× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
He took three months salary without going to office
hear-news
player
google_news print-icon

অফিস না করেও নিয়েছেন তিন মাসের বেতন

অফিস-না-করেও-নিয়েছেন-তিন-মাসের-বেতন
আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ট্রেনিং ইন্সপেক্টর (টিআই) রোকসানা বকুল। ছবি সংগৃহীত
‘আমি তার (রোকসানা) বেতন সাবমিট করেছি ঠিক আছে। কিন্তু আমি নিজে ইচ্ছা করলেই বেতন বন্ধ করতে পারি না। আমি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানিয়েছি। তখন অনুমতি না পাওয়ায় রোকসানা বেতন পেয়েছেন। তবে এ মাস (সেপ্টেম্বর) থেকে তার বেতন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।’

অসুস্থতাজনিত কারণ দেখিয়ে ছুটি নিয়েছেন তিন মাসের। এই ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে পার হয়েছে আরও তিন মাস। কিন্তু অফিসে আসছেন না। এখন তার অবস্থানই জানেন না কোনো কর্মকর্তা। অথচ অফিস না করেও তিনি এই তিন মাস বেতন ও সরকারি সব সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন। যদিও চলতি মাস থেকে তার বেতন বন্ধ করে দেয়ার কথা জানানো হয়েছে।

এসব অভিযোগ ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ট্রেনিং ইন্সপেক্টর (টিআই) পদে কর্মরত রোকসানা বকুলের বিরুদ্ধে। তার এমন কাণ্ডে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে বাহিনীটির মধ্যে।

বাহিনীর ময়মনসিংহ রেঞ্জের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউজবাংলাকে বলেন, বিষয়টি জানার পর সদর দপ্তরকে লিখিতভাবে অবগত করা হয়েছে। রোকসানার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাসহ যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জানা গেছে, রোকসানা বকুলের বাড়ি শেরপুরের নকলা উপজেলায়। প্রায় ১২ বছর যাবৎ ময়মনসিংহের বিভিন্ন উপজেলায় কর্মরত তিনি। ফুলবাড়িয়া আসার আগে কর্মরত ছিলেন মুক্তাগাছা উপজেলায়। অসুস্থতাজনিত কারণ দেখিয়ে ছয় মাস আগে তিন মাসের ছুটি নেন তিনি। এরপর ছুটির মেয়াদ পেরিয়ে গেলেও কাজে যোগ দেননি। এভাবে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছয় মাস। বর্তমানে রোকসানা কোথায় আছেন, তাও জানেন না কর্মকর্তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আনসার কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রোকসানা বকুলের সঙ্গে ময়মনসিংহের কিছু কর্মকর্তার সম্পর্ক খুব ভালো। এ জন্য তার অনুপস্থিতির বিষয়টি জানা থাকলেও কোনো কর্মকর্তা মাথা ঘামাননি। এখন সমালোচনার সৃষ্টি হওয়ায় নড়েচড়ে বসেছেন কর্মকর্তারা।

‘তা না হলে, কয়েক বছর অফিসে না এলেও বেতন ঠিকমতোই পেতেন রোকসানা। অসাধু কোনো কর্মকর্তা রোকসানার কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন কি না, তাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।’

এসব বিষয়ে জানতে রোকসানা বকুলের মোবাইল নম্বরে ফোন করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

ফুলবাড়িয়া উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা রত্না নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রোকসানা লিখিত আবেদন করে তিন মাসের অর্জিত ছুটি নিয়েছিলেন। নির্ধারিত ছুটির মেয়াদ শেষ হলেও কাজে যোগদান না করায় বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়ে তার বাড়ির ঠিকানায় তিনবার শোকজ পাঠিয়েছি।’

এক প্রশ্নের জবাবে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি তার (রোকসানা) বেতন সাবমিট করেছি ঠিক আছে। কিন্তু আমি নিজে ইচ্ছা করলেই বেতন বন্ধ করতে পারি না। আমি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানিয়েছি। তখন অনুমতি না পাওয়ায় রোকসানা বেতন পেয়েছেন। তবে এ মাস (সেপ্টেম্বর) থেকে তার বেতন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।’

