× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Facebook Live next to fathers body Questions over veracity of allegations
hear-news
player
print-icon

বাবার লাশের পাশে ফেসবুক লাইভ: অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন

বাবার-লাশের-পাশে-ফেসবুক-লাইভ-অভিযোগের-সত্যতা-নিয়ে-প্রশ্ন
বাবার মৃত্যুর পর হাসপাতাল থেকে ফেসবুকে লাইভে এসে নানা অভিযোগ তোলেন সোয়াত রাব্বানী। ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া
রংপুরে একটি হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর পর তার ছেলে ফেসবুক লাইভে এসে বিস্তর অভিযোগ করেন হাসপাতালের বিরুদ্ধে। অভিযোগ ছিল, তার বাবা অবহেলায় মারা গেছেন। তবে যে ওয়ার্ডে সেই রোগী ছিলেন, সেখানে অন্য রোগীরা বলছেন, সেই রোগী নিষেধ না মেনে একাধিকবার ধূমপান করার পর অসুস্থ হন। এরপর মারা যান।

রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগে অক্সিজেন সরবরাহ না করা, অক্সিজেন ফিল্টার না থাকা ও ডিউটিরত নার্স এবং চিকিৎসকের অবহেলায় ফিরোজ রওশন আলম নামে এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ তুলেছেন তার ছেলে।

হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের সিসিইউ (করনারি কেয়ার ইউনিট) ওয়ার্ডে সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মারা যান। তার বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সদর উপজেলার পশ্চিম পেয়ারা পাড়া গ্রামে।

ফিরোজের ছেলে সোয়াত রাব্বানি সোমবার মধ্যরাতে হাসপাতালেই বাবার লাশ নিয়ে ফেসবুকে লাইভে এসে হাসপাতালের বিরুদ্ধে অব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসক-নার্সের অবহেলার অভিযোগ তোলেন।

সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তারা বলছেন, সেই রোগী ছাড়পত্র নিয়েছিলেন। তার ঢাকায় যাওয়ার কথা ছিল। এরপরও তিনি হাসপাতালে সে রাতে ছিলেন। অসুস্থ বোধ করার পর সব ধরনের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে তাকে বাঁচানো যায়নি।

হাসপাতালগুলোতে অব্যবস্থাপনা আর রোগীর প্রতি অবহেলার অভিযোগ ওঠে প্রায়ই। এ কারণে এই লাইভ করার পর ফেসবুকে তা ভাইরাল হয়ে যায়। লাইভের কমেন্টে লোকজন হাসপাতাল ও চিকিৎসকের শাস্তির দাবি জানায়।

ফেসবুক লাইভে কী অভিযোগ

ফিরোজের ছেলে সোয়াত ফেসবুক লাইভে বলেন, ‘ওরা আমার বাবাকে খুন করছে।

‘বাবা যখন অসুস্থ হয়ে ছটফট করতেছিলেন তখন কোনো নার্স ও ডাক্তার বাবার পাশে ছিলেন না। আমি তখন আমার বোনের বাসায় ছিলাম। বাবার পাশের একজন রোগী আমার বোনকে ফোন করলে আমি অন্য একজনের মোটরসাইকেলে চলে আসি।’

সোয়াত বলেন, “এসে দেখি বাবা ছটফট করতেছে, আর বলতেছিল, ‘আমি আর বাঁচব না’। এরপর আমি ডক্টরের কাছে গেছি। ডক্টর আসছিলেন কিন্তু আশপাশে কোনো অক্সিজেন ছিল না। অক্সিজেনের স্টকে ছিল কিন্তু ফিল্টার ছিল না।”

সোয়াত অভিযোগ করেন, ‘দুইজন ডক্টর এসে অক্সিজেন নিতে হবে বলে জানান। কিন্তু অক্সিজেন বেড নাই। হুইল চেয়ার আনতে গেছি, সেটাও নাই। শেষে আমি কোলে নিয়েছি। কোলে করে সিসিউতে নেই। সেখানে নার্সরা জানায়, অক্সিজেনের পাইপ লাগবে। পাইপ কেনা ছিল সেটা দিতে দিতে আব্বুর মুখ থেকে ফেনা বের হয়ে গিয়েছিল। শেষে অক্সিজেন দিয়ে বলেছিল, ৪৫ হাজার টাকার ইনজেকশন দিতে হবে। আমি বলেছি যা করার আমি করব। পরে আব্বু মারা গেছে।’


