× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
A rickshaw rider died after being hit by a bus at Jabir Gate
hear-news
player
google_news print-icon

জবির গেটে বাসের ধাক্কায় গেল রিকশা আরোহীর প্রাণ

জবির-গেটে-বাসের-ধাক্কায়-গেল-রিকশা-আরোহীর-প্রাণ
রিকশাটিকে দুমড়ে-মুচড়ে ফেলেছে বাস। ছবি: নিউজবাংলা
সূত্রাপুর থানার ডিউটি অফিসার মো. হাসান মিয়া নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বাস থানায় নেয়া হয়েছে। তবে চালক ও হেলপার পলাতক।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রধান ফটকের সামনে বাসের ধাক্কায় এক রিকশা আরোহী নিহত হয়েছেন।

রোববার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে এই দুর্ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন।

নিহত ব্যক্তির নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। আহতদের মধ্যে একজন জবির পরিচ্ছন্নতাকর্মী আরেকজন রিকশার চালক।

সূত্রাপুর থানার ডিউটি অফিসার মো. হাসান মিয়া নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বাস থানায় নেয়া হয়েছে। তবে চালক ও হেলপার পলাতক।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাভার পরিবহনের একটি বাস ওই রিকশাকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই এক আরোহী মারা যান। এ সময় গুরুতর আহত হন রিকশাচালক ও জবির একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী।

পরে হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকের সামনের মার্কেটের ফটকে বাসটি উঠে যাওয়ায় ফটক ও একটি দোকান ভেঙে যায়। এ ছাড়া রাস্তার পাশে থাকা ট্রাফিক পুলিশের সাইনবোর্ডটিও ভেঙে যায়। এতে বেশ কিছুক্ষণ রাস্তাটি বন্ধ ছিল এবং যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ এসে বাসটি জব্দ করে।

স্থানীয়রা জানান, আহত পরিচ্ছন্নতাকর্মীর নাম আকাশ দাশ। ন্যাশনাল মেডিক্যাল থেকে তার মাথার পেছনে ছয়টি সেলাই দেয়া হয়েছে। তিনি পিঠে ও ঘাড়ে মারাত্মকভাবে আঘাত পেয়েছেন।

একজন নিহতের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজের ওয়ার্ড মাস্টার মো. সাজ্জাদ মিয়া।

তিনি জানান, নিহতের বাড়ি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া। থাকতেন মুন্সীগঞ্জে। তার বাড়িতে খবর দেয়া হয়েছে। বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।

আরও পড়ুন:
বিভাজকে বাস উঠিয়ে পালিয়েছেন চালক
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২ দাখিল পরীক্ষার্থী নিহত
মোটরসাইকেলের চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষকের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
I bought 11 packets of food from the line for two and a half hours

‘আড়াই ঘণ্টা লাইনে থেকে ১১ প্যাকেট খাবার কিনছি’

‘আড়াই ঘণ্টা লাইনে থেকে ১১ প্যাকেট খাবার কিনছি’ বাড্ডা-গুলশান লিঙ্ক রোডে নয়ন বিরিয়ানির দোকানে খাবার কিনতে মানুষের ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা
মা বিরিয়ানি হাউসের কর্মচারী রুবেল বলেন, ‘সারা দিন এই এলাকায় গ্যাস নাই, এজন্য দোকানে ভিড়। আমরা খাবার প্যাকেট করে সারতে পারছি না, তার আগেই থাবাথাবি। এত ভিড় আগে কখনো দেখিনি। রান্না করে আনতে না আনতে শেষ হয়ে যাচ্ছে খাবার।’

মহাখালীর বাসিন্দা হাবিবুর রহমান। সকাল ৬টা থেকে গ্যাস না থাকায় বাসায় রান্না হয়নি। গতকাল শুক্রবারের রান্না দিয়ে দুপুরে কোনো রকম সারলেও রাতের খাবারের জন্য হোটেলই ভরসা ছিল বলে তিনি জানান।

এ জন্য রাতের খাবার নিতে আড়াই ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার কিনতে হয়েছে তাকে।

