× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
What is the sign of the national flag with a stick asked Kader
hear-news
player
google_news print-icon

লাঠির সঙ্গে জাতীয় পতাকা কিসের আলামত, প্রশ্ন কাদেরের

লাঠির-সঙ্গে-জাতীয়-পতাকা-কিসের-আলামত-প্রশ্ন-কাদেরের
রাজধানীর খিলগাঁওয়ের জোড়া পুকুর খেলার মাঠে মঙ্গলবার বিএনপির কর্মসূচিতে নেতা-কর্মীরা। ফাইল ছবি
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজকাল বিএনপির নেতা-কর্মীদের হাতে বাঁশের লাঠির সঙ্গে জাতীয় পতাকা দেখা যাচ্ছে। এটা কিসের আলামত? এটা কি জাতীয় পতাকার অবমাননা নয়?’

বিএনপির নেতা-কর্মীদের হাতে বাঁশের লাঠির সঙ্গে জাতীয় পতাকা কিসের আলামত, তা জানতে চেয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বুধবার ব্রিফিংয়ের সময় কাদের এ প্রশ্ন করেন।

রাজধানীতে কয়েকটি সমাবেশে হামলা হওয়ার পর মঙ্গলবার খিলগাঁওয়ের জোড়া পুকুর খেলার মাঠে কর্মসূচিতে বিএনপির অনেক নেতা-কর্মীকে লাঠি হাতে দেখা যায়।

আত্মরক্ষার্থে এই ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান দলটির নেতা-কর্মীরা।

সে প্রসঙ্গ টেনে কাদের বলেন, ‘আজকাল বিএনপির নেতা-কর্মীদের হাতে বাঁশের লাঠির সঙ্গে জাতীয় পতাকা দেখা যাচ্ছে। এটা কিসের আলামত? এটা কি জাতীয় পতাকার অবমাননা নয়?’

বিএনপি আন্দোলনের নামে রাজপথে আবারও সহিংসতা ও সন্ত্রাস সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ করেন কাদের।

ওই সময় বিএনপি নির্বাচনের পাশাপাশি আন্দোলনেও ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘অতীতে যখন বিএনপি ক্ষমতায় ছিল, তখন জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য এবং জনগণের চোখে পড়ার মতো তেমন কোনো উন্নয়ন স্থাপন করতে পারে নাই, যে কারণে জনগণের সঙ্গে তাদের দূরত্ব শুরু হয়েছে।

‘শুধু লিপ সার্ভিস দিয়ে এবং বক্তৃতা-বিবৃতিতে বিষোদগার করে জনগণের থেকে দূরত্ব কমানো সম্ভব নয়। সে কারণে তাদের আন্দোলনে জনগণের সম্পৃক্ততা এবং সাড়া নেই। তাই তারা এখন সহিংসতার পথ বেছে নিচ্ছে।’

এর আগে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাইকার প্রধান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

ওই সময় জাইকার অর্থায়নে বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন:
বিএনপি নিজেদের মারামারিতে সরকারকে দায় দিচ্ছে: কাদের
বিরোধী দল যেন ঘরের বউ, যখন খুশি পেটাও: দুদু
দল গোছাতে গিয়ে নতুন বিভক্তি
‘ভয় পেয়ে ভয় দেখাচ্ছে আওয়ামী লীগ’
সরকারের কোমর সোজা নেই: মির্জা ফখরুল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Sheikh Hasina is God who cannot be criticized Fakhrul

শেখ হাসিনা কি গড যে সমালোচনা করা যাবে না: ফখরুল

শেখ হাসিনা কি গড যে সমালোচনা করা যাবে না: ফখরুল নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: নিউজবাংলা
রাজবাড়ীতে মহিলা দল নেত্রী গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘কী অপরাধ? অপরাধ, তিনি একটা স্ট্যাটাস দিয়েছেন, লিখেছেন হাসিনার বিরুদ্ধে? কেন? আপনি কি গড, বিধাতা যে, আপনার বিরুদ্ধে কিছু কথা বলা যাবে না? একটা গণতান্ত্রিক দেশে যে কারও সমালোচনা করার অধিকার আছে। প্রত্যেকটি মানুষের রয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমালোচনা যাচ্ছে না অভিযোগ করে কেন এমনটি হবে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা কি গড, বিধাতা, সৃষ্টিকর্তা যে তার বিরুদ্ধে কথা বলা যাবে না?’

