× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The body of the newborn on the footpath of Shaheed Minar
hear-news
player
google_news print-icon

শহীদ মিনারের ফুটপাতে নবজাতকের মরদেহ

শহীদ-মিনারের-ফুটপাতে-নবজাতকের-মরদেহ
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে উদ্ধার হওয়া নবজাতকের মরদেহ রাখা হয়েছে ঢামেক হাসপাতালের মর্গে। ছবি: নিউজবাংলা
শাহবাগ থানার এসআই আরাফাত হোসেন বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকার ফুটপাত থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।’

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ফুটপাত থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার রাত সোয়া ২টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরাফাত হোসেন বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকার ফুটপাত থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘কে বা কারা ওই নবজাতকটিকে কাপড় দিয়ে প্যাঁচিয়ে ফুটপাতে ফেলে রেখে যায়। পরে কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করি।

‘এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’

আরও পড়ুন:
সার্কিট হাউসে মিলল পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মরদেহ
কাপ্তাই হ্রদে যুবকের মরদেহ
প্রতিবেশী ভাড়াটিয়ার আলমারিতে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ
কূপে শিশুর মরদেহ, বাবা-মাসহ আটক ৩
বাংলোতে সরকারি কর্মকর্তার মরদেহ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Laguna driver died in Hazaribagh tire explosion

হাজারীবাগে লেগুনার চাকা বিস্ফোরণে চালকের মৃত্যু

হাজারীবাগে লেগুনার চাকা বিস্ফোরণে চালকের মৃত্যু প্রতীকী ছবি
নিহতের নাম সুজন মিয়া। ২৬ বছরের সুজন লেগুনার চালক ছিলেন। চাঁদপুর জেলার হাজিগঞ্জ উপজেলার মহেশপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে তিনি।

রাজধানীতে হাজারীবাগে লেগুনার চাকা বিস্ফোরণে আহত ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে ঢাকা মেডিক্যালে। বেড়িবাঁধে বুধবার দুপুর ১২টা দিকে চাকায় হাওয়া দেয়ার সময় গুরুতর আহত হয়েছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের নাম সুজন মিয়া। ২৬ বছরের সুজন লেগুনার চালক ছিলেন। চাঁদপুর জেলার হাজিগঞ্জ উপজেলার মহেশপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে তিনি।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া এসব নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

লেগুনার মালিক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘চাকায় হাওয়া দেয়ার সময় বিকট শব্দে তা বিস্ফোরণ ঘটে। এতে মাথায় গুরুতর আঘাত পান সুজন। দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিক্যালে নেয়া হয়। বৃহস্পতিবার সে মারা যায়।’

আরও পড়ুন:
মিরপুর বেড়িবাঁধে বাস-লেগুনা সংঘর্ষে কলেজছাত্রসহ নিহত ২

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Evacuation of 30 illegal sidewalk shops

ফুটপাতের ৩০ অবৈধ দোকান উচ্ছেদ

ফুটপাতের ৩০ অবৈধ দোকান উচ্ছেদ ঢাকার মৌলভীবাজারে বৃহস্পতিবার ফুটপাতের অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। ছবি: নিউজবাংলা
অভিযানে ফুটপাত দখল করে গড়ে তোলা ৩০টি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। ফুটপাতে মালামাল রেখে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করায় ১১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এসময় আদায় করা হয় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

রাজধানীর মৌলভীবাজারে ফুটপাত দখল করে গড়ে তোলা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

বৃহস্পতিবার সকালে করপোরেশনের সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মাদ মুনিরুজ্জামানে নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে ফুটপাত দখল করে গড়ে তোলা ৩০টি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে।ফুটপাতে মালামাল রেখে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করায় ১১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এসময় আদায় করা হয় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, হাট-বাজারে পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে মেয়রের নির্দেশে এই অভিযান চালানো হয়েছে।

জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

অভিযানে অন্যদের মধ্যে ৩১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ মোহাম্মদ আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সাবেক এমপি র‌নির অবৈধ বাসভবন উচ্ছেদ
অতি ঝুঁকিপূর্ণ ১২০টি ঘর উচ্ছেদ শুরু
মতলবে বেড়িবাঁধ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান
ইউএনও-এসিল্যান্ডের নামে আদালতে মামলা
বহুতল মার্কেট করতে গুলিস্তান হকার্সে উচ্ছেদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
New militant organization launched in 2017 RAB

