× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Prime Minister in London to attend Queens funeral
hear-news
player
print-icon

রানির শেষকৃত্যে অংশ নিতে লন্ডনে প্রধানমন্ত্রী

রানির-শেষকৃত্যে-অংশ-নিতে-লন্ডনে-প্রধানমন্ত্রী
লন্ডনের স্টানস্টেড আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম।
লন্ডন সময় বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশের বিশেষ ফ্লাইটটি লন্ডনের স্টানস্টেড আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম।

ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষকৃত্যে যোগ দিতে লন্ডনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। লন্ডন সময় বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশের বিশেষ ফ্লাইটটি লন্ডনের স্টানস্টেড আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম।

এর আগে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশের বিশেষ ফ্লাইট যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করে।

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষকৃত্যানুষ্ঠান শেষে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশনের যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক যাবেন প্রধানমন্ত্রী। টানা ১৯ দিনের সফর শেষে ৩ অক্টোবর রাতে দেশে ফিরবেন তিনি।

যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন কমনওয়েলথের মহাসচিব প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড। এদিন স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ এশিয়া, উত্তর আফ্রিকা, জাতিসংঘ ও কমনওয়েলথবিষয়ক মন্ত্রী লর্ড আহমদ।

পরদিন শনিবার যুক্তরাজ্য সময় সকাল ১০টায় দেশটির পার্লামেন্টে দেশটির বিরোধীদল- লেবার পার্টির নেতা স্যার কেইর স্টারমার আসবেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে।

রোববার সন্ধ্যায় যুক্তরাজ্যের রাজার আমন্ত্রণে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের অভ্যর্থনায় যোগ দেবেন শেখ হাসিনা। বাকিংহাম প্যালেসে এই অভ্যর্থনার আয়োজন করা হবে।

সোমবার যুক্তরাজ্য সময় বেলা ১১টায় ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবেতে রানি এলিজাবেথের রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যানুষ্ঠানে যোগ দেবেন শেখ হাসিনা। এদিন সন্ধ্যায় জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে নিউ ইয়র্কের উদ্দেশে লন্ডন ছাড়বেন তিনি।

এদিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ফ্লাইটটি নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে থাকবেন দেশটিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত।

পরদিন মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সংবর্ধনা সভায় যোগ দেবেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। সকাল ৯টায় অংশ নেবেন জাতিসংঘের ৭৭তম অধিবেশনের উদ্বোধনী পর্বে।

একই দিনে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপো গ্রান্ডি, স্লোভেনিয়ার প্রেসিডেন্ট বরুট পাহোরের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ছাড়াও ইউএনজিএ প্ল্যাটফর্ম ফর উইমেন লিডার্স শীর্ষক অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন তিনি। সন্ধ্যায় আমেরিকান মিউজিয়াম অফ ন্যাশনাল হিস্ট্রিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সৌজন্যে আয়োজিত অভ্যর্থনায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাতিসংঘ সদরদপ্তরে বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় টেকসই বাড়ি নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের পার্শ্ব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন শেখ হাসিনা। ওই ভবনেই সাড়ে ১১টার সময় ডব্লিউইএফের নির্বাহী পরিচালক ক্লাউস সোয়াবের সঙ্গে বৈঠক শেষ করে গ্লোবাল ক্রাইসিস রেসপন্স গ্রুপ চ্যাম্পিয়নস মিটিংয়ে অংশ নেবেন সরকারপ্রধান।

একই সঙ্গে কসোভোর প্রেসিডেন্ট, ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন তিনি।

২২ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সময় সকাল সাড়ে ১০টায় রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন শেখ হাসিনা।

এ ছাড়া আইওএম মহাপরিচালক, কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী, আইসিসি প্রসিকিউটর করিম খানের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

ওই দিন দুপুর ১টায় যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ যৌথ ব্যবসায়ী সমিতির সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠক ও মধ্যাহ্নভোজনেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

২৩ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টায় জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশনে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী।

২৪ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী বাঙালিদের আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন সরকারপ্রধান। আনুষ্ঠানিকতা শেষে ওই দিন দুপুরে নিউ ইয়র্ক ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি।

২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত ওয়াশিংটনেই অবস্থান করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে অংশ নেবেন বিভিন্ন কর্মসূচিতে।