অন্য রোগী, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য মেলে না

এই অভিযোগের বিষয়ে জানতে রওশন আলম যে কক্ষে মারা গেছেন, তার পাশের রোগীদের সঙ্গে কথা বলেছে নিউজবাংলা। তবে সেই ছেলের অভিযোগের পক্ষে বলেননি তারা।

বাবার লাশের পাশে ফেসবুক লাইভ: অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন

ওই ওয়ার্ডের অন্য রোগীর স্বজনরা জানান, মৃত্যুর আগে ফিরোজ ওয়ার্ডের বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত ধুমপান করেছিলেন। কিছুক্ষণ পর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

ওই ওয়ার্ডের ১৭ নম্বর বেডের রোগীর স্বজন মো. ফিরোজ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উনি যখন রাতে মারা যান তখন অক্সিজেনের ফিল্টার ছিল না, এটা ঠিক। কিন্তু উনি সুস্থ ছিলেন।

‘রাত ১১টার পরে বার বার তার স্ত্রীকে বলেছেন যে সিগারেট খাবেন। কিন্তু তার স্ত্রীর তাকে বাধা দিয়েছে সিগারেট না খেতে। ডাক্তার এবং তার ছেলেও বারণ করেছেন। এরপরেও তিনি ওয়ার্ডের বাইরে গিয়ে অনেকক্ষণ সিগারেট খেয়েছেন। এর কিছুক্ষণ পরেই এই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে তার ছেলে এসে তো লাইভ করল।’

ফিরোজ বলেন, ‘এই ওয়ার্ডে অক্সিজেনের সেন্ট্রাল লাইন। অক্সিজেনের কোনো সমস্যা নাই।’


হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কী বলছে

সেদিন সকালে হৃদরোগ বিভাগে নার্সের দায়িত্বে ছিলেন শহিদুল ইসলাম। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ফিরোজ হৃদরোগ বিভাগে ভর্তি হন ১০ সেপ্টেম্বর। তার ট্রিটমেন্ট চলছিল ১৬ নম্বর বেডে। তিনি সোমবার অনেকটাই সুস্থ বোধ করছিলেন।

‘সোমবার সকালের রাউন্ডে হৃদরোগ বিভাগের প্রধান হরিপদ সরকার, রবীন্দ্রনাথ সেন, মাহবুবুর রহমানসহ অনেক স্যারই রাউন্ড দিয়েছেন। ওই সময় রোগীর অবস্থা ভালো দেখে স্বজনদের স্যাররা বলেছিলেন, তারা ছাড়পত্র নিবেন কি না। তখন রোগীর স্বজনরা জানান, তারা ছাড়পত্র নিয়ে ঢাকায় যাবেন। এজন্য সব প্রস্তুত করা হয়।’

শহিদুল বলেন, ‘ওই ব্যক্তির ছেলে (লাইভ করা ব্যক্তি) এখন নিচ্ছে, একটু পর নিচ্ছে করতে করতে বিকাল ৩টার দিকে ছাড়পত্র রেডি করে নেয়। কিন্তু এরপর আমার কাছেই রেখে দিয়ে বলে, আপনার কাছে ছাড়পত্র থাক, আমি যখন যাব তখন নেব। সেই অনুযায়ী ছাড়পত্রটি আমার কাছেই রাখি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ছাড়পত্র দেয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী কোনো রোগী বেডে থাকবে না, ওষুধ পাবে না। কিন্তু তারপরেও আমরা রেখেছি। কারণ, তাদের আজ (মঙ্গলবার) ঢাকায় যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কখন যাবে সেটা আমাদের বলেনি। শুধু বলেছে যাব। এটা তো গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ড। বেড ফাঁকা না থাকায় আরেক গুরুতর অসুস্থ রোগী আসতে পারে না।’

ছাড়পত্র দেখতে চাইলে তিনি জানান, ফিরোজের স্বজনরা সেটি নিয়ে গেছেন। তবে হাসপাতালের রেজিস্ট্রি খাতা এনে ফিরোজের ডিসচার্জের তথ্য দেখান তিনি। সেখানে সোমবার ডিসচার্জের সময় লেখা দেখা গেছে।

বাবার লাশের পাশে ফেসবুক লাইভ: অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন

ওই ওয়ার্ডের এক নার্স নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘আমি বিকালের শিফটে ছিলাম। যখন ওই রোগীকে ওষুধ দিতে গিয়েছি তখন তিনি ওষুধ নেননি। বলেছেন, তিনি ছাড়পত্র নিয়েছেন, কাল চলে যাবেন। এরপর আমরা আর মেডিসিন দেইনি।

