২৩ জনকে সহসভাপতি ও ৮২ জনকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করে ৩০২ সদস্যের ঢাউস পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেছে ছাত্রদল। সেই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কমিটিরও অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
রোববার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে চলতি বছরের ১৭ এপ্রিল কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণকে সভাপতি ও সাইফ মাহমুদ জুয়েলকে সাধারণ সম্পাদক করে পাঁচ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
পাঁচ সদস্যের আংশিক কমিটিতে সিনিয়র সহসভাপতি পদে রাশেদ ইকবাল খান, প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আবু আফসার মোহাম্মদ ইয়াহিয়াকে বেছে নিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংসদ।
পূর্ণাঙ্গ কমিটির সহসাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে ৬২ জনকে, সহসাংগঠনিক সম্পাদক ৩৮ জন, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ৭৩ জন এবং সাধারণ সদস্য করা হয়েছে ১৯ জনকে।
সহ-সভাপতি
রাশেদ ইকবাল খান, তানজিল হাসান, তবিবুর রহমান সাগর, রিয়াদ মো. ইকবাল হোসেন, শেখ আল ফয়সাল, কামরুজ্জামান আসাদ, মুতাছিম বিল্লাহ, ঝলক মিয়া, রোকনউজ্জামান রোকন, নিজাম উদ্দীন রিপন, মাহাবুব মিয়া, আক্তারুজ্জামান আক্তার, আকতার হোসেন, নাসির উদ্দীন আহমেদ, আশরাফুল ইসলাম আনিক, করিম প্রধান রনি, ইসামন্তাজ ইজাজ শাহ্, মারুফ এলাহি রনি, সুলতানা জেসমিন জুঁই, সাইফুল ইসলাম সিয়াম, সাজ্জাতুল হানফি সাজ্জাদ, কাজী মোহাম্মদ ইলিয়াছ।
সহ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রকিবুল ইসলাম রাকিব।
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক
জহরিুল ইসলাম (জহির রায়হান আহমেদ), ইউনুচ আলী রাহুল, শাহ আলম, ইব্রাহিম খলিল ফিরোজ, মাহতাব উদ্দীন জিমি, সালাউদ্দীন, তৌহিদুর রহমান আউয়াল, আনোয়ার পারভেজ, আকন মামুন, আরিফুর রহমান, অহিদুল ইসলাম অপু, বায়েজিদ প্রধান, আব্দুর সাত্তার পিয়াস, খায়রুল আলম সুজন, মারজুক আহমেদ (আল আমিন), মাকসুদুর রহমান সুমিত, রেজাউল করিম তাহসান, শফিকুল ইসলাম বাবু, রাকিবুল হাসান রকি, জাহিদুল ইসলাম, জুয়েল মৃধা, মিলন হাওলাদার, এইচ এম আবু জাফর, সোহেল রানা, আবু সুফিয়ান, মশিউর রহমান মামুন, সাফি ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, সাকির আহমেদ, শাহজাহান শাওন, ওয়ালিউর রহমান জনি, লিটন এ আর খান, আরিফ হোসেন, সজীব মজুমদার, আশিকুর রহমান, রিয়াদ-উর-রহমান, হাসান আল আরিফ, শিপন বিশ্বাস, মঞ্জুরুল ইসলাম রিয়াদ, হাফিজুর রহমান সোহান, নাদির শাহ পাটওয়ারী, শ্রী মিঠুন কুমার দাস, মুহাম্মদ ওয়াসিফ সরওয়ার, সালেহ মো. আদনান, আমান উল্লাহ আমান, মোহাম্মদ আবুল বাশার, মোস্তাফিজুর রহমান রুবেল, মোস্তাফিজুর রহমান, শাখাওয়াত হোসের সুহান, এস এম মাহমুদুল হাসান রনি, জসিম উদ্দীন, আবুল খায়ের ফরাজী, শরিফুল ইসলাম রাকিব, জহির হাসান (মোহন), মামুন হোসেন, মাহমুদুল হাসান মারজান, আশিক আহমেদ, হাসিবুল ইসলাম সজীব, মাসুদ হোসাইন (মাসুদ রানা), মামুন খান, আনিসুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম সাইফ, নাজমুল হুদা, আমিনুর রহমান শান্ত, তৌহিদুল ইসলাম এরশাদ, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন রফিকুল হাসান পলাশ অয়ন, জকির উদ্দিন আবির, কাজী জিয়া উদ্দনি বাসেত, আবুল কালাম আজাদ, আব্দুর রহিম সৈকত, সাইফুল হক তাজ, সালাউদ্দিন খালিদ হিমেল ভূইয়া, খোরশেদ আলম লোকমান, সালাউদ্দিন হিমেল, মাসুদ রানা রিয়াজ, সোহরাব হোসেন সুজন, রুপক মিয়া, ত্বন্বী মল্লিক, শ্যামলী আক্তার এবং রেহেনা আক্তার শিরিন।
