× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Pathashishu Foundation gave new clothes to 50 children
hear-news
player
google_news print-icon

৫০ শিশুকে নতুন পোশাক দিল পথশিশু ফাউন্ডেশন

৫০-শিশুকে-নতুন-পোশাক-দিল-পথশিশু-ফাউন্ডেশন
পথশিশু ফাউন্ডেশন নীলফামারী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বুলেট জানান, দুর্গোৎসব উপলক্ষে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে নতুন পোশাক বিতরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে জেলা সদরের কুন্দপুকুর ইউনিয়নে ৫০টি শিশুর মাঝে পোশাক বিতরণ করা হয়েছে।

শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে দরিদ্র পরিবারের ৫০ শিশুর মাঝে নতুন পোমাক বিতরণ করেছে পথশিশু ফাউন্ডেশন নীলফামারী জেলা শাখা।

শনিবার বিকেলে সদর উপজেলার কুন্দপুকুর ইউনিয়নের নিজপাড়া এলাকায় সুবিধাবঞ্চিত এসব শিশুর মাঝে নতুন পোশাক বিতরণ করা হয়।

সংগঠনটির সভাপতি সাগর রায়, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বুলেট, সিনিয়র সহ-সভাপতি ময়নুল ইসলাম ও সহ-সভাপতি নেপাল রায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পথশিশু ফাউন্ডেশন নীলফামারী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বুলেট জানান, শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে নতুন পোশাক বিতরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে জেলা সদরের কুন্দপুকুর ইউনিয়নে ৫০টি শিশুর মাঝে নতুন পোশাক বিতরণ করা হয়। অন্যান্য উপজেলায়ও এমন কর্মসূচি রয়েছে।

আরও পড়ুন:
পথশিশুর লিঙ্গ কর্তন
ভাইরাল হওয়ায় গতি মারুফের, সঙ্গীদের কী হবে
জাতীয় সেবায় পথশিশুদের অগ্রাধিকারের আহ্বান
পথশিশু সেই মারুফ এখন মায়ের কোলে
ভাইরাল সেই পথশিশু মারুফ এখন হাসছে, খেলছে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
No opportunity to seize power at gunpoint Deepu Moni

বন্দুকের নল ঠেকিয়ে ক্ষমতা দখলের সুযোগ নেই: দীপু মনি

বন্দুকের নল ঠেকিয়ে ক্ষমতা দখলের সুযোগ নেই: দীপু মনি মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ছবি: নিউজবাংলা
‘নির্বাচনকে সামনে রেখে যারা শান্তি-শৃঙ্খলা, উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথ বন্ধ করতে চায়, তারা একাত্তরের হত্যাকারী ধর্ষণকারী, লুন্ঠনকারী, যুদ্ধাপরাধের দোসর। পঁচাত্তরের হত্যাকারী, ২১ আগস্টের হত্যাকারী, অগ্নিসন্ত্রাসী। তারাই আবার উদ্যত হয়েছে।’

বিএনপি যদি দেশ পরিচালনার দায়িত্বে যেতে চায় তাহলে জনগণের ভোটে সে দায়িত্বে আসতে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। বলেছেন, অতীতের মতো বন্দুকের নল ঠেকিয়ে ক্ষমতা দখলের সুযোগ নেই।

নাশকতা বা দেশের মানুষের জানমালের ক্ষতি করার চেষ্টা করলে সরকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিহত করবে বলেও জানিয়ে দেন তিনি।

রোববার মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখান উপজেলার ইসলামপুর কামিল মাদ্রাসার নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে উপজেলা পরিষদ কার্যালয় পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

এক প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের জন্ম হয়েছে মানুষের অধিকার আদায়ের মধ্য দিয়ে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ভাষার অধিকার, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে। আওয়ামী লীগের মাধ্যমে উন্নয়ন প্রথমে বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে এখন তার কন্যা শেখ হাসিনার হাত ধরে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে সামনে রেখে যারা শান্তি-শৃঙ্খলা, উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথ বন্ধ করতে চায়, তারা একাত্তরের হত্যাকারী ধর্ষণকারী, লুন্ঠনকারী, যুদ্ধাপরাধের দোসর। পঁচাত্তরের হত্যাকারী, ২১ আগস্টের হত্যাকারী, অগ্নিসন্ত্রাসী। তারাই আবার উদ্যত হয়েছে।’

