× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Statement on Pakistan Hanif calls for Fakhruls unconditional apology
hear-news
player
print-icon

পাকিস্তান নিয়ে বক্তব্য: ফখরুলকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান হানিফের

পাকিস্তান-নিয়ে-বক্তব্য-ফখরুলকে-নিঃশর্ত-ক্ষমা-চাওয়ার-আহ্বান-হানিফের
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ। ফাইল ছবি
হানিফ বলেন, ‘মির্জা ফখরুল এই কথা বলার মধ্য দিয়ে প্রমাণ করেছেন তিনি পাকিস্তানের আদর্শে বিশ্বাসী। এ কথার মধ্য দিয়ে তিনি ৩০ লাখ শহীদকে অপমানিত করেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের অপমানিত করেছেন।’

‘বর্তমান বাংলাদেশের চেয়ে পাকিস্তান অনেক ভালো ছিল’ বক্তব্যের জন্য বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সূত্রাপুর থানা ও ৪২, ৪৩ ও ৪৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে সোমবার তিনি এ আহ্বান জানান।

হানিফ বলেন, ‘মির্জা ফখরুল এই কথা বলার মধ্য দিয়ে প্রমাণ করেছেন তিনি পাকিস্তানের আদর্শে বিশ্বাসী। এ কথার মধ্য দিয়ে তিনি ৩০ লাখ শহীদকে অপমানিত করেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের অপমানিত করেছেন।’

বাংলাদেশে পাকিস্তানের আদর্শের রাজনীতির স্থান নেই জানিয়ে হানিফ বলেন, ‘নিঃশর্ত ক্ষমা চান, আর না হলে দেশের জনগণ আপনার পাকিস্তানপ্রীতির জবাব রাজপথে দেবে।’

গত ১৫ সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁওয়ের কালীবাড়িতে নিজের বাসায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘পাকিস্তান সরকার থেকে বর্তমান সরকার আরও নিকৃষ্ট। আমরা পাকিস্তান আমলে আর্থিক ও জীবনযাত্রার দিক থেকে এর থেকে ভালো ছিলাম। তার পরও পাকিস্তান সরকার যেহেতু আমার অধিকার ও সম্পদ হরণ করত, সে কারণে আমরা যুদ্ধ করেছি। কিন্তু এখন তার থেকেও খারাপ অবস্থায় আমরা আছি।’

এরপর বিষয়টি নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের থেকে শুরু করে অন্যরাও সমালোচনা করে বক্তব্য দেন এবং মির্জা ফখরুলকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান।

আওয়ামী লীগ নেতা হানিফও বিএনপিকে মিথ্যাচার, অভিযোগের রাজনীতি বন্ধ করার আহ্বান জানান। বলেন, ‘তাদের দলের নেতাকর্মীরা নিজেরা মারামারি করে আওয়ামী লীগের দোষ দেয়। গত কয়েক দিনে চট্টগ্রাম, বরিশাল, গাজীপুর এবং আজকেও পল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীরা নিজেরা মারামারি করেছে। মিথ্যাচার, অভিযোগের রাজনীতি বন্ধ করুন।’

জয় বাংলা স্লোগান শুনলে তাদের হৃদয়ে কম্পন শুরু হয় দাবি করে আওয়ামী লীগের এ যুগ্ম সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি নেতারা বনানীতে লাইট পোস্টের নিচে মোমবাতি প্রজ্বালন করে তামাশা করছেন। লাইটের আলোর নিচে হারিকেন জ্বালিয়ে নাটক করছেন। এসব তামাশা মানুষ পছন্দ করে না, উল্টো ক্ষুব্ধ হয়। বনানীতে কেউ একজন জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছিল। স্লোগান শুনে বিএনপি নেতারা হুড়মুড় করে দৌড় দিয়ে পড়ে আহত হয়েছেন।’

তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘কোনো দলের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দেয়ার দরকার নেই। তবে জয় বাংলা স্লোগান দেবেন। এতেই তারা ভয় পেয়ে পালাবে।’

আওয়ামী লীগের এই সিনিয়র নেতা বলেন, ‘দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত তারেক রহমান বিদেশে পলাতক। লন্ডনে বসে স্লোগান দিচ্ছে ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশ’। আমরা জানতে চাই, বাংলাদেশকে আপনারা কোথায় নিতে চান? সম্প্রতি মির্জা ফখরুল সাহেবের এক বক্তব্যে প্রমাণ হয়েছে তারা বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানাতে চায়।’

ওয়ার্ডগুলোর ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, আইন সম্পাদক কাজী নজিবুল্লাহ হিরু ও দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির।

আরও পড়ুন:
ছাত্রদল-যুবলীগের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, বাড়িঘর ভাঙচুর
‘রক্ত দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক ফিরিয়ে আনা হবে’
বিএনপির ওপর হামলাকারী ‘অতি উৎসাহীদের’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জাপানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিএনপি নেতাদের বৈঠক
পল্লবীতে সংঘর্ষ: বিএনপির আরও ৯ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Inauguration of tree plantation program in Tungipara on Sheikh Hasinas birthday

শেখ হাসিনার জন্মদিনে টুঙ্গিপাড়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

শেখ হাসিনার জন্মদিনে টুঙ্গিপাড়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেখ হাসিনার জন্মদিনে বুধবার টুঙ্গিপাড়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর টুঙ্গিপাড়া পৌরসভা প্রাঙ্গণ, টুঙ্গিপাড়া আওয়ামী লীগ কার্যালয় ও পৌর পুকুর এলাকায় বৃক্ষরোপণ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিনে তার জন্মস্থান টুঙ্গিপাড়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন হয়েছে। আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির এ কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী ৭৬ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হবে।

টুঙ্গিপাড়ার মেয়র ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের উপস্থিতিতে বুধবার এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর টুঙ্গিপাড়া পৌরসভা প্রাঙ্গণ, টুঙ্গিপাড়া আওয়ামী লীগ কার্যালয় ও পৌর পুকুর এলাকায় বৃক্ষরোপণ করা হয়।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চলাকালেই টুঙ্গিপাড়া আওয়ামী লীগ আয়োজিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনের আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিলে অংশ নেন দেলোয়ার হোসেন। সেখানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধনের জন্য টুঙ্গিপাড়াকে বেছে নেয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘এই মাটিতেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য এই টুঙ্গিপাড়াতেই আওয়ামী লীগের আদর্শের বীজ রোপিত রয়েছে। এখান থেকে সারাদেশে ছড়িয়ে যাবে এই কর্মসূচি।’

এসব কর্মসূচিতে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আবুল বাশার খায়ের, সাধারণ সম্পাদক বাবুল শেখ, টুঙ্গিপাড়া পৌর মেয়র শেখ তোজাম্মেল হক টুটুল, আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ উপ-কমিটির সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ডক্টর সিদ্ধার্থ দে, বন ও পরিবেশ উপ-কমিটির সদস্য এনামূল হক কালু, মুনীর হোসেন, তৌহিদুর রহমান কাজল, আশরাফুল আলম কিশোর, রেজাউল ইসলাম, আবু হানিফ, মিজানুর রহমান রুবেল প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
শেখ হাসিনা বাঙালির আঁধারের দীপশিখা: নানক
শেখ হাসিনার যত অর্জন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন
শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে কাব্য সংকলন প্রকাশ
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে বিটিভিতে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Japa Vice President Manik expelled

জাপার ভাইস প্রেসিডেন্ট মানিককে বহিষ্কার

জাপার ভাইস প্রেসিডেন্ট মানিককে বহিষ্কার একেএম আব্দুর রউফ মানিক। ছবি: সংগৃহীত
আব্দুর রউফ মানিক এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘আমি নির্বাচন করব। আমাকে রওশন এরশাদ ভোট করার অনুমতি দিয়েছেন। এ কারণে দল আমার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মশিউর রহমান রাঙ্গাকে বহিষ্কারের পর এবার দল থেকে বাদ পড়লেন দলের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান একেএম আব্দুর রউফ মানিক।

