× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
INTERPA to increase police capacity to combat cyber crime IGP
hear-news
player
google_news print-icon

সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশের সক্ষমতা বাড়াবে ইন্টারপা: আইজিপি

সাইবার-অপরাধ-দমনে-পুলিশের-সক্ষমতা-বাড়াবে-ইন্টারপা-আইজিপি
আইজিপি বেনজীর আহমেদ বুধবার ঢাকায় সোনারগাঁও হোটেলে ইন্টারপা সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। ছবি: নিউজবাংলা
বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘সাইবার অপরাধ বিশ্বে নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অপরাধ মোকাবেলায় প্রয়োজন একটি জোট। এক্ষেত্রে ইন্টারপা সদস্য দেশের পুলিশ সদস্যদের সক্ষমতা বাড়াতে একটি সম্ভাবনাময় সংগঠন।’

ইন্টারপা সম্মেলন সাইবার অপরাধ দমনে সদস্য দেশগুলোর পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াবে বলে উল্লেখ করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক-আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ। তিনি এটিকে একটি সম্ভাবনাময় আন্তর্জাতিক সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বুধবার বিকেলে ১১তম বার্ষিক ইন্টারপা সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন আইজিপি।

তিনি বলেন, ‘সাইবার অপরাধ বিশ্বে নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অপরাধ মোকাবেলা কোনো একক দেশের পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন একটি জোট গঠন এবং বিভিন্ন দেশের পুলিশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো। এক্ষেত্রে ইন্টারপা সদস্য দেশের পুলিশ সদস্যদের সক্ষমতা বাড়াতে একটি সম্ভাবনাময় সংগঠন।

‘ইন্টারপা সম্মেলনে পুলিশের আন্তর্জাতিক সংযুক্তি সাইবার অপরাধ মোকাবেলায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।’

ঢাকায় অনুষ্ঠিত ইন্টারপা’র তিন দিনের সম্মেলনকে সফল আখ্যায়িত করে আইজিপি বলেন, ‘এ সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ ঘটেছে, যা সাইবার জগতে ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।’

বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে বিশ্বব্যাপী মানুষ আজ একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত। সাইবার অপরাধীরা নিজ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করে সাইবার জগতে অপরাধ করছে।

বর্তমান বিশ্বে ডিজিটাল সিস্টেম ও প্লাটফর্ম ব্যবহারের মাধ্যমে যেভাবে অপরাধ বাড়ছে তা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য হুমকি হয়ে উঠছে। এজন্য পুলিশকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা দেয়ার লক্ষ্যে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে।

‘সফলতার সঙ্গে অপরাধ দমন, মোকাবেলা ও তদন্তের জন্য পুলিশিংয়ের ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের বিকল্প নেই। সাইবার অপরাধ বেড়ে যাওয়ায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সাইবার জগতে পুলিশের নিবিড় মনিটরিং প্রত্যাশা করে।’

পুলিশ স্টাফ কলেজ, বাংলাদেশ-এর ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন দেশের পুলিশের প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর আন্তর্জাতিক সংগঠন ইন্টারপা’র তিন দিনব্যাপী ১১তম বার্ষিক সম্মেলন ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকায় শুরু হয়। এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘ডিজিটালাইজেশন অফ পুলিশিং’।

সম্মেলনে বিভিন্ন কর্ম অধিবেশনে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিরা ১৩টি পেপার উপস্থাপন করেন। বিশ্বের ৪৪টি দেশের ১২৭ জন প্রতিনিধি এই সম্মেলনে অংশ নেন। পরবর্তী ইন্টারপা সম্মেলন ২০২৩ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন:
নতুন প্রেরণায় উজ্জীবিত হয়ে দায়িত্ব পালনে আইজিপির আহ্বান
পশুর হাটে ব্যাপারী-ক্রেতাদের খোঁজ নিলেন আইজিপি
‘পুলিশ জনগণের প্রথম-শেষ ভরসার স্থল হতে চায়’
শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন আইজিপি, অর্থ যাবে বন্যার্তদের কাছে
প্রধানমন্ত্রীর সাহসী সিদ্ধান্তে নিজস্ব অর্থায়নে হয়েছে পদ্মা সেতু: আইজিপি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Reserve Theft Investigation Report November 16