হাবিবুর রহমান বলেন, ‘সকাল ৬টা থেকে গ্যাস নাই। বাসায় রান্নাবান্না হয়নি। বাধ্য হয়ে হোটেল থেকে খাবার কিনতে এসেছি। ১৪ শ টাকা দিয়ে ১১ প্যাকেট খাবার নিতে পারছি।’

বাড্ডার হোসেন মার্কেট এলাকার বাসিন্দা লিটন জানান, অনেকগুলো হোটেল ঘুরে তিনি গুদারাঘাট এলাকায় গিয়ে খাবার পেয়েছেন।

বলেন, ‘এক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ৫ প্যাকেট খাবার কিনছি। ঘরে বউ-বাচ্চা না খেয়ে আছে। সারাদিন রান্না হয়নি, বাসায় গ্যাস না থাকায়। কি করব, বাধ্য হয়ে কষ্ট হলেও লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার কিনতে হয়েছে।’

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার মহাখালী, বনানী, তেজগাঁও, গুলশান, নতুন বাজার ও বাড্ডা এলাকায় দুপুর ২টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত ১১ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না।

এ দিন সন্ধ্যায় সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, খাবারের দোকানে মানুষের উপচে পড়া ভিড়।

গুলশান বাড্ডার গুদারাঘাট এলাকার নয়ন বিরিয়ানী, বাড্ডার মা বিরিয়ানি, উত্তর বাড্ডার কামরুল হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে ক্রেতাদের ভিড় ছিল অনেকটা উপচে পড়া।

অনেক দোকানে দেখা গেছে খাবার কিনতে অনেকে লাইনে দাঁড়িয়েছেন।

খাবার কিনতে আসা সায়েম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সারাদিন গ্যাস নাই। অফিস শেষ করে দোকান থেকে খাবার নিয়ে বাসায় যাব বলে জানিয়েছি। কিন্তু খাবার দোকানের অবস্থা দেখে তো খাবার কেনার আগ্রহই শেষ। পেটতো আর তা শুনবে না।’

মা বিরিয়ানি হাউসের কর্মচারী রুবেল বলেন, ‘সারা দিন এই এলাকায় গ্যাস নাই, এজন্য দোকানে ভিড়। আমরা খাবার প্যাকেট করে সারতে পারছি না, তার আগেই থাবাথাবি। এত ভিড় আগে কখনো দেখিনি। রান্না করে আনতে না আনতে শেষ হয়ে যাচ্ছে খাবার।’

গ্যাস পাইপ লাইনের জরুরি কাজের জন্য রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ১১ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে জানায় তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি।

এ ছাড়া উল্লেখ করা এলাকার পাশের এলাকাগুলোতে গ্যাসের স্বল্প চাপ থাকবে বলে জানায় তিতাস।

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎ গ্যাস পানি এখন রাজনৈতিক পণ্য: আমীর খসরু
এবার লাটভিয়ায় গ্যাস বন্ধ রাশিয়ার
গ্যাস-বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করার আইন বাতিল চান ব্যবসায়ীরা
ইউরোপে রুশ গ্যাস পাওয়া নিয়ে নতুন শঙ্কা
ইউরোপে ফের গ্যাস দিচ্ছে রাশিয়া

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mutilated body in locked room

তালাবদ্ধ ঘরে পুরুষাঙ্গ কাটা মরদেহ

তালাবদ্ধ ঘরে পুরুষাঙ্গ কাটা মরদেহ প্রতীকী ছবি
দুই হাত না থাকা ফজল মিয়া রাজধানীতে ভিক্ষা করতেন। তিনি দুই বিয়ে করেছেন। একটা ছেলেসন্তান নিয়ে প্রথম স্ত্রী গ্রামে থাকেন। ঢাকায় তিনি দ্বিতীয় স্ত্রী নিয়ে থাকতেন। পুরুষাঙ্গ কাটা মরদেহ উদ্ধারের পর ফজলের দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্ধান মিলছে না। পুলিশ তাকে খুঁজছে।

