× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Hanging body of Anand Mohan student in the hostel
hear-news
player
print-icon

ছাত্রাবাসে আনন্দ মোহন ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ

ছাত্রাবাসে-আনন্দ-মোহন-ছাত্রের-ঝুলন্ত-মরদেহ
ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন কলেজের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন অমিত কুমার সূত্রধর। ছবি: নিউজবাংলা
পুলিশ জানায়, দরজা ভেঙে অমিতের মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। প্রেমঘটিত কারণে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারে বলে ধারণ করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

ময়মনসিংহে ছাত্রাবাস থেকে অমিত কুমার সূত্রধর নামের এক কলেজছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নগরীর সানকিপাড়ার নয়নমণি মার্কেট সংলগ্ন মাজার শরিফ রোডের ছাত্রাবাস থেকে শনিবার রাত ৮টার দিকে দেহটি উদ্ধার করা হয়।

২৫ বছর বয়সী অমিত জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জের জমিরাকান্দা গ্রামের অনিল কুমার সূত্রধরের ছেলে। তিনি সরকারি আনন্দ মোহন কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ৪৪তম ব্যাচের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ জানান, ছাত্রাবাসে থেকে চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন অমিত। প্রতিদিন তার সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ হতো পরিবারের সদস্যদের। গত শুক্রবার রাত থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না কেউই। এমন বাস্তবতায় চিন্তিত হয়ে বিষয়টি এক আত্মীয়কে জানান অমিতের পরিবারের এক সদস্য।

তিনি জানান, ওই আত্মীয় ছাত্রাবাসে এসে অমিতের কক্ষের দরজা বন্ধ পান। ওই সময় তিনি জানালা দিয়ে অমিতের মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে থানায় জানান।

ওসি আরও জানান, পুলিশ দরজা ভেঙে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। প্রেমঘটিত কারণে অমিত আত্মহত্যা করে থাকতে পারে বলে ধারণ করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

আরও পড়ুন:
বাংলোতে সরকারি কর্মকর্তার মরদেহ
সিদ্ধিরগঞ্জে ফ্ল্যাটে স্বামী-স্ত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ
গৃহবধূকে নির্যাতন করে হত‍্যার অভিযোগে স্বামী-শ্বশুর আটক
বকশীবাজারে ফুটপাত থেকে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
পুলিশের ধাওয়ায় নদীতে ঝাঁপ, পরদিন মরদেহ উদ্ধার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
RAB doesnt fire unless forced outgoing DG

বাধ্য না হলে র‌্যাব গুলি ছোড়ে না: বিদায়ী ডিজি

বাধ্য না হলে র‌্যাব গুলি ছোড়ে না: বিদায়ী ডিজি সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের বিদায়ী মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। ছবি: নিউজবাংলা
‘সিচ্যুয়েশন যেমন ডিমান্ড করে আমরা ঠিক তেমন ব্যবস্থা নিয়ে থাকি। এমন কখনো হয়না যে, কেউ আমাদের ধাক্কা দিলো আর আমরা গুলি করে দিলাম। র‌্যাবের প্রত্যেক সদস্যকে এ সব বিষয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এলিট ফোর্স হিসেবে আমাদের সবসময় চ্যালঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে কাজ করতে হয়।’

পরিস্থিতি সামাল দিতে একেবারেই বাধ্য না হলে কখনো তাদের সদস্যরা গুলি ছোড়েন না বলে মন্তব্য করেছেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) বিদায়ী মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন।

বুধবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে নিজের বিদায়ী বক্তব্য তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলনে এসে এ মন্তব্য করেন র‌্যাব ডিজি। ৩০ সেপ্টেম্বর পুলিশের ৩১তম মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন তিনি।

বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে প্রশ্নে চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘র‌্যাব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যেখানে যেটুকু প্রয়োজন পড়ে আইন মেনে সেটুকু শক্তি প্রয়োগ করে। আমরা যখন আক্রান্ত হই তখনই আমাদের পাল্টা জবাব দিতে হয়।