বুধবার জাতীয় পার্টির প্রেসিডেন্ট গোলাম মোহাম্মদ কাদের স্বাক্ষরিত এক পত্রে মানিককে দল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, পার্টির গঠনতন্ত্রের ২০/১/(১) ক ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলো- যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

একেএম আব্দুর রউফ মানিক টানা আট বছর সাবেক রংপুর পৌরসভার মেয়র ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

এ বিষয়ে একেএম আব্দুর রউফ মানিক সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি নির্বাচন করব। আমাকে রওশন এরশাদ ভোট করার অনুমতি দিয়েছেন। এ কারণে দল আমার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

আরও পড়ুন:
রওশনের অপসারণ: স্পিকারের দিকে তাকিয়ে জাতীয় পার্টি
রওশন এরশাদ তার ছেলে ও দুই-একজনের কাছে জিম্মি: চুন্নু
রাঙ্গাদের ফেরাতে কাদেরকে চিঠি রওশনের
রওশনকে অপসারণ: এবার পাল্টা চিঠি পাঠাবেন রাঙ্গা
জাতীয় পার্টি থেকে রাঙ্গাকে অব্যাহতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Stick games will not be played who

‘লাঠি খেলা’ আর চলবে না: কাদের

‘লাঠি খেলা’ আর চলবে না: কাদের জাতীয় পতাকার সঙ্গে লাঠি লাগিয়ে বিএনপির কর্মসূচি। ছবি: সংগৃহীত
‘আন্দোলন করেন যত পারেন, লাঠি খেলা চলবে না, অগ্নিসন্ত্রাস চলবে না। সমুচিত জবাব দেয়া হবে। আগামী দিনে জাতীয় পতাকার সঙ্গে যদি লাঠি লাগিয়ে রাস্তায় নামেন, তাহলে খবর আছে।’

আন্দোলনের নামে জাতীয় পতাকায় লাঠি লাগিয়ে বিএনপি রাস্তায় নামলে ‘সমুচিত জবাব’ দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বুধবার বিকেলে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে আওয়ামী লীগ।

সভায় ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আন্দোলন করেন যত পারেন, লাঠি খেলা আর চলবে না, অগ্নিসন্ত্রাস চলবে না। সমুচিত জবাব দেয়া হবে। আওয়ামী লীগ রাজপথ ইজারা দেয়নি, প্রয়োজনে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সেটা আবারও প্রমাণ করবে। রাজপথে আমরা নামব জনগণের জন্য, উন্নয়নের জন্য, অর্জনের জন্য।

বিএনপিকে গণতান্ত্রিক কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে জাতীয় পতাকার সঙ্গে যদি লাঠি লাগিয়ে রাস্তায় নামেন, তাহলে খবর আছে। কোমরভাঙা বিএনপি, হাঁটুভাঙা বিএনপি এখন লাঠির ওপর ভর করেছে। আমি না এ কথা বলেছেন ডা. জাফরুল্লাহ।

‘বিএনপির এই দেশে একটা অর্জন নেই, যা দেখিয়ে তারা জনগণকে ভোট দিতে বলবে। বিএনপি তাদের শাসনামলে বিদ্যুৎ নয়, খাম্বা উপহার দিয়েছিল। তারাই এখন রাস্তায় লাফালাফি করে, বড় বড় কথা বলে। তারাই আজকে আমাদের নিয়ে বিষোদ্গার করে। রাজপথ দখল করে আন্দোলনের হুমকি দেয়। দেখা যাবে, অপেক্ষায় আছি।’

