× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Two police officers bail in judges case
hear-news
player
google_news print-icon

বিচারকের মামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তার জামিন

বিচারকের-মামলায়-দুই-পুলিশ-কর্মকর্তার-জামিন
আদালতের বেঞ্চ সহকারী বলেন, ‘মামলার দুই আসামি পতেঙ্গা থানার দুই উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন ও সুবীর পাল আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেছেন।’

শর্তে রাজি না হওয়ায় শিশুকে স্বর্ণ চোরাচালানের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল ও শপথ পাঠ করে আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার মামলায় জামিন পেয়েছেন ২ পুলিশ কর্মকর্তা।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল দেবের আদালতে সোমবার হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন দেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী নূর এ খোদা নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘মামলার দুই আসামি পতেঙ্গা থানার দুই উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন ও সুবীর পাল সোমবার আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেছেন।’

১৩ সেপ্টেম্বর শর্তে রাজি না হওয়ায় শিশুকে স্বর্ণ চোরাচালানের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল ও শপথ পাঠ করে আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলাটি করেন শিশু আদালত এবং চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক ফেরদৌস আরা। সেসময় আদালত মামলাটি গ্রহণ করে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২১ এপ্রিল দুটি স্বর্ণের বারসহ শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশে বাটারফ্লাই পার্ক এলাকা থেকে এক শিশুকে আটক করে পুলিশ।

শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে বিদেশ থেকে বারগুলো নিয়ে আসার অভিযোগে ওই শিশুর বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন উপপরিদর্শক আনোয়ার।

ওই মামলায় একই বছরের ৩ অক্টোবর অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক সুবীর পাল। চলতি বছরের ১১ এপ্রিল নিজেদের অভিযোগ ও প্রতিবেদনের পক্ষে আদালতে সাক্ষ্য দেন দুই এসআই। বিচার প্রক্রিয়া শেষে চলতি বছরের ৪ সেপ্টেম্বর শিশুটিকে নির্দোষ বলে রায় দেয় আদালত।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত উল্লেখ করে, অভিযুক্ত শিশুর নিকটাত্মীয় এ এইচ এম সুমন শুল্ক না দিয়ে বাহরাইন থেকে দুটি সোনার বার নিয়ে আসায় ব্যাগেজ পরিদর্শক তা আটক করেন। পরে সুমন বিধি অনুসারে শুল্ক পরিশোধ করে বার দুটি নিয়ে অভিযুক্ত শিশুটিকে দেন। ওই শিশু বার দুটি নিয়ে যাওয়ার সময় সোর্সের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

পরে সোনার বার দুটির একটি দাবি করে শিশুটিকে ছেড়ে দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হলেও তার মা সোনার বারের বৈধ কাগজপত্র দেখিয়ে প্রস্তাবে রাজি হননি। এতে পুলিশ মিথ্যা মামলা দায়ের করে এবং মামলার সমর্থনে শপথ গ্রহণ করে আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়।

আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, শিশুটির মা সোনার বারের শুল্কায়নের কাগজপত্র উপস্থাপন করা সত্ত্বেও তা আমলে নেয়া হয়নি এবং ওই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজস্ব অফিস থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেননি তদন্ত কর্মকর্তা। তিনি বাদী পুলিশ কর্মকর্তাকে বাঁচানোর উদ্দেশে দায়িত্ব জ্ঞানহীন এবং মিথ্যা অভিযোগপত্র দিয়েছেন আদালতে। শুধু তাই নয়, প্রকৃত সত্য জেনেও শপথ গ্রহণ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন তিনি।

এই মামলায় অভিযুক্ত শিশুটি নির্দোষ হয়েও ২০১৯ সালের ২২ এপ্রিল থেকে ২৮ মে পর্যন্ত এক মাস ৬ দিন জেল হাজতে আটক থাকার পর জামিনে মুক্তি পায়।

ওইদিন বেঞ্চ সহকারী নূর এ খোদা বলেন, ‘ওই শিশুর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা, মিথ্যা পুলিশ প্রতিবেদন দেয়া এবং মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ায় আসামিরা পেনাল কোড ১৭৭, ১৮১, ১৯৩ এবং ২১১ ধারায় অপরাধ করেছেন। তাই তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি হয়েছে।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Death penalty commuted to four life sentences for Monirs murder