২ অক্টোবর ওয়াশিংটন থেকে লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করবেন তিনি। লন্ডন পৌঁছে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি নেবেন শেখ হাসিনা।

৩ অক্টোবর যুক্তরাজ্য সময় সকাল ৭টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১২টায় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The youth was chased and hacked to death

যুবককে ধাওয়া করে কুপিয়ে হত্যা

যুবককে ধাওয়া করে কুপিয়ে হত্যা
নিহতের রাজনৈতিক পরিচয় নিশ্চিত করে শেরপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম হোসেন বলেন, ‘পৌর আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটিতে শেখ মর্তুজার পদ আছে।’

বগুড়ার শেরপুরে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শেরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে বুধবার সন্ধ্যার দিকে তার ওপর হামলা চালানো হয়।

৩৫ বছরের শেখ মর্তুজা অভি উপজেলার খন্দকারপাড়ার হোসেন কামাল ফুয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয়ভাবে হাট-বাজার ইজারা ও স্টক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এ ছাড়াও শেরপুর পৌর আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির নেতা ছিলেন।

তার উপর হামলার বিষয়টি জানিয়েছেন ছিলিমপুর মেডিক্যাল ফাঁড়ির এএসআই লালন হোসেন।

তিনি বলেন, ‘শেখ মর্তুজাকে গুরুতর আহত অবস্থায় সন্ধ্যায় শহীদ জিয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নেয়া হয়। তার মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তিনি মারা যান। মরদেহ হাসপাতালের ম‌র্গে রাখা আছে।’

শেরপুর থানার ওসি আতাউর রহমান খন্দকার স্থানীয়ের বরাতে জানান, সন্ধ্যায় শেরপুর উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে নিজের বাইক পরিস্কার করতে নিয়ে আসেন মর্তুজা। তখন ক‌য়েকজন অস্ত্রসহ হামলা করলে তিনি দৌঁড়ে কাছের একটি জঙ্গলের দিকে যেতে নেন। ধাওয়া করে সেখানে তাকে ধরে এলোপাতারি কু‌পি‌য়ে দুর্বৃত্তরা পা‌লি‌য়ে যায়।

স্থানীয়রা মর্তুজাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি বলেন, ‘পূর্ব বিরোধের জেরে এই হত‌্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ জ‌ড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে।’

নিহতের রাজনৈতিক পরিচয় নিশ্চিত করে শেরপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম হোসেন বলেন, ‘পৌর আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটিতে শেখ মর্তুজার পদ আছে।’

আরও পড়ুন:
ছেলের রক্তাক্ত মরদেহ বাগানে খুঁজে পেলেন মা
ঘোড়াঘাটের ইউএনওকে হত্যাচেষ্টার রায় ৪ অক্টোবর
সিংড়ায় বাড়িঘরে হামলা-লুটের পেছনে আ.লীগের দ্বন্দ্ব
‘চাচার প্রতি ক্ষোভে’ চাচাতো ভাইকে হত্যা, যুবক গ্রেপ্তার
ধর্ষণের পর হত্যায় ১১ বছর পর ৯ জনের যাবজ্জীবন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The mother found the sons bloody body in the garden

ছেলের রক্তাক্ত মরদেহ বাগানে খুঁজে পেলেন মা

ছেলের রক্তাক্ত মরদেহ বাগানে খুঁজে পেলেন মা
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার বিকেল থেকে নিখোঁজ লাবন। বুধবার বেলা ১২টার দিকে বাড়ি থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরে একটি লেবু বাগানে লাবনের রক্তাক্ত ও ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান তার মা।

শেরপুরে নিখোঁজের পরদিন স্কুলছাত্রের রক্তাক্ত ও ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বেতমারী ঘুঘুরাকান্দি ইউনিয়নের সূবর্ণচর গ্রামের বাড়ির পাশে লেবু বাগান থেকে বুধবার দুপুরে উদ্ধার করা হয় মরদেহটি।

নিহত ১৩ বছরের নাঈম ইসলাম লাবন সূবর্ণচর গ্রামের মাসুদ আলীর ছেলে। ঘুঘুরাকান্দি মডেল অ্যাকাডেমিতে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ত সে।

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) হান্নান মিয়া এসব নিশ্চিত করেছেন।

