× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The cost per EVM is Rs4 lakh
hear-news
player
print-icon

প্রতি ইভিএমে খরচ পৌনে ৪ লাখ টাকা

প্রতি-ইভিএমে-খরচ-পৌনে-৪-লাখ-টাকা
ইভিএম কেনায় একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ফাইল ছবি
এর আগের দফায় কেনা প্রতিটি ইভিএম ইউনিটের পেছনে ভ্যাট-ট্যাক্সসহ খরচ হয়েছিল ২ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। ডলারের দাম বাড়ার কারণে প্রতি ইউনিটে ১ লাখ টাকা থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকার মতো খরচ বাড়ছে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কমপক্ষে দেড় শ আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের লক্ষে নতুন একটি প্রকল্প প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রকল্পটিতে ভ্যাট ও ট্যাক্স ছাড়া প্রতি ইউনিট ইভিএমের খরচ ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৫ হাজার টাকা। এর সঙ্গে শুল্ক ও ট্যাক্স হিসেব করলে খরচ প্রতি ইউনিটে প্রায় পৌনে ৪ লাখ টাকা দাঁড়াবে বলে হিসাব পাওয়া গেছে।

২ লাখ ইভিএম কেনা সংক্রান্ত পুরো প্রকল্পটির পেছনে ব্যয় হবে ৮ হাজার ৭শ ১১ কেটি ৪৪ লাখ টাকা। তবে এ প্রকল্পে ইভিএম রাখার জন্যে গুদামঘর, লোকবল ও প্রশিক্ষণসহ আরও বিভিন্ন খাতে ব্যয় সন্নিবেশিত আছে।

প্রকল্পে ইউনিটপ্রতি ইভিএমের পেছনে ব্যয়ের অঙ্কটি নিশ্চিত করেছেন নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ।

প্রতিটি ইভিএমে সর্বোচ্চ ১৫ থেকে ২৩ শতাংশ পর্যন্ত ভ্যাট ও ট্যাক্স খরচ হতে পারে বলে জানান নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা। এ খাতে ব্যয় ১৫ শতাংশ হলে প্রতি ইউনিট ইভিএমে খরচ পড়তে পারে সাড়ে ৩ লাখ টাকার বেশি। তবে ভ্যাট ও ট্যাক্সের পেছনে ব্যয় ২৩ শতাংশ হলে এ খরচ দাঁড়াবে ৩ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।

নির্বাচন কমিশনকে নতুন ইভিএম সরবরাহ করবে বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (বিএমটিএফ)।

সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি থেকে শুরু করে বিএনপিসহ সমমনা বেশ কয়েকটি দল ভোটে ইভিএম মেশিন ব্যবহারের বিরোধিতা করে আসছে। তবে বর্তমান কমিশন ভোটের দেড় বছর আগেই কমপক্ষে দেড়শ আসনে ইভিএম ভোট করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয় সাংবিধানিক এ সংস্থা।

এর আগে একাদশ সংসদ নির্বাচনে ইভিএম কেনার জন্য কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশনের দেয়া প্রস্তাবে ৩ হাজার ৮২৫ কোটি টাকার একটি প্রকল্প পাস করেছিল জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। সেবার প্রতি ইভিএমের পেছনে ভ্যাট-ট্যাক্সসহ খরচ হয়েছিল ২ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। ডলারের মূল্য বৃদ্ধির ফলে ইভিএমপ্রতি ১ লাখ টাকা থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকার মতো খরচ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

ভ্যাট ট্যাক্স ছাড়া প্রতি ইভিএমে গতবারের তুলনায় খরচ বাড়ছে ৭১ হাজার টাকা। অন্যদিকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ভ্যাট-ট্যাক্স খরচ হলে প্রতি ইভিএমের পেছনে গতবারের তুলনায় ব্যয় বৃদ্ধি পাবে ১ লাখ ১৬ হাজার টাকার বেশি। যদি ২৩ শতাংশ পর্যন্ত ভ্যাট-ট্যাক্সে ব্যয় হয়, তাহলে প্রতি ইভিএমে খরচ বাড়বে ১ লাখ ৪২ হাজার টাকা।

তবে একই প্রকল্পের আওতায় ১০টি ওয়্যারহাউজ (গুদামঘর), ৫৩৪টি পিক-আপ ভ্যান, চারটি গাড়ি, ১ হাজার ৩৩৭ জন লোকবল নিয়োগ এবং এদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ফলে পুরো প্রকল্পের আকার দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৭১১ কেটি ৪৪ লাখ টাকা।

নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ নিউজবাংলাকে বলেন,‘নতুন এ প্রকল্পে ভ্যাট-ট্যাক্স ছাড়া ইভিএম প্রতি খরচ হবে ৩ লাখ ৫ হাজার টাকা। এই দামে ২ লাখ ইভিএম কেনা হবে। এ ছাড়া একই প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ৩৩৭ জন দক্ষ জনবল নিয়োগ করা হবে।’

একটি ইভিএমের তিনটি অংশ আছে। এগুলো হলো কন্ট্রোল ইউনিট, ব্যালট ইউনিট ও ডিসপ্লে ইউনিট। ভোটারের নিজেদের পরিচয় নিশ্চিত করতে আঙুলের ছাপ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিসপ্লেতে ওই ভোটারের ছবিসহ যাবতীয় তথ্য চলে আসে। ব্যাটারির মাধ্যমে ইভিএম চলবে। চার্জ থাকবে ৪৮ ঘণ্টা। ইভিএমের সঙ্গে বাইরের কোনো ইন্টারনেট বা এ ধরনের কোনো সংযোগ থাকবে না। ফলে এটি হ্যাক করার কোনো সুযোগ নেই।

সোমবার কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন নিজেদের সপ্তম সভায় ‘নির্বাচনি ব্যবস্থায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ইভিএম এর ব্যবহার বৃদ্ধি এবং টেকসই ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) অনুমোদন দেয়। পরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তারা প্রকল্পের আকার ঘোষণা করেন। করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সিইসি এ সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

২০১১ সালের পর থেকে বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচনে সীমিত পরিসরে ইভিএম ব্যবহার করা হচ্ছে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাত্র ছয়টি আসনে ইভিএম ব্যবহার করা হয়। তবে তখন ৭০ থেকে ৮০টি আসনে ইভিএমে নির্বাচন করার সামর্থ্য ছিল নুরুল হুদা কমিশনের।

এর আগে এ টি এম শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন বাংলাদেশে প্রথম ইভিএম ব্যবহার করে। ওই ইভিএম তৈরি করেছিল বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। বুয়েটের তৈরি ইভিএমে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন হয়েছিল। ওই ইভিএমে বায়োমেট্রিকের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করার ব্যবস্থা ছিল না। ‘ভিভিপিএটি’ (ভোট দেয়ার নিশ্চিতির রশিদ) সুবিধাও ছিল না। বর্তমানের ইভিএমেও ‘ভিভিপিএটি’ সুবিধা নাই।

সোমবারের বৈঠক শেষে ইসি মো. আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, ‘আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ১৫০ আসনে ইভিএমে ভোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। বর্তমানে আমাদের কাছে যে ইভিএম আছে, তা দিয়ে সর্বোচ্চ ৭০ থেকে ৮০টি আসনে ভোট করা সম্ভব। তাই ১৫০টি আসনে নির্বাচন করতে হলে নতুন করে ইভিএম কিনতে হবে।

‘এ জন্য ইসি সচিবালয় নতুন একটি প্রকল্প প্রস্তাব কমিশন সভায় তুলেছিল। আমরা এটার অনুমোদন দিয়েছি। এখন পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হবে। এর আগে একটা কাজ আছে। সেটা হলো অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটা সভা করতে হবে। তারপর সেটা প্ল্যানিং কমিশনে পাঠানো হবে। একনেক এটা চূড়ান্ত অনুমোদন করবে কী করবে না, এটা তাদের বিষয়।’

দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৯৩ হাজারের মতো ইভিএম রাখা হয়েছে। নির্বাচনের সময় সেখান থেকে যন্ত্রগুলো পাঠানো হয়। আর বিএমটিএফে সংরক্ষিত আছে প্রায় ৫৫ হাজার যন্ত্র। সব মিলিয়ে ১ লাখ ৫০ হাজার ইভিএম ইসির কাছে রয়েছে।

আরও পড়ুন:
ইভিএম: ৮ হাজার ৭১১ কোটি টাকার প্রকল্পে অনুমোদন
চট্টগ্রামের সেই ডিসিকে ভোটের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ২২ জন
চট্টগ্রামের ডিসিকে ভোটের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিচ্ছে ইসি
করোনায় আক্রান্ত সিইসি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
EC will also campaign in mosques and temples with EVMs