রোকসানার বিষয়ে জানতে ময়মনসিংহ জেলা আনসার কমান্ড্যান্ট ড. মোস্তারি জাহান ফেরদৌসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এ কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা বলেছেন, এক মাস আগে রোকসানা তাকে ফোন দিয়েছিলেন। তবে কোথায় আছেন সে বিষয়ে কিছুই বলেননি।

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ময়মনসিংহ রেঞ্জের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সম্প্রতি ঘটনাটি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক সদর দপ্তরে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাসহ যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Suicide of lover at doctor lovers house

চিকিৎসক প্রেমিকের বাসায় প্রেমিকার আত্মহত্যা

চিকিৎসক প্রেমিকের বাসায় প্রেমিকার আত্মহত্যা আত্মহত্যায় প্ররোচণার মামলায় গ্রেপ্তার চিকিৎসক ফিরোজ আলম। ছবি: নিউজবাংলা
আশুলিয়া থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চিকিৎসক ফিরোজ তার ভাড়া ফ্ল্যাটে বারান্দায় গিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। এ সময় ফিরোজের অন্যত্র বিয়ের বিষয়টি জানতে পারেন নুসরাত। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে নুসরাত বারান্দা থেকে কক্ষে এসে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনায় ফিরোজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ঢাকার সাভারে চিকিৎসক প্রেমিকের বাসায় এসে আত্মহত্যা করেছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী। ওই তরুণীর বড় ভাইয়ের করা আত্মহত্যায় প্ররোচণার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রেমিককে।

আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম বৃহস্পতিবার সকালে নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বুধবার রাতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠায় আশুলিয়া থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তার ফিরোজ আলম ঢাকার দোহার থানার রাধানগর গ্রামের ওমর আলীর ছেলে। তিনি আশুলিয়ার একটি পোশাক কারখানায় মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে কর্মরত।

নুসরাত মিমের বড় ভাই ফেরদৌস আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি ফরিদপুরে একটি এনজিওতে চাকরি করি। আমার ছোট বোন সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স চতুর্থ বর্ষের ইংরেজি সাহিত্যে লেখাপড়া করত। পাশাপাশি সে সাভার সুপার হাসপাতালে নার্সের চাকরি করত।

‘বছর দুয়েক আগে সুপার হাসপাতালে ডিউটি ডাক্তার ফিরোজ আলমের সঙ্গে আমার বোনের পরিচয় হয়। এক সময় তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ৭-৮ মাস আগে ফিরোজ অন্যত্র গোপনে বিয়ে করে। তারপরও সে আমার বোনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক চালিয়ে আসছিল।’

ফেরদৌস আলম আরও বলেন, ‘৪ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে হাসপাতালে ডিউটি শেষ করার পর আমার বোনকে ফোন করে আশুলিয়ার পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় নিজের ভাড়া ফ্ল্যাটে ডেকে নেয় ফিরোজ। পরদিন ৫ অক্টোবর বিকেলে আমার বোনের আত্মহত্যার খবর পেয়ে ছুটে আসি। আমার বোনকে ডেকে এনে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’

এসআই জাহাঙ্গীর আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ফিরোজ তার ভাড়া ফ্ল্যাটে নুসরাতকে রেখে বারান্দায় গিয়ে গোপনে স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। এ সময় ফিরোজের অন্যত্র বিয়ের বিষয়টি জানতে পারেন নুসরাত। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে নুসরাত বারান্দা থেকে কক্ষে এসে ভেতর থেকে বারান্দার দিকের দরজা আটকে দেন। পরে নিজের ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। বিষয়টি জানালা দিয়ে দেখতে পেয়ে ফিরোজ চিৎকার করতে থাকেন। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি আশুলিয়া থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে।

