× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
CEC is suffering from fever
hear-news
player
google_news print-icon

জ্বরে ভুগছেন সিইসি

জ্বরে-ভুগছেন-সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
সিইসি অসুস্থ থাকায় সকালে নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভবনে কর্মপরিকল্পনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেননি তিনি। ফলে তাকে ছাড়াই দ্বাদশ ভোটের কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করে ইসি।

হঠাৎ করেই জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। মঙ্গলবার রাত থেকে তিনি জ্বরে আক্রান্ত।

ঠিক কেন তার শারীরিক এমন পরিবর্তন তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সে বিষয়ে নিশ্চিত হতেই করোনা ও ডেঙ্গু পরীক্ষার নমুনা বাসা থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নির্বাচন কমিশনের এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে অসুস্থ থাকায় সকালে নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভবনে কর্মপরিকল্পনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেননি তিনি। ফলে তাকে ছাড়াই দ্বাদশ ভোটের কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করে ইসি।

ইসির কর্মকর্তা বলেন, ‘গতকাল রাত থেকেই শরীর খারাপ ছিল। রাতে জ্বর ছিল৷ সকালে শরীর ব্যথা, জ্বর নরমাল ফ্লু হলে যা হয়। সকালে বাসা থেকে ডেঙ্গু ও করোনা টেস্টের স্যাম্পল নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’

বুধবার সকালে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সিইসির অনুপস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আহসান হাবিব খান বলেন, ‘আজ আমাকে এখানে প্রধান অতিথির ভাষণটা দিতে হবে। এটা আমরা সকালেই বুঝতে পারলাম। আমি ব্যক্তিগতভাবে সিইসির অনুপস্থিতিটা ফিল করছি। তার আশুরোগ মুক্তির জন্য দোয়া করছি।’

গত ফেব্রুয়ারিতে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থার দায়িত্বভার নেন কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন কমিশন৷ দায়িত্ব পাওয়ার সাড়ে ছয় মাসের মাথায় ভোটের দেড় বছর আগেই দ্বাদশ ভোটের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন তারা।

আরও পড়ুন:
ভোটের আনুপাতিক হারে আসনের প্রস্তাব মনে ধরেছে সিইসির
হাড্ডাহাড্ডি ভোট শেষে মারামারি হয়: সিইসি
ইভিএমে কারচুপির সুস্পষ্ট প্রমাণ পাইনি: সিইসি
হতাশ হলে চলবে না, ভোটকেন্দ্রে যেতে হবে: সিইসি
নির্বাচন বাঁচাতে না পারলে পলিটিকস উধাও হয়ে যাবে: সিইসি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
29 Institutions declared as Critical Information Infrastructure

২৯ প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো ঘোষণা

২৯ প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো ঘোষণা ছবি: সংগৃহীত
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ অনুযায়ী রোববার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।

সরকারি ২৯টি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ অনুযায়ী রোববার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো ঘোষিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড, সেতু বিভাগ, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, জাতীয় ডাটা সেন্টার ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, বিটিআরসি, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অণুবিভাগ ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এবং সেন্ট্রাল প্রকিউরেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট।

তালিকায় আরও রয়েছে- সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্প, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইমিগ্রেশন পুলিশ, বিটিসিএল, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অফ বাংলাদেশ, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, সেন্ট্রাল ডিপজিটরি, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ এর ১৫ ধারায় বলা আছে- এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা তথ্য পরিকাঠামোকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসাবে ঘোষণা করিতে পারিবে।

আইনটির ১৬-এর (১) ধারায় বলা হয়েছে- মহাপরিচালক, এই আইনের বিধানাবলী যথাযথভাবে প্রতিপালিত হইতেছে কি না তাহা নিশ্চিত করিবার জন্য প্রয়োজনে সময় সময় কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন করিবেন এবং এতদসংক্রান্ত প্রতিবেদন সরকারের নিকট দাখিল করিবেন।

