× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Two wife candidates in the polls Divorce the first wife the chairman campaigning for another
hear-news
player
google_news print-icon

দুই স্ত্রীর প্রার্থীতায় বিপাকে চেয়ারম্যান

দুই-স্ত্রীর-প্রার্থীতায়-বিপাকে-চেয়ারম্যান
রেজাউল হক। ছবি: সংগৃহীত
রেজাউল বলেন, ‘আমার অবাধ্য হয়ে সে ভোটে প্রার্থী হয়েছে। এ কারণে তাকে এফিডেফিটের মাধ্যমে তালাক দিয়েছি। দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে ভোটের মাঠে প্রচার চালাচ্ছি। তার জন্য ভোট চাচ্ছি। কাজ করছি।’

রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর প্রচারে ঝাপিয়ে পড়েছেন বাগমারার মাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রেজাউল হক। তার দুই স্ত্রী নাছিমা বিবি ও ফিরোজা খাতুন এই নির্বাচনে সদস্য পদে প্রার্থী হয়েছেন।

প্রথম স্ত্রী নাছিমা তালাকের কথা শুনেছেন, তিনি তিনি মাঠে অটল। আর রেজাউল তার দ্বিতীয় স্ত্রীর পক্ষে গণসংযোগে নেমেছেন।

রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত সদস্য পদে প্রার্থী হন নাছিমা ও ফিরোজা। ১৫ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার পর তারা প্রচারে নামেন। এর মধ্যে রেজাউল নাছিমাকে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের জন্য বলেন। ভোটে নাছিমা অনড় থাকায় রেজাউল ৪ সেপ্টেম্বর তাকে তালাক দেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় রেজাউল তার কার্যালয়ে ইউপির সাধারণ সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সামনে প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেয়ার বিষয়টি জানান। তিনি জানান, তার মতামত উপেক্ষা করে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার কারণে তিনি প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন।

এরপরই এলাকায় এনিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

স্থানীয়রা জানান, নাছিমা বিবি মাড়িয়া ইউনিয়নের শিকদারী এলাকায় রেজাউলের নিজ বাড়িতে থাকেন। দ্বিতীয় স্ত্রী ফিরোজা খাতুন বাগমারা উপজেলার ভবানীগঞ্জে ভাড়া বাড়িতে থাকেন। নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগে তারা কেউ রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না। কিছুদিন আগে থেকে নাছিমা সংরক্ষিত সদস্য পদে প্রার্থী হচ্ছেন বলে প্রচার চালিয়ে আসছিলেন। পরে দ্বিতীয় স্ত্রী ফিরোজা খাতুনও প্রচারে নামেন। তার পক্ষে নামেন রেজাউলও।

তালাক দেয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে রেজাউল বলেন, ‘আমার অবাধ্য হয়ে সে ভোটে প্রার্থী হয়েছে। এ কারণে আমি তাকে এফিডেফিটের মাধ্যমে তালাক দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমি দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে ভোটের মাঠে প্রচার চালাচ্ছি। তার জন্য ভোট চাচ্ছি। কাজ করছি।’

প্রথম স্ত্রী আগে থেকে মাঠে থাকলেও তাকে বসতে বলার কারণ জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘ও তো প্রার্থী হওয়ার কথা না। ওই রকম মেয়ে সে নয়।’

নাছিমা বিবি জানান, তিনি তালাকের বিষয়টি শুনেছেন। এখনও কোনো কাগজ পাননি। তিনি বর্তমানে স্বামীর বাড়ি আছেন, সেখানেই থাকবেন। নির্বাচন থেকেও তিনি সরে দাঁড়াবেন না।

রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, ১৭ অক্টোবর রাজশাহী জেলা পরিষদের ভোট। নির্বাচনে বাগমারা, মোহনপুর ও দুর্গাপুর নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত আসনে সদস্য পদে সাত প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে মাড়িয়া ইউপির চেয়ারম্যানের দুই স্ত্রী নাছিমা বিবি ও ফিরোজা খাতুন রয়েছেন। অন্য পাঁচ প্রার্থী হলেন- পারুল বিবি, সুলতানা পারভীন, রাবেয়া খাতুন, লাল বানু ও নারগিস বিবি।

