× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Rahima sign language through the night with SI Dola
hear-news
player
google_news print-icon

এসআই দোলার সঙ্গে রহিমার রাতভর ইশারাভাষা

এসআই-দোলার-সঙ্গে-রহিমার-রাতভর-ইশারাভাষা
রহিমা বেগমকে উদ্ধার অভিযান দলে সাদা পোশাকে ছিলেন দৌলতপুর থানার এসআই দোলা দে। ছবি: নিউজবাংলা
এসআই দোলা দে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রাতে তাকে (রহিমা) আমি নিজের মায়ের মতো সেবাযত্ন করি। নানাভাবে তার আত্মগোপনের কথা জানতে চাই। একপর্যায়ে তাকে বলি, আমি তো আপনার মেয়ের মতো, কাল সকালে তো মেয়েদের কাছে আপনাকে দিয়ে দেয়া হবে। তাদের তো সব বলবেন, আমাকে কিছু বলেন।’

মরিয়ম মান্নানের মা রহিমা বেগমকে ফরিদপুর থেকে উদ্ধারে খুলনা থেকে গিয়েছিল দৌলতপুর থানা পুলিশের একটি দল। এই উদ্ধার অভিযানে ছিলেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দোলা দে।

ফরিদপুর থেকে খুলনা এনে পুলিশের ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কাছে হস্তান্তরের আগ পর্যন্ত রহিমা বেগমের দেখভালের দায়িত্বেও ছিলেন দোলা।

পুলিশের এই কর্মকর্তা উদ্ধার অভিযান ও পরবর্তী ঘটনা সম্পর্কে কথা বলেছেন নিউজবাংলার সঙ্গে।

দোলা জানান, ফরিদপুর থেকে নিয়ে আসার পর দৌলতপুর থানা পুলিশের হেফাজতে থাকার সময় পুলিশের কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে কোনো কথা বলেননি রহিমা। তবে মাঝেমধ্যে ইশারায় কিছু যোগাযোগ হয়েছে এসআই দোলার সঙ্গে।

তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যায় থানা থেকে আমাকে ফোন করে জানায় একটি উদ্ধার অভিযানে যেতে হবে। আমরা রেডি হয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রওনা হই। কোথায় কী অভিযানে যেতে হচ্ছে, তা থানা থেকে আগে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি।

‘মাঝপথে গিয়ে জানতে পারি আমরা নিখোঁজ রহিমা বেগমকে উদ্ধার করতে ফরিদপুরে যাচ্ছি।’

এসআই দোলার সঙ্গে রহিমার রাতভর ইশারাভাষা
দৌলতপুর থানার থানার উপপরিদর্শক দোলা দে

দোলা বলেন, ‘রাত সাড়ে ১০টার দিকে আমরা ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামে পৌঁছাই। সেখান থেকে সোজা চলে যাই কুদ্দুস মোল্লার বাড়িতে। তাৎক্ষণিক দলের সবাই প্রবেশ করি কুদ্দুস মোল্লার ঘরে।

‘সেখানে রহিমা বেগম আরও তিনজন নারীর সঙ্গে বসে গল্প করছিলেন। দৌলতপুর থানার ওসি নজরুল ইসলামকে রহিমা বেগম আগে থেকেই চিনতেন। হঠাৎ ওসিকে দেখে তিনি হতবাক হয়ে যান।

‘আমরা রহিমা বেগমকে নিজেদের হেফাজতে নিই। পরে ওই বাড়ির তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করি।’

এসআই দোলা বলেন, ‘রাত ১১টার কাছাকাছি সময়ে আমরা ফরিদপুর থেকে খুলনার উদ্দেশে রওনা হই। গাড়িতে আমার ডান সাইডে বসেছিলেন রহিমা বেগম। সিনিয়র স্যাররা রহিমা বেগমকে নানা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেন। তবে কোনো প্রশ্নেরই তিনি উত্তর দেননি।’

পুলিশের দলটি মধ্যরাতের পর খুলনা পৌঁছায়।

দোলা বলেন, ‘রাত ২টা ১০ মিনিটের দিকে আমরা দৌলতপুর থানায় পৌঁছাই। সেখানে ডিসি স্যার সাংবাদিকদের ব্রিফ করার পর থানায় রহিমা বেগমকে আমার সঙ্গে রেখে দেন।’