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে ফজল মিয়া নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গলায় গামছা প্যাঁচানোর পাশাপাশি পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সী ফজলের পুরুষাঙ্গ কাটা অবস্থায় পাওয়া যায়।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কামরাঙ্গীরচর ভান্ডারি মোড়ের ভাড়া বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য তা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কামরাঙ্গীরচর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অনিরুদ্ধ রায় বলেন, ‘বাড়িটির দ্বিতীয় তলার একটি ঘর থেকে পচা গন্ধ পেয়ে লোকজন থানায় খবর দেন। গলায় গামছা প্যাঁচানো ও পুরুষাঙ্গ কাটা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়। দুই-তিন দিন আগে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

‘মাত্র গত সপ্তাহে ফজল মিয়া এ বাড়িতে আসেন বলে অন্য ভাড়াটিয়ারা জানান। তার দুই হাত ছিল না বলে ভিক্ষাবৃত্তি করতেন বলেও শোনা গেছে। তাকে কে এবং কেন হত্যা করেছে, সে ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যায়নি।’

ফজল মিয়ার ভাই সাজু মিয়া বলেন, ‘আমার ভাই দুই বিয়ে করেছেন। একটা ছেলেসন্তান নিয়ে প্রথম স্ত্রী গ্রামে থাকেন। ঢাকায় দ্বিতীয় স্ত্রী নিয়ে থাকতেন। শারীরিক প্রতিবন্ধী হলেও আমার ভাই দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় ভিক্ষাবৃত্তি করেন এবং দুই সংসারে খরচ দেন।

‘দ্বিতীয় স্ত্রীর আরেকটি বিয়ে হয়েছিল আগে, সেই স্বামীর দুটি সন্তান নিয়ে বিয়ে করেন ফজলকে। মরদেহ উদ্ধারের পর ফজলের দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্ধান মিলছে না। পুলিশ তাকে খুঁজছে।’

নিহত ফজলের বাড়ি রংপুর জেলার কাউনিয়া থানায়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেয়া হবে বলে জানান স্বজনরা।

পুলিশ জানায়, ফজল হত্যার ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। তার কথিত দ্বিতীয় স্ত্রীকে খোঁজা হচ্ছে। তার মাধ্যমেই পুরুষাঙ্গ কর্তন ও হত্যার রহস্য জানা যাবে বলে মনে করছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
লিঙ্গ কাটায় আটক স্ত্রী
মাদ্রাসাশিক্ষকের পুরুষাঙ্গ কর্তন, ছাত্র আটক
পুরুষাঙ্গ কেটে নিলেন ভাবি
‘প্রেমিকের’ পুরুষাঙ্গ কর্তন, আটক তরুণী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Journalist Toab Khan was laid to rest at Banani graveyard on Monday

সাংবাদিক তোয়াব খানের অন্তিম শয্যা সোমবার বনানী কবরস্থানে

সাংবাদিক তোয়াব খানের অন্তিম শয্যা সোমবার বনানী কবরস্থানে সাংবাদিক তোয়াব খান। ফাইল ছবি
সাংবাদিক তোয়াব খানের ছোট ভাই ওবায়দুল কবির নিউজবাংলাকে জানান, তার একমাত্র মেয়ে তানিয়া খান রোববার বিকেলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঢাকায় পৌঁছাবেন। পরদিন বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে জানাজা শেষে সর্বজনশ্রদ্ধেয় এই সাংবাদিককে দাফন করা হবে বনানী কবরস্থানে।

দেশের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকম ও দৈনিক বাংলার সম্পাদক, একুশে পদকপ্রাপ্ত বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খানের দাফন হবে সোমবার। রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

বার্ধক্যজনিত জটিলতায় অসুস্থতার পর তোয়াব খানকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

তোয়াব খানের ছোট ভাই ওবায়দুল কবির নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তার একমাত্র মেয়ে তানিয়া খান রোববার বিকেলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঢাকায় পৌঁছাবেন।