আরও পড়ুন:
এক্সপোজার লিমিট ক্রয়মূল্যে হবে: বিএসইসি চেয়ারম্যান
জেলেদের চাল আত্মসাৎ, ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে
নিয়ম ভেঙে চেয়ারম্যানের আলোকসজ্জা
আওয়ামী লীগে পদ পেয়েই বেপরোয়া কয়রার বাহারুল
অস্ত্রসহ আটক ইউপি চেয়ারম্যান

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
BNP is lying about grid disaster Hanif

গ্রিড বিপর্যয় নিয়ে মিথ্যাচার করছে বিএনপি: হানিফ

গ্রিড বিপর্যয় নিয়ে মিথ্যাচার করছে বিএনপি: হানিফ কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমিতে বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মাহবুবউল আলম হানিফ। ছবি: নিউজবাংলা
‘সরকারের বিরুদ্ধে বলার মতো কিছু না পেয়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয় নিয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎও দিতে পারেনি। এই ব্যর্থতা, অযোগ্যতা ঢাকতে এবং সরকারের উন্নয়ন অগ্রগতি দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে।’

বিদ্যুতের গ্রিড বিপর্যয় নিয়ে বিএনপি নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

বৃহস্পতিবার সকালে কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমিতে এক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

হানিফ বলেন, ‘বিদ্যুতের গ্রিড বিপর্যয় একটি দুর্ঘটনা। এ নিয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছেন মির্জা ফখরুলরা। চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত বিদ্যুত উৎপাদন হচ্ছে। চাহিদার বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে বাংলাদেশের।

‘সরকারের বিরুদ্ধে বলার মতো কিছু না পেয়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয় নিয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎও দিতে পারেনি। এই ব্যর্থতা, অযোগ্যতা ঢাকতে এবং সরকারের উন্নয়ন অগ্রগতি দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি একটি উগ্র সাম্প্রদায়িক দল, জামায়াত তাদের পরিপূরক। একই মায়ের দুই সন্তান। সেই দলের নেতাদের মুখে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার অভিযোগ মানায় না। বিশেষ একটি সম্প্রদায়ের আনুকূল্য পেতে তারা এসব বলছে।’

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য আকম সরোয়ার জাহান বাদশাসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় স্কুল কলেজের কয়েক শ ছাত্রছাত্রী অংশ নেয়।

গ্রিড বিপর্যয়

মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে ইস্টার্ন গ্রিড ফেল করার পর ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকার পর সন্ধ্যা থেকে জেলা শহরগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

বেলা ২টা ৪ মিনিটে অনাকাঙ্ক্ষিত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পর ২টা ৩৬ মিনিটে আশুগঞ্জ-সিরাজগঞ্জ ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন চালুর মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ময়মনসিংহের কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা হয়। এবং সতর্কতার সঙ্গে সেটা বাড়িয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার কাজ চলমান।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The young womans body was floating in the pond

পুকুরে ভাসছিল তরুণীর দেহ

পুকুরে ভাসছিল তরুণীর দেহ প্রতীকী ছবি
ওসি বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের‌ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তৃষা সাহার বাবা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন।’

নোয়াখালীর মাইজদীতে পুকুর থেকে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নোয়াখালী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মাস্টার পাড়া এলাকার একটি পুকুর থেকে বৃহস্পতিবার সকালে তৃষা সাহার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

২৬ বছরের তৃষা সাহা একই পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মাস্টার পাড়া এলাকার কমল সাহার মেয়ে ছিলেন।

তৃষার বাবা কমল সাহার বরাতে ওসি বলেন, ‘তৃষা দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালের দিকে তিনি বাসা থেকে বের হন। পরে ১০টার দিকে পরিবারের সদস্যরা বাসার পাশে একটি পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখে উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়।

‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের‌ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তৃষা সাহার বাবা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন।’

আরও পড়ুন:
জঙ্গল থেকে হলমার্কের নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ উদ্ধার
বেলকুচিতে মা ও ২ সন্তানের মরদেহ উদ্ধার
হাত-পা বাঁধা অটোচালক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
কর্ণফুলীতে নিখোঁজ শিপিং ব্যবসায়ীর মরদেহ
পুকুরে গৃহবধূর মরদেহ, স্বামী উধাও

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Humans have not learned the dogs patience

কুকুরের ধৈর্যের শিক্ষা নিল না মানুষ

কুকুরের ধৈর্যের শিক্ষা নিল না মানুষ রেলগেটে ট্রেন আসার সময় একটি কুকুরের ১০ মিনিট ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকার ঘটনা ঘটেছে, সেই রেলগেট ধরে চলা মানুষগুলো বড়ই অস্থির। ছবি: নিউজবাংলা
মাসুম ইসলাম নামে আরেকজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘কুকুরটাকে কেউ শিখিয়ে দেয়নি যে ট্রেন আসলে অপেক্ষা করতে হয়। সে নিজ থেকেই শিখে গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এটা দেখে খুবই ভালো লেগেছে। পুরো দেশবাসী কুকুরের নিয়ম মানার দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছে। কিন্তু যারা প্রাণীটিকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন, তারা কি এ থেকে কোনো কিছু শিখবেন? শিখলে এত বিশৃঙ্খলা কেন?’

নাটোরের যে রেলগেটে ট্রেন আসার সময় একটি কুকুরের ১০ মিনিট ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকার ঘটনা ঘটেছে, সেই রেলগেট ধরে চলা মানুষগুলো বড়ই অস্থির। ধৈর্য দেখে প্রাণীটিকে ব্যাপক প্রশংসায় ভাসানো স্থানীয়রাও ধৈর্য দেখাতে পারছেন না।

মঙ্গলবার সেই কুকুরটির এই কাণ্ডের সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে গণমাধ্যমে। তার পরদিন বুধবার বিকেলে সেই রেলগেটে গিয়ে দেখা যায়, মানুষজন বার ফেলা অবস্থায় হেঁটে, দৌড়ে পার হচ্ছে এমনকি বার উঁচু করে বাহন নিয়ে যাচ্ছে, দুই চাকার বাহনগুলো নানা কায়দা কসরত করে পার করছে।

বিকেল থেকে সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত পরপর কয়েকটি ট্রেন এই রেলগেট পার হয়ে যায়। প্রতিবার ট্রেন আসার আগে সড়কের দুই পাশের বার ফেলে দেয়ার পাশাপাশি বাজতে থাকে সাইরেন। এই সময়ে মানুষজন বারের নিচ বা পাশ দিয়ে বাধা অতিক্রম করে ভোঁ দৌড় দিয়ে রেললাইন পার হতে দেখা যায়। যারা সাইকেল বা মোটরসাইকেলে তারা আবার ‘জরুরি কাজ’, ‘দেখেই পার হয়েছি’, ‘অনেকক্ষণ বার ফেলে রাখা’ জাতীয় নানা যুক্তি দেন।

এক মোটরসাইকেল আরোহী বলেন, তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে গেট নামিয়ে দেয়ার পরও তিনি পার হয়ে এসেছেন। দীর্ঘদিনের অভ্যাসের কারণে তার এটা হয়েছে। তবে তিনি অন্তত তার ভুলটা স্বীকার করেছেন, যা অন্যরা স্বীকারও করেননি।

আরেক সাইকেল আরোহী বলেনন, দ্রুত বাড়ি যেতে হবে। অপেক্ষার সময় নেই তাই গেট নামিয়ে দেয়ার পরও নিচ দিয়ে পার হন।

বেশ কয়েকজন অবশ্য কোনো কথা না বলে হাসি দিয়ে চলে যান।

‘শিখল না কেউ’

নাটোর চামড়া ব্যবসায়ী গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম জানান, ‘চামড়াপট্টি এলাকায় খাবারের সন্ধানে কুকুরের আনাগোনা থাকে। গেল সোমবার বিকেলে এমনই একটি ছন্নছাড়া কুকুর রেলগেটে অপেক্ষা করে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তা সত্যিই অনুকরণীয়। আমাদের সবার তার কাছ থেকে শিক্ষা নেয়া উচিত। কিন্তু মানুষের যে তাড়াহুড়া দেখি, তাতে মনে হয় না তাদের কেউ শেখার কিছু আছে।’

মাসুম ইসলাম নামে আরেকজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘কুকুরটাকে কেউ শিখিয়ে দেয়নি যে ট্রেন আসলে অপেক্ষা করতে হয়। সে নিজ থেকেই শিখে গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এটা দেখে খুবই ভালো লেগেছে। পুরো দেশবাসী কুকুরের নিয়ম মানার দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছে। কিন্তু যারা প্রাণীটিকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন, তারা কি এ থেকে কোনো কিছু শিখবেন? শিখলে এত বিশৃঙ্খলা কেন?’

কুকুরটি কোথায়

স্থানীয়রা জানান, যে কুকুরটি ধৈর্য দেখিয়ে উদাহরণ তৈরি করেছে, সেটি এলাকায় ঘোড়াঘুড়ি করে না। পথকুকুর হিসেবে হয়ত দূরের কোনো জায়গা থেকে এখানে ঘুরতে চলে এসেছিল।

স্থানীয় বাসিন্দা আকরামুল হাছান আক্কু বলেন, ‘এখানে সেখানে ঘুরে বেড়ানো কুকুরটিকে কেউ এই ধৈর্য শিখিয়ে দেয়নি নিশ্চিত। সে নিজেই নিয়ম মেনে চলা শিখেছে। এটা থেকে সবারই শিক্ষাগ্রহণ করা উচিত।’

রেলগেটে অপেক্ষমাণ কুকুটির ছবি তুলেছিলেন নাটোর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর নুরুল ইসলাম নুরু।

গত সোমবারের ঘটনাটি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রাজশাহী থেকে ছেড়ে এসে নাটোর রেলওয়ে স্টেশনে এসে থামে উত্তরা নামে একটি ট্রেন। আগে থেকেই এ স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ঢাকাগামী আরেকটি ট্রেন তখন ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। স্টেশনের কাছাকাছি এলাকায় থাকা একটি রেলগেটে তাই সিগন্যাল ফেলে রাখা হয় প্রায় ১০ মিনিট।

‘ঝুঁকি থাকলেও তার অপেক্ষা না করেই সিগন্যাল অমান্য করছিলেন অসহিষ্ণু অনেকেই। তবে চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিল কুকুরটি। ট্রেনটি রেলগেট অতিক্রম করে যাওয়ার পর গেটম্যান বার তুলে দিলে কুকুরটিও বাম দিক দিয়ে রেললাইন পার হয়ে চলে যায়।’

সোমবার বিকেল ৩টা ৪৭ মিনিটে সিগন্যালে অপেক্ষমাণ ওই কুকুরটির পরপর কয়েকটি ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করেন নুরু। এরপর ছবিটি ভাইরাল হয়ে যায়।

আরও পড়ুন:
সিগন্যালে ১০ মিনিট অপেক্ষা করে কুকুরের অনন্য নজির

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Lack of confidence in EVMs as there is scope for tampering GM Kader

কারচুপির সুযোগ থাকায় ইভিএমে আস্থাহীনতা: জিএম কাদের

কারচুপির সুযোগ থাকায় ইভিএমে আস্থাহীনতা: জিএম কাদের জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদের। ফাইল ছবি
জিএম কাদের বলেন, ‘ইভিএমে ভোট করা সরকারের সিদ্ধান্ত। আসলে সরকার ইভিএমে যেতে পারবে কি না সংশয় আছে। কারণ ইভিএমে মানুষের আস্থা নেই। ইভিএমে ভোট চুরির শঙ্কা আছে। ইভিএমে ফল যাই হোক সেটা জনগণ মানতে বাধ্য হবে, এতে সঠিক নির্বাচন হবে না।’