রিজার্ভ চুরি: তদন্ত প্রতিবেদন ১৬ নভেম্বর

রিজার্ভ চুরি: তদন্ত প্রতিবেদন ১৬ নভেম্বর রিজার্ভের অর্থ চুরির চার বছর পর ২০২০ সালে মামলা করে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফাইল ছবি
২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে সুইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার হাতিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। পরে ওই টাকা তারা ফিলিপাইনের রিজল ব্যাংকে পাঠিয়ে দেয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার তারিখ পিছিয়ে ১৬ নভেম্বর দিন ঠিক করেছে আদালত।

রোববার এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার দিন ঠিক ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা সিআইডি প্রতিবেদন জমা না দেয়ায় ঢাকা মহানগর হাকিম আরাফাতুল রাকিব নতুন দিন ঠিক করেন।

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে সুইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার হাতিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। পরে ওই টাকা তারা ফিলিপাইনের রিজল ব্যাংকে পাঠিয়ে দেয়।

দেশীয় কোনো চক্রের সহায়তায় হ্যাকার গ্রুপ রিজার্ভের অর্থ পাচার করেছে বলে তদন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ধারণা করেন। এর পেছনে উত্তর কোরীয় হ্যাকারদের সংশ্লিষ্টতার তথ্যও এসেছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে।

এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদা অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মতিঝিল থানায় মামলা করেন।

ওই মামলার তদন্তে নামে সিআইডি। প্রতিবেদন জমা দিতে ২০১৬ সালের ১৯ এপ্রিল প্রথমবারের মতো দিন ঠিক করে আদালত। এর পর থেকে দফায় দফায় পিছিয়েছে প্রতিবেদন জমার তারিখ।

রিজার্ভ থেকে চুরি হয়ে যাওয়া অর্থ উদ্ধার ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আবেদন জানিয়ে ২০২০ সালের ২৭ মে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক কাউন্টি সুপ্রিম কোর্টে রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংক এবং ১৯ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করে বাংলাদেশ। গত বছরের মার্চে সে মামলা খারিজ হয়ে যাওয়ার খবর আসে সংবাদমাধ্যমে।

রিজল ব্যাংক থেকে অর্থ তুলে একটি ক্যাসিনোতে নিয়ে যাওয়ার খবর প্রকাশের পর সেই ক্যাসিনো মালিকের কাছ থেকে দেড় কোটি ডলার উদ্ধার করে বাংলাদেশ সরকারকে বুঝিয়ে দেয় ফিলিপাইন। বাকি অর্থ উদ্ধারে তেমন অগ্রগতি নেই।

আরও পড়ুন:
রিজার্ভ চুরির মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন ২ অক্টোবর
রিজার্ভ চুরি: বাংলাদেশ ব্যাংকের বিরুদ্ধে আরসিবিসির মামলা খারিজ
রিজার্ভ চুরির মামলা খারিজ হয়নি: বাংলাদেশ ব্যাংক
রিজার্ভ চুরি: ৪৯তম বার পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন
রিজার্ভ চুরি, ৪৭ বারেও জমা পড়ল না প্রতিবেদন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Reports of 3 cases of collision in Newmarket are pending

নিউমার্কেটে সংঘর্ষের ৩ মামলার প্রতিবেদন পেছাল

নিউমার্কেটে সংঘর্ষের ৩ মামলার প্রতিবেদন পেছাল নিউমার্কেটে সংঘর্ষে রণক্ষেত্র। ফাইল ছবি
রোববার মামলা তিনটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন পুলিশ প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় ঢাকার মহানগর হাকিম শান্তা আক্তার প্রতিবেদন জমার নতুন তারিখ ঠিক করেন।

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের ঘটনায় করা তিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পিছিয়ে আগামী ৭ নভেম্বর ঠিক করেছে আদালত।