‘তোয়াব খানের মরদেহ সোমবার সকাল ১০টায় তেজগাঁওয়ে নিউজবাংলা ও দৈনিক বাংলা কার্যালয়ে নেয়ার পর সেখানে প্রথম জানাজা হবে। এরপর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কফিন রাখা হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ব্যবস্থাপনায় শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘তোয়াব খানের মরদেহ সোমবার বেলা ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত জাতীয় প্রেস ক্লাবে রাখা হবে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে মরদেহ নেয়া হবে গুলশানে তার নিজ বাসভবনে।’

বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে জানাজা শেষে সর্বজনশ্রদ্ধেয় এই সাংবাদিককে দাফন করা হবে বনানী কবরস্থানে।

নিউজবাংলার সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি চৌধুরী নাফিজ সরাফাত ও উপদেষ্টা সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার সাংবাদিক তোয়াব খানের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন। সম্পাদকের মৃত্যুতে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সব অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে।

১৯৩৪ সালের ২৪ এপ্রিল সাতক্ষীরা জেলার রসুলপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তোয়াব খান। সাংবাদিক হিসেবে সুদীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য কর্মজীবন রয়েছে তার।

২০১৬ সালে একুশে পদক পান তোয়াব খান। একই বছর তাকে সম্মানীত ফেলো নির্বাচন করে বাংলা একাডেমি।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রেস সেক্রেটারি ছিলেন তোয়াব খান। পরে রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ এবং প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা সাহাবুদ্দীন আহমদের প্রেস সচিবের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

ছাত্রজীবন থেকেই তোয়াব খান বিভিন্ন পত্রিকায় সমকালীন ইস্যু নিয়ে লেখালেখি করতেন। ১৯৫৩ সালে সাপ্তাহিক জনতার মাধ্যমে তার সাংবাদিকতা জীবনের শুরু। ১৯৫৫ সালে তিনি যোগ দেন দৈনিক সংবাদে।

১৯৬১ সালে দৈনিক সংবাদের বার্তা সম্পাদক হন। ১৯৬৪ সালে তিনি যোগ দেন দৈনিক পাকিস্তানে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে শব্দসৈনিকের ভূমিকা পালন করেন তোয়াব খান। সে সময় তার আকর্ষণীয় উপস্থাপনায় নিয়মিত প্রচার হয় ‘পিণ্ডির প্রলাপ’ নামের অনুষ্ঠান।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর দৈনিক পাকিস্তান থেকে বদলে যাওয়া দৈনিক বাংলার প্রথম সম্পাদক ছিলেন তোয়াব খান। ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রেস সচিব ছিলেন তোয়াব খান। দেশের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ও প্রেস ইনস্টিটিউট অফ বাংলাদেশের মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন যশস্বী এ সাংবাদিক।

নিউজবাংলা ও দৈনিক বাংলার সম্পাদক হিসেবে যোগ দেয়ার আগে সর্বশেষ তিনি দৈনিক জনকণ্ঠের উপদেষ্টা সম্পাদক ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খানের প্রয়াণে বিশিষ্টজনদের শোক
স্বীয় কর্মে স্মরণীয় থাকবেন তোয়াব খান: প্রধানমন্ত্রী
বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খানের প্রয়াণ
নতুন রূপে আসছে দৈনিক বাংলা, সম্পাদক তোয়াব খান
গুরুতর অসুস্থ সাংবাদিক তোয়াব খান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Child dies after falling into bucket water in Kajla

কাজলায় বালতির পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

কাজলায় বালতির পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু
শিশুটির বাবা মো. শাকিব জানান, তার স্ত্রী বাসায় অন্য কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কোনো এক ফাঁকে তাদের একমাত্র সন্তান আবদুর রহমান বাথরুমে ঢুকে বালতির পানিতে উপুড় হয়ে পড়ে যায়। সেখান থেকে শিশুটি আর উঠতে পারেনি।

রাজধানীতে বালতির পানিতে পড়ে আবদুর রহমান নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুরে যাত্রাবাড়ীর কাজলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