মনির হত্যায় মৃত্যুদণ্ড থেকে কমে চার জনের যাবজ্জীবন

মনির হত্যায় মৃত্যুদণ্ড থেকে কমে চার জনের যাবজ্জীবন হাইকোর্ট ভবন।
পাওনা টাকা চাইতে গেলে ২০০৭ সালের ১৮ জুন রাতে আসামিরা সবজি ব্যবসায়ী মনির হোসেনকে একটি মাঠে ডেকে নিয়ে হত্যা করে। পরে পাশের ডোবায় কচুরিপানা দিয়ে মরদেহ ঢেকে রাখে।

১৫ বছর আগে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ব্যবসায়ী মনির হোসেন হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চার জনের দণ্ড পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে রায় দিয়েছে হাইকোর্ট। পাশাপাশি যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের সাজা বহাল রাখা হয়েছে।

রোববার বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আতাউল হামিদ পরাগ, আলমগীর হোসেন, এরশাদ হোসেন ভুট্টু ও রতন ইবনে মাসুদ। আর যাবজ্জীবন দণ্ড বহাল আসামিরা হলেন গোলজার হোসেন ও শাহীন।

এ মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল শুনানি গত ২৬ সেপ্টেম্বর শেষ করা হয়। এরপর রায় ঘোষণার জন্য রোববার দিন ঠিক করে দেয় আদালত।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এম এম জি সারোয়ার পায়েল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অবন্তী নুরুল।

আসামিপক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন ও অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান। তাদের সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম মাসুদ রানা,অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান, উম্মে সালমা, অ্যাডভোকেট ফরিদ উদ্দিন, অ্যাডভোকেট মো. আব্দুস সালাম, অ্যাডভোকেট আহসানুল কাইয়ুম ও অ্যাডভোকেট মিজানুর রশিদ।

মামলা থেকে জানা যায়, সবজি ব্যবসায়ী নিহত মনির হোসেন সোনারগাঁও উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের মুসারচর গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে। পাওনা টাকা চাইতে গেলে ২০০৭ সালের ১৮ জুন রাতে আসামিরা তাকে একটি মাঠে ডেকে নিয়ে হত্যা করে। পরে পাশের ডোবায় কচুরিপানা দিয়ে মরদেহ ঢেকে রাখে।

এ ঘটনায় করা মামলার বিচারকাজ শেষে ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ নারায়ণগঞ্জ দ্বিতীয় জেলা ও দায়রা জজ কামরুন্নাহার চার আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

পরে মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামিপক্ষ আপিল আবেদন করেন।

আরও পড়ুন:
বড় ভাইকে হত্যার দায়ে ছোট ভাইয়ের যাবজ্জীবন
জোড়া খুনের ১৭ বছর পর ৩ জনের যাবজ্জীবন
বন্ধুকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন
নেশার টাকার জন্য মাকে হত্যার দায়ে ছেলের যাবজ্জীবন
বাবা-ছেলে খুন: ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৭ জনের যাবজ্জীবন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Testimony of 2 bank officials against Salim Pradhan

সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে ২ ব্যাংক কর্মকর্তার সাক্ষ্য

সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে ২ ব্যাংক কর্মকর্তার সাক্ষ্য পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার সেলিম প্রধান। ফাইল ছবি
৫৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার বাদী হয়ে সেলিমকে আসামি করে মামলাটি করেন।

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিং আইনের মামলায় গ্রেপ্তার সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন ন্যাশনাল ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা।

রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালতে ন্যাশনাল ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট আমিরুল ইসলাম ও নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট মুন্সী আবু জাকারিয়া সাক্ষ্য দেন।

এদিন সেলিম প্রধানের উপস্থিতিতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। সাক্ষীদের জবানবন্দি শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবী জেরা শেষ করেন। এরপর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৯ অক্টোবর দিন ঠিক করেন আদালত।

এ নিয়ে মামলাটিতে ৩৯ সাক্ষীর মধ্যে ২৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

