও চলবে স্পট অ্যাডমিশন। দিনব্যাপী এই স্পট অ্যাডমিশনে ন্যূনতম ফি জমা দিয়ে ভর্তি হতে পারবেন সাংবাদিকরা।

৪৮ ক্রেডিটের এই কোর্সের মেয়াদ এক বছর। হাইব্রিড মোডে এই সময়ের মধ্যে এক্সিকিউটিভ এমবিএ সম্পন্ন করতে পারবেন তারা।

শিক্ষার সব ম্যাটেরিয়াল অনলাইনে পাওয়া যাবে। ক্লাসের জন্য অনসাইট ও অনলাইন দুই ব্যবস্থাই রাখা আছে৷ পুরো ডিগ্রি সম্পন্ন করতে খরচ পড়বে মাত্র ৯৭ হাজার ২০০ টাকা।

ফিন্যান্স, মার্কেটিং, হিউম্যান রিসোর্স, সাপ্লাই ও অপারেশনস ম্যানেজমেন্টে মেজর করার সুযোগ থাকবে এই কোর্সে ভর্তিচ্ছুদের।

আরও পড়ুন:
সিইউবিতে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ঐশী
সিইউবি শিক্ষার্থীদের নিয়ে পদ্মা ব্যাংকের রোড শো
ভর্তি মেলায় ৫০ শতাংশ ছাড় কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির
বিদ্যুৎকেন্দ্রে শিল্প প্রশিক্ষণ নিল কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা
পাইথন-মেশিন লার্নিংয়ে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন সিইউবির ইইই শিক্ষার্থীদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chubby art students on the road again

ফের সড়কে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা

ফের সড়কে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা এক দফা দাবীতে রাস্তা অবরোধ করেছে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে চারুকলা ইনস্টিটিউটের সামনে বাদশাহ মিয়া রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এ সময় তারা স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে অবস্থান অব্যাহত রাখেন।

মূল ক্যাম্পাসে ফেরার এক দফা দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা।

তাদের অভিযোগ, ২৮ দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারেনি প্রশাসন ও স্থানান্তর সংক্রান্ত গঠিত কমিটি। একই সঙ্গে প্রশাসনের নির্দেশ থাকলেও চারুকলার শিক্ষকরা এ বিষয়ে অ্যাকাডেমিক কমিটির আর কোনো বৈঠকে বসেননি। পাশাপাশি তারা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে চারুকলা ইনস্টিটিউটের সামনে বাদশাহ মিয়া রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এ সময় স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে অবস্থান অব্যাহত রাখেন।

এর আগে গত ১৬ নভেম্বর থেকে তারা মূল ক্যাম্পাসে অবরোধ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। ২০ নভেম্বর একজন সহকারী প্রক্টর, চারুকলা পরিচালক এবং ১২ শিক্ষককে প্রায় ১০ ঘণ্টার মতো অবরুদ্ধ করে রাখেন তারা।

চারুকলা স্নাতক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী খন্দকার মসরুল আল ফাহিম বলেন, ‘আমরা আজ থেকে ফটকের বাইরে অবস্থান কর্মসূচি ও সড়ক অবরোধ করছি। প্রশাসন একটা কমিটি করেছিল, কিন্তু দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও কমিটি স্থানান্তর বিষয়ে সুস্পষ্ট বক্তব্য দিতে পারেনি। তাহলে এই কমিটির মানে কী?

আমরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। সমাধান না আসা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।’

ফের সড়কে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা

এ বিষয়ে 'চারুকলাকে ক্যাম্পাসে স্থানান্তর' বিষয়ক কমিটির আহ্বায়ক চবির ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ মামুন বলেন, ‘আমরা তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলাম। ক্যাম্পাস স্থানান্তরের বিষয়ে সরকারি ও আইনি যে প্রক্রিয়া আছে, সেগুলো আমরা তাদের বলেছিলাম। গ্যাজেটের কপি তাদের দেখিয়েছিলাম। তারাও আমাদের সঙ্গে সম্মত হয়েছিল। আমরা সুপারিশ করেছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্ষদে সিদ্ধান্ত পাস হয়ে আসতে হবে। তারপর সরকারের সম্মতি নিয়ে চারুকলাকে স্থানান্তর করতে হবে। এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করব, বিশ্ববিদ্যালয়ও এই প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

প্রসঙ্গত, গত ২ নভেম্বর থেকে ২২ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান কর্মসূচি ও ক্লাস বর্জন শুরু করেন চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের ২২ দফা পরে এক দাবিতে রূপ নেয়। বর্তমানে তাদের একটাই দাবি, তারা মূল ক্যাম্পাসে ফিরে যেতে চান।

আরও পড়ুন:
হলে প্রবেশের সময়সীমাকে চবি ছাত্রীদের প্রত্যাখ্যান
চবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৬ আগস্ট
বাসের দাবিতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে ৫ ঘণ্টা
স্বাধীনতা দিবসে ৫০ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা দেবে চবি
যে বিপদ ওত পেতে আছে চবি রেলস্টেশনে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Prime Minister urges education system suitable for managing developing countries