নতুন জঙ্গি সংগঠনের শুরু ২০১৭ সালে: র‍্যাব

নতুন জঙ্গি সংগঠনের শুরু ২০১৭ সালে: র‍্যাব নতুন জঙ্গি সংগঠনের বিষয়টি জানান র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন। ফাইল ছবি
র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বৃহস্পতিবার ব্রিফিংয়ে জানান, গ্রেপ্তার হোসাইন আহম্মদ পটুয়াখালীর মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নিষিদ্ধঘোষিত বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন থেকে কিছু সদস্য একত্রিত হয়ে ২০১৭ সালে নব্য জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৯ সালে সংগঠনটি ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’ নাম ধারণ করে।

দেশে নিষিদ্ধঘোষিত বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের নেতা ও সদস্যদের নিয়ে ২০১৭ সালে আরেকটি জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম শুরু হয় বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

বাহিনীর ভাষ্য, ২০১৯ সালে এ সংগঠনের নাম দেয়া হয় ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’ বা পূর্বাঞ্চলীয় হিন্দের জামাতুল আনসার।

র‌্যাব জানায়, কুমিল্লা থেকে নিখোঁজ তরুণদের উদ্ধার করতে গিয়ে এই সংগঠনের তথ্য পাওয়া যায়।

বাড়ি ছেড়ে যাওয়া চারজনসহ সাতজনকে বুধবার মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। অন্য জঙ্গি সংগঠনের মতো তারাও ‘কাট আউট’ পদ্ধতিতে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করে যাচ্ছিলেন।

তারা হলেন পটুয়াখালীর হোসাইন আহম্মদ, নেছার উদ্দিন ওরফে উমায়ের, বনি আমিন। বাকিরা হলেন ঘর ছেড়ে যাওয়া কুমিল্লার তরুণ ইমতিয়াজ আহমেদ রিফাত, মো. হাসিবুল ইসলাম, গোপালগঞ্জের রোমান শিকদার ও পটুয়াখালীর মো. সাবিত।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বৃহস্পতিবার ব্রিফিংয়ে জানান, গ্রেপ্তার হোসাইন আহম্মদ পটুয়াখালীর মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নিষিদ্ধঘোষিত বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন থেকে কিছু সদস্য একত্রিত হয়ে ২০১৭ সালে নব্য জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৯ সালে সংগঠনটি ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’ নাম ধারণ করে।

তিনি জানান, বাংলাদেশের নিষিদ্ধ সংগঠন, বিশেষত জেএমবি, আনসার আল ইসলাম ও হুজির বিভিন্ন পর্যায়ের কিছু নেতা-কর্মীরা একত্রিত হয়ে নতুন জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম শুরু করে। হোসাইন সংগঠনের জন্য সদস্য সংগ্রহ ও তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন। এ ছাড়া তিনি সদস্যদের বিভিন্ন তাত্ত্বিক জ্ঞান ও প্রশিক্ষণ দেয়ার মাধ্যমে সশস্ত্র হামলার বিষয়ে প্রস্তুত করে তুলতেন। তিনি ২০১৪-১৫ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসায় অধ্যয়নকালে সিরাজ নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে উগ্রবাদে অনুপ্রাণিত হন। তিনি ১৫ থেকে ২০ জন সদস্য সংগ্রহ ও তাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন।

র‌্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার নেছার উদ্দিন ওরফে উমায়ের ভোলায় একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ২০১৯ সালের আগে উগ্রবাদী কার্যক্রমে যুক্ত হন। তিনি হিজরতকৃত সদস্যদের প্রশিক্ষক ও তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্বে ছিলেন। এ ছাড়া তিনি সদস্যদের বিভিন্ন তাত্ত্বিক জ্ঞান ও প্রশিক্ষণ দেয়ার মাধ্যমে সশস্ত্র হামলার বিষয়ে প্রস্তুত করে তুলতেন। তিনি ৯ থেকে ১০ সদস্যের তত্ত্বাবধান ও প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

র‌্যাবের কর্মকর্তা আল মঈন জানান, গ্রেপ্তার বনি আমিন উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে পটুয়াখালী এলাকায় কম্পিউটার সেলস ও সার্ভিসের ব্যবসা করতেন। তিনি সদস্যদের আশ্রয় দেয়া ও তত্ত্বাবধানে নিয়োজিত ছিলেন। ২০২০ সালে হোসাইনের মাধ্যমে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়েন তিনি। ২২ থেকে ২৫ জন সদস্যকে আশ্রয় দেয়ার পাশাপাশি তাদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন বনি।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার রিফাত কুমিল্লায় অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত ছিলেন। গ্রেপ্তার হাসিব উচ্চ মাধ্যমিকে অধ্যয়নরত এবং একটি অনলাইন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তারা হাবিবুল্লাহর মাধ্যমে জঙ্গিবাদে দীক্ষিত হতে গত ২৩ আগস্ট বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হন।