রাজধানীর নয়াপল্টনে বৃহস্পতিবার বিকেলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শোকমিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি দেশব্যাপী আন্দোলনে নিহত নেতাকর্মীদের স্মরণে এই মিছিল করে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি।

গত জুলাই থেকে নানা কর্মসূচিতে পুলিশের গুলিতে ভোলায় জেলা ছাত্রদল সভাপতি নূরে আলম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুর রহিম, মুন্সিগঞ্জ জেলা যুবদল নেতা শহীদুল ইসলাম শাওন, নারায়ণগঞ্জ যুবদল নেতা শাওন প্রধান এবং বেনাপোল পৌর সভার ৩৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির নেতা মো. আব্দুল আলিম নিহত হয়েছেন।

তাদের স্মরণে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া শোক মিছিলটি নাইটিঙ্গেল মোড় ঘুরে আরামবাগ হয়ে আবারও কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

এই মিছিলকে ঘিরে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ এর আশ-পাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কঠোর নিরাপত্তার বলায় গড়ে তোলে। কর্মসূচিকে ঘিরে আশেপাশের এলাকায় তীব্র যানজটও তৈরি হয়।

শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে ফখরুল এই কথাগুলো বলেন ফেসবুকে লেখালেখির কারণে এক মামলায় রাজবাড়ীর মহিলা দল নেত্রী সোনিয়া আক্তার স্মৃতিক গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে।

রাজবাড়ীর মিজানপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক সামসুল আরেফিন চৌধুরী থানায় জমা দেয়া এক অভিযোগে বলেন, সোনিয়া প্রধানমন্ত্রীর সুনাম নষ্টে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচার করেন।

পৌর এলাকার বেড়াডাঙ্গার বাসা থেকে মঙ্গলবার গভীর রাতে সোনিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বুধবার আদালতে তোলা হলে জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এই গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন তোলে ফখরুল বলেন, ‘কী অপরাধ? অপরাধ, তিনি একটা স্ট্যাটাস দিয়েছেন, লিখেছেন হাসিনার বিরুদ্ধে? কেন? আপনি কি গড, বিধাতা যে, আপনার বিরুদ্ধে কিছু কথা বলা যাবে না? একটা গণতান্ত্রিক দেশে যে কারও সমালোচনা করার অধিকার আছে। প্রত্যেকটি মানুষের রয়েছে।’

‘অস্তিত্বের জন্য সরকার পতন ছাড়া বিকল্প নেই’
বিএনপি নেতা বলেন, ‘আজকে আমাদের অস্তিত্বের জন্য, আমাদের বাঁচার জন্য এবং আমাদেরকে রক্ষা করবার জন্য আমাদের কোনো বিকল্প নাই। এই হাসিনা সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

‘এই সরকারকে আর কোনো সময় দেয়া যায় না। এই সরকার জাতির জন্য একটা বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাকে অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে। সে জন্য এ দেশের মানুষ জেগে উঠেছে, জেগে উঠেছে আমাদের তরুণ-যুবকেরা। আজকে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাব, পেছনে ফিরব না।’

বিএনপির নিহত ৫ নেতার স্মৃতিচারণ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘তারা এ দেশকে স্বৈরাচার ও কর্তৃত্ববাদী সরকারের হাত থেকে মুক্ত করতে চেয়েছেন। তারা মিছিলে থেকে এই দানবীর সরকারের পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে। আর অসংখ্য আহত হয়েছে। কারও চোখ চলে গেছে এবং কারও বুক চলে গেছে। অসংখ্য মামলা হয়েছে। আমাদের অনেক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু আমাদের আন্দোলন থেমে থাকেনি।

‘এই স্বৈরাচারি সরকারের পতনের লক্ষ্যে প্রতিদিন এবং তাকে সরিয়ে দেয়ার লক্ষ্যে মিছিলে মিছিলে আরও মানুষ বাড়ছে।’

ফখরুল বলেন, 'এই সরকারকে বাধ্য করব পদত্যাগ করতে, পদত্যাগ করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা প্রদান করতে। সংসদ বিলুপ্ত করে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের মধ্যে দিয়ে জনগণের ভোটে নতুন সংসদ গঠন করে নতুন সরকার গঠন করা হবে।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের মতো করে বিএনপি নেতা বলেন, ‘অনেক রক্ত আমরা দিয়েছি। আমরা আরও রক্ত দেব। কিন্তু এদেশের মানুষকে আমরা মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ।’

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন
সরকার ২৯টি প্রতিষ্ঠানকে যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো ঘোষণা করেছে, তার উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিএনপি মহাসচিব। দাবি করেন, দুর্নীতি ও চুরি ঢেকে রাখাই এর উদ্দেশ্য।