১৬-এর (২) ধারায় বলা হয়েছে- এই আইনের আওতায় ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোসমূহ, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রতি বৎসর উহার অভ্যন্তরীণ ও বহিস্থ পরিকাঠামো পরিবীক্ষণপূর্বক একটি পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন সরকারের নিকট উপস্থাপন করিবে এবং উক্ত প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু মহাপরিচালককে অবহিত করিবে।

১৬-এর (৩) ধারায় বলা আছে- মহাপরিচালকের নিকট যদি যুক্তিসঙ্গতভাবে বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, তাহার অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে কোনো ব্যক্তির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর জন্য হুমকিস্বরূপ বা ক্ষতিকর, তাহা হইলে তিনি স্ব-প্রণোদিতভাবে বা কাহারও নিকট হইতে কোনো অভিযোগপ্রাপ্ত হইয়া উহার অনুসন্ধান করিতে পারিবেন।

১৬-এর (৪) ধারায় বলা হয়েছে- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে নিরাপত্তা পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন কার্যক্রম ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি দ্বারা সম্পন্ন করিতে হইবে।

আইন লংঘনের শাস্তি হিসেবে ১৭-এর (১) ধারায় বলা হয়েছে- যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে– (ক) বে-আইনি প্রবেশ করেন, বা (খ) বে-আইনি প্রবেশের মাধ্যমে উহার ক্ষতিসাধন বা বিনষ্ট বা অকার্যকর করেন অথবা করিবার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর (ক) দফা (ক)-এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর কারাদণ্ডে বা অনধিক ২৫ (পঁচিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন; এবং

(খ) দফা (খ)-এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর কারাদণ্ডে বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১)-এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয় বার বা পুনঃ পুনঃ সংঘটন করেন তাহা হইলে তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অনধিক ৫ (পাঁচ) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A teenager was killed in a mine explosion at the Tumbru border

তুমব্রু সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে কিশোর নিহত

তুমব্রু সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে কিশোর নিহত তুমব্রু সীমান্তের নোম্যান্স ল্যান্ডে মাইন বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা
সীমান্তে দায়িত্বে থাকা বিজিবির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা কিশোর নিহত হওয়ার খবর গোয়েন্দাদের কাছ থেকে শুনেছি। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের নোম্যানস ল্যান্ডে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পুঁতে রাখা স্থলমাইন বিস্ফোরণে ওমর ফারুক নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে। ১৭ বছর বয়সী ওই কিশোর রোহিঙ্গা বলে জানা গেছে। তিনি কোনারপাড়া সীমান্তে আশ্রয় নেয়া মো. আয়ুবের ছেলে।

রোববার সকালে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে পাহাড়ি এলাকা থেকে ওমর ফারুকের মরদেহ উদ্ধার শেষে দাফন করেছে রোহিঙ্গারা।

বিষয়টি স্বীকার করে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম শূন্য রেখা রোহিঙ্গা শিবিরের মাঝি আবদুর রহিম জানান, শূন্য রেখার বাসিন্দা ওমর ফারুক ও আবদু নামে দুই কিশোর সকালে মিয়ানমার সীমান্তের পাহাড়ি ছড়ায় মাছ ধরতে যান।

এ সময় সীমান্তে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পুঁতে রাখা স্থলমাইন বিস্ফোরণে দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে মারা যান ওমর ফারুক। তবে এ ঘটনায় অপরজন প্রাণে বেঁচে যান।

বেঁচে যাওয়া কিশোরের কাছ থেকে খবর পেয়ে ওমর ফারুকের স্বজন ও অন্যরা মরদেহ উদ্ধার করে দাফনের ব্যবস্থা করেন।

সীমান্তে দায়িত্বে থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিজিবির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা কিশোর নিহত হওয়ার খবর গোয়েন্দাদের কাছ থেকে শুনেছি। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

এ বিষয়ে বান্দরবানের পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম তারিক বলেন, ‘মাইন বিস্ফোরণের বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।’