স্বজনদের বরাতে তিনি জানান, লাবন মঙ্গলবার স্কুল থেকে ফিরে বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে যায়। সন্ধ্যায় পর বাড়ি না ফেরায় তাকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করে পরিবার। বুধবার বেলা ১২টার দিকে বাড়ি থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরে একটি লেবু বাগানে লাবনের রক্তাক্ত ও ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান তার মা।

পুলিশে তার মরদেহ শেরপুর সদর হাসপাতালে পাঠায়।

লাবনের বাবা মাসুদ মিয়া জানান, ছেলের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় সিগারেটের ছ্যাকা দেয়ার চিহ্ন দেখেছেন। পুরুষাঙ্গেও আঘাতের চিহ্ন পেয়েছেন।

পুলিশ কর্মকর্তা হান্নান জানান, যারা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

আরও পড়ুন:
‘চাচার প্রতি ক্ষোভে’ চাচাতো ভাইকে হত্যা, যুবক গ্রেপ্তার
ধর্ষণের পর হত্যায় ১১ বছর পর ৯ জনের যাবজ্জীবন
রাতে শিশুটিকে ডোবায় ফেলে এসে ঘুমিয়ে পড়েন বাবা
জমি নিয়ে বিরোধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
প্রতিবেশীর আমবাগানে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদকের ঝুলন্ত মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Gang involved in more than five hundred thefts arrested

পাঁচ শতাধিক চুরিতে জড়িত চক্র গ্রেপ্তার

পাঁচ শতাধিক চুরিতে জড়িত চক্র গ্রেপ্তার
তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার এইচ এম আজিমুল হক জানান, চোর চক্রটি গত ৮-৯ বছরে ঢাকার হাতিরঝিল, রামপুরা, তেজগাঁও, কলাবাগান, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, রূপনগর, কাফরুল; চটগ্রাম, সিলেট ও বরিশাল এলাকায় পাঁচ শতাধিক চুরির সঙ্গে জড়িত।

রাজধানীর অন্তত নয়টি এলাকাসহ চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশালে পাঁচ শতাধিক চুরির সঙ্গে জড়িত চক্রের প্রধানসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে হাতিরঝিল থানা পুলিশ।

বুধবার রাতে তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানিয়েছেন ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার এইচ এম আজিমুল হক।

তিনি জানান, চোর চক্রটি গত ৮-৯ বছরে ঢাকার হাতিরঝিল, রামপুরা, তেজগাঁও, কলাবাগান, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, রূপনগর, কাফরুল; চটগ্রাম, সিলেট ও বরিশাল এলাকায় পাঁচ শতাধিক চুরির সঙ্গে জড়িত।

নিউ ইস্কাটনের একটি চুরি মামলা তদন্ত করতে গিয়ে চক্রটির সন্ধান পায় হাতিরঝিল পুলিশ।

গ্রেপ্তার চক্রটির বিষয়ে আগামীকাল নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Cabinet of India approves Kushiara water distribution

কুশিয়ারার পানিবণ্টনে ভারতের মন্ত্রিসভার সায়

কুশিয়ারার পানিবণ্টনে ভারতের মন্ত্রিসভার সায় সিটেলের অংশে কুশিয়ারা নদী। ছবি: সংগৃহীত
ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে ১৫৩ কিউসেক করে কুশিয়ারা নদীর পানিবণ্টন সম্পর্কিত যে সমঝোতা চুক্তি এ মাসের ৬ তারিখ দিল্লির হায়দারাবাদ হাউজে সই হয়েছিল। তা অনুমোদন দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘কুশিয়ারা নদীর পানিবণ্টন: ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে ১৫৩ কিউসেক করে পানিবণ্টন’ সমঝোতা অনুমোদন দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।

নয়া দিল্লির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে ১৫৩ কিউসেক করে কুশিয়ারা নদীর পানিবণ্টন সম্পর্কিত যে সমঝোতা চুক্তি এ মাসের ৬ তারিখ দিল্লির হায়দারাবাদ হাউজে সই হয়েছিল।

চুক্তির সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উপস্থিত ছিলেন। সে চুক্তিটি বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়।

এই সমঝোতা চুক্তির ফলে শুকনা মরশুমে অর্থাৎ, ১ নভেম্বর থেকে ৩১ মে এই সময়কালে আসাম ওই নদী থেকে ১৫৩ কিউসেক পানি ব্যবহার করতে পারবে।

অন্যদিকে বাংলাদেশও তার অভ্যন্তরীণ প্রয়োজন মেটাতে সমপরিমাণ পানি কুশিয়ারা নদী থেকে সংগ্রহ করতে পারবে।

শুকনা মরশুমে দুটি দেশের মধ্যে এই পানিবণ্টনের বিষয়টির ওপর নজর রাখতে এক যৌথ নজরদারি টিমও গঠন করা হবে।

পরে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য স্বাক্ষরিত চুক্তিটি অনুমোদন দেয়া হলো।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Video message of Rohingya terrorists killing four sailors

রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীর চার মাঝি খুনের ভিডিও বার্তা!

রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীর চার মাঝি খুনের ভিডিও বার্তা! কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় কেন্দ্র। ছবি: সংগৃহীত
এপিবিএন-এর সহকারী পুলিশ সুপার (অপস) মো. ফারুক আহমেদ বলেন, ‘প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে হাশিমের বক্তব্য সঠিক নয়। প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বা কারও প্ররোচনায় সে এ ধরনের প্রচার চালিয়েছে।’

কক্সবাজারের উখিয়ায় চার মাঝিকে খুনের রোমহর্ষক বর্ণনা দিয়ে মোহাম্মদ হাশিম নামে এক যুবক ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করেছেন। তিনি নিজেকে ‘ইসলামী মাহাজ’ নামে একটি সংগঠনের সদস্য বলে দাবি করেছেন।

প্রাথমিক তদন্ত শেষে এপিবিএন বলছে, হাশিমের এই ভিডিও বার্তা মূলত প্রকৃত অপরাধীদের আড়ালের উদ্দেশ্যে। একটি গোষ্ঠীর ইন্ধনে এবং প্রত্যক্ষ প্ররোচনায় এটা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে হাশিমের অবস্থান শনাক্তের দাবি করেছে ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত সংস্থাটি।

বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানান ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সহকারী পুলিশ সুপার (অপস) মো. ফারুক আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে হাশিমের বক্তব্য সঠিক নয়। প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বা কারও প্ররোচনায় সে এ ধরনের প্রচার চালিয়েছে। তারপরও তার দেয়া বক্তব্য গুরুত্বসহকারে নিয়ে যাচাই করা হচ্ছে। তাকে আইনের আওতায় এনে প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

ফারুক আহমেদ জানান, ইতোমধ্যে রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৮ তে অবস্থিত হাশিমের ঠিকানায় গিয়ে নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে কথা বলে তার নাম-ঠিকানা সঠিক পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, হাশিম কয়েক মাস ধরে তার জন্য বরাদ্দ আশ্রয়স্থলের বাইরে অবস্থান করছেন।

মোহাম্মদ হাশিমের ফেসবুক একাউন্টে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি একটি অস্ত্র হাতে ভিডিওতে এসে চার মাঝির মধ্যে কাকে কীভাবে হত্যা করা হয় তার রোমহর্ষক বর্ণনা দিচ্ছেন।

ভিডিওতে হাশিম বলেন, ‘আমার মতো ২৫ জন যুবককে অস্ত্র দিয়েছে ইসলামী সংগঠন মাহাজ। যাদের কাজ ছিল হত্যার মিশন বাস্তবায়ন করা। যার জন্য আমাদের দেয়া হতো মোটা অংকের টাকা। আমাদের মূল কাজ ছিল যারা প্রত্যাবাসন নিয়ে কাজ করে তাদের হত্যা করা। সম্প্রতি ৫-৬ দিনের মধ্যে আমরা তিন মাঝিসহ এই স্বেচ্ছাসেবককে হত্যা করেছি।’

লাইভে খুনের শিকার মাঝিদের নামও বলেছেন এই যুবক। তিনি বলেন, ‘১৮ নম্বর ক্যাম্পের হেড মাঝি জাফর, ৭ নম্বর ক্যাম্পের ইসমাঈল, কুতুপালং এক্সটেনশন ক্যাম্প-৪ এইচ ব্লকের এরশাদ ও হেড মাঝি আজিমুল্লাহকে হত্যা করেছি।’

একইভাবে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপ ইসলামী মাহাজ সংগঠনের চার মুখপাত্রের নামও বলেন মোহাম্মদ হাশিম। তারা হলেন- জিম্মাদার সাহাব উদ্দিন, রহমত উল্লাহ, হেড মাঝি ভুইয়া ও মৌলভী রফিক। এই চারজন এই সংগঠনের নেতৃত্ব দিতেন বলে জানান এই রোহিঙ্গা যুবক।

