× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Sitakunda blast Sons body found by Hedayet
hear-news
player
print-icon

সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণ: ছেলের মরদেহের খোঁজ পেলেন হেদায়েত

সীতাকুণ্ডে-বিস্ফোরণ-ছেলের-মরদেহের-খোঁজ-পেলেন-হেদায়েত
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার হেদায়েত উল্লাহর ছেলে মাইনুদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত
নিহত মাইনুদ্দিনের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ না দেয়ার বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের এনডিসি মো. তৌহিদুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চট্টগ্রাম মেডিক্যাল থেকে মরদেহ গেছে আমরা জানতাম না। আমাদের কেউ জানায়নি।’

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে ‍বিস্ফোরণের ঘটনায় ডিএনএ পরীক্ষায় নতুন করে দুই মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। নতুন শনাক্ত হওয়া দুই মরদেহের একটি নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার হেদায়েত উল্লাহর ছেলে মাইনুদ্দিনের।

২১ বছর বয়সী মাইনুদ্দিন কাভার্ড ভ্যান চালাতেন। তার বাবাও গাড়ির চালক। বিস্ফোরণের পর থেকে হন্যে হয়ে ছেলেকে খুঁজছেন বাবা হেদায়েত উল্লাহ। চাকরি ছেড়ে তিন মাস ধরে ঘুরছেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বিএম কনটেইনার ডিপো, জেলা প্রাশাসন কার্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায়।

তিন মাসে ছেলেকে খুঁজতে এই দৌড়ঝাঁপে খরচ হয়েছে অন্তত ২ লাখ টাকা। এর মধ্যে নিজের জমানো ৫০ হাজার ছাড়া বাকি টাকা তাকে চড়া সুদে ধার নিতে হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ছেলের মরদেহ শনাক্তের খবর শুনে চট্টগ্রাম আসেন হেদায়েত উল্লাহ। মরদেহ নেয়ার খরচ জোগাতেও এলাকার এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা সুদে ১৫ হাজার টাকা ধার নিয়েছেন তিনি। কিন্তু এই টাকায় অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে পিকআপ ভ্যানে করে মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে বাড়িতে নিতে হয়েছে।

হেদায়েত উল্লাহ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ছেলেকে খুঁজতেছি তিন মাস ধরে। সব মিলিয়ে ১০২ দিন। এর মধ্যে বিএম ডিপোতে গেছি অন্তত ৫০ দিন। চট্টগ্রাম মেডিক্যালে অনেক খুঁজেছি। চট্টগ্রামের ডিসি অফিসে গেছি তিনবার, থানায় গেছি, আমাদের (নোয়াখালীর) ডিসির কাছে গেছি, এমপির কাছে গেছি। সবাই শুধু আশ্বাস দিয়েছে। নিজের জমানো যা ছিল খরচ করে সুদের ওপর টাকা নিতে হয়েছে ১ লাখ ৪০ হাজারের মতো।’

ছেলের মরদেহ পাওয়ায় সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘সকালে ছেলের দাফন হয়েছে। এখন তার কবর জিয়ারত করে বাসায় যাচ্ছি। এত টাকা গেছে, তবু আমার আপসোস নাই। ছেলের লাশটা অন্তত পাইছি। জানাজা পড়তে পারছি, কবর দিতে পারছি।

‘কোনো একদিন কাজকর্ম করে ঋণ শোধ করব। আল্লাহ তো রথ (শক্তি) দিছে। কাজ করে শোধ করে দেব।’

ছেলের সঙ্গে শেষ দেখা হওয়ার বিষয়ে হেদায়েত বলেন, ‘তার সাথে আমার দেখা হয়েছিল ইদের পরের দিন। মানে ৩ মে। এরপর সে বাড়িতে গিয়েছিল, আমি যাইনি। যেদিন ঘটনা, ওইদিন রাত ১০টায় ইমোতে কল দিয়ে আমাকে দেখিয়েছিল আগুন। আমি বলছি- দূরে থাকো।

‘আমি ব্যস্ত ছিলাম, আর কথা হয়নি। পরে ১২টার দিকে কল দিয়ে তারে আর পাই না। চট্টগ্রামে আরেকজনকে কল দিয়ে শুনি ডিপোতে বিস্ফোরণ হয়েছে। আমি তখনই রওনা দিই। সকালে চট্টগ্রাম পৌঁছি। তখন থেকেই তারে খোঁজা শুরু করছি।’

