× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Nazmuls death sentence for killing his wife and daughter is upheld
hear-news
player
google_news print-icon

স্ত্রী-কন্যা হত্যায় নাজমুলের মৃত্যুদণ্ড বহাল

স্ত্রী-কন্যা-হত্যায়-নাজমুলের-মৃত্যুদণ্ড-বহাল
ফাইল ছবি।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১০ সালের ১৯ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে নাজমুল প্রথমে স্ত্রীকে হত্যা করেন। পরে মেয়ে কান্নাকাটি করলে তাকেও একই কায়দায় হত্যা করে মরদেহ বাড়ির পাশে একটি পরিত্যক্ত ঘরে মাটির নিচে পুঁতে রাখেন।

চাঁদপুরে স্ত্রী ও কন্যা হত্যার মামলায় নাজমুল হাসান নামের এক ব্যক্তিকে বিচারিক আদালতের দেয়া মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে হাইকোর্ট।

বুধবার বিচারপতি শেখ মো.জাকির হোসেন ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স গ্রহণ ও আসামির আপিল খারিজ করে এ রায় ঘোষণা করে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত। রায়ের বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রপ্ত ৩৫ বছর বয়সী নাজমুল চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার আশ্বিনপুর গ্রামের বড় বৈদ্য বাড়ির নুরুল আমিনের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১০ সালের ১৯ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে নাজমুল প্রথমে স্ত্রীকে হত্যা করেন। পরে মেয়ে কান্নাকাটি করলে তাকেও একই কায়দায় হত্যা করে মরদেহ বাড়ির পাশে একটি পরিত্যক্ত ঘরে মাটির নিচে পুঁতে রাখেন।

এরপর ২৪ জুলাই মেয়ের সন্ধান চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন নাজমুলের শ্বশুর আবুল কাশেম। জিডির পর ওই দিনই নাজমুলকে আটক করে পুলিশ।

পরে জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রী হোসনে আরা ও মেয়ে নাজনিনকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার কথা স্বীকার করেন নাজমুল। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে।

এই হত্যাকাণ্ডের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মতলব দক্ষিণ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল মান্নান একই বছরের ৩১ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

বিচার শেষে ২০১৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. সালেহ উদ্দিন আহমদ আসামিকে নাজমুলকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

পরে মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি আসামি আপিল করেন। ওই আবেদনের শুনানি শেষে আদালত এ রায় দেয়।

আরও পড়ুন:
বিএনপির ৪৫২ নেতাকর্মীর হাইকোর্টে আগাম জামিন
মুফতি হান্নানকে ছিনিয়ে নেয়ার মামলায় আসামির জামিনে ‘না’
ডা. গৌরাঙ্গ হত্যা: ফাঁসির সাজা পাল্টে হাইকোর্টে যাবজ্জীবন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Mutilated body in locked room

তালাবদ্ধ ঘরে পুরুষাঙ্গ কাটা মরদেহ

তালাবদ্ধ ঘরে পুরুষাঙ্গ কাটা মরদেহ প্রতীকী ছবি
দুই হাত না থাকা ফজল মিয়া রাজধানীতে ভিক্ষা করতেন। তিনি দুই বিয়ে করেছেন। একটা ছেলেসন্তান নিয়ে প্রথম স্ত্রী গ্রামে থাকেন। ঢাকায় তিনি দ্বিতীয় স্ত্রী নিয়ে থাকতেন। পুরুষাঙ্গ কাটা মরদেহ উদ্ধারের পর ফজলের দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্ধান মিলছে না। পুলিশ তাকে খুঁজছে।

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে ফজল মিয়া নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গলায় গামছা প্যাঁচানোর পাশাপাশি পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সী ফজলের পুরুষাঙ্গ কাটা অবস্থায় পাওয়া যায়।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কামরাঙ্গীরচর ভান্ডারি মোড়ের ভাড়া বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য তা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কামরাঙ্গীরচর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অনিরুদ্ধ রায় বলেন, ‘বাড়িটির দ্বিতীয় তলার একটি ঘর থেকে পচা গন্ধ পেয়ে লোকজন থানায় খবর দেন। গলায় গামছা প্যাঁচানো ও পুরুষাঙ্গ কাটা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়। দুই-তিন দিন আগে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

