× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
1100 crores in two aircrafts questioned by the ACC
hear-news
player
google_news print-icon

দুই এয়ারক্রাফটে ১১শ কোটি গচ্ছা, দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

দুই-এয়ারক্রাফটে-১১শ-কোটি-গচ্ছা-দুদকে-জিজ্ঞাসাবাদ
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সাত কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ছবি: নিউজবাংলা
২০১৪ সালে পাঁচ বছরের চুক্তিতে মিশরের ইজিপ্ট এয়ার থেকে বোয়িং ৭৭৭-২০০ ইআর মডেলের উড়োজাহাজ দুটি লিজ নেয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। প্রথম বছর শেষেই দুই এয়ারক্রাফটেরই ইঞ্জিন বিকল হয়। এগুলো প্রায় ১২ থেকে ১৫ বছরের পুরানো এবং এর উড্ডয়ন যোগ্যতার মেয়াদকাল কম থাকায় ইঞ্জিনগুলো পুরোপুরি বিকল হয়ে যায়।

মিশর থেকে ভাড়ায় দুই এয়ারক্রাফট এনে রাষ্ট্রের ১১ শ কোটি টাকা গচ্চার ঘটনায় দুই দিনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সাত কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায় দুদক। তবে আরও দুই কর্মকর্তাকে দুদকের ডাকে সাড়া দিয়ে হাজির হননি।

উপপরিচালক আনোরুল হক ও সহকারী পরিচালক জেসমিন আক্তারের জিজ্ঞাসাবাদকারী দল এই জিজ্ঞাসাবাদ পরিচালনা করে।

সংস্থার উপসহকারী পরিচালক শফিউল্লাহ আদনান সাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার সিভিল এভিয়েশন অথরিটির প্রিন্সিপাল এসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর সাইফুল হক শাহ, এয়ার ওয়ার্থনেস কনসালটেন্ট গোলাম সারওয়ার, বিএফসিসি ম্যানেজার সাদেকুল ইসলাম ভূইয়া ও কামাল উদ্দিন আহমেদকে মঙ্গলবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

সোমবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় প্রধান প্রকৌশলী (মেনটেইনেন্স) এসএম সিদ্দিক, আই অ্যান্ড কিউএর প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার এসএম হানিফ এবং এমসিসির প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার দেবেশ চৌধুরীকে।

এদিন ফ্লাইট অপারেশন পরিচালক এবং পরিদর্শক দলের টিম লিডার ইশরাত আহমেদ হাজির হননি।

২০১৪ সালে পাঁচ বছরের চুক্তিতে মিশরের ইজিপ্ট এয়ার থেকে বোয়িং ৭৭৭-২০০ ইআর মডেলের উড়োজাহাজ দুটি লিজ নেয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। প্রথম বছর শেষেই দুই এয়ারক্রাফটেরই ইঞ্জিন বিকল হয়। এগুলো প্রায় ১২ থেকে ১৫ বছরের পুরানো এবং এর উড্ডয়ন যোগ্যতার মেয়াদকাল কম থাকায় ইঞ্জিনগুলো পুরোপুরি বিকল হয়ে যায়।

উড়োজাহাজ সচল রাখতে ইজিপ্ট এয়ার থেকেই ভাড়ায় আনা হয় আরেকটি ইঞ্জিন। দেড় বছরের মাথায় নষ্ট হয় বাকি ইঞ্জিনটিও। এতে পাঁচ বছরে দেশের ক্ষতি হয়েছে ১১শ কোটি টাকা, যা একাদশ জাতীয় সংসদের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির তদন্তে উঠে এসেছে।

স্থায়ী কমিটির পাঠানো ওই প্রতিবেদনের আলোকে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। প্রয়োজনে এর সঙ্গে জড়িত অন্যান্য কর্মকর্তাদেরও পর্যায়ক্রমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

দুদক জানায়, এখানে লিজ চুক্তির এবং দরপত্রের স্পেসিফিকেশনে কোনো দুর্বলতা আছে কি না এগুলোর অনুসন্ধান চলছে। নতুন করে অধিযাচন পত্র পাঠানো হয়েছে। চাওয়া হয়েছে ইজিপ্ট এয়ারের সঙ্গে হওয়া লিজ চুক্তির কপি ও বিমান লিজ সংক্রান্ত প্ল্যানিং এবং মূল্যায়ন প্রতিবেদন, ইঞ্জিন বিকল এবং এর মেইন্টেনেন্স এর প্রতিবেদনসহ আর্থিক ব্যয় বিবরণী।