হাশিম আরও বলেন, ‘সামনে আরও বড় মিশন ছিল। কিন্তু নিজের ভুল বুঝতে পেরেছি। তাই এই খারাপ জগৎ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চাই।’

এদিকে হাশিমের এই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ভিডিও প্রচারের পর থেকে ক্যাম্পে মাঝিসহ নেতৃস্থানীয় রোহিঙ্গাদের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
রোহিঙ্গাদের অবশ্যই ফিরে যেতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফের কুপিয়ে হত্যা
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সাবেক মাঝিকে কুপিয়ে হত্যা
পাসপোর্ট করতে গিয়ে নারীসহ আটক দুই রোহিঙ্গা
রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যা মামলার অন্যতম আসামির জেলে মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
One was serving the sentence of the other this time both of them were facing punishment

একের সাজা খাটছিলেন আরেক, এবার শাস্তির মুখে দুজনই

একের সাজা খাটছিলেন আরেক, এবার শাস্তির মুখে দুজনই আদালত প্রাঙ্গণে পুলিশ হেফাজতে জুয়েল (বায়ে) ও জাকির। ছবি: নিউজবাংলা
কোর্ট ওসি জানান, আদালতের শুনানিতে প্রকৃত অপরাধী জুয়েলের আইনজীবীকে স্বশরীরে হাজির হয়ে এ ঘটনার ব্যাখা দিতে বলা হয়।

নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাকিরের পরিবর্তে ছদ্মনাম ধারণ করে সাজা ভোগ করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন জুয়েল নামে আরেকজন।

এ অবস্থায় প্রকৃত আসামিকে জেলে পাঠানোর পাশাপাশি জুয়েলের বিরুদ্ধেও মামলা করার আদেশ দিয়েছে আদালত।

নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শামছুর রহমানের আদালত বুধবার বিকেলে এ আদেশ দেয়।

এ সময় মাদক মামলা থেকে জুয়েলকে অব্যহতি দেয়া হলেও জাকিরকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মাদক মামলাটির সাজাপ্রাপ্ত জাকির বন্দর উপজেলার নূরবাগ এলাকার সামেদ মিয়ার ছেলে। তার পরিবর্তে আসামি সেজে সাজা ভোগ করতে যাওয়া জুয়েল বন্দর উপজেলার নবীগঞ্জের আলাউদ্দিনের ছেলে।

আদালত পুলিশের পরির্দশক আসাদুজ্জামান জানান, মাদক মামলার মূল আসামি জাকিরকে গ্রেপ্তারের পর তাকে সহ তার হয়ে সাজাভোগ করতে আত্মসমর্পণ করা জুলেকেও আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় দুজনের কথায় বেমিল পান বিচারক।

পরে জাকিরের হয়ে সাজা ভোগ করতে আসা জুয়েলের বিরুদ্ধে আদালতের কার্য ধারায় ভুয়া আসামি সেজে প্রতারণা ও মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ায় ফতুল্লা মডেল থানায় আদালতের বেঞ্চ সহকারী জহিরুল ইসলামকে মামলা করার নির্দেশ দেয় আদালত।

কোর্ট ওসি জানান, শুনানিতে জুয়েলের আইনজীবীকে স্বশরীরে হাজির হয়ে এ ঘটনার ব্যাখা দিতে বলা হয়।

এ সময় রোকেয়া সুলতানা নামে ওই আইনজীবী আদালতকে জানান, জুয়েল তার কাছে গিয়ে দাবি করেন- তিনি জাকির। মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তিনি জানতেন না যে জুয়েল মিথ্যা বলছে। এ কারণে তিনি তাকে আত্মসমর্পণ করিয়ে জামিন আবেদন করেন।

তবে যাচাই-বাছাই না করে জুয়েলকে আদালতে হাজির করে জামিন আবেদন করায় আদালতে ক্ষমা চান রোকেয়া সুলতানা। পরে আদালত তাকে সতর্ক হওয়ার নির্দেশ দেয়।

এ বিষয়ে আইনজীবী রোকেয়া সুলতানার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি।

মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাকিরের স্ত্রী জানান, জাকির দুই বার বিদেশে গেছেন। বর্তমানে ভাতের হোটেলের ব্যবসা করেন। তবে জুয়েলকে তিনি চেনেন না বলে দাবি করেন।