তিন বছর বয়সী আবদুর রহমান বাসার বাথরুমে রাখা পানি বোঝাই বালতিতে পড়ে যায়। শিশুটির বাবা মো. শাবিক সেখান থেকে উদ্ধার করে সন্তানকে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। এখানে বেলা পৌনে ২টার দিকে চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

মো. শাকিবের বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্ধারে। তিনি জানান, তার স্ত্রী বাসায় অন্য কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কোনো এক ফাঁকে তাদের একমাত্র সন্তান আবদুর রহমান বাথ রুম ঢুকে বালতির পানিতে উপুড় হয়ে পড়ে যায়। সেখান থেকে শিশুটি আর উঠতে পারেনি।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া জানান, ময়নাতদন্ত ছাড়াই শিশুটির মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
যাত্রাবাড়ীতে অটোরিকশা থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু
বরুড়ায় পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু
গাছের গুঁড়ির চাপায় শিশুর মৃত্যু
খেলতে গিয়ে ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু
কেরানীগঞ্জে ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Whip Swajan apologized for the drivers excesses at the airport

বিমানবন্দরে চালকের বাড়াবাড়ি, ক্ষমা চাইলেন হুইপ স্বপন

বিমানবন্দরে চালকের বাড়াবাড়ি, ক্ষমা চাইলেন হুইপ স্বপন জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। ফাইল ছবি
শুক্রবার দেয়া স্ট্যাটাসে হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন লিখেছেন, ‘আমার অনুপস্থিতিতে গাড়ি রাখা নিয়ে আমার অফিসিয়াল ড্রাইভারের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচিত হয়েছে। আমি আমার অনুপস্থিতিতে আমার ড্রাইভারের ত্রুটির জন্য একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজেই ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনকে নিতে আসা গাড়ির চালকের বাড়াবাড়ি ও রাস্তা আটকে রাখার ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছেন তিনি নিজে।

গত বৃহস্পতিবার বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় হুইপের গাড়ির কারণে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন বিমানবন্দরে আসা যাত্রীরা। তখন গাড়িতে ছিলেন না স্বপন।

এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, অভ্যন্তরীণ একটি ফ্লাইটে আসা হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনকে নিতে বৃহস্পতিবার রাতে শাহজালাল বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের বাইরে অপেক্ষা করছিলেন তার গাড়ির চালক।

এ সময় বিমানবন্দরে যানবাহনের চাপ থাকায় চালককে গাড়িটি সরিয়ে নিতে অনুরোধ জানান নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এপিবিএন সদস্যরা। বারবার অনুরোধ করার পরেও হুইপের গাড়ি চালক তা সরাতে অনীহা প্রকাশ করেন। এপিবিএন সদস্যদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়াতেও দেখা যায় চালককে।

বিমানবন্দরে চালকের বাড়াবাড়ি, ক্ষমা চাইলেন হুইপ স্বপন

ঘটনার একদিন পর এর জন্য নিজের ফেসবুক পেজে ক্ষমা চেয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন।

শুক্রবার দেয়া এই স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘আমার অনুপস্থিতিতে গাড়ি রাখা নিয়ে আমার অফিসিয়াল ড্রাইভারের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচিত হয়েছে। ঘটনাস্থলে আমি উপস্থিত ছিলাম না, ঘটনাটি আমার কোনো রাজনৈতিক সহকর্মী বা সহকারী করেননি।

‘একজন ড্রাইভারের সঙ্গে সংঘটিত হয়েছে। সরকারি এই ড্রাইভার রাজনৈতিক নেতার ডিউটি না করলে সমস্যা হতো না। যেহেতু রাজনৈতিক নেতার ডিউটি করেন, সেহেতু সমালোচনার ঝড় ওঠা স্বাভাবিক।’

বিমানবন্দরে চালকের বাড়াবাড়ি, ক্ষমা চাইলেন হুইপ স্বপন
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ফাইল ছবি

তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমি যুক্ত না থাকলেও আমার নাম ব্যবহৃত হওয়ায় আমি প্রশ্নবিদ্ধ ও অভিযুক্ত হয়েছি। আমি ক্ষমতা প্রদর্শনের অপসংস্কৃতিতে আক্রান্ত নই। বরং বরাবরই জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মচারীরা যে জনগণ নিযুক্ত এবং কোনোভাবেই আমাদের মর্যাদা জনগণের ওপর নয়, সে বিষয়ে আমি সরব ভূমিকা পালন করে আসছি এবং নিজেও প্রতিপালন করি।

‘সুতরাং আমি আমার অনুপস্থিতিতে আমার ড্রাইভারের ত্রুটির জন্য একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজেই ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’

আরও পড়ুন:
যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
What kind of joke is Nirmalendu Guna

নির্মলেন্দু গুণের এ কেমন তামাশা

নির্মলেন্দু গুণের এ কেমন তামাশা ফেসবুকে এমন স্ট্যাটাস দিয়েছেন কবি নির্মলেন্দু গুণ। ছবি: সংগৃহীত
নির্মলেন্দু গুণ লেখেন, ‘আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই মাইক্রোবাসে ঘাপটি মেরে থাকা বিশিষ্ট  এডভোকেট রেজাউল করিম আমাকে তেজগাঁর রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত একজন মেজিস্ট্রেটের কক্ষে নিয়ে যায় এবং বেশকিছু সন্দেহজনক স্টাম্পের ওপর আমাকে উপর্যুপরি স্বাক্ষর দিতে বাধ্য করে।’

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি নির্মলেন্দু গুণ শনিবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে জানান কামরাঙ্গীরচরে তার বাড়িটি বেহাত হয়ে গেছে। একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে জোর করে জমি বিক্রির দলিলে তার সই নেয়া হয় বলেও উল্লেখ করেন গুণ।

‘আমার এখন কী কর্তব্য???????????’ শিরোনামে তিনি ফেসবুকে লিখেছেন (বাক্য, বানান অপরিবর্তিত), ‘আমার কামরাঙ্গীরচরে বাড়িটি মনে হয় আমার হাত-ছাড়া হয়ে গেছে।

‘গত ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল দশটার দিকে গীতারানী নমশূদ্র, কল্পনা বেগম এবং শান্ত ইমন-- এই তিনজন একজোট হয়ে আমাকে ডাক্তার দেখানোর নাম করে একটি মাইক্রোবাসে উঠিয়ে কোনো হাসপাতালে না নিয়ে তেজগাঁর বিশ্ববিখ্যাত রেজিষ্ট্রি অফিসটিতে নিয়ে যায়।

‘আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই মাইক্রোবাসে ঘাপটি মেরে থাকা বিশিষ্ট এডভোকেট রেজাউল করিম আমাকে তেজগাঁর রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত একজন মেজিস্ট্রেটের কক্ষে নিয়ে যায় এবং বেশকিছু সন্দেহজনক স্টাম্পের ওপর আমাকে উপর্যুপরি স্বাক্ষর দিতে বাধ্য করে।

‘আমি সবিনয়ে এডভোকেট করিমকে জিজ্ঞাসা করি- ভাই, এইডা কুনু ষড়যন্ত্র নয়তো? হাসিমুখে এডভোকেট করিম বলেন, না দাদা, এইটাই হইলো দানপত্র।‘

গুণের এই স্ট্যাটাস নিয়ে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ২০ মিনিটের মধ্যে এতে রিঅ্যাক্ট করেছেন ৩০৭ জন। ৭৯টি কমেন্টের পাশাপাশি পোস্ট শেয়ার হয়েছে সাতবার।

তবে বিষয়টি নিয়ে নিউজবাংলা যোগাযোগ করলে নির্মলেন্দু গুণ হেসে জবাব দেন, ‘তামাশা করেছি।’

তিনি বলেন, ‘আমি মজা করে বিষয়টি লিখেছি। এটা ছিল স্যাটায়ার। অনেকেই বুঝতে পারেনি। লেখাটা ভালো করে পড়লে দেখা যাবে, আমি এক জায়গায় বিশ্ববিখ্যাত রেজিস্ট্রি অফিস লিখেছি। আমি আসলে স্বেচ্ছায় জমি দান করেছি।’