প্রয়োজনে এর সাথে জড়িত অন্যান্য কর্মকর্তাদেরও পর্যায়ক্রমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে দুদক।

আরও পড়ুন:
বিমানের বিরুদ্ধে বেসরকারি এয়ারলাইনসের ক্ষোভ
গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং: আধিপত্য হারাতে পারে বিমান
শাহজালালে তৃতীয় টার্মিনালের কাজ শেষ ৪৪ শতাংশ
টরন্টো ফ্লাইটে আগ্রহ বিদেশি যাত্রীদের
সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার দেনা নিয়েও বিমান লাভজনক?

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
A young man was killed by a knife in Patiya

পটিয়ায় ছুরি মেরে যুবক খুন

পটিয়ায় ছুরি মেরে যুবক খুন মো. ফাহিম। ছবি: সংগৃহীত
পটিয়া থানার পরিদর্শক (ওসি-তদন্ত) রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘শনিবার সন্ধ্যায় ঘাটে নৌকা বাঁধা নিয়ে ফাহিমের সঙ্গে রানার মারামারি হয়। এর জেরে রোববার ফাহিমের বাড়িতে গিয়ে ছুরিকাঘাত করেন রানা। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।’

চট্টগ্রামের পটিয়ায় ঘাটে নৌকা বাঁধাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে মো. ফাহিম নামে এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় রানা নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার দুপুরে উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

২২ বছর বয়সী মো. ফাহিমের বাড়ি ওই এলাকায়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন পটিয়া থানার পরিদর্শক (ওসি-তদন্ত) রাশেদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘ঘটনার প্রায় ৩ ঘণ্টা পর আমরা জানতে পারি। শনিবার সন্ধ্যায় ঘাটে নৌকা বাঁধা নিয়ে ফাহিমের সঙ্গে রানার মারামারি হয়। এর জেরে রোববার ফাহিমের বাড়িতে গিয়ে ছুরিকাঘাত করেন রানা। সেখানেই তার মৃত্যু হয়। পটিয়ার চরপাথরঘাটা থেকে রানাকে আটক করা হয়েছে।’

পুলিশ কর্মকর্তা রাশেদুল জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুন:
জামিন পেয়েই খুন হলেন যুবক
‘প্রতিপক্ষের পিটুনিতে’ একজন খুন, ৮ বাড়ি ভাঙচুর
‘বন্ধুর ছুরিকাঘাতে’ তরুণ খুন
বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদকারীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি কেন নয়: হাইকোর্ট
এবার অস্ত্র ও মাদক মামলায় নূর হোসেনের বিচার শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
IGP advises 24 hour security at Mandapam

সজাগ থাকুন, পূজামণ্ডপ ২৪ ঘণ্টা পাহারায় রাখুন: আইজিপি

সজাগ থাকুন, পূজামণ্ডপ ২৪ ঘণ্টা পাহারায় রাখুন: আইজিপি
পুলিশপ্রধান বলেন, ‘যে সময় কেউ থাকে না, ঠিক সেই সময়টাতেই অপকর্ম ঘটায়। তাই পুরো সময়টা সজাগ থাকতে হবে। সারা দেশের মণ্ডপের জন্য আমার একই বার্তা।’

নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে কোনো অবস্থাতেই পূজামণ্ডপ ফাঁকা না রাখতে আয়োজকদের অনুরোধ করেছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

পুরান ঢাকার ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে রোববার সন্ধ্যায় এমন পরামর্শ দেন তিনি।

আইজিপি বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে একটি মহল সবসময়ই তৎপর রয়েছে। পূজামণ্ডপগুলো কোনোভাবেই ফাঁকা রাখা যাবে না। কারণ তারা এই সুযোগেই অঘটন ঘটায়। সাধারণত দুষ্কৃতিকারীরা সরকার ও সমাজের সুনাম নষ্ট করতে পূজার সময় এমন সব ঘটনা ঘটিয়ে থাকে। তাই সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’

পুলিশপ্রধান বলেন, ‘যে সময় কেউ থাকে না, ঠিক সেই সময়টাতেই অপকর্ম ঘটায়। তাই পুরো সময়টা সজাগ থাকতে হবে। সারা দেশের মণ্ডপের জন্য আমার একই বার্তা।’

