× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Locked Chabir Gate shuttle bus closed by Chhatra League
google_news print-icon

চবির গেটে তালা ছাত্রলীগের, বন্ধ শাটল-বাস

চবির-গেটে-তালা-ছাত্রলীগের-বন্ধ-শাটল-বাস
সহকারী প্রক্টর শহীদুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই তারা ভোর থেকে অবরোধ করছেন। তাদের দাবি সংগঠনের কাছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের এখানে কী করার আছে? তাদের কমিটি সংক্রান্ত দাবির জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখা দুঃখজনক। আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছি।’

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি বর্ধিত করে পদবঞ্চিতদের মূল্যায়নের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ডাক দিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটকে তালা দিয়েছে শাখা ছাত্রলীগের একাংশ।

সোমবার সকাল সাড়ে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী ছাত্রলীগের ছয়টি গ্রুপের নেতা-কর্মী। গ্রুপগুলো হলো ভিএক্স, কনকর্ড, আরএস, বাংলার মুখ, এপিটাফ ও উল্কা।

এর আগে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন দপ্তরেও তালা দেন তারা। ফলে পরিবহন দপ্তর থেকে কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বহনকারী বাস বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়নি বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন পরিবহন দপ্তরের সহকারী রেজিস্ট্রার মো. নূরুল আবছার।

অবরোধের কারণে ক্যাম্পাসের উদ্দ্যেশে ছেড়ে যেতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো ট্রেনও।

ষোলশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সকালে অবরোধকারীরা ট্রেন চলাচলে বাঁধা দেয়; ফলে ট্রেন চলাচল বন্ধ আছে। সকাল সাড়ে ৭টার ট্রেন নগরীর ষোলশহর এবং ৮টার ট্রেন ঝাওতলায় অবস্থান করছে। চালকরা রেলওয়ের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে।’

চবির গেটে তালা ছাত্রলীগের, বন্ধ শাটল-বাস

আরএস গ্রুপের নেতা ও শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি রকিবুল হাসান দিনার বলেন, ‘পদবঞ্চিতরা অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ করছেন। তিনটি দাবিতে এই আন্দোলন।

‘চবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে আন্দোলনে যেতে বাধ্য হয়েছে। এতদিন তিনি আশ্বাস দিয়েছেন কমিটি বর্ধিত করবেন, কিন্তু এখন প্রহসনমূলক হল-ফ্যাকাল্টি কমিটি গঠনের প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ছলচাতুরি ও প্রতারণা করছেন। সবকিছু মিলিয়েই আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন পদবঞ্চিতরা।’

দাবিগুলো হলো- পদবঞ্চিত ও ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন করে ছাত্রলীগের কমিটিতে অন্তর্ভুক্তিকরণ, কমিটিতে পদ পাওয়া নেতাদের যোগ্যতা অনুযায়ী পুনর্মূল্যায়ন করা, পদ পাওয়া বিবাহিত চাকরিজীবী ও নিষ্ক্রিয় নেতাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ।

সহকারী প্রক্টর শহীদুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই তারা ভোর থেকে অবরোধ করছেন। তাদের দাবি সংগঠনের কাছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের এখানে কী করার আছে? তাদের কমিটি সংক্রান্ত দাবির জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখা দুঃখজনক। আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছি।’

আরও পড়ুন:
চবি ছাত্রলীগ নেতাকে ‘মারধর’
চবির ‘ডি’ ইউনিটে ৮৩ শতাংশই ফেল
চবির ২ ইউনিটের সংশোধিত ফল প্রকাশ
চবিতে সাবেক শিক্ষার্থীর ‘মাথা ফাটাল’ ছাত্রলীগ
‘নাশকতার’ অভিযোগে ছাত্রের নামে চবি প্রশাসনের মামলা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Quota activists will protest across the country tomorrow

সারা দেশে মঙ্গলবার বিক্ষোভ কোটা আন্দোলনকারীদের

সারা দেশে মঙ্গলবার বিক্ষোভ কোটা আন্দোলনকারীদের কোটা আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের বাইরের সড়কে কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ছবি: নিউজবাংলা
কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘এই আন্দোলন আর শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নেই। এই আন্দোলন যখন সরকারের পক্ষ থেকে পরিকল্পনা করে ও উস্কানি দিয়ে দমনের চেষ্টা করা হয়েছে, তখন সব মানুষকে এই আন্দোলনে নেমে আসতে হবে। আগামীকাল আমরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করব। এরপর সারাদেশে অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করব।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মারামারি ও হামলার ঘটনার পর আগামীকাল মঙ্গলবার সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা।

সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের বাইরের সড়কে আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম এই ঘোষণা দিয়েছেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে হওয়া অবস্থান কর্মসূচিতে আসা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। যদিও ঘটনার সূত্রপাত বিজয় একাত্তর হলে হল ছাত্রলীগের মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সাবাত আল ইসলামের ওপর হামলার মধ্য দিয়ে।

এই ঘটনার পর থেকে শুরু হওয়া উভয় পক্ষের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ছাত্রলীগের মারধর চলে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত।

কর্মসূচি ঘোষণা করে নাহিদ বলেন, ‘আজকের হামলার প্রতিবাদ, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার ও কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে আগামীকাল মঙ্গলবার সারাদেশে সব বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

‘শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান থাকবে, এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে বড় ধরনের গণজমায়েত তৈরি করুন। আমাদেরকে বৃহত্তর গণআন্দোলনের দিকে যেতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘কোটা সংস্কার দাবিতে শুরু হওয়া এই আন্দোলন আর শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নেই। এই আন্দোলন যখন সরকারের পক্ষ থেকে পরিকল্পনা করে ও উস্কানি দিয়ে দমনের চেষ্টা করা হয়েছে, তখন সব মানুষকে এই আন্দোলনে নেমে আসতে হবে। আগামীকাল আমরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করব। এরপর আমরা সারাদেশে অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করব।’

বিজয় একাত্তর হলে রাতে শিক্ষার্থীদের মারধর

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের যেসব শিক্ষার্থী কোটা সংস্কারের আন্দোলনে গিয়ে সন্ধ্যার পর হলে প্রবেশ করছেন তাদেরকে স্টাম্প দিয়ে অতর্কিতভাবে মারছে ছাত্রলীগ। হলের এক হাউজ টিউটর তাদের বাধা দিলে তাকেও ধমক দিয়ে সরে যেতে বলেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ বিষয়ে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আব্দুল বাছিরকে ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

জানা যায়, হল প্রাধ্যক্ষ কোনো সংবাদকর্মীর ফোন রিসিভ করছেন না। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালকে জানালে তিনি হল প্রাধ্যক্ষকে ফোন দিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হল গেট থেকে সরিয়ে দিতে বলেন। এই নির্দেশনা পেয়ে প্রাধ্যক্ষ তাদের সরে যেতে নির্দেশনা দিলেও তারা সরেনি।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে খুলনায় মহাসড়ক অবরোধ
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার চেয়ে ববিতে বিক্ষোভ
ঢাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, আহত ২০০
কুবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল
ক্যাম্পাসে আত্মস্বীকৃত রাজাকারদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে ছাত্রলীগ: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
DU Provost Committee emergency meeting five decisions

ঢাবি প্রভোস্ট কমিটির জরুরি সভা, পাঁচ সিদ্ধান্ত

ঢাবি প্রভোস্ট কমিটির জরুরি সভা, পাঁচ সিদ্ধান্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সোমবার হামলা-সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার শুরু হয় বিজয় একাত্তর হল থেকে। ছবি: নিউজবাংলা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সোমবার বিকেল থেকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের মধ্যে দফায় দফায় হামলা, সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনার মধ্যে প্রভোস্ট কমিটি জরুরি সভা করেছে। সভায় পাঁচটি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ক্যাম্পাসে কেউ নাশতকতামূলক কাজে জড়িত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সোমবার বিকেল থেকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের মধ্যে দফায় দফায় হামলা, সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনার মধ্যে প্রভোস্ট কমিটি জরুরি সভা করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড এ এস এম মাকসুদ কামালের আহ্বানে এই সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পাঁচটি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সোমবার বিকেল ৫টায় শুরু হওয়া সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

সভায় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ এবং বিভিন্ন হল/হোস্টেলের প্রাধ্যক্ষ/ওয়ার্ডেনবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তিপূর্ণ শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে পাঁচটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সিদ্ধান্তগুলো হলো- শিক্ষার্থীরা স্ব স্ব হলে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করবেন; প্রাধ্যক্ষ ও আবাসিক শিক্ষকগণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিধানে সার্বক্ষণিকভাবে হলে অবস্থান করবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন; হলগুলোতে কোনো বহিরাগত অবস্থান করতে পারবেন না; যেকোনো ধরনের গুজব ও অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান এবং সবাইকে নাশকতামূলক কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য বলা হচ্ছে।