কারচুপির সুযোগ থাকায় ইভিএমে জনগণের আস্থাহীনতা বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি বলেন, ভোটে ইভিএমের পেছনে যারা থাকেন, তারা সরকারের অধীনেই কাজ করবেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে লালমনিরহাট নার্সিং কলেজের নবীন বরণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এমন মন্তব্য করেন।

জিএম কাদের বলেন, ‘ইভিএমে ভোট করা সরকারের সিদ্ধান্ত। আসলে সরকার ইভিএমে যেতে পারবে কি না সংশয় আছে। কারণ ইভিএমে মানুষের আস্থা নেই। ইভিএমে ভোট চুরির শঙ্কা আছে। ইভিএমে ফল যাই হোক সেটা জনগণ মানতে বাধ্য হবে, এতে সঠিক নির্বাচন হবে না।

‘ইভিএম বিষয়ে কয়কজন বিশেষজ্ঞ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। তারা প্রেস কনফারেন্স করে জানিয়েছেন, মেশিনে সমস্যা আছে। আমরা ইভিএমে ভোট না করার সিদ্ধান্তে বলেছি, ইভিএমে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে না।’

স্বাস্থ্য বিভাগ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতিতে স্বাস্থ্য বিভাগ সবচেয়ে এগিয়ে। দেশের হাসপাতালগুলো অব্যবস্থাপনায় ভরে গেছে। কোথাও ডাক্তার আছে তো এনেস্থেশিয়া নেই, আবার কোথাও এনেস্থেশিয়া আছে তো ডাক্তার নেই। এসব বিষয়ে বার বার স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বলেছি, কোনো কাজ হয়নি।’

একক নির্বাচন করার বিষয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘এ সরকারের অধীনে নির্বাচন করব কি না তা পরে জানাবো, এখনও সেই সময় আসেনি। দল ও জনগণের সঙ্গে কথা বলার পর সিদ্ধান্ত জানাবো।’

জিএম কাদের লালমনিরহাট থেকে নাকি অন্য কোথাও থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন তাও দলের ফোরামে আলোচনা করে জানাবেন।

আরও পড়ুন:
দেশে রাজনীতির পরিবেশ নেই: জি এম কাদের
রাজনীতিতে বিশাল সংকট দেখছে জাপা
রওশন এরশাদকে দেখে দেশে ফিরলেন জি এম কাদের
সীতাকুণ্ডের আগুনে মালিক দায় এড়াতে পারেন না: জি এম কাদের
স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে সিঙ্গাপুরে জি এম কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Nasimon driver arrested with 200 sacks of rice allotted to Mandap
দুর্গাপূজা

মণ্ডপের বরাদ্দ ২০০ বস্তা চালসহ নছিমনচালক আটক

মণ্ডপের বরাদ্দ ২০০ বস্তা চালসহ নছিমনচালক আটক পূজামণ্ডপে বরাদ্দ করা সরকারি চাল পাচারের সময় এক নসিমন চালককে আটক করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
আলফাডাঙ্গা উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। চাল কিসের, কোথায় যাচ্ছিল তা তদন্ত করতে পুলিশকে বলা হয়েছে।’

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপে বরাদ্দ করা ২০০ বস্তা সরকারি চাল পাচারের সময় এক নছিমন চালককে আটক করেছে পুলিশ।

উপজেলার খাদ্য গুদামের সামনে বুধবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আলফাডাঙ্গা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহিদুজ্জামান নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আলফাডাঙ্গা উপজেলায় ৪৭টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা মণ্ডপে বরাদ্দকৃত ২০০ বস্তা চালসহ সোহেল নামের এক নছিমনচালককে আটক করা হয়েছে। আলফাডাঙ্গা থেকে অন্যত্র পাচারের উদ্দেশ্যে তিনটি নছিমনভর্তি চালসহ তাকে আটক করা হয়। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। চাল কিসের, কোথায় যাচ্ছিল, তা তদন্ত করতে পুলিশকে বলা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
রাজ্যবাসীকে বিজয়ার শুভেচ্ছা মমতার
উমার বিদায়বেলা
দুর্গা আসেননি মণ্ডপে, ঝুলছে কালো পতাকা
বরাবরই ব্যতিক্রম টাইগার সংঘের পূজা
দুর্গার প্রতিমা গড়ে আলোচনায় ১৩ বছরের কিশোর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
6 killed in bus crash on Bangabandhu bridge