‘এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাইয়ের করা মামলায় ফিরোজ আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাতেই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করে রিকশাচালকের ‘আত্মহত্যা’
ছেলের সামনেই স্বামীহারা নারীর ‘আত্মহত্যা’
গায়ে আগুন দিয়ে গৃহবধূর ‘আত্মহত্যা’
দাদির সঙ্গে অভিমানে শিশুর ‘আত্মহত্যা’
‘ধর্ষণের শিকার’ স্কুলছাত্রীর মৃত্যুতে মামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP is lying about grid disaster Hanif

গ্রিড বিপর্যয় নিয়ে মিথ্যাচার করছে বিএনপি: হানিফ

গ্রিড বিপর্যয় নিয়ে মিথ্যাচার করছে বিএনপি: হানিফ কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমিতে বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মাহবুবউল আলম হানিফ। ছবি: নিউজবাংলা
‘সরকারের বিরুদ্ধে বলার মতো কিছু না পেয়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয় নিয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎও দিতে পারেনি। এই ব্যর্থতা, অযোগ্যতা ঢাকতে এবং সরকারের উন্নয়ন অগ্রগতি দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে।’

বিদ্যুতের গ্রিড বিপর্যয় নিয়ে বিএনপি নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

বৃহস্পতিবার সকালে কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমিতে এক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

হানিফ বলেন, ‘বিদ্যুতের গ্রিড বিপর্যয় একটি দুর্ঘটনা। এ নিয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছেন মির্জা ফখরুলরা। চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। চাহিদার বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে বাংলাদেশের।

‘সরকারের বিরুদ্ধে বলার মতো কিছু না পেয়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয় নিয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎও দিতে পারেনি। এই ব্যর্থতা, অযোগ্যতা ঢাকতে এবং সরকারের উন্নয়ন অগ্রগতি দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি একটি উগ্র সাম্প্রদায়িক দল, জামায়াত তাদের পরিপূরক। একই মায়ের দুই সন্তান। সেই দলের নেতাদের মুখে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার অভিযোগ মানায় না। বিশেষ একটি সম্প্রদায়ের আনুকূল্য পেতে তারা এসব বলছে।’

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য আকম সরোয়ার জাহান বাদশাসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় স্কুল কলেজের কয়েক শ ছাত্রছাত্রী অংশ নেয়।

গ্রিড বিপর্যয়

মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে ইস্টার্ন গ্রিড ফেল করার পর ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকার পর সন্ধ্যা থেকে জেলা শহরগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

বেলা ২টা ৪ মিনিটে অনাকাঙ্ক্ষিত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পর ২টা ৩৬ মিনিটে আশুগঞ্জ-সিরাজগঞ্জ ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন চালুর মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ময়মনসিংহের কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা হয়। এবং সতর্কতার সঙ্গে সেটা বাড়িয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার কাজ চলমান।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The young womans body was floating in the pond

পুকুরে ভাসছিল তরুণীর দেহ

পুকুরে ভাসছিল তরুণীর দেহ প্রতীকী ছবি
ওসি বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের‌ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তৃষা সাহার বাবা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন।’

নোয়াখালীর মাইজদীতে পুকুর থেকে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নোয়াখালী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মাস্টার পাড়া এলাকার একটি পুকুর থেকে বৃহস্পতিবার সকালে তৃষা সাহার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

২৬ বছরের তৃষা সাহা একই পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মাস্টার পাড়া এলাকার কমল সাহার মেয়ে ছিলেন।

তৃষার বাবা কমল সাহার বরাতে ওসি বলেন, ‘তৃষা দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালের দিকে তিনি বাসা থেকে বের হন। পরে ১০টার দিকে পরিবারের সদস্যরা বাসার পাশে একটি পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখে উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়।

‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের‌ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তৃষা সাহার বাবা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন।’

