× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Mayor Tapass initiative to reform small and large land holdings due to negligence
hear-news
player
google_news print-icon

অবহেলায় দখল ছোট ও বড় কাটরা, সংস্কারের উদ্যোগ মেয়র তাপসের

অবহেলায়-দখল-ছোট-ও-বড়-কাটরা-সংস্কারের-উদ্যোগ-মেয়র-তাপসের
ছোট ও বড় কাটরা দখলমুক্ত করে সংরক্ষণ করার কথা জানান মেয়র তাপস। ছবি: সংগৃহীত
তাপস বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন বিভিন্ন সময়, বিভিন্ন গোষ্ঠী-স্বার্থান্বেষী মহল বিভিন্নভাবে এটা দখল করেছে, ভেঙে ফেলেছে, নষ্ট করেছে। আমরা আর এটা নষ্ট করতে দেব না। পুরোটা নিয়েই আমরা এটা পূর্ণ সংস্কার, সংরক্ষণের কার্যক্রম হাতে নেব।’

ছোট কাটরা ও বড় কাটরার পূর্ণ সংস্কার এবং সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

বুধবার দুপুরে ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা বড় কাটরা, তৎসংলগ্ন এলাকা এবং ছোট কাটরা পরিদর্শন শেষে এ কথা জানান মেয়র।

তাপস বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন বিভিন্ন সময়, বিভিন্ন গোষ্ঠী-স্বার্থান্বেষী মহল বিভিন্নভাবে এটা দখল করেছে, ভেঙে ফেলেছে, নষ্ট করেছে। আমরা আর এটা নষ্ট করতে দেব না। পুরোটা নিয়েই আমরা এটা পূর্ণ সংস্কার, সংরক্ষণের কার্যক্রম হাতে নেব।’

ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা হওয়ার পরও কীভাবে এটা ভাঙা হয়েছে তা খতিয়ে দেখার ঘোষণা দিয়ে মেয়র বলেন, ‘আমাদের ঐতিহ্যের ঢাকার মূল স্থাপনার একটি বড় অংশ বড় কাটারা ও ছোট কাটারা।

‘গত পরশু দিন পত্রিকায় দেখলাম সেই বড় কাটরার একটি অংশ এক ব্যক্তি ভেঙে ফেলছে। সেটা দেখে আমি অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছি। আমি সঙ্গে সঙ্গেই নির্দেশনা দিয়েছি, যাতে আর কোনো অংশ ভাঙা না হয়। স্থাপনাটি যেন সিলগালা করে দেয়া হয়। এরপর আমরা প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, জেলা প্রশাসনের সঙ্গেও যোগাযোগ করছি। কীভাবে এটা সম্ভব হলো আমরা সেটা খতিয়ে দেখব।’

এক প্রশ্নের উত্তরে শেখ তাপস বলেন, ‘এটা মোগল সাম্রাজ্যের সময়ে মীর আবদুল কাশেম এবং শায়েস্তা খান নির্মাণ করেছেন। পরে এটা সরকারের হাতেই ন্যস্ত হওয়ার কথা। হয় জেলা প্রশাসনে হবে, না হলে সিটি করপোরেশনে ন্যস্ত হবে। না হলে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ অথবা গণপূর্তের অধীনে ন্যস্ত হবে। এটা সরকারের বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’

এটা সরকারি সংস্থাগুলোর অবহেলাতেও এমন হয়ে থাকতে পারে বলেও জানান তিনি।

তাই এগুলো যেকোনো উপায়েই হোক সংরক্ষণ করা হবে জানিয়ে তাপস বলেন, ‘এগুলো যেভাবেই হোক, যত বড় স্বার্থন্বেষী মহলই থাকুক না কেন, আমরা এটা সংরক্ষণ করব।’

মেয়র এ সময় বড় কাটরা এলাকার সংশ্লিষ্ট স্থাপনার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বলেও জানান।

তার আগে মেয়র তাপস কাঁচপুরে আন্তজেলা বাস টার্মিনালের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন। আগামী দুই বছরের মধ্যে চট্টগ্রাম-সিলেট বিভাগের বাসযাত্রীদের প্রাথমিক যাত্রীসেবা দেয়ার আশাবাদ জানান তিনি।

করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক সাবিহা পারভীন, করপোরেশনের সচিব আকরামুজ্জামানসহ অন্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Aamir who made 300 people unconscious at the airport is now caught