উন্নয়নশীল দেশ পরিচালনার উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

উন্নয়নশীল দেশ পরিচালনার উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর সোমবার নিজ কার্যালয়ে ২০২২ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি
শেখ হাসিনা বলেন, ‘যখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লব শুরু হবে তখন দেশেও যেন আমরা সেই উপযোগী দক্ষ জনবল পাই তার জন্য এখন থেকেই শিক্ষাব্যবস্থায় উদ্যোগ নিতে হবে। উন্নয়নশীল দেশ পরিচালনার কার্যক্রমে আমাদের দক্ষ জনশক্তি দরকার। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের কাজ করতে হবে, যেন পিছিয়ে না পড়ি।’

উন্নয়নশীল দেশকে পরিচালনা করতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর সে লক্ষ্যে উপযুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার সকালে নিজ কার্যালয়ে ২০২২ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এই তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘যখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লব শুরু হবে তখন দেশেও যেন আমরা সেই উপযোগী দক্ষ জনবল পাই তার জন্য এখন থেকেই শিক্ষাব্যবস্থায় উদ্যোগ নিতে হবে।

‘শিক্ষা ছাড়া আমরা দারিদ্র্য বিমোচন করতে পারব না। আমরা এমডিজি সফলতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করেছি। এসডিজিও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। তা ছাড়া আমরা এখন উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। এই উন্নয়নশীল দেশ পরিচালনার কার্যক্রমে আমাদের দক্ষ জনশক্তি দরকার। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের কাজ করতে হবে, যেন পিছিয়ে না পড়ি।’

দেশে বহুমুখী শিক্ষার সুযোগ করে দেয়া হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতে দেশ লাভবান হবে। করোনা মহামারির মধ্যে প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে বলে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখা গেছে।

তিনি বলেন, ‘ভালো ভালো কতগুলো স্কুল আছে। আমাদের অনেকের ধারণা ওই সব স্কুলে না পড়লে পড়াশোনাই করা হয় না।

‘দেশের বহু জ্ঞানী, বিজ্ঞানী, নেতা, পাকিস্তান আমলের বহু সিএসপি অফিসার জেলা স্কুল থেকে পাস করেই হয়েছে। জানি না এখন কোথা থেকে এমন ধারণা এসেছে যে মাত্র কয়েকটি স্কুল আছে যেখানে না পড়লে পড়া হয় না। এই মানসিকতা বদলাতে হবে।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘জেলা স্কুলগুলো তো সব সময়ই খুব ভালো স্কুল ছিল। আমাদের এখনও যারা আছে তাদের বেশির ভাগ তো ওখান থেকেই পাস করে আসছে। তাহলে সেই স্কুলকে খাটো করে দেখা বা দুই-একটা নামের ওপরে চলা…।’

সবচেয়ে ভালো ছেলেমেয়েরা যেখানে ভর্তি হবে সেখান থেকে তো ভালো রেজাল্ট আসবেই- এমন মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যদি কেউ গাধা পিটিয়ে মানুষ করতে পারে তাকে আমি ক্রেডিট দিই। যে কিছু জানে না তাকে ভালো শিক্ষা যারা দিতে পারবে আমার মনে হয় তাদেরকে একটু বিশেষভাবে সমর্থন দেওয়া ও পুরস্কৃত করা উচিত।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনা মহামারি নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলেও বাংলাদেশ আগে থেকেই সাবধান হয়েছে। আমাদেরকে আরও সাবধান হতে হবে। সব ক্ষেত্রে মিতব্যয়ী হতে হবে, সাশ্রয়ী হতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয় সে ব্যবস্থাটা আমাদের নিতে হবে। আমরা সেটা নেয়ার জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছি, যেন কোনোমতেই আমরা পিছিয়ে না যাই।’

পরীক্ষায় যারা পাস করেছে তাদের অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। যারা উত্তীর্ণ হতে পারেনি তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। কেন ছেলেমেয়েরা ফেল করবে? ফেল করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। একটু মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। না পড়লে তো ফেল করবেই। কাজেই এটা মাথায় রেখে সবাইকে পড়তে হবে।’

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সরকারপ্রধানের হাতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের কপি তুলে দেন। শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রীর পর বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানরা নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফলের পরিসংখ্যান প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

আরও পড়ুন:
খাদ্য মজুত ১৫ লাখ টনের নিচে না নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
খালেদা-তারেকের সঙ্গে সংলাপ কেমন কথা: প্রধানমন্ত্রী
সঞ্চয় বাড়ান, মিতব্যয়ী হোন: প্রধানমন্ত্রী
এখন সবাই রিজার্ভ বিশেষজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী
আমেরিকাকে একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে