× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
On the second day of the fifth wave the detection rate dropped to 1 death
hear-news
player
google_news print-icon

পঞ্চম ঢেউয়ের দ্বিতীয় দিনে কমেছে শনাক্তের হার, মৃত্যু ১

পঞ্চম-ঢেউয়ের-দ্বিতীয়-দিনে-কমেছে-শনাক্তের-হার-মৃত্যু-১
ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৫ হাজার ১৭৯টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬০১ জনের দেহে। নতুন শনাক্তদের ৪৯৬ জনই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হওয়ার পরদিন করোনাভাইরাস শনাক্তের হার কিছুটা কমেছে। এ সময়ে মৃত্যু হয়েছে একজনের।

টানা ১৪ দিন ধরে করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকায় দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হয় রোববার।

দেশে করোনার চতুর্থ ঢেউ শুরুর পর ১১ আগস্ট প্রথমবারের মতো শনাক্ত হার ৫ শতাংশের নিচে নামে। ওইদিন ৪ হাজার ৮০৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ছিল ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ। তার পর থেকে এই হার ওঠানামা করলেও তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়নি।

কিন্তু ৫ সেপ্টেম্বর থেকে বদলে যায় দৃশ্যপট। বাড়তে থাকে করোনা সংক্রমণ। ১৫ দিন ধরে তা ঊর্ধ্বমুখী। মাঝে এক-দুদিন শনাক্তের হার কমলেও তা কখনও ৫-এর নিচে নামেনি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সর্বশেষ সোমবার জানিয়েছে, করোনা শনাক্তের হার রোববারের চেয়ে কিছুটা কমে হয়েছে ১১ দশমিক ৬০ শতাংশ। রোববার এই হার ছিল ১২ দশমিক ৭২ শতাংশ। সে হিসাবে এক দিনের ব্যবধানে সংক্রমণ কমেছে ১ দশমিক ১২ শতাংশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সোমবার আরও জানিয়েছে, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৫ হাজার ১৭৯টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬০১ জনের দেহে। নতুন শনাক্তদের ৪৯৬ জনই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

তবে এই সময়ে নতুন করে একজন মারা যাওয়ায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা হয়েছে ২৯ হাজার ৩৪০ জন।

মারা যাওয়া ব্যক্তির বাড়ি ফরিদপুরে, তিনি একটি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ১৮ হাজার ২১৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৩৬২ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬০ হাজার ৯৭৭ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তারপর চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ আঘাত হানছে।

এদিকে করোনা নিয়ন্ত্রণে শনিবার জাতীয় কারিগরি কমিটি ৫ দফা সুপারিশ করেছে।

সর্বক্ষেত্রে শতভাগ সঠিকভাবে মাস্ক পরা ও হাত ধোয়া বা স্যানিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের জন্য জনসাধারণকে উৎসাহিত করতে সুপারিশ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজের করোনার টিকা যারা নেননি, তাদের টিকা নিতে উদ্বুদ্ধ করার সুপারিশ করা হয়েছে।

বদ্ধ স্থানে সভা করা থেকে বিরত থাকা ও দাপ্তরিক সভাগুলো যথাসম্ভব ভার্চুয়ালি করার সুপারিশ করেছে কমিটি। অপরিহার্য সামাজিক অনুষ্ঠান বা সভায় মাস্ক পরার সুপারিশ করা হয়েছে।

সেই সঙ্গে বেসরকারি পর্যায়ে কোভিড-১৯ পরীক্ষার ব্যয় কমানোর পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কমিটি।

আরও পড়ুন:
বাড়ছে করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ২
করোনা শনাক্তের হার ৮ শতাংশ ছাড়াল
মৃত্যুশূন্য দিনে করোনা শনাক্তের হার ৭ ছুঁইছুঁই
করোনা: বাড়ছে শনাক্তের হার, মৃত্যু ১
মৃত্যুশূন্য দিনে শনাক্তের হার ৭ ছুঁই ছুঁই

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
535 deaths detected in 24 hours

২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৫৩৫, মৃত্যু এক

২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৫৩৫, মৃত্যু এক ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
গত ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৩৬৯ জনে।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৩৫ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে করোনা শনাক্ত হয়ে এক জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৭২৭ নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৫৩৫ জনের দেহে। শনাক্তের হার ১৪.৩৫ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রোববার নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, করোনা শনাক্তদের মধ্যে ৪২৯ জনই রাজধানীর বাসিন্দা।

গত ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৩৬৯ জনে। করোনা শনাক্ত হয়ে মৃত নারী রংপুরের বাসিন্দা। তিনি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

নতুন রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে ২০ লাখ ২৬ হাজার ২১২ জনের দেহে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৪৭৬ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬৬ হাজার ১০৭ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তারপর চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ আঘাত হেনেছে।

আরও পড়ুন:
মৃত্যুহীন দিনে করোনা শনাক্ত ১৪১
করোনা: শনাক্তের হার ছাড়াল ১০ শতাংশ
মৃত্যুশূন্য দিনে শনাক্তের হার ৯ ছাড়াল
বাড়ছে করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ২
করোনা শনাক্তের হার ৮ শতাংশ ছাড়াল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
22 deaths detected in Corona 669