‘তিনি পুরোপুরি সুস্থ হওয়ায় তার বেডে যে অক্সিজেন ফিল্টার ছিল সেটি অন্য রোগীকে দেয়া হয়েছে। তিনি ওয়ার্ডে হাঁটাহাটি করছিলেন, খাবার খাচ্ছিলেন, অন্য রোগীর সঙ্গে হাসাহাসিও করছিলেন। রাতে হঠাৎ শুনি তিনি ওয়ার্ডের বাইরে গিয়ে পরপর কয়েকটা সিগারেট খেয়ে বেডে এসে পড়ে গেছেন।’

সোহেলা পারভীন শিল্পী নামে আরেক নার্সও ওই ওয়ার্ডে ছিলেন ঘটনার সময়।

নিউজবাংলাকে তিনি জানান, সে সময় সেখানে ৭ জন চিকিৎসক এবং তিনিসহ ৩ জন নার্স ছিলেন। ফিরোজের অসুস্থতা বোধ করার তথ্য জানার সঙ্গে সঙ্গে তারা ট্রলি নিয়ে যাচ্ছিলেন। ততক্ষণে ফিরোজকে কোলে তুলে নিয়ে বের হয়ে গেছিলেন তার ছেলে সোয়াত। এরপর ট্রলিতে করেই ফিরোজকে সিসিইউতে নিয়ে অক্সিজেন দেয়া হয়। প্রয়োজনী সব চিকিৎসা দেয়া হয়। তবে তাকে বাঁচানো যায়নি।

সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নেয়া রোগী হঠাৎ কেন অসুস্থ হয়ে পড়লেন? জানতে চাইলে সোহেলা জানান, হৃদরোগের চিকিৎসা নেয়ার পরপরই ধুমপান করা ঝুঁকিপূর্ণ। ফিরোজের স্ত্রী ও স্বজনরা তাকে ধুমপান করতে বাধা দিয়েছিলেন। তবে রাতে তিনি ওয়ার্ড থেকে বের হয়ে গিয়ে ধুমপান করেছিলেন। এতে হঠাৎ করে তিনি অসুস্থ হয়ে গিয়ে থাকতে পারেন।

ওই ওয়ার্ডে সে সময় ডিউটিতে থাকা চিকিৎসক মো. রোকন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উনি অসুস্থ হয়ে যাওয়ার পর আমরা সর্বোচ্চ ট্রিটমেন্ট দিয়েছি। কোনো অবহেলা ছিল না।’

হাসপাতালের উপ-পরিচালক আব্দুল মোকাদ্দেম বলেন, ‘কেউ মারা গেলেই একটা কমন অভিযোগ তোলা হয়। আসলে সেটা ঠিক না।

‘ওই ওয়ার্ড স্পর্শকাতর। সেখানে দিনের বেলায় ৬ জন নার্স সার্বক্ষণিক থাকেন। এছাড়াও ইন্টার্ন থাকেন কমপক্ষে ১৫ জন। রাতের বেলায় থাকেন ৩ জন। সুতরাং তার অভিযোগ সত্য নয়। আমাদের চিকিৎসক নার্সরা সব সময়ই এ বিষয়ে সচেতন থাকেন।’

এসব বিষয়ে জানতে রেজিস্ট্রি খাতা থেকে নেয়া ফিরোজের স্ত্রীর ফোন নাম্বারে একাধিকবার কল করা হয়। তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফিরোজের ছেলে সোয়াতের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ম্যাসেজ দেয়া হলেও সাড়া মেলেনি। অবশ্য সোয়াতের ফেসবুকে দেয়া আপডেট থেকে জানা গেছে, ফিরোজের জানাজা ও দাফনে ব্যস্ত আছে পরিবারটি।

আরও পড়ুন:
প্রীতম দাশের বিরুদ্ধে মামলাকারী মাহবুবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে ছাত্রলীগ
রোগীকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় চিকিৎসক কারাগারে
দাঁতের ব্যথায় পল্লি চিকিৎসকের কাছে গিয়ে শিশুর মৃত্যু
‘সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি উসকে দিতে প্রীতম গ্রেপ্তার’
ছাত্রলীগ কর্মীর ‘ধর্ম অবমাননা’র মামলায় সেই প্রীতম দাশ গ্রেপ্তার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
A person was burnt in a gas fire in Dakshinkhane