রোববার মামলা তিনটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন পুলিশ প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় ঢাকার মহানগর হাকিম শান্তা আক্তার প্রতিবেদন জমার নতুন তারিখ ঠিক করেন।

মামলা তিনটি হলো ডেলিভারিম্যান নাহিদ হত্যা মামলা, পুলিশের ওপর হামলা মামলা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলা।

গত ১৭ এপ্রিল রাত ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী ও দোকান কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা চলে এ সংঘর্ষ। এরপর রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও পরিদন সকাল ১০টার পর থেকে ফের দফায় দফায় সংঘর্ষ শুরু হয়। যা চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত।

এতে উভয়পক্ষের অর্ধশতাধিক আহত হন। সংঘর্ষের সময় গুরুতর আহত ডেলিভারিম্যান নাহিদ পরে হাসপাতালে মারা যান। এলিফ্যান্ট রোডের একটি কম্পিউটার বিক্রয় প্রতিষ্ঠানের ডেলিভারিম্যান ছিলেন তিনি। আহত হয়ে হাসপাতালে দোকান কর্মচারী মুরসালিনেরও মৃত্যু হয়।

নাহিদের মৃত্যু ঘিরে বিভিন্ন তথ্য ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। দাবি করা হয় ব্যবসায়ী-শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের মাঝে পড়ে প্রাণ হারান তিনি। তবে নিউজবাংলার অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে নাহিদও ওই সংঘর্ষে যোগ দিয়েছিলেন। তার অবস্থান ছিল নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ীদের পক্ষে। একপর্যায়ে বিপরীত দিকে ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের পক্ষে থাকা একদল হেলমেটধারী তরুণ নাহিদকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।

এ ঘটনায় নিহত নাহিদের বাবা মো. নাদিম হোসেন নিউমার্কেট থানায় অজ্ঞাত আসামি উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। মুরসালিন নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা করেন তার ভাই নুর মোহাম্মদ।

এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে দুটি মামলা করে। একটি মামলা বিস্ফোরক আইনে এবং অন্যটি পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে। দুই মামলাতে নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী, কর্মচারী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীসহ মোট ১২০০ জনকে আসামি করা হয়।

আরও পড়ুন:
নিউমার্কেটে সংঘর্ষ: তিন মামলার প্রতিবেদন পিছিয়ে ১৮ জুলাই
নিউমার্কেটে মারামারি শুরু করা দুইজন গ্রেপ্তার
দায়হীন মৃত্যু আর কত?

মন্তব্য

বাংলাদেশ
SSC question leak Two more teachers remanded

এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস: রিমান্ডে আরও দুই শিক্ষক

এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস: রিমান্ডে আরও দুই শিক্ষক রিমান্ড আদেশের পর আমিনুর ও জোবাইরকে আদালত থেকে নেয়া হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি আজাহার আলী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুই আসামির তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলেও শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত তাদের দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে।’

কুড়িগ্রামে এসএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় গ্রেপ্তার ভূরুঙ্গামারী নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বরখাস্ত আরও দুই শিক্ষককে দুই দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

রোববার সকালে কুড়িগ্রামের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক সুমন আলী এ আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সহকারি আইনজীবী দিলরুবা আহমেদ শিখা নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আসামিরা হলেন ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক জোবাইর রহমান ও ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক আমিনুর রহমান রাসেল। এর আগে গত বুধবার মামলার প্রধান আসামি একই বিদ্যালয়ের বরখাস্ত প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব লুৎফর রহমানকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছিল আদালত।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি আজাহার আলী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুই আসামির তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলেও শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত তাদের দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে।

‘প্রধান আসামি লুৎফর রহমান তিন দিনের রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। সেগুলো যাচাই বাছাই করে দেখা হচ্ছে।’

আইনজীবী দিলরুবা আহমেদ বলেন, ‘আসামিরা প্রশ্ন ফাঁস করে দেশ ও জাতির ক্ষতি করেছেন। তাদের সব্বোর্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