আরও পড়ুন:
জঙ্গল থেকে হলমার্কের নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ উদ্ধার
বেলকুচিতে মা ও ২ সন্তানের মরদেহ উদ্ধার
হাত-পা বাঁধা অটোচালক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
কর্ণফুলীতে নিখোঁজ শিপিং ব্যবসায়ীর মরদেহ
পুকুরে গৃহবধূর মরদেহ, স্বামী উধাও

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Humans have not learned the dogs patience

কুকুরের ধৈর্যের শিক্ষা নিল না মানুষ

কুকুরের ধৈর্যের শিক্ষা নিল না মানুষ রেলগেটে ট্রেন আসার সময় একটি কুকুরের ১০ মিনিট ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকার ঘটনা ঘটেছে, সেই রেলগেট ধরে চলা মানুষগুলো বড়ই অস্থির। ছবি: নিউজবাংলা
মাসুম ইসলাম নামে আরেকজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘কুকুরটাকে কেউ শিখিয়ে দেয়নি যে ট্রেন আসলে অপেক্ষা করতে হয়। সে নিজ থেকেই শিখে গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এটা দেখে খুবই ভালো লেগেছে। পুরো দেশবাসী কুকুরের নিয়ম মানার দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছে। কিন্তু যারা প্রাণীটিকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন, তারা কি এ থেকে কোনো কিছু শিখবেন? শিখলে এত বিশৃঙ্খলা কেন?’

নাটোরের যে রেলগেটে ট্রেন আসার সময় একটি কুকুরের ১০ মিনিট ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকার ঘটনা ঘটেছে, সেই রেলগেট ধরে চলা মানুষগুলো বড়ই অস্থির। ধৈর্য দেখে প্রাণীটিকে ব্যাপক প্রশংসায় ভাসানো স্থানীয়রাও ধৈর্য দেখাতে পারছেন না।

মঙ্গলবার সেই কুকুরটির এই কাণ্ডের সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে গণমাধ্যমে। তার পরদিন বুধবার বিকেলে সেই রেলগেটে গিয়ে দেখা যায়, মানুষজন বার ফেলা অবস্থায় হেঁটে, দৌড়ে পার হচ্ছে এমনকি বার উঁচু করে বাহন নিয়ে যাচ্ছে, দুই চাকার বাহনগুলো নানা কায়দা কসরত করে পার করছে।

বিকেল থেকে সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত পরপর কয়েকটি ট্রেন এই রেলগেট পার হয়ে যায়। প্রতিবার ট্রেন আসার আগে সড়কের দুই পাশের বার ফেলে দেয়ার পাশাপাশি বাজতে থাকে সাইরেন। এই সময়ে মানুষজন বারের নিচ বা পাশ দিয়ে বাধা অতিক্রম করে ভোঁ দৌড় দিয়ে রেললাইন পার হতে দেখা যায়। যারা সাইকেল বা মোটরসাইকেলে তারা আবার ‘জরুরি কাজ’, ‘দেখেই পার হয়েছি’, ‘অনেকক্ষণ বার ফেলে রাখা’ জাতীয় নানা যুক্তি দেন।

এক মোটরসাইকেল আরোহী বলেন, তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে গেট নামিয়ে দেয়ার পরও তিনি পার হয়ে এসেছেন। দীর্ঘদিনের অভ্যাসের কারণে তার এটা হয়েছে। তবে তিনি অন্তত তার ভুলটা স্বীকার করেছেন, যা অন্যরা স্বীকারও করেননি।

আরেক সাইকেল আরোহী বলেনন, দ্রুত বাড়ি যেতে হবে। অপেক্ষার সময় নেই তাই গেট নামিয়ে দেয়ার পরও নিচ দিয়ে পার হন।

বেশ কয়েকজন অবশ্য কোনো কথা না বলে হাসি দিয়ে চলে যান।

‘শিখল না কেউ’