‘সিচ্যুয়েশন যেমন ডিমান্ড করে আমরা ঠিক তেমন ব্যবস্থা নিয়ে থাকি। এমন কখনো হয়না যে, কেউ আমাদের ধাক্কা দিলো আর আমরা গুলি করে দিলাম। র‌্যাবের প্রত্যেক সদস্যকে এ সব বিষয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এলিট ফোর্স হিসেবে আমাদের সবসময় চ্যালঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে কাজ করতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘অপরাধীরা তাদের অপরাধ সংগঠিত করার জন্য তাদের সর্বশক্তি প্রয়োগ করে থাকে। আমরা তাদের বাধা দিতে গেলে তারা আমাদের হাতে ধরা না পড়তে ও আমাদের বাধা অতিক্রম করে অপরাধ কাজ সংগঠিত করতে আমাদের উপর হামলা করে বসে। তখন বাধ্য হয়ে র‌্যাব সদস্যরা তাদের প্রশিক্ষণ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেন।’

আরও আসছে…

আরও পড়ুন:
নিষেধাজ্ঞা নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আয়ুর্বেদিক ওষুধের নামে মাদক বিক্রি
র‌্যাবের এয়ার উইং পরিচালকের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
School girl arrested in rape case 2

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার ২

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার ২
খাগড়াছড়ি সদর থানার ওসি আরিফুর বলেন, ‘ঘটনা জানার পরে ওই মেয়ের মা দুইজনকে অভিযুক্ত করে মামলা করেছেন। দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

খাগড়াছড়িতে ষষ্ঠ শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

খাগড়াছড়ি সদর থানায় ওই ছাত্রীর মা মঙ্গলবার রাতে মামলার পর পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। বুধবার তাদের আদালতে পাঠানো হবে।

গ্রেপ্তাররা হলেন, খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার আলুটিলা এলাকার ধনিময় ত্রিপুরা ও একই উপজেলার তাইন্দং হেডম্যান পাড়ার সমুয়েল ত্রিপুরা।

খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে খাগড়াছড়ি পৌর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় মেয়েকে রেখে গ্রামের বাড়িতে যান পরিবারের অন্য সদস্যরা। রাতে বাসার বাইরের টয়লেটে আসার সময় ওই ছাত্রীকে নিজেদের বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করে আসামিরা।

ওসি আরিফুর বলেন, ‘ঘটনা জানার পরে ওই মেয়ের মা দুইজনকে অভিযুক্ত করে মামলা করেছেন। দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসার শিক্ষককে পিটুনি
ধর্ষণের পর হত্যায় ১১ বছর পর ৯ জনের যাবজ্জীবন
বাজার কারসাজি: শীর্ষ আরও ৩৬ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ধর্ষণের অভিযোগে ওয়ার্ডবয় গ্রেপ্তার
খনি দুর্নীতি: খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি ফের পেছাল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Accused absconding from hanging arrested

ফাঁসির পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

ফাঁসির পলাতক আসামি গ্রেপ্তার আসামি গ্রেপ্তারের পর র‍্যাবের ব্রিফিং। ছবি: নিউজবাংলা
‘গার্মেন্টে কাজ করতে গিয়ে বন্ধুত্ব হয়েছিল শহিদুল ইসলাম ও শাহিন আলমের। পরে তারা একটি এনজিও খোলেন অংশীদারিত্বে। লোভের বশবর্তী হয়ে এনজিওর পুরো মালিকানা পেতেই শাহিন খুন করেন শহীদুলকে।’

বন্ধুকে হত্যায় ফাঁসির দণ্ড পাওয়া আসামি শাহিন আলমকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

প্রায় ৬ বছর আত্মগোপনে থাকা এ আসামিকে সোমবার মানিকগঞ্জ ঘিওর থানার বড়টিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-৪।