র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, গ্রেপ্তার রোমান পুরপ্রকৌশল বিষয়ে ডিপ্লোমা করে গোপালগঞ্জে ইলেকট্রিক্যাল ও স্যানিটারিবিষয়ক কাজ করতেন। তিনি অনলাইনে বিভিন্ন ভিডিও দেখে উগ্রবাদে উদ্বুদ্ধ হন এবং স্থানীয় এক ব্যক্তির মাধ্যমে সংগঠনটি সম্পর্কে ধারণা পায়। পরবর্তী সময়ে তিনি প্রায় এক মাস আগে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়।

গ্র্রেপ্তার সাবিত উত্তরা এলাকায় প্রায় এক মাস আগে একটি ছাপাখানায় স্টোর কিপারের কাজ করতেন। তিনি তার এক আত্মীয় ও অনলাইনে ভিডিও দেখার মাধ্যমে উগ্রবাদে অনুপ্রাণিত হন। তিনি জুন মাসে নিখোঁজ হন।

নতুন এই সংগঠনের আমির কে এবং সদস্য সংখ্যা কত, সাংবাদিকরা তা জানতে চাইলে র‌্যাবের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সংগঠনটির আঞ্চলিক নেতা পর্যন্ত আটক করতে সক্ষম হয়েছি। আমরা তার কাছ থেকে শুধু সংগঠনটির নাম জানতে পেরেছি। সঙ্গে এটাও জানা গেছে, নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠনগুলো যেমন হুজি, জেএমবি, আনসার আল ইসলাম এসব সংগঠন থেকে লোকজন চলে এসে এই নতুন সংগঠনটি গড়ে তুলেছে। ২০১৭ সালে তারা একসঙ্গে কার্যক্রম শুরু করে এবং ২০১৯ সালে সংগঠনের নামকরণ করে।

‘এখন পর্যন্ত সংগঠনটির আপার টিয়ার অর্থাৎ তাদের শুরা সদস্য কতজন বা তাদের আমির কে এ বিষয়ে জানতে আমাদের তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদ চলমান আছে।’

তাদের কোনো হামলার নির্দেশনা ছিল কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তাদের স্টেপ বাই স্টেপ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। তারা একটি স্টেপ যখন উত্তীর্ণ হয়েছে, এরপর তাদের অন্য স্টেপে পাঠানো হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাদের ভেতরে ধর্মকে ব্যবহার করে ক্রোধ সৃষ্টি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত আমরা যাদের আটক করেছি, তাদের প্রশিক্ষণের পর সশস্ত্র সংগ্রামে যেতে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছিল।

‘তাদের ভোলা ও পটুয়াখালীর চরাঞ্চলে প্রশিক্ষণ দেয়া হলেও পরবর্তী সময়ে আরও কঠিন প্রশিক্ষণ দেয়া হবে এমনটা বলা হয়েছিল, তবে তাদের কোথায় কীভাবে সংগ্রাম করতে হবে এমন কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া লিফলেটগুলো দেখলে বোঝা যায়, তাদের মধ্যে ক্রোধ সৃষ্টি করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য ও বিচারব্যবস্থার বিরুদ্ধে। তাই এই দুই বিভাগ তাদের টার্গেট হতে পারে।’

চরাঞ্চলে কী ধরনের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে জানতে চাইলে খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘তাদের প্রথমে জিহাদি বইয়ের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে এবং সংগঠনের নিয়ম-কানুন শেখানো হয়েছে। এরপর ফিজ্যিক্যাল কিছু কসরত শেখানোর মাধ্যমে কীভাবে ফিট থাকতে হয় তা শেখানো হয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে বিভিন্ন বেশে আত্মগোপনে থাকার কায়দাকানুন শেখানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ফেরিতে উঠতে গিয়ে নদীতে পড়ে নিখোঁজ রাজস্ব কর্মকর্তা
‘নিখোঁজ’ সেই পুলিশ সদস্য এখন নেদারল্যান্ডসে হোটেল বয়
‘আমার পাপাকে ফিরিয়ে দিন’
আমার মেয়েকে জীবিত ফেরত চাই: সুকন্যার মা
নদীতে নিখোঁজ দুই শিশুর একজনের মরদেহ উদ্ধার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
30 gold bars in the airport dustbin