কেউ নাশতকতামূলক কাজে জড়িত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও সিদ্ধান্ত নেয়া হয় প্রভোস্ট কমিটির ওই সভায়।

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানানো হয়।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার চেয়ে ববিতে বিক্ষোভ
ঢাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, আহত ২০০
কুবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল
ক্যাম্পাসে আত্মস্বীকৃত রাজাকারদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে ছাত্রলীগ: কাদের
শাবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, প্রতিবাদে বিক্ষোভ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chhatra League Student clash again in Shahidullah Hall area of ​​Dubai

ঢাবির শহীদুল্লাহ হল এলাকায় ফের ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ

ঢাবির শহীদুল্লাহ হল এলাকায় ফের ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল এলাকায় সোমবার রাতে শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে। ছবি: নিউজবাংলা
রাতে দোয়েল চত্বর এলাকায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সময় রাস্তায় অনেকগুলো ককটেল ফুটিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, ককটেলের পাশাপাশি সাউন্ড গ্রেনেড এবং গুলিও ছোড়া হয়েছে।

পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ হলের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের মধ্যে ফের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। তবে রাত সোয়া ৯টার দিকে পরিস্থিতি আবার নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

রাতে দোয়েল চত্বর এলাকায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সময় রাস্তায় অনেকগুলো ককটেল ফুটিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, ককটেলের পাশাপাশি সাউন্ড গ্রেনেড এবং গুলিও ছোড়া হয়েছে।

সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। ছাত্রলীগের পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি মহানগর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাও যোগ দিয়েছেন। অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শহীদুল্লাহ্ হল ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য হলের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা হলের ভেতরে আর ছাত্রলীগ দোয়েল চত্বর আর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মোড়ের দিকে অবস্থান নেন। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে করতে হলের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে শিক্ষার্থীরা হলের ভেতর ও ছাদ থেকে পাল্টা ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। এভাবে দেড় ঘণ্টা ধরে ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি চলে৷

ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ির এই পুরোটা সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনের কাউকে ঘটনাস্থলে দেখা যায়নি। পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুলিশ এবং এর আগ মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক আব্দুল মুহিত শহীদুল্লাহ হলে প্রবেশ করেন। পুলিশ ছাত্রলীগকে আর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সদস্যরা শিক্ষার্থীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন।

এ সময় ড. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ হলের শিক্ষার্থী ছাড়া বাকিদের ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বললে শিক্ষার্থীরা ‘দালাল দালাল’ বলে স্লোগান দেন। শিক্ষার্থীরা সহকারী প্রক্টরের উদ্দেশে বলেন, ‘এটি আমাদের ক্যাম্পাস। যারা বহিরাগত তাদের আগে বের হতে বলেন।’

এ সময় শিক্ষার্থীরা সহকারী প্রক্টরের পদত্যাগও দাবি করেন।

দেড় ঘণ্টাব্যাপী এই ধাওয়া-পাল্টাধাওয় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আসার পর শিক্ষার্থীরা হলের গেটের কাছে দাঁড়িয়ে স্লোগান দিতে শুরু করেন। আর ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা দোয়েল চত্বরের কাছে অবস্থান নেন। মাঝখানে অবস্থান নেয় পুলিশ।

কিছু সময় বিরতি দিয়ে পুনরায় শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া। শিক্ষার্থীরা হল গেটের ভেতরে ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা বাইরে থেকে পরস্পরের দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। একইসঙ্গে চলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া। অবশেষে রাত সোয়া ৯টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জরুরি বৈঠক ডাকেন উপাচার্য অধ্যাপক ড এ এস এম মাকসুদ কামাল। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য আমাদের হলের প্রাধ্যক্ষরা রাতভর হলে অবস্থান করবেন। মিটিংয়ে আমাদের আরও কিছু বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেগুলো সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
চবিতে ছাত্রলীগের দফায় দফায় হামলা, ছাত্রীদের হেনস্তা
জাবিতে শিক্ষার্থীদের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ২০
ঢাবিতে ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া দেড় ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে খুলনায় মহাসড়ক অবরোধ
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার চেয়ে ববিতে বিক্ষোভ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chabis repeated attacks by the Chhatra League are harassment of female students