জুয়েলের পাশের এলাকার বাসিন্দা নিজাম মিয়া বলেন, ‘জুয়েল ও জাকির একে অপরের পূর্ব পরিচিত। জুয়েল বিভিন্ন মামলায় এর আগে একাধিকবার জেল খেটেছে। ছোটখাটো অর্থ তাদের মধ্যে লেনদেন হয়ে থাকতে পারে।’

একের সাজা খাটছিলেন আরেক, এবার শাস্তির মুখে দুজনই

ওই মাদক মামলা থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২১ এপ্রিল বন্দর উপজেলার নবীগঞ্জের রসূলবাগ এলাকা থেকে ২০ পিস ইয়াবাসহ জাকিরকে আটক করে পুলিশ। পরে জাকির পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন যে- তিনি বিদেশ থেকে ফিরে মাদক বিক্রি শুরু করেছেন।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা করেন বন্দর থানার তখনকার এসআই মোকলেছুর রহমান। সেই মামলায় গ্রেপ্তারের পর কারাগারে যান জাকির। পরে ওই বছরই ৩ মে আদালত থেকে জামিন পান জাকির। এরপর থেকে হাজিরা দিচ্ছিলেন।

২০১৭ সালের ৮ আগস্ট আদালতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা পংকজ কান্তি সরকার। পরে মামলার বিচারকাজ শুরু হয়।

এর মধ্যে ২০১৭ সালের ১২ অক্টোরর সবশেষ আদালতে হাজিরা দেন জাকির। এরপর থেকেই তিনি পলাতক। এ কারণে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী জহিরুল ইসলাম জানান, ২০২২ সালের ১০ আগস্ট জাকিরের অনুপস্থিতিতে ওই মামলার রায় হয়। রায়ে জাকিরকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। একইসঙ্গে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ১০ দিনের বিনাশ্রম সাজা দেয়া হয়।

তবে গত ১২ সেপেম্বর জুয়েল নামের ওই ব্যক্তি আদালতে আত্মসমর্পণ করে দাবি করেন তিনিই সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জাকির। এ সময় তিনি তার আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে জামিনের আবেদন করেন। তবে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে জুয়েলকে কারাগারে পাঠায়।

তিনদিন পর গত ১৫ সেপ্টেম্বর কারা কর্তৃপক্ষ আদালতকে জানায়, তিনি জাকির নন। তার নাম জুয়েল। এ নিয়ে কারাকর্তৃপক্ষ আদালতে একটি প্রতিবেদন পাঠায়।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মাদক মামলায় ২০১৭ সালের ২১ আগস্ট থেকে ৩ মে পর্যন্ত যে আসামি কারাগারে ছিলেন তার সঙ্গে বর্তমানে আত্মসর্মপন করা ব্যক্তির কোনো মিল নেই। কারাগারের নথি ও ছবিতেও অমিল রয়েছে।

এ ছাড়া কারাগারের নিবন্ধন বইয়ে পাওয়া গেছে, আত্মসর্মপন করা ব্যক্তির নাম জুয়েল। তিনি ২০১৬ সালের ৫ অক্টোবর থেকে ২০১৭ সালের ১০ সেপেম্বর পর্যন্ত অন্য আরেকটি মামলায় জেলে ছিলেন।

একজনের সাজা আরেকজন ভোগ করতে যাওয়ার বিষয়টি শনাক্ত করেন নারায়ণগঞ্জের জেলার শাহ্ রফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদে জুয়েল জানায়, তিনি ছদ্মনামে জাকিরের সাজা ভোগ করতে এসেছেন। আদালত আমাদের প্রতিবেদনটি আমলে নিয়ে ২০ সেপ্টেম্বর শুনানি করে। ওইদিন মূল আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পূর্ণরায় পরোয়ানা জারি করা হয়।

‘গত ২২ সেপ্টেম্বর বিকেলে মূল আসামি জাকিরকে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানো হলে আজ শুনানি হয়।’

আরও পড়ুন:
ভূমির কুতুবের জামিন বাতিল
ভূমির কুতুবের জামিন নিয়ে আদেশ বুধবার
আদালত প্রাঙ্গণে হামলায় আহত দুই সাংবাদিক
আদালতে মিথ্যা বলে ফেঁসে গেলেন ২ জন
কুয়াকাটায় ৮ ঘণ্টা পর চালু হলো হোটেল-রেস্তোরাঁ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Banaj Kumars case report on November 6