এদিকে গত ১৭ সেপ্টম্বর শূন্য রেখা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মিয়ানমার থেকে নিক্ষেপ করা মর্টারশেলের আঘাতে মোহাম্মদ ইকবাল নামে এক রোহিঙ্গা কিশোর নিহত হন। তার আগের দিন তুমব্রু সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে অন্য থাইন চাকমা নামে এক বাংলাদেশি যুবক আহত হন।

তুমব্রু সীমান্তের বিপরীতে শূন্য রেখায় পাঁচ বছর ধরে আশ্রয়শিবির গড়ে তুলে বাস করছে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত ৪ হাজার ২০০ জনের বেশি রোহিঙ্গা। এই শিবির ঘেঁষে মিয়ানমারের কাঁটাতারের বেড়া ও রাখাইন রাজ্যের একাধিক পাহাড় রয়েছে। পাহাড়ের ওপর দেশটির সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর একাধিক তল্লাশি চৌকি রয়েছে।

আরও পড়ুন:
মিয়ানমারের সঙ্গে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভুল করে গোলা ছুড়েছে মিয়ানমার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মিয়ানমারের সীমানা লঙ্ঘন: কোন পথে যাবে বাংলাদেশ?
এবার কক্সবাজারের পালংখালী সীমান্তে গোলার শব্দ
মিয়ানমারের সামরিক সক্ষমতা কতটুকু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Case against Alesha Mart Chairman for cheating

‘আলেশা মার্ট’ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা

‘আলেশা মার্ট’ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা ‘আলেশা মার্ট’ এর চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম শিকদারের স্বাক্ষর করা চেক ডিজঅনার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
মামলার আইনজীবী আসাদুজ্জামান খান রিনো জানান, মামলা হওয়ায় বিবাদীর প্রতি সমন নোটিশ ইস্যু করা হয়েছে আদালত থেকে। নোটিশ গ্রহণ করলে তাকে আদালতে হাজির হতে হবে।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ‘আলেশা মার্ট’ এর চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম শিকদারের বিরুদ্ধে নীলফামারীতে চেক ডিজঅনার মামলা হয়েছে।

রোববার জেলা আমলী আদালতে মামলাটি করেন জেলা শহরের শহীদ তিতুমীর সড়ক এলাকার বাসিন্দা সাকিব উল ইসলাম।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, অফারে প্রলুদ্ধ হয়ে আলেশা মার্ট থেকে একটি ‘পালসার’ ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল কেনার জন্য গত বছরের ২০ জুন ১ লাখ ১৭ হাজার ৬৪৫ টাকা পরিশোধ করেন অভিযোগকারী সাকিব। ৪৫ দিনের মধ্যে বাইকটি ডেলিভারি দেয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা দেয়নি প্রতিষ্ঠানটি।

টাকা ফেরত চেয়ে গত ৩ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করলে তিনি তার স্বাক্ষর করা ১ লাখ ৬৩ হাজার টাকার একটি চেক দেন সাকিবকে।

কিন্তু ওই চেকটি নীলফামারীর অগ্রণী ব্যাংক শাখায় কয়েক দফা জমা দিয়েও হিসাব নম্বরে টাকা না থাকায় সাকিব টাকা উত্তোলন করতে পারেননি। এক পর্যায়ে গত ২৪ জুলাই চেকটি নীলফামারী অগ্রণী ব্যাংক থেকে ডিজঅনার হিসেবে স্লিপ দেয়া হয় সাকিবকে।

এ অবস্থায় আলেশা মার্ট চেয়ারম্যানের কয়েকটি বাণিজ্যিক দপ্তরে উকিল নোটিশ পাঠিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি সাকিব।

বাধ্য হয়ে প্রতারণার অভিযোগে ‘নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্ট অ্যাক্ট’ এর ১৩৮ ধারায় নীলফামারী আদালতে মামলা করেছেন সাকিব।

সাকিব বলেন, ‘এই প্রতিষ্ঠানটিতে অনেক স্বনামধন্য ব্যক্তির ছবি দেখা গিয়েছিল, গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়েছিল। এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পন্সর হিসেবেও প্রতিষ্ঠানটিকে দেখা গেছে। অথচ গ্রাহকের সঙ্গে তারা প্রতারণা করছে। যার শিকার হয়েছি আমি।’

