× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Child dies after going to village doctor due to toothache
hear-news
player
print-icon

দাঁতের ব্যথায় পল্লি চিকিৎসকের কাছে গিয়ে শিশুর মৃত্যু

দাঁতের-ব্যথায়-পল্লি-চিকিৎসকের-কাছে-গিয়ে-শিশুর-মৃত্যু
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা খোরশেদুল ইসলাম বলেন, ‘শিশু সাব্বিরকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার আগেই মারা যায়। ভুল চিকিৎসার কারণে এমনটা হয়ে থাকতে পারে। কারণ পরিবারের সদস্যরা বলছেন, দুটি ইনজেকশন পুশ করা হয়েছিল।’

নওগাঁর মহাদেবপুরে পল্লি চিকিৎসকের ভুল ইনজেশনে শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। শিশুটির দাঁতের সমস্যা থাকায় ওই চিকিৎসকের কাছে নেয়া হয়েছিল বলে জানায় তার পরিবার।

উপজেলার হাতুর গ্রামে রোববার বেলা ১১টার দিকে মারা যায় চার বছরের সাব্বির রহমান। সে পত্নীতলা উপজেলার চান্দুইল গ্রামের ছানোয়ার হোসেনের ছেলে।

মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা খোরশেদুল ইসলাম শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভুল চিকিৎসায় এমনটা হয়ে থাকতে পারে। আর মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজম উদ্দিন মাহমুদ জানান, মৃত্যুর কারণ বের করতে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে।

শিশুর বাবা ছানোয়ার হোসেন বলেন, তার ছেলের দাঁতের ব্যথা ছিল। তাকে নিয়ে রোববার সকালে উপজেলার হাতুর গ্রামের আশা ডেন্টাল কিওর হোমের পল্লি চিকিৎসক প্রদীপ কুমার মণ্ডলের কাছে নেন। প্রদীপ জানান, শিশু সাব্বিরের একটি দাঁত তুলে ফেলতে হবে। সে জন্য দুটি ব্যথানাশক ইনজেকশন পুশ করতে হবে।

ছানোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমি এর আগে বেশ কয়েকবার পল্লি চিকিৎসক প্রদীপের কাছে ছেলের দাঁতের চিকিৎসার জন্য গেছি। কিন্তু দাঁতের ব্যথা ভালো না হওয়ায় আজ আবার গেছি। দুটি ইনজেকশন পুশ করে দাঁত তুলে ফেলার পর আমার ছেলে খিঁচুনি দিয়ে মাটিতে পড়ে যায়। ওই চিকিৎসক তখনই দ্রুত পালিয়ে যায়।

‘ছেলেকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিলে সেখানকার ডাক্তার জানান অনেক আগেই আমার ছেলে মারা গেছে। আমার ছেলেকে ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলেছে ওই চিকিৎসক। সঠিক চিকিৎসা দিতে না পারলে তিনি বলতে পারতেন আমরা অন্য কোথায় গিয়ে চিকিৎসা করাতাম। ওই পল্লি চিকিৎসকের কঠিন শাস্তি চাই। আর যেন কোনো শিশুকে আমার ছেলের মতো ভুল চিকিৎসায় মরতে না হয়।’

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা খোরশেদুল ইসলাম বলেন, ‘শিশু সাব্বিরকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার আগেই মারা যায়। ভুল চিকিৎসার কারণে এমনটা হয়ে থাকতে পারে। কারণ পরিবারের সদস্যরা বলছেন, দুটি ইনজেকশন পুশ করা হয়েছিল।

‘হয়তো হাইপার সেনসিটিভ বা নিউরোজেনিক শকের কারণেও হতে পারে। সাব্বিরের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’

মহাদেবপুর থানার ওসি আজম উদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘শিশুর বাবা থানায় মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন। ঘটনাটি আমরা তদন্ত করছি।’

আরও পড়ুন:
পুকুরে মিলল দুই শিশুর দেহ
রোগীকে লাঞ্ছনার ভিডিও ভাইরাল
নারী চিকিৎসক হত্যায় রেজার স্বীকারোক্তি
‘ফেসবুকে পরিচয়ে বিয়ে, হত্যার নেপথ্যে রেজাউলের একাধিক সম্পর্ক’
‘রেজাউলের সঙ্গেই হোটেলে যান জান্নাতুল’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
A person was burnt in a gas fire in Dakshinkhane

দক্ষিণখানে গ‍্যাসের আগুনে এক ব‍্যক্তি দগ্ধ

দক্ষিণখানে গ‍্যাসের আগুনে এক ব‍্যক্তি দগ্ধ
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন এস এম আই হোসেন বলেন, ‘রাজধানীর দক্ষিণখান থেকে আগুনে দগ্ধ একজন রোগী এখানে আনা হয়েছে। বাবুল মিয়া নামের ওই রোগীর শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক, যেহেতু তার শ্বাসনালী পুড়ে গেছে।’

রাজধানীর দক্ষিণখানে একটি টিনশেড বাড়িতে জমে থাকা গ্যাসের আগুনে বাবুল মিয়া নামে এক ব্যক্তি দগ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে দক্ষিণখানের আটিপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনার পর তাকে দ্রুত উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন এস এম আই হোসেন বলেন, ‘রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকা থেকে আগুনে দগ্ধ একজন রোগী এখানে আনা হয়েছে। বাবুল মিয়া নামের ওই রোগীর শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক, যেহেতু তার শ্বাসনালী পুড়ে গেছে।’

আহত ব্যক্তির স্ত্রী সমলা বেগম বলেন, ‘দক্ষিণখান আটিপাড়া বড়বাগ মহিলা মার্কেটের পাশে মামুনের টিনশেড বাড়িতে স্বামী ও সন্তান নিয়ে রাতে ঘুমিয়ে ছিলাম। রাতে আমার স্বামী রান্না ঘরে গিয়ে গ্যাস লাইটার জ্বেলে মশাল কয়েল ধরাতে গেলে আগুন ধরে যায়। এতে তিনি দগ্ধ হন। পরে প্রতিবেশীরাসহ আমরা তাকে উদ্ধার করে রাতেই বার্ন ইউনিটে নিয়ে আসি। আমরা ধারণা করছি, জমে থাকা গ্যাসের আগুনেই তিনি দগ্ধ হয়েছেন।’

তিনি জানান, আহত বাবুল মিয়ার বাড়ি গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার টেংরা গ্রামে। বাবার নাম হযরত আলী। পেশায় রিকশার মেকানিক।

আরও পড়ুন:
‘দুর্বৃত্তের’ আগুনে দগ্ধ দম্পতি: মারা গেছেন স্ত্রী
দুর্বৃত্তের আগুনে গুরুতর দগ্ধ দম্পতি
ডেসটিনির গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে
সিলিন্ডারের আগুনে পুড়ে ছাই বসতঘর
চীনে নিভেছে জ্বলতে থাকা সেই ভবনের আগুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dengue patient admission record this year

হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির রেকর্ড

হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির রেকর্ড হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত সন্তানের সেবায় মা ও পরিবারের সদস্যরা। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ৩২৫ জন এবং ঢাকার বাইরে ১১৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

দেশে চলতি বছর এক দিনে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৪৪০ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছরে এক দিনে এটিই সর্বোচ্চ রোগী ভর্তির রেকর্ড।

রেকর্ড ভর্তির দিনে অবশ্য ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যুর খবর দেয়নি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে শনিবার এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ৩২৫ জন এবং ঢাকার বাইরে ১১৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৬২৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ২৭২ জন এবং ঢাকার বাইরে ৩৫৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৩ হাজার ৪৪০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ৪৩৪ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ৬ জন।

একই সময়ে সারা দেশে ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৭৬২ জন। এর মধ্যে ঢাকায় বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯ হাজার ১৩৯ জন এবং ঢাকার বাইরে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২ হাজার ৬২৩ জন।

আরও পড়ুন:
নগরে এডিস মশার লার্ভা, দেড় লাখ টাকা জরিমানা
ডেঙ্গু বাড়ছে কলকাতাতেও
এক দিনে ডেঙ্গুতে ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ৩৪৫
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ঢাকা উত্তরে সপ্তাহব্যাপী অভিযান
ডেঙ্গু পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে: তাপস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Delivery after leaving the hospital

হাসপাতাল থেকে বের হয়েই প্রসব

হাসপাতাল থেকে বের হয়েই প্রসব
রিতুর স্বামী সাগর আলী ঘটনাটি জানিয়ে বলেন, ‘যদি বাচ্চার সমস্যা থাকত তাহলে নরমাল ডেলিভারি হয় কীভাবে? চিকিৎসক ও নার্সরা চেষ্টা করলে খোলা মাঠে সন্তান জন্মের ঘটনা ঘটত না।’