দুর্গাপূজায় নিরাপত্তায় পুলিশ সর্বোচ্চ সর্তক থাকলেও পূজা কমিটির সহযোগিতা ছাড়া শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত সম্ভব নয় বলেও উল্লেখ করেন আইজিপি।

আয়োজকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘নিজেদের জনবল না থাকলে আনসার কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নিতে হবে। তবুও কোনোভাবে মণ্ডপে প্রতিমা ফাঁকা যাবে না।’

এ সময় আইজিপির সঙ্গে ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম ও ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
সব মণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা চান আইজিপি
এবারও আইজিপি র‌্যাব থেকে
অবসরে যাচ্ছেন আইজিপি বেনজীর
সন্ত্রাসবাদ মাথাচাড়ার চেষ্টা করলে অবাক হওয়ার কিছু নেই: আইজিপি
স্বাধীনতার ৩০ বছরই আমরা গণতন্ত্রের দেখা পাইনি: আইজিপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Zainal is the hero behind the rescue of Maryams mother

মরিয়মের মাকে উদ্ধারের নেপথ্য নায়ক জয়নাল

মরিয়মের মাকে উদ্ধারের নেপথ্য নায়ক জয়নাল মরিয়ম মান্নানের মা রহিমা (বামে) ও তার খোঁজ পুলিশকে দেন জয়নাল। ছবি: নিউজবাংলা
আত্মগোপনে যাওয়ার পর মরিয়মের মা রহিমা বেগম কখন কোথায় ছিলেন তার সম্পূর্ণ বিবরণ এখনও অস্পষ্ট। তবে তাকে কীভাবে খুঁজে পেয়েছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, তা স্পষ্ট হয়েছে। রহিমার ফরিদপুর অবস্থানের তথ্য জয়নাল খানের মাধ্যমে পেয়েছিল খুলনা পুলিশ।

আলোচিত মরিয়ম মান্নানের মা রহিমা বেগমকে ফরিদপুর থেকে উদ্ধারের পেছনে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করেন ফরিদপুরে বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের জয়নাল খান। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতেই রহিমাকে উদ্ধারে সক্ষম হয় দৌলতপুর থানা পুলিশের একটি দল।

এর মাধ্যমে দেশজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করা কথিত অপহরণের অভিযোগের সুরাহা হয়েছে। পুলিশ বলছে, স্বেচ্ছায় আত্মগোপন করেছিলেন রহিমা। তার মেয়ে মরিয়ম মান্নানও এখন বলছেন, মায়ের অপহরণের যে অভিযোগ তিনি তুলেছিলেন, সেটি সঠিক ছিল না।

মরিয়মের মা রহিমা গত ২৭ আগস্ট খুলনার দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশার বাড়ি থেকে গত ২৭ আগস্ট রাতে নিখোঁজ হন। মাকে খুঁজে পেতে বিভিন্ন সময় মানববন্ধন, সংবাদমাধ্যমে নানা সাক্ষাৎকার ও ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট দিয়ে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে আলোচনায় মরিয়ম মান্নান।

মায়ের নিখোঁজ হওয়ার পেছনে বরাবরই তিনি প্রতিবেশীদের সঙ্গে জমির বিরোধের বিষয়টিকে দায়ী করে আসছিলেন। রহিমা নিখোঁজের পরদিন দৌলতপুর থানায় অপহরণের মামলা করেন তার আরেক মেয়ে আদুরী আক্তার।

এরপর ২২ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহে ১২ দিন আগে উদ্ধার হওয়া এক নারীর মরদেহকে রহিমা বেগমের বলে দাবি করেন মরিয়ম। পরদিন শুক্রবার সকালে বোনদের নিয়ে ফুলপুর থানায় লাশ শনাক্ত করতে যান তিনি। তবে এর পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে ফরিদপুরে বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের কুদ্দুস মোল্লার বাড়ি থেকে রহিমাকে স্বাভাবিক অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।

আত্মগোপনে যাওয়ার পর মরিয়মের মা কখন কোথায় ছিলেন তার সম্পূর্ণ বিবরণ এখনও অস্পষ্ট। তবে তাকে কীভাবে খুঁজে পেয়েছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, তা স্পষ্ট হয়েছে।

রহিমা বেগমের ফরিদপুর অবস্থানের তথ্য কুদ্দুস মোল্লার ভাগনে জয়নাল খানের মাধ্যমে পেয়েছিল খুলনা পুলিশ।