সাকিব আরও বলেন, ‘আমি মোটরসাইকেল চাই না, টাকা ফেরত চাই। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তাই আদালতে মামলা করেছি।’

মামলার আইনজীবী আসাদুজ্জামান খান রিনো জানান, মামলা হওয়ায় বিবাদীর প্রতি সমন নোটিশ ইস্যু করা হয়েছে আদালত থেকে। নোটিশ গ্রহণ করলে তাকে আদালতে হাজির হতে হবে।

তিনি বলেন, ‘এই আইনে সর্বোচ্চ এক বছর সাজা এবং ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিকে তিনগুণ ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিধান রয়েছে।’

এ বিষয়ে আলেশা মার্ট এর হটলাইন নম্বরে কয়েক দফা চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন:
প্রতারণার অভিযোগে অবরুদ্ধ আ. লীগের ‘কেন্দ্রীয় নেতা’
গার্মেন্টস মালিক পরিচয় দিয়ে ‘নারীদের ব্ল্যাকমেইল’
চেয়ারম্যানের প্রতারণার ফাঁদে এমপি, প্রশাসনের কর্মকর্তারা
অনলাইনে প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ২
স্বপ্নে পাওয়া ‘ক্ষমতায়’ তিনি এখন ‘ক্যানসার চিকিৎসক’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Shame on Puja security with law enforcement GM Quader

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে পূজার নিরাপত্তা লজ্জার: জি এম কাদের

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে পূজার নিরাপত্তা লজ্জার: জি এম কাদের
জি এম কাদের বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির হাজার বছরের ঐতিহ্য আছে আমাদের। একই মাঠে মসজিদ ও মন্দির আছে। কেউ কাউকে বিরক্ত করবে না, এটাই আমাদের ঐতিহ্য। যেকোনো মূল্যে আমরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য সমুন্নত রাখব।’

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দিয়ে পূজার নিরাপত্তা রক্ষা জাতির জন্য লজ্জার বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

রোববার রাতে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে দুর্গাপূজা পরিদর্শন শেষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির হাজার বছরের ঐতিহ্য আছে আমাদের। একই মাঠে মসজিদ ও মন্দির আছে। কেউ কাউকে বিরক্ত করবে না, এটাই আমাদের ঐতিহ্য। যেকোনো মূল্যে আমরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য সমুন্নত রাখব।’

জি এম কাদের বলেন, ‘গ্রামাঞ্চলের নিরীহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এখনও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অনেকেই বড় বড় কথা বলেন, কিন্তু সংখ্যালঘুদের ওপর কারা নির্যাতন করে তা সবাই জানে। আমরা জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছি, তারা সব সময়ই সংখ্যালঘুদের পাশে থাকবে।’

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা শেরীফা কাদের, মনিরুল ইসলাম মিলনসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

আরও পড়ুন:
কে আর ইসলামকে জাতীয় পার্টি থেকে অব্যাহতি
ইইউ রাষ্ট্রদূতের ব্রেকফাস্ট মিটিংয়ে জি এম কাদের
‘আগামী নির্বাচন হবে সহিংসতার-জবরদস্তির, মেসেজ পাচ্ছি’
জাপার ভাইস প্রেসিডেন্ট মানিককে বহিষ্কার
আওয়ামী লীগ ও বিএনপি একনায়কতন্ত্র চালু করেছে: জি এম কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Consensus on BNP Kalyan Party dialogue movement

বিএনপি-কল্যাণ পার্টি সংলাপ, আন্দোলনে ঐকমত্য

বিএনপি-কল্যাণ পার্টি সংলাপ, আন্দোলনে ঐকমত্য রোববার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে কল্যাণ পার্টির সঙ্গে সংলাপ শেষে যৌথ ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘নির্দলীয় বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নিবার্চন নিশ্চিত করা, নতুন নিবার্চন কমিশনের অধীনে নিবার্চন অনুষ্ঠান, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ লাখ লাখ নেতাকর্মীর মুক্তি দাবিতে যুগপৎ আন্দোলন বেগবান করার মতো ইস্যুতে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির সঙ্গে ঐকমত্য হয়েছে।’