গণমাধ্যমের সমালোচনায় ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পুলিশ হামলা করছে, আওয়ামী লীগ হামলা করছে বলে বড় করে নিউজ হয়। যেন বাংলাদেশটা বিএনপি দখল করে ফেলেছে। কিন্তু হাজারীবাগে আওয়ামী লীগের দুজন কর্মীর মাথা ফেটে গেল, চার-পাঁচজন হাসপাতালে। কই এই ছবি তো দেখলাম না।

‘আমার কর্মীর রক্ত ঝরেছে রাজপথে, লাঠি দিয়ে তাদের আহত করা হয়েছে। ইচ্ছে করে তারা উসকানি দিচ্ছে, আওয়ামী লীগ যেন সংঘাতে জড়ায়। তা হবে না, রাজনৈতিকভাবে তাদের মোকাবিলা করা হবে। খেলা হবে, মোকাবিলা হবে।’

তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামী নির্বাচনে আবারও বিজয়ের বন্দরে পৌঁছাবে। এই বাংলায় মুক্তিযুদ্ধ বিজয়ী হবে, গণতন্ত্র বিজয়ী হবে। স্বাধীনতার আদর্শ বিজয়ী হবে। আবারও এই বাংলায় উন্নয়ন বিজয়ী হবে।’

‘যত বাধাই আসুক, শেখ হাসিনা নির্ভীকচিত্তে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। কারও হুমকি-ধমকির পরোয়া তিনি করেন না, আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পান না। ভোটে শেখ হাসিনাকে হটাতে পারবে না জেনে তারা ষড়যন্ত্র করে। তারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে, শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করে।’

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় দলের কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা বক্তব্য রাখেন।

সূচনা বক্তব্য রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সভা পরিচালনা করেন উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন।

আরও পড়ুন:
সরকার পতনের রঙিন খোয়াব দেখছে বিএনপি: কাদের
সরকার কেন, কার কাছে পদত্যাগ করবে: ফখরুলকে কাদের
লাশ ফেলে আন্দোলন জমানোর অশুভ তৎপরতায় বিএনপি: কাদের
তত্ত্বাবধায়ক ফিরে আসা আপাতত সম্ভব নয়: কাদের
রাজপথ বিএনপির পৈতৃক সম্পত্তি নয়: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
5 detained with knives at the Prime Ministers birthday ceremony in the Supreme Court

সুপ্রিম কোর্টে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ছুরিসহ আটক ৫

সুপ্রিম কোর্টে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ছুরিসহ আটক ৫
কেন তারা এখানে এসেছিল, সেটি সন্দেহজনক। তাদের শাহবাগ থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেবে: সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতি থেকে ছুরিসহ পাঁচজনকে পুলিশে দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন।

আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে বুধবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে কেক কাটা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠান থেকে সন্দেহভাজনদের পুলিশে দেয়া হয়।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী সমিতির সভাপতি মমতাজ উদ্দিন ফকির। তিনি বলেন, ‘কেন তারা এখানে এসেছিল, সেটি সন্দেহজনক। তাদের শাহবাগ থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেবে।’

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘আমরা সন্দেহভাজন পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি।’

একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জানান, তারা ১০ থেকে ১২ জন ছিল। এর মধ্যে কয়েকজনকে আটক করা হলেও বাকিরা কথা বলতে বলতে চলে গেছে।

যাদের আটক করা হয়েছে এদের একজন নিজের নাম বলেছেন লিখন। বলেছেন, তারা ছাত্র। সুপ্রিম কোর্টে এসেছিলেন, অনুষ্ঠান দেখে ঢুকে পড়েছেন।

সেই আইনজীবী বলেন, ‘তারা একেকবার একেক কথা বলছে।’

বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ শেখ হাসিনার জন্মদিনে কেক কাটার অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন।

বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক আব্দুন নুর দুলাল, ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মনিরুজ্জামান মনিরও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
আদালত অবমাননা: কুষ্টিয়ার ডিসি-এসপির বিষয়ে আদেশ সোমবার
৪১ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের তালিকা নিয়ে দুদক যাচ্ছে হাইকোর্টে
ভারতে ফের আলোচনায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rizvis taste has been recognized by the DU Teachers Association

রিজভীর রুচির পরিচয় পেয়েছে ঢাবি শিক্ষক সমিতি

রিজভীর রুচির পরিচয় পেয়েছে ঢাবি শিক্ষক সমিতি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ফাইল ছবি
‘তিনি (রিজভী) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্যকে চাকরবাকর হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যার মাধ্যমে তার নিজের রুচি ও সংস্কৃতির পরিচয় পাওয়া যায়।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আখতারুজ্জামান ও প্রক্টর এ কে এম গোলাম রাব্বানীকে আক্রমণ করে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী যে মন্তব্য করেছেন, তার নিন্দা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। এই মন্তব্যে রিজভীর রুচির প্রকৃত পরিচয় পাওয়ার কথাও বলেছে তারা।

সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়, গত মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঘটে যাওয়া একটি অপ্রীতিকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে রিজভীর বক্তব্য অত্যন্ত অশালীন, আপত্তিকর ও নিন্দনীয়।

বুধবার সন্ধ্যায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নিজামুল হক ভুঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়।

আগের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের হামলার পর রিজভী এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আওয়ামী ভিসি ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা প্রক্টরের প্ররোচনায় ছাত্রদলের ওপর নারকীয় হামলা হয়েছে। এখন এমন পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে যে শেখ হাসিনা তার চাকরবাকর ছাড়া উপাচার্য-প্রক্টর নিয়োগ করেন না। ছাত্রদলের ওপর হামলার ঘটনায় তারই প্রতিফলন দেখা গেল।’

জবাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি বলেছে, ‘তিনি (রিজভী) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্যকে চাকরবাকর হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যার মাধ্যমে তার নিজের রুচি ও সংস্কৃতির পরিচয় পাওয়া যায়।’

এতে বলা হয়, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য গত তিন দশকের বন্ধ্যত্ব কাটিয়ে ২০১৯ সালে সব ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের সহাবস্থান নিশ্চিত করে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে সক্ষম হয়েছেন। নিজেদের অপকর্মের দায়ভার নিয়ে বিতাড়িত ছাত্র সংগঠনকে ক্যাম্পাসে তাদের রাজনীতি চর্চার সুযোগ করে দিয়েছেন। অথচ বিএনপি নেতা রিজভী উপাচার্য ও প্রক্টরকে অশালীন ভাষায় হুমকি-ধমকি দিয়েছেন।’

শিক্ষক সমিতি বলেছে, ‘রুহুল কবির রিভজী যেভাবে হুমকি দিয়ে কথা বলেছেন, তা নিকট অতীতে ক্যাম্পাসে লাশ ফেলে রাজনীতির মাঠ গরম করার টেলিফোন সংলাপের কথা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসাও করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে। এতে বলা হয়, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন মত-পথ এবং প্রগতিশীল রাজনৈতিক চিন্তা ও দর্শনের চর্চা কেন্দ্র। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকরাই বিভিন্ন সংকটে জাতিকে পথনির্দেশ করেছে। কিন্তু অতীতে কখনও কখনও বিভিন্ন অগণতান্ত্রিক সরকারের আবির্ভাবের ফলে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ হয়েছে, সামরিক স্বৈরশাসকের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় ক্যাম্পাসে অছাত্র সন্ত্রাসীদের উপস্থিতি ও অস্ত্রের রাজনীতির সূচনা হয়েছিল। তাদের প্রত্যক্ষ মদদে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীকে জীবন দিতে হয়েছিল।

‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে প্রথমবার রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে ছাত্র রাজনীতি ছাত্রদের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। বৈধ ও অবিবাহিত ছাত্রদের হাতে ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্ব তুলে দেয়ার জন্য সাংগঠনিক পদ পেতে ছাত্রদের বয়স নির্ধারণ ও বৈধ ছাত্রত্বের শর্ত জুড়ে দিয়েছিলেন। বর্তমান সরকারের আমলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহতভাবে চলমান আছে।’

আরও পড়ুন:
৩৯ বছর পর ঢাবিতে আ.লীগপন্থি নীল দলের নিরঙ্কুশ জয়
শিক্ষার্থীদের খণ্ডকালীন কাজ দিতে ঢাবিতে ‘সাপোর্ট ইউনিট’
না জানিয়ে ঢাবি ছাত্রদলের কমিটিতে পদ, ক্ষুব্ধ কানেতা
‘পচা মাংস’ দেয়ায় ঢাবি হলের দোকানে ভাঙচুর, মারধর
ছাত্রলীগ নেত্রীদের ‘ক্রেডিট নেয়ার’ স্মারকলিপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Cant carry batons in assembly DMP

সমাবেশে লাঠিসোটা-অস্ত্র বহন করা যাবে না: ডিএমপি

সমাবেশে লাঠিসোটা-অস্ত্র বহন করা যাবে না: ডিএমপি সভা-সমাবেশে এখন থেকে লাঠিসোটা নেয়া যাবে বলে জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার হাফিজ আক্তার। ছবি: নিউজবাংলা
হাফিজ আক্তার বলেন, ‘ডিএমপির পক্ষ থেকে সব ডিসিকে বলা হয়েছে, কোনো সভা-সমাবেশে লাঠিসোটা ও পতাকা যেন বহন করতে দেয়া না হয়। কারণ কোথাও পড়ে গেলে জাতীয় পতাকার অবমাননা হয়। আমরা দেখেছি বেশ কয়েকটা জায়গাতেই লাঠিসোটাকেন্দ্রিক সমস্যা হচ্ছে। তাই লাঠিসোটা নেয়া যাবে না।’

রাজনৈতিক সমাবেশে নিরাপত্তার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে জানিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) বলেছে, এখন থেকে সমাবেশে লাঠিসোটা, দেশীয় অস্ত্র বহন করা যাবে না।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেছেন, এসব সমাবেশের নিরাপত্তা এবং সেই সঙ্গে সমাবেশে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জন্যও হুমকি।

বুধবার বিকেলে মিন্টো রোডের ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন তিনি।

হাফিজ আক্তার বলেন, ‘লাঠিসোটা পুলিশসহ সাধারণ মানুষের জন্য হুমকিস্বরূপ, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে লাঠিসোটা আনার কোনো প্রয়োজন নেই। তাই রাজনৈতিক দলের মিছিল-মিটিংসহ কোনো সমাবেশে লাঠিসোটা বা দেশীয় অস্ত্র আনা যাবে না।’

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘ডিএমপির পক্ষ থেকে সব ডিসিকে বলা হয়েছে, কোনো সভা-সমাবেশে লাঠিসোটা ও পতাকা যেন বহন করতে দেয়া না হয়। কারণ কোথাও পড়ে গেলে জাতীয় পতাকার অবমাননা হয়। আমরা দেখেছি বেশ কয়েকটা জায়গাতেই লাঠিসোটাকেন্দ্রিক সমস্যা হচ্ছে। তাই লাঠিসোটা নেয়া যাবে না।’

কে কোন উদ্দেশ্যে এগুলো নিয়ে আসছে, তা সঠিক করে বলা যায় না বলেও জানান তিনি।

হাফিজ বলেন, ‘এসব প্রোগ্রামে পুলিশ ফোর্সও থাকে। রাজনৈতিক সমাবেশে অন্য কারও ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে। রাজনৈতিক কর্মসূচি ছাড়াও অনেক সাধারণ মানুষও থাকে দিন-রাত নানা কাজ করেন। তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি তো থাকেই। তাদের কাজ যেন কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত না হয়।’