২০ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দিনাজপুর বোর্ডের ইংরেজি প্রথম পত্র ও দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠে। এরপর ওই কেন্দ্রের সচিব লুৎফর রহমান জিজ্ঞাসাবাদে প্রশ্নপত্র ফাঁসের কথা স্বীকার করেন। একই সঙ্গে তার কাছে কয়েকদিনের আগাম প্রশ্নপত্র রয়েছে বলে জানান।

এদিন মধ্যরাতে ট্যাগ অফিসার ও কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আদম মালিক চৌধুরী মামলা করেন।

গ্রেপ্তার হন লুৎফর রহমান, ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক আমিনুর রহমান, ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক জোবাইর রহমান, কৃষি বিজ্ঞানের শিক্ষক হামিদুল ইসলাম, বাংলা বিষয়ের শিক্ষক সোহের চৌধুরী ও অফিস সহায়ক সুজন মিয়া। এই ঘটনার পর ওই বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মো. আবু হানিফ পলাতক রয়েছেন।

এদের সবাইকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার দুই দিন পর কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমান বরখাস্ত হন।

আরও পড়ুন:
পরীক্ষার হলে ফেসবুক লাইভ, ২ এসএসসি পরীক্ষার্থী বহিষ্কার
‘ভূরুঙ্গামারীর ইউএনওর অবহেলায়’ এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস
প্রশ্নফাঁস: কুড়িগ্রামের উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরখাস্ত
দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন ২ ঘণ্টা পরই
এসএসসি: দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত ৪ বিষয়ের সূচি ঘোষণা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Accused of raping a girl locked in a room and torturing another child

কক্ষে আটকে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, নির্যাতন আরেক শিশুকে

কক্ষে আটকে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, নির্যাতন আরেক শিশুকে প্রতীকী ছবি
আশুলিয়া থানার এসআই কাজী নাসের নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ওই কিশোরী তাকে একাধিকবার ধর্ষণের কথা আমাদের বলেছে। তবে শিশুটি রাতে তাকে মারধরের কথা বললেও পরে অন্য রকম বলেছে। ওই দুজনকে থানায় আনা হয়েছে। তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।’

ঢাকার সাভারে এক কিশোরীকে কক্ষে আটকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা আরেক শিশুকেও আটকে নির্যাতন ও ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়।

শনিবারের এ ঘটনায় ওই দিনই গভীর রাতে উপজেলার আশুলিয়ার পূর্ব ডেন্ডাবর এলাকা থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়।

আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাজু মণ্ডল রোববার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তবে মূল অভিযুক্ত মো. ইমনকে আটকের কথা জানালেও বাকিদের পরিচয় নিশ্চিত করেননি তিনি।

১৫ বছর বয়সী কিশোরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার বোন এখানে ভাড়া বাসায় থেকে একটি গার্মেন্টেসে চাকরি করে। বৃহস্পতিবার আমি আশুলিয়ায় বোনের বাসায় বেড়াতে আসি।

‘ওই দিন রাতে বাসার পাশে একটি দোকানে মোবাইলে টাকা তুলতে গেলে কৌশলে ইমন নামের এক ছেলে আমার নম্বর জেনে নেয়। পরে শনিবার রাতে সে আমাকে ফোন করে ফুসলিয়ে বাসার সামনে ডেকে নেয়। এর আগেও বোনের বাসায় এসে তার সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘পরে ইমন পাশেই তার বন্ধু আশরাফুলের বাড়িতে আমাকে কৌশলে নিয়ে যায়। এ সময় আমার পাশের বাসার একটা শিশু মেয়ে সঙ্গে ছিল।’

কিশোরী আরও বলেন, ‘কক্ষে ঢোকার পর ইমনসহ তিনজন ভেতর থেকে দরজা আটকে দেয়। এ সময় তারা আমাকে ধর্ষণ করে। একই সময় আমার সঙ্গী শিশুটিকে আরেক কক্ষে আটকে রাখে আরেকজন। পরে আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে কক্ষের দরজা বাইরে থেকে তালা দিয়ে চলে যায় তারা। আমার চিৎকারে বাসার এক ভাড়াটিয়া তালা ভেঙে আমাদের উদ্ধার করে।’