ইভিএম নিয়ে ইসি মসজিদ-মন্দিরেও প্রচার চালাবে

ইভিএম নিয়ে ইসি মসজিদ-মন্দিরেও প্রচার চালাবে
ইসি সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার বলেন, ‘টিভিসি ছাড়াও পত্র-পত্রিকায় বিজ্ঞাপন এবং মসজিদ-মন্দিরে প্রচারের ব্যবস্থা থাকবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও প্রচারের ব্যবস্থা নেয়া হবে। সমন্বিত কর্মসূচির আওতায় টিভি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক- সব জায়গায় ইভিএম নিয়ে প্রচার চালানো হবে।’

ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন-ইভিএম নিয়ে ব্যাপক প্রচারে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেক্ষেত্রে টেলিভিশন ও পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রচারের পাশাপাশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মসজিদ ও মন্দিরে প্রচার চালাবে সাংবিধানিক সংস্থাটি।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সোমবার অষ্টম কমিশন সভা শেষে ইসি সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থার দায়িত্বভার গ্রহণ করে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশন। দায়িত্ব পাওয়ার ছয় মাসের মাথায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভোটের কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করে ইসি।

বিএনপিসহ বেশিরভাগ রাজনৈতিক দলের বিরোধিতার মুখেই কমপক্ষে দেড়শ’ আসনে ইভিএমে ভোট করার ঘোষণা দেয় কমিশন। এ লক্ষ্যে ৮ হাজার ৭১১ কোটি ৪৪ লাখ টাকার নতুন একটি প্রকল্প চূড়ান্ত করে আউয়াল কমিশন, যা বর্তমানে একনেকে রয়েছে। প্রকল্পটি পাস হলে সে টাকা দিয়ে ২ লাখ ইভিএম কেনা হবে।

ইসি সচিব বলেন, ‘ইভিএমের প্রকল্প পরিচালক কর্নেল রাকিবকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে টিভিসি (টেলিভিশন কমার্শিয়াল) করার জন্য। জনগণ যাতে ইভিএম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পায় এবং কিভাবে ভোট দেবে তা প্রচার হয় সেজন্য তারা কাজ করবেন এবং অল্প সময়ের মধ্যে কমিশনকে তারা কর্মপরিকল্পনা দেখাবেন। তারপর এটি আমরা প্রচারের ব্যবস্থা করব।’

তিনি বলেন, ‘অনেক কিছু থাকবে। টিভিসি ছাড়াও পত্র-পত্রিকায় বিজ্ঞাপন এবং মসজিদ-মন্দিরে প্রচারের ব্যবস্থা থাকবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও প্রচারণার ব্যবস্থা করা হবে। বিভিন্ন ধরনের প্রচার থাকবে। এটি একটি সমন্বিত কর্মসূচি। টিভি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক- সব জায়গায় ইভিএম নিয়ে প্রচার চালানো হবে।’

ইসি সচিব আরও বলেন, ইভিএমে কোন বাটন চাপতে হবে সে ব্যাপারে অনেকেই সংশয়ে থাকেন। আবার অনেকের ধারণা থাকে যে কলা প্রতীকে ভোট দিতে বাটনে চাপ দিলে সেটি আম প্রতীকে চলে যেতে পারে।

‘এই ধারণাগুলো কাটাতে (দূর করা) যত ডাউট আছে সেগুলো প্রশ্নাবলী আকারে নিয়ে টিভিসির মতো করা হবে। এরপর আমরা সেটি প্রচার করব।’

আরও পড়ুন:
ইভিএম: ৮ হাজার ৭১১ কোটি টাকার প্রকল্পে অনুমোদন
ইভিএম কেনার সিদ্ধান্ত সোমবার
তুরুপের তাস ‘ইভিএম’
সব আসনেই কিছু কেন্দ্রে ইভিএম চায় জেপি
ইভিএমে ভোট সর্বনিম্ন ৭০ আসনে, সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP is dreaming of falling government Kader

সরকার পতনের রঙিন খোয়াব দেখছে বিএনপি: কাদের

সরকার পতনের রঙিন খোয়াব দেখছে বিএনপি: কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি উভয় সংকটে। তাদের এখন জলে কুমির আর ডাঙায় বাঘের মতো অবস্থা। দলটি আন্দোলনে ব্যর্থ। এখন নির্বাচনে যেতেও ভয় পাচ্ছে। তাদের ২২ দলীয় জগাখিচুড়ি ঐক্যের পরিণতি এবারও গত বছরের মতোই হবে।’

বিএনপি সরকার পতনের রঙিন খোয়াব দেখছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, রঙিন খোয়াব দেখে কোনো লাভ হবে না।