সহ-সাধারণ সম্পাদক
সীরাতুল সাঈম, বায়েজিদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, মওদুদ আহমেদ, আনোয়ার হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, মাইনুল ইসলাম সোহান, কাজী শামসুল হুদা, সাইদ আহমেদ, আব্দুলাহেল কাফী, শাহরিয়ার ইমন, ইমরান আলী সরকার, গাজী হারুনুজ্জামান, সাইদ মাহমুদ তারেক, মাহের হোসেন, আব্দুস সাত্তার রনি, রুবেল হোসেন, জহিরুল ইসলাম দিপু পাটোয়ারী, কাজী মোহাম্মদ রেজাউল করিম রাজু, রেজোয়ান আহমেদ, এস এম ফয়সাল, নুর নবী পলাশ, কামরুজ্জামান কামরুল, নুরে আলম, আরিফুল ইসলাম রবিন, মীর ইমরান হোসেন মিথুন, খন্দকার রাজ্জাকুর রহমান রাজ, বাছিরুল ইসলাম রানা, হারুনুর রশিদ, আরিফুল রহমান আরমান, রুহুল আমিন, সানজিদা ইয়াসমিন তুলি, নাসরিন আক্তার পপি, মোহাম্মদ হোসাইন মিথুন, আজিজুল হক জয়িন, মোকছেদুল মোমিন মিথুন, আনিছুর রহমান রাসেদ, সোয়েবুর রহমান সোয়েব, ইসলামুল হক চঞ্চল, হায়াত মাহমুদ জুয়েল, সোহেল সরকার, সেলিম রেজা, আল মামুন, নাইম মাহমুদ, শাহ নেওয়াজ চৌধুরী, আরিফুর রহমান আমিন, মেহেদি হাসান, রয়েল হক, আরিবা নিশীথ, জামিল হোসেন মুরসালিন, আক্তারুজ্জামান আকতার, রুহুল আমিন হিমেল, মিজানুর রহমান মিজান, ফেরদৌস হোসনে ফয়সাল, জসিম উদ্দীন সম্রাট, তানজিয়া আফরিন এলিনা, মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, আব্দুল্লাহ আল মামুন কাওসার, আল-মামুন জাহিদুল ইসলাম বাবু,
সাংগঠনিক সম্পাদক
আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহিয়া।
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক
সাইদুর রহমান সাইদ, এস এম দিদারুল ইসলাম দিদার, আল আমিন, ইসতিয়াক কামাল সজীব হাওলাদার, অলিউদ্দিন অলি, আবুল হোসেন হাওলাদার আশিক, হিমেল আল ইমরান, এম এ রহিম শেখ, জাহিদ পারভেজ, আসাদুজ্জামান তরফদার আশা, শহীদুল ইসলাম নয়ন, আরিফুল ইসলাম আরিফ, দেওয়ান সাইদুল ইসলাম পলাশ, শামীম খান, রবিউল ইমরান নওশেদ, সৈয়দ ফয়সাল হোসেন, ইব্রাহিম খলিল বিপ্লব, সোহেল রানা, সিরাজুল ইসলাম শ্রাবন, মাহফুজুর রহমান, শাখওয়াত আলী সুজার, মানিক ভূইয়া, মনির হোসেন, ইরফান আলী, আব্দুল্লাহ আল মুনছুর কমেট, জসিম উদ্দন সরদার, জি এম রাকিবুল হাসান রকি, মামুন মজুমদার, আল-আমীন, আকরাম হোসেন তারেক, সজীব চৌধুরী, সৈয়দ নাজমুল ইসলাম (বাহার), নজরুল ইসলাম রাড়ী, সজীব বিশ্বাস (মঞ্জুরুল ইসলাম), সারোয়ার আলম, মতিউর রহমান, জাকারিয়া হোসেন ইমন, শামীম হোসেন এবং সাইফুল ইসলাম সাগর।
সম্পাদকমণ্ডলী
দপ্তর সম্পাদক: জাহাঙ্গীর আলম (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা)
সহ-দপ্তর সম্পাদক: শাহারিয়ার হক মজুমদার শিমুল (যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)
প্রচার সম্পাদক: ওমর সানি (যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)
সহ-প্রচার সম্পাদক: শাহারিয়ার
সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক: শরীফুল প্রধান শরীফ
সহ-সাহত্যি ও প্রকাশনা সম্পাদক:- সাজিদ হাসান
আন্তর্জাতিক সম্পাদক: রিয়াজ আনোয়ার হোসেন
সহআন্তর্জাতিক সম্পাদক: নাহিয়ান
ক্রীড়া সম্পাদক: ওমর ফারুক মামুন
সহ-ক্রীড়া সম্পাদক: রাধে শ্যাম বিশ্বাস রাজেশ
সমাজসেবা সম্পাদক: মওদুদ হোসেন মঈন
সহ-সমাজসেবা সম্পাদক: রনি হাওলাদার
তথ্য ও গবষেণা সম্পাদক: জি এম ফখরুল হাসান
সহ-তথ্য ও গবষেণা সম্পাদক: আলী আহমেদ রকি
সাংস্কৃতকি সম্পাদক: ফারুক হোসেন
সমাজসেবা সম্পাদক: মওদুদ হোসেন মঈন
সহ-সমাজসেবা সম্পাদক: রনি হাওলাদার
তথ্য ও গবষেণা সম্পাদক: জি এম ফখরুল হাসান
সহ-তথ্য ও গবষেণা সম্পাদক: আলী আহমেদ রকি