‘মাত্র গত সপ্তাহে ফজল মিয়া এ বাড়িতে আসেন বলে অন্য ভাড়াটিয়ারা জানান। তার দুই হাত ছিল না বলে ভিক্ষাবৃত্তি করতেন বলেও শোনা গেছে। তাকে কে এবং কেন হত্যা করেছে, সে ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যায়নি।’

ফজল মিয়ার ভাই সাজু মিয়া বলেন, ‘আমার ভাই দুই বিয়ে করেছেন। একটা ছেলেসন্তান নিয়ে প্রথম স্ত্রী গ্রামে থাকেন। ঢাকায় দ্বিতীয় স্ত্রী নিয়ে থাকতেন। শারীরিক প্রতিবন্ধী হলেও আমার ভাই দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় ভিক্ষাবৃত্তি করেন এবং দুই সংসারে খরচ দেন।

‘দ্বিতীয় স্ত্রীর আরেকটি বিয়ে হয়েছিল আগে, সেই স্বামীর দুটি সন্তান নিয়ে বিয়ে করেন ফজলকে। মরদেহ উদ্ধারের পর ফজলের দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্ধান মিলছে না। পুলিশ তাকে খুঁজছে।’

নিহত ফজলের বাড়ি রংপুর জেলার কাউনিয়া থানায়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেয়া হবে বলে জানান স্বজনরা।

পুলিশ জানায়, ফজল হত্যার ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। তার কথিত দ্বিতীয় স্ত্রীকে খোঁজা হচ্ছে। তার মাধ্যমেই পুরুষাঙ্গ কর্তন ও হত্যার রহস্য জানা যাবে বলে মনে করছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
লিঙ্গ কাটায় আটক স্ত্রী
মাদ্রাসাশিক্ষকের পুরুষাঙ্গ কর্তন, ছাত্র আটক
পুরুষাঙ্গ কেটে নিলেন ভাবি
‘প্রেমিকের’ পুরুষাঙ্গ কর্তন, আটক তরুণী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bodies of mother and 2 children recovered in Belkuchi

বেলকুচিতে মা ও ২ সন্তানের মরদেহ উদ্ধার

বেলকুচিতে মা ও ২ সন্তানের মরদেহ উদ্ধার সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে মা ও দুই সন্তানের লাশ উদ্ধারের সময় এলাকাবাসী ভিড় জমায়। ছবি: নিউজবাংলা
স্থানীয় জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মবুপুর গ্রামের বাসিন্দা সুলতান আলী বহু বিয়েতে আসক্ত। কিছুদিন আগে তিনি জেলখানা থেকে বেরিয়ে আসেন। তিনদিন আগেও তাকে আমরা এখানে দেখেছি। আমাদের ধারণা, সুলতান লোকজন নিয়ে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করেছেন।’

সিরাজগঞ্জে মা ও দুই সন্তানের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। বেলকুচি উপজেলার মবুপুরে নিজ বাড়ির তালাবদ্ধ ঘর থেকে শনিবার মরদেহগুলো উদ্ধার করে পুলিশ। তারা হলেন স্থানীয় সুলতান আলীর স্ত্রী রওশন আরা বেগম এবং তার দুই সন্তান জিহাদ ও মাহিম।

চল্লিশোর্ধ্ব রওশনের দুই সন্তানের মধ্যে একজনের বয়স ১০ ও আরেকজনের বয়স চার বছর।

স্থানীয় লোকজন ও রওশনের স্বজনদের দাবি, সুলতান আলী তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে পালিয়েছে।