জেলা প্রশাসক নাহিদ রসুল, পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান আল-মামুন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ লুৎফর রহমান, সিরাজদিখান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফুল আলম তানভীর, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসনিম আক্তারও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
মানসম্মত শিক্ষা অনেক বড় চ্যালেঞ্জ: দীপু মনি
সিঙ্গাপুরের সঙ্গে বাংলাদেশের তুলনা চলে না: দীপু মনি
ডিসেম্বরের মধ্যে পাঠ্যবই সরবরাহ না দিলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
মেয়েদের আকাশ হোক মুক্ত: দীপু মনি
পর্যটনে আতিথেয়তা বাড়ানোয় জোর দেয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Disappointment of Sakku Kaiser State over assembly at Comilla

কুমিল্লায় সমাবেশ নিয়ে সাক্কু-কায়সারের রাজ্যের হতাশা

কুমিল্লায় সমাবেশ নিয়ে সাক্কু-কায়সারের রাজ্যের হতাশা বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা ও কুমিল্লা সিটির সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু (বায়ে) এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ও আরেক বহিষ্কৃত নেতা নিজাম উদ্দিন কায়সার।
গত ১৫ জুন দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নেন এই দুই নেতা, যদিও বিএনপির সিদ্ধান্ত এমন যে বর্তমান সরকারের আমলেও নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো ভোটে অংশ নেবে না তারা। শনিবারের সমাবেশে কেন্দ্রীয় নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণে আপ্রাণ চেষ্টা করেন তারা। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি।

দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বহিষ্কৃত হলেও শনিবারের সমাবেশকে সফল করতে শ্রম কম দেননি মনিরুল হক সাক্কু ও নিজামউদ্দিন কায়সার। আশা ছিল, তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত পাল্টাবে দল। কিন্তু সেটি হয়নি আর এতে হতাশ এই দুই নেতা ও তাদের হাজারো অনুসারী।

এই সমাবেশকে ঘিরে দুই নেতা গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ছিলেন তৎপর। দিন রাত এক করেছেন সমাবেশ সফল করতে। সমাবেশের দিন সমাবেশস্থলেও যান অনুসারীদের নিয়ে। তবুও মন পেলেন না কেন্দ্রীয় নেতাদের।

কিন্তু যে আশায় এত চেষ্টা, সেই আশায় গুড়েবালি। তাদের নাম মুখেও আনেননি কেন্দ্রীয় নেতারা।

শনিবার কুমিল্লা টাউনহল ময়দানে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ শুরু হয় সকাল ১০ টায়। জমায়েতের পূর্বপাশে নেতাকর্মীদের নিয়ে অবস্থান নেন বহিষ্কৃত নেতা ও সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু। মঞ্চের ঠিক ৩০ গজ সামনে অবস্থান নেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ও আরেক বহিষ্কৃত নেতা নিজাম উদ্দিন কায়সার।

গত ১৫ জুন দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নেন এই দুই নেতা, যদিও বিএনপির সিদ্ধান্ত এমন যে, বর্তমান সরকারের আমলেও নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো ভোট অংশ নেবে না তারা।

দল কাউকে প্রতীক না দিলেও দুই জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে অংশ নেন ভোটে। সাক্কু ও কায়সারের মধ্যে ভোট ভাগাভাগির সুযোগে অল্প ভোটে জিতে যান নৌকার প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত। সাক্কু তার চেয়ে ভোট কম পেয়েছে ৩৪৩টি। অন্যদিকে কায়সার ভোট পান ২৯ হাজার ৯৯টি। অর্থাৎ একক প্রার্থী থাকলে সাক্কু বড় ব্যবধানে আবার জিততে পারতেন।

সেই ভোটের পাঁচ মাসেও বহিষ্কারাদেশ তোলেনি বিএনপি। এরই মধ্যে কুমিল্লায় ডাকা হয় সমাবেশ। সাক্কু সব সময় বলে থাকেন, বিএনপি তাকে দল থেকে বের করে দিলেও তিনি দলেই আছেন।