বাসের ধাক্কায় মাইক্রো চূর্ণ, নিহত ৬

বাসের ধাক্কায় মাইক্রো চূর্ণ, নিহত ৬ বাসের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেছে মাইক্রোটি। ছবি: সংগৃহীত
তাৎক্ষণিকভাবে জানা গেছে, সেতুর পূর্ব পাড়ের গোল চত্বর টোল প্লাজার সামনে একটি বাস মাইক্রোটিকে ধাক্কা দিয়ে সড়কেই উল্টে পড়ে। এতে মাইক্রোটি সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে সড়ক বিভাজকের ওপর উঠে যায়। দুর্ঘটনায় তাৎক্ষণিক ৬ জনের মৃত্যুর খবর জানা গেছে।

টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব পাড়ে বাসের ধাক্কায় একটি মাইক্রোবাস চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছে। এই দুর্ঘটনায় অন্তত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরও বেশ কয়েকজন, যাদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সেতুর পূর্ব পাড়ের গোল চত্বর টোল প্লাজার সামনে বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিসের টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা স্টেশনের সহকারী স্টেশন কর্মকর্তা আতাউল ইসলাম নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন। আহতদের হাসপাতালে পাঠাচ্ছেন।

বাসের ধাক্কায় মাইক্রো চূর্ণ, নিহত ৬

তাৎক্ষণিকভাবে জানা গেছে, সেতুর পূর্ব পাড়ের গোল চত্বর টোল প্লাজার সামনে একটি বাস মাইক্রোটিকে ধাক্কা দিয়ে সড়কেই উল্টে পড়ে। এতে মাইক্রোটি সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে সড়ক বিভাজকের ওপর উঠে যায়।

দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জনের মৃত্যুর খবর জানা গেছে। নিহ‌তদের মধ্যে পাঁচ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন, পাবনার জহিরুল ইসলাম, বগুড়া সদরের জলসিড়িতলার রিফাত আল হাসান, রিফাতের মা মালেকা ভানু রুবি, ছেলে সাজিদ হাসান, কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কুতুম্বপুর গ্রামের মাইক্রোবাস চালক দুলাল মিয়া।

স্থানীয়দের সহযোগিতায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। তাৎক্ষণিক হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা একতা পরিবহনের একটি বাস ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। অপর দিকে টাঙ্গাইল থেকে একটি মাইক্রোবাস আসছিল। গোল চত্বর টোল প্লাজার সামনে এলে বাসটি আইল্যান্ড ভেঙে মাইক্রোটিকে ধাক্কায় দেয়।

‘এতে বাস ও মাইক্রোর সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। হাসপাতালে নেয়ার সময় দুইজন এবং হাসপাতালে নেয়ার পর একজন মারা যান।’

বঙ্গবন্ধু সেতু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

জেলা প্রশাসক আতাউল গণি জানিয়েছেন, এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে সহায়তা দেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন:
নামাজ শেষে বের হয়ে পিকআপ চাপায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের
বিয়ে বাড়ি থেকে ফেরার পথে সড়কে ঝরল ২ প্রাণ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গেল ৩ প্রাণ
বাস উল্টে প্রাণ গেল ২ নারীর , আহত ১৫
নসিমনের ধাক্কায় গেল শিক্ষকের প্রাণ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fishing in the river is closed for 22 days from midnight