ফখরুল বলেন, ‘মানুষ যাতে সঠিক তথ্য জানতে না পারে, আমাদের গণমাধ্যম যাতে এই সরকারের দুর্নীতি প্রকাশ করতে না পারে তার জন্য সার্কুলার দিয়ে ২৯টি বিভাগকে, তাদের কাছ থেকে কোনো খবর নেয়া যাবে না।

‘তারা কাউকে কোন খবর দেবে না। এর অর্থ হচ্ছে, তাদের যে দুর্নীতি ও চুরিকে ঢেকে রাখবার জন্য এবং সঠিক খবর থেকে তারা সমস্ত দেশ এবং জাতিকে বঞ্চিত রাখতে চায়।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, ‘শোককে শক্তিতে রূপান্তর করা হবে। সরকারের পতন নিশ্চিত করা হবে।’

বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, রুহুল কবির রিজভী, খায়রুল কবির খোকন, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, মীর সরফত আলী সপু, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, শিরিন সুলতানা, নাজিম উদ্দিন আলম, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, রফিকুল আলম মজনু, আমিনুল হকও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
৯৬-এর আলোকে তত্ত্বাবধায়কের রূপরেখা করছে বিএনপি
দুর্নীতিতে গ্রিড বিপর্যয় হলে ২০০৩ স্মরণ করুন: ফখরুলকে কাদের
কেবল বিদ্যুৎ নয়, সব কিছুতেই জাতি বিপর্যয়ে: ফখরুল
দেবী দুর্গার আবির্ভাব সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায়: ফখরুল
বিএনপি হাঁটুভাঙা দল নয়: ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP is lying about grid disaster Hanif

গ্রিড বিপর্যয় নিয়ে মিথ্যাচার করছে বিএনপি: হানিফ

গ্রিড বিপর্যয় নিয়ে মিথ্যাচার করছে বিএনপি: হানিফ কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমিতে বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মাহবুবউল আলম হানিফ। ছবি: নিউজবাংলা
‘সরকারের বিরুদ্ধে বলার মতো কিছু না পেয়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয় নিয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎও দিতে পারেনি। এই ব্যর্থতা, অযোগ্যতা ঢাকতে এবং সরকারের উন্নয়ন অগ্রগতি দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে।’

বিদ্যুতের গ্রিড বিপর্যয় নিয়ে বিএনপি নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

বৃহস্পতিবার সকালে কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমিতে এক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

হানিফ বলেন, ‘বিদ্যুতের গ্রিড বিপর্যয় একটি দুর্ঘটনা। এ নিয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছেন মির্জা ফখরুলরা। চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত বিদ্যুত উৎপাদন হচ্ছে। চাহিদার বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে বাংলাদেশের।

‘সরকারের বিরুদ্ধে বলার মতো কিছু না পেয়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয় নিয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎও দিতে পারেনি। এই ব্যর্থতা, অযোগ্যতা ঢাকতে এবং সরকারের উন্নয়ন অগ্রগতি দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি একটি উগ্র সাম্প্রদায়িক দল, জামায়াত তাদের পরিপূরক। একই মায়ের দুই সন্তান। সেই দলের নেতাদের মুখে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার অভিযোগ মানায় না। বিশেষ একটি সম্প্রদায়ের আনুকূল্য পেতে তারা এসব বলছে।’

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য আকম সরোয়ার জাহান বাদশাসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় স্কুল কলেজের কয়েক শ ছাত্রছাত্রী অংশ নেয়।

গ্রিড বিপর্যয়

মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে ইস্টার্ন গ্রিড ফেল করার পর ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকার পর সন্ধ্যা থেকে জেলা শহরগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

বেলা ২টা ৪ মিনিটে অনাকাঙ্ক্ষিত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পর ২টা ৩৬ মিনিটে আশুগঞ্জ-সিরাজগঞ্জ ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন চালুর মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ময়মনসিংহের কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা হয়। এবং সতর্কতার সঙ্গে সেটা বাড়িয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার কাজ চলমান।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Electoral code of conduct to be followed A league to EC

নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলতে হবে: আ.লীগকে ইসি

নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলতে হবে: আ.লীগকে ইসি গাইবান্ধা-৫ আসনে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মাহমুদ হাসান রিপন গণসংযোগ করছেন। ছবি: নিউজবাংলা
‘জেলা পরিষদ নির্বাচনে কোথাও কোথাও নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন হচ্ছে এবং এ সংক্রান্ত খবর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে মর্মে নির্বাচন কমিশনের নজরে এসেছে। আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সরকারি সুবিধাভোগী অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ কোথাও কোথাও নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন, রঙিন পোস্টার মুদ্রণ করে প্রচার করছে এবং পোস্টারে নেতা-নেত্রীর ছবিও ছাপানো হচ্ছে। এছাড়াও রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে বিভিন্ন জনসভায় নির্বাচনি প্রচারণা চালানো হচ্ছে।’