রাজধানীর কারওয়ানবাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে আসামি গ্রেপ্তার ও হত্যা মামলার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন র‍্যাব-৪ এর অধিনায়ক ও পুলিশের উপ মহাপরিদর্শক মো. মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেন, ‘গার্মেন্টে কাজ করতে গিয়ে বন্ধুত্ব হয়েছিল শহিদুল ইসলাম ও শাহিন আলমের। পরে তারা একটি এনজিও খোলেন অংশীদারিত্বে। লোভের বশবর্তী হয়ে এনজিওর পুরো মালিকানা পেতেই শাহিন খুন করেন শহীদুলকে। এ মামলায় গ্রেপ্তারের পর শাহিন ও তার সহযোগিরা আদালতে স্বীকারোক্তি দেন। এক পর্যায়ে শাহিন জামিন নিয়ে পালিয়ে যান।’

র‍্যাব জানায়, ৬ বছর ধরে নাম-পরিচয় বদলে আত্মগোপনে ছিলেন শাহিন আলম।

২০০১ সালে আশুলিয়ার একটি গার্মেন্টে চাকরি করার সময় বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে শহীদুল ও শাহিনের। শহীদুল আগে একটি এনজিওতে চাকরি করতেন। সেই সুবাদে দুজনে মিলে এনজিও প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করেন।

২০০৪ সালে ঢাকা জেলার ধামরাই গোয়াড়ীপাড়ায় একটি অফিস ভাড়া নিয়ে তারা ‘বাংলা সমাজ উন্নয়ন সংস্থা’ নামের সঞ্চয় ও ক্ষুদ্র ঋণদান সংস্থা চালু করেন। গার্মেন্টের চাকরি ছেড়ে তারা এনজিওর কাজ চালাতে থাকেন।

দুজন নারী কর্মী নিয়োগ দিয়ে ধামরাই এলাকায় তারা কার্যক্রম বাড়াতে থাকেন। চারটি প্রোগ্রামে ৪৫০ জন সদস্য সংগ্রহ করে সঞ্চয়, ঋণদান এবং ফিক্সড ডিপোজিট কার্যক্রম চালান।

শহীদুলের দক্ষতায় অল্প সময়ের মধ্যেই লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপ নেয় সংস্থাটি। লোভের ভশে শাহিন নিজের কব্জায় সবকিছু নেয়ার চেষ্টা করেন। তারই এক পর্যায়ে খুন করেন শহীদুলকে।

মামলায় বলা হয়েছে, আসামি শাহিন তার মামাতো ভাই টাঙ্গাইলের সন্ত্রাসী রাজা মিয়াকে নিয়ে শহীদুলকে হত্যার পরিকল্পনা নেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০০৬ সালের ২০ মে সন্ধ্যায় শাহিন নিজের বিয়ের জন্য পাত্রী দেখার কথা বলে ধামরাইয়ের ঢুলিভিটা নামক জায়গায় ডেকে নেন শহীদুলকে। সেখানে নম্বরবিহীন মাইক্রোবাস নিয়ে অবস্থান করছিলেন রাজা মিয়া। সাহেদ, কুদ্দুস, বিষ্ণু সুইপার ও ড্রাইভার রহম আলী ছিলেন তার সঙ্গে।

রাতে শহীদুল যেতে না চাইলে আসামিরা তাকে বাসায় নামিয়ে দেয়ার কথা বলে মাইক্রোবাসে তুলে নেন। কিছুক্ষণ পর শহীদুলের গলায় রশি পেচিয়ে ও মুখ চেপে ধরে শ্বাসরোধ করেন আসামিরা। এরপর শহীদুলের নিথর দেহ নিয়ে তারা কালামপুর, সাটুরিয়া হয়ে নির্জনস্থান বেতুলিয়া ব্রীজের কাছে যান।

মাইক্রোবাস থেকে নামিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শহীদুলকে জবাই করা হয়। সেখানে দেহ ফেলে রেখে বিচ্ছিন্ন মাথা পলিথিনে ভরে নাগরপুরের জগতলা নামক স্থানে পুঁতে রাখে।

পরদিন সাটুরিয়া থানা পুলিশ মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে একটি হত্যা মামলা করে। এর দুইদিন পর শহীদুলের মস্তক উদ্ধার করে নাগরপুর থানা পুলিশ।