জয়নাল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রহিমা বেগম ১৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে আমার মামাদের বাড়িতে আসেন। এরপর শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আমার মোবাইলে ফেসবুক চালানোর সময় তার নিখোঁজ সংবাদ দেখি। ফেসবুকে এক ভিডিওতে থাকা ছবির সঙ্গে তার (রহিমা) চেহারার মিল দেখে আমি বাড়িতে গিয়ে তার সঙ্গে ছবিটি মিলাই, দেখি উনিই সেই নারী।

‘রহিমা বেগমকে ভিডিও দেখালে তিনি বলেন, এটা তো আমি, কিন্তু আমি বাড়ি ফিরে যাব না।’

এরপর জয়নাল ফেসবুক ভিডিওতে রহিমার ফরিপুরে অবস্থানের তথ্য জানিয়ে কমেন্ট করেন। তবে সেই কমেন্টের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

জয়নাল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এরপর আমি ইন্টারনেটে সার্চ দিতে থাকি। একপর্যায়ে একটি নিখোঁজ বার্তায় রহিমার ছেলে মিরাজের ফোন নম্বর পাই। মিরাজের নম্বরে কল দিলে তার স্ত্রী ফোন ধরেন।

‘ফোনে রহিমা বেগমের বিষয়ে জানালে অপর পাশ থেকে উত্তর আসে, আমি ওনাকে চিনি না। এ নম্বরে আর ফোন দেবেন না। এই বলে ফোন কেটে দেয়া হয়। এরপর আমি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারের সঙ্গে যোগাযোগ করি।’

তবে মরিয়মের ভাই মিরাজ এর আগে নিউজবাংলাকে জানিয়েছিলেন, ফরিদপুর থেকে যখন কল এসেছিল, তখন তার দুটি ফোনই মরিয়মের কাছে ছিল।

স্থানীয় মেম্বার মোশারফ হোসেন মূসার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন জয়নাল খান।

মোশারফ হোসেন বলেন, ‘শনিবার সকালে জয়নাল আমাকে রহিমা বেগমের নিখোঁজের বিষয়টি জানায়। আমি এরপর খুলনা সিটি করপোরেশনের ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুল ইসলামকে অবগত করি।

‘বিকেল ৫টার দিকে সাইফুল ইসলাম আমাকে কল দেন। তিনি বলেন, ওই নারীকে দেখে রাখেন, আমরা আসব। রাত ১০টা দিকে আমাকে ফোন করে লোকেশন জানতে চান। এরপর সাড়ে ১০টার দিকে খুলনা পুলিশ বোয়ালমারী থানাকে ইনফর্ম করে তাকে খুলনা নিয়ে যায়।’

জয়নালের কাছ থেকে রহিমার বিষয়ে তথ্য পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন খুলনার ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানার পর পুলিশকে অবহিত করি। পরে তারা বোয়ালমারীতে যায়।’

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘থানা থেকে আমাকে জানানো হয়, রহিমা বেগম ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে আছেন। এরপর তাৎক্ষণিক সেখানে অভিযান চালাতে নির্দেশ দেয়া হয়।’

এই অভিযানে অন্যতম সদস্য ছিলেন দৌলতপুর থানার উপপরিদর্শক দোলা দে।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সন্ধ্যায় থানা থেকে আমাকে ফোন করে জানায় একটি উদ্ধার অভিযানে যেতে হবে। আমরা রেডি হয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রওনা হই। কোথায় কী অভিযানের যেতে হচ্ছে, তা থানা থেকে আগে আমাকে জানানো হয়নি। ’

‘মাঝপথে গিয়ে জানতে পারি, আমরা মহেশ্বরপাশা থেকে নিখোঁজ গৃহবধূ রহিমা বেগমকে উদ্ধার করতে ফরিদপুরে যাচ্ছি।

‘রাত সাড়ে ১০টার দিকে আমরা ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামে পৌঁছাই। সেখান থেকে সোজা চলে যাই কুদ্দুস মোল্লার বাড়িতে। ‘সেখানে রহিমা বেগম আরও তিনজন নারীর সঙ্গে বসে গল্প করছিলেন। দৌলতপুর থানার ওসি নজরুল ইসলামকে আগে থেকেই রহিমা বেগম চিনতেন। হঠাৎ ওসিকে দেখে তিনি হতবাক হয়ে যান।’