৬১ জেলা পরিষদ ও গাইবান্ধা-৫ আসনে উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে আচরণবিধি মেনে চলতে বলেছে নির্বাচন কমিশন। জানানো হয়েছে, যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির মহাসচিব মজিবুল হক চুন্নুর নেতৃত্বে একটি দল বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের সঙ্গে দেখা করে নানা অভিযোগ করার পর কমিশনের পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়।

বিষয়টি নিয়ে আওয়ামী লীগের নাম উল্লেখ না করে একটি বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন।

আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘যে প্রধান দলটির পরিচালনা করেন, তাদের কাছে বার্তা দেয়া হয়ে গেছে যে আপনাদের দলের কোনো সদস্য যাতে আচরণবিধি না ভাঙে, সে জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন।’

নির্বাচন কমিশন এই নির্দেশনা পাঠিয়েছে কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘জ্বি, জ্বি’।

ক্ষমতাসীন দলের সেক্রেটারি বরাবর পাঠানো হয়েছি কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নামটা বললাম না। তবে অলরেডি দেয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে। কিছুক্ষণ পরে আপনারা টের পেয়ে যাবেন তারা সতর্ক হয়ে গেছে।’

আলমগীর বলেন, ‘সরকার তো দেশ চালায়। তবে আমরা যেটা বলব সেটা তো তারা সাংবিধানিকভাবে তারা মানতে বাধ্য। সরকারি দায়িত্ব হিসেবে এটা মানতে হবে।'

জেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে দুই/চারটি জেলা থেকে অভিযোগ আসছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা কড়া নির্দেশ দিয়েছে যদি কেউ আচরণবিধি ভঙ্গ করে, তাদেরকে বলতে হবে আপনারা অতিসত্ত্বর এলাকা ত্যাগ করবেন। এলাকায় থাকতে পারবেন না। এই ভোটে তো তিনি ভোটার না। ভোটার হিসেবে এলাকায় থাকবার সুযোগ নাই।’

তিনি বলেন, ‘শুধু গাইবান্ধা না, যেকোনো ধরনের নির্বাচন থেকে আমরা এ ধরনের অভিযোগ পেয়ে থাকি যে, যারা নির্বাচনের প্রচারণায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না, বিশেষ করে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি যারা, তারা প্রচারে আছেন। আবার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী যিনি থাকেন, তাকে ভয়-ভীতি দেখানো- এ ধরনের অভিযোগ করে থাকেন।

‘সে ব্যাপারে আমাদের কড়া নির্দেশ আমরা লিখিতভাবে দিয়েছি। আগামী শনিবার এ উপলক্ষে আমরা প্রত্যেক জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে আহ্বান করেছি আসার জন্য। সে সময় নির্বাচন সুষ্ঠু-সুন্দর করার জন্য ম্যাসেজটি দেয়া হবে একেবারে সামনাসামনি।

‘যদি কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘন করে থাকেন, তাহলে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং ওনারা যদি করতে ব্যর্থ হন, আর তার কোনো প্রমাণ আমাদের কাছে আসে, তাহলে যে আইন রয়েছে, আমরা কিন্তু সেটি প্রয়োগ করতে পিছপা হবো না।’

নির্বাচন কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালনে গাফিলতি বা অবহেলা করলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দেন কমিশনার আলমগীর।

জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে যে অভিযোগ দেয়া হয়েছে, সে ঘটনায় কী ব্যবস্থা নেয় হবে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশের কাছে রিপোর্ট চেয়েছি। রিপোর্ট পাওয়ার পরে আমরা পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেব।’

কমিশনের বিজ্ঞপ্তি

কমিশনের জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক আসাদুজ্জামান আরজু স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে আচরণবিধির লঙ্ঘন হলে কঠোর হবে কমিশন।

আগামী ১৭ অক্টোবর দেশের ৬১ জেলা পরিষদে এ ভোট হবে। স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিরা ভোট দিয়ে নির্বাচন করবেন তাদের প্রতিনিধি।

ইসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘জেলা পরিষদ নির্বাচনে কোথাও কোথাও নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন হচ্ছে এবং এ সংক্রান্ত খবর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে মর্মে নির্বাচন কমিশনের নজরে এসেছে। আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সরকারি সুবিধাভোগী অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ কোথাও কোথাও নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন, রঙিন পোস্টার মুদ্রণ করে প্রচার করছে এবং পোস্টারে নেতা-নেত্রীর ছবিও ছাপানো হচ্ছে। এছাড়াও রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে বিভিন্ন জনসভায় নির্বাচনি প্রচারণা চালানো হচ্ছে।’

নির্দেশনা আরও বলা হয়, নির্বাচন কমিশন এসব আচরণ বিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে তদন্তপূর্বক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ইসির সেই ৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তার চাকরি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন
রাশিয়ার ইসির কনফারেন্সে যোগ দিতে সিইসিকে আমন্ত্রণ
আইএফআইসি ব্যাংকে সিডনিসানের ১০ হাজার সিসিটিভি
হাফেজ তাকরিমের অর্জনে গর্বিত মুশফিক
‘কারসাজির’ প্রি-ওপেনিং সেশন ফেরাচ্ছে বিএসইসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
I am ready to leave Sheikh Hasina

বিদায় নেয়ার জন্য প্রস্তুত আমি: শেখ হাসিনা

বিদায় নেয়ার জন্য প্রস্তুত আমি: শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সফর নিয়ে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: বাসস
‘ক্ষমতায় আমরা একটানা ছিলাম বলে আমরা উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছি। আমার লক্ষ্য ছিল ২০২০ সালের জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী, ২০২১ সালের দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং সুবর্ণজয়ন্তীতে কিন্তু আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। এখন বিদায় নেয়ার জন্য আমি প্রস্তুত।’

বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাওয়ার মধ্য দিয়ে নিজের দায়িত্ব শেষ হয়েছে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন এখন তিনি বিদায় নেয়ার জন্য প্রস্তুত।

আওয়ামী লীগের আগামী জাতীয় সম্মেলনে একজন কাউন্সিলরও যদি আপত্তি তোলেন তিনি আর নেতৃত্বে থাকবেন না বলেও জানিয়ে দিয়েছেন।

যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে গণভবনে বৃহস্পতিবার বিকেলে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘ক্ষমতায় আমরা একটানা ছিলাম বলে আমরা উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছি। আমার লক্ষ্য ছিল ২০২০ সালের জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী, ২০২১ সালের দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং সুবর্ণজয়ন্তীতে কিন্তু আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। এখন বিদায় নেয়ার জন্য আমি প্রস্তুত।’

পরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগের একজন কাউন্সিলর যদি বলে যে আমাকে চায় না, আমি কোনোদিনও থাকব না। এটা যেদিন থেকে আমার অবর্তমানে আমাকে আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট করেছিল, তখন থেকে এই শর্তটা মেনে যাচ্ছি।’

ব্রিটেনের রানি এলিজাবেথের শেষকৃত্যে যোগ দিতে যুক্তরাজ্য এবং জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন। গত ৪ অক্টোবর রাতে তিনি দেশে ফেরেন।

শেখ হাসিনা বিদেশ সফর করলে বরাবর সাংবাদিকদেরকে ব্রিফ করেন। সেই ব্রিফিংয়ে সফরের বিষয়ে একটি সাধারণ বিবৃতি থাকে। এরপর থাকে প্রশ্নোত্তর পর্ব। এই পর্বে আর্থ-সামাজিক বা রাজনৈতিক সবশেষ পরিস্থিতির সম্পর্কে সরকার প্রধানের বক্তব্য উঠে আসে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

আওয়ামী লীগের আগামী জাতীয় সম্মেলন নিয়ে এক প্রশ্নে আওয়ামী লীগ প্রধান বলেন, নতুন নেতৃত্বকে স্বাগত জানাতেও প্রস্তুত তিনি। বলেন, ‘এটা ঠিক, দীর্ঘ দিন হয়ে গেছে। আমি চাই নতুন নেতৃত্ব আসুক। নেতৃত্ব কাউন্সিলররা সাধারণত ঠিক করে, নির্বাচিত করে। কাউন্সিলরদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। আমার তো আসলে সময় হয়ে গেছে।’

স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের মর্যাদা পাওয়ার বিষয়টিও ওঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে। কিন্তু জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর বাংলাদেশের গণতন্ত্রহীনতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘অনেক চড়াই উৎরাই পার হয়ে আমরা গণতন্ত্র উদ্ধার করি। এখন একটানা তিনবার অর্থাৎ ২০০৮ সালের নির্বাচন থেকে শুরু করে আজকে ২০২২ পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম একটানা গণতন্ত্র অব্যাহত আছে। এর মধ্যে অনেক চড়াই উৎরাই, খুন-খারাপি, অগ্নিসংযোগ থেকে শুরু করে অগ্নিসন্ত্রাসসহ নানা কিছু ঘটেছে।’