‘রাতে তাকে আমি নিজের মায়ের মতো সেবাযত্ন করি। নানাভাবে তার আত্মগোপনের কথা জানতে চাই। একপর্যায়ে তাকে বলি, আমি তো আপনার মেয়ের মতো, কাল সকালে তো মেয়েদের কাছে আপনাকে দিয়ে দেয়া হবে। তাদের তো সব বলবেন, আমাকে কিছু বলেন।

‘তখন তিনি মাথা ইশারা করে আমাকে জানান, মেয়েদের কাছে যেতে চান না। তাহলে কী স্বামীর কাছে যেতে চান- এই প্রশ্ন করি। সেটাও তিনি চান না জানিয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরেন এবং ১০ থেকে ১৫ মিনিট কাঁদতে থাকেন।’

এসআই দোলার সঙ্গে রহিমার রাতভর ইশারাভাষা
থানায় রাতভর রহিমা বেগমের দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন এসআই দোলা দে

দোলা বলেন, ‘এরপর নানাভাবে সান্ত্বনা দেয়ার পর তিনি (রহিমা) কান্না থামিয়ে নামাজ পড়তে চান। রাতটি তাকে নিয়েই আমি নির্ঘুম কাটিয়েছি।’

এসআই দোলা বলেন, ‘সকালে ওসি স্যারের নির্দেশে তাকে (রহিমা) নিয়ে যাই সোনাডাঙ্গার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে। সেখানে তার মেয়েরা দেখা করতে এসেছিল। তবে রহিমা বেগম কিছুতেই মেয়েদের সঙ্গে দেখা করতে রাজি ছিলেন না। একপর্যায়ে আমার অনুরোধে তিনি জানালার কাছে গিয়ে দাঁড়ান। মেয়েরা তাকে মা বলে ডাক দিলে আবার ভেতরে চলে যান।’

এর কিছু সময় পর রহিমা বেগমকে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার থেকে পিবিআই কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

আরও পড়ুন:
দালাল সাংবাদিকরা যে যা লিখে দিল: মরিয়ম
উদ্ধারের পর নিশ্চুপ মরিয়মের মা, আশ্রয়দাতারা হেফাজতে
মরিয়মের ডিএনএ টেস্টের প্রস্তুতির মধ্যেই মাকে উদ্ধার পুলিশের
মায়ের আত্মগোপনে মরিয়ম মান্নানও জড়িত!
মরিয়ম মান্নানের মাকে উদ্ধার, ছিলেন আত্মগোপনে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
10 accused in militant robbery case remanded for 5 more days

জঙ্গি ছিনতাই মামলায় ১০ আসামি আরও ৫ দিনের রিমান্ডে

জঙ্গি ছিনতাই মামলায় ১০ আসামি আরও ৫ দিনের রিমান্ডে সিসিটিভি ফুটেজে আদালত থেকে জঙ্গিদের পালানোর দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত
বৃহস্পতিবার তাদের ১০ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য পুনরায় তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) পরিদর্শক মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ। ঢাকা মহানগর হাকিম শফি উদ্দিনের আদালতে এ রিমান্ড শুনানি হয়।

ঢাকার বিচারিক আদালত প্রাঙ্গণ থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা মামলায় ১০ আসামিকে ফের পাঁচ দিন করে রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার তাদের ১০ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য পুনরায় তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) পরিদর্শক মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ।

ঢাকা মহানগর হাকিম শফি উদ্দিনের আদালতে এ রিমান্ড শুনানি হয়।

এর আগে গত ২০ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম শফি উদ্দিন তাদের ১০ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।

আসামিরা হলেন শাহীন আলম ওরফে কামাল, শাহ আলম ওরফে সালাউদ্দিন, বি এম মজিবুর রহমান, সুমন হোসেন পাটোয়ারী, আরাফাত রহমান, খাইরুল ইসলাম ওরফে সিফাত, মোজাম্মেল হোসেন, শেখ আব্দুল্লাহ, আ. সবুর, রশিদুন্নবী ভূঁইয়া প্রমুখ।