বিমানবন্দরে ৩০০ জনকে অজ্ঞান করা আমির এবার ধরা

বিমানবন্দরে ৩০০ জনকে অজ্ঞান করা আমির এবার ধরা র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার চারজন। ছবি: নিউজবাংলা
চক্রের সদস্যদের সম্পর্কে খন্দকার আল মঈম জানান, আমির হোসেন বিমানবন্দর কেন্দ্রিক ওই অজ্ঞান পার্টি চক্রের মূলহোতা। সে মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা করে। পরবর্তীতে বিমানবন্দর এলাকায় একটি ফাস্টফুডের দোকানে চাকরি আড়ালে গত ১৫ বছর ধরে এই অপকর্মে জড়িত।

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকেন্দ্রিক অজ্ঞান পার্টি চক্রের মূলহোতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

র‌্যাব বলছে, প্রায় ৩০০ জনকে অজ্ঞান করেছে চক্রটি। ১৫ বছর ধরে এ এলাকায় সক্রিয় তারা। শনিবার রাজধানীর বিমানবন্দর ও কদমতলী এলাকায় র‌্যাব-১ তাদের ধরতে অভিযান চালায়।

চক্রের মূল হোতা মো. আমির হোসেন। তার বাড়ি বরিশাল জেলায়। গ্রেপ্তার অন্য তিনজন হলেন মো. লিটন মিয়া ওরফে মিল্টন, আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে পারভেজ এবং জাকির হোসেন। তাদের বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, অজ্ঞান করার কাজে ব্যবহৃত ট্যাবলেট, যাত্রীর ছদ্মবেশ ধারণে ব্যবহৃত লাগেজ ও চোরাই স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।

রোববার দুপুরে কারওয়ানবাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ সব তথ্য জানান র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

দীর্ঘ সময় ধরে চক্রটি প্রায় ৩০০ প্রবাসীকে কৌশলে অজ্ঞান করে সর্বস্ব লুট করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘গত ২ সেপ্টেম্বর একজন কুয়েত প্রবাসী হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। এরপর চক্রটির একজন সদস্য বিমানবন্দর থেকে ওই প্রবাসীকে অনুসরণ করতে থাকে।

‘ওই ব্যক্তি আজমপুর বাস স্ট্যান্ডে উত্তরবঙ্গগামী বাস কাউন্টারে টিকিট কাটতে গেলে কাউন্টারের পাশে আগে থেকেই যাত্রীর ছদ্মবেশে অনস্থান করছিল চক্রের মূল হোতা আমির হোসেন। আমির হোসেন তাকে তার কাছে থাকা অতিরিক্ত বাসের টিকিট বিক্রি করেন।’

র‌্যাব কর্মকর্তা খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘আমির তার সঙ্গে থাকা একটি লাগেজ ও কিছু কুয়েতি দিনার দেখিয়ে ওই ব্যক্তির কাছে নিজেকে প্রবাসী পরিচয় দিয়ে এক সঙ্গে বাসে উঠে এক পর্যায়ে চেতনানাশক ওষুধ মেশানো বিস্কুট খেতে দেন।

‘পরে বিস্কুট খাওয়ার পর ওই প্রবাসী অজ্ঞান হয়ে যান। এরপর চক্রটি তার সব মালামাল লুট করে নিয়ে মাঝপথে বাস থেকে নেমে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রবাসী গত ৬ সেপ্টেম্বর উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা করেন।’

চক্রের সদস্যদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র‌্যাব মুখপাত্র জানান, সংঘবদ্ধ অজ্ঞান পার্টির এই চক্রের সদস্য সংখ্যা ৮-১০ জন। তারা বিভিন্ন পেশার আড়ালে গত ১৫ বছর ধরে হাতে পাসপোর্ট ও লাগেজ নিয়ে প্রবাস ফেরত যাত্রীর ছদ্মবেশ ধারণ করে এসব করতো।

চক্রের সদস্যদের সম্পর্কে খন্দকার আল মঈম জানান, আমির হোসেন বিমানবন্দর কেন্দ্রিক ওই অজ্ঞান পার্টি চক্রের মূলহোতা। সে মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা করে। পরবর্তীতে বিমানবন্দর এলাকায় একটি ফাস্টফুডের দোকানে চাকরি আড়ালে গত ১৫ বছর ধরে এই অপকর্মে জড়িত।

আমির হোসেনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ১৫টির বেশি মামলা রয়েছে এবং সে একাধিকবার কারাভোগ করে জামিনে ছিল। লিটন তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশুনা করে। সে মাইক্রোবাসের চালক হিসেবে পরিচিত হলেও ওই পেশার আড়ালে গত ৩-৪ বছর ধরে আমিরের অন্যতম সহযোগী হিসেবে কাজ করে আসছে।