নাটোর চামড়া ব্যবসায়ী গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম জানান, ‘চামড়াপট্টি এলাকায় খাবারের সন্ধানে কুকুরের আনাগোনা থাকে। গেল সোমবার বিকেলে এমনই একটি ছন্নছাড়া কুকুর রেলগেটে অপেক্ষা করে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তা সত্যিই অনুকরণীয়। আমাদের সবার তার কাছ থেকে শিক্ষা নেয়া উচিত। কিন্তু মানুষের যে তাড়াহুড়া দেখি, তাতে মনে হয় না তাদের কেউ শেখার কিছু আছে।’

মাসুম ইসলাম নামে আরেকজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘কুকুরটাকে কেউ শিখিয়ে দেয়নি যে ট্রেন আসলে অপেক্ষা করতে হয়। সে নিজ থেকেই শিখে গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এটা দেখে খুবই ভালো লেগেছে। পুরো দেশবাসী কুকুরের নিয়ম মানার দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছে। কিন্তু যারা প্রাণীটিকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন, তারা কি এ থেকে কোনো কিছু শিখবেন? শিখলে এত বিশৃঙ্খলা কেন?’

কুকুরটি কোথায়

স্থানীয়রা জানান, যে কুকুরটি ধৈর্য দেখিয়ে উদাহরণ তৈরি করেছে, সেটি এলাকায় ঘোড়াঘুড়ি করে না। পথকুকুর হিসেবে হয়ত দূরের কোনো জায়গা থেকে এখানে ঘুরতে চলে এসেছিল।

স্থানীয় বাসিন্দা আকরামুল হাছান আক্কু বলেন, ‘এখানে সেখানে ঘুরে বেড়ানো কুকুরটিকে কেউ এই ধৈর্য শিখিয়ে দেয়নি নিশ্চিত। সে নিজেই নিয়ম মেনে চলা শিখেছে। এটা থেকে সবারই শিক্ষাগ্রহণ করা উচিত।’

রেলগেটে অপেক্ষমাণ কুকুটির ছবি তুলেছিলেন নাটোর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর নুরুল ইসলাম নুরু।

গত সোমবারের ঘটনাটি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রাজশাহী থেকে ছেড়ে এসে নাটোর রেলওয়ে স্টেশনে এসে থামে উত্তরা নামে একটি ট্রেন। আগে থেকেই এ স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ঢাকাগামী আরেকটি ট্রেন তখন ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। স্টেশনের কাছাকাছি এলাকায় থাকা একটি রেলগেটে তাই সিগন্যাল ফেলে রাখা হয় প্রায় ১০ মিনিট।

‘ঝুঁকি থাকলেও তার অপেক্ষা না করেই সিগন্যাল অমান্য করছিলেন অসহিষ্ণু অনেকেই। তবে চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিল কুকুরটি। ট্রেনটি রেলগেট অতিক্রম করে যাওয়ার পর গেটম্যান বার তুলে দিলে কুকুরটিও বাম দিক দিয়ে রেললাইন পার হয়ে চলে যায়।’

সোমবার বিকেল ৩টা ৪৭ মিনিটে সিগন্যালে অপেক্ষমাণ ওই কুকুরটির পরপর কয়েকটি ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করেন নুরু। এরপর ছবিটি ভাইরাল হয়ে যায়।

আরও পড়ুন:
সিগন্যালে ১০ মিনিট অপেক্ষা করে কুকুরের অনন্য নজির

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Lack of confidence in EVMs as there is scope for tampering GM Kader

কারচুপির সুযোগ থাকায় ইভিএমে আস্থাহীনতা: জিএম কাদের

কারচুপির সুযোগ থাকায় ইভিএমে আস্থাহীনতা: জিএম কাদের জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদের। ফাইল ছবি
জিএম কাদের বলেন, ‘ইভিএমে ভোট করা সরকারের সিদ্ধান্ত। আসলে সরকার ইভিএমে যেতে পারবে কি না সংশয় আছে। কারণ ইভিএমে মানুষের আস্থা নেই। ইভিএমে ভোট চুরির শঙ্কা আছে। ইভিএমে ফল যাই হোক সেটা জনগণ মানতে বাধ্য হবে, এতে সঠিক নির্বাচন হবে না।’