বিস্ফোরণে নিহত মাইনুদ্দিনের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ না দেয়ার বিষয়টি অবহিত করা হয় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনকে। এ বিষয়ে এনডিসি মো. তৌহিদুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চট্টগ্রাম মেডিক্যাল থেকে মরদেহ গেছে আমরা জানতাম না। আমাদের কেউ জানায়নি। এ বিষয়ে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা ভালো জানবেন।’

এদিকে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার সাড়া পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজ বা নতুন শনাক্ত মরদেহের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের বিষয়ে জানতে স্মার্ট গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) শামসুল হায়দার সিদ্দিকী এবং বিএম ডিপোর মহাব্যবস্থাপক নাজমুল আক্তার খানেরও সাড়া মেলেনি।

এদিকে বিস্ফোরণের তিন মাস পেরিয়ে গেলেও পুলিশের দায়ের করা মামলার কোনো অগ্রগতি হয়নি। ঘটনার পর চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে কেউ দায়ী হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। ঘটনার তিন দিন পর ডিপোর আট কর্মকর্তাকে আসামি করে একটি মামলা করেন সীতাকুণ্ড থানার এসআই আশরাফ সিদ্দিকী।

সেই মামলায় তিন মাসেও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এ বিষয়ে সীতাকুণ্ড থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আসামিরা পলাতক। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। ঘটনাটি তদন্তাধীন।’

নেদারল্যান্ডস ও বাংলাদেশের যৌথ মালিকানাধীন (জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানি) প্রতিষ্ঠান বিএম কনটেইনার ডিপো সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী এলাকায়। বাংলাদেশে এর মালিকানা স্মার্ট গ্রুপের। গ্রুপের চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমানই ডিপোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। পরিচালক হিসেবে রয়েছেন তার ছোট ভাই মুজিবুর রহমান।

এই ডিপোতে গত ৪ জুন রাত ৯টার দিকে আগুন লাগে। রাত ১১টার দিকে প্রথম বড় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

একে একে ছুটে যায় চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট। নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলা থেকেও পরে যোগ দেয় কয়েকটি ইউনিট। ৫ জুন সকাল পর্যন্ত আগুন নেভাতে আসা ইউনিটের সংখ্যা বেড়ে হয় ২৫টি। কিন্তু কনটেইনারে থাকা রাসায়নিক পদার্থের কারণে দফায় দফায় বিস্ফোরণে বাড়ে আগুনের ভয়াবহতা।

আগুন লাগার ৮৭ ঘণ্টা পর ৮ জুন দুপুরে বিএম কনটেইনার ডিপোর আগুন নেভে। আগুন ও বিস্ফোরণের ঘটনার প্রথম দুই দিনে ৪১টি মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ। পরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা যান আরও চারজন।

এ ছাড়া জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময় দেহাবশেষ পাওয়া গেছে ছয়জনের। সব মিলিয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৫১ জন হিসাব করা হয়েছে।

নতুন করে শনাক্ত হওয়া মরদেহ তিনটি হলো আবুল হাশেম, মাইনুদ্দিন ও মো. জুয়েলের। এর মধ্যে আবুল হাশেমের এক পা বিহীন মরদেহ ঘটনার পর পরই শনাক্ত করে দাফন করা হয়। কিন্তু বিচ্ছিন্ন অবস্থায় একটি পা পেয়ে তা একটি মরদেহ ধরেই ডিএনএ পরীক্ষা করে সিআইডি। সেই হিসেবে একটি মরদেহ বাদ দিলে এখন পর্যন্ত বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ৫০ জন।

আরও পড়ুন:
সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণ: ডিএনএ পরীক্ষায় ৮ মরদেহ শনাক্ত
বিএম ডিপোতে আরও দেহাবশেষ 
সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণ: এক মাস পর আরও দেহাবশেষ
সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণ মামলা: ১ মাসেও নেই গ্রেপ্তার
সীতাকুণ্ডে নিহতদের পরিবারপ্রতি ২ কোটি টাকা চেয়ে রিট

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
A case of throwing acid on a housewife