‘রাত ১১টার দিকে আমরা ফরিদপুর থেকে খুলনার উদ্দেশে রওনা হই। গাড়িতে আমার ডান সাইডে বসে ছিলেন রহিমা বেগম। সিনিয়র স্যাররা রহিমা বেগমকে নানান জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন। তবে কোনো প্রশ্নেরই তিনি উত্তর দেননি।’

দোলা দে বলেন, ‘রাত সোয়া ২টার দিকে আমরা দৌলতপুর থানায় পৌঁছাই। সেখানে ডিসি স্যার সাংবাদিকদের ব্রিফ করার পর থানায় রহিমা বেগমকে আমার সঙ্গে রেখে দেয়া হয়।’

পরদিন সকালে রহিমা বেগমকে সোনাডাঙ্গার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নেয়া হয়। সেখান থেকে তাকে নিজেদের জিম্মায় নেন পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের কর্মকর্তারা।

পরে আদালত মেয়ে আদুরী আক্তারের জিম্মায় রহিমা বেগমকে মুক্তি দেয় আদালত।

আরও পড়ুন:
তবুও মরিয়ম মান্নানের ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি দিল আদালত
বোয়ালমারীতে জন্মনিবন্ধন চেয়েছিলেন রহিমা
এসআই দোলার সঙ্গে রহিমার রাতভর ইশারাভাষা
রহিমা বেগম ছাড়া পেলেন মেয়ে আদুরীর জিম্মায়
বস্তাবন্দি সেই নারীর পরিচয় নিয়ে এবার ধন্দে পুলিশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Accused of killing the bride and hanging her on a fan

নববধূকে মেরে ফ্যানে ঝোলানোর অভিযোগ

নববধূকে মেরে ফ্যানে ঝোলানোর অভিযোগ নাসিরুল্লাহ-প্রিয়াসা দম্পতি। ছবি: সংগৃহীত
প্রিয়াসার বড় বোন শারমিন আক্তার লাবনী বলেন, ‘আমার বোনকে ফুসলিয়ে নাসিরুল্লাহ তার বাড়িতে নিয়ে বিয়ে করে। সে মাদকাসক্ত, যা আমরা পরে জানতে পারি। নানা কারণে সে আমার বোনকে জ্বালাতন করত। প্রিয়াসা আত্মহত্যা করতে পারে না। তাকে হত্যা করা হয়েছে।’

বিয়ের সাড়ে পাঁচ মাসের মাথায় বগুড়ার আদমদীঘিতে সৈয়দা সারা আহম্মেদ প্রিয়াসা নামে এক নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার রাতে উপজেলার ডহরপুর গ্রাম থেকে প্রিয়াসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে নাসিরুল্লাহ হক ঐক্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার দুপুরে তাকে আদালতে নিলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

২৩ বছর বয়সী প্রিয়াসা নওগাঁ শহরের জনকল্যাণ এলাকার জসিম উদ্দিনের মেয়ে। নাসিরুল্লাহর বাড়ি আদমদীঘি উপজেলার ডহরপুরে।

প্রিয়াসার পরিবারের দাবি, নির্যাতন করে হত্যার পর তাকে ফ্যানে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। নাসিরুল্লাহর পরিবার বলছে আত্মহত্যা।

আদমদীঘি থানার ওসি রেজাউল করিম রেজা এসব বিষয় জানিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, নাসিরুল্লাহর সঙ্গে নওগাঁ শহরের সারা আহম্মেদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। চলতি বছরের ১১ এপ্রিল সন্ধ্যায় তারা নিজেরা বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন কারণে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য হতে থাকে।

শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে স্বামীর বাড়ি ডহরপুর গ্রামে নিজের ঘরে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়নার ফাঁস লাগানো মরদেহ দেখতে পান পরিবারের লোকজন। পুলিশ গিয়ে মরদেহ থানায় নেয়।

পুলিশ জানায়, রোববার দুপুরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

প্রিয়াসার বড় বোন শারমিন আক্তার লাবনী বলেন, ‘আমার বোনকে ফুসলিয়ে নাসিরুল্লাহ তার বাড়িতে নিয়ে বিয়ে করে। সে মাদকাসক্ত, যা আমরা পরে জানতে পারি। নানা কারণে সে আমার বোনকে জ্বালাতন করত। প্রিয়াসা আত্মহত্যা করতে পারে না। তাকে হত্যা করা হয়েছে।