১১ বছর বয়সী ওই শিশুর বাবা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রোববার এলাকার লোকজন আমারে ডাইকা ঘটনা বলে। পরে মাইয়া আমারে বলছে, ওরে ঘরে আটকাইয়া মারধর করছে।’

শিশুটির প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘শনিবার বিকেলে ওই কিশোরী ও শিশুর কাছে ঘটনা শুনে রাতে ৯৯৯ নম্বরে কল করে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। রাতেই পুলিশ বাড়ির মালিক আশরাফুল, ইমনসহ পাঁচজনকে আটক করে নিয়ে যায়।’

আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কাজী নাসের নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ওই কিশোরী তাকে একাধিকবার ধর্ষণের কথা আমাদের বলেছে। তবে শিশুটি রাতে তাকে মারধরের কথা বললেও পরে অন্য রকম বলেছে। ওই দুজনকে থানায় আনা হয়েছে। তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।’

আটকের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ধর্ষণের অভিযোগে রাতেই পাঁচজনকে থানায় নিয়ে এসেছি। এ ঘটনায় মামলার কার্যক্রম চলছে।’

আরও পড়ুন:
স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার ২
ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসার শিক্ষককে পিটুনি
ধর্ষণের পর হত্যায় ১১ বছর পর ৯ জনের যাবজ্জীবন
বাজার কারসাজি: শীর্ষ আরও ৩৬ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ধর্ষণের অভিযোগে ওয়ার্ডবয় গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bodies of mother and 2 children recovered in Belkuchi

বেলকুচিতে মা ও ২ সন্তানের মরদেহ উদ্ধার

বেলকুচিতে মা ও ২ সন্তানের মরদেহ উদ্ধার সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে মা ও দুই সন্তানের লাশ উদ্ধারের সময় এলাকাবাসী ভিড় জমায়। ছবি: নিউজবাংলা
স্থানীয় জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মবুপুর গ্রামের বাসিন্দা সুলতান আলী বহু বিয়েতে আসক্ত। কিছুদিন আগে তিনি জেলখানা থেকে বেরিয়ে আসেন। তিনদিন আগেও তাকে আমরা এখানে দেখেছি। আমাদের ধারণা, সুলতান লোকজন নিয়ে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করেছেন।’

সিরাজগঞ্জে মা ও দুই সন্তানের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। বেলকুচি উপজেলার মবুপুরে নিজ বাড়ির তালাবদ্ধ ঘর থেকে শনিবার মরদেহগুলো উদ্ধার করে পুলিশ। তারা হলেন স্থানীয় সুলতান আলীর স্ত্রী রওশন আরা বেগম এবং তার দুই সন্তান জিহাদ ও মাহিম।

চল্লিশোর্ধ্ব রওশনের দুই সন্তানের মধ্যে একজনের বয়স ১০ ও আরেকজনের বয়স চার বছর।

স্থানীয় লোকজন ও রওশনের স্বজনদের দাবি, সুলতান আলী তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে পালিয়েছে।

স্থানীয় জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মবুপুর গ্রামের বাসিন্দা সুলতান আলী বহু বিয়েতে আসক্ত। কিছুদিন আগে তিনি জেলখানা থেকে বেরিয়ে আসেন। তিন দিন আগেও তাকে আমরা দেখেছি। আমাদের ধারণা, সুলতান লোকজন নিয়ে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছেন।’

জাহিদুল জানান, সুলতানের বাড়ি ফাঁকা জায়গায় হওয়ায় ওদিকে মানুষের চলাফেরা কম। শনিবার বিকেলে রওশন আরার বোন বেলাল হোসেনের স্ত্রী লিলি খাতুন ওই বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা তালাবদ্ধ দেখতে পান। তখন ঘরের ভেতর থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। পরে স্থানীয়দের ডেকে এনে তালা ভেঙে ভেতরে তার বোন ও দুই ভাগনের লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধারে তৎপর হয়।