প্রসবব্যথা ওঠায় কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান রংপুরের পীরগাছার রিতু আক্তার। গর্ভের সন্তান উল্টে আছে জানিয়ে তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার কথা বলে ছাড়পত্র দেয়া হয়। হাসপাতাল থেকে বের হয়ে মাঠেই সন্তান প্রসব করেন রিতু।

শুক্রবার দুপুরে ঘটে যাওয়া এ ঘটনার স্থানীয়ভাবে তোলা ছবি ও তথ্যের পোস্ট ভাইরাল হয়েছে ফেসবুকে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

রিতুর সঙ্গে থাকা স্বজনরা জানান, শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। নার্সরা সেখানে নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করেন। কিন্তু গর্ভে শিশু উল্টো হয়ে আছে বলে রিতুকে রংপুর মেডিক্যালে যেতে বলা হয়। ওই হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হলে রিতুকে নিয়ে স্বজনরা রংপুর মেডিক্যালে যেতে রওনাও দেন।

তবে প্রসবব্যথা বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালের মাঠেই বসে পড়েন রিতু। সেখানেই জন্ম নেয় তার সন্তান।

রিতু স্বামী সাগর আলী ঘটনাটি জানিয়ে বলেন, ‘যদি বাচ্চার সমস্যা থাকত তাহলে নরমাল ডেলিভারি হয় কীভাবে? চিকিৎসক ও নার্সরা চেষ্টা করলে খোলা মাঠে সন্তান জন্মের ঘটনা ঘটত না। তাদের অবহেলায় এই ঘটনা ঘটছে।’

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মীর হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঘটনা ঘটেছে এটা সত্য। এটাও সত্য যে তারা রংপুর মেডিক্যালে যেতে চাইছিল তাই রেফার করা হয়েছে।

‘ওই সময়ে আমাদের নার্সরা ওয়ার্ডে ছিলেন। পরে মা ও সদ্য জন্ম হওয়া শিশুকে ওয়ার্ডে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।’

তিনি জানান, সুস্থ থাকায় বিকেলে মা ও নবজাতককে স্বজনরা বাড়ি নিয়ে যান। কেউ এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ জানাননি।

আরও পড়ুন:
মাতৃত্বের শক্তির কাছে পরাজিত হলো লোকনিন্দার ভয়
যমজ নবজাতকের মৃত্যু: ধাত্রীই চালাতেন সেই ক্লিনিক
‘অপরিণত হওয়ায়’ সেই যমজ নবজাতকের মৃত্যু
‘বিলের জন্য অক্সিজেন খুলে নেয়ায়’ যমজ নবজাতকের মৃত্যু
গর্ভের সন্তান নষ্ট হওয়ায় নার্স বেশে নবজাতক চুরি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Lives will be saved through cadaveric transplant

‘ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্টের মাধ্যমে বাঁচবে প্রাণ’

‘ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্টের মাধ্যমে বাঁচবে প্রাণ’ ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট-সংক্রান্ত গোলটেবিল বৈঠক। ছবি: সংগৃহীত
অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্টের কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। খুব দ্রুত দেশে এর কাজ শুরু হবে। সব শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণে এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে বলে বিশ্বাস করি।’

দেশে ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্টের কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। খুব দ্রুত দেশে এর কাজ শুরু হবে। এ কথা জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট সেলের সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান দুলাল।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট-সংক্রান্ত একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় শহীদ ডা. মিল্টন হলে জাতীয় ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট কমিটির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় সেল এই আয়োজন করে।

ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট হলো সদ্যমৃত কোনো মানুষের দেহ থেকে কিডনি, হৃৎপিণ্ড, অন্ত্র, অগ্ন্যাশয় প্রতিস্থাপন।

এর আগে ২২ জুন ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্টের মাধ্যমে বহু মরণাপন্ন মানুষের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব বলে মন্তব্য করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট সেলের সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান দুলাল বলেন, ‘জাতীয় ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট জাতীয় কমিটির সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. শারফুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে আমাদের দেশে ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্টের কাজ অনেক দূর এগিয়েছে এবং খুব দ্রুত দেশে ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট শুরু হবে। সব শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণে এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে বলে বিশ্বাস করি।’

বৈঠকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানেসথেসিয়া অ্যানালজেসিয়া অ্যান্ড ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

গোলটেবিল বৈঠকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও বারডেম হাসপাতালের চিকিৎসকরা অংশগ্রহণ করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chevron fined for testing expired machines