কারচুপির সুযোগ থাকায় ইভিএমে জনগণের আস্থাহীনতা বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি বলেন, ভোটে ইভিএমের পেছনে যারা থাকেন, তারা সরকারের অধীনেই কাজ করবেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে লালমনিরহাট নার্সিং কলেজের নবীন বরণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এমন মন্তব্য করেন।

জিএম কাদের বলেন, ‘ইভিএমে ভোট করা সরকারের সিদ্ধান্ত। আসলে সরকার ইভিএমে যেতে পারবে কি না সংশয় আছে। কারণ ইভিএমে মানুষের আস্থা নেই। ইভিএমে ভোট চুরির শঙ্কা আছে। ইভিএমে ফল যাই হোক সেটা জনগণ মানতে বাধ্য হবে, এতে সঠিক নির্বাচন হবে না।

‘ইভিএম বিষয়ে কয়কজন বিশেষজ্ঞ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। তারা প্রেস কনফারেন্স করে জানিয়েছেন, মেশিনে সমস্যা আছে। আমরা ইভিএমে ভোট না করার সিদ্ধান্তে বলেছি, ইভিএমে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে না।’

স্বাস্থ্য বিভাগ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতিতে স্বাস্থ্য বিভাগ সবচেয়ে এগিয়ে। দেশের হাসপাতালগুলো অব্যবস্থাপনায় ভরে গেছে। কোথাও ডাক্তার আছে তো এনেস্থেশিয়া নেই, আবার কোথাও এনেস্থেশিয়া আছে তো ডাক্তার নেই। এসব বিষয়ে বার বার স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বলেছি, কোনো কাজ হয়নি।’

একক নির্বাচন করার বিষয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘এ সরকারের অধীনে নির্বাচন করব কি না তা পরে জানাবো, এখনও সেই সময় আসেনি। দল ও জনগণের সঙ্গে কথা বলার পর সিদ্ধান্ত জানাবো।’

জিএম কাদের লালমনিরহাট থেকে নাকি অন্য কোথাও থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন তাও দলের ফোরামে আলোচনা করে জানাবেন।

আরও পড়ুন:
দেশে রাজনীতির পরিবেশ নেই: জি এম কাদের
রাজনীতিতে বিশাল সংকট দেখছে জাপা
রওশন এরশাদকে দেখে দেশে ফিরলেন জি এম কাদের
সীতাকুণ্ডের আগুনে মালিক দায় এড়াতে পারেন না: জি এম কাদের
স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে সিঙ্গাপুরে জি এম কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Nasimon driver arrested with 200 sacks of rice allotted to Mandap
দুর্গাপূজা

মণ্ডপের বরাদ্দ ২০০ বস্তা চালসহ নছিমনচালক আটক

মণ্ডপের বরাদ্দ ২০০ বস্তা চালসহ নছিমনচালক আটক পূজামণ্ডপে বরাদ্দ করা সরকারি চাল পাচারের সময় এক নসিমন চালককে আটক করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
আলফাডাঙ্গা উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। চাল কিসের, কোথায় যাচ্ছিল তা তদন্ত করতে পুলিশকে বলা হয়েছে।’

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপে বরাদ্দ করা ২০০ বস্তা সরকারি চাল পাচারের সময় এক নছিমন চালককে আটক করেছে পুলিশ।