সোমবার রাজধানীর কদমতলী থানা ও এর আওতাভুক্ত ৫২, ৫৩, ৫৮, ৫৯, ৬০ ও ৬১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি উভয় সংকটে। তাদের এখন জলে কুমির আর ডাঙায় বাঘের মতো অবস্থা। দলটি আন্দোলনে ব্যর্থ। এখন নির্বাচনে যেতেও ভয় পাচ্ছে। তাদের ২২ দলীয় জগাখিচুড়ি ঐক্যের পরিণতি এবারও গত বছরের মতোই হবে।

‘যারা দেশে প্রহসনের হ্যাঁ-না ভোট, আজিজ মার্কা নির্বাচন কমিশন ও ১৫ ফেব্রুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচন করেছিল তাদের শেখ হাসিনার ওপর আস্থা রাখার কোনো দরকার নেই।’

আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ করে সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দল করলে দলের নিয়মশৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে বিএনপি যতই লাফালাফি করুক তাতে তাদের কোনো লাভ হবে না।

‘নিজেদের মধ্যে হিংসা-বিদ্বেষ দূর করে আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করার মাধ্যমে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। তা ছাড়া জনগণের পাশে থেকে তাদের প্রত্যাশা পূরণের রাজনীতি করলেই শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের রাজনীতি সার্থক হবে।’

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ নাছিম মিয়ার সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হেদায়েতুল ইসলাম স্বপন, প্রচার সম্পাদক চৌধুরী সাইফুন্নবী সাগর, কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ৫৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আকাশ কুমার ভৌমিক প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
ভোটে ‘অযোগ্য’ বিএনপি পথ খুঁজছে ষড়যন্ত্রে: কাদের
র‌্যাবে নিষেধাজ্ঞায় যে ফখরুলরা, তার প্রমাণ বক্তব্যেই: কাদের
সংকটকে হাতিয়ার করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বিএনপি: কাদের
সহিংসতার দায় বিএনপির: কাদের
গণতন্ত্রের ডাক দিয়ে নয়, ক্ষমতায় যেতে হবে নির্বাচনের মাধ্যমে: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP leader admits rumors of leaving Jamaat alliance

জামায়াতের জোট ছাড়ার গুঞ্জন স্বীকার বিএনপি নেতার

জামায়াতের জোট ছাড়ার গুঞ্জন স্বীকার বিএনপি নেতার বিএনপির এক সমাবেশে বক্তব্য দেন দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী পর্ষদের সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। ছবি: সংগৃহীত
‘আমাদের বলা হচ্ছে বিএনপি-জামায়াত, আর আপনারা আমাদের বলেন স্বাধীনতাবিরোধী দল। আমিও স্বীকার করলাম। কিন্তু নিবন্ধন বাতিল করলেন, বেআইনি ঘোষণা করলেন না। তার অর্থ আওয়ামী লীগ-জামায়াতের সঙ্গে তলে তলে বন্ধুত্ব করে। সেজন্য বাতিল করে না। তাই আজকে থেকে আওয়ামী-জামায়াত হবে, বিএনপি-জামায়াত আর হবে না।’

প্রায় দুই যুগের জোটসঙ্গী জামায়াতে ইসলামীর ২০ দলীয় জোট থেকে বের হয়ে যাওয়ার আলোচনার মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেছেন, এখন থেকে তারা আর বিএনপি-জামায়াত বলবেন না। তার দাবি, আওয়ামী লীগের সঙ্গে স্বাধীনতাবিরোধী দলটির গোপন সম্পর্ক চলছে।

নির্বাচন কমিশনে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল হলেও দলটির রাজনীতি নিষিদ্ধ না করার বিষয়টি তুলে ধরে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী পর্ষদের সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘তাহলে কি বলব জামায়াত-আওয়ামী লীগের পরকীয়া চলছে?’

সোমবার রাজধানীর হাজারীবাগে সিকদার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন মাঠে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের লাগবাগ, হাজারীবাগ, নিউমার্কেট, ধানমন্ডি থানা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সম্প্রতি জামায়াতের আমির এক ঘরোয়া আলোচনায় ২০ দলীয় জোট থেকে তাদের বেরিয়ে যাওয়ার কথা জানানোর পর এই প্রথম বিএনপির কোনো নেতার পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য এলো।

টুকু বলেন, ‘আওয়ামী লীগের অনেকের মুখে একটা বুলি হয়ে গেছে বিএনপি-জামায়াত, বিএনপি-জামায়াত। আমি বলছি এখন সময় এসেছে, আওয়ামী লীগ-জামায়াত, আওয়ামী লীগ-জামায়াত বলার। জামায়াতও উর্দু, আওয়ামী লীগও উর্দু। দুটো একসঙ্গে মিলবে ভালো। কেননা উনারা জামায়াতের নিবন্ধন ক্যানসেল করেন, কিন্তু বেআইনি ঘোষণা করেন না। তাহলে কি আমি বলব, ওনাদের (জামায়াত-আওয়ামী লীগের) পরকীয়া চলছে?’