র‌্যাব কর্মকর্তা আরও জানান, জাকির হোসেন ছাপাখানার ঠিকাদার হিসেবে কাজ করে। আবু বক্কর ৮-৯ বছর বিভিন্ন জুয়েলারি দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করত। চক্রের আরও ৬-৭ জন বিভিন্ন সময়ে যুক্ত ছিলো যারা বর্তমানে কারাগারে।

আরও পড়ুন:
বাধ্য না হলে র‌্যাব গুলি ছোড়ে না: বিদায়ী ডিজি
নিষেধাজ্ঞা নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আয়ুর্বেদিক ওষুধের নামে মাদক বিক্রি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Donations to schools and colleges are being eaten by rats Shahnawaz

স্কুল-কলেজে অনুদান ইঁদুরে খেয়ে ফেলছে: শাহনাওয়াজ

স্কুল-কলেজে অনুদান ইঁদুরে খেয়ে ফেলছে: শাহনাওয়াজ জাতীয় প্রেস ক্লাবে রোববার বাবেশিকফো আয়োজিত ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষায় বৈষম্য দূরীকরণ ও শিক্ষার মানোন্নয়নের একমাত্র উপায় জাতীয়করণ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তব্য দেন অধ্যাপক এ কে এম শাহনাওয়াজ। ছবি: নিউজবাংলা
আলোচনায় একাধিক বক্তার বক্তব্যের বিষয়ে অধ্যাপক শাহনাওয়াজ বলেন, ‘আপনারা শিক্ষকরা একটু আগে ইঙ্গিত দিলেন আপনাদের গভর্নিং বডি নিয়ে। আমি জানি সেগুলো। এই গভর্নিং বডির পেছনে দাঁড়িয়ে আছেন যারা, যাদের অঙুলি হেলনে এই কমিটিগুলো হয়...আপনাদের যে অনুদান আসে স্কুল ও কলেজে, সেটা তো মাঝখানে ইঁদুরে খেয়ে ফেলছে। এই ইঁদুরে খেয়ে ফেলাটাও একটি পরিকল্পনার অংশ বলে আমি মনে করি।’

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানগুলোতে আসা অনুদান ইঁদুর খেয়ে ফেলছে বলে অভিযোগ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে রোববার বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম (বাবেশিকফো) আয়োজিত ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষায় বৈষম্য দূরীকরণ ও শিক্ষার মানোন্নয়নের একমাত্র উপায় জাতীয়করণ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ অভিযোগ করেন।

আলোচনায় একাধিক বক্তার বক্তব্যের বিষয়ে শাহনাওয়াজ বলেন, ‘আপনারা শিক্ষকরা একটু আগে ইঙ্গিত দিলেন আপনাদের গভর্নিং বডি নিয়ে। আমি জানি সেগুলো। এই গভর্নিং বডির পেছনে দাঁড়িয়ে আছেন যারা, যাদের অঙুলি হেলনে এই কমিটিগুলো হয়...আপনাদের যে অনুদান আসে স্কুল ও কলেজে, সেটা তো মাঝখানে ইঁদুরে খেয়ে ফেলছে। এই ইঁদুরে খেয়ে ফেলাটাও একটি পরিকল্পনার অংশ বলে আমি মনে করি।’

বাংলাদেশের সরকারগুলো শিক্ষাবান্ধব নয় অভিযোগ করে জাবির এ শিক্ষক বলেন, ‘সাড়ে ১২ হাজার টাকা বেতন দেয়। আর ১ হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া দেয়। এতে এখন মুরগির খোঁয়াড়ও ভাড়া পাওয়া যায় না। শিক্ষককে ভিক্ষুক মনে করা কেন? আমাদের সরকারগুলো মোটেই শিক্ষাবান্ধব নয়। বক্তৃতায় উনারা যা-ই বলুন।’

তিনি বলেন, ‘আগেও আমরা দেখছি, শিক্ষকরা দিনের পর দিন এই দাবিতে পথে আন্দোলন করেছে, কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। এটাই দুঃখজনক।’

আলোচনায় লিখিত বক্তব্যে বাবেশিকফোর সভাপতি অধ্যক্ষ মো. মাইন উদ্দিন বলেন, এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ সুপারিশ করলেও এ নিয়ে উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। এ অবস্থায় এমপিওভুক্তদের জাতীয়করণ জরুরি।

তিনি বলেন, ‘জাতীয়করণ করা হলে গ্রামের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী লাভবান হবে। মেধাবীরা এই পেশায় আরও এগিয়ে আসবে। প্রতিষ্ঠানের ফান্ড থেকেই এটি বাস্তবায়ন সম্ভব।’