শহীদুল হত্যা মামলায় সাটুরিয়া থানা পুলিশ দুই এনজিও কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পায়। এরপর পুলিশ শাহিনকে গ্রেপ্তার করে। শাহিন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে হত্যার বিস্তারিত তথ্য জানান। শাহিন আলম ১০ বছর কারাগারে থাকার পর ২০১৬ সালে জামিন পান। এরপর তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

শহীদুল হত্যা মামালার রায়ে ২০২১ সালের ১ ডিসেম্বর আদালত শাহিন আলমকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। তার ৪ সহযোগি সাহেদ, রাজা মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস ও বিষ্ণু সুইপারকে যাবজ্জীবন সাজা দেয়া হয়।

ফাঁসির আসামি শাহিন আলমকে গ্রেপ্তারের পর র‍্যাব সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করেছে।

আরও পড়ুন:
২১ বছর লুকিয়ে ছিলেন স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত
৬ মাসের সাজা এড়াতে পালিয়ে ছিলেন ৮ বছর
‘সরল বিশ্বাসে খেতা শাহকে আশ্রয় দিয়ে খুইয়েছি স্ত্রী’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After 11 years of rape and murder 9 people get life

ধর্ষণের পর হত্যায় ১১ বছর পর ৯ জনের যাবজ্জীবন

ধর্ষণের পর হত্যায় ১১ বছর পর ৯ জনের যাবজ্জীবন
২০১১ সালের মার্চ মাসে সদরের বিষয়খালী গ্রামের ওই গৃহবধূকে তুলে নিয়ে নিয়ে ধর্ষণ করে আসামিরা। তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

ঝিনাইদহ সদরে ১১ বছর আগে গৃহবধুকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার রায়ে ৯ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মিজানুর রহমান মঙ্গলবার দুপুরে এ রায় দেন।

আসামিরা হলেন বিষয়খালী এলাকার মোহাম্মদ রসুল, শরিফুল ইসলাম, আমিরুল ইসলাম, গোলাম রসুল, আব্দুল আজিজ, আজিজুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম, বাদশা মিয়া ও আব্দুল বাতেন। এদের মধ্যে শরিফুল ও আমিরুল ইসলাম পলাতক আছেন।

মামলার আরেক আসামি মো. আনোয়ারের মৃত্যু হয়েছে।

২০১১ সালের মার্চ মাসে সদরের বিষয়খালী গ্রামের ওই গৃহবধূকে তুলে নিয়ে নিয়ে ধর্ষণ করে আসামিরা। তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

এ হত্যার নিহতের স্বামী পরদিন আসামি করে সদর থানায় মামলা করেন।

মামলার বাদী নিহতের স্বামী বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর হলেও বিচার পেয়ে আমরা খুশি। এই রায় যেন কার্যকর হয়।’

আরও পড়ুন:
রাতে শিশুটিকে ডোবায় ফেলে এসে ঘুমিয়ে পড়েন বাবা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ধর্ষণের অভিযোগে ওয়ার্ডবয় গ্রেপ্তার
জমি নিয়ে বিরোধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
প্রতিবেশীর আমবাগানে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদকের ঝুলন্ত মরদেহ
চুরির অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Protests over deaths in police custody in Tangail

পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু নিয়ে বিক্ষোভ টাঙ্গাইলে

পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু নিয়ে বিক্ষোভ টাঙ্গাইলে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী। ছবি: নিউজবাংলা
লেবু মিয়ার স্ত্রী আলেয়া বেগম বলেন, ‘ভালো মানুষকে নিয়ে গেছে পুলিশ। তার সঙ্গে কিছুই ছিল না। কীভাবে রশি তার কাছে গেলো? এটা আত্মহত্যা না হত্যা করা হয়েছে।’

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আটক এক ব্যক্তির মৃত্যুর পর ব্যাপক বিক্ষোভ দেখিয়েছেন এলাকাবাসী। তারা টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক বন্ধ করার পাশাপাশি স্থানীয় একটি বাজারে ঘণ্টাব্যাপী অবরোধও করেন।