৫৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার বাদী হয়ে সেলিমকে আসামি করে মামলাটি করেন।

মামলায় তার বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে ১২ কোটি ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৭৫৪ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হয়।

২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি মামলাটির তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। এতে ৫৭ কোটি ৭৯ লাখ ২৮৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ২১ কোটি ৯৯ লাখ ৫১ হাজার ১৪৫ হাজার টাকা থাইল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রে পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

এর আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে সেলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, দুর্নীতি ও ক্যাসিনোর মাধ্যমে সেলিম ৫৭ কোটি ৪১ লাখ ৪৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন। এর মধ্যে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ৩৫ কোটি ৪১ লাখ ৯৭ হাজার টাকার। অর্জিত ২১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা পাচার করেছেন থাইল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রে।

সেলিম জাপান-বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং পেপার্সের চেয়ারম্যান। এই কোম্পানিতে তার ৪০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। ৬৯ হাজার শেয়ারের বিপরীতে এখানে বিনিয়োগ দেখানো হয়েছে ৬৯ লাখ টাকা।

তবে সেলিমের নামে শেয়ার মানি ডিপোজিট পাওয়া গেছে ২৩ কোটি ৫৫ লাখ ৮৪ হাজার ৬৫০ টাকা। এ টাকা তিনি অবৈধভাবে অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ। প্রিন্টিং পেপার্স কোম্পানি ২০১০ সালে মুনাফা করে ২৯ লাখ ৩৩ হাজার ৮৫৩ টাকা।

প্রতিষ্ঠানটি ২০১১ সালে মুনাফা করে ১ কোটি ৪৬ লাখ ২১ হাজার ৭২ টাকা। এখান থেকে ২০১১-১২ অর্থবছরে ৮ কোটি টাকা ঋণ নেন বলে সেলিম তার ব্যক্তিগত আয়কর নথিতে উল্লেখ করেছেন।

তবে এই কোম্পানি থেকে কীভাবে ঋণ নিয়েছেন তিনি এ-সংক্রান্ত কোনো বৈধ কাগজ দেখাতে পারেননি।

আরও পড়ুন:
সেলিম প্রধানের মুক্তির দাবিতে রুশ স্ত্রীর জামিন আবেদন
ক্যাসিনো ব্যবসা: সেলিম প্রধানের জামিন নাকচ
সেলিম প্রধানের মামলায় ২ ব্যাংক কর্মকর্তার সাক্ষ্য
মাদক মামলায় সেলিম প্রধানের জামিন
সেলিম প্রধানের মামলায় ৩ জনের সাক্ষ্য

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Clash in Munshiganj 177 BNP bailed in two cases

মুন্সীগঞ্জে সংঘর্ষ: দুই মামলায় বিএনপির ১৭৭ জনের জামিন

মুন্সীগঞ্জে সংঘর্ষ: দুই মামলায় বিএনপির ১৭৭ জনের জামিন মুন্সীগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে বিএনপির নেতা-কর্মীরা। ফাইল ছবি
আইনজীবী কামাল হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুই মামলায় আজ ১৭৭ জনকে আগাম জামিন দিয়েছে আদালত। তাদের ছয় সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।’

মুন্সীগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় করা দুই মামলায় বিএনপির ১৭৭ নেতা-কর্মীকে আগাম জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার তাদের জামিন দেয়।

আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে নেতা-কর্মীদের বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ফজলুর রহমান। তার সঙ্গে ছিলেন কামাল হোসেন।

আইনজীবী কামাল হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুই মামলায় আজ ১৭৭ জনকে আগাম জামিন দিয়েছে আদালত। তাদের ছয় সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।’

মুন্সীগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় হওয়া মামলায় বিএনপির তিন শতাধিক নেতা-কর্মীর আগাম জামিন চেয়ে ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।

মুক্তারপুরে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষ

গত ২১ সেপ্টেম্বর জ্বালানি তেলসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং ভোলা ও নারায়ণগঞ্জে বিএনপির তিন নেতা-কর্মী নিহতের প্রতিবাদে মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুরে বিক্ষোভ কর্মসূচি করে বিএনপি। ওই দিন বিকেল ৩টার দিকে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ দিতে বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা নেতা-কর্মীরা মুক্তারপুর মোড়ে জড়ো হতে থাকেন। পুলিশ বাধা দিলে তারা মুক্তারপুর থেকে ট্রাকে পুরোনো ফেরিঘাট এলাকায় যান।