চবিতে ছাত্রলীগের দফায় দফায় হামলা, ছাত্রীদের হেনস্তা

চবিতে ছাত্রলীগের দফায় দফায় হামলা, ছাত্রীদের হেনস্তা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শহীদ মিনারের পাশে সোমবার দুপুরে শিক্ষার্থীদৈর ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলনকারী ছাত্রীরা বলেন, ‘শহীদ মিনারে আমাদেরকে হেনস্তা করার প্রতিবাদে প্রক্টর কার্যালয়ে অভিযোগ দিতে যাই। সেখানেও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা আমাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে হেনস্তা করে। প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরদের উপস্থিতিতেই ছাত্রলীগ আমাদের দেখে নেয়ার হুমকি দিয়েছে। আমরা নিরাপত্তার শঙ্কায় ভুগছি।’

চটগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) কোটা সংস্কার আন্দোলনের সম্পৃক্ত শিক্ষার্থীদের ওপর আবারও দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। হামলায় দুই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। নারী শিক্ষার্থীদেরকে শারীরিকভাবে হেনস্তা এবং প্রক্টরের সামনে বিশ্রী ভাষায় গালিগালাজ করারও অভিযোগ উঠেছে।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালনের উদ্দেশ্যে সোমবার বেলা আড়াইটার শাটল ট্রেন ধরার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেশনে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। এসময় ছাত্রলীগের নেতারা এসে শাটলের চাবি কেড়ে নেন এবং আন্দোলনের সমন্বয়কসহ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে জিম্মি করে নিয়ে যান। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসের সামনে ফের প্রক্টরের উপস্থিতিতে কোটা সংস্কারপন্থীদের মারধর করে ছাত্রলীগ কর্মীরা।

চবিতে ছাত্রলীগের দফায় দফায় হামলা, ছাত্রীদের হেনস্তা
ছাত্রলীগ জিম্মি করে ধরে নিয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে চবি প্রক্টর অফিসে অন্য শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

কোটা সংস্কারপন্থী শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘দুপুরে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেশনে জড়ো হই চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহরে গিয়ে আন্দোলনে যোগ দেয়ার জন্য। তখন ছাত্রলীগ কর্মীরা এসে শাটলের চাবি নিয়ে নেয় ও আমাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা তালাত মাহমুদ রাফিসহ কয়েক শিক্ষার্থীকে জিম্মি করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যায়।

‘আন্দোলনকারী জিম্মি শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করতে যাওয়ার পথে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে শিক্ষার্থীদের আটকে বেধড়ক মারধর করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। তারা এ সময় এক শিক্ষার্থীকে রাস্তায় ফেলে বাঁশ-তক্তা দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে এবং ছাত্রীদের হেনস্তা করে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী মো. মাহবুবুর রহমান গুরুতর আহত হন।

ছাত্রীরা বলেন, শহীদ মিনারে আমাদেরকে হেনস্থা করার প্রতিবাদে প্রক্টর কার্যালয়ে অভিযোগ দিতে যাই। এ সময় ছাত্রলীগ আমাদের পথরোধ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। আমরা প্রক্টর অফিসের ভেতরে ঢুকতে গেলে তারা দরজা আটকে দাঁড়িয়ে থাকে এবং আমাদেরকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করে। প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরদের উপস্থিতিতেই ছাত্রলীগ আমাদের সঙ্গে খুব খারাপ আচরণ করেছে। আমাদের দেখে নেয়ার কথা বলেছে। আমরা নিরাপত্তার শঙ্কায় ভুগছি।’

শিক্ষার্থী তালাত মাহমুদ রাফি বলেন, ‘গণতন্ত্রের দেশে একজন নাগরিককে কেউ জোর করে তুলে আনতে পারে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই। ছাত্রলীগের নেতারা আমার শরীরে বেশ কয়েকবার আঘাত করেছে।’

প্রক্টর অফিসের সামনে মারধরের শিকার বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘আমরা প্রক্টরের অফিসে ঢুকতে চাইলে ছাত্রলীগ বাধা দেয়, দরজা লাগিয়ে দিতে চায়। তখন আমি দরজা আটকালে তারা আমার পায়ে একাধিক লাথি মারে ও হাতে আঘাত করে।

‘আমাদের সব ছাত্রীর সঙ্গেই তারা খারাপ আচরণ করেছে। তারা প্রক্টর অফিসের সামনেই আমাদের ওপর হাত তুলেছে, বিশ্রী ভাষা ব্যবহার করেছে। প্রক্টররা সব কিছু দেখেও কোনো পদক্ষেপ নেননি, উল্টো তাদের সঙ্গে কথা বলার সময় আমাদেরকে ধমক দেন।’