গত ২০ নভেম্বর ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত প্রাঙ্গণ থেকে দুই জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় ২০ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা করেন পুলিশ পরিদর্শক জুলহাস উদ্দিন আকন্দ। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়।

সেদিন সকালে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার ১২ আসামিকে কাশিমপুর-২ কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে ঢাকার আদালতে আনা হয়।

সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকার প্রসিকিউশন বিভাগে আসামিদের হাজিরা দেয়ার জন্য সিজেএম আদালত ভবনে সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনাল-৮-এ নিয়ে যাওয়া হয়। মামলার শুনানি শেষে জামিনে থাকা দুই আসামি মো. ঈদী আমিন ও মেহেদী হাসান অমি ওরফে রাফি আদালত থেকে বের হয়ে যান।

পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কোর্টের শুনানি শেষে প্রথমে চারজনকে নিচে নামিয়ে আনা হয়। দুটি হাতকড়া দিয়ে দুজনকে আটকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বাকি আসামিরা তখন ওপরে ছিলেন।

‘চারজনের মধ্যে মইনুল হাসান ও আবু সিদ্দিককে জঙ্গিরা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তবে মো. আরাফাত ও মো. সবুরকে নিতে পারেনি। জঙ্গিরা পেপার স্প্রে ব্যবহার করে। এতে একজন সিকিউরিটি গার্ড, একজন পুলিশ সদস্যসহ কয়েকজন সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হন।’

আরও পড়ুন:
জঙ্গি ছিনতাই মামলায় একজনের আত্মসমর্পণ, চার দিনের রিমান্ড
২৯ বছর ধরে ঝুলে থাকা মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ
‘কারাবন্দি জঙ্গি ও ছিনতাই টিম সমন্বয় করেন অমি’
জঙ্গি ছিনতাই মামলায় গ্রেপ্তার মেহেদী ৭ দিনের রিমান্ডে
জঙ্গি আরাফাতকে ছিনিয়ে নেয়াই ছিল মূল লক্ষ্য

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Reinvestigation of money laundering case against Falu on February 23

ফালুর বিরুদ্ধে অর্থ পাচার মামলার পুনঃ তদন্ত ২৩ ফেব্রুয়ারি

ফালুর বিরুদ্ধে অর্থ পাচার মামলার পুনঃ তদন্ত ২৩ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা পরিষদের সাবেক সদস্য মোসাদ্দেক আলী ফালু। ছবি: সংগৃহীত
অফশোর কোম্পানি খুলে ১৮৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা দুবাইয়ে পাচারের অভিযোগে ফালুসহ চার ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়।

দুবাইয়ে প্রায় ১৮৪ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা পরিষদের সাবেক সদস্য মোসাদ্দেক আলী ফালুসহ তিনজনের বিরুদ্ধে করা মামলায় পুনঃ তদন্তের আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ সৈয়দ কামাল হোসেনের আদালত এ আবেদন মঞ্জুর করে। মামলার পুনঃ তদন্ত প্রতিবেদন জমার জন্য ২৩ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করেছে আদালত।

গত ২৭ অক্টোবর একই আদালতে এই আবেদন করেছিলেন দুদকের আইনজীবী মীর আহম্মদ আলী সালাম।

২০২১ সালের ১৩ ডিসেম্বর ফালুসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ করে আদালত। এ সময় ফালু পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

অন্য দুই আসামি হলেন আরএকে সিরামিকসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এ কে একরামুজ্জামান ও স্টার সিরামিকস প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক সৈয়দ এ কে আনোয়ারুজ্জামান।

স্টার সিরামিকস প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক আমির হোসাইনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে অব্যাহতি দেয়ার আবেদন করা হয়েছে।

অফশোর কোম্পানি খুলে ১৮৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা দুবাইয়ে পাচারের অভিযোগে ফালুসহ চার ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়।