সেখানে বিভিন্ন এলাকা থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা আসতে শুরু করেন। ওই সময় সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিনহাজুল ইসলাম একটি মিছিলের ব্যানার ধরে টান দিলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

ওই সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। তাদের মধ্যে শহিদুল ইসলাম সাওন নামে যুবদলকর্মী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

সংঘর্ষের ঘটনায় গত ২২ সেপ্টেম্বর মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় দলটির নেতা-কর্মীদের নামে দুটি মামলা হয়।

মামলা দুটিতে এক হাজার ৩৬৫ জনকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে বিএনপির নেতা-কর্মী ও অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি আছেন। দুটি মামলায় ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সংঘর্ষের ঘটনায় মুন্সীগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক মাইনউদ্দিন বাদী হয়ে সরকারি অস্ত্র, গুলি লুট ও মোটরসাইকেল পোড়ানোর অভিযোগে ৩১৩ জনের নামে এবং ৭০০ থেকে ৮০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন।

ওই মামলায় প্রধান আসামি করা হয় জেলা বিএনপির সদস্যসচিব কামরুজ্জামান রতনকে।

আরও পড়ুন:
এবার রাজপথে বিএনপির টানা দুই মাসের কর্মসূচি
বিএনপির টুকুর বক্তব্যে ক্ষেপেছে জামায়াত
বন্দুকের নল যে কোনো সময় ঘুরে যাবে: আব্বাস
জামায়াতের জোট ছাড়ার গুঞ্জন স্বীকার বিএনপি নেতার
ফের পেট্রলবোমা ছুড়লে জনগণকে নিয়ে প্রতিরোধ: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Aamir who made 300 people unconscious at the airport is now caught

বিমানবন্দরে ৩০০ জনকে অজ্ঞান করা আমির এবার ধরা

বিমানবন্দরে ৩০০ জনকে অজ্ঞান করা আমির এবার ধরা র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার চারজন। ছবি: নিউজবাংলা
চক্রের সদস্যদের সম্পর্কে খন্দকার আল মঈন জানান, আমির হোসেন বিমানবন্দরকেন্দ্রিক ওই অজ্ঞান পার্টি চক্রের হোতা। সে মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা করে। পরবর্তী সময়ে বিমানবন্দর এলাকায় একটি ফাস্টফুডের দোকানে চাকরির আড়ালে গত ১৫ বছর ধরে এই অপকর্মে জড়িত।

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকেন্দ্রিক অজ্ঞান পার্টি চক্রের হোতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

র‌্যাব বলছে, প্রায় ৩০০ জনকে অজ্ঞান করেছে চক্রটি। ১৫ বছর ধরে এ এলাকায় সক্রিয় তারা। শনিবার রাজধানীর বিমানবন্দর ও কদমতলী এলাকায় র‌্যাব-১ তাদের ধরতে অভিযান চালায়।

চক্রের হোতা মো. আমির হোসেন। তার বাড়ি বরিশাল জেলায়। গ্রেপ্তার অন্য তিনজন হলেন মো. লিটন মিয়া ওরফে মিল্টন, আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে পারভেজ এবং জাকির হোসেন। তাদের বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, অজ্ঞান করার কাজে ব্যবহৃত ট্যাবলেট, যাত্রীর ছদ্মবেশ ধারণে ব্যবহৃত লাগেজ ও চোরাই স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।

রোববার দুপুরে কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

দীর্ঘ সময় ধরে চক্রটি প্রায় ৩০০ প্রবাসীকে কৌশলে অজ্ঞান করে সর্বস্ব লুট করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘গত ২ সেপ্টেম্বর একজন কুয়েতপ্রবাসী হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। এরপর চক্রটির একজন সদস্য বিমানবন্দর থেকে ওই প্রবাসীকে অনুসরণ করতে থাকে।