এই সমাবেশ নিয়ে তৎপরতা বর্ণনা করে নিউজবাংলাকে কুমিল্লার সাবেক মেয়র বলেন, ‘মাসব্যাপী প্রচারণা, লিফলেট বিতরণ, মিছিল করেছি। দূর থেকে আসা নেতাকর্মীদেরকে ৭৮টি ফ্ল্যাটে থাকার ব্যবস্থা করেছি। দলকে ভালোবাসি বলেই এত কিছু করি। দল আমাকে ছাড়লেও আমি দলকে ছাড়তে পারব না।’

সমর্থকরা আশা করছিলেন, সাক্কুকে মঞ্চে না টানলেও তার সাক্কুর উপস্থিতি নজরে আনবেন কেন্দ্রীয় নেতারা। কিন্তু তারা সাবেক মেয়র নিয়ে কিছু বলেননি, তাকে ডেকে কথাও বলেননি।

সাক্কু বলেন, ‘আমার সঙ্গে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের কথা হয়। তারা আমাকে বলেছেন দলের জন্য কাজ করতে। আমি কাজ করছি এবং আগামীতেও করব। তবে গতকাল সমাবেশে আমি আশা করেছিলাম তারা আমার নাম নেবে। এটা হয়নি। তবে আমার বিশ্বাস কেন্দ্রীয় নেতারা একদিন আমার কাজের মূল্যায়ন করে আমার বহিষ্কারাদেশশ প্রত্যাহার করে নেবে।’

সেদিন মঞ্চের সামনে জাতীয় পতাকা নেড়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের দৃষ্টি কাড়ার চেষ্টা করেন নিজাম উদ্দিন কায়সার। তার অনুসারীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্লোগানও দিতে থাকেন। কিন্তু বেলা ১১ টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ছয় ঘণ্টায় একবারের জন্যও কায়সারের নামও মুখে নেননি তারা।

কায়সার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি বিএনপির রাজনীতি করি। নির্বাচনের জন্য আমাকে বহিষ্কার করেছে। কী পরিস্থিতিতে নির্বাচন করেছি সবাই জানে, দলকেও বিষয়টি জানিয়েছি। সমাবেশে গিয়েছি বিএনপির কর্মী হিসেবে।’

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লা বুলু, আন্তর্জাতিক সম্পাদক রুমিন ফারহানা চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জসিম উদ্দিন। সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।

আরও পড়ুন:
কুমিল্লার সমাবেশে শতাধিক ফোন চুরির অভিযোগ
কোরআন গীতা ত্রিপিটক পাঠে শুরু কুমিল্লায় বিএনপির সমাবেশ
কুমিল্লায় খালেদার পাশে তারেকের সম্মানেও চেয়ার
বিএনপির সমাবেশস্থলে মোবাইল ইন্টারনেট বিঘ্নিত
খুলনার বিএনপির সমাবেশে যাওয়ার পথে হামলায় আহত নেতার মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fire in Bhairab shoe market

ভৈরবে মার্কেটে আগুন

ভৈরবে মার্কেটে আগুন
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মো. আবুজর গিফারী জানান, মার্কেটের তৃতীয় তলায় জুতা ও প্লাস্টিকের দোকান আছে। সেখানেই আগুন লেগেছে।

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জুতার মার্কেটে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট।

উপজেলা পরিষদের সামনে রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হাজী মার্কেটের তৃতীয় তলায় আগুন লাগে।

কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মো. আবুজর গিফারী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মার্কেটের তৃতীয় তলায় জুতা ও প্লাস্টিকের দোকান আছে। সেখানেই আগুন লেগেছে। তবে এর সূত্রপাত এখনও জানা যায়নি।