জামায়াতের জোট ছাড়ার গুঞ্জন স্বীকার বিএনপি নেতার
ঢাকা মহানগর দক্ষিণের লাগবাগ, হাজারীবাগ, নিউমার্কেট, ধানমন্ডি থানা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ। ছবি: সংগৃহীত

১৯৭১ সালে পাকিস্তানের পক্ষে অস্ত্র ধরা জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির জোট চলছে সেই ১৯৯৯ সাল থেকে। সম্প্রতি ধর্মভিত্তিক দলটি আমির শফিকুর রহমান একটি রুকন সম্মেলনে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে দলের কর্মীদেরকে জানান, বিএনপির সঙ্গে তাদের জোট ভেঙে গেছে। দুই দল যুগপৎ আন্দোলন করবে, কিন্তু জোটে আর নেই।

বিষয়টি রাজনীতিতে তোলপাড় তুললেও বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো কিছুই বলা হচ্ছে না। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য না দেয়াকে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার বলেছেন।

বিএনপি নেতা টুকু বলেন, ‘আমাদের বলা হচ্ছে বিএনপি-জামায়াত, আর আপনারা আমাদের বলেন স্বাধীনতাবিরোধী দল। আমিও স্বীকার করলাম। কিন্তু নিবন্ধন বাতিল করলেন, বেআইনি ঘোষণা করলেন না। তার অর্থ আওয়ামী লীগ-জামায়াতের সঙ্গে তলে তলে বন্ধুত্ব করে। সেজন্য বাতিল করে না। তাই আজকে থেকে আওয়ামী-জামায়াত হবে, বিএনপি-জামায়াত আর হবে না।’

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, লোডশেডিং, গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি, পুলিশের গুলিতে দলীয় নেতা নুরে আলম, আব্দুর রহিম, শাওন প্রধানের হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা মহানগরীর ১৬টি স্পটে ধারাবাহিক সমাবেশের অংশ হিসেবে এই প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

টুকু বলেন, ‘আরেকটা কথা আওয়ামী লীগের লোকজন বলতে বলতে মুখ দিয়ে ফেনা তুলে ফেলে। বলতে বলতে এখন মুখ দিয়ে থুথু বের হয়ে যায়। শুধু বলে উন্নয়ন, উন্নয়ন, উন্নয়ন। আমি উন্নয়ন সম্পর্কে কিছু বলব না, আমরাও উন্নয়ন চাই। আমরাও উন্নয়ন করেছি। এদেশে যা কিছু উন্নয়ন হয়েছে শহীদ জিয়ার আমলে। তিনি বীজ বপন করে গেছেন। তার ওপরে আজকে বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে আছে। তার উন্নয়ন উন্নয়ন বলে।’

দেশটাকে আজকে কোথায় নিয়ে গেছে প্রশ্ন করে ইকবাল হাসান টুকু বলেন, ‘আজকে ওসির অনুমতি নিয়ে আমরা মিটিং করছি। কাল রাত থেকে এখানে না ওখানে, ওখানে না ওখানে। হায়রে আমার বাংলাদেশ। আমি মিটিং করব, আমি মুক্তিযুদ্ধ করেছি। আর আজকে ওসির অনুমতি নিয়ে মিটিং করতে হবে? আর বলে দেশে নাকি গণতন্ত্র আছে। গণতন্ত্রই যদি থাকত, তাহলে আমাকে ওসির অনুমতি নিয়ে কেন মিটিং করতে হবে?’