২০১৯ সালের ১৩ মে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করেন।

দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১০ সালে মোসাদ্দেক আলী ফালু, একরামুজ্জামান, আনোয়ারুজ্জামান ও আমির হোসাইন দুবাইয়ে আল মদিনা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ও থ্রি স্টার লিমিটেড নামে অফশোর কোম্পানি খোলেন। পরে তারা বাংলাদেশে ‘দুর্নীতির মাধ্যমে’ অর্জিত ১৮৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা দুবাইয়ে পাচার করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, দুবাইয়ে ওই অর্থ উর্পাজনের কোনো উৎস তারা দেখাতে পারেননি। ওই টাকা কীভাবে উপার্জন করা হয়েছে তার কোনো তথ্যপ্রমাণও তাদের কাছে নেই।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, দুবাইয়ে ব্যবসা করার কথা তারা বাংলাদেশ ব্যাংককে কখনও জানাননি বা কোনো ধরনের অনুমতি নেননি।

দুদকের অভিযোগ, বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় ফালু ক্ষমতার অপব্যবহার করে দেশে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করে অফশোর কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেন।

আরও পড়ুন:
ফালুর বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মামলায় ফের তদন্তের আবেদন
ফালুর দখল করা জমি উদ্ধার, ঠিকানা পেল ৬৪ পরিবার
অর্থ পাচারের মামলায় ফালুর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

মন্তব্য

বাংলাদেশ
High Court decision not to take check dishonor case stayed

চেক ডিজঅনার মামলা না নিতে হাইকোর্টের রায় স্থগিত

চেক ডিজঅনার মামলা না নিতে হাইকোর্টের রায় স্থগিত প্রতীকী ছবি
আদালত আগামী দুই মাসের জন্য হাইকোর্টের রায় স্থগিত করে মামলার আসামিদের জামিন বহাল রেখেছে।

ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের করা চেক ডিজঅনার মামলা না নিতে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছে আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীসহ পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালত আগামী দুই মাসের জন্য হাইকোর্টের রায় স্থগিত করে মামলার আসামিদের জামিন বহাল রেখেছে।

আদালতে ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। অন্যদিকে ছিলেন আব্দুল্লা আল বাকী।

ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের করা চেক ডিজঅনার (চেক প্রত্যাখ্যান) মামলা না নিতে এবং এ সংক্রান্ত সব মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে গত ২৩ নভেম্বর রায় দেয় হাইকোর্ট। ওই রায় স্থগিত চেয়ে আপিলে আবেদন করে ব্র্যাক ব্যাংক।

পরে চেম্বার জজ আদালত ওই আবেদনের শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেয়।

ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ আদায়ের জন্য শুধুমাত্র ২০০৩ সালের অর্থঋণ আইনের বর্ণিত উপায়ে অর্থঋণ আদালতে মামলা করতে পারবে বলে রায় দেয় হাইকোর্ট।

রায়ে নিম্ন আদালতের প্রতি নির্দেশনা দিয়ে হাইকোর্ট বলে, ‘আজ থেকে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান যদি চেক ডিজঅনার মামলা করে তাহলে আদালত তা সরাসরি খারিজ করে দেবেন। একইসঙ্গে তাদেরকে ঋণ আদায়ের জন্য অর্থঋণ আদালতে পাঠিয়ে দেবেন।’

এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরকে নির্দেশ দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
চেক ডিজঅনার মামলায় হাইকোর্টের রায় চেম্বার আদালতে স্থগিত
চেক ডিজঅনারে জেলে পাঠানো সংবিধান পরিপন্থি, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
One person was hanged in Kashimpur jail in the freedom fighter murder case

বীর মুক্তিযোদ্ধা হত্যা: কাশিমপুর কারাগারে একজনের ফাঁসি কার্যকর

বীর মুক্তিযোদ্ধা হত্যা: কাশিমপুর কারাগারে একজনের ফাঁসি কার্যকর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২। ছবি: নিউজবাংলা
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর সিনিয়র জেল সুপার আমিরুল ইসলাম জানান, সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার রাত ১১টা ১ মিনিটে ফাঁসি কার্যকর করা হয়। ওই সময় কারাগারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নারায়ণগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দীন মেম্বার হত্যা মামলায় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এ বন্দি এক আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর সিনিয়র জেল সুপার আমিরুল ইসলাম জানান, সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার রাত ১১টা ১ মিনিটে ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। ওই সময় কারাগারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও জানান, ফাঁসি কার্যকর হওয়া ৪৭ বছর বয়সী কামাল ওরফে এক্সেল কামাল নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার কোতোয়ালেরবাগ এলাকায় থাকতেন।