চবি ছাত্রলীগের একাংশের নেতা ইলিয়াস বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজাকারদের কোনো ঠাঁই নেই। রাজাকার-রাজাকার স্লোগান দিয়ে কেউ এদেশে থাকতে পারে না।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. অহিদুল আলম বলেন, ‘গতকাল রাতে যে বিশৃঙ্খলা হয়েছিল আমরা সে বিষয়ে অবগত ছিলাম না। তার জেরে আজ এ ঘটনা ঘটেছে। আমরা তদন্ত করে দেখব কারা দোষী।’

এর আগে রোববার রাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা ‘তুমি কে, আমি কে- রাজাকার রাজাকার’ স্লোগানে মিছিল বের করেন। এ সময় ক্যাম্পাসের কাটাপাহাড় রোডে পেছন থেকে অতর্কিত হামলা চালায় ছাত্রলীগ। ওই হামলায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন।

আরও পড়ুন:
কুবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল
ক্যাম্পাসে আত্মস্বীকৃত রাজাকারদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে ছাত্রলীগ: কাদের
শাবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, প্রতিবাদে বিক্ষোভ
তারা সমগ্র জাতিকে কলঙ্কিত করেছে: সেলিম মাহমুদ
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে ঢাবিতে কোটা আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chhatra League attack on student march in Jabi 20 injured

জাবিতে শিক্ষার্থীদের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ২০

জাবিতে শিক্ষার্থীদের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ২০ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সোমবার সন্ধ্যায় মিছিলে ছাত্রলীগের হামলায় আহত কয়েকজন। ছবি: নিউজবাংলা
সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জাবি ক্যাম্পাসে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় একজন শিক্ষক ও প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। রাত ৮টায় এই নিউজ লেখার সময়ও দু’পক্ষে ভেতর ধাওয়া পাল্টা চলছিল। 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলে হামলা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান সোহেল ও সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান লিটনের নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়।

সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় একজন শিক্ষকসহ ২০ জন আহত হয়েছেন।

রাত ৮টায় এই নিউজ লেখার সময়ও দু’পক্ষে ভেতর ধাওয়া পাল্টা চলছিল।

জাবিতে শিক্ষার্থীদের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ২০
কোটা সংস্কার দাবিতে সোমবার সন্ধ্যায় জাবি ক্যাম্পাসে মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সামনে এলে অতর্কিত হামলা চালান ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।

আরও পড়ুন:
ঢাবিতে ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া দেড় ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে খুলনায় মহাসড়ক অবরোধ
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার চেয়ে ববিতে বিক্ষোভ
ঢাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, আহত ২০০
কুবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
It is clear that politics has entered the quota movement Foreign Minister

কোটা আন্দোলনে রাজনীতি ঢুকেছে তা স্পষ্ট: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

কোটা আন্দোলনে রাজনীতি ঢুকেছে তা স্পষ্ট: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘কাল যেসব ঔদ্ধত্যপূর্ণ স্লোগান ও বক্তব্য দেয়া হয়েছে তাতে প্রমাণ হয় এটি কোটাবিরোধী আন্দোলন নয়। এ আন্দোলনকে রাষ্ট্রবিরোধী, সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সেন্টিমেন্টকে ব্যবহার করা হচ্ছে। বাইরে থেকে বিএনপি-জামায়াতসহ অন্যরা সেখানে ইন্ধন দিচ্ছে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, রোববার রাতে যে ধরনের স্লোগান দেয়া হয়েছে তা সরকারবিরোধী নয়, রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এ দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। সেই দেশে রাজাকারের পক্ষে স্লোগান, এটি রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান। একইসঙ্গে সেখানে সরকারবিরোধী, প্রধানমন্ত্রীবিরোধী স্লোগান দেয়া হয়েছে। আমরা আগেই বলেছিলাম, কোটা আন্দোলনের মধ্যে রাজনৈতিক অপশক্তি ঢুকেছে, তা স্পষ্ট।

সোমবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ইসা বিন ইউসুফ আল দুহাইলানের সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতসহ যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায় তারা ঢুকেছে। তাদের পরিকল্পিত কিছু মানুষ সেখানে নেতৃত্ব দিচ্ছে। আমরা যা বলেছিলাম, গতকাল তারা তা স্পষ্ট করেছে।