মহানগর দক্ষিণ বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলাম সিরাজের সভাপতিত্বে, কেএম জোবায়ের এজাজ ও আরিফা সুলতানা রুমার পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম, বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, বিএনপি নেতা রফিকুল আলম মজনু, রবিউলি আলম রবি, ইউনূস মৃধা, যুবদল নেতা গোলাম মাওলা শাহীন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ইয়াসিন আলী, ধানমন্ডি থানা বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন পাটোয়ারী, হাবিবুর রহমান হাবিবও এ সময় বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন:
বিএনপি নয়, জনগণকে ক্ষমতায় বসানোর কথা বলছি: ফখরুল
সরকারের অন্যায় আদেশ মানতে গিয়ে নিষেধাজ্ঞায় র‍্যাব: ফখরুল
লাশ ফেলে আন্দোলন জমানোর অশুভ তৎপরতায় বিএনপি: কাদের
সংঘর্ষের মামলায় ৩ নম্বর আসামি শাওন
যুবদল কর্মী শাওনের দাফন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In what way is the Pakistan era better Fakhrulke Mozammel

পাকিস্তান আমল কোন দিক দিয়ে ভালো: ফখরুলকে মোজাম্মেল

পাকিস্তান আমল কোন দিক দিয়ে ভালো: ফখরুলকে মোজাম্মেল শরীয়তপুরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স উদ্বোধন করেন মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। ছবি: নিউজবাংলা
গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিএনপি মহাসচিব ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ‘পাকিস্তান সরকার থেকে বর্তমান সরকার আরও নিকৃষ্ট। আমরা পাকিস্তান আমলে আর্থিক ও জীবনযাত্রার দিক থেকে এর থেকে ভালো ছিলাম। তার পরও পাকিস্তান সরকার যেহেতু আমার অধিকার ও সম্পদ হরণ করত, সে কারণে আমরা যুদ্ধ করেছি। কিন্তু এখন তার থেকেও খারাপ অবস্থায় আমরা আছি।’

পাকিস্তান আমলে কোন দিক দিয়ে এখনকার চেয়ে ভালো ছিলেন- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে জানতে চেয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেছেন, মুক্তিযেদ্ধারা বঙ্গবন্ধুর কাছে অস্ত্র জমা দিয়েছেন, কিন্তু প্রশিক্ষণ ও চেতনা জমা দেননি। প্রয়োজনে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আবার যুদ্ধের নেতৃত্ব দেবে তারা।

সোমবার শরীয়তপুর সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের উদ্বোধন শেষে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিএনপি মহাসচিব ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ‘পাকিস্তান সরকার থেকে বর্তমান সরকার আরও নিকৃষ্ট। আমরা পাকিস্তান আমলে আর্থিক ও জীবনযাত্রার দিক থেকে এর থেকে ভালো ছিলাম। তার পরও পাকিস্তান সরকার যেহেতু আমার অধিকার ও সম্পদ হরণ করত, সে কারণে আমরা যুদ্ধ করেছি। কিন্তু এখন তার থেকেও খারাপ অবস্থায় আমরা আছি।’

এর জবাবে মির্জা ফখরুলকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘কোন মানদণ্ডে পাকিস্তান ভালো ছিল তা আপনি সুস্পষ্ট করুন।’

তিনি বলেন, ‘স্বাধীন বাংলাদেশে থেকে যারা বলে পাকিস্তান ভালো ছিল তাদের দাঁতভাঙা জবাব দিতে হবে, বিষদাঁত উপড়ে ফেলতে হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ছিল ২৭৮ ডলার, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১৯৭৬ সালে তা নেমে আসে ১২৩ ডলারে।’

৭৫-এর হাতিয়ার আবার গর্জে ওঠার বিষয়ে বিএনপির সমাবেশ থেকে যে বক্তব্য দেয়া হয়েছে, সেটি নিয়েও প্রশ্ন রাখেন মন্ত্রী। বলেন, ‘এ কথা দিয়ে কী বোঝাতে চাইছেন? বঙ্গবন্ধুর রক্তের ছিটেফোঁটা যা আছে, আজকের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কি তারা হত্যা করতে চান? যারা বলেন তাদের উদ্দেশ্য কী? তা জাতির সামনে পরিষ্কার করতে হবে।’

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে সরকার কাজ করছে বলেও জানান মোজাম্মেল হক। জানান, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নির্মিত প্রত্যেকটি মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে ক্যাপসুল লিফট বসানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্মাণাধীন বন্ধ থাকা ঘরগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণ করা হবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘রাজাকারদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। শিগগির তা প্রকাশ করা হবে।

বেলা ১১টার দিকে জেলা শহরের পালং স্কুল সড়কে সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু, শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক, পুলিশ সুপার সাইফুল হক।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এরপর মন্ত্রী যান জাজিরা উপজেলায়। সেখানে নির্মিত উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনও উদ্বোধন করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
ফখরুল পাকিস্তানের চর: আমু
পাকিস্তান নিয়ে বক্তব্য: ফখরুলকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান হানিফের
ফখরুলের পাকিস্তান আমলের প্রশংসা নির্লজ্জ দালালি: কাদের
পাকিস্তান আমলে আরও ভালো ছিলাম: ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Journalists have to take risks to establish democracy Kamal