কারা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ২০০৪ সালে নারায়ণগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দীন মেম্বার হত্যা মামলায় ২০০৬ সালে নারায়ণগঞ্জ জেলা দায়রা জজ আদালত কামালকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। পরে হাইকোর্ট তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে।

ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে আপিল বিভাগও মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে। পরে আপিল বিভাগে রিভিউ আবেদন করা হলে গত ২৮ এপ্রিল সেটিও খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে সর্বোচ্চ আদালত। সবশেষে আসামি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করলে গত ১ নভেম্বর তা নাকচ হয়।

আরও পড়ুন:
সাড়ে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যায় আসামির মৃত্যুদণ্ড
আয়াতের দেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার
বরিশালে অভিমান করে স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা
গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা
গৃহবধূ হত্যার ১৬ বছর পর ৬ আসামির যাবজ্জীবন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Erteza editor of Bhorer Pata is on permanent bail

ভোরের পাতার সম্পাদক এরতেজার স্থায়ী জামিন

ভোরের পাতার সম্পাদক এরতেজার স্থায়ী জামিন ‘দৈনিক ভোরের পাতা’র সম্পাদক ড. কাজী এরতেজা হাসান। ফাইল ছবি
এ দিন এরতেজা হাসান আইনজীবীর মাধ্যমে স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে। জালিয়াতি ও প্রতারণার এ মামলায় তিনি ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জামিনে ছিলেন।

জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলায় ‘দৈনিক ভোরের পাতা’র সম্পাদক ড. কাজী এরতেজা হাসানকে স্থায়ী জামিন দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম আহম্মেদ হুমায়ুন কবিরের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার দিন ঠিক করা ছিল। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা না দেয়ায় আগামী ১ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন জমার পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেন বিচারক।

এ দিন এরতেজা হাসান আইনজীবীর মাধ্যমে স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে।

এ মামলায় তিনি ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জামিনে ছিলেন। গত ৭ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম মেহেদী হাসান ২০ হাজার টাকা মুচলেকায় এরতেজা হাসানের ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেছিলেন।

গত ১ নভেম্বর রাতে রাজধানীর গুলশানে ‘ইভা রোজ’ নামের একটি বাড়ি থেকে এরতেজাকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। পরে কল্যাণপুরে পিবিআই কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাকে।

পিবিআই জানায়, আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের ভাই সাইফুল ইসলাম গত ১০ জানুয়ারি জালিয়াতি ও প্রতারণার একটি মামলা করেন।

খিলক্ষেত থানার করা মামলায় আসামিদের মধ্যে আছেন নর্দান ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ আব্দুল্লাহ, রিয়াজুল আলম ও সেলিম মুন্সী। তদন্তের একপর্যায়ে এরতেজার নাম আসে।

মামলায় বলা হয়, নর্দান ইউনিভার্সিটির জন্য দক্ষিণখানে আশিয়ান সিটি প্রজেক্টে ৫ বিঘা জমি কেনার জন্য একটি চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী ৫০ কোটি টাকা দেয়ার কথা ছিল। প্রথম দফায় ৩০ কোটি টাকা দেয় নর্দান কর্তৃপক্ষ। বাকি টাকা পরিশোধ না করেই আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের সই জাল করে জমির রেজিস্ট্রি করা হয়। এ সময় জমির মূল্য দেখানো হয় ৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।

জালিয়াতির এ মামলায় আসামি আবু ইউসুফ আব্দুল্লাহ ও রিয়াজুল আলমকে এর আগে গ্রেপ্তার করে পিবিআই।

দৈনিক ভোরের পাতা সম্পাদনার পাশাপাশি বেশ কিছু সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত সিআইপি মর্যাদা পাওয়া এরতেজা হাসান।

তিনি ভোরের পাতা গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারপারসন। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফ্ল্যাঞ্চাইজি রংপুর রাইডার্সের প্রেসিডেন্টও ছিলেন।