গৃহবধূকে এসিড নিক্ষেপের ঘটনায় মামলা 

গৃহবধূকে এসিড নিক্ষেপের ঘটনায় মামলা 
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ‘জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার জন্য ঘরের জানালা দিয়ে বোতলে থাকা এসিড নিক্ষেপ করে। নিক্ষিপ্ত এসিডে তার মুখের বাম দিকের কিছু অংশ, গলার বাম পাশ ও বাম হাতের বিভিন্ন স্থান ঝলসে যায়।’

খুলনার কয়রায় গৃহবধূর শরীরে অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনায় ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শনিবার রাত ৮টায় ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে কয়রা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় প্রতিবেশী আবদুল খালেক গাজী, সাইফুল গাজী, আবদুল মালেক গাজী ও নূর আলম গাজীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৩/৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার রাত ৩টার দিকে উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউ‌নিয়নের গিলাবা‌ড়ি কু‌চির মোড়ে নিজ বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় তার গায়ে অ্যাসিড নিক্ষেপ করা হয়। রাতেই তাকে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ‘জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার জন্য ঘরের জানালা দিয়ে বোতলে থাকা এসিড নিক্ষেপ করে। নিক্ষিপ্ত এসিডে তার মুখের বাম দিকের কিছু অংশ, গলার বাম পাশ ও বাম হাতের বিভিন্ন স্থান ঝলসে যায়।’

ওই গৃহবধূর ছেলে আবু জাফর সিদ্দিক বলেন, ‘পূর্বশত্রুতার জেরে শুক্রবার রাতে আমার নানা গফফার গাজীকে মারধর করে খালেক গাজীসহ কয়েকজন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে তারা পালিয়ে যায়। ওই রাতে ঘরে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় জানালা দিয়ে দুর্বৃত্তরা অ্যাসিড নিক্ষেপ করে। মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে দ্রুত তাকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।’

তিনি বলেন, ‘এর আগে ১১ জুলাই সকালে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে খালেক গাজী, আনিচ গাজীসহ কয়েকজন মিলে মাকে বাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে বিবস্ত্র করে মারধর করে। তখন আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।’

কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুদীপ বালা বলেন, ‘ওই নারীর শরীরে ক্যামিকেল জাতীয় পদার্থ ছুড়ে মারা হয়েছে। এটা আমরা নিশ্চিত হয়েছি। তবে সেটা এসিড কিনা তা ল্যাব পরীক্ষা ছাড়া বলা সম্ভব নয়। তবে এসিড জাতীয় পদার্থের মতোই মনে হয়েছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।’

কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ বি এম এস দোহা বলেন, ‘বিকেলে ওই নারী বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Pathashishu Foundation gave new clothes to 50 children

৫০ শিশুকে নতুন পোশাক দিল পথশিশু ফাউন্ডেশন

৫০ শিশুকে নতুন পোশাক দিল পথশিশু ফাউন্ডেশন
পথশিশু ফাউন্ডেশন নীলফামারী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বুলেট জানান, দুর্গোৎসব উপলক্ষে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে নতুন পোশাক বিতরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে জেলা সদরের কুন্দপুকুর ইউনিয়নে ৫০টি শিশুর মাঝে পোশাক বিতরণ করা হয়েছে।

শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে দরিদ্র পরিবারের ৫০ শিশুর মাঝে নতুন পোমাক বিতরণ করেছে পথশিশু ফাউন্ডেশন নীলফামারী জেলা শাখা।

শনিবার বিকেলে সদর উপজেলার কুন্দপুকুর ইউনিয়নের নিজপাড়া এলাকায় সুবিধাবঞ্চিত এসব শিশুর মাঝে নতুন পোশাক বিতরণ করা হয়।

সংগঠনটির সভাপতি সাগর রায়, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বুলেট, সিনিয়র সহ-সভাপতি ময়নুল ইসলাম ও সহ-সভাপতি নেপাল রায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পথশিশু ফাউন্ডেশন নীলফামারী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বুলেট জানান, শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে নতুন পোশাক বিতরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে জেলা সদরের কুন্দপুকুর ইউনিয়নে ৫০টি শিশুর মাঝে নতুন পোশাক বিতরণ করা হয়। অন্যান্য উপজেলায়ও এমন কর্মসূচি রয়েছে।