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ঝুঁকি নিতে হবে: কামাল

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ঝুঁকি নিতে হবে: কামাল সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক আতাউস সামাদ স্মরণসভায় বক্তব্য দেন ড. কামাল হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
মানিক মিয়া ও আতাউস সামাদের পথ অনুসরণ করে সাংবাদিকরা আজও উজ্জীবিত মন্তব্য করে ড. কামাল বলেন, ‘আমরা সারাজীবন দেখেছি তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লিখেছেন। সেই ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখতে হবে নৈতিকতা দেখিয়ে। জনগণকে সচেতন রাখতে হবে। ঝুঁকি নেয়ার বিষয়টি তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিতে হবে।’

দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ঝুঁকি নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘সত্য প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকরা যুগে যুগে নানামুখী ঝুঁকি নিয়েছেন। আতাউস সামাদের মতো আজও সাংবাদিকরা ঝুঁকি নিচ্ছেন। দেশে বর্তমান অবস্থায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাদেরকে ঝুঁকি নিতে হবে। সাংবাদিকদের জনগণের মাঝে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বাঁচিয়ে রাখতে হবে।’

বরেণ্য সাংবাদিক আতাউস সামাদের দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আতাউস সামাদ স্মৃতি পরিষদ।

জনগণকে উদ্দেশ করে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘আন্দোলন-সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। কোনো সময় আমরা দেখিনি ঝুঁকি নেয়া ছাড়া গণতন্ত্র রক্ষা করা গেছে।’

মানিক মিয়া ও আতাউস সামাদের পথ অনুসরণ করে সাংবাদিকরা আজও উজ্জীবিত মন্তব্য করে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘আমরা সারাজীবন দেখেছি তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লিখেছেন। সেই ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখতে হবে নৈতিকতা দেখিয়ে। জনগণকে সচেতন রাখতে হবে।

‘ঝুঁকি নেয়ার বিষয়টি জনগণকে স্মরণ করিয়ে দিতে হবে। তারা যেন মনে না করে যে আমরা কিছু না করেও ঐক্য ও নিজেদের অধিকার ধরে রাখতে পারব। যারা স্বৈরাচার এবং যা ইচ্ছে তা করতে চায় তাদেরকে তা করতে দেব না আমরা।’

আজকের পত্রিকা সম্পাদক গোলাম রহমানের সভাপতিত্বে ও জাতীয় প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাসান হাফিজের সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য দেন প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক সোহরাব হাসান, বিএফইউজের সভাপতি এম আবদুল্লাহ, কাদের গনি চৌধুরী, শামীমা চৌধুরী, সৈয়দ দিদার বক্স প্রমুখ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If petrol bombs are thrown again people will resist Information Minister

ফের পেট্রলবোমা ছুড়লে জনগণকে নিয়ে প্রতিরোধ: তথ্যমন্ত্রী

ফের পেট্রলবোমা ছুড়লে জনগণকে নিয়ে প্রতিরোধ: তথ্যমন্ত্রী তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি যে পেট্রলবোমার রাজনীতি আগে করেছে, মানুষের ওপর পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে মানুষকে হত্যা করা, তারা তো সেই রাজনীতিই করেছে। তাদের সেই নেতা-কর্মীরা আছে। যে নেতারা তখন নির্দেশ দিয়েছিল, তারাই এখন নেতৃত্ব দিচ্ছে। জনগণ তো সব সময় সেই আতঙ্কে আছে।’

বিএনপি আবারও পেট্রলবোমার রাজনীতি করলে জনগণকে নিয়ে আওয়ামী লীগ তা প্রতিরোধ করবে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

সচিবালয়ে সোমবার নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি যে পেট্রলবোমার রাজনীতি আগে করেছে, মানুষের ওপর পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে মানুষকে হত্যা করা, তারা তো সেই রাজনীতিই করেছে। তাদের সেই নেতা-কর্মীরা আছে। যে নেতারা তখন নির্দেশ দিয়েছিল, তারাই এখন নেতৃত্ব দিচ্ছে। জনগণ তো সব সময় সেই আতঙ্কে আছে।

‘...জনগণ তাদের আর সেই সুযোগ দেবে না। আর যদি তারা সেটি করার অপচেষ্টা চালায়, তাহলে সরকার যেমন কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, আওয়ামী লীগও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পেট্রলবোমার রাজনীতি যারা করেছে, যদি আবার সেটি করতে চায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।’