লিলি খাতুন বলেন, ‘আমার বড় বোন রওশন আরা পাশের গ্রামে তাঁত কারখানায় সুতা মরাইয়ের কাজ করতেন। তিন দিন ধরে তিনি কাজে না যাওয়ায় মহাজন আজ (শনিবার) সকালে আমাকে ফোন দিয়ে খোঁজ নিতে বলেন।

‘আমি বিকেলে বোনের বাড়িতে এসে দেখি ঘরে তালা। খোলা থাকা জানালা দিয়ে উঁকি দিলে দুর্গন্ধ ভেসে আসে। পরে পাশের কয়েকজনকে ডেকে এনে তালা ভেঙে দেখি আমার বোন আর ভাগনেদের লাশ পড়ে আছে।’

লিলি বলেন, ‘আমার বোনের জামাই খালি বিয়া করে। সে এখানে মাঝে মাঝে আসে। সে জেলে ছিল। কবে বের হয়েছে জানি না। তবে সবাই বলতেছে যে সে কয়েক দিন আগে এখানে এসেছিল। দুলাভাই মনে হয় লোকজন নিয়ে ওদেরকে মেরে ফেলেছে। আমি এই হত্যার বিচার চাই।’

বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজমিলুর রহমান বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা পচে যাওয়া লাশগুলো উদ্ধারের চেষ্টা করছি। সিরাজগঞ্জ সদর থেকে সিআইডি টিম আসছে। তারা আসার পর লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠাব। ময়নাতদন্তের পর হত্যার কারণ জানা যাবে।’

আরও পড়ুন:
বাফুফের মাঠে যুবকের মরদেহ
মুগদায় বাসা থেকে শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
উত্তরায় তরুণীর মরদেহ উদ্ধার
ফ্যানে ঝুলছিল প্রাথমিক স্কুলছাত্রীর মরদেহ
বাসায় নার্সের মরদেহ, স্বামী পলাতক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mutilated body in locked room

তালাবদ্ধ ঘরে পুরুষাঙ্গ কাটা মরদেহ

তালাবদ্ধ ঘরে পুরুষাঙ্গ কাটা মরদেহ প্রতীকী ছবি
দুই হাত না থাকা ফজল মিয়া রাজধানীতে ভিক্ষা করতেন। তিনি দুই বিয়ে করেছেন। একটা ছেলেসন্তান নিয়ে প্রথম স্ত্রী গ্রামে থাকেন। ঢাকায় তিনি দ্বিতীয় স্ত্রী নিয়ে থাকতেন। পুরুষাঙ্গ কাটা মরদেহ উদ্ধারের পর ফজলের দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্ধান মিলছে না। পুলিশ তাকে খুঁজছে।

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে ফজল মিয়া নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গলায় গামছা প্যাঁচানোর পাশাপাশি পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সী ফজলের পুরুষাঙ্গ কাটা অবস্থায় পাওয়া যায়।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কামরাঙ্গীরচর ভান্ডারি মোড়ের ভাড়া বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য তা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কামরাঙ্গীরচর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অনিরুদ্ধ রায় বলেন, ‘বাড়িটির দ্বিতীয় তলার একটি ঘর থেকে পচা গন্ধ পেয়ে লোকজন থানায় খবর দেন। গলায় গামছা প্যাঁচানো ও পুরুষাঙ্গ কাটা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়। দুই-তিন দিন আগে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

‘মাত্র গত সপ্তাহে ফজল মিয়া এ বাড়িতে আসেন বলে অন্য ভাড়াটিয়ারা জানান। তার দুই হাত ছিল না বলে ভিক্ষাবৃত্তি করতেন বলেও শোনা গেছে। তাকে কে এবং কেন হত্যা করেছে, সে ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যায়নি।’

ফজল মিয়ার ভাই সাজু মিয়া বলেন, ‘আমার ভাই দুই বিয়ে করেছেন। একটা ছেলেসন্তান নিয়ে প্রথম স্ত্রী গ্রামে থাকেন। ঢাকায় দ্বিতীয় স্ত্রী নিয়ে থাকতেন। শারীরিক প্রতিবন্ধী হলেও আমার ভাই দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় ভিক্ষাবৃত্তি করেন এবং দুই সংসারে খরচ দেন।