আগুনে হতাহতের কোনো খবর এখনও পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
মানববন্ধনে তাজরীন ট্র্যাজেডিসহ শ্রমিক ‘হত্যাকাণ্ডের’ বিচার দাবি
চট্টগ্রামে বাটার শোরুমের আগুন নিয়ন্ত্রণে
চীনে কারখানায় আগুন, নিহত ৩৬
আগুনে দগ্ধ ছেলের মৃত্যু, বাবার মামলায় মা গ্রেপ্তার
উত্তরার বস্তিতে আগুন: পরিবারপ্রতি ৫ হাজার টাকা দেয়ার নির্দেশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chittagong port stalled due to shipping strike

নৌযান ধর্মঘটে স্থবির চট্টগ্রাম বন্দর

নৌযান ধর্মঘটে স্থবির চট্টগ্রাম বন্দর নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দর স্থবির হয়ে পড়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বন্দরের কার্যক্রমে স্বাভাবিকভাবেই শ্রমিক ধর্মঘটের প্রথম পড়বে। তবে কনটেইনার জাহাজ বা কনটেইনার কার্গোতে কোনো সমস্যা নেই। আউটার অ্যাংকরেজ (বহির্নোঙর) থেকে পণ্য লোড-আনলোড বন্ধ আছে।’

সারা দেশে নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দর স্থবির হয়ে পড়েছে। বন্দরে জাহাজের পণ্য লোড-আনলোড বন্ধ রয়েছে। অচলাবস্থার দেখা দিয়েছে বহির্নোঙরেও।

শনিবার রাত থেকে সারা দেশে নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘট শুরু হয়। রোববার সকাল থেকে বন্দরে লাইটারেজর জাহাজে লোড-আনলোড, সেইলিংসহ সব কার্যক্রম বন্ধ করে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেন শ্রমিকরা।

বাংলাদেশ লাইটার শ্রমিক ইউনিয়নের সহসভাপতি মোহাম্মদ নবী আলম বলেন, ‘নৌযান শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, নৌপথে চাঁদাবাজি বন্ধ, শ্রমিকদের পরিচয়পত্র প্রদানসহ ১০ দফা দাবিতে এই ধর্মঘট পালন করা হচ্ছে। রাতে কিছু কিছু শ্রমিক কাজ করলেও সকাল থেকে পুরোপুরি ধর্মঘট চলছে।’

শ্রমিকদের ১০ দফা দাবি হলো নৌযান শ্রমিকদের নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র, সার্ভিস বুক দেয়াসহ সর্বনিম্ন মজুরি ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ, খাদ্য ভাতা ও সমুদ্র ভাতার সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কন্ট্রিবিউটরি প্রভিডেন্ট ফান্ড ও নাবিক কল্যাণ তহবিল গঠন করা, দুর্ঘটনা ও কর্মস্থলে মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ ১০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা।

এ ছাড়াও রয়েছে চট্টগ্রাম থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহে দেশের স্বার্থবিরোধী প্রকল্প বাস্তবায়নে চলমান কার্যক্রম বন্ধ করা, বালুবাহী বাল্কহেড ও ড্রেজারের রাত্রিকালীন চলাচলের ওপর ঢালাও নিষেধাজ্ঞা শিথিল, নৌ-পথে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও ডাকাতি বন্ধ করা।

দাবির মধ্যে আরও রয়েছে ভারতগামী শ্রমিকদের ল্যান্ডিং পাস দেয়াসহ ভারতীয় সীমানায় হয়রানি বন্ধ করা, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য পরিবহন নীতিমালা শতভাগ কার্যকর করে সব লাইটার জাহাজকে সিরিয়াল মোতাবেক চলাচলে বাধ্য করা, চরপাড়া ঘাটে ইজারা বাতিল ও নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা বন্ধ করা।

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারাদেশে নৌ-শ্রমিকদের এই ধর্মঘট চলবে বলে জানান তিনি।

এই বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বন্দরের কার্যক্রমে স্বাভাবিকভাবেই শ্রমিক ধর্মঘটের প্রথম পড়বে। তবে কনটেইনার জাহাজ বা কনটেইনার কার্গোতে কোনো সমস্যা নেই। আউটার অ্যাংকরেজ (বহির্নোঙর) থেকে পণ্য লোড-আনলোড বন্ধ আছে।’