দক্ষিণখানে গ‍্যাসের আগুনে এক ব‍্যক্তি দগ্ধ

দক্ষিণখানে গ‍্যাসের আগুনে এক ব‍্যক্তি দগ্ধ
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন এস এম আই হোসেন বলেন, ‘রাজধানীর দক্ষিণখান থেকে আগুনে দগ্ধ একজন রোগী এখানে আনা হয়েছে। বাবুল মিয়া নামের ওই রোগীর শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক, যেহেতু তার শ্বাসনালী পুড়ে গেছে।’

রাজধানীর দক্ষিণখানে একটি টিনশেড বাড়িতে জমে থাকা গ্যাসের আগুনে বাবুল মিয়া নামে এক ব্যক্তি দগ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে দক্ষিণখানের আটিপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনার পর তাকে দ্রুত উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন এস এম আই হোসেন বলেন, ‘রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকা থেকে আগুনে দগ্ধ একজন রোগী এখানে আনা হয়েছে। বাবুল মিয়া নামের ওই রোগীর শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক, যেহেতু তার শ্বাসনালী পুড়ে গেছে।’

আহত ব্যক্তির স্ত্রী সমলা বেগম বলেন, ‘দক্ষিণখান আটিপাড়া বড়বাগ মহিলা মার্কেটের পাশে মামুনের টিনশেড বাড়িতে স্বামী ও সন্তান নিয়ে রাতে ঘুমিয়ে ছিলাম। রাতে আমার স্বামী রান্না ঘরে গিয়ে গ্যাস লাইটার জ্বেলে মশাল কয়েল ধরাতে গেলে আগুন ধরে যায়। এতে তিনি দগ্ধ হন। পরে প্রতিবেশীরাসহ আমরা তাকে উদ্ধার করে রাতেই বার্ন ইউনিটে নিয়ে আসি। আমরা ধারণা করছি, জমে থাকা গ্যাসের আগুনেই তিনি দগ্ধ হয়েছেন।’

তিনি জানান, আহত বাবুল মিয়ার বাড়ি গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার টেংরা গ্রামে। বাবার নাম হযরত আলী। পেশায় রিকশার মেকানিক।

আরও পড়ুন:
‘দুর্বৃত্তের’ আগুনে দগ্ধ দম্পতি: মারা গেছেন স্ত্রী
দুর্বৃত্তের আগুনে গুরুতর দগ্ধ দম্পতি
ডেসটিনির গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে
সিলিন্ডারের আগুনে পুড়ে ছাই বসতঘর
চীনে নিভেছে জ্বলতে থাকা সেই ভবনের আগুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dengue patient admission record this year

হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির রেকর্ড

হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির রেকর্ড হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত সন্তানের সেবায় মা ও পরিবারের সদস্যরা। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ৩২৫ জন এবং ঢাকার বাইরে ১১৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

দেশে চলতি বছর এক দিনে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৪৪০ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছরে এক দিনে এটিই সর্বোচ্চ রোগী ভর্তির রেকর্ড।

রেকর্ড ভর্তির দিনে অবশ্য ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যুর খবর দেয়নি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে শনিবার এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ৩২৫ জন এবং ঢাকার বাইরে ১১৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৬২৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ২৭২ জন এবং ঢাকার বাইরে ৩৫৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৩ হাজার ৪৪০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ৪৩৪ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ৬ জন।

একই সময়ে সারা দেশে ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৭৬২ জন। এর মধ্যে ঢাকায় বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯ হাজার ১৩৯ জন এবং ঢাকার বাইরে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২ হাজার ৬২৩ জন।

আরও পড়ুন:
নগরে এডিস মশার লার্ভা, দেড় লাখ টাকা জরিমানা
ডেঙ্গু বাড়ছে কলকাতাতেও
এক দিনে ডেঙ্গুতে ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ৩৪৫
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ঢাকা উত্তরে সপ্তাহব্যাপী অভিযান
ডেঙ্গু পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে: তাপস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Delivery after leaving the hospital

হাসপাতাল থেকে বের হয়েই প্রসব

হাসপাতাল থেকে বের হয়েই প্রসব
রিতুর স্বামী সাগর আলী ঘটনাটি জানিয়ে বলেন, ‘যদি বাচ্চার সমস্যা থাকত তাহলে নরমাল ডেলিভারি হয় কীভাবে? চিকিৎসক ও নার্সরা চেষ্টা করলে খোলা মাঠে সন্তান জন্মের ঘটনা ঘটত না।’