‘কাল যেসব ঔদ্ধত্যপূর্ণ স্লোগান ও বক্তব্য দেয়া হয়েছে তাতে প্রমাণ হয় এটি কোটাবিরোধী আন্দোলন নয়। এ আন্দোলনকে রাষ্ট্রবিরোধী, সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সেন্টিমেন্টকে ব্যবহার করা হচ্ছে। বাইরে থেকে বিএনপি-জামায়াতসহ অন্যরা সেখানে ইন্ধন দিচ্ছে।’

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা দেশকে কখনও অস্থিতিশীল করতে দেব না। আমাদের সরকার অনেক শক্তিশালী সরকার। আমরা কোনো রাজনৈতিক অপশক্তিকে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সেন্টিমেন্ট নিয়ে খেলা করে দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেব না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকার স্পষ্ট করে বলেছে যে আদালতে বিচারাধীন কোনো বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত দিতে পারে না। আদালত যেভাবে নিষ্পত্তি করবে সরকারকে সেভাবে কাজ করতে হবে, এটি স্পষ্ট।

‘তারপরও এ ধরনের স্লোগান দেয়া এবং আন্দোলন করা একেবারে দিবালোকের মতো স্পষ্ট করে দিয়েছে এর মধ্যে রাজনীতি ঢুকেছে।’

আরও পড়ুন:
কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করবেন না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chhatra League Students chase counter chase in DU under control after one and a half hours

ঢাবিতে ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া দেড় ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে

ঢাবিতে ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া দেড় ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে শিক্ষার্থীরা শহীদুল্লাহ হল গেটের ভেতরে অবস্থান নিয়ে নানামুখী স্লোগান দিচ্ছেন। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, ‘বিকেল থেকে আমাদের ওপর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় আমাদের অনেকেই আহত হয়েছে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং প্রক্টরিয়াল বডির কেউ ছাত্রলীগকে থামাতে মাঠে আসেননি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ হলের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের মধ্যে দেড় ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া অবশেষে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শিক্ষার্থীরা হলের সামনে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ করছেন। একইসঙ্গে তারা প্রক্টরের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন।

শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, ‘বিকেল থেকে আমাদের ওপর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় আমাদের অনেকেই আহত হয়েছে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং প্রক্টরিয়াল বডির কেউ ছাত্রলীগকে থামাতে মাঠে আসেননি।’

বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। ছাত্রলীগের পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি মহানগর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাও যোগ দিয়েছেন। অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শহীদুল্লাহ্ হল ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য হলের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

ঢাবিতে ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া দেড় ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে

এ সময় শিক্ষার্থীরা হলের ভেতরে আর ছাত্রলীগ দোয়েল চত্বর আর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মোড়ের দিকে অবস্থান নেন। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে করতে হলের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে শিক্ষার্থীরা হলের ভেতর ও ছাদ থেকে পাল্টা ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। এভাবে দেড় ঘণ্টা ধরে ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি চলে৷

ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ির এই পুরোটা সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনের কাউকে ঘটনাস্থলে দেখা যায়নি। পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুলিশ এবং এর আগ মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক আব্দুল মুহিত শহীদুল্লাহ হলে প্রবেশ করেন। পুলিশ ছাত্রলীগকে আর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সদস্যরা শিক্ষার্থীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন।

এ সময় ড. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ হলের শিক্ষার্থী ছাড়া বাকিদের ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বললে শিক্ষার্থীরা ‘দালাল দালাল’ বলে স্লোগান দেন। শিক্ষার্থীরা সহকারী প্রক্টরের উদ্দেশে বলেন, ‘এটি আমাদের ক্যাম্পাস। যারা বহিরাগত তাদের আগে বের হতে বলেন।’

এ সময় শিক্ষার্থীরা সহকারী প্রক্টরের পদত্যাগও দাবি করেন।

সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা হল গেটের সামনে অবস্থান করে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। আর ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা দোয়েল চত্বরের দিকে অবস্থান করছেন। মাঝখানে অবস্থান নিয়েছে পুলিশ।

এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জরুরি বৈঠক ডাকেন উপাচার্য অধ্যাপক ড এ এস এম মাকসুদ কামাল। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য আমাদের হলের প্রাধ্যক্ষরা রাতভর হলে অবস্থান করবেন। মিটিংয়ে আমাদের আরও কিছু বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেগুলো সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
শাবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, প্রতিবাদে বিক্ষোভ
তারা সমগ্র জাতিকে কলঙ্কিত করেছে: সেলিম মাহমুদ
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে ঢাবিতে কোটা আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভ
চবিতে কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা
মধ্যরাতে উত্তপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

মন্তব্য

p
উপরে