সাংস্কৃতকি সম্পাদক: ফারুক হোসেন
সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক: জান্নাতুল নওরিন উর্মী
আইন সম্পাদক: সাজ্জাদ হোসেন সবুজ
সহ-আইন সম্পাদক: এইচ এম জাহিদুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন পলাশ, আব্দুল সালাম হিমেল, ওয়ালিউল্লাহ, মিয়া মো. হান্নান
যোগাযোগ সম্পাদক: মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স
সহ-যোগাযোগ সম্পাদক: জহিরুল ইসলাম রুবেল
পাঠাগার সম্পাদক: আসাদুজ্জামান রিংকু, আনিসুর রহমান আনিচ।
অর্থ সম্পাদক: রিয়াজ হোসেন
সহ-র্অথ সম্পাদক: রিয়াদ আহমেদ
মানবাধিকার সম্পাদক: নকিবুল ইসলাম নকিব
সহ-মানবাধিকার সম্পাদক: নয়ন বাছার
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ক সম্পাদক: মশিউর রহমান সরকার
সহ-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক: শাহরিয়ার হোসেন পিয়াস, নওয়াজীস ইসলাম রিয়েল।
আপ্যায়ন বিয়ষক সম্পাদক: মেহেদী হাসান রাজা
সহ-আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক: ফকির ইব্রাহিম
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: মির্জা ফয়সাল
সহ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: সোহাগ সর্দার
স্কুল বিষয়ক সম্পাদক: সুফী ওবায়দুর রহমান সামিত
সহ-স্কুল বিষয়ক সম্পাদক: মিজানুর রহমান (দয়াল)
ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক: হাফেজ মো. শামছুদ্দিন
সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক: মৃনাল চন্দ্র সুজন, দীপ্ত মিত্র,
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক: আপেল মাহমুদ
সহ-সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক: শামীম আকন
পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক: গোলাম কিবরিয়া
সহ-পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক: মাসুম বিল্লাহ
গণশক্ষিা বিষয়ক সম্পাদক: শাহিন রেজা শিশির
সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক: জিল্লুর আল-রাজী
প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক: রেজাউল হাসান বাপ্পি
সহপ্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক: পি কে মেহেদী হাসান
গণসংযোগ সম্পাদক: ফিরোজ আলম
সহ-গণসংযোগ সম্পাদক: শাহ পরান খান
নাট্য বিষয়ক সম্পাদক: এনামুল হক এনাম
সহ-নাট্য সম্পাদক: সোহাগ মোল্লা
স্বাস্থ্য সম্পাদক: সাইফুল আলম বাদশা
সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক: মাহবুব শেখ
সহ-স্বাস্থ্য সম্পাদক: এ এম মেহেদী হাসান
সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক: এরফান হোসেন নিবিড়
সহ-স্বাস্থ্য সম্পাদক: আবু সাইদ মো. মুহিবুল্লাহ্
ত্রাণ ও র্দুযোগ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক: তানভীর আহমেদ তানু
সহ-ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্হাপনা সম্পাদক: নাছির উদ্দিন মঞ্জু
শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক: মিয়া মো. রাসেল
সহশিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক: হুমায়ন কবির নয়ন
কৃষি ও গবেষণা সম্পাদক: জাহিদ শাকিল
সহ কৃষি ও গবেষণা সম্পাদক: সাকিব সরদার
বৃত্তি ও ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক: আরিফ আহমেদ রনি
সহ-বৃত্তি ও ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক: রিয়াজ হাওলাদার
কর্মসূচি প্রণয়ন ও পরিকল্পনা সম্পাদক: রাজিব হাসান
সহ-কর্মসূচি প্রণয়ন ও পরিকল্পা সম্পাদক: তাইফুর রহমান ফুয়াদ
মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা সম্পাদক: শাকিল আহমেদ
সহ-মুক্তিযোদ্ধা গবেষণা সম্পাদক: লাবু বেপারী
ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক: মানসুরা আলম
সহ-ছাত্রী সম্পাদক: জান্নাতুল ফেরদৌস
সদস্য
আরিফুর রহমান আরিফ, ফয়েজ উল্লাহ সরকার, গোলাম রহমান খান, সাহেদ হাসান, রাজিব মৃধা, অলিউজ্জামান সোহেল, মাকসুদা রিমা, খলিলুর রহমান খান সম্রাট, মাকসুদা মনি, মোবারক হোসেন, এইচ এম সাইফুল ইসলাম সজীব, কাজী আজহার হোসেন, মেহেদী হাসান সোহাগ, আজাদ মাহমুদ, হাফিজুর রহমান, আমির হামজা রাজু, আনিচুর রহমান খান, শারমিন সুলতানা রুমা, আফজাল হোসেন এবং সীমান্ত দাস।
ছবি: সংগৃহীত
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে বিএনপি। শনিবার (১৮ জুলাই) দলটির কেন্দ্রীয় দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
দলীয় সূত্র জানায়, স্থানীয় পাট (জুট) ব্যবসা নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে সম্প্রতি ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুকে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের বিষয়টি আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা হিসেবে শোকজ নোটিশ জারি করেছে বিএনপি।
ছবি: সংগৃহীত
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমরা বরাবরই বলে এসেছি যে, আমরা সংবিধান সংশোধন করতে চাই। আমরা সংবিধান সংস্কারের কথা কখনোই বলিনি।’
জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধীদল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে বলেও এ সময় অভিযোগ তোলেন তিনি।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত স্মরণ সভায় তিনি এ কথা বলেন।
অধ্যাপক এমাজ উদ্দিন আহমেদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রফেসর এমাজ উদ্দিন আহমেদ রিসার্চ সেন্টার ও জাতীয় সাংবাদিক সমিতি যৌথভাবে এই স্মরণ সভার আয়োজন করে।
ফখরুল বলেন, ‘জনগণ আমাদেরকে ভোট দিয়েছে। ম্যানিফেস্টোর মধ্যে যেটা ছিল, সেই ম্যানিফেস্টোতে টু-থার্ড মেজরিটি নিয়ে বিএনপি আজকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। সুতরাং ওই জায়গায় কোনো রকমের কোনো বিভ্রান্তি অবকাশ আছে বলে আমি মনে করি না।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা আজকে অনেকগুলো প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছি। বিরোধীদল থেকে বলা হচ্ছে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি সংসদে আদায় না হলে রাজপথের ফায়সালা হবে। আমার কাছে মনে হয়, জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য এই প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। জুলাই সনদ আমরা স্বাক্ষর করেছি একসঙ্গে। যে সকল দল আমরা আন্দোলন করেছি একসঙ্গে, তারা সবাই স্বাক্ষর করেছি। আমরা বারবার করে বলছি, জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর আমরাই বাস্তবায়িত করব…এটাতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।’
গণভোটের একটি অংশ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, ‘উচ্চকক্ষে আনুপাতিক হারে ভোটে প্রতিনিধিত্বের বিষয়ে আমরা কখনোই একমত হইনি। সে সময় আমি নিজে স্টেটমেন্ট দিয়েছিলাম, জাতির সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। সংস্কার কমিশন আমাদের কনসেন্ট ছাড়াই কথাগুলো সেদিন নিয়ে এসেছে। জুলাই সনদের বইটা যদি আপনারা পড়েন...সেখানে প্রতিটি জায়গায় বলা আছে, যে দল নির্বাচিত হবে তারা তাদের ম্যানিফেস্টো অনুযায়ী সেটাকে বাস্তবায়িত করবে। আমরা বারবারই এই কথা বলে এসেছি এবং আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা ৩১ দফাতে যেমন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, ঠিক তেমনভাবে আমরা জুলাই সনদ বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিন্তু সেটা আমরা যেভাবে চেয়েছি, সেভাবে আমরা বলছি।’ এখানে বিরোধীদল সম্পূর্ণভাবে ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে যে, আমরা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে চাই না,’ যোগ করেন তিনি।