বনজ কুমারের মামলার প্রতিবেদন ৬ নভেম্বর

বনজ কুমারের মামলার প্রতিবেদন ৬ নভেম্বর পিবিআইয়ের প্রধান বনজ কুমার মজুমদার ও সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারসহ চারজনের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান বনজ কুমার মজুমদার মামলা করেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের এ মামলায় অন্য আসামিরা হলেন সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন, হাবিবুর রহমান লাবু ও আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া।

সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারসহ চারজনের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান বনজ কুমার মজুমদারের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে আগামী ৬ নভেম্বর দিন ঠিক করেছে আদালত।

বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আবু বকর ছিদ্দিকের আদালতে মামলার এজাহার জমা দেয়া হয়। আদালত তা গ্রহণ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তারিখ ঠিক করেন।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের এ মামলায় বাবুল আক্তার ছাড়াও আসামি করা হয়েছে ইলিয়াস হোসাইন, হাবিবুর রহমান লাবু ও আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া নামের ৩ জনকে।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার বাদী হয়ে রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় মামলাটি করেন।

মামলার এজাহারে বনজ কুমার বলেন, আমার নেতৃত্বাধীন তদন্ত সংস্থা পিবিআই চাঞ্চল্যকর মিতু হত্যা মামলা তদন্ত করছে। তদন্তকালে সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার প্রধান আসামি হিসেবে চিহ্নিত হলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেল হাজতে থাকা বাবুল ও বিদেশে অবস্থানরত সাংবাদিক ইলিয়াসসহ বাকি আসামিরা মামলার তদন্ত ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চাইছেন। তারা পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নেন।

আসামিদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্ররোচনায় কথিত সাংবাদিক ইলিয়াস গত ৩ সেপ্টেম্বর তার ফেসবুক আইডির মাধ্যমে ‘স্ত্রী খুন স্বামী জেলে, খুনি পেয়েছে তদন্তের দায়িত্ব’ শিরোনামে একটি ডকুমেন্টারি ভিডিও ক্লিপ আপলোড করেন। যা সম্পর্কে আমি পরদিন জানতে পারি। এর আগেও মিতু হত্যা মামলার তদন্ত নিয়ে ইলিয়াস তার ইউটিউব চ্যানেল থেকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন।

সেই ভিডিওতে বলা হয়েছে, এই মামলায় বাবুল আক্তারকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসিয়েছেন পিবিআই প্রধান বনজ কুমার। মিথ্যা সাক্ষী সাজানোর অভিযোগ করা হয়েছে ভিডিওটিতে। এছাড়াও বাবুলকে রিমান্ডে নির্যাতন করার কথাও বলা হয়েছে।

মামলার তদন্ত নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার অভিযোগে পিবিআই প্রধান মামলা করেন।

প্রসঙ্গত, মিতু হত্যা মামলায় হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগে পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদারসহ ছয়জনের নামে মামলার আবেদন করেছিলেন সাবেক এসপি বাবুল আক্তার।

আবেদনে বনজ কুমার মজুমদার ছাড়া যে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয় তারা হলেন- পিবিআই চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের এসপি নাজমুল হাসান, চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিটের এসপি নাঈমা সুলতানা, পিবিআইয়ের সাবেক পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা, এ কে এম মহিউদ্দিন সেলিম ও চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের পরিদর্শক কাজী এনায়েত কবির।

গত ৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্নেছার আদালতে আবেদনটি করা হয়। পরে ১৯ সেপ্টেম্বর তার সেই আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত।

২০১৬ সালের ৫ জুন ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে গিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরের জিইসি মোড় এলাকায় খুন হন তৎকালীন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। চাঞ্চল্যকর এ মামলাটি পিবিআই তদন্ত করে ইতিমধ্যে চার্জশিট দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
বাবুল ও ইলিয়াসের বিরুদ্ধে পিবিআই প্রধানের মামলা
বনজের বিরুদ্ধে বাবুলের মামলার আবেদন নাকচ
মিতু হত্যায় বাবুলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র পিবিআইয়ের
বাবুল আক্তারের কথা বাস্তবসম্মত কি না তদন্তে বোঝা যাবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নির্যাতনের অভিযোগে পিবিআইপ্রধানের নামে মামলার আবেদন বাবুল আক্তারের

মন্তব্য

p
উপরে