উপজেলার খাদ্য গুদামের সামনে বুধবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আলফাডাঙ্গা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহিদুজ্জামান নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আলফাডাঙ্গা উপজেলায় ৪৭টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা মণ্ডপে বরাদ্দকৃত ২০০ বস্তা চালসহ সোহেল নামের এক নছিমনচালককে আটক করা হয়েছে। আলফাডাঙ্গা থেকে অন্যত্র পাচারের উদ্দেশ্যে তিনটি নছিমনভর্তি চালসহ তাকে আটক করা হয়। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। চাল কিসের, কোথায় যাচ্ছিল, তা তদন্ত করতে পুলিশকে বলা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
রাজ্যবাসীকে বিজয়ার শুভেচ্ছা মমতার
উমার বিদায়বেলা
দুর্গা আসেননি মণ্ডপে, ঝুলছে কালো পতাকা
বরাবরই ব্যতিক্রম টাইগার সংঘের পূজা
দুর্গার প্রতিমা গড়ে আলোচনায় ১৩ বছরের কিশোর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
6 killed in bus crash on Bangabandhu bridge

বাসের ধাক্কায় মাইক্রো চূর্ণ, নিহত ৬

বাসের ধাক্কায় মাইক্রো চূর্ণ, নিহত ৬ বাসের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেছে মাইক্রোটি। ছবি: সংগৃহীত
তাৎক্ষণিকভাবে জানা গেছে, সেতুর পূর্ব পাড়ের গোল চত্বর টোল প্লাজার সামনে একটি বাস মাইক্রোটিকে ধাক্কা দিয়ে সড়কেই উল্টে পড়ে। এতে মাইক্রোটি সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে সড়ক বিভাজকের ওপর উঠে যায়। দুর্ঘটনায় তাৎক্ষণিক ৬ জনের মৃত্যুর খবর জানা গেছে।

টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব পাড়ে বাসের ধাক্কায় একটি মাইক্রোবাস চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছে। এই দুর্ঘটনায় অন্তত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরও বেশ কয়েকজন, যাদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সেতুর পূর্ব পাড়ের গোল চত্বর টোল প্লাজার সামনে বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিসের টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা স্টেশনের সহকারী স্টেশন কর্মকর্তা আতাউল ইসলাম নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন। আহতদের হাসপাতালে পাঠাচ্ছেন।

বাসের ধাক্কায় মাইক্রো চূর্ণ, নিহত ৬

তাৎক্ষণিকভাবে জানা গেছে, সেতুর পূর্ব পাড়ের গোল চত্বর টোল প্লাজার সামনে একটি বাস মাইক্রোটিকে ধাক্কা দিয়ে সড়কেই উল্টে পড়ে। এতে মাইক্রোটি সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে সড়ক বিভাজকের ওপর উঠে যায়।

দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জনের মৃত্যুর খবর জানা গেছে। নিহ‌তদের মধ্যে পাঁচ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন, পাবনার জহিরুল ইসলাম, বগুড়া সদরের জলসিড়িতলার রিফাত আল হাসান, রিফাতের মা মালেকা ভানু রুবি, ছেলে সাজিদ হাসান, কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কুতুম্বপুর গ্রামের মাইক্রোবাস চালক দুলাল মিয়া।

স্থানীয়দের সহযোগিতায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। তাৎক্ষণিক হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা একতা পরিবহনের একটি বাস ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। অপর দিকে টাঙ্গাইল থেকে একটি মাইক্রোবাস আসছিল। গোল চত্বর টোল প্লাজার সামনে এলে বাসটি আইল্যান্ড ভেঙে মাইক্রোটিকে ধাক্কায় দেয়।

‘এতে বাস ও মাইক্রোর সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। হাসপাতালে নেয়ার সময় দুইজন এবং হাসপাতালে নেয়ার পর একজন মারা যান।’

বঙ্গবন্ধু সেতু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

জেলা প্রশাসক আতাউল গণি জানিয়েছেন, এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে সহায়তা দেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন:
নামাজ শেষে বের হয়ে পিকআপ চাপায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের
বিয়ে বাড়ি থেকে ফেরার পথে সড়কে ঝরল ২ প্রাণ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গেল ৩ প্রাণ
বাস উল্টে প্রাণ গেল ২ নারীর , আহত ১৫
নসিমনের ধাক্কায় গেল শিক্ষকের প্রাণ

মন্তব্য

p
উপরে