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গ্রেপ্তার যুবক কারাগারে
বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরানোর চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার জন্মদিনে ভূমিষ্ঠ শিশুদের উপহার দিল স্বেচ্ছাসেবক লীগ
প্রধানমন্ত্রী জাপান যাচ্ছেন নভেম্বরে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sonias status or PMs reputation damaged by her arrest Rizvi

সোনিয়ার স্ট্যাটাস নাকি তার গ্রেপ্তারে প্রধানমন্ত্রীর সুনাম গেছে: রিজভী

সোনিয়ার স্ট্যাটাস নাকি তার গ্রেপ্তারে প্রধানমন্ত্রীর সুনাম গেছে: রিজভী সোনিয়া আক্তার স্মৃতি। ছবি: সংগৃহীত
‘প্রধানমন্ত্রী কি বলবেন যে, তার কত পার্সেন্ট সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে? শতকরা ৩০ ভাগ, ৪০ ভাগ সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে? আপনি দুই সন্তানের মাকে রাতের আঁধারে গ্রেপ্তার করেছেন। এটাতে আপনার সুনাম ক্ষুণ্ন হয় না? ফেসবুকে একটা পোস্ট কারণেই আপনার সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে?’

ফেসবুকে লেখালেখির কারণে নাকি রাজবাড়ীর মহিলা দল নেত্রী সোনিয়া আক্তার স্মৃতিকে গ্রেপ্তারে প্রধানমন্ত্রীর সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে- সেটি জানতে চেয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

সোনিয়াকে গ্রেপ্তারের পর দিন বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রশ্ন রাখেন।

রিজভী বলেন, ‘আজকে দেশে কি পরিস্থিতি বিরাজমান! গত পরশু রাতে সোনিয়া নামের মহিলা দল নেত্রীকে রাজবাড়ী থেকে পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে। তার দুটি বাচ্চা আর্তনাদ করেছে। তিনি নাকি ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার কারণে প্রধানমন্ত্রীর সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে।

‘তো প্রধানমন্ত্রী কি বলবেন যে, তার কত পার্সেন্ট সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে? শতকরা ৩০ ভাগ, ৪০ ভাগ সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে?’

জেলা মহিলা দলের একজন কর্মী ও ‘রাজবাড়ী ব্লাড ডোনার্স ক্লাব’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা।

রাজবাড়ীর মিজানপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক সামসুল আরেফিন চৌধুরী থানায় জমা দেয়া এক অভিযোগে বলেন, সোনিয়া প্রধানমন্ত্রীর সুনাম নষ্টে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচার করেন।

পৌর এলাকার বেড়াডাঙ্গার বাসা থেকে মঙ্গলবার গভীর রাতে সোনিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বুধবার আদালতে তোলা হলে জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে রিজভী বলেন, ‘কই ইডেনের ঘটনায় আপনার সুনাম ক্ষুণ্ন হয় না। কারণ, তারা তো ছাত্রলীগ, আপনার দর্শের সন্তান তারা। তাদের অপকর্মে আপনার সুনাম নষ্ট হয় না?

‘ছাত্রলীগের সভাপতি, সেক্রেটারি যখন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সঙ্গে মোবাইলে ভবন নির্মাণের চাঁদাদাবি করে তখন কি আপনার সুনাম ক্ষুণ্ন হয় না? পররাষ্ট্রমন্ত্রী যখন বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে কথা বলব যে ক্ষমতায় রাখা যায় কি না, তখন কি আপনার সুনাম ক্ষুণ্ন হয় না?

‘আপনি দুই সন্তানের মাকে রাতের আঁধারে গ্রেপ্তার করেছেন। এটাতে আপনার সুনাম ক্ষুণ্ন হয় না? ফেসবুকে একটা পোস্ট কারণেই আপনার সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে?’

বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশ ও আওয়ামী লীগের হামলার অভিযোগ এবং বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করে গণতন্ত্র ফোরাম।

রিজভী কথা বলেন বিদ্যুৎ বিপর্যয় নিয়েও। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জাননেত যে বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি হবে। সে জন্যই তিনি কুইক রেন্টালের বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য চুরির সুযোগ দিতে ইনডেমনিটি আইন করেছেন।

‘আজকে গোটা দেশ চোরে গিজ গিজ করছে। নারী ফুটবলার কৃষ্ণা ও শামসুন্নাহারের ব্যাগ থেকে ডলার চুরি হলো। বাংলা একাডেমি থেকে বিদেশি রাষ্ট্রদূতের স্ত্রীর ভ্যানিটি ব্যাগ চুরি হয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ে একজন ছাত্রলীগের নেতা ছাগল চুরি করে পিকনিক করতে গিয়ে জনতার হাতে ধরা পড়েছে। আজকে চোরের কবলে দেশ।’

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি খলিলুর রহমান ইব্রাহিমের সভাপতিত্ব ও আব্দুল্লাহ আল নাইমের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ।

আরও পড়ুন:
টুম্পা যেন বাংলাদেশের ‘মাইকেল ফেলপস’
আগে দেশের মানুষের টিকা, তারপর রপ্তানি: সোনিয়া গান্ধী
ডেলের সিএক্সও অ্যাডভাইজরি বোর্ডে সোনিয়া বশির কবীর
সাধারণ মানুষের কণ্ঠ চেপে ধরা হচ্ছে: সোনিয়া
কৃষকদের সঙ্গে কাধ মিলিয়ে বিক্ষোভের ঘোষণা সোনিয়ার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Lack of confidence in EVMs as there is scope for tampering GM Kader

কারচুপির সুযোগ থাকায় ইভিএমে আস্থাহীনতা: জিএম কাদের

কারচুপির সুযোগ থাকায় ইভিএমে আস্থাহীনতা: জিএম কাদের জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদের। ফাইল ছবি
জিএম কাদের বলেন, ‘ইভিএমে ভোট করা সরকারের সিদ্ধান্ত। আসলে সরকার ইভিএমে যেতে পারবে কি না সংশয় আছে। কারণ ইভিএমে মানুষের আস্থা নেই। ইভিএমে ভোট চুরির শঙ্কা আছে। ইভিএমে ফল যাই হোক সেটা জনগণ মানতে বাধ্য হবে, এতে সঠিক নির্বাচন হবে না।’

কারচুপির সুযোগ থাকায় ইভিএমে জনগণের আস্থাহীনতা বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি বলেন, ভোটে ইভিএমের পেছনে যারা থাকেন, তারা সরকারের অধীনেই কাজ করবেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে লালমনিরহাট নার্সিং কলেজের নবীন বরণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এমন মন্তব্য করেন।

জিএম কাদের বলেন, ‘ইভিএমে ভোট করা সরকারের সিদ্ধান্ত। আসলে সরকার ইভিএমে যেতে পারবে কি না সংশয় আছে। কারণ ইভিএমে মানুষের আস্থা নেই। ইভিএমে ভোট চুরির শঙ্কা আছে। ইভিএমে ফল যাই হোক সেটা জনগণ মানতে বাধ্য হবে, এতে সঠিক নির্বাচন হবে না।

‘ইভিএম বিষয়ে কয়কজন বিশেষজ্ঞ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। তারা প্রেস কনফারেন্স করে জানিয়েছেন, মেশিনে সমস্যা আছে। আমরা ইভিএমে ভোট না করার সিদ্ধান্তে বলেছি, ইভিএমে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে না।’

স্বাস্থ্য বিভাগ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতিতে স্বাস্থ্য বিভাগ সবচেয়ে এগিয়ে। দেশের হাসপাতালগুলো অব্যবস্থাপনায় ভরে গেছে। কোথাও ডাক্তার আছে তো এনেস্থেশিয়া নেই, আবার কোথাও এনেস্থেশিয়া আছে তো ডাক্তার নেই। এসব বিষয়ে বার বার স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বলেছি, কোনো কাজ হয়নি।’

একক নির্বাচন করার বিষয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘এ সরকারের অধীনে নির্বাচন করব কি না তা পরে জানাবো, এখনও সেই সময় আসেনি। দল ও জনগণের সঙ্গে কথা বলার পর সিদ্ধান্ত জানাবো।’

জিএম কাদের লালমনিরহাট থেকে নাকি অন্য কোথাও থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন তাও দলের ফোরামে আলোচনা করে জানাবেন।

আরও পড়ুন:
দেশে রাজনীতির পরিবেশ নেই: জি এম কাদের
রাজনীতিতে বিশাল সংকট দেখছে জাপা
রওশন এরশাদকে দেখে দেশে ফিরলেন জি এম কাদের
সীতাকুণ্ডের আগুনে মালিক দায় এড়াতে পারেন না: জি এম কাদের
স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে সিঙ্গাপুরে জি এম কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hossainpur Chhatra Leagues new committee is declared undesirable