কাজী এরতেজা ব্যবসায়ীদের সংগঠন দ্য ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বার্স অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) পরিচালক। তিনি ইরান-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।

আরও পড়ুন:
ভোরের পাতার সম্পাদক এরতেজার জামিন
রিমান্ড শেষে কারাগারে ভোরের পাতা সম্পাদক এরতেজা
ভোরের পাতা সম্পাদক এরতেজা রিমান্ডে
ভোরের পাতা সম্পাদক এরতেজাকে রিমান্ডে চায় পিবিআই

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Letters to two organizations asking for investigation into Islami Banks terrible November

ইসলামী ব্যাংকে ‘ভয়ংকর নভেম্বর’: তদন্ত চেয়ে দুই সংস্থাকে চিঠি

ইসলামী ব্যাংকে ‘ভয়ংকর নভেম্বর’: তদন্ত চেয়ে দুই সংস্থাকে চিঠি রাজধানীর দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংক টাওয়ার। ছবি: সংগৃহীত
চিঠিতে বলা হয়, ‘বর্তমানে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করছে। এই ধরনের অসাধু লেনদেন আর্থিক ব্যবস্থাপনায় অধিকতর অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের গ্রাহকসহ জনগণ ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার সমূহ আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।’

ইসলামী ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাটের ঘটনায় তদন্ত চেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের তিন আইনজীবীসহ পাঁচ গ্রাহক।

বৃহস্পতিবার দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বাংলাদেশ ফিন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) বরাবর এ চিঠি পাঠানো হয়।

চিঠি দানকারী পাঁচজন হলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির, আব্দুল্লাহ সাদিক, মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ এবং দুই গ্রাহক যায়েদ বিন আমজাদ ও শায়খুল ইসলাম ইমরান।

গত ২৪ নভেম্বর ‘ইসলামী ব্যাংকে ভয়ংকর নভেম্বর’ শিরোনামের প্রতিবেদনে প্রথম আলো জানায়, চলতি বছর আটটি প্রতিষ্ঠানের নামে ইসলামী ব্যাংক থেকে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা তুলে নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা তুলে নেয়া হয় ১ থেকে ১৭ নভেম্বরের মধ্যে। এ কারণে ব্যাংকটির কর্মকর্তারা চলতি মাসকে ‘ভয়ংকর নভেম্বর’ বলছেন।

সেই সঙ্গে ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ী, এস আলম গ্রুপ একাই ৩০ হাজার কোটি টাকা নিয়মবহির্ভূতভাবে লেনদেন করেছে।

এসব ঋণের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানানো হয়েছে চিঠিতে।

চিঠিতে বলা হয়, ‘আমরা নিম্ন স্বাক্ষরকারীরা ইসলামী ব্যাংকের নিয়মিত গ্রাহক। ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় আমাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। আমরা সাধ্যমতো ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে লেনদেন করি। সূত্রে উল্লেখিত পত্রিকার রিপোর্টে ইসলামী ব্যাংকের নিয়মবহির্ভূত লেনদেন প্রতিভাত হয়েছে। জামানত ছাড়া ঋণপ্রদান, নামসর্বস্ব কোম্পানিকে ঋণ প্রদানের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠে এসেছে। ব্যাংকের কর্মচারীসহ প্রত্যক্ষদর্শী, ব্যবসায়ী ও সুধীজনের ভাষ্য মতে, রিপোর্টে উল্লেখিত সংখ্যার চেয়ে প্রকৃত অসাধু লেনদেনের পরিমাণ আরও অনেক গুণ বেশি।’

চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘স্বীকৃত মতে, বর্তমানে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করছে। এই ধরনের অসাধু লেনদেন আর্থিক ব্যবস্থাপনায় অধিকতর অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের গ্রাহকসহ জনগণ ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার সমূহ আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমনকি দেশের সর্বোচ্চ আদালত অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছে।’

বিষয়গুলো আমলে নিয়ে অনুসন্ধান করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে চিঠিতে। একই সঙ্গে তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ নেয়ারও অনুরোধ করা হয়।