পুলিশের দাবি, সেই ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। তবে স্বজন ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, তাকে পুলিশ নির্যাতন করে হত্যা করেছে। এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সোমবার রাতে উপজেলার বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়িতে লেবু মিয়া নামে এক ব্যক্তি মারা যান। তিনি বাঁশতৈল গ্রামের বাহার উদ্দিনের ছেলে।

সখিনা আক্তার নামে এক নারীকে হত্যায় জড়িত থাকার সন্দেহে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লেবু মিয়া ও সেই নারীর সাবেক স্বামী মফিজুর রহমানকে আটক করে।

পুলিশ জানায়, পাঁচ বছর আগে স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয় সখিনা আক্তারের। দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর প্রবাসী ছেলের স্ত্রীকে থাকতেন। পুত্রবধূ বাড়িতে যাওয়ায় গত রোববার রাতে সখিনা বাড়িতে একাই ছিলেন। রাতের কোনো এক সময় তার ঘরে ঢুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরদিন বেলা ১২ টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে বাঁশতৈল ফাড়ি পুলিশ। এই ঘটনায় মফিজুর ও লেবুকে আটক করে রাতে ফাঁড়ির হাজাতখানায় রাখা হয়।

বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মনিরুজ্জামান বলেন, ‘মঙ্গলবার সকালে পুলিশ ফাঁড়িতে যাই। সেখানে গিয়ে লেবু মিয়ার গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় তাকে দেখতে পাই।’

পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু নিয়ে বিক্ষোভ টাঙ্গাইলে
বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়িতে মারা যান লেবু মিয়া। ছবি: সংগৃহীত

লেবু মিয়ার স্ত্রী আলেয়া বেগম বলেন, ‘ভালো মানুষকে নিয়ে গেছে পুলিশ। তার সঙ্গে কিছুই ছিল না। কীভাবে রশি তার কাছে গেলো? এটা আত্মহত্যা না হত্যা করা হয়েছে।’

এই ঘটনায় বিক্ষোভ দেখানো মাসুদ মিয়া বলেন, ‘এটা আত্মহত্যা না, হত্যা করা হয়েছে। তিনি মানসিক রোগী না যে আত্মহত্যা করবেন। তিনি ভালো মানুষ। তাকে বেধরক মারপিটের কারণে মারা গেছে।’

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন, ‘বিষয়টি মর্মান্তিক। তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পরই আসলে বোঝা যাবে তার মৃত্যুটা কীভাবে হয়েছে।

‘যেহেতু ঘটনা স্পর্শকাতর তাই ঘটনা তদন্ত পূর্বক সকল ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

লেবুর স্ত্রীর অভিযোগ, পরিবারকে না জানিয়ে পুলিশ লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
হেফাজতে মৃত্যু: রামপুরায় সড়কে বিক্ষোভ, যানজট
হেফাজতে মৃত্যু: লাশ হস্তান্তর নিয়ে স্বজন-পুলিশের বিপরীত বক্তব্য
হাতিরঝিল থানা হেফাজতে মৃত্যু: ২ পুলিশ বরখাস্ত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
PBI chiefs case against Babul

বাবুল ও ইলিয়াসের বিরুদ্ধে পিবিআই প্রধানের মামলা

বাবুল ও ইলিয়াসের বিরুদ্ধে পিবিআই প্রধানের মামলা পিবিআইয়ের প্রধান বনজ কুমার মজুমদার ও সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
ধানমণ্ডি থানার ওসি ইকরাম আলী মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ধানমণ্ডি মডেল থানায় আজ একটি মামলা হয়েছে। মামলার বাদী পিবিআই প্রধান। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তদন্ত চলছে।’

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে বাবুল আক্তারসহ চারজনের বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় মামলা হয়েছে।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রধান বনজ কুমার মজুমদার বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- ইলিয়াছ হোসাইন, হাবিবুর রহমান লাবু ও আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া।

বনজ কুমার মজুমদার মামলার বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

ধানমণ্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম আলী মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ধানমণ্ডি মডেল থানায় আজ একটি মামলা হয়েছে। মামলার বাদী পিবিআই প্রধান। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তদন্ত চলছে।’