মাইন আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উন্নয়নে কাজ করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় এমপিও শিক্ষা জাতীয়করণ সময়ের দাবি।’

আরও পড়ুন:
কুরুচিপূর্ণ আচরণের অভিযোগে শিক্ষকের অপসারণ চেয়ে বিক্ষোভ
বিয়ে না করেও সন্তানের শিক্ষাভাতা তোলেন শিক্ষক
বেত্রাঘাত করায় কলেজশিক্ষকের নামে মামলা
প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সহকারীকে মারধরের অভিযোগ
অন্যের সন্তান দেখিয়ে মাতৃত্বকালীন ছুটি: শিক্ষক বরখাস্ত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
He died under the train on the railway line with his headphones on

হেডফোন কানে রেললাইনে, ট্রেনের নিচে গেল প্রাণ

হেডফোন কানে রেললাইনে, ট্রেনের নিচে গেল প্রাণ এই রেললাইনে ঘটেছে ট্রেন দুর্ঘটনা। ছবি: নিউজবাংলা
বিমানবন্দর রেলস্টেশনের পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক কামরুল হাসান বলেন, ‘কানে হেডফোন লাগিয়ে কসাইবাড়ী রেললাইন দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় কসাইবাড়ী রেল গেটের সামনে একটি ট্রেনে কাটা পড়েন ওই শিক্ষার্থী। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।’

রাজধানীর দক্ষিণখানে ট্রেনে কাটা পড়ে এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার দুপুর ২টার দিকে কসাইবাড়ী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

১৯ বছর বয়সী রাফিন আহমেদ উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীর মিয়াবাড়ী গ্রামের সোহেল আহমেদের ছেলে।

বিমানবন্দর রেলস্টেশনের পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসান বলেন, ‘কানে হেডফোন লাগিয়ে কসাইবাড়ী রেললাইন দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় কসাইবাড়ী রেল গেটের সামনে একটি ট্রেনে কাটা পড়েন ওই শিক্ষার্থী। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

‘কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
বাবার সামনে ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রের
ট্রেনে কাটা পড়ে পথচারীর মৃত্যু
ট্রেনে কাটা পড়ল শিশুর হাত, মায়ের পা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Cafeteria for rent in Bahadur Shah Park

বাহাদুর শাহ পার্কে ইজারায় ক্যাফেটেরিয়া!

বাহাদুর শাহ পার্কে ইজারায় ক্যাফেটেরিয়া!
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) বলছে, তারা পার্ক পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের স্বার্থে এটি ইজারা দিয়েছে। সেই সঙ্গে পার্কের মাঝখানে একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে ক্যাফেটেরিয়া তৈরির অনুমতি দেয়া হয়েছে।

পুরান ঢাকায় কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা বাহাদুরশাহ পার্ক ইজারা দেয়া হয়েছে। ইজারা পেয়ে সেখানে নির্মাণ করা হচ্ছে ক্যাফেটেরিয়া। হাঁটাচলার জায়গায় এই পার্কের ভেতরে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান করায় প্রতিবাদ জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী। তারা এটি বন্ধে গণস্বাক্ষর অভিযান শুরু করেছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) বলছে, তারা পার্ক পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের স্বার্থে এটি ইজারা দিয়েছে। সেই সঙ্গে পার্কের মাঝখানে একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে ক্যাফেটেরিয়া তৈরির অনুমতি দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে এলাকাবাসী ক্যাফেটেরিয়া তৈরির কাজ বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে। নির্মীয়মান ক্যাফের মূল কাঠামোটি তারা ভেঙে দেয়। এ ছাড়া শুক্রবার সকালে পার্ক ঘিরে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে বাহাদুর শাহ পার্ক সংরক্ষণ পরিষদ নামের একটি সংগঠন। ঐতিহাসিক এ স্থাপনার মধ্যে স্থায়ীভাবে খাবারের দোকান নির্মাণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে সমালোচনা করছেন।

বাহাদুর শাহ পার্কের অবস্থান সদরঘাট ও লক্ষ্মীবাজারের ঠিক মাথায় পুরান ঢাকার খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থানে। এর চারপাশ ঘিরে সাতটি রাস্তার প্রবেশপথ। চারপাশে রয়েছে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, সেন্ট থমাস চার্চ ও ঢাকায় প্রথম পানি সরবরাহ করার জন্য তৈরি ট্যাংক।

এর দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, উত্তর-পশ্চিম দিকে ঢাকার জজকোর্ট। আরও অনেক জনগুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যমণি হয়ে থাকা এ পার্ক ধারণ করে আছে বাংলার স্বাধীনতা আন্দোলনের সমৃদ্ধ ইতিহাস। ১৮৫৭ সালে সিপাহি বিদ্রোহের সময় শত শত সিপাহি এবং তাদের বেসামরিক সহযোগীদের এই পার্কে জনসমক্ষে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়।

বাহাদুর শাহ পার্কে ইজারায় ক্যাফেটেরিয়া!