সরকারের পতন দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির সঙ্গে ঐকমত্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার বেলা ২টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে কল্যাণ পার্টির নেতাদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা সংলাপ করেন বিএনপি নেতারা। দেড় ঘণ্টাব্যাপী সংলাপ শেষে দুই দলের নেতারা যৌথ ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘নির্দলীয় বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নিবার্চন নিশ্চিত করা, নতুন নিবার্চন কমিশনের অধীনে নিবার্চন অনুষ্ঠান, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ লাখ লাখ নেতাকর্মীর মুক্তি দাবিতে যুগপৎ আন্দোলন বেগবান করার মতো ইস্যুতে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির সঙ্গে ঐকমত্য হয়েছে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রথম দফার সংলাপে জাতীয় ঐক্য করার ব্যাপারে নীতিগত ঐকমত্য ছিল। এখন দ্বিতীয় দফায় সুনির্দিষ্ট দাবিগুলো আদায়ের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলে যুগপৎ আন্দোলনে সরকার পতনে একমত পোষণ করেছে কল্যাণ পার্টি। ২২ দল ছাড়া অন্য যেকোনো দল এই সংলাপে আসতে পারে।’

দ্বিতীয় দফা সংলাপের পরই যুগপৎ আন্দোলনের রুপরেখা আসবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আপনারা জানতে পারবেন।’

বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, ‘যুগপৎ আন্দোলনের দিন-তারিখ প্রকাশ না করতে অনুরোধ করা হয়েছে। চমক আসছে, অপেক্ষা করুন। এবার বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই। বিজয় আমাদের হবেই। রাজপথে আমাদের দেখতে পাবেন।

‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি, ধর্মীয় নেতাদের নির্যাতন, ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন প্রভৃতি বিষয়ে আমরা কথা বলেছি।’

সংলাপে বিএনপির পক্ষে নেতৃত্ব দেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে সৈয়দ মুহম্মদ ইবরাহিমের নেতৃত্বে অংশ নেন কল্যাণ পার্টির মহাসচিব আবদুল আউয়াল মামুন, অতিরিক্ত মহাসচিব নুরুল কবির পিন্টু, যুগ্ম-মহাসচিব সোহেল মোল্লা, আব্দুল্লাহ আল হাসান সাকিব, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাহবুবুর রহমান শামিম ও সেক্রেটারি জামাল হোসেন এবং মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আবু হানিফ ও সেক্রেটারি আবু ইউসুফ।

আরও পড়ুন:
এলডিপিসহ দুই দলের সঙ্গে সোমবার বিএনপির সংলাপ
মুন্সীগঞ্জে সংঘর্ষ: দুই মামলায় বিএনপির ১৭৭ জনের জামিন
তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচন হতে দেয়া হবে না: ফখরুল
পুলিশ শুধু বিরোধী দলের লাঠি দেখে: দুদু
বিএনপির আন্দোলনে সারা দেশে গণজোয়ার: গয়েশ্বর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
2 youths arrested with foreign pistols

বিদেশি পিস্তলসহ ২ যুবক আটক

বিদেশি পিস্তলসহ ২ যুবক আটক আটক আরমানের বয়স ২৪ (ডানে) ও রোহানের বয়স ১৯।
এ ঘটনায় র‌্যাব-৩-এর আভিযানিক দলের ডিএডি মো. আব্দুল আউয়াল আশুলিয়া থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা করেন।

ঢাকার সাভারে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিদেশি পিস্তলসহ দুই যুবককে আটক করেছে র‌্যাব।

পরে তাদের নামে অস্ত্র আইনে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রোববার দুপুরে ঢাকার মুখ্য বিচারিক আদালতে পাঠায় আশুলিয়া থানা পুলিশ।