আরও পড়ুন:
পথশিশুর লিঙ্গ কর্তন
ভাইরাল হওয়ায় গতি মারুফের, সঙ্গীদের কী হবে
জাতীয় সেবায় পথশিশুদের অগ্রাধিকারের আহ্বান
পথশিশু সেই মারুফ এখন মায়ের কোলে
ভাইরাল সেই পথশিশু মারুফ এখন হাসছে, খেলছে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Accused arrested for hacking housewife

গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা, আসামি গ্রেপ্তার

গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা, আসামি গ্রেপ্তার
ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গৃহবধূকে হত্যার ঘটনায় শুক্রবার রাতে মামলা করেন নিহতের বোন। শনিবার দুপুরে শহর থেকে বাবুলকে আটক করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

ময়মনসিংহে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মো. বাবুল নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার দুপুরে ময়মনসিংহ শহর থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক বাবুল নগরীর আকুয়া এলাকার বাসিন্দা।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সাথী আক্তার নামে ওই গৃহবধূকে হত্যার ঘটনায় শুক্রবার রাত ১২টার দিকে হৃদয় ও তার মামা বাবুলের নাম উল্লেখসহ আরও চারজনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেন নিহতের বোন। মামলার পর থেকেই আসামিদের ধরতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। শনিবার দুপুরে শহর থেকে বাবুলকে আটক করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

মামলার বরাত দিয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ‘১০ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে বাবার বাসার পাশেই থাকতেন সাথী। প্রতিবেশী যুবক হৃদয়ের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

‘সম্প্রতি সাথী বিয়ের জন্য হৃদয়কে চাপ দিচ্ছিলেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে মাঝেমধ্যেই বাগবিতণ্ডা হতো। এরই জের ধরে শুক্রবার ভোরে হৃদয় তার মামা বাবুলসহ কয়েকজনকে নিয়ে সাথীর ঘরে ঢুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এ সময় সাথীর মোবাইল ফোনটিও নিয়ে যায় তারা।

ওসি জানান, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন:
স্বজনদের দুর্ঘটনা দাবি করা গৃহবধূর মৃত্যুতে এবার মামলা
গৃহবধূর মৃত্যু: স্বজনদের দাবি দুর্ঘটনা, স্থানীয়দের কাছে রহস্য
গৃহবধূকে নির্যাতন করে হত‍্যার অভিযোগে স্বামী-শ্বশুর আটক
পুলিশের স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার
বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কে সাড়া না পেয়ে গৃহবধূর স্বামীকে নাজেহালের অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
22 thousand liters of diesel seized

২২ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ

২২ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ ডিজেলের চালানসহ আটক করা হয় দুজনকে। ছবি: সংগৃহীত
ইঞ্জিনচালিত দুটি ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে পাওয়া যায় ২২ হাজার লিটার ডিজেল, যা চোরাই তেল বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযানে আটক করা হয় জলিল সরদার ও তারেক রহমান নামে দুজনকে।

ধলেশ্বরী নদীতে অভিযান চালিয়ে কোস্টগার্ড জব্দ করেছে ২২ হাজার লিটার ডিজেলসহ দুটি ট্রলার। এ সময় আটক করা হয়েছে দুজনকে।

মুন্সীগঞ্জ শহরের উপকণ্ঠ মুক্তারপুর গ্রামসংলগ্ন নদীতে শুক্রবার গভীর রাতে এ অভিযান চলে।

কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার খন্দকার মুনিফ তকি শনিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

মুক্তারপুর শাহ সিমেন্ট ফ্যাক্টরির কাছে ধলেশ্বরী নদীতে শুক্রবার রাতে বিশেষ অভিযান চালায় পাগলা কোস্টগার্ড স্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট শামস সাদেকীন নির্ণয়ের নেতৃত্বে একটি টিম। ইঞ্জিনচালিত দুটি ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে পাওয়া যায় ২২ হাজার লিটার ডিজেল, যা চোরাই তেল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অভিযানে আটক করা হয় জলিল সরদার ও তারেক রহমান নামে দুজনকে। তাদের বাড়ি পটুয়াখালীর মহিপুর ও লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে। জব্দ করা ডিজেলের বৈধ কাগজপত্র তারা দেখাতে পারেননি।