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের বিরোধিতা করে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের আন্দোলনের মধ্যে শত শত যানবাহন পোড়ানো হয়। পেট্রলবোমার আঘাতে দগ্ধ মানুষের আহাজারিতে হাসপাতালগুলোর বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।

পরের বছরও সেটি অব্যাহত থাকে এবং সে সময় বাস-ট্রেনসহ বিভিন্ন যানবাহনে পেট্রলবোমায় মৃত্যু হয় অনেকের।

আরও পড়ুন:
লাশ ফেলে আন্দোলন জমানোর অশুভ তৎপরতায় বিএনপি: কাদের
সংঘর্ষের মামলায় ৩ নম্বর আসামি শাওন
যুবদল কর্মী শাওনের দাফন
সরকারের পতন ঘটিয়ে শাওন হত্যার বদলা: ফখরুল
‘গুলিতে নিহত শাওনের চিকিৎসায় বাধা দেয় ছাত্রলীগ ও পুলিশ’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Followers of military dictatorship want to teach democracy today Amu

সামরিক স্বৈরশাসনের অনুসারীরা আজ গণতন্ত্র শেখাতে চায়: আমু

সামরিক স্বৈরশাসনের অনুসারীরা আজ গণতন্ত্র শেখাতে চায়: আমু সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমুসহ নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে আমু বলেন, ‘যাদের বিরুদ্ধে আমরা গণতন্ত্রের সংগ্রাম করেছি, যারা সামরিকতন্ত্রের মাধ্যমে স্বৈরশাসন চালু করেছে, তারা আজকে গণতন্ত্র শেখাতে চায়।’

সেনাশাসক জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বিএনপির কাছ থেকে গণতন্ত্রের শিক্ষা নেয়ার কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু।

তিনি বলেছেন, কোনো ষড়যন্ত্র আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না। শেখ হাসিনা ও তার মনোনীত প্রার্থীদেরই দেশের মানুষ ভোট দেবে। আর এই ভোটের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের যাত্রা অব্যাহত থাকবে।

সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘গণতন্ত্র ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনে শান্তি এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা’ বিষয়ে এক আলোচনা ও স্মরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে আমু বলেন, ‘যাদের বিরুদ্ধে আমরা গণতন্ত্রের সংগ্রাম করেছি, যারা সামরিকতন্ত্রের মাধ্যমে স্বৈরশাসন চালু করেছে, তারা আজকে গণতন্ত্র শেখাতে চায়।’

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান রাজনীতিতে সন্ত্রাস ‘আমদানি করেন’ বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘ময়েজউদ্দিন (গাজীপুরের প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা ছিলেন) সাহেবের হত্যাকাণ্ডের পর জিয়াউর রহমান শফিউল আলম প্রধানকে রাজনীতিতে এনেছিলেন৷ বিএনপি এবং জাতীয় পার্টি সন্ত্রাসকে রাজনীতিতে আনার ক্ষেত্রে মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ৷ এটা আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি।’

তিনি বলেন, ‘আজকে যারা নির্বাচনে আসতে চায় না, তাদের রাজনৈতিকভাবে প্রতিহত করতে হবে। এরা আন্তর্জাতিকভাবেই চিহ্নিত সন্ত্রাসী দল। এরা নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। নির্বাচনকে বানচাল করতে চায়। এই অপশক্তিকে রাজনীতি থেকে বিতাড়িত করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।’

ময়েজউদ্দিনের স্মৃতিচারণা করে ক্ষমতাসীন দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু বলেন, ‘উনি কিছু পরোয়া করতেন না, অত্যন্ত সাহসী ছিলেন। পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর মুশতাক যখন নেতাদের ডেকে সংগঠিত করেছিলেন, তখন বর্তমান আইনমন্ত্রীর বাবা সিরাজুল হক এবং ময়েজউদ্দিন সরাসরি তাকে বলেছেন, তুমি খুনি। তিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আপসহীন ছিলেন।’

ময়েজউদ্দিনের মেয়ে মেহের আফরোজ চুমকির সভাপতিত্বে আলোচনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ডেইলি অবজারভার সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী। শহীদ ময়েজউদ্দিন স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন।

আরও পড়ুন:
সংবিধান মেনেই নির্বাচন হবে: আমু 
কিছু অসাধু ব্যবসায়ী হঠাৎ পণ্যের দাম বাড়িয়েছেন: আমু
১৫ আগস্টের সুবিধাভোগীরাই বঙ্গবন্ধুর খুনি: আমু

মন্তব্য

p
উপরে