‘ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিলে ফ্যান বাঁকা হয়ে থাকত। আর জানালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করলে জানালা ভাঙার চিহ্ন থাকত, সে ধরনের কোনো আলামত নেই।’

একই অভিযোগ করেন প্রিয়াসার মা ইয়াছমিন আহম্মেদ। তিনি বলেন, ‘পারিবারিক নানা কারণে আমার মেয়েকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। এখন তারা আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিচ্ছে। থানায় শনিবার আমাদের অভিযোগ নেয়া হয়নি।

‘রোববার দুপুরে অভিযোগ নিয়েছে। আমি নিজেই থানায় অভিযোগ করেছি। তদন্তের পর সত্যতা পেলে নাকি মামলা হিসেবে রেকর্ড করবে।’

হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাসিরুল্লাহর মা খন্দকার নিসরাত বানু। তার ভাষ্য, ‘আমার বউমা অভিমান করেই আত্মহত্যা করেছে। আমরা বা আমার ছেলে কেন তাকে হত্যা করবে। তারা ভালোবেসে বিয়ে করেছিল, আমরা মেনেও নিয়েছিলাম। বিয়ের পর সব পরিবারে মান-অভিমান একটু থাকেই। সে অভিমান করে যে আত্মহত্যা করবে, তা আমরা বুঝতে পারিনি।’

আদমদীঘি থানার ওসি রেজাউল জানান, প্রিয়াসার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তিনজনকে অভিযুক্ত করে মামলা করেছেন তার মা ইয়াছমিন আহম্মেদ। সেই মামলায় নাসিরুল্লাহকে আদালতে নিলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ওসি বলেন, ‘প্রিয়াসার দেহে অন্য কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্তের পরই জানা যাবে। আমরা সার্বিক বিষয়ে তদন্ত করছি।’

আরও পড়ুন:
নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
ব্যাংক কর্মকর্তাকে নিয়ে দুই নববধূর টানাটানি
নববধূকে ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগ: স্বামী আটক
পার্কে নববধূর মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Vandalism of Shaheed Minar of the school

স্কুলের শহীদ মিনার ভাঙচুর

স্কুলের শহীদ মিনার ভাঙচুর চাঁপাইনববাবগঞ্জের বিদিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। ছবি: নিউজবাংলা
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেরুন্নেসা জানান, রাতের আঁধারে কে বা কারা শহীদ মিনারের লাল বৃত্তের পেছনের অংশ ভেঙে ফেলেছে। বিষয়টি সদর উপজেলা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।

চাঁপাইনববাবগঞ্জ পৌর এলাকার বিদিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন শহীদ মিনার ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা।

এ ঘটনায় পুলিশ শনিবার রাতে সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে।

স্থানীয়রা জানান, বিদিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নির্মাণাধীন শহীদ মিনারের লাল বৃত্তে লাগানো টাইলস শুক্রবার রাতে ভেঙে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার রাতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক মেহেরুন্নেসা জানান, রাতের আঁধারে কে বা কারা শহীদ মিনারের লাল বৃত্তের পেছনের অংশ ভেঙে ফেলেছে। বিষয়টি সদর উপজেলা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ওসি এ কে এম আলমগীর জাহান জানান, সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকেই থানায় সাধারণ ডায়েরি আকারে ঘটনাটি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এখনও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ থানায় কোনো অভিযোগ দেয়নি। এ ঘটনায় কাউকে চিহ্নিত করা যায়নি, আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছি।’

আরও পড়ুন:
শহীদ মিনারে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি
যে পথে যাবেন শহীদ মিনারে
মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে ৬ স্তরের নিরাপত্তা
জঙ্গলে ঢাকা শহীদ মিনার
নেত্রকোণায় ৯২১ স্কুলে নেই শহীদ মিনার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
RAB works according to rules and laws DG

র‌্যাব বিধিবিধান ও আইন মেনেই কাজ করে: ডিজি

র‌্যাব বিধিবিধান ও আইন মেনেই কাজ করে: ডিজি রোববার টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন র‍্যাবের নতুন মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
র‌্যাবে সংস্কার প্রসঙ্গে খুরশীদ হোসেন বলেন, ‘সংস্কার আমাদের বিষয় নয়। র‌্যবের সংস্কার করবে কি করবে না এটা সরকারের বিষয়। সরকার প্রয়োজন মনে করলে সংস্কার করবে। কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, র‌্যাবে সংস্কারের প্রয়োজন নেই।’