২০২০ সালের এপ্রিল মাসে পার্কটি আধুনিকায়ন করে নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। ঐতিহ্যবাহী এই পার্কে পথচারীদের জন্য হাঁটার পথ, গণশৌচাগার, বেঞ্চ, সবুজ উদ্যান, অ্যাম্ফিথিয়েটার গ্যালারি, পার্কিং নির্মাণ করা হয়। নাগরিকরা যাতে ২৪ ঘণ্টা পার্কটি ব্যবহার করতে পারে, এ জন্য আলোর ব্যবস্থা করা হয়। বৃষ্টির পানি অপসারণে পার্কের চারপাশে চার ফুট গভীর ড্রেন করা হয়। পার্কের মেঝেতে বিছানো হয় নুড়িপাথর। ৮৫ দশমিক ৩ কাঠা আয়তনের এই পার্ক সংস্কারে ডিএসসিসির ব্যয় হয় ৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকা।

ব্যস্ত শহরে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে আশপাশের অনেকেই এখানে নিয়মিত আসে। অনেকে সকাল-বিকাল-রাতের বেলা নিয়ম করে হাঁটে এখানে। শতাধিক লোককে পার্কে শরীরচর্চা করতে দেখা যায়।

এমনিতেই পার্কের নিরাপত্তা নিয়ে এলাকাবাসীর সংশয় আছে। আগে লোহার গ্রিল দিয়ে পুরো পার্ক আটকানো থাকলেও এখন পুরোটা খোলা। ফলে পার্কে আসা মানুষদের প্রায়ই পড়তে হয় ছিনতাইকারীদের কবলে। সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার পর থেকে পার্কে বেড়েছে নানা ধরনের অপরাধ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্মৃতিসৌধের ওপরে চলে মাদকের আড্ডা।

বর্তমানে আশপাশে ভ্রাম্যমাণ হকার খাবারের পসরা সাজিয়ে বসায় এমনিতেই পার্কের চারপাশের সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার পথে। নিয়মিত পার্কে আসা লোকজন বলছে, স্থায়ীভাবে এখানে খাবারের দোকান হলে পার্কের সৌন্দর্য পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাবে। তখন মানুষের হাঁটাচলা করার সুযোগও আর থাকবে না। দোকান হলে পার্কের গাছগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

পার্কে প্রতিদিন সকালে হাঁটতে আসেন লক্ষ্মীবাজারের স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তাক হাসান কনক। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘অনেক দিন ধরেই আমার ডায়াবেটিস। ৪০ বছর হলো এ পার্কে হাঁটাহাঁটি করি। এ পার্ক ছাড়া আশপাশে আর কোনো ফাঁকা জায়গা নাই। আমরা কোনোভাবে এ পার্কে ক্যাফে বা দোকান তুলতে দেব না।’

আফরোজা বেগম নামের আরেক এলাকাবাসী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পুরান ঢাকার অলিগলিতে হাঁটা যায় না। তাই প্রতিদিন সকালে এখানে আসি। নিয়মিত হাঁটা লাগে। যা অবস্থা তাতে মনে হচ্ছে বেশি দিন আর এখানে হাঁটাচলার পরিবেশ থাকবে না। এটা কোনোভাবেই নাগরিক সেবা হতে পারে না। এখানে ক্যাফে তৈরির কোনো প্রয়োজনই নেই।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইউছুব ওসমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পুরান ঢাকার বুক চিতিয়ে থাকা এই পার্কটিকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। পার্কের মাঝে রাতের আঁধারে চালাচ্ছে দোকান নির্মাণের কাজ। এখনও যে মানুষজন এখানে এসে একটু শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়, কয়েক দিন পর আর তার সুযোগও থাকবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সিটি করপোরেশন এখন আর জনগণের জন্য কাজ করে না। সামাজিক সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব পালন না করে ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে এটি।’

এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. রাসেল সাবরিন বলেন, ‘আমরা আমাদের সব পার্ক সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার জন্য ইজারার আওতায় নিয়ে আসছি, যাতে পার্কগুলো ভালোভাবে পরিচালনা করা যায়। তারই ধারাবাহিকতায় বাহাদুর শাহ পার্ক ইজারা দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পার্কের মাঝখানে একটি ফুড ব্যান্ড থাকবে। তারা খাবার বিক্রি করবে এবং পার্কের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে। এতে করে পার্কটি সঠিকভাবে পরিচালনা করা যাবে।’

আরও পড়ুন:
১১ জেব্রার মৃত্যুতে মামলা
উৎপাদনে যাওয়ার অপেক্ষায় ওষুধ শিল্প পার্ক
সাফারি পার্কে এবার আফ্রিকান লেমুরের মৃত্যু
ঘাসে অতিরিক্ত নাইট্রেটের প্রভাবে গাজীপুরে জেব্রার মৃত্যু
সাফারি পার্কে ১১ জেব্রার মৃত্যু: হচ্ছে ফৌজদারি মামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
I bought 11 packets of food from the line for two and a half hours

‘আড়াই ঘণ্টা লাইনে থেকে ১১ প্যাকেট খাবার কিনছি’

‘আড়াই ঘণ্টা লাইনে থেকে ১১ প্যাকেট খাবার কিনছি’ বাড্ডা-গুলশান লিঙ্ক রোডে নয়ন বিরিয়ানির দোকানে খাবার কিনতে মানুষের ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা
মা বিরিয়ানি হাউসের কর্মচারী রুবেল বলেন, ‘সারা দিন এই এলাকায় গ্যাস নাই, এজন্য দোকানে ভিড়। আমরা খাবার প্যাকেট করে সারতে পারছি না, তার আগেই থাবাথাবি। এত ভিড় আগে কখনো দেখিনি। রান্না করে আনতে না আনতে শেষ হয়ে যাচ্ছে খাবার।’

মহাখালীর বাসিন্দা হাবিবুর রহমান। সকাল ৬টা থেকে গ্যাস না থাকায় বাসায় রান্না হয়নি। গতকাল শুক্রবারের রান্না দিয়ে দুপুরে কোনো রকম সারলেও রাতের খাবারের জন্য হোটেলই ভরসা ছিল বলে তিনি জানান।

এ জন্য রাতের খাবার নিতে আড়াই ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার কিনতে হয়েছে তাকে।

হাবিবুর রহমান বলেন, ‘সকাল ৬টা থেকে গ্যাস নাই। বাসায় রান্নাবান্না হয়নি। বাধ্য হয়ে হোটেল থেকে খাবার কিনতে এসেছি। ১৪ শ টাকা দিয়ে ১১ প্যাকেট খাবার নিতে পারছি।’

বাড্ডার হোসেন মার্কেট এলাকার বাসিন্দা লিটন জানান, অনেকগুলো হোটেল ঘুরে তিনি গুদারাঘাট এলাকায় গিয়ে খাবার পেয়েছেন।

বলেন, ‘এক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ৫ প্যাকেট খাবার কিনছি। ঘরে বউ-বাচ্চা না খেয়ে আছে। সারাদিন রান্না হয়নি, বাসায় গ্যাস না থাকায়। কি করব, বাধ্য হয়ে কষ্ট হলেও লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার কিনতে হয়েছে।’

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার মহাখালী, বনানী, তেজগাঁও, গুলশান, নতুন বাজার ও বাড্ডা এলাকায় দুপুর ২টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত ১১ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না।

এ দিন সন্ধ্যায় সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, খাবারের দোকানে মানুষের উপচে পড়া ভিড়।

গুলশান বাড্ডার গুদারাঘাট এলাকার নয়ন বিরিয়ানী, বাড্ডার মা বিরিয়ানি, উত্তর বাড্ডার কামরুল হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে ক্রেতাদের ভিড় ছিল অনেকটা উপচে পড়া।

অনেক দোকানে দেখা গেছে খাবার কিনতে অনেকে লাইনে দাঁড়িয়েছেন।

খাবার কিনতে আসা সায়েম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সারাদিন গ্যাস নাই। অফিস শেষ করে দোকান থেকে খাবার নিয়ে বাসায় যাব বলে জানিয়েছি। কিন্তু খাবার দোকানের অবস্থা দেখে তো খাবার কেনার আগ্রহই শেষ। পেটতো আর তা শুনবে না।’

মা বিরিয়ানি হাউসের কর্মচারী রুবেল বলেন, ‘সারা দিন এই এলাকায় গ্যাস নাই, এজন্য দোকানে ভিড়। আমরা খাবার প্যাকেট করে সারতে পারছি না, তার আগেই থাবাথাবি। এত ভিড় আগে কখনো দেখিনি। রান্না করে আনতে না আনতে শেষ হয়ে যাচ্ছে খাবার।’