স্থানীয় জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মবুপুর গ্রামের বাসিন্দা সুলতান আলী বহু বিয়েতে আসক্ত। কিছুদিন আগে তিনি জেলখানা থেকে বেরিয়ে আসেন। তিন দিন আগেও তাকে আমরা দেখেছি। আমাদের ধারণা, সুলতান লোকজন নিয়ে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছেন।’

জাহিদুল জানান, সুলতানের বাড়ি ফাঁকা জায়গায় হওয়ায় ওদিকে মানুষের চলাফেরা কম। শনিবার বিকেলে রওশন আরার বোন বেলাল হোসেনের স্ত্রী লিলি খাতুন ওই বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা তালাবদ্ধ দেখতে পান। তখন ঘরের ভেতর থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। পরে স্থানীয়দের ডেকে এনে তালা ভেঙে ভেতরে তার বোন ও দুই ভাগনের লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধারে তৎপর হয়।

লিলি খাতুন বলেন, ‘আমার বড় বোন রওশন আরা পাশের গ্রামে তাঁত কারখানায় সুতা মরাইয়ের কাজ করতেন। তিন দিন ধরে তিনি কাজে না যাওয়ায় মহাজন আজ (শনিবার) সকালে আমাকে ফোন দিয়ে খোঁজ নিতে বলেন।

‘আমি বিকেলে বোনের বাড়িতে এসে দেখি ঘরে তালা। খোলা থাকা জানালা দিয়ে উঁকি দিলে দুর্গন্ধ ভেসে আসে। পরে পাশের কয়েকজনকে ডেকে এনে তালা ভেঙে দেখি আমার বোন আর ভাগনেদের লাশ পড়ে আছে।’

লিলি বলেন, ‘আমার বোনের জামাই খালি বিয়া করে। সে এখানে মাঝে মাঝে আসে। সে জেলে ছিল। কবে বের হয়েছে জানি না। তবে সবাই বলতেছে যে সে কয়েক দিন আগে এখানে এসেছিল। দুলাভাই মনে হয় লোকজন নিয়ে ওদেরকে মেরে ফেলেছে। আমি এই হত্যার বিচার চাই।’

বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজমিলুর রহমান বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা পচে যাওয়া লাশগুলো উদ্ধারের চেষ্টা করছি। সিরাজগঞ্জ সদর থেকে সিআইডি টিম আসছে। তারা আসার পর লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠাব। ময়নাতদন্তের পর হত্যার কারণ জানা যাবে।’

আরও পড়ুন:
বাফুফের মাঠে যুবকের মরদেহ
মুগদায় বাসা থেকে শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
উত্তরায় তরুণীর মরদেহ উদ্ধার
ফ্যানে ঝুলছিল প্রাথমিক স্কুলছাত্রীর মরদেহ
বাসায় নার্সের মরদেহ, স্বামী পলাতক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Attempt to rob a businessman

ব্যবসায়ীকে গুলি, ছিনতাইয়ের চেষ্টা

ব্যবসায়ীকে গুলি, ছিনতাইয়ের চেষ্টা গুলিবিদ্ধ শামসকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
পাবনা সদর থানার ওসি জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। শামসের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি আশংকামুক্ত। ছিনতাই চেষ্টার ঘটনা তদন্তে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নেমেছে।

পাবনা সদরে শামস ইকবাল নামে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৫ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছে ছিনতাইকারীরা। ব্যবসায়ীর সাহসিকতায় তারা টাকা নিতে পারেনি। গুলিবিদ্ধ শামসকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার রাজাপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

শামস গ্রামীণ ফোনের আঞ্চলিক ডিলার। তার বাড়ি সদর উপজেলার মালঞ্চি গ্রামে।

গুলিবিদ্ধ শামস জানান, রাতে তিনি আতাইকুলা এলাকা থেকে ব্যবসায়িক লেনদেনের ১৫ লাখ টাকা নিয়ে মোটরসাইকেলে পাবনায় ফিরছিলেন। রাজাপুর এলাকায় একটি এলপিজি গ্যাস স্টেশনের সামনে পেছন থেকে হানা দেয়া মোটরসাইকেল আরোহীরা তার টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। তিনি দ্রুত সামনে এগিয়ে গেলে ছিনতাইকারীরা কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে তার বাম হাতে গুলিবিদ্ধ হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনি না থেমে সামনে এগিয়ে গেলে ছিনতাইকারীরা সরে পড়ে।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