মধ্যরাত থেকে ২২ দিন নদীতে মাছ ধরা বন্ধ

মধ্যরাত থেকে ২২ দিন নদীতে মাছ ধরা বন্ধ
লক্ষ্মীপুর জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলায় ৫২ হাজার জেলে রয়েছে। এদের মধ্যে ৪৩ হাজার জেলে নিবন্ধিত রয়েছে। এসব জেলে মেঘনা নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে। জাটকা সংরক্ষণ ও মা ইলিশ রক্ষায় ৬ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন নদীতে সব ধরনের জাল ফেলা ও মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

জাটকা সংরক্ষণ ও মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিন মেঘনা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এ সময়ে বরাদ্ধ করা চাল লুটপাট না করে সঠিক তালিকা তৈরি করে দ্রুত তা বাস্তবায়ন করার দাবি জানান জেলেরা।

লক্ষ্মীপুর জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলায় ৫২ হাজার জেলে রয়েছে। এদের মধ্যে ৪৩ হাজার জেলে নিবন্ধিত রয়েছে। এসব জেলে মেঘনা নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে। জাটকা সংরক্ষণ ও মা ইলিশ রক্ষায় ৬ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন নদীতে সব ধরনের জাল ফেলা ও মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

লক্ষ্মীপুরের রামগতির আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল এলাকার ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত মেঘনা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এই ১০০ কিলোমিটার মেঘনা নদী এলাকাকে ইলিশের অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

এ সময় সব রকমের ইলিশ সংরক্ষণ, আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও মজুতকরণ নিষিদ্ধ রয়েছে। জেলেদের সচেতন করার জন্য নদী এবং উপকূলবর্তী এলাকায় মাইকিং ও পোস্টারিংসহ সব ধরনের প্রচার অব্যাহত রেখেছে জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য বিভাগ। নিষেধাজ্ঞার সময় প্রতি জেলেকে ২০ কেজি হারে খাদ্য সরবরাহ করা হবে।

মজুচৌধুরীর হাটের জেলে কালাম মাঝি ও মতিরহাট এলাকার সফিক মাঝি জানান, জাটকা সংরক্ষণ ও মা ইলিশ রক্ষায় এবং উৎপাদন বাড়াতে সরকার যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সেটা মেনে জেলেরা নদীতে যাবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন। জেলেদের পুনর্বাসন করার কথা সেটা এখন পর্যন্ত হয়নি। যে পরিমাণ জেলে রয়েছে, সে পরিমাণ সরকারি খাদ্য সহায়তা দেয়া হয় না বলে অভিযোগ করেন তারা।

আড়তদার মিন্টু ও লিটন বলেন, ‘অসহায় জেলেরা বারবার নদীভাঙন ও বিভিন্ন প্রতিকূলতা এবং বারো মাসে নদীতে অভিযান চালিয়ে জাল পুড়ে নষ্ট করে। যারা জাল তৈরি করে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয় না। নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের জন্য বরাদ্ধকৃত চাল লুটপাট না করে সঠিক তালিকা তৈরি করে দ্রুত যেন তা পেতে পারে, সেটা নিশ্চিত করার দাবি জানাই।’

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম জানান, এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করার জন্য নদীতে মৎস্য বিভাগ, উপজেলা-জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে প্রতিদিন অভিযান পরিচালনা করা হবে। এ সময়ে জেলেদের জন্য ২০ কেজি হারে খাদ্য সহায়তা দেয়া হবে।

এরপরও যারা আইন অমান্য করে নদীতে যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। গত বছরের অভিযান সফল হওয়ায় ইলিশের উৎপাদন কয়েক গুণ বেড়েছে। এবারও অভিযান সফল হলে অধিক পরিমাণ ইলিশ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের উপহারের ইলিশের দাম কত কলকাতার বাজারে
বাংলাদেশের উপহারের ইলিশ ভারতের বাজারে মঙ্গলবার
দুর্গাপূজার প্রথম চালানে ভারত গেল ১৬ টন ইলিশ
ইলিশ চেয়ে আবেদন
মনপুরায় ধরা পড়ল রাজা ইলিশ

মন্তব্য

p
উপরে