এর আগে ১১ নভেম্বর চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান ও পতেঙ্গা থানার ওসিকে প্রত্যাহারসহ ৫ দফা দাবিতে বন্দর নগরীতে সকাল-সন্ধ্যা ধর্মঘট পালন করেন লাইটারেজ জাহাজ শ্রমিকরা।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা বাড়ছে দেড়গুণ
চট্টগ্রাম-ইতালি সরাসরি পণ্যবাহী জাহাজ ফেব্রুয়ারিতে
এলসিএল কনটেইনার ডেলিভারিতে নানা সংকট
কনটেইনার ধারণক্ষমতা বাড়ল চট্টগ্রাম বন্দরের
পণ্য হ্যান্ডলিংয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের রেকর্ড

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bail granted to 12 farmers arrested for defaulting loans

খেলাপি ঋণে গ্রেপ্তার ১২ কৃষকের জামিন

খেলাপি ঋণে গ্রেপ্তার ১২ কৃষকের জামিন ঋণখেলাপি মামলায় গ্রেপ্তার ১২ কৃষককে জামিন দিয়েছে আদালত। রোববার আদালত প্রাঙ্গণ। ছবি: নিউজবাংলা
২০১৬ সালে ৩৭ জন প্রান্তিক কৃষকের একটি গ্রুপ বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংকের পাবনা জেলা কার্যালয় থেকে জনপ্রতি ২৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নেয়। ঋণখেলাপির দায়ে ২০২১ সালে ব্যাংকের পক্ষে তৎকালীন ম্যানেজার সৈয়দ মোজাম্মেল হক মাহমুদ বাদী হয়ে ৩৭ জনের নামে মামলা করেন।

পাবনার ঈশ্বরদীতে ঋণখেলাপি মামলায় গ্রেপ্তার ১২ কৃষককে জামিন দিয়েছে আদালত।

রোববার বেলা ১১টার দিকে পাবনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. শামসুজ্জামান এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে এই মামলার অন্য ২৫ আসামিকে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন তিনি।

জামিন পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন ঈশ্বরদীর ছলিমপুর ইউনিয়নের ভাড়ইমারি গ্রামের শুকুর প্রামাণিকের ছেলে ৫০ বছর বয়সী আলম প্রামাণিক, মনি মণ্ডলের ছেলে ৪৫ বছর বয়সী মাহাতাব মণ্ডল, মৃত কোরবান আলীর ছেলে ৫০ বছরের কিতাব আলী, হারেজ মিয়ার ছেলে ৪৩ বছরের হান্নান মিয়া, মৃত আবুল হোসেনের ছেলে ৪০ বছরের মোহাম্মদ মজনু, মৃত আখের উদ্দিনের ছেলে ৫০ বছরের মোহাম্মদ আতিয়ার রহমান, মৃত সোবহান মণ্ডলের ছেলে ৫০ বছরের আব্দুল গণি মণ্ডল, কামাল প্রামাণিকের ছেলে ৪৫ বছরের শামীম হোসেন, মৃত আয়েজ উদ্দিনের ছেলে ৪৩ বছরের সামাদ প্রামাণিক, মৃত সামির উদ্দিনের ছেলে ৪৫ বছরের নূর বক্স, রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে ৪৬ বছরের মোহাম্মদ আকরাম এবং লালু খাঁর ছেলে ৪০ বছরের মোহাম্মদ রজব আলী। গ্রেপ্তার সবাই প্রান্তিক কৃষক।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৬ সালে ৩৭ জন প্রান্তিক কৃষকের একটি গ্রুপ বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংকের পাবনা জেলা কার্যালয় থেকে জনপ্রতি ২৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নেয়। ঋণখেলাপির দায়ে ২০২১ সালে ব্যাংকের পক্ষে তৎকালীন ম্যানেজার সৈয়দ মোজাম্মেল হক মাহমুদ বাদী হয়ে ৩৭ জনের নামে মামলা করেন।

২৩ নভেম্বর পাবনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত পরোয়ানাভুক্ত ৩৭ জনের মধ্যে ১২ জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়।