করোনায় ২ মৃত্যু, শনাক্ত বেশি ঢাকায়

করোনায় ২ মৃত্যু, শনাক্ত বেশি ঢাকায় ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ উল্লেখ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, মৃত ২ জনই পুরুষ। তাদের একজন নেত্রকোণা এবং অন্যজন ময়মনসিংহে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। দুই মাস পর এই ভাইরাসে মৃত্যু দেখল দেশ। এসময়ে ৫ হাজার ১৭ নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬৬৯ জনের; তাদের ৫২১ জনই রাজধানীর বাসিন্দা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বৃহস্পতিবার নিয়মিত বিবৃতিতে এসব জানিয়েছে।

শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ উল্লেখ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়, মৃত ২ জনই পুরুষ। তাদের একজন নেত্রকোণা এবং অন্যজন ময়মনসিংহ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

টানা ১৪ দিন ধরে করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকায়, দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হয়েছে। কারণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলা যায়।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২৪ হাজার ৪৮৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৩৫৪ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬৪ হাজার ৫০১ মানুষ।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তারপর চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ আঘাত হেনেছে।

আরও পড়ুন:
করোনায় শনাক্তের হার ছাড়াল ১৫ শতাংশ
করোনায় মৃত্যু ১, শনাক্ত  ৬৭৮
করোনার পঞ্চম ঢেউয়ে সর্বোচ্চ শনাক্তের হার
পঞ্চম ঢেউয়ের তৃতীয় দিনে করোনায় ৫ মৃত্যু
পঞ্চম ঢেউয়ের দ্বিতীয় দিনে কমেছে শনাক্তের হার, মৃত্যু ১

মন্তব্য

বাংলাদেশ
665 were detected on the day without a death due to Corona

করোনায় মৃত্যুহীন দিনে শনাক্ত ৬৬৫

করোনায় মৃত্যুহীন দিনে শনাক্ত ৬৬৫ ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
গত ২৪ করোনা ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬৬৫ জনের দেহে। নতুন শনাক্তদের ৪৯৪ জনই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ৭২৮টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬৬৫ জনের দেহে, শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ০৭ শতাংশ।

দেশে দুই মাস পর গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।।

টানা ১৪ দিন ধরে করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকায় দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বুধবার জানায়, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ৭২৮টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬৬৫ জনের দেহে। নতুন শনাক্তদের ৪৯৪ জনই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

এই সময়ে শূন্য মৃত্যু নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৬০ জন। নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২৩ হাজার ৮১০জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৪২৮ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬৪ হাজার ১৪৭ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তারপর চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ আঘাত হানছে।

আরও পড়ুন:
করোনায় মৃত্যু ১, শনাক্ত  ৬৭৮
করোনার পঞ্চম ঢেউয়ে সর্বোচ্চ শনাক্তের হার
পঞ্চম ঢেউয়ের তৃতীয় দিনে করোনায় ৫ মৃত্যু
পঞ্চম ঢেউয়ের দ্বিতীয় দিনে কমেছে শনাক্তের হার, মৃত্যু ১
করোনার পঞ্চম ঢেউয়ে বাংলাদেশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1 death has been detected due to Corona

করোনায় ১ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

করোনায় ১ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
আরও এক মৃত্যু নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৬০ জনে দাঁড়াল। মৃত একজন নারী। তিনি রংপুরে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ৭৮১টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছে ৭৩৭ জনের দেহে, শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৪২ শতাংশ।

এর আগে গত ২১ জুলাই সর্বশেষ এর চেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছিল। সেদিন ৮৮৪ জন করোনা শনাক্ত হয় বলে তথ্য দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

টানা ১৪ দিন ধরে করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকায় দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মঙ্গলবার জানায়, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ৭৮১টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭৩৭ জনের দেহে, শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৪২ শতাংশ।

নতুন শনাক্তদের ৫১৬ জনই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

এই সময়ে আরও এক মৃত্যু নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৬০ জনে দাঁড়াল। মৃত একজন নারী। তিনি রংপুরে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২৩ হাজার ১৪৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৪১১ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬৩ হাজার ৭১৯ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তারপর চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ আঘাত হানছে।

আরও পড়ুন:
করোনার পঞ্চম ঢেউয়ে সর্বোচ্চ শনাক্তের হার
পঞ্চম ঢেউয়ের তৃতীয় দিনে করোনায় ৫ মৃত্যু
পঞ্চম ঢেউয়ের দ্বিতীয় দিনে কমেছে শনাক্তের হার, মৃত্যু ১
করোনার পঞ্চম ঢেউয়ে বাংলাদেশ
করোনা নিয়ন্ত্রণে জাতীয় কারিগরি কমিটির ৫ দফা সুপারিশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After two months 6 deaths were detected leaving 700

করোনায় ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ছাড়াল ৭০০

করোনায় ৬ মৃত্যু, শনাক্ত  ছাড়াল ৭০০ ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
এর আগে গত ২১ জুলাই এক দিনে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। সেদিনই সর্বশেষ এর চেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছিল। সেদিন ৮৮৪ জন করোনা শনাক্ত হয় বলে তথ্য দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