‘ওই ব্যক্তি আজমপুর বাসস্ট্যান্ডে উত্তরবঙ্গগামী বাস কাউন্টারে টিকিট কাটতে গেলে কাউন্টারের পাশে আগে থেকেই যাত্রীর ছদ্মবেশে অনস্থান করছিল চক্রের হোতা আমির হোসেন। আমির হোসেন তার কাছে থাকা অতিরিক্ত বাসের টিকিট বিক্রি করেন।’

র‌্যাব কর্মকর্তা খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘আমির তার সঙ্গে থাকা একটি লাগেজ ও কিছু কুয়েতি দিনার দেখিয়ে ওই ব্যক্তির কাছে নিজেকে প্রবাসী পরিচয় দিয়ে একসঙ্গে বাসে উঠে একপর্যায়ে চেতনানাশক ওষুধ মেশানো বিস্কুট খেতে দেন।

‘পরে বিস্কুট খাওয়ার পর ওই প্রবাসী অজ্ঞান হয়ে যান। এরপর চক্রটি তার সব মালামাল লুট করে নিয়ে মাঝপথে বাস থেকে নেমে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রবাসী গত ৬ সেপ্টেম্বর উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা করেন।’

চক্রের সদস্যদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র‌্যাব মুখপাত্র জানান, সংঘবদ্ধ অজ্ঞান পার্টির এই চক্রের সদস্য সংখ্যা ৮-১০ জন। তারা বিভিন্ন পেশার আড়ালে গত ১৫ বছর ধরে হাতে পাসপোর্ট ও লাগেজ নিয়ে প্রবাসফেরত যাত্রীর ছদ্মবেশ ধারণ করে এসব করতেন।

চক্রের সদস্যদের সম্পর্কে খন্দকার আল মঈন জানান, আমির হোসেন বিমানবন্দরকেন্দ্রিক ওই অজ্ঞান পার্টি চক্রের হোতা। তিনি মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। পরবর্তী সময়ে বিমানবন্দর এলাকায় একটি ফাস্টফুডের দোকানে চাকরির আড়ালে ১৫ বছর ধরে এই অপকর্মে জড়িত।

আমির হোসেনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ১৫টির বেশি মামলা রয়েছে এবং তিনি একাধিকবার কারা ভোগ করে জামিনে ছিলেন। লিটন তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। তিনি মাইক্রোবাসের চালক হিসেবে পরিচিত হলেও ওই পেশার আড়ালে ৩-৪ বছর ধরে আমিরের অন্যতম সহযোগী হিসেবে কাজ করে আসছেন।

র‌্যাব কর্মকর্তা আরও জানান, জাকির হোসেন ছাপাখানার ঠিকাদার হিসেবে কাজ করেন। আবু বক্কর ৮-৯ বছর বিভিন্ন জুয়েলারি দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। চক্রের আরও ৬-৭ জন বিভিন্ন সময়ে যুক্ত ছিলেন, যারা বর্তমানে কারাগারে।

আরও পড়ুন:
বাধ্য না হলে র‌্যাব গুলি ছোড়ে না: বিদায়ী ডিজি
নিষেধাজ্ঞা নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আয়ুর্বেদিক ওষুধের নামে মাদক বিক্রি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Reserve Theft Investigation Report November 16

রিজার্ভ চুরি: তদন্ত প্রতিবেদন ১৬ নভেম্বর

রিজার্ভ চুরি: তদন্ত প্রতিবেদন ১৬ নভেম্বর রিজার্ভের অর্থ চুরির চার বছর পর ২০২০ সালে মামলা করে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফাইল ছবি
২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে সুইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার হাতিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। পরে ওই টাকা তারা ফিলিপাইনের রিজল ব্যাংকে পাঠিয়ে দেয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার তারিখ পিছিয়ে ১৬ নভেম্বর দিন ঠিক করেছে আদালত।

রোববার এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার দিন ঠিক ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা সিআইডি প্রতিবেদন জমা না দেয়ায় ঢাকা মহানগর হাকিম আরাফাতুল রাকিব নতুন দিন ঠিক করেন।

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে সুইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার হাতিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। পরে ওই টাকা তারা ফিলিপাইনের রিজল ব্যাংকে পাঠিয়ে দেয়।