কোস্টগার্ড কর্মকর্তা খন্দকার মুনিফ তকি জানান, জব্দ করা ডিজেলের বাজারমূল্য প্রায় ২৪ লাখ টাকা। ডিজেলসহ আটক দুজনকে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Maryams mother was rescued in hiding

মরিয়ম মান্নানের মাকে উদ্ধার, ছিলেন আত্মগোপনে

মরিয়ম মান্নানের মাকে উদ্ধার, ছিলেন আত্মগোপনে মা রহিমা বেগমের (বাঁয়ে) সন্ধান চেয়ে মরিয়ম মান্নানের কান্নার এ ছবি ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ছবি: সংগৃহীত
মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা খুলনার দৌলতপুর থানার এসআই লুৎফুল হায়দার রহিমা বেগমকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন। ফরিদপুরের বোয়ালমারী থানার ওসি আব্দুল ওহাব জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রাম থেকে রহিমা বেগমকে উদ্ধার করা হয়।

খুলনার মহেশ্বরপাশায় নিখোঁজ রহিমা বেগমকে অক্ষত অবস্থায় ফরিদপুর থেকে উদ্ধার করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। মায়ের নিখোঁজের তথ্য জানিয়ে প্রায় এক মাস ধরে তার সন্ধান করছিলেন তার মেয়ে মরিয়ম মান্নান। মরিয়মের কান্নার ছবি ছুঁয়ে যায় সবাইকে।

তবে রহিমা বেগমকে উদ্ধারের পর পুলিশ বলছে, তিনি নিজেই স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন।

মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা খুলনার দৌলতপুর থানার এসআই লুৎফুল হায়দার তাকে উদ্ধারের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

ফরিদপুরের বোয়ালমারী থানার ওসি আব্দুল ওহাব জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রাম থেকে রহিমা বেগমকে উদ্ধার করা হয়। তাকে খুলনায় পাঠানো হচ্ছে।

পুলিশের একটি দল রাত ২টার দিয়ে রহিমা বেগমকে নিয়ে খুলনার দৌলতপুর থানায় পৌঁছায়।

মরিয়ম মান্নানের মাকে উদ্ধার, ছিলেন আত্মগোপনে
মরিয়ম বেগমকে নিয়ে গভীর রাতে ফরিদপুর থেকে খুলনা পৌঁছায় পুলিশের একটি দল

এর আগে গত শুক্রবার ময়মনসিংহে ১২ দিন আগে উদ্ধার করা একটি মরদেহকে মায়ের বলে দাবি করেছিলেন মরিয়ম মান্নানসহ রহিমা বেগমের তিন মেয়ে।

খুলনার দৌলতপুর মহেশ্বরপাশার বণিকপাড়া থেকে গত ২৭ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিখোঁজ হন রহিমা। সেসময় রহিমার দ্বিতীয় স্বামী বিল্লাল হাওলাদার ওই বাড়িতে ছিলেন। পানি আনতে বাসা থেকে নিচে নেমেছিলেন রহিমা।

এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই অপহরণ মামলা করেন রহিমা বেগমের মেয়ে আদুরী।

খোঁজ না পাওয়ায় পরদিন রহিমার ছেলে মো. মিরাজ আল সাদী দৌলতপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

রহিমা অপহৃত হয়েছেন দাবি করে ১ সেপ্টেম্বর খুলনায় সংবাদ সম্মেলন করেন পরিবারের সদস্যরা।

রহিমার সঙ্গে জমি নিয়ে স্থানীয়দের মামলা চলছে বলেও সে সময় জানানো হয়েছিল। রহিমার করা সেই মামলায় আসামিরা হলেন প্রতিবেশী মঈন উদ্দিন, গোলাম কিবরিয়া, রফিুকল ইসলাম পলাশ, মোহাম্মাদ জুয়েল ও হেলাল শরীফ।

আদালত ১৪ সেপ্টেম্বর রহিমা অপহরণ মামলা পিবিআইতে পাঠানোর আদেশ দেয়। এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর নথিপত্র বুঝে নেয় পিবিআই।

এরই মধ্যে গত বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহে ১২ দিন আগে উদ্ধার করা এক নারীর মরদেহকে রহিমা বেগমের বলে দাবি করেন তার মেয়েরা। এদিন রাত পৌনে ১২টার দিকে মরিয়ম মান্নান ফেসবুক এক পোস্টে বলেন, ‘আমার মায়ের লাশ পেয়েছি আমি এই মাত্র।’