‘সংস্কার বিএনপিই এনেছে’: ফখরুল বলেন, ‘সংস্কার এদেশে কারা এনেছে? বিএনপি এনেছে। একদলের শাসনব্যবস্থা থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র বিএনপি নিয়ে এসেছে।’
বিরোধীদলের অনেকে মুখরোচক কথা বলে জনগণকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘জনগণের চেয়ে ভালো তো আর কেউ বোঝে না। আমরা যতই মনে করি...জনগণ কিন্তু সবচেয়ে ভালো বোঝে। তারাই সিদ্ধান্ত নেবে আমরা সংবিধান সংশোধনের ব্যাপারে কী বলেছি?’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমি মনে করি, বিরোধীদল শুধুমাত্র ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এই জুলাইকে (জুলাই সনদ) ব্যবহার করতে চায়। আমরা কিন্তু চাই না জুলাই ক্ষমতার যাওয়ার আরেকটি হাতিয়ারে পরিণত হোক।’
জুলাই আন্দোলনের বিএনপি ত্যাগ সবচেয়ে বেশি মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি সম্পর্কে অনেকে অনেক কথা বলেন। বিএনপির ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে, বিএনপির প্রায় এক হাজার ৭০০ নেতাকর্মী গুম হয়ে গেছে। বিএনপি কয়েক হাজার মানুষ হত্যার শিকার হয়েছে এই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে। এই কথাগুলো বারবার করে আমাদেরকে বলতে হয় এ জন্য যে, অনেকে এটাকে নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চাচ্ছেন।’
ছবি: সংগৃহীত
জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, তারা সব সময় ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে গিয়ে নিজেই পানিতে পড়ে যায়। সীমান্ত হত্যা, পুশইন নানা ঘটনার পরেও ৫ আগস্টের পর ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা বলেছে জামায়াত। আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনার টোনে জামায়াত কথা বললে, জনগণ তা মেনে নেবে না। শুক্রবার (১৭ জুলাই) যাত্রাবাড়ী প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘ইতিহাসের যে উল্লেখযোগ্য প্রতিরোধ আছে, যাত্রাবাড়ী ও রায়েরবাগের প্রতিরোধ চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। পৃথিবীর ইতিহাসে এটি একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে থাকবে। শ্রাবণের বৃষ্টির মতো যাত্রাবাড়ীতে যখন গোলাগুলি করা হচ্ছিল সেদিন বিএনপি-ছাত্রদল, জামায়াত-শিবির, মাদ্রাসার ছাত্ররাসহ অন্যান্য সংগঠনগুলোও বুক চিতিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।’
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘হাসিনা এদেশের মানুষের রক্ত ঝরিয়েছে। তার বাবাও একই কাজ করেছে। শেখ হাসিনা যদি ফিরে এসে রাজনীতি করতে চান, তাহলে ইয়াহিয়া ও টিক্কা খান কোন দোষ করেছে? শেখ হাসিনা তাদের চেয়ে কম কী করেছে?’
রিজভী বলেন, ‘টকশোতে অনেকে ইনিয়ে-বিনিয়ে শেখ হাসিনার সাফাই গাওয়ার চেষ্টা করছেন। শেখ হাসিনা এত বাহাদুর হলে পালালেন কেন? খালেদা জিয়া তো পালাননি। হাসিনা যে কী নিষ্ঠুর হতে পারে, তা কারাগারে নেতাদের ওপর হাত তোলা না দেখলে বোঝা যাবে না। ফ্যাসিস্ট দলকে ফিরিয়ে আনা যায় না। হিটলারের দল ফিরে আসতে পারেনি।’
ছবি: সংগৃহীত