বেশ কিছুদিন থেকেই দেখা যাচ্ছে বিএনপি তাদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে লাঠির সঙ্গে জাতীয় পতাকা বেঁধে নিয়ে হাজির হচ্ছেন নেতা-কর্মীরা। কয়েকটি সমাবেশ থেকে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।

বিষয়টি নিয়ে আওয়ামী লীগ-বিএনপি পাল্টাপাল্টি বক্তব্যও দিচ্ছে। বিএনপি লাঠিসোটা নিয়ে সমাবেশে গেলে সমুচিত জবাব দেয়ার কথা বলছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

এমন অবস্থায় বিএনপি রাজনৈতিক সমাবেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও একপক্ষীয় আচরণ না করার অনুরোধ জানাচ্ছেন।

তাই সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য হলেও সভা-সমাবেশে লাঠিসোটা নেয়া যাবে না জানিয়ে হাফিজ আক্তার বলেন, ‘রাজনৈতিক কর্মসূচিতে লাঠি আনার কোনো প্রয়োজন নেই। তারা সমাবেশ করবে, চলে যাবে। নিরাপত্তার স্বার্থে লাঠিসোটা নেয়া যাবে না। এটা পুলিশের জন্য হুমকিস্বরূপ।’

আরও পড়ুন:
এবার বিএনপি নেতার মুখে ‘খেলা হবে’
বিএনপির সমাবেশে মারামারি, নিপুণের ওপর চড়াও
ডিএমপিতে ৩ ডিসির বদলি
প্রেস ক্লাবে বিক্ষোভ সমাবেশে বিএনপি
চাকরির ভুয়া বিজ্ঞাপন ছাপিয়ে ১৯ লাখ টাকা আত্মসাৎ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Noakhali Zilla Parishad Chairman Election Postponed

নোয়াখালী জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন স্থগিত

নোয়াখালী জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন স্থগিত
আলাবক্স বলেন, ‘হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করি। ২৬ সেপ্টম্বর আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত ‘নো অর্ডার’ আদেশ দেন। এর মধ্যে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়।’

নোয়াখালী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন স্থগিত করেছে উচ্চ আদালত। এ বিষয়ে আগামী ১৭ অক্টোবর আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির দিন ঠিক করে দিয়েছে হাইকোর্ট।

বুধবার দুপুরে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী আলাবক্স টিটু বলেন, ‘গত ১৮ সেপ্টেম্বর ঋণ খেলাপির অভিযোগে নোয়াখালী জেলা পরিষদ নির্বাচনে তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। পরে মনোনয়নপত্র বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে তিনি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আপিল করেন। সে আবেদন খারিজ করে দেয়া হয়। আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন আলাবক্স তাহের টিটু। ওই রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট মনোনয়ন বাতিল আদেশ স্থগিত করে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দিতে নির্দেশ দেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করি। ২৬ সেপ্টম্বর আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত ‘নো অর্ডার’ আদেশ দেন। এর মধ্যে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়।’

এ অবস্থায় গতকাল মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করেন। বুধবার সেই আবেদনের শুনানি নিয়ে নির্বাচন স্থগিত করে শুনানির এই সময় দেয় হাইকোর্ট।

আদালতে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলাবক্স টিটুর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল। আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ পিন্টুর পক্ষে ছিলেন মোমতাজ উদ্দিন ফকির।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক জানান, আগামী ১৮ অক্টেম্বর পর্যন্ত শুধু নোয়াখালী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। সদস্য পদে নির্বাচন চলবে।

আগামী ১৮ অক্টোবর জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

আরও পড়ুন:
অন্যকে বাধা দিলে প্রার্থিতা বাতিল: ইসি
৩৩ বছরেও হয়নি তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ নির্বাচন
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ২২ জন
জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মনোনয়নপত্র ছিনতাইয়ের অভিযোগ

মন্তব্য

p
উপরে