আরও পড়ুন:
‘শক্তিশালী ব্যাংকের’ স্বীকৃতি পেল ইসলামী ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংককে নিষেধাজ্ঞা ৮ প্রতিষ্ঠানের ঋণে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Investigation report against cricketer Al Amin has been delayed again

ফের পেছাল ক্রিকেটার আল আমিনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন

ফের পেছাল ক্রিকেটার আল আমিনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ক্রিকেটার আল আমিন হোসেন। ফাইল ছবি
স্ত্রী ইশরাত জাহানের অভিযোগ, তাকে অত্যাচার করে বাসা থেকে বের করে দেন আল আমিন। দীর্ঘদিন ধরে তার ওপর এমন অত্যাচার চালাচ্ছেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ‘আল আমিন একটা মেয়ের সঙ্গে থাকে। এ জন্য তাকে বাসা থেকে বের করে দিয়েছেন।’

পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ আইনে স্ত্রী ইসরাত জাহানের করা মামলায় জাতীয় ক্রিকেট দলের পেসার আল আমিন হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার তারিখ পিছিয়ে আগামী ২ জানুয়ারি ঠিক করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম আতাউল্লাহর আদালতে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য দিন ঠিক ছিল। কিন্তু এদিন তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় নতুন এ দিন ঠিক করেন বিচারক।

গত ২ সেপ্টেম্বর মিরপুর মডেল থানায় আল আমিনের বিরুদ্ধে স্ত্রী ইসরাত জাহানের করা অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নথিভুক্ত করা হয়।

ইশরাত জাহানের অভিযোগ তাকে অত্যাচার করে বাসা থেকে বের করে দেন আল আমিন। দীর্ঘদিন ধরে তার ওপর এমন অত্যাচার চালাচ্ছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘আল আমিন একটা মেয়ের সঙ্গে থাকে। এ জন্য তাকে বাসা থেকে বের করে দিয়েছেন।’

মামলায় ইসরাত তার দুই সন্তানসহ বাসায় শান্তিপূর্ণভাবে থাকার অধিকারসহ মাসিক ভরণপোষণ দাবি করেছেন। জীবন ধারণের জন্য ৪০ হাজার, দুই সন্তানের ভরণ-পোষণ ও ইংলিশ মিডিয়ামে লেখাপড়া বাবদ মাসে ৬০ হাজার টাকা আল-আমিনের কাছে পাওয়ার হকদার বলে দাবি করেন তিনি।

মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর ইসরাত জাহান ও আল আমিনের বিয়ে হয়। তাদের দুটি ছেলে রয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরে আল আমিন স্ত্রী ও সন্তানদের খোঁজখবর নেন না এবং ভরণপোষণও দেন না।

এতে আরও বলা হয়, গত ২৫ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে আল আমিন বাসায় এসে স্ত্রীর কাছে যৌতুকের জন্য ২০ লাখ টাকা দাবি করেন। ইসরাত টাকা দিতে অস্বীকার করলে আল আমিন তাকে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেন, সংসার করবেন না বলেও জানান।

ইসরাত তখন ৯৯৯ নম্বরে কল করে সাহায্য চাইলে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন ইসরাত জাহান। এ ঘটনায় ১ সেপ্টেম্বর মিরপুর মডেল থানায় মামলাও হয়।

মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, সর্বশেষ গত ৩ সেপ্টেম্বর আল আমিন তার মায়ের মাধ্যমে জানান, ইসরাতের সঙ্গে সংসার করবেন না; সন্তানদের ভরণপোষণও দেবেন না। প্রয়োজনে বাসা থেকে বের করে দিয়ে স্ত্রীকে তালাক দেবেন।

বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের কারণে আল আমিন এমনটি করেছেন বলে মামলার বিবরণে দাবি করেন ইসরাত জাহান।

আরও পড়ুন:
ক্রিকেটার আল-আমিনের আদালত বদলির আবেদন নাকচ
স্ত্রীর মামলায় ক্রিকেটার আল আমিনের তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল
স্ত্রীর মামলায় আল আমিনের স্থায়ী জামিন

মন্তব্য

p
উপরে