কৃষকদের পরিবারের দাবি, ঋণ নেওয়ার পর এক বছরের মধ্যে অধিকাংশ কৃষক তাদের ঋণ পরিশোধ করে দিয়েছেন। তাদের পাস বই ও জমা স্লিপও রয়েছে। অথচ সেই অর্থ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা জমা না করে আত্মসাৎ করেছেন। ফলে তাদের হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে।

কৃষকরা জানান, গত বুধবার যখন কৃষকদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়, তখন তারা গাজরের ক্ষেতে কাজ করছিলেন। বাড়িতে ও বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ ১২ জনকে গ্রেপ্তার করে। বাকিরা গ্রেপ্তার আতঙ্কে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। তারা ঋণের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত এবং অবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানি মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

সৈয়দ মোজাম্মেল হক মাহমুদ বলেন, কৃষকরা ঋণের টাকা পরিশোধ না করায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মামলা করা হয়। খেলাপি ঋণ আদায়ে এটা চলমান প্রক্রিয়া। আমরা আমাদের অফিশিয়াল ব্যবস্থা নিয়েছি। তারা তাদের আইনগত সহায়তা পেয়েছেন।

আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী সাইদুর রহমান সুমন, কাজী সাজ্জাদ ইকবাল লিটন ও মইনুল ইসলাম মোহন।

আরও পড়ুন:
‘আইএমএফের শর্ত শুভদিক খুলে দিতে পারে’
আট ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা
তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৯,১৩৯ কোটি টাকা
আবাসন ঋণের ৭৫ শতাংশই ৫ ব্যাংকের
এখন অন্যরাও ঋণ দেবে, সংকট কেটে যাবে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Allegation of beating Bangladeshi to death against BSF

বাংলাদেশিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ বিএসএফের বিরুদ্ধে

বাংলাদেশিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ বিএসএফের বিরুদ্ধে ফাইল ছবি
১৫ বিজিবি লালমনিরহাটের অধিনায়ক মো. তৌহিদুল আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‌'একজন মারা গেছে, সেটি শুনেছি। তবে গণপিটুনিতে মারা গেছে কি না, সেটি বলতে পারব না। লাশের গায়ে কোনো ক্ষতচিহ্ন দেখা যায়নি।'

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে এক বাংলাদেশিকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রোববার রাত দেড়টার দিকে উপজেলার গেন্দুকুড়ি সীমান্তে ভারতের কাঁসারপাড়া ক্যাম্পের বিএসএফের টহল দলের সদস্যরা ওই ঘটনা ঘটান।

নিহত গরু ব্যবসায়ী ২৮ বছর বয়সী মো. সরিফুল ইসলাম সাদ্দাম গেন্দুকুড়ি সীমান্ত এলাকার আছিম উদ্দিনের ছেলে।

১৫ বিজিবি লালমনিরহাটের অধিনায়ক মো. তৌহিদুল আলম নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, সরিফুল ইসলাম সাদ্দাম গরু পারাপারকারী চক্রের সদস্যদের সঙ্গে সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকলে তাকে আটক করে বিএসএফ। এ সময় বিএসএফের সদস্যরা তাকে পিটুনি দিলে ঘটনাস্থলেই অর্ধমৃত হয়ে পড়েন তিনি।

পরে বিএসএফের সদস্যরা সীমান্তের এপারে ওই যুবককে ফেলে দিয়ে চলে যান। পরে উদ্ধার করে চিকিৎসাার জন্য হাসপাতালে নেয়ার আগেই মারা যান সরিফুল ইসলাম।

১৫ বিজিবি লালমনিরহাটের অধিনায়ক মো. তৌহিদুল আলম নিউজবাংলাকে বলেন, 'একজন মারা গেছে, সেটি শুনেছি। তবে গণপিটুনিতে মারা গেছে কি না, সেটি বলতে পারব না। লাশের গায়ে কোনো ক্ষতচিহ্ন দেখা যায়নি।'

এর আগে ৯ নভেম্বর লালমনিরহাটের লোহাকুচি মহিষতুলি সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হন।

আরও পড়ুন:
নাফ নদীতে বাংলাদেশি জেলে গুলিবিদ্ধ
শূন্যরেখায় বাংলাদেশি যুুবকের গলিত মরদেহ
‘আহত র‍্যাব সদস্য কথা বলতে পারছেন, এখন শঙ্কামুক্ত’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
District Awami League conference after 7 years in Pirojpur