বিমানবন্দরের ডাস্টবিনে ৩০ স্বর্ণের বার

বিমানবন্দরের ডাস্টবিনে ৩০ স্বর্ণের বার
ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেন্টিভ টিমের কর্মকর্তা নাফিস আমিন রিজভী জানান, ডাস্টবিনে স্কচটেপে মোড়ানো অবস্থায় দণ্ডাকৃতির একটি বস্তু পাওয়া যায়। স্কচটেপ খুলে মিলে ৩০টি স্বর্ণের বার। যার ওজন ৩.৪৮ কেজি।

রাজধানী ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ডাস্টবিনে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৩০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়েছে।

বিমানবন্দরের বে নম্বর ১২ এর পাশে রাখা ডাস্টবিন থেকে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় স্বর্ণের বারগুলো উদ্ধার করা হয়।

ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেন্টিভ টিমের কর্মকর্তা নাফিস আমিন রিজভী জানান, ডাস্টবিনে স্কচটেপে মোড়ানো অবস্থায় দণ্ডাকৃতির একটি বস্তু পাওয়া যায়। স্কচটেপ খুলে মিলে ৩০টি স্বর্ণের বার। যার ওজন ৩.৪৮ কেজি। উদ্ধার করা স্বর্ণের বারগুলোর মূল্য প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা।

এ ঘটনায় কাস্টমস আইনে মামলা হবে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
স্বর্ণের দাম আরও কমল
ভারতে পাচারের সময় সোয়া ২ কেজি স্বর্ণসহ আটক ১
প্রাইভেট কারে ৫টি স্বর্ণের বার, আটক ২
স্বর্ণের দাম কমেছে
৭২ ভরি স্বর্ণ চুরি, তিন সপ্তাহে ধরে ফেলল পুলিশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
On the way home after the holiday the teenager was unconscious in the grip of the rug

ছুটি পেয়ে বাড়ির পথে বাসে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে কিশোর

ছুটি পেয়ে বাড়ির পথে বাসে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে কিশোর অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে ১৬ বছর বয়সী মো. বাতেন নামের এই কিশোর। ছবি: নিউজবাংলা
বুধবার রাতে গুলিস্তানের স্কয়ার মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। কর্মস্থল সাভারের একটি ভলক্যানাইজিং দোকান থেকে ছুটি পেয়ে পৈতৃক বাড়ি শরীয়তপুর যাওয়ার পথে বাসে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে ওই কিশোর। পরে খবর পেয়ে পুলিশ অচেতন অবস্থায় উদ্ধারের পর তাকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করায়।

গুলিস্তানে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে টাকা-পয়সাসহ কাপড়চোপড় খুইয়েছে এক কিশোর। তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।

চিকিৎসক ১৬ বছর বয়সী মো. বাতেন নামের ওই কিশোরের পাকস্থলী থেকে চেতনানাশক ওষুধ বের করার জন্য স্টমাক ওয়াশ করেন। পরে তাকে মেডিসিন বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।

বুধবার রাতে গুলিস্তানের স্কয়ার মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। কর্মস্থল সাভারের একটি ভলক্যানাইজিং দোকান থেকে ছুটি পেয়ে পৈতৃক বাড়ি শরীয়তপুর যাওয়ার পথে বাসে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে ওই কিশোর।

পরে খবর পেয়ে পুলিশ অচেতন অবস্থায় উদ্ধারের পর তাকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করায়।

অসুস্থ কিশোরকে নিয়ে আসা বংশাল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘আমি প্যাট্রলে ছিলাম। তখন লোক মারফত খবর পেয়ে ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে যাই। পরে চিকিৎসক স্টমাক ওয়াশ করে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করে দেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘অসুস্থ কিশোরের সম্পূর্ণ পরিচয় পাওয়া যায়নি। শুধু বলে, তার বাড়ি শরীয়তপুর। তার মানিব্যা‍গে ৩,০০০ টাকা ছিল। সেগুলো প্রতারকচক্র নিয়ে গেছে।’

রাতে মেডিসিন ওয়ার্ডে ওই কিশোরের খোঁজ নিলে চিকিৎসক বলেন, ‘তার শরীরে স্যালাইন দেয়া হয়েছিল। এখন তার মোটামুটি জ্ঞান ফিরেছে।’