দেশে দুই মাস পর গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৭১৮ জন।

এর আগে গত ২১ জুলাই এক দিনে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছিল। সেদিনই সর্বশেষ এর চেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছিল। সেদিন ৮৮৪ জন করোনা শনাক্ত হয় বলে তথ্য দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

টানা ১৪ দিন ধরে করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকায় দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সোমবার জানায়, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৫ হাজার ২৮৮টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭১৮ জনের দেহে, শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

নতুন শনাক্তদের ৫৭৩ জনই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

এই সময়ে আরও ছয় মৃত্যু নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৫৯ জনে দাঁড়াল। মৃতদের মধ্যে দুজন ঢাকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একজন, বগুড়ার একজন, বরিশালের একজন ও পটুয়াখালীর একজন। মৃতদের সবাই সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২২ হাজার ৪০৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৪৩৬ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬৩ হাজার ৩০৮ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তারপর চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ আঘাত হানছে।

আরও পড়ুন:
করোনায় মৃত্যু ২, শনাক্ত ৫৭২
করোনায় ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৫০

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Corona death 2 identified 572

করোনায় মৃত্যু ২, শনাক্ত ৫৭২

করোনায় মৃত্যু ২, শনাক্ত ৫৭২ ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ৪১৩টি নমুনা পরীক্ষা করে শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৭২ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রোববার জানায়, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ৪১৩টি নমুনা পরীক্ষা করে শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

তবে এ সময়ে করোনাভাইরাসে দুজনের মুত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

টানা ১৪ দিন ধরে করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকায় দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হয় গত রোববার।

দেশে করোনার চতুর্থ ঢেউ শুরুর পর ১১ আগস্ট প্রথমবারের মতো শনাক্ত হার ৫ শতাংশের নিচে নামে। ওইদিন ৪ হাজার ৮০৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ছিল ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ। তার পর থেকে এই হার ওঠানামা করলেও তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়নি।

কিন্তু ৫ সেপ্টেম্বর থেকে বদলে যায় দৃশ্যপট। বাড়তে থাকে করোনা সংক্রমণ। ১৪ দিন ধরে তা ঊর্ধ্বমুখী। মাঝে এক-দুদিন শনাক্তের হার কমলেও তা কখনও ৫-এর নিচে নামেনি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলা যায়।

আগের দিন শনিবার করোনা শনাক্তের হার ছিল ১৩ দশমিক ১২ শতাংশ।

এই সময়ে আরও দুই মৃত্যু নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৫৩ জনে দাঁড়াল।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২১ হাজার ৬৯০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন৩৫৮ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬২ হাজার ৮৭২ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তারপর চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ আঘাত হানছে।

আরও পড়ুন:
পঞ্চম ঢেউয়ের দ্বিতীয় দিনে কমেছে শনাক্তের হার, মৃত্যু ১
করোনার পঞ্চম ঢেউয়ে বাংলাদেশ
করোনা নিয়ন্ত্রণে জাতীয় কারিগরি কমিটির ৫ দফা সুপারিশ
মৃত্যুহীন দিনে করোনা শনাক্ত ১৪১
আবারও ১০ ছাড়াল করোনা শনাক্তের হার, মৃত্যু ২

মন্তব্য

বাংলাদেশ
4 deaths detected in Corona 350

করোনায় ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৫০

করোনায় ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৫০ ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ২ হাজার ৬৬৮টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩৫০ জনের দেহে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্তের হার আগের দিনের চেয়ে কমলেও বেড়েছে মৃতের সংখ্যা।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে ২ হাজার ৬৬৮টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩৫০ জনের দেহে। এই সময়ে করোনা শনাক্ত হয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

টানা ১৪ দিন ধরে করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকায় দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হয় গত রোববার।

দেশে করোনার চতুর্থ ঢেউ শুরুর পর ১১ আগস্ট প্রথমবারের মতো শনাক্ত হার ৫ শতাংশের নিচে নামে। ওইদিন ৪ হাজার ৮০৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ছিল ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ। তার পর থেকে এই হার ওঠানামা করলেও তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়নি।

কিন্তু ৫ সেপ্টেম্বর থেকে বদলে যায় দৃশ্যপট। বাড়তে থাকে করোনা সংক্রমণ। ১৫ দিন ধরে তা ঊর্ধ্বমুখী। মাঝে এক-দুদিন শনাক্তের হার কমলেও তা কখনও ৫-এর নিচে নামেনি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর শনিবার জানায়, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ২ হাজার ৬৬৮টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩৫০ জনের দেহে।

এতে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ১২ শতাংশ। আগের দিন শুক্রবার এই হার ছিল ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ, যা ছিল পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হওয়ার পর সর্বোচ্চ।

চারজনের মৃত্যু নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৫১ জনে দাঁড়াল।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২১ হাজার ১১৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৩৫০ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬২ হাজার ৫১৪ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তারপর চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ আঘাত হানছে।

মন্তব্য

p
উপরে