প্রসবব্যথা ওঠায় কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান রংপুরের পীরগাছার রিতু আক্তার। গর্ভের সন্তান উল্টে আছে জানিয়ে তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার কথা বলে ছাড়পত্র দেয়া হয়। হাসপাতাল থেকে বের হয়ে মাঠেই সন্তান প্রসব করেন রিতু।

শুক্রবার দুপুরে ঘটে যাওয়া এ ঘটনার স্থানীয়ভাবে তোলা ছবি ও তথ্যের পোস্ট ভাইরাল হয়েছে ফেসবুকে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

রিতুর সঙ্গে থাকা স্বজনরা জানান, শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। নার্সরা সেখানে নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করেন। কিন্তু গর্ভে শিশু উল্টো হয়ে আছে বলে রিতুকে রংপুর মেডিক্যালে যেতে বলা হয়। ওই হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হলে রিতুকে নিয়ে স্বজনরা রংপুর মেডিক্যালে যেতে রওনাও দেন।

তবে প্রসবব্যথা বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালের মাঠেই বসে পড়েন রিতু। সেখানেই জন্ম নেয় তার সন্তান।

রিতু স্বামী সাগর আলী ঘটনাটি জানিয়ে বলেন, ‘যদি বাচ্চার সমস্যা থাকত তাহলে নরমাল ডেলিভারি হয় কীভাবে? চিকিৎসক ও নার্সরা চেষ্টা করলে খোলা মাঠে সন্তান জন্মের ঘটনা ঘটত না। তাদের অবহেলায় এই ঘটনা ঘটছে।’

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মীর হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঘটনা ঘটেছে এটা সত্য। এটাও সত্য যে তারা রংপুর মেডিক্যালে যেতে চাইছিল তাই রেফার করা হয়েছে।

‘ওই সময়ে আমাদের নার্সরা ওয়ার্ডে ছিলেন। পরে মা ও সদ্য জন্ম হওয়া শিশুকে ওয়ার্ডে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।’

তিনি জানান, সুস্থ থাকায় বিকেলে মা ও নবজাতককে স্বজনরা বাড়ি নিয়ে যান। কেউ এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ জানাননি।

আরও পড়ুন:
মাতৃত্বের শক্তির কাছে পরাজিত হলো লোকনিন্দার ভয়
যমজ নবজাতকের মৃত্যু: ধাত্রীই চালাতেন সেই ক্লিনিক
‘অপরিণত হওয়ায়’ সেই যমজ নবজাতকের মৃত্যু
‘বিলের জন্য অক্সিজেন খুলে নেয়ায়’ যমজ নবজাতকের মৃত্যু
গর্ভের সন্তান নষ্ট হওয়ায় নার্স বেশে নবজাতক চুরি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Lives will be saved through cadaveric transplant

‘ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্টের মাধ্যমে বাঁচবে প্রাণ’

‘ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্টের মাধ্যমে বাঁচবে প্রাণ’ ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট-সংক্রান্ত গোলটেবিল বৈঠক। ছবি: সংগৃহীত
অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্টের কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। খুব দ্রুত দেশে এর কাজ শুরু হবে। সব শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণে এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে বলে বিশ্বাস করি।’

দেশে ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্টের কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। খুব দ্রুত দেশে এর কাজ শুরু হবে। এ কথা জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট সেলের সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান দুলাল।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট-সংক্রান্ত একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় শহীদ ডা. মিল্টন হলে জাতীয় ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট কমিটির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় সেল এই আয়োজন করে।

ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট হলো সদ্যমৃত কোনো মানুষের দেহ থেকে কিডনি, হৃৎপিণ্ড, অন্ত্র, অগ্ন্যাশয় প্রতিস্থাপন।

এর আগে ২২ জুন ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্টের মাধ্যমে বহু মরণাপন্ন মানুষের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব বলে মন্তব্য করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট সেলের সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান দুলাল বলেন, ‘জাতীয় ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট জাতীয় কমিটির সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. শারফুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে আমাদের দেশে ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্টের কাজ অনেক দূর এগিয়েছে এবং খুব দ্রুত দেশে ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট শুরু হবে। সব শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণে এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে বলে বিশ্বাস করি।’

বৈঠকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানেসথেসিয়া অ্যানালজেসিয়া অ্যান্ড ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

গোলটেবিল বৈঠকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও বারডেম হাসপাতালের চিকিৎসকরা অংশগ্রহণ করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chevron fined for testing expired machines