পরদিন সকালে নিখোঁজ রহিমার মেয়ে মরিয়ম মান্নান, মাহফুজা আক্তার ও আদুরী আক্তার ফুলপুর থানায় পৌঁছান।

এ সময় পুলিশ অজ্ঞাত ওই নারীর ছবিসহ পরনে থাকা আলামতগুলো মেয়েদের দেখান। মরিয়ম মান্নান তার মায়ের ছবিসহ সালোয়ার-কামিজ দেখে দাবি করেন, এটিই তার মায়ের মরদেহ।

মরিয়ম মান্নান সে সময় সাংবাদিকদের বলেন, ‘২৭ দিন ধরে আমার মা নিখোঁজ। আমরা প্রতিনিয়ত মাকে খুঁজছি। এরই মধ্যে গত ১০ সেপ্টেম্বর ফুলপুর থানায় অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে আমরা এখানে এসেছি। সালোয়ার-কামিজ ছাড়াও ছবিতে আমার মায়ের শরীর, কপাল ও হাত দেখে মনে হয়েছে এটাই আমার মা।’

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে মরিয়মকে জানানো হয়, ডিএনএ টেস্ট ছাড়া মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

ফুলপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল মোতালেব চৌধুরী শুক্রবার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মরিয়মের মায়ের বয়স ৫৫ বছর। আমরা যে গলিত মরদেহটি উদ্ধার করেছি, তার আনুমানিক বয়স ২৮ থেকে ৩২ বছর মনে হচ্ছে। এসব দিক বিবেচনায় মরদেহটি তার মায়ের নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।’

আরও পড়ুন: বস্তাবন্দি মরদেহ মরিয়ম মান্নানের মায়ের কি না সংশয়

ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত ১০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বওলা ইউনিয়নের পূর্বপাড়া গ্রাম থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটির পরনে তখন গোলাপি রঙের সালোয়ার; গায়ে সুতির ছাপা গোলাপি, কালো-বেগুনি ও কমলা রঙের কামিজ এবং গলায় গোলাপি রঙের ওড়না প্যাঁচানো ছিল। পরে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করতে না পেরে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে ১২ সেপ্টেম্বর দাফন করা হয়। ডিএনএ টেস্ট করতে প্রয়োজনীয় আলামতও সংরক্ষণ করা হয়েছে।’

ওসি বলেন, ‘মরিয়ম মান্নান ওই মরদেহটি তার মা রহিমার দাবি করলেও নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করতে পারেননি। চূড়ান্তভাবে মরদেহ শনাক্তে মরিয়মের ডিএনএ টেস্ট করা প্রয়োজন।’

আরও পড়ুন:
হংকং থেকে পুরস্কার পেল ‘রেহানা’
মাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদল সায়রা 
চার জেলায় যে প্রেক্ষাগৃহে দেখবেন ‘রেহানা’
এখন পর্যন্ত ১২ প্রেক্ষাগৃহ নিশ্চিত করেছে ‘রেহানা’
বিসিএস প্রশ্নে ‘রেহানা মরিয়ম নূর’
বাংলাদেশ
Throwing chairs in reception of Deputy Speaker

ডেপুটি স্পিকারের সংবর্ধনায় চেয়ার ছোড়াছুড়ি

ডেপুটি স্পিকারের সংবর্ধনায় চেয়ার ছোড়াছুড়ি
পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর আসনের সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্স বলেন, ‘নেতাদের পেছনে দাঁড়ানো নিয়ে ধাক্কাধাক্কিকে কেন্দ্র করে চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ির ঘটনা ঘটেছে। এটা তেমন কিছু নয়। নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণে এমনটা হয়েছিল।’

নবনিযুক্ত ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকুর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হট্টগোল ও চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দুপুরে পাবনা শহরে বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বকুল স্বাধীনতা চত্বরে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটেছে।