গাজীপুরে ভাওয়াল রাজাদের শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী মানিক্য মাধবের রথযাত্রা ও রথমেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) শহরের রথখোলায় গাজীপুর প্রেসক্লাবের বটমঞ্চে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম.মঞ্জুরুল করিম রনি বলেন, বিএনপি সবসময় হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে আছে এবং থাকবে।
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও রথমেলা উদযাপন কমিটির সভাপতি মো. নূরুল করিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ইসরাইল হাওলাদার, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট শহীদউজ্জামান, আহম্মদ আলী রুশদী, হাসান আজমল ভূঁইয়া, গাজীপুর মেট্রো সদর থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান এলিস, গাজীপুর মহানগর কৃষক দলের সদস্য সচিব খান জাহিদুল ইসলাম নিপু, গাজীপুর সদর মেট্রো থানা যুবদলের আহ্বায়ক নাজমুল খন্দকার সুমন, গাজীপুর মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারহাজ বিন ফয়েজ প্রবাল, গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি রোহানুজ্জামান শুক্কুর প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার তাহেরুল হক চৌহান, এডিসি জেনারেল শাহরিয়ার নজির, গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাত হোসেন প্রমূখ।
ছবি: সংগৃহীত
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, অপরিকল্পিত উন্নয়নের ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে।
বর্তমান সরকার পরিবেশবান্ধব ও প্রকৃতিবান্ধব উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করছে। চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে সরকার ও বিএনপি নিজ নিজ উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার তৈলারদ্বীপ এলাকায় বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বাড়িতে যাতায়াতের সুবিধার্থে হাওরের ওপর সড়ক নির্মাণের কারণে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির মুখে পড়েছে।
পাশাপাশি উন্নয়নের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় খাল দখল, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ এবং ব্যক্তিস্বার্থে কালভার্ট নির্মাণ জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ। তিনি জানান, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় খাল দখলমুক্ত করতে অভিযান চলছে।
তিনি আরো বলেন, দখলদার যেই হোক, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে।
পাশাপাশি সারাদেশে ২৬ হাজার কিলোমিটার খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খাল খননের পাশাপাশি খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিন উদ্দিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) দীপক ত্রিপুরা, আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জুনায়েত চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সরওয়ার হোসেন মাসুদ, জাগির হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক গাজী ফোরকান, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইসমাইল বিন মনিরসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
ছবি: সংগৃহীত
পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকে নিয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) পাবনা জেলা শাখা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে পাবনা শহরের লাহিড়ীপাড়া বিএনপি কার্যালয়ে এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সামাদ খান মন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুল হক বাবু, আবু ওবায়দা শেখ তুহিন ও নূর মোহাম্মদ মাসুম বগা, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাহামুদ মান্নান মাস্টার, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ তৌফিক হাবিব, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি কে এম মুসা, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য জহুরুল ইসলাম বাবু, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি সাবির হাসান বাচ্চু, সদর পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম বাদশা, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেহানুল ইসলাম বুলাল এবং সদর পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম লালু। সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন মুসাব্বির হোসেন সঞ্জু।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক মেহেরুন্নেছা শাজাহান, সহ-সভানেত্রী লুৎফুন্নাহার হাজারী, ফারহানা পারভীন, মোহছিনা খান সেতু, জিনিয়া আফরোজ রিমা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ইয়ামিন খান এবং ছাত্রদলের নেতা সম্রাটসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকে নিয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের দেওয়া বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের মন্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
ছবি: সংগৃহীত
সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী পালনকালে দলের বর্তমান চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদের দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে রংপুরের পল্লী নিবাসে আয়োজিত এক শোক সভায় তিনি মন্তব্য করেন যে, চব্বিশের জুলাই আন্দোলনকে এখনো পূর্ণাঙ্গ গণঅভ্যুত্থান বলা যায় না। তাঁর মতে, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত ভয়াবহ এবং বিদ্যমান চিত্র দেখে মনে হচ্ছে দেশ এখনো বৈষম্যমুক্ত হতে পারেনি।
জি এম কাদের তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, সাধারণ মানুষের জুলাই আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা এখনো বাস্তবে রূপ লাভ করেনি। এই প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, ‘জুলাই গণ-আন্দোলন এখনো অসমাপ্ত রয়েছে।’ ভবিষ্যতে দেশে ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন একটি গণ-আন্দোলন গড়ে ওঠার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে জনগণ আবারও রাস্তায় নামতে পারে। বর্তমান সরকারের কঠোর সমালোচনা করে জাপা চেয়ারম্যান অভিযোগ করেন যে, ‘অন্তর্বর্তী সরকার জামায়াত-বিএনপির সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে একতরফা নির্বাচন উপহার দিয়েছে।’ তিনি আরও দাবি করেন, এই নির্বাচন কোনোভাবেই অবাধ বা নিরপেক্ষ হয়নি এবং এখনো ‘মব’ বা গণপিটুনির সংস্কৃতির মাধ্যমে বিরোধী মতের মানুষের ওপর অত্যাচার চালানো হচ্ছে।
জাতীয় পার্টিকে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার জন্য বহুমুখী ষড়যন্ত্র চলছে বলে দাবি করেন জি এম কাদের। তিনি সকল প্রতিকূলতা ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে সারা দেশে দলকে সুসংগঠিত করার জন্য নেতা-কর্মীদের প্রতি কঠোর নির্দেশ প্রদান করেন। তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন যে, ভবিষ্যতে জাতীয় পার্টির মাধ্যমেই উত্তরবঙ্গের মানুষের কাঙ্ক্ষিত এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। শোক সভায় এরশাদের স্মৃতিচারণ করে আরও বক্তব্য রাখেন দলের মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এবং কো-চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য