র‌্যাবের নতুন মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন বলেছেন, ‘এলিট ফোর্স র‌্যাব দেশের সব শ্রেণী-পেশার মানুষের কাছে আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক, নিরাপত্তা ও ভালবাসার প্রতীক। পক্ষান্তরে অপশক্তি, সন্ত্রাসী আর মাদক কারবারিদের কাছে আতঙ্কের প্রতীক। র‌্যাব তার বিধিবিধান ও প্রচলিত আইনকানুন মেনেই কাজ করে।

রোববার বিকেলে টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে র‌্যাব ডিজি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, এটা সরকার মোকাবেলা করছে। আমাদের কাছে তারা যেসব প্রশ্ন জানতে চেয়েছে সেসবের যথাযথ জবাব দিয়েছি। জবাব দেয়ার পর তারা আমাদেরকে আর কোনো প্রশ্ন করতে পারেনি।’

র‌্যাবে সংস্কার প্রসঙ্গে খুরশীদ হোসেন বলেন, ‘সংস্কার তো আমাদের বিষয় না। র‌্যবের সংস্কার করবে কি করবে না এটা সরকারের বিষয়। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। সরকার প্রয়োজন মনে করলে সংস্কার করবে। কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, র‌্যাবে সংস্কারের প্রয়োজন নেই।’

র‌্যাব বিধিবিধান ও আইন মেনেই কাজ করে: ডিজি
রোববার টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন র‌্যাব মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা

দেশে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স নীতির আলোকে র‌্যাব ফোর্সেসের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে উল্লেখ করেন র‌্যাব মহাপরিচালক।

তিনি বলেন, ‘কোনো ধরনের অরাজকতা বা নাশকতা প্রশ্রয় দেয়া হবে না। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে র‌্যাবের প্রতিটি সদস্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধ বুকে ধারণ করে দেশের আইন-শৃঙখলা রক্ষায় নিরলস কাজ করে যাবে।

‘বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে উন্নয়নের রোল মডেল। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দেশ আজ উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় একের পর এক মাইলফলক স্থাপন করে চলেছে। এখানে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রেখে আমরাও এই উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অংশীদার হতে কাজ করে যাব।’

র‌্যাবের নতুন মহাপরিচালক এর আগে টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

পরে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে পবিত্র ফাতেহা পাঠ, দোয়া ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এরপর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সের অ্যাডমিন ভবনে রক্ষিত পরিদর্শন বইতে মন্তব্য লেখেন এবং স্বাক্ষর করেন তিনি।

র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং-এর পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন, এডিজি কর্নেল মো. কামরুল হাসান, এডিজি (অ্যাডমিন) ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদসহ র‌্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সংস্কার নিয়ে র‍্যাব ডিজির উল্টো কথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
র‍্যাব সংস্কারের প্রশ্নই ওঠে না: নতুন ডিজি
দায়িত্ব নিলেন র‍্যাবের নতুন ডিজি
র‌্যাব থেকে বিদায় নিলেন আবদুল্লাহ আল-মামুন
নিষেধাজ্ঞায় বিচারবহির্ভূত হত্যা কমেছে: যুক্তরাষ্ট্রের দূত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Youth arrested on Prime Ministers birthday is in jail

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গ্রেপ্তার যুবক কারাগারে

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গ্রেপ্তার যুবক কারাগারে
দুই দিনের রিমান্ড শেষে রোববার শহিদুজ্জামানকে আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। এ সময় আসামির আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।

সুপ্রিম কোর্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনের অনুষ্ঠান থেকে কাফনের কাপড় ও ধারালো ছুরিসহ গ্রেপ্তার শহিদুজ্জামান ওরফে রাজিবকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।

দুই দিনের রিমান্ড শেষে রোববার রাজিবকে আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। এ সময় আসামির আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম আরাফাতুল রাকিব জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

শহিদুজ্জামান ওরফে রাজিবকে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় ২৯ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্তের স্বার্থে তার পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মাহবুব আহমেদ দুদিনের রিমান্ড দেন।

মামলা থেকে জানা যায়, শেখ হাসিনার জন্মদিনে কেক কাটার অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ। ওই অনুষ্ঠানস্থল থেকে কাফনের কাপড় ও ধারালো ছুরিসহ শহিদুজ্জামানকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়।

মন্তব্য

p
উপরে