আরও পড়ুন:
পথে নামতে বাধ্য করবেন না, ভালো হবে না: নির্মলেন্দু গুণ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
RAB reform out of question new DG

র‍্যাব সংস্কারের প্রশ্নই ওঠে না: নতুন ডিজি

র‍্যাব সংস্কারের প্রশ্নই ওঠে না: নতুন ডিজি শনিবার সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন র‍্যাবের নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) এম খুরশীদ হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
র‍্যাবের ডিজি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে র‍্যাব সংস্কারের কোনো প্রশ্নই দেখি না। কারণ আমরা এমন কোনো কাজ করছি না, যার জন্য র‍্যাবকে সংস্কার করতে হবে। আমরা আমাদের জন্য নির্ধারিত যে বিধি আছে, সেই বিধিবিধান অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি। আমরা আইনের বাইরে কোনো কাজ করি না। সে ক্ষেত্রে সংস্কারের তো প্রশ্নই ওঠে না।’

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব) আইনের বাইরে কোনো কাজ করে না, এ জন্য র‍্যাব সংস্কারের কোনো প্রশ্নই ওঠে না বলে জানিয়েছেন বিশেষ বাহিনীটির নবনিযুক্ত মহাপরিচালক (ডিজি) এম খুরশীদ হোসেন।

শনিবার সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

জবাবদিহি ও সংস্কার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের এমন মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে র‍্যাবকে সংস্কার করা হবে কি না তার কাছে জানতে চান সাংবাদিকরা।

এর জবাবে র‍্যাব ডিজি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে র‍্যাব সংস্কারের কোনো প্রশ্নই দেখি না। কারণ আমরা এমন কোনো কাজ করছি না যার জন্য র‌্যাবকে সংস্কার করতে হবে। আমরা আমাদের জন্য নির্ধারিত যে বিধি আছে, সেই বিধিবিধান অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি। আমরা আইনের বাইরে কোনো কাজ করি না। সে ক্ষেত্রে সংস্কারের তো প্রশ্নই ওঠে না।’

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা নতুন মহাপরিচালকের ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি করবে কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘একটা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তা সরকারিভাবে মোকাবিলা করা হচ্ছে। তারা যেসব বিষয় আমাদের কাছে চেয়েছে অলরেডি সেগুলোর জবাব আমরা দিয়েছি। জবাব দেয়ার পর নতুন করে কোনো কোয়েশ্চেন রেইজ করার সুযোগ পায়নি।

‘কারণ আপনি বললেন এতগুলো লোক নেই, উধাও হয়েছে। আমাদের তো বলতে হবে, সেই লোকগুলো কারা। যেগুলো দিয়েছে, আমরা দিয়েছি কে কোথায় কী অবস্থায় আছে। সরকারের জন্য বা আমাদের জন্য এটা বড় কোনো চ্যালেঞ্জ বলে আমি মনে করি না। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করে যাব।’

নতুন ডিজি আরও বলেন, ‘এটা সত্যি, যারা কাজ করে তাদের ত্রুটি-বিচ্ছুতি হতেই পারে। সেটা দেখতে হবে আমি ব্যক্তিস্বার্থে করেছি, না সাধারণ মানুষের স্বার্থে করেছি। এসব বিষয় আমরা সরকারিভাবে মোকাবিলা করব।’

আরও পড়ুন:
দায়িত্ব নিলেন র‍্যাবের নতুন ডিজি
র‌্যাব থেকে বিদায় নিলেন আবদুল্লাহ আল-মামুন
নিষেধাজ্ঞায় বিচারবহির্ভূত হত্যা কমেছে: যুক্তরাষ্ট্রের দূত
যুক্তরাষ্ট্র কোনো দলকে সমর্থন করে না: পিটার হাস
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে চীন-ভিয়েতনামকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ

মন্তব্য

p
উপরে