এর আগে গত শনিবার বেলা আড়াইটায় সাভারের আশুলিয়ায় আমিন মডেল টাউন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। তারা হলেন আশুলিয়া থানার পাড়াগ্রাম এলাকার আমিনুল ইসলামের ছেলে মো. আরমান হোসেন ও একই এলাকার শরিফুল ইসলামের ছেলে রোহান ইসলাম।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার দুপুরে র‌্যাব-৩-এর একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়ার আমিন মডেল টাউনে সালমা জামানের প্লটে অভিযান চালায়। এ সময় দুজনকে আটক করলে তাদের কাছে আধা স্বয়ংক্রিয় (৭.৬৫ মি.মি.) একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও একটি কম্পাসযুক্ত স্টিলের চাকু উদ্ধার করা হয়।

পরে এ ঘটনায় রোববার সকালে র‌্যাব-৩-এর আভিযানিক দলের ডিএডি মো. আব্দুল আউয়াল আশুলিয়া থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার এসআই সোহেল রানা বলেন, ‘অস্ত্রসহ দুই আসামিকে থানায় হস্তান্তরের পর তাদের নামে মামলা করে র‌্যাব। পরে আজ দুপুরে তাদের ঢাকার মুখ্য বিচারিক আদালতে পাঠিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
পেটে গজ রেখে সেলাই: ভুক্তভোগীর উন্নত চিকিৎসার নির্দেশ
পিস্তল ও বিদেশি মদসহ ২ কারবারি আটক
চাইনিজ কুড়াল, চাকু নিয়ে ক্লাসে দুই কিশোর
অস্ত্রের মুখে কাবিনে সই নেয়ার অভিযোগ
প্রসূতির পেটে গজ রেখে সেলাই, তদন্তে কমিটি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Nephew killed by uncles weapon in conflict over land

জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, চাচার অস্ত্রের আঘাতে নিহত ভাতিজা

জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, চাচার অস্ত্রের আঘাতে নিহত ভাতিজা
বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘কামরাঙ্গীরচর থেকে সম্পত্তি নিয়ে দ্বন্দ্বে চাচার অস্ত্রের আঘাতে তিনজন আহতকে ঢাকা মেডিক্যালে আনলে মুন্না নামের একজন মারা যান। দুজনের চিকিৎসা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে কামরাঙ্গীরচর থানায় জানানো হয়েছে।’

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর কয়লার ঘাট জজবাড়ী এলাকায় জমি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে চাচার ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ভাতিজা মুহাম্মদ মুন্না নামের একজন নিহত হয়েছে।

এ ঘটনায় মুন্নার দুই ভাই মোহাম্মদ সানজিদ ও মোরসালিন আহত হয়েছেন।

রোববার বিকেল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া নিহত মুন্নার মামা আব্দুস সালাম জানান, বিকেলে সম্পত্তির ব্যাপারে তাদের তিন ভাইয়ের সঙ্গে তাদের চাচার বৈঠক করার কথা ছিল। তারা সেখানে সময়মতো গেলে চাচা পলাশ তার স্ত্রী (চাচি), চাচাতো ভাই পুলক ও শামীম ধারালো তাদের কোপাতে শুরু করে।

পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে মুন্নাকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

সালাম বলেন, ‘তাদের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মামলা মোকদ্দমা চলছে। আজ তার চাচা পলাশ নতুন ভবন তৈরির কাজে হাত দেন। পরে বাড়ির সীমানা নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। সেখানে বাধা দিলে এমন ঘটনা ঘটে।’

ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘কামরাঙ্গীরচর থেকে সম্পত্তি নিয়ে দ্বন্দ্বে চাচার অস্ত্রের আঘাতে তিনজন আহতকে ঢাকা মেডিক্যালে আনলে মুন্না নামের একজন মারা যান। দুজনের চিকিৎসা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে কামরাঙ্গীরচর থানায় জানানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ট্রাক উল্টে বাজারে, নিহত ৪
নামাজ শেষে বের হয়ে পিকআপ চাপায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের
বিয়ে বাড়ি থেকে ফেরার পথে সড়কে ঝরল ২ প্রাণ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গেল ৩ প্রাণ
বাস উল্টে প্রাণ গেল ২ নারীর , আহত ১৫

মন্তব্য

p
উপরে