‘দ্বিতীয় স্ত্রীর আরেকটি বিয়ে হয়েছিল আগে, সেই স্বামীর দুটি সন্তান নিয়ে বিয়ে করেন ফজলকে। মরদেহ উদ্ধারের পর ফজলের দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্ধান মিলছে না। পুলিশ তাকে খুঁজছে।’

নিহত ফজলের বাড়ি রংপুর জেলার কাউনিয়া থানায়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেয়া হবে বলে জানান স্বজনরা।

পুলিশ জানায়, ফজল হত্যার ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। তার কথিত দ্বিতীয় স্ত্রীকে খোঁজা হচ্ছে। তার মাধ্যমেই পুরুষাঙ্গ কর্তন ও হত্যার রহস্য জানা যাবে বলে মনে করছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
লিঙ্গ কাটায় আটক স্ত্রী
মাদ্রাসাশিক্ষকের পুরুষাঙ্গ কর্তন, ছাত্র আটক
পুরুষাঙ্গ কেটে নিলেন ভাবি
‘প্রেমিকের’ পুরুষাঙ্গ কর্তন, আটক তরুণী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Attempt to rob a businessman

ব্যবসায়ীকে গুলি, ছিনতাইয়ের চেষ্টা

ব্যবসায়ীকে গুলি, ছিনতাইয়ের চেষ্টা গুলিবিদ্ধ শামসকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
পাবনা সদর থানার ওসি জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। শামসের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি আশংকামুক্ত। ছিনতাই চেষ্টার ঘটনা তদন্তে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নেমেছে।

পাবনা সদরে শামস ইকবাল নামে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৫ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছে ছিনতাইকারীরা। ব্যবসায়ীর সাহসিকতায় তারা টাকা নিতে পারেনি। গুলিবিদ্ধ শামসকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার রাজাপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

শামস গ্রামীণ ফোনের আঞ্চলিক ডিলার। তার বাড়ি সদর উপজেলার মালঞ্চি গ্রামে।

গুলিবিদ্ধ শামস জানান, রাতে তিনি আতাইকুলা এলাকা থেকে ব্যবসায়িক লেনদেনের ১৫ লাখ টাকা নিয়ে মোটরসাইকেলে পাবনায় ফিরছিলেন। রাজাপুর এলাকায় একটি এলপিজি গ্যাস স্টেশনের সামনে পেছন থেকে হানা দেয়া মোটরসাইকেল আরোহীরা তার টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। তিনি দ্রুত সামনে এগিয়ে গেলে ছিনতাইকারীরা কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে তার বাম হাতে গুলিবিদ্ধ হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনি না থেমে সামনে এগিয়ে গেলে ছিনতাইকারীরা সরে পড়ে।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

পাবনা সদর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জুয়েল জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। শামসের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি আশংকামুক্ত। ছিনতাই চেষ্টার ঘটনা তদন্তে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নেমেছে। সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি পাবনায় ছিনতাইকারীদের তৎপরতা বেড়েছে। এক মাসে আলাদা ঘটনায় কয়েকজন ব্যবসায়ীর ১৩ লাখ টাকা ছিনতাই হয়েছে। শহরের শিবরামপুর, কালাচাঁদপাড়া ও শালগাড়ীয়া এলাকায় দিনে দুপুরেও ঘটছে ছিনতাইয়ের ঘটনা।

আরও পড়ুন:
অনুশীলনকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে বিজিবি সদস্যের মৃত্যু
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলি, এপিবিএন সদস্য গুলিবিদ্ধ
কাপ্তাইয়ের জঙ্গলে গুলিবিদ্ধ লাশ
ধনবাড়ীতে বিএন‌পি-পুলিশ সংঘর্ষ গুলি, আহত ৮
উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হেড মাঝিসহ ৩ জন গুলিবিদ্ধ

মন্তব্য

p
উপরে