পাবনা সদর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জুয়েল জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। শামসের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি আশংকামুক্ত। ছিনতাই চেষ্টার ঘটনা তদন্তে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নেমেছে। সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি পাবনায় ছিনতাইকারীদের তৎপরতা বেড়েছে। এক মাসে আলাদা ঘটনায় কয়েকজন ব্যবসায়ীর ১৩ লাখ টাকা ছিনতাই হয়েছে। শহরের শিবরামপুর, কালাচাঁদপাড়া ও শালগাড়ীয়া এলাকায় দিনে দুপুরেও ঘটছে ছিনতাইয়ের ঘটনা।

আরও পড়ুন:
অনুশীলনকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে বিজিবি সদস্যের মৃত্যু
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলি, এপিবিএন সদস্য গুলিবিদ্ধ
কাপ্তাইয়ের জঙ্গলে গুলিবিদ্ধ লাশ
ধনবাড়ীতে বিএন‌পি-পুলিশ সংঘর্ষ গুলি, আহত ৮
উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হেড মাঝিসহ ৩ জন গুলিবিদ্ধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Husband arrested for beating housewife

গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা, স্বামী আটক

গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা, স্বামী আটক ফুলপুরে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে আকরামকে আটক করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
ফুলপুর থানার ওসি বলেন, ‘শনিবার দুপুরে মরদেহের সুরতহাল করা হয়। তার মাথা ও বাম চোয়ালে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ মর্গে নিয়েছে পুলিশ।’

ময়মনসিংহের ফুলপুরে ফারজানা খাতুন নামে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্বামী আকরাম হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার দুপুরে উপজেলার সিংহেশ্বর ইউনিয়নের মারুয়াকান্দি গ্রাম থেকে আকরামকে আটক করা হয়।

৪০ বছর বয়সী আকরাম হোসেন ওই গ্রামের বাসিন্দা। তার স্ত্রী ফারজানা একই উপজেলার ভাইটকান্দি ইউনিয়নের সখল্যা গ্রামের ফরিদ আহমেদের মেয়ে। তার বয়স ৩০ বছর।

ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহতের পরিবারের বরাতে ওসি বলেন, ‘আট বছর আগে পারিবারিকভাবে ফারজানার সঙ্গে পাশের গ্রামের আকরামের বিয়ে হয়। তাদের তিন ছেলে রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার পারবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয় স্বামী-স্ত্রীর।

‘একপর্যায়ে আকরামের মারধরে জ্ঞান হারান ফারজানা। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ফারজানার বাবা ঘটনা জানতে পেরে মেয়েকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান৷ এ দিন রাতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ফারজানাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে শনিবার সকাল ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।’

ওসি বলেন, ‘শনিবার দুপুরে মরদেহের সুরতহাল করা হয়। তার মাথা ও বাম চোয়ালে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ মর্গে নিয়েছে পুলিশ।’

ফারজানার স্বামী আকরামকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কে সাড়া না পেয়ে গৃহবধূর স্বামীকে নাজেহালের অভিযোগ
মুগদায় গৃহবধূ খুন
বনশ্রীর ফ্ল্যাটে গৃহবধূর মরদেহ
গৃহবধূর মরদেহ নিয়ে স্বজনদের বিক্ষোভ
কারারক্ষীর স্ত্রীকে ‘যৌনতার প্রস্তাব দিয়ে’ বিপাকে জেলার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Coalition demands promulgation and implementation of road rules

সড়ক আইনের বিধিমালা জারি ও বাস্তবায়ন দাবি কোয়ালিশনের

সড়ক আইনের বিধিমালা জারি ও বাস্তবায়ন দাবি কোয়ালিশনের শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে রোড সেফটি কোয়ালিশন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন ইলিয়াস কাঞ্চন। ছবি: নিউজবাংলা
ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘২০১৮ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে পাস হয় সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮। চার বছর পার হলেও তা বাস্তবায়নে বিধিমালা তৈরি হয়নি। ফলে সড়ককে নিরাপদ করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ ও আইনের বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।’

সড়দ দুর্ঘটনা রোধে দ্রুত সড়ক পরিবহন আইনের বিধিমালা জারি ও তা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে রোড সেফটি কোয়ালিশন বাংলাদেশ। কোয়ালিশন মনে করে, সড়ক পরিবহন আইনের যথাযথ প্রয়োগ না হওয়ায় সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা হচ্ছে না। ফলে ক্রমাগত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে চলেছে।

সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কাজ করা ৮টি সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত এই কোয়ালিশন শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি জানিয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন নিরাপদ সড়ক চাই-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন।

রোড সেফটি কোয়ালিশন বাংলাদেশের সদস্য সংস্থাগুলো হলো- নিরাপদ সড়ক চাই, ব্র্যাক, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, অ্যাকসিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বুয়েট), রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ অর্থোপেডিক সোসাইটি, বাংলাদেশ এনজিওস নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশন এবং ইম্প্রেসিভ কমিউনিকেশন লিমিটেড।

সংবাদ সম্মেলনে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘২০১৮ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে পাস হয় সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮। চার বছর পার হলেও তা বাস্তবায়নে বিধিমালা তৈরি হয়নি। ফলে সড়ককে নিরাপদ করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ ও আইনের বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সরকারের কাছে আমাদের দাবি, সড়ক পরিবহন বিধিমালা দ্রুত জারি ও এর যথাযথ বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।’

তিনি বলেন, ‘দেশব্যাপী সড়ক দুর্ঘটনার তথ্যে মিল নেই। সেকেন্ডারি ডাটা গণমাধ্যম থেকে পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়। সঠিক তথ্য নির্ধারণে সরকারিভাবে পরিসংখ্যান রাখা উচিত।’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রকাশিত গ্লোবাল স্ট্যাটাস রিপোর্ট অন রোড সেফটি ২০১৮-এর তথ্য তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ১০ লাখ ৩৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয় সড়ক দুর্ঘটনায়। এর ৯০ ভাগই ঘটে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে।

সংবাদ সম্মেলনে কোয়ালিশনের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্যে ব্র্যাকের রোড সেফটি প্রোগ্রাম (প্রজেক্ট) ম্যানেজার এম. খালিদ মাহমুদ বলেন, ‘বর্তমান সরকার সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তায় সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে এর সমাধানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে সড়ক দুর্ঘটনা ও ক্ষতির ব্যাপকতা বহুমাত্রিক হওয়ায় সরকারের একার পক্ষে তা নিরসন করা সম্ভব নয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে বাংলাদেশ সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। এর অন্যতম হলো সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ প্রণয়ন। এই আইনের কিছু সবল দিক থাকলেও এর সীমাবদ্ধতা রয়েছে প্রচুর। যার মধ্যে অন্যতম হলো- আইনটিতে হেলমেট পরিধানের বাধ্যবাধকতা থাকলেও এর মানদণ্ড ও ব্যবহারবিধি উল্লেখ নেই।