প্রতারণার শিকার কিভাবে হয়েছে সে বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে কিশোর বলে, ‘আমি চার মাস আগে সাভারের হেমায়েতপুরে একটি ভলক্যানাইজিংয়ের দোকানে কাজ নিই। চার মাসের মধ্যে কোনো ছুটি না নেওয়ায় মালিক আবু বক্কর সিদ্দীক আমাকে এক সপ্তাহের ছুটি দেন। রাতে তিন হাজার টাকা দেন আমাকে বাড়িতে যাওয়ার জন্য।

‘সকাল ৯টার দিকে সাভার হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ এক লোক জিজ্ঞাসা করেন কোথায় যাব। আমি বললাম বাড়িতে। এরপর আমাকে ভাতের হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে পরোটা ভাজি এবং চা খাওয়ায়। এরপর শরীয়তপুরের উদ্দেশে ঢাকামুখী একটি বাসে উঠি। তিনিও আমার সঙ্গে বাসে ওঠেন। তিনি আমাকে বলেন, ‘তোমার কাছে যা আছে সেগুলো এই ব্যাগের মধ্যে রাখ। তখন আমি মানিব্যাগে ৩০০০ টাকাসহ আরো কিছু খুচরা টাকা ছিল। ওই টাকা আমি আমার ব্যাগে রাখি। এর কিছুক্ষণ পর ওই লোকটা বলে বাবা তুমি এক বোতল পানি নিয়ে আসো। এরপর আমি এক বোতল পানি কিনে তাকে দিলাম। এরপর কি হয়েছে আর বলতে পারব না। পরে আমার জ্ঞান ফিরলে দেখি আমি হাসপাতালে। তারা আমার ব্যাগের কাপড়চোপড়সহ ৩০০০ টাকা নিয়ে গেছে।

অসুস্থ কিশোর আরও বলে, ‘আমাদের বাড়ি শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট থানা এলাকায়। আমার বাবার নাম জলিল শিকদার।’

আরও পড়ুন:
অজ্ঞান পার্টির হানা চলন্ত বাসে
‘অজ্ঞান পার্টি’ নিল ইনস্যুরেন্স কর্মকর্তার প্রাণ
অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর
মানবতাবিরোধী অপরাধ: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খলিলুর গ্রেপ্তার
আলাদা ঘটনায় তিনজন অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Allegation of encroachment against BNP leader

দখলের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

দখলের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ তুলে ধরেন রাকিন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির এমডি সুইজারল্যান্ডের নাগরিক ফাদি বিতা। ছবি: নিউজবাংলা
অভিযুক্ত এস এ কে একরামুজ্জামান বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনও করেছেন। ১৪ বছর ধরে তিনি রাকিন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির এমডি ছিলেন।

রাকিন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির অফিস জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতা এস এ কে একরামুজ্জামানের বিরুদ্ধে। তিনি প্রতিষ্ঠানটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)।

বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে অভিযোগ তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান এমডি সুইজারল্যান্ডের নাগরিক ফাদি বিতা, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুমাইয়া তাসনীন, আইনজীবী ড. কাজী আক্তার হামিদ ও মোহাম্মদ ইকরাম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এস এ কে একরামুজ্জামান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতিও। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনও করেছেন।

প্রতিষ্ঠানটির নতুন এমডি ফাদি বিতা জানান, একরামুজ্জামান ২০০৮ সালে কোম্পানির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এমডির দায়িত্বে ছিলেন। কোম্পানি আইনের ১১০(৩) ধারা লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে তাকে ২০২২ সালের ২৫ এপ্রিল কোম্পানির ৮১তম বোর্ড সভার সিদ্ধান্তক্রমে অব্যাহতি দেয়া হয়।

কিন্তু গত ২৪ সেপ্টেম্বর সকালে ২০-২০ জন অস্ত্রধারী নিয়ে একরামুজ্জামান কোম্পানির মিরপুর অফিসে ঢোকেন। ফাদি বিতার ও সুমাইয়া তাসনীনকে লাঞ্ছিত করার পাশাপাশি তাদের কাছে থেকে পদত্যাগপত্রে সই করিয়ে নেন। অফিসে ঢোকার আগেই তারা সেখানকার সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করে দেন। বর্তমানে অফিসটি একরামুজ্জামানের দখলে আছে।

ফাদি বিতা অভিযোগ করে বলেন, কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের অনুমতি ছাড়াই একরামুজ্জামান সম্পত্তি বন্ধক রেখে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রায় ৭০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন। তিনি কোম্পানির নামে কয়েকটি অনুমোদনহীন ব্যাংক হিসাব খুলে সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন।