পিরোজপুরে ৭ বছর পর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন

পিরোজপুরে ৭ বছর পর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন রোববার সকালে পিরোজপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার মাঠে শুরু হয়েছে জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন। ছবি: নিউজবাংলা
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী খান পান্না বলেন, ‘পিরোজপুরের এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নেতা-কর্মীরা সব প্রস্তুতি নিয়েছে বেশ কয়েক মাস ধরে। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অনেক নেতা সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন। আশা করা যাচ্ছে, বরিশাল বিভাগের মধ্যে অন্যতম একটি সুন্দর সম্মেলন হবে পিরোজপুরে।’

দীর্ঘ সাত বছর পর পিরোজপুরে শুরু হয়েছে জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন।

রোববার সকাল ১০টায় জেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার মাঠে শুরু হয় এই সম্মেলন।

দক্ষিণের উপকূলীয় এই জেলায় ২০১৫ সালে সর্বশেষ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়েছিল। তারপর গত অক্টোবর মাসে কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্তে ও জেলা কমিটির বর্ধিত সভায় ঠিক করা হয় জেলা সম্মেলনের দিন তারিখ।

দীর্ঘ সাত বছর পর আজ (২৭ নভেম্বর) সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার মাঠে শুরু হয় এই সম্মেলন।

সম্মেলন ঘিরে গোটা শহর ছেয়ে গেছে ব্যানার-ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে। মোড়ে মোড়ে নির্মাণ করা হয়েছে বেশ কটি তোরণ। এর আগে ইউনিয়ন থেকে উপজেলা পর্যায়ে নতুন সম্মেলন করেছেন জেলা কমিটির নেতারা।

জেলা সম্মেলন সফল করতে প্রস্তুতির ঘাটতি রাখছেন না নেতা-কর্মীরা। পদ পেতে চলছে জোর লবিংও। জেলা কমিটির দায়িত্ব নিতে প্রবীণদের পাশাপাশি নবীনদেরও রয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।

কমিটিতে পরীক্ষিত ও ত্যাগী সাবেক ছাত্রনেতাদের মূল্যায়ন করার দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা।

জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ ফিরোজ বলেন, পিরোজপুরে দীর্ঘ দিন পরে জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হচ্ছে। আমাদের নেতা-কর্মীরা সবাই উৎসাহিত এবং পুরো শহরজুড়ে উৎসব বয়ে চলছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে আমাদের দাবি থাকবে এই সম্মেলনের মাধ্যমে প্রবীণদের পাশাপাশি নবীনদেরও জেলার গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হোক।'

ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী খান পান্না বলেন, ‘পিরোজপুরের এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নেতা-কর্মীরা সব প্রস্তুতি নিয়েছেন বেশ কয়েক মাস ধরে। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অনেক নেতা সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন। আশা করা যাচ্ছে, বরিশাল বিভাগের মধ্যে অন্যতম একটি সুন্দর সম্মেলন হবে পিরোজপুরে।’

সম্মেলন প্রস্তুতি পরিষদের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান মালেক বলেন, ‘আপনারা জানেন, জেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার মাঠে এবারের সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার রাতের মধ্যে সম্মেলন প্রস্তুতির সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। আমরা জেলার নেতারা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছি সুন্দর একটি সম্মেলন উপহার দেওয়ার জন্য।

এদিকে, পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম এ আউয়াল বলেন, ‘সম্মেলনে অতিথি ও কাউন্সিলর নির্বাচন, মঞ্চ প্রস্তুতসহ সকল প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে, এখন শুধু কিছু সময়ের অপেক্ষা। আমাদের সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা আমির হোসেন আমু। বিশেষ অতিথি থাকবেন পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

আরও পড়ুন:
মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে চুমকি ও শিলা
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী
আওয়ামী লীগের ভিত জনগণ: হাছান মাহমুদ
আ.লীগের সম্মেলনে উৎসাহ নেই নেতাকর্মীর

মন্তব্য

p
উপরে