আইনে গতিসীমা লঙ্ঘনে শাস্তির বিধান থাকলেও গতিসীমা নির্ধারণ, এর বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণের নির্দেশনা এবং গাইডলাইন সন্নিবেশিত হয়নি। যাত্রীদের সিটবেল্ট ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা ও শিশুদের ক্ষেত্রে চাইল্ড রেস্ট্রেইন্ট বা শিশুদের জন্য নিরাপদ বা সুরক্ষিত আসন ব্যবহারের বাধ্যবাধকতাও আইনটিতে সংযোজন করা হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- গ্লোবাল হেলথ্ অ্যাডভোকইস ইনকিবিউটরের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর ড. শরিফুল আলম, ব্র্যাকের রোড সেফটি প্রোগ্রাম পরিচালক আহমেদ নাজমুল হুসেইন, বুয়েটের এক্সিডেন্ট রিচার্স ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. হাদিউজ্জামান, বুয়েটের সহকারী অধ্যাপক কাজী সাইফুন নেওয়াজ, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের পরিচালক ড. মাহফুজুর রহমান ভূঁইয়া, সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ, বাংলাদেশ (সিআইপিআরবি)-এর পরিচালক ড. সেলিম মাহমুদ চৌধুরী, ঢাকা আহছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও ওয়াশ সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ, বিএনএনআরসি'র প্রধান নির্বাহী এএইচএম বজলুর রহমান, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর রেজওয়ান নবীন, ইমপ্রেসিভ কমিউনিকেশনস লিমিটেড ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসিবুজ্জামান প্রমুখ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
RAB reform out of question new DG

র‍্যাব সংস্কারের প্রশ্নই ওঠে না: নতুন ডিজি

র‍্যাব সংস্কারের প্রশ্নই ওঠে না: নতুন ডিজি শনিবার সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন র‍্যাবের নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) এম খুরশীদ হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
র‍্যাবের ডিজি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে র‍্যাব সংস্কারের কোনো প্রশ্নই দেখি না। কারণ আমরা এমন কোনো কাজ করছি না, যার জন্য র‍্যাবকে সংস্কার করতে হবে। আমরা আমাদের জন্য নির্ধারিত যে বিধি আছে, সেই বিধিবিধান অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি। আমরা আইনের বাইরে কোনো কাজ করি না। সে ক্ষেত্রে সংস্কারের তো প্রশ্নই ওঠে না।’

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব) আইনের বাইরে কোনো কাজ করে না, এ জন্য র‍্যাব সংস্কারের কোনো প্রশ্নই ওঠে না বলে জানিয়েছেন বিশেষ বাহিনীটির নবনিযুক্ত মহাপরিচালক (ডিজি) এম খুরশীদ হোসেন।

শনিবার সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

জবাবদিহি ও সংস্কার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের এমন মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে র‍্যাবকে সংস্কার করা হবে কি না তার কাছে জানতে চান সাংবাদিকরা।

এর জবাবে র‍্যাব ডিজি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে র‍্যাব সংস্কারের কোনো প্রশ্নই দেখি না। কারণ আমরা এমন কোনো কাজ করছি না যার জন্য র‌্যাবকে সংস্কার করতে হবে। আমরা আমাদের জন্য নির্ধারিত যে বিধি আছে, সেই বিধিবিধান অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি। আমরা আইনের বাইরে কোনো কাজ করি না। সে ক্ষেত্রে সংস্কারের তো প্রশ্নই ওঠে না।’

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা নতুন মহাপরিচালকের ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি করবে কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘একটা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তা সরকারিভাবে মোকাবিলা করা হচ্ছে। তারা যেসব বিষয় আমাদের কাছে চেয়েছে অলরেডি সেগুলোর জবাব আমরা দিয়েছি। জবাব দেয়ার পর নতুন করে কোনো কোয়েশ্চেন রেইজ করার সুযোগ পায়নি।

‘কারণ আপনি বললেন এতগুলো লোক নেই, উধাও হয়েছে। আমাদের তো বলতে হবে, সেই লোকগুলো কারা। যেগুলো দিয়েছে, আমরা দিয়েছি কে কোথায় কী অবস্থায় আছে। সরকারের জন্য বা আমাদের জন্য এটা বড় কোনো চ্যালেঞ্জ বলে আমি মনে করি না। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করে যাব।’