মেয়াদোত্তীর্ণ মেশিনে পরীক্ষা, শেভরনকে জরিমানা

মেয়াদোত্তীর্ণ মেশিনে পরীক্ষা, শেভরনকে জরিমানা চট্টগ্রামের শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিকে জরিমানা করেছে ভোক্তা অ‌ধিকার সংরক্ষণ অ‌ধিদপ্তর। ছবি: নিউজবাংলা
‘অভিযানে শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট মেশিনে পরীক্ষার প্রমাণ পেয়ে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

চট্টগ্রামে মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট মেশিনে রোগীর পরীক্ষার প্রমাণ পেয়ে শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অ‌ধিকার সংরক্ষণ অ‌ধিদপ্তর।

নগরীর ওআর নিজাম রোডে বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই ক্লিনিকে অভিযান চালিয়ে জরিমানা হয়।

এ সময় শ্রেষ্ঠা মেডিসিন কর্নার নামে একটি দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন জাতীয় ভোক্তা অ‌ধিকার সংরক্ষণ অ‌ধিদপ্তরের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নাসরিন আক্তার।

তিনি বলেন, ‘অভিযানে শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট মেশিনে রোগীর পরীক্ষার প্রমাণ পেয়ে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

‘এ সময় শ্রেষ্ঠা মেডিসিন কর্নার নামে একটি দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পেয়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের একটি দল অভিযানে অংশ নেয় বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
ডিজেল-পেট্রল মজুত, ৩ ব্যবসায়ীকে জরিমানা
অনুমোদন না নিয়ে শিশুখাদ্য তৈরি, জরিমানা
মাপে ঠকিয়ে ফিলিং স্টেশনের লাখ টাকা জরিমানা
তরকারিতে তেলাপোকাকাণ্ড
ছত্রাক ধরা মিষ্টি, নষ্ট জিলাপি ও ভেজাল দই বিক্রি, জরিমানা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
2 deaths in dengue hospital admission 437

ডেঙ্গুতে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৩৭

ডেঙ্গুতে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৩৭ ছবি: সংগৃহীত
বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৫২৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ১৮৩ জন এবং ঢাকার বাইরে ৩৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৪৩৭ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ বছরে এক দিনে এতসংখ্যক রোগী আর পাওয়া যায়নি।

একই সময়ে ডেঙ্গুতে দুজনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ৩০৬ জন এবং ঢাকার বাইরে ১৩১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৫২৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ১৮৩ জন এবং ঢাকার বাইরে ৩৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় দুজন নিয়ে এ বছর ডেঙ্গুতে মোট ৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১২ হাজার ৮৭৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ১৭ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ৮৫৮।

একই সময়ে সারা দেশে ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে ঢাকায় বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮ হাজার ৮১৩ জন এবং ঢাকার বাইরে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২ হাজার ৪৮৫ জন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Corona death 1 detected 678

করোনায় মৃত্যু ১, শনাক্ত  ৬৭৮

করোনায় মৃত্যু ১, শনাক্ত  ৬৭৮ ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ৭৯৮টি নমুনা পরীক্ষা করে শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ১৩ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৭৮ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। আগের দিন রোগী শনাক্ত হয়েছিল ৬৪১ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বৃহস্পতিবার জানায়, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ৭৯৮টি নমুনা পরীক্ষা করে শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ১৩ শতাংশ, যা আগের দিন বুধবার ছিল ১৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

এ সময়ে করোনাভাইরাসে একজনের মুত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ২০ লাখ ২০ হাজার ১৪৮ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়ে একজনের মৃত্যুসহ মোট মৃত্যু ২৯ হাজার ৩৪৬ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৩৩৯ জন।

টানা ১৫ দিন ধরে করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকায় দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হয় রোববার।

দেশে করোনার চতুর্থ ঢেউ শুরুর পর ১১ আগস্ট প্রথমবারের মতো শনাক্ত হার ৫ শতাংশের নিচে নামে। ওইদিন ৪ হাজার ৮০৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ছিল ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ। তার পর থেকে এই হার ওঠানামা করলেও তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়নি।

কিন্তু ৫ সেপ্টেম্বর থেকে বদলে যায় দৃশ্যপট। বাড়তে থাকে করোনা সংক্রমণ। ১৪ দিন ধরে তা ঊর্ধ্বমুখী। মাঝে এক-দুদিন শনাক্তের হার কমলেও তা কখনও ৫-এর নিচে নামেনি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলা যায়।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২০ হাজার ১৪৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২২০ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬১ হাজার ৮১৯ জন।

মন্তব্য

p
উপরে