ধানমন্ডি মডেল থানায় আজ একটি মামলা হয়েছে। মামলার বাদি পিবিআই প্রধান। মামলা নম্বর-২৪। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাটি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তদন্ত চলছে।

প্রসঙ্গত, মিতু হত্যা মামলায় হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগে পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদারসহ ছয়জনের নামে মামলার আবেদন করেন আলোচিত সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তার।

আবেদনে বনজ কুমার মজুমদার ছাড়া যে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয় তারা হলেন- পিবিআই চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের এসপি নাজমুল হাসান, চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিটের এসপি নাঈমা সুলতানা, পিবিআইয়ের সাবেক পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা, এ কে এম মহিউদ্দিন সেলিম ও চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের পরিদর্শক কাজী এনায়েত কবির।

৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্নেছার আদালতে আবেদনটি করা হয়। পরে ১৯ সেপ্টেম্বর তার সেই আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত।

২০১৬ সালের ৫ জুন ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে গিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরের জিইসি মোড় এলাকায় খুন হন তৎকালীন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু।

আরও পড়ুন:
বনজের বিরুদ্ধে বাবুলের মামলার আবেদন নাকচ
মিতু হত্যায় বাবুলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র পিবিআইয়ের
বাবুল আক্তারের কথা বাস্তবসম্মত কি না তদন্তে বোঝা যাবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নির্যাতনের অভিযোগে পিবিআইপ্রধানের নামে মামলার আবেদন বাবুল আক্তারের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Employees should be moderate in using social media

সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক করল প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়

সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক করল প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা’ উদ্ধৃত করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পোস্ট, ছবি, অডিও-ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করার ব্যাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজ একাউন্টে ক্ষতিকর কন্টেন্টের জন্য ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হবেন। এর জন্য তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা’ উদ্ধৃত করে এমন নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সব পরিচালক/প্রকল্প পরিচালক, সব উপ-পরিচালক/বিভাগীয় উপ-পরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা/সুপারিনটেনডেন্ট, পিটিআই, সব উপজেলা/থানা শিক্ষা কর্মকর্তা/ইনস্ট্রাক্টর, ইউআরসিকে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও কর্মচারীদের করণীয় নির্ধারণ করা এবং এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বলা হয়েছে। এছাড়াও নির্দেশিকায় সামাজিক মাধ্যমে দাপ্তরিক ও ব্যক্ষিগত একাউন্ট তৈরি করা এবং এতে পরিহারযোগ্য বিষয়াদি উল্লেখ রয়েছে।

যেসব নির্দেশনা

চিঠিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে সরকার বা রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। জাতীয় ঐক্য ও চেতনা পরিপন্থী তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

কোনো সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে এমন বা ধর্মনিরপেক্ষতা নীতির পরিপন্থী কোনো তথ্য প্রকাশ করা যাবে না। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট বা আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে এমন কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কোনো ‘কন্টেন্ট’ বা ‘ফ্রেন্ড’ সিলেকশনে সবাইকে সতর্কতা অবলম্বন এবং অপ্রয়োজনীয় ট্যাগ, রেফারেন্স বা শেয়ার করা পরিহার করতে হবে।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার বা নিজ অ্যাকাউন্টে ক্ষতিকারক কন্টেন্টের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হবেন এবং সেজন্য তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোনো সার্ভিস বা পেশাকে হেয়প্রতিপন্ন করে এমন কোনো পোস্ট দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। লিঙ্গ বৈষম্য বা এ সংক্রান্ত বিতর্কমূলক কোনো তথ্য প্রকাশ করা যাবে না।

জনমনে অসন্তোষ বা অপ্রীতিকর মনোভাব সৃষ্টি করতে পারে এমন কোনো বিষয়ে লেখা, অডিও বা ভিডিও প্রকাশ বা শেয়ার করা যাবে না। ভিত্তিহীন, অসত্য ও অশ্লীল তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকতে হবে।

কোনো রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য সংবলিত কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

মন্তব্য

p
উপরে