দেশীয় কোনো চক্রের সহায়তায় হ্যাকার গ্রুপ রিজার্ভের অর্থ পাচার করেছে বলে তদন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ধারণা করেন। এর পেছনে উত্তর কোরীয় হ্যাকারদের সংশ্লিষ্টতার তথ্যও এসেছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে।

এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদা অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মতিঝিল থানায় মামলা করেন।

ওই মামলার তদন্তে নামে সিআইডি। প্রতিবেদন জমা দিতে ২০১৬ সালের ১৯ এপ্রিল প্রথমবারের মতো দিন ঠিক করে আদালত। এর পর থেকে দফায় দফায় পিছিয়েছে প্রতিবেদন জমার তারিখ।

রিজার্ভ থেকে চুরি হয়ে যাওয়া অর্থ উদ্ধার ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আবেদন জানিয়ে ২০২০ সালের ২৭ মে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক কাউন্টি সুপ্রিম কোর্টে রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংক এবং ১৯ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করে বাংলাদেশ। গত বছরের মার্চে সে মামলা খারিজ হয়ে যাওয়ার খবর আসে সংবাদমাধ্যমে।

রিজল ব্যাংক থেকে অর্থ তুলে একটি ক্যাসিনোতে নিয়ে যাওয়ার খবর প্রকাশের পর সেই ক্যাসিনো মালিকের কাছ থেকে দেড় কোটি ডলার উদ্ধার করে বাংলাদেশ সরকারকে বুঝিয়ে দেয় ফিলিপাইন। বাকি অর্থ উদ্ধারে তেমন অগ্রগতি নেই।

আরও পড়ুন:
রিজার্ভ চুরির মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন ২ অক্টোবর
রিজার্ভ চুরি: বাংলাদেশ ব্যাংকের বিরুদ্ধে আরসিবিসির মামলা খারিজ
রিজার্ভ চুরির মামলা খারিজ হয়নি: বাংলাদেশ ব্যাংক
রিজার্ভ চুরি: ৪৯তম বার পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন
রিজার্ভ চুরি, ৪৭ বারেও জমা পড়ল না প্রতিবেদন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Reports of 3 cases of collision in Newmarket are pending

নিউমার্কেটে সংঘর্ষের ৩ মামলার প্রতিবেদন পেছাল

নিউমার্কেটে সংঘর্ষের ৩ মামলার প্রতিবেদন পেছাল নিউমার্কেটে সংঘর্ষে রণক্ষেত্র। ফাইল ছবি
রোববার মামলা তিনটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন পুলিশ প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় ঢাকার মহানগর হাকিম শান্তা আক্তার প্রতিবেদন জমার নতুন তারিখ ঠিক করেন।

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের ঘটনায় করা তিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পিছিয়ে আগামী ৭ নভেম্বর ঠিক করেছে আদালত।

রোববার মামলা তিনটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন পুলিশ প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় ঢাকার মহানগর হাকিম শান্তা আক্তার প্রতিবেদন জমার নতুন তারিখ ঠিক করেন।

মামলা তিনটি হলো ডেলিভারিম্যান নাহিদ হত্যা মামলা, পুলিশের ওপর হামলা মামলা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলা।

গত ১৭ এপ্রিল রাত ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী ও দোকান কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা চলে এ সংঘর্ষ। এরপর রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও পরিদন সকাল ১০টার পর থেকে ফের দফায় দফায় সংঘর্ষ শুরু হয়। যা চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত।

এতে উভয়পক্ষের অর্ধশতাধিক আহত হন। সংঘর্ষের সময় গুরুতর আহত ডেলিভারিম্যান নাহিদ পরে হাসপাতালে মারা যান। এলিফ্যান্ট রোডের একটি কম্পিউটার বিক্রয় প্রতিষ্ঠানের ডেলিভারিম্যান ছিলেন তিনি। আহত হয়ে হাসপাতালে দোকান কর্মচারী মুরসালিনেরও মৃত্যু হয়।

নাহিদের মৃত্যু ঘিরে বিভিন্ন তথ্য ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। দাবি করা হয় ব্যবসায়ী-শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের মাঝে পড়ে প্রাণ হারান তিনি। তবে নিউজবাংলার অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে নাহিদও ওই সংঘর্ষে যোগ দিয়েছিলেন। তার অবস্থান ছিল নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ীদের পক্ষে। একপর্যায়ে বিপরীত দিকে ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের পক্ষে থাকা একদল হেলমেটধারী তরুণ নাহিদকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।