সংবর্ধনাস্থলে হট্টাগোলের সময় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে উপস্থিত লোকজন এদিক-সেদিক ছোটাছুটি শুরু করে। এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হয়। পরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের লাঠিচার্জে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য শামসুল হক টুকু ডেপুটি স্পিকার নিযুক্ত হওয়ায় পাবনা জেলা আওয়ামী লীগ এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। দুপুর ১২টার দিকে জেলা আওয়ামী লীগের সদ্য সাবেক দফতর সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল আহাদ বাবুর সঞ্চালনায় ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতারা বক্তব্য দিচ্ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষ ভাগে ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকুর বক্তব্য শুরুর কয়েক মিনিট আগে মঞ্চে নেতাদের পেছনে দাঁড়ানো নিয়ে ধাক্কাধাক্কির এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। সিনিয়র নেতারা তাদের শান্ত করার চেষ্টা করলে দু’পক্ষ পরস্পরের দিকে চেয়ার ছুঁড়তে শুরু করে। পরে সিনিয়র নেতাদের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

এর কয়েক মিনিট পর সংবর্ধনাস্থলে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও হট্টগোল বাধে। এক পর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর আসনের সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্স বলেন, ‘নেতাদের পেছনে দাঁড়ানো নিয়ে ধাক্কাধাক্কিকে কেন্দ্র করে চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ির ঘটনা ঘটেছে। এটা তেমন কিছু নয়। নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণে এমনটা হয়েছিল।’

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জুয়েল বলেন, ‘অনুষ্ঠান প্যান্ডেলের পেছনে দাঁড়ানো ও স্লোগান দেয়া নিয়ে একটু ঝামেলা হয়েছিল। পরে নেতারাই তাদেরকে সেখান থেকে সরিয়ে দিয়েছেন।’

আরও পড়ুন:
সবাইকে নিয়েই সংসদ পরিচালনা করব: ডেপুটি স্পিকার
জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা
জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা
ডেপুটি স্পিকার হিসেবে শপথ নিলেন টুকু
নিজ গ্রামে চিরঘুমে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
District Chhatra League former president arrested in rape case

ধর্ষণ মামলায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি গ্রেপ্তার

ধর্ষণ মামলায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি গ্রেপ্তার কুমিল্লা জেলার সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি আবু কাউছার অনিক। ছবি: সংগৃহীত
র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক ল্যাফটেন্যান্ট কর্ণেল খাইরুল আলম শনিবার রাত ৯টায় বলেন, বিস্তারিত জানতে অপেক্ষা করতে হবে। আমাদের কিছু কাজ আছে, কাজগুলো গুছিয়ে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবো।

কুমিল্লায় ১৭ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণে সহায়তা করার অভিযোগে জেলার সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি আবু কাউছার অনিককে গ্রেপ্তার করেছে কক্সবাজারের র‌্যাব-১৫ এর একটি দল।

শনিবার দুপুর ১২টায় কক্সবাজারের কলাতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে আবাসিক হোটেল সোনার বাংলা থেকে মামলার ৩ নম্বর আসামি অনিককে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তিনি তার ব্যবহৃত প্রাইভেটকার চট্ট মেট্টো গ- ১১-৯৩১৪ তে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তিনি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার নূরপুর গ্রামের ফজলু মিয়ার ছেলে।

র‌্যাব-১৫ জানায়, কুমিল্লার কোতয়ালি মডেল থানায় একটি ধর্ষণ মামলায় আবু কাউছার অনিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহযোগিতা করার অভিযোগ আনেন আকলিমা (ছদ্মনাম) নামে এক কিশোরী।

এই মামলায় চারজনকে আসামি করেন আকলিমা। অনিক ছাড়া মামলাটির অন্য আসামিরা হলেন, কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পরিহলপাড়া গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে আরব আলী, চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে জিলানী ও একই গ্রামের মনু মিয়ার পুত্র শাহজাহান মিয়া।

এ বিষয়ে র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক ল্যাফটেন্যান্ট কর্ণেল খাইরুল আলম শনিবার রাত ৯টায় বলেন, বিস্তারিত জানতে অপেক্ষা করতে হবে। আমাদের কিছু কাজ আছে, কাজগুলো গুছিয়ে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবো।

আরও পড়ুন:
চেয়ারম্যানের মারধরে আহত ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু
সশস্ত্র মিছিল ও হামলায় ছাত্রলীগ, মামলা বিএনপির বিরুদ্ধে
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে ৭৬ ছাত্রীকে সাইকেল দেবে ছাত্রলীগ
৬ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ নেত্রীর পর্নোগ্রাফি মামলা
আধিপত্য নিয়ে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, আহত ৯

মন্তব্য

p
উপরে