মেয়াদোত্তীর্ণ মেশিনে পরীক্ষা, শেভরনকে জরিমানা

মেয়াদোত্তীর্ণ মেশিনে পরীক্ষা, শেভরনকে জরিমানা চট্টগ্রামের শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিকে জরিমানা করেছে ভোক্তা অ‌ধিকার সংরক্ষণ অ‌ধিদপ্তর। ছবি: নিউজবাংলা
‘অভিযানে শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট মেশিনে পরীক্ষার প্রমাণ পেয়ে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

চট্টগ্রামে মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট মেশিনে রোগীর পরীক্ষার প্রমাণ পেয়ে শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অ‌ধিকার সংরক্ষণ অ‌ধিদপ্তর।

নগরীর ওআর নিজাম রোডে বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই ক্লিনিকে অভিযান চালিয়ে জরিমানা হয়।

এ সময় শ্রেষ্ঠা মেডিসিন কর্নার নামে একটি দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন জাতীয় ভোক্তা অ‌ধিকার সংরক্ষণ অ‌ধিদপ্তরের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নাসরিন আক্তার।

তিনি বলেন, ‘অভিযানে শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট মেশিনে রোগীর পরীক্ষার প্রমাণ পেয়ে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

‘এ সময় শ্রেষ্ঠা মেডিসিন কর্নার নামে একটি দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পেয়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের একটি দল অভিযানে অংশ নেয় বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
ডিজেল-পেট্রল মজুত, ৩ ব্যবসায়ীকে জরিমানা
অনুমোদন না নিয়ে শিশুখাদ্য তৈরি, জরিমানা
মাপে ঠকিয়ে ফিলিং স্টেশনের লাখ টাকা জরিমানা
তরকারিতে তেলাপোকাকাণ্ড
ছত্রাক ধরা মিষ্টি, নষ্ট জিলাপি ও ভেজাল দই বিক্রি, জরিমানা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
2 deaths in dengue hospital admission 437

ডেঙ্গুতে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৩৭

ডেঙ্গুতে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৩৭ ছবি: সংগৃহীত
বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৫২৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ১৮৩ জন এবং ঢাকার বাইরে ৩৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৪৩৭ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ বছরে এক দিনে এতসংখ্যক রোগী আর পাওয়া যায়নি।

একই সময়ে ডেঙ্গুতে দুজনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ৩০৬ জন এবং ঢাকার বাইরে ১৩১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৫২৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ১৮৩ জন এবং ঢাকার বাইরে ৩৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় দুজন নিয়ে এ বছর ডেঙ্গুতে মোট ৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১২ হাজার ৮৭৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ১৭ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ৮৫৮।

একই সময়ে সারা দেশে ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে ঢাকায় বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮ হাজার ৮১৩ জন এবং ঢাকার বাইরে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২ হাজার ৪৮৫ জন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Corona death 1 detected 678

করোনায় মৃত্যু ১, শনাক্ত  ৬৭৮

করোনায় মৃত্যু ১, শনাক্ত  ৬৭৮ ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ৭৯৮টি নমুনা পরীক্ষা করে শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ১৩ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৭৮ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। আগের দিন রোগী শনাক্ত হয়েছিল ৬৪১ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বৃহস্পতিবার জানায়, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ৭৯৮টি নমুনা পরীক্ষা করে শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ১৩ শতাংশ, যা আগের দিন বুধবার ছিল ১৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

এ সময়ে করোনাভাইরাসে একজনের মুত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ২০ লাখ ২০ হাজার ১৪৮ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়ে একজনের মৃত্যুসহ মোট মৃত্যু ২৯ হাজার ৩৪৬ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৩৩৯ জন।

টানা ১৫ দিন ধরে করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকায় দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হয় রোববার।

দেশে করোনার চতুর্থ ঢেউ শুরুর পর ১১ আগস্ট প্রথমবারের মতো শনাক্ত হার ৫ শতাংশের নিচে নামে। ওইদিন ৪ হাজার ৮০৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ছিল ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ। তার পর থেকে এই হার ওঠানামা করলেও তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়নি।

কিন্তু ৫ সেপ্টেম্বর থেকে বদলে যায় দৃশ্যপট। বাড়তে থাকে করোনা সংক্রমণ। ১৪ দিন ধরে তা ঊর্ধ্বমুখী। মাঝে এক-দুদিন শনাক্তের হার কমলেও তা কখনও ৫-এর নিচে নামেনি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলা যায়।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২০ হাজার ১৪৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২২০ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬১ হাজার ৮১৯ জন।

মন্তব্য

p
উপরে