এ ঘটনায় নিহত নাহিদের বাবা মো. নাদিম হোসেন নিউমার্কেট থানায় অজ্ঞাত আসামি উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। মুরসালিন নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা করেন তার ভাই নুর মোহাম্মদ।

এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে দুটি মামলা করে। একটি মামলা বিস্ফোরক আইনে এবং অন্যটি পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে। দুই মামলাতে নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী, কর্মচারী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীসহ মোট ১২০০ জনকে আসামি করা হয়।

আরও পড়ুন:
নিউমার্কেটে সংঘর্ষ: তিন মামলার প্রতিবেদন পিছিয়ে ১৮ জুলাই
নিউমার্কেটে মারামারি শুরু করা দুইজন গ্রেপ্তার
দায়হীন মৃত্যু আর কত?

মন্তব্য

বাংলাদেশ
SSC question leak Two more teachers remanded

এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস: রিমান্ডে আরও দুই শিক্ষক

এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস: রিমান্ডে আরও দুই শিক্ষক রিমান্ড আদেশের পর আমিনুর ও জোবাইরকে আদালত থেকে নেয়া হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি আজাহার আলী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুই আসামির তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলেও শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত তাদের দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে।’

কুড়িগ্রামে এসএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় গ্রেপ্তার ভূরুঙ্গামারী নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বরখাস্ত আরও দুই শিক্ষককে দুই দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

রোববার সকালে কুড়িগ্রামের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক সুমন আলী এ আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সহকারি আইনজীবী দিলরুবা আহমেদ শিখা নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আসামিরা হলেন ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক জোবাইর রহমান ও ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক আমিনুর রহমান রাসেল। এর আগে গত বুধবার মামলার প্রধান আসামি একই বিদ্যালয়ের বরখাস্ত প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব লুৎফর রহমানকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছিল আদালত।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি আজাহার আলী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুই আসামির তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলেও শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত তাদের দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে।

‘প্রধান আসামি লুৎফর রহমান তিন দিনের রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। সেগুলো যাচাই বাছাই করে দেখা হচ্ছে।’

আইনজীবী দিলরুবা আহমেদ বলেন, ‘আসামিরা প্রশ্ন ফাঁস করে দেশ ও জাতির ক্ষতি করেছেন। তাদের সব্বোর্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

২০ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দিনাজপুর বোর্ডের ইংরেজি প্রথম পত্র ও দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠে। এরপর ওই কেন্দ্রের সচিব লুৎফর রহমান জিজ্ঞাসাবাদে প্রশ্নপত্র ফাঁসের কথা স্বীকার করেন। একই সঙ্গে তার কাছে কয়েকদিনের আগাম প্রশ্নপত্র রয়েছে বলে জানান।

এদিন মধ্যরাতে ট্যাগ অফিসার ও কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আদম মালিক চৌধুরী মামলা করেন।

গ্রেপ্তার হন লুৎফর রহমান, ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক আমিনুর রহমান, ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক জোবাইর রহমান, কৃষি বিজ্ঞানের শিক্ষক হামিদুল ইসলাম, বাংলা বিষয়ের শিক্ষক সোহের চৌধুরী ও অফিস সহায়ক সুজন মিয়া। এই ঘটনার পর ওই বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মো. আবু হানিফ পলাতক রয়েছেন।

এদের সবাইকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার দুই দিন পর কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমান বরখাস্ত হন।

আরও পড়ুন:
পরীক্ষার হলে ফেসবুক লাইভ, ২ এসএসসি পরীক্ষার্থী বহিষ্কার
‘ভূরুঙ্গামারীর ইউএনওর অবহেলায়’ এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস
প্রশ্নফাঁস: কুড়িগ্রামের উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরখাস্ত
দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন ২ ঘণ্টা পরই
এসএসসি: দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত ৪ বিষয়ের সূচি ঘোষণা

মন্তব্য

p
উপরে