গ্যাস পাইপ লাইনের জরুরি কাজের জন্য রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ১১ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে জানায় তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি।

এ ছাড়া উল্লেখ করা এলাকার পাশের এলাকাগুলোতে গ্যাসের স্বল্প চাপ থাকবে বলে জানায় তিতাস।

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎ গ্যাস পানি এখন রাজনৈতিক পণ্য: আমীর খসরু
এবার লাটভিয়ায় গ্যাস বন্ধ রাশিয়ার
গ্যাস-বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করার আইন বাতিল চান ব্যবসায়ীরা
ইউরোপে রুশ গ্যাস পাওয়া নিয়ে নতুন শঙ্কা
ইউরোপে ফের গ্যাস দিচ্ছে রাশিয়া

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mutilated body in locked room

তালাবদ্ধ ঘরে পুরুষাঙ্গ কাটা মরদেহ

তালাবদ্ধ ঘরে পুরুষাঙ্গ কাটা মরদেহ প্রতীকী ছবি
দুই হাত না থাকা ফজল মিয়া রাজধানীতে ভিক্ষা করতেন। তিনি দুই বিয়ে করেছেন। একটা ছেলেসন্তান নিয়ে প্রথম স্ত্রী গ্রামে থাকেন। ঢাকায় তিনি দ্বিতীয় স্ত্রী নিয়ে থাকতেন। পুরুষাঙ্গ কাটা মরদেহ উদ্ধারের পর ফজলের দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্ধান মিলছে না। পুলিশ তাকে খুঁজছে।

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে ফজল মিয়া নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গলায় গামছা প্যাঁচানোর পাশাপাশি পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সী ফজলের পুরুষাঙ্গ কাটা অবস্থায় পাওয়া যায়।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কামরাঙ্গীরচর ভান্ডারি মোড়ের ভাড়া বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য তা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কামরাঙ্গীরচর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অনিরুদ্ধ রায় বলেন, ‘বাড়িটির দ্বিতীয় তলার একটি ঘর থেকে পচা গন্ধ পেয়ে লোকজন থানায় খবর দেন। গলায় গামছা প্যাঁচানো ও পুরুষাঙ্গ কাটা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়। দুই-তিন দিন আগে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

‘মাত্র গত সপ্তাহে ফজল মিয়া এ বাড়িতে আসেন বলে অন্য ভাড়াটিয়ারা জানান। তার দুই হাত ছিল না বলে ভিক্ষাবৃত্তি করতেন বলেও শোনা গেছে। তাকে কে এবং কেন হত্যা করেছে, সে ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যায়নি।’

ফজল মিয়ার ভাই সাজু মিয়া বলেন, ‘আমার ভাই দুই বিয়ে করেছেন। একটা ছেলেসন্তান নিয়ে প্রথম স্ত্রী গ্রামে থাকেন। ঢাকায় দ্বিতীয় স্ত্রী নিয়ে থাকতেন। শারীরিক প্রতিবন্ধী হলেও আমার ভাই দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় ভিক্ষাবৃত্তি করেন এবং দুই সংসারে খরচ দেন।

‘দ্বিতীয় স্ত্রীর আরেকটি বিয়ে হয়েছিল আগে, সেই স্বামীর দুটি সন্তান নিয়ে বিয়ে করেন ফজলকে। মরদেহ উদ্ধারের পর ফজলের দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্ধান মিলছে না। পুলিশ তাকে খুঁজছে।’

নিহত ফজলের বাড়ি রংপুর জেলার কাউনিয়া থানায়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেয়া হবে বলে জানান স্বজনরা।

পুলিশ জানায়, ফজল হত্যার ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। তার কথিত দ্বিতীয় স্ত্রীকে খোঁজা হচ্ছে। তার মাধ্যমেই পুরুষাঙ্গ কর্তন ও হত্যার রহস্য জানা যাবে বলে মনে করছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
লিঙ্গ কাটায় আটক স্ত্রী
মাদ্রাসাশিক্ষকের পুরুষাঙ্গ কর্তন, ছাত্র আটক
পুরুষাঙ্গ কেটে নিলেন ভাবি
‘প্রেমিকের’ পুরুষাঙ্গ কর্তন, আটক তরুণী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Journalist Toab Khan was laid to rest at Banani graveyard on Monday