হোসেনপুর ছাত্রলীগের নতুন কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

হোসেনপুর ছাত্রলীগের নতুন কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে নেতা-কর্মীদের একাংশ।
‘কমিটিতে ৯ জন সহ-সভাপতি, ৯ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ৯ জনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজন বিবাহিত। এই কমিটি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পবিত্র গঠনতন্ত্রকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কোনোরূপ সম্মেলন ব্যতীত ঘোষণা করা হয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনে জড়িত ত্যাগী ছাত্রলীগ কর্মীদের অত্যন্ত ব্যথিত করেছে।’

বিবাহিত, অছাত্র, বয়সোত্তীর্ণ, মাদকাসক্ত ও টাকার বিনিময়ে কমিটি গঠনের অভিযোগ এনে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন নেতা-কর্মীদের একাংশ।

বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন তারা।

উপজেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির সহ-সভাপতি মোখলেছুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদেক মিয়া, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এমদাদ হোসেন মোল্লা মঈন, সাবেক সদস্য আমির হামজা, হোসেনপুর কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মনিরুল ইসলাম মাছুম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে সাদেক মিয়া বলেন, ‘বুধবার রাতে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিবাহিত, অছাত্র, বয়স উত্তীর্ণ, মাদকাসক্তদের দিয়ে ২৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি ঘোষণা করেছে জেলা ছাত্রলীগ। যেটা আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানতে পারি।

‘কমিটিতে ৯ জন সহ-সভাপতি, ৯ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ৯ জনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজন বিবাহিত। এই কমিটি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পবিত্র গঠনতন্ত্রকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কোনোরূপ সম্মেলন ব্যতীত ঘোষণা করা হয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনে জড়িত ত্যাগী ছাত্রলীগ কর্মীদের অত্যন্ত ব্যথিত করেছে।’

তিনি বলেন, ‘তথাকথিত কমিটিতে বিবাহিত, অছাত্র, মাদকাসক্ত, বয়স উত্তীর্ণ, বিএনপি-জামায়াত পরিবার থেকে উঠে আসা সুবিধাবাদীদের দিয়ে টাকার বিনিময়ে অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। এটা উপজেলা ছাত্রলীগের কাঠমোকে দুর্বল করে দেয়ার চূড়ান্ত ষড়যন্ত্র।’

ছাত্রলীগ কখনও কোনো ব্যক্তির ‘মাই-ম্যান’ তৈরির কারখানা হতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা এই তথাকথিত ব্যক্তিপূজানির্ভর, অগঠনতান্ত্রিক কমিটি ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করলাম এবং তথাকথিত কমিটি আজ্ঞাবই নেতৃত্বকে হোসেনপুর উপজেলার অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলাম।’
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে হোসেনের উপজেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

উপজেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটিতে সভাপতির নাম মুস্তাফিজুর রহমান মোখলেছ লেখা থাকলেও তার নামে যে জাতীয় দুটি পরিচয়পত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে সেটিতে তার নাম লেখা আছে মোখলেছুর রহমান। একটিতে তার জন্মতারিখ লেখা আছে ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৮৩, অপরটিতে লেখা ১ মে, ১৯৯০।’

মোখলেছ এর আগে হোসেনপুর পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তার কোনো ভিত্তি নেই। যারা অভিযোগ করছে তারা পদবঞ্চিত হয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে এগুলো করছে।’

নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইয়াসীর আরাফাত শুভ। এর আগে তিনি জেলা ছাত্রলীগের উপ-ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন। শুভ বলেন, ‘আমাদের কমিটিতে একটি ছেলে বিবাহিত আছে। সেটা আমরা কমিটি পূর্ণাঙ্গ কমিটির সময়ে বাদ দিয়ে দেবো।’

অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যে কোনো এলাকায় একটা কমিটি গঠন করা হলে সেটাকে বিতর্কিত করতে কিছু মানুষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভিন্ন প্রপাগান্ডা ছড়ায়। আমরাও তার বাইরে নই।’

আরও পড়ুন:
ফরিদপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রলীগের ৩ জন গ্রেপ্তার
রিভাও তো মানুষ, ভুল করতেই পারে: তিলোত্তমা
শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ৭৬ ছাত্রীকে বাইসাইকেল দিল ছাত্রলীগ
বিয়ে, পিতৃত্ব শেষে এবার তারা ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদক
ঢাবি ক্যাম্পাসকে সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য করা হয়েছে: সাদা দল

মন্তব্য

p
উপরে