‘স্টার পোরসেলিন’ নামে একটি কোম্পানির নামেও তিনি ৭৩ কোটি ৩ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পরিচয়ে। এসব অনিয়মের বিষয়ে তাকে আইনি নোটিশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি নোটিশের জবাব দেননি। একরামুজ্জামানের বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি মামলা আছে, বিভিন্ন অভিযোগে আরও কয়েকটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।

একরামুজ্জামান ১৪ বছর ধরে এমডির দায়িত্ব পালনকালে কোম্পানির লাভ দেখাননি, বরং প্রায় ৪৫ কোটি টাকার ঘাটতি আছে। তার এসব অনিয়ম প্রকাশ্যে আসায় ক্ষিপ্ত হয়ে বেআইনিভাবে অফিস দখল করেছেন বলে মনে করেন নতুন এমডি।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে ফাদি বিতা বলেন, ‘আমরা যথাযথ বিচার, আইনি সুরক্ষা ও জীবনের নিরাপত্তা দাবি করছি। পাশাপাশি অফিসের দখল পেতে কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।’

অভিযোগের বিষয় জানতে একরামুজ্জামানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

আরও পড়ুন:
হাটের জায়গায় দোকান, হাটুরেদের জায়গা নেই
রামনাথের ‘দুইন্যা’ উদ্ধারে সাইকেলযাত্রা
জমি দখলের অভিযোগে নারী কাউন্সিলর বরখাস্ত, নিরাপত্তা চান ভুক্তভোগী
খতিয়ান জালিয়াতি করে প্রবাসীর বাড়ি দখলের চেষ্টা
রামনাথের বাড়ি দখলে নেয়া আ.লীগ নেতা ওয়াহেদ হারালেন পদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
24 robbers arrested on the night of power failure

বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের রাতে ২৪ ছিনতাইকারী আটক

বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের রাতে ২৪ ছিনতাইকারী আটক বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের রাতে রাজধানীতে ছিনতাই করতে গিয়ে আটক হওয়া কয়েকজন। ছবি: সংগৃহীত
ফারজানা হক বলেন, ‘রাজধানীতে বিদ্যুৎ না থাকার সুযোগ পেয়ে ছিনতাইকারী চক্রের দৌরাত্ম্য বেড়ে যাওয়ার খবরে সতর্ক হয় র‌্যাব-৩। বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৪ জনকে আটক করা হয়।’

জাতীয় গ্রিডে সমস্যায় দেশের চার বিভাগ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে পড়েছিল মঙ্গলবার। আর অন্ধকারকে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করে রাজধানীতে ছিনতাই করতে বের হয়ে আটক হয়েছে ২৪ জন।

মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর শাহজাহানপুর, মতিঝিল, পল্টন এবং যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত বিষাক্ত মলম ও দেশি অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৩।

র‌্যাব-৩ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ফারজানা হক বুধবার দুপুরে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, তারা নিয়মিতভাবে এসব এলাকায় ছিনতাই করে আসছিল এবং গত রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় সুযোগ নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে বড় ধরনের ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করে।

ফারজানা হক বলেন, ‘রাজধানীতে বিদ্যুৎ না থাকার সুযোগ পেয়ে ছিনতাইকারী চক্রের দৌরাত্ম্য বেড়ে যাওয়ার খবরে সতর্ক হয় র‌্যাব-৩। বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৪ জনকে আটক করা হয়।’

আটক ২৪ জন হলেন- রাজন, বিল্লাল হোসেন, হৃদয় হোসেন, জসমত, এনামুল হক, রানা, সুজন, শাহীন, বিল্লাল হোসেন, হৃদয়, মোবারক হোসেন, জনি, আবু বক্কর সিদ্দিক, মিলন চন্দ্র মণ্ডল, সুজন, আমান হোসেন, শরিফ উদ্দিন, রনি, আরিফ হোসেন, ইদ্রিস, নূর উদ্দিন, সোহেল ও আলামিন।

আরও পড়ুন:
পুলিশ পরিচয়ে দেড় হাজার ছিনতাই, ঢাবি ছাত্রীকে অপহরণ করে ধরা
ট্রাক আটকে ৬০ ড্রাম তেল ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৪
ছিনতাইকারীরা বেপরোয়া হয়ে উঠছে: র‌্যাব
বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মসজিদের টাকা ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ
চেয়ারম্যানের ভাইয়ের দোকানে মিলল ‘ছিনতাইয়ের’ ৪৪ ড্রাম তেল

মন্তব্য

p
উপরে