সাংবাদিক তোয়াব খানের অন্তিম শয্যা সোমবার বনানী কবরস্থানে

সাংবাদিক তোয়াব খানের অন্তিম শয্যা সোমবার বনানী কবরস্থানে সাংবাদিক তোয়াব খান। ফাইল ছবি
সাংবাদিক তোয়াব খানের ছোট ভাই ওবায়দুল কবির নিউজবাংলাকে জানান, তার একমাত্র মেয়ে তানিয়া খান রোববার বিকেলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঢাকায় পৌঁছাবেন। পরদিন বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে জানাজা শেষে সর্বজনশ্রদ্ধেয় এই সাংবাদিককে দাফন করা হবে বনানী কবরস্থানে।

দেশের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকম ও দৈনিক বাংলার সম্পাদক, একুশে পদকপ্রাপ্ত বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খানের দাফন হবে সোমবার। রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

বার্ধক্যজনিত জটিলতায় অসুস্থতার পর তোয়াব খানকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

তোয়াব খানের ছোট ভাই ওবায়দুল কবির নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তার একমাত্র মেয়ে তানিয়া খান রোববার বিকেলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঢাকায় পৌঁছাবেন।

‘তোয়াব খানের মরদেহ সোমবার সকাল ১০টায় তেজগাঁওয়ে নিউজবাংলা ও দৈনিক বাংলা কার্যালয়ে নেয়ার পর সেখানে প্রথম জানাজা হবে। এরপর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কফিন রাখা হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ব্যবস্থাপনায় শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘তোয়াব খানের মরদেহ সোমবার বেলা ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত জাতীয় প্রেস ক্লাবে রাখা হবে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে মরদেহ নেয়া হবে গুলশানে তার নিজ বাসভবনে।’

বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে জানাজা শেষে সর্বজনশ্রদ্ধেয় এই সাংবাদিককে দাফন করা হবে বনানী কবরস্থানে।

নিউজবাংলার সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি চৌধুরী নাফিজ সরাফাত ও উপদেষ্টা সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার সাংবাদিক তোয়াব খানের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন। সম্পাদকের মৃত্যুতে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সব অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে।

১৯৩৪ সালের ২৪ এপ্রিল সাতক্ষীরা জেলার রসুলপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তোয়াব খান। সাংবাদিক হিসেবে সুদীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য কর্মজীবন রয়েছে তার।

২০১৬ সালে একুশে পদক পান তোয়াব খান। একই বছর তাকে সম্মানীত ফেলো নির্বাচন করে বাংলা একাডেমি।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রেস সেক্রেটারি ছিলেন তোয়াব খান। পরে রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ এবং প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা সাহাবুদ্দীন আহমদের প্রেস সচিবের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

ছাত্রজীবন থেকেই তোয়াব খান বিভিন্ন পত্রিকায় সমকালীন ইস্যু নিয়ে লেখালেখি করতেন। ১৯৫৩ সালে সাপ্তাহিক জনতার মাধ্যমে তার সাংবাদিকতা জীবনের শুরু। ১৯৫৫ সালে তিনি যোগ দেন দৈনিক সংবাদে।

১৯৬১ সালে দৈনিক সংবাদের বার্তা সম্পাদক হন। ১৯৬৪ সালে তিনি যোগ দেন দৈনিক পাকিস্তানে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে শব্দসৈনিকের ভূমিকা পালন করেন তোয়াব খান। সে সময় তার আকর্ষণীয় উপস্থাপনায় নিয়মিত প্রচার হয় ‘পিণ্ডির প্রলাপ’ নামের অনুষ্ঠান।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর দৈনিক পাকিস্তান থেকে বদলে যাওয়া দৈনিক বাংলার প্রথম সম্পাদক ছিলেন তোয়াব খান। ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রেস সচিব ছিলেন তোয়াব খান। দেশের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ও প্রেস ইনস্টিটিউট অফ বাংলাদেশের মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন যশস্বী এ সাংবাদিক।

নিউজবাংলা ও দৈনিক বাংলার সম্পাদক হিসেবে যোগ দেয়ার আগে সর্বশেষ তিনি দৈনিক জনকণ্ঠের উপদেষ্টা সম্পাদক ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খানের প্রয়াণে বিশিষ্টজনদের শোক
স্বীয় কর্মে স্মরণীয় থাকবেন তোয়াব খান: প্রধানমন্ত্রী
বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খানের প্রয়াণ
নতুন রূপে আসছে দৈনিক বাংলা, সম্পাদক তোয়াব খান
গুরুতর অসুস্থ সাংবাদিক তোয়াব খান

মন্তব্য

p
উপরে