নতুন ডিজি আরও বলেন, ‘এটা সত্যি, যারা কাজ করে তাদের ত্রুটি-বিচ্ছুতি হতেই পারে। সেটা দেখতে হবে আমি ব্যক্তিস্বার্থে করেছি, না সাধারণ মানুষের স্বার্থে করেছি। এসব বিষয় আমরা সরকারিভাবে মোকাবিলা করব।’

আরও পড়ুন:
দায়িত্ব নিলেন র‍্যাবের নতুন ডিজি
র‌্যাব থেকে বিদায় নিলেন আবদুল্লাহ আল-মামুন
নিষেধাজ্ঞায় বিচারবহির্ভূত হত্যা কমেছে: যুক্তরাষ্ট্রের দূত
যুক্তরাষ্ট্র কোনো দলকে সমর্থন করে না: পিটার হাস
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে চীন-ভিয়েতনামকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jubo League leader killed by masked gunman

মুখোশধারীর গুলিতে নিহত যুবলীগ নেতা

মুখোশধারীর গুলিতে নিহত যুবলীগ নেতা গুলিতে নিহত হয়েছেন যুবলীগ নেতা আলাউদ্দিন। ছবি: নিউজবাংলা
চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি মো. মোসলেহ উদ্দিন জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার বশিকপুর এলাকার দিঘিরপাড়ে কালভার্টের ওপর বসে মোবাইলে কথা বলছিলেন আলাউদ্দিন। হঠাৎ ৫-৬ জন মুখোশ পরে এসে তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি করে পালিয়ে যায়।

লক্ষ্মীপুরে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবলীগ নেতা নিহত হয়েছেন।

সদর উপজেলার বশিকপুরে দিঘিরপাড়ে শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হামলার এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. আলাউদ্দিন পাটোয়ারী বশিকপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি ছিলেন। রশিদপুর এলাকায় তার বাড়ি।

সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক আনোয়ার হোসেন নিশ্চিত করেন গুলিতে আলাউদ্দিনের মৃত্যু হয়।

লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ্জামান আশরাফ নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোসলেহ উদ্দিন জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার বশিকপুর এলাকার দিঘিরপাড়ে কালভার্টের ওপর বসে মোবাইলে কথা বলছিলেন আলাউদ্দিন। হঠাৎ ৫-৬ জন মুখোশ পরে এসে তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি করে পালিয়ে যায়।

এ সময় আলাউদ্দিন পাটোয়ারী গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক কমলা শীষ রায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দুই গ্রুপের আধিপত্য বিস্তার, অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ ও স্থানীয়রা।

ওসি মোসলেহ উদ্দিন জানান, নিহত আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ ও সদর থানাসহ বিভিন্ন থানায় ২টি হত্যা মামলা, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। সে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং আরেক তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী বশিকপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম জিহাদী বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে পরিচিত।

সাবেক জেলা যুবলীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম সালাউদ্দিন টিপু ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন বলেন, ‘যুবলীগ নেতা আলাউদ্দিনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এটি কোনোভাবে মেনে নেয়া যায় না। এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের ইন্ধন রয়েছে কি না, সেটা তদন্ত করে বের করতে প্রশাসনকে অনুরোধ করছি। হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’

পুলিশ সুপার আশরাফ বলেন, ‘এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত রয়েছে তাদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।’

আসামিরা ছাড় পাবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

আরও পড়ুন:
যুবককে ধাওয়া করে কুপিয়ে হত্যা
ছেলের রক্তাক্ত মরদেহ বাগানে খুঁজে পেলেন মা
‘চাচার প্রতি ক্ষোভে’ চাচাতো ভাইকে হত্যা, যুবক গ্রেপ্তার
ধর্ষণের পর হত্যায় ১১ বছর পর ৯ জনের যাবজ্জীবন
রাতে শিশুটিকে ডোবায় ফেলে এসে ঘুমিয়ে পড